Marcel Damkura

Marcel Damkura Electronics Shop

15/07/2026
14/07/2026
12/07/2026

এই লোকটাকে চিনে রাখুন। ইনি সরকারি কাজের খরচ বাঁচিয়ে কোষাগারে ফেরত পাঠিয়েছেন ৭৩ লাখ টাকা!

ফরিদপুর সালথার ইউএনও মো. দবির উদ্দিন। তিনি প্রমাণ করলেন সবাই এক নয়!

​সাড়ে ৪ কিলোমিটারের একটা খাল খনন প্রজেক্টে ১ কোটি ৬৭ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিলো। ৩ মাস ধরে নিজে রোদে পুড়ে, মাঠে দাঁড়িয়ে কাজ তদারকি করেছেন।

আর কাজ শেষে ​শ্রমিকদের পাওনা বুঝিয়ে দিয়ে, সব খরচ মিটিয়ে বাকি টাকা নিজের পকেটে নয়, সোজা সরকারি কোষাগারে ফেরত পাঠিয়েছেন ৭৩ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৫ টাকা!

এক কোটি টাকার প্রজেক্টে প্রায় ৭৩ লাখ টাকাই বাঁচিয়ে দিয়েছেন! একেই বলে সত্যিকারের রিয়েল লাইফ হিরো। দেশের প্রতিটা উপজেলায় এমন একজন করে অফিসার থাকলে আমাদের দেশটা বদলে যেতে বাধ্য।

​কাজের ফিনিশিং এতটাই সুন্দর হয়েছে যে খোদ জেলা প্রশাসক আর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এসেও ওনার প্রশংসা করে গেছেন। অথচ তিনি চাইলে এই টাকা অন্য কোনো খাতে দেখিয়ে দিতে পারতেন। কিন্তু তিনি বেছে নিয়েছেন সততার পথ।

​ দবির উদ্দিন-এর নিজের কথাই হলো, সরকারি অর্থের সুষ্ঠু ব্যবহারই সুশাসনের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

বাহ! কি চমৎকার মানুষ!
​আপনিই আমাদের আসল হিরো! আল্লাহ আপনাকে সবসময় ভালো রাখুক।🌻

10/07/2026

ভাবকি মধুপুর তিন দিনব্যাপী ডে নাইট খেলার শেষের দিনের কিছু অংশ |

10/07/2026
10/07/2026
10/07/2026

প্রতিটি পিতা-মাতা তার ছেলে মেয়েদের খুশিতে তারা আনন্দিত হয় | #পিতা-মাতার আত্মতৃপ্তি @আমার ছেলে মেয়েদের দোলনায় খেলাধুলা #

10/07/2026

২৫ বছর ধরে পুরো দেশ শাসন করে যখন অবসরে গেলেন, দেখা গেলো তার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট শূন্য!!
আফ্রিকার রাজনীতির ইতিহাসে কালজয়ী নাম জুলিয়াস নায়েরে। 🖤

আজকের দিনে মন্ত্রী-নেতাদের পেছনে গাড়ির বহর আর বিলাসবহুল লাইফস্টাইল যেখানে স্বাভাবিক, নায়েরে তখন এর উল্টো স্রোতে হেঁটেছেন।
​
তাঞ্জানিয়াতে স্বাধীনতার পর একদল সরকারি কর্মকর্তা দামি মার্সিডিজ-বেঞ্জ গাড়ি চড়া শুরু করেন। নায়েরে অত্যন্ত বিরক্ত হয়ে সোয়াহিলি ভাষায় একটা নতুন ব্যঙ্গাত্মক শব্দ তৈরি করেন,ওয়াবেনজি।
যার অর্থ, যারা মার্সিডিজ বেঞ্জে চড়ে ঘুরে বেড়ায়।
​
তিনি সরকারি কর্মকর্তাদের জন্য সব ধরনের বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি এবং অতিরিক্ত সুযোগ-সুবিধা আইনিভাবে নিষিদ্ধ করে দেন।
উনার স্পষ্ট কথা ছিলো,যে দেশের সাধারণ মানুষ দুবেলা ঠিকমতো খেতে পায় না, সেই দেশের নেতাদের পকেটে জনগণের টাকা উপচে পড়তে পারে না।

১৯৮৫ সালে দীর্ঘ ২৪-২৫ বছর ক্ষমতায় থাকার পর তিনি যখন স্বেচ্ছায় ক্ষমতা ছেড়ে দেন যা আফ্রিকার ইতিহাসে অত্যন্ত বিরল।

তখন পুরো বিশ্ব অবাক হয়ে দেখেছিলো, দেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং এত লম্বা সময় রাষ্ট্রপতি থাকার পরও তাঁর ব্যাংক অ্যাকাউন্ট বলতে গেলে পুরোপুরি খালি ছিলো।

​ক্ষমতা ছাড়ার পর নিজের গ্রামে থাকার মতো কোনো ভালো বাড়ি তাঁর ছিলো না। পরবর্তীতে তাঞ্জানিয়ার সেনাবাহিনী ভালোবেসে উনার নিজের গ্রাম বুটোয়ামা-তে একটা সাধারণ বাড়ি তৈরি করে দিয়েছিলো। এমনকি সেই বাড়ির ছাদ সংস্কার করার জন্যও উনাকে ব্যাংক থেকে লোন নিতে হয়েছিলো!

​ জীবনের শেষ দিনগুলো তিনি একজন সাধারণ কৃষকের মতো নিজের জমিতে কোদাল চালিয়ে, চাষবাস করে কাটিয়েছেন।

জুলিয়াস নায়েরে কেবল একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন পেশাদার শিক্ষক।
এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা নিয়ে তিনি যখন দেশে ফেরেন, তখন শিক্ষকতা শুরু করেন।

পরবর্তীতে দেশের স্বাধীনতার জন্য রাজনীতিতে এলেও মানুষ তাঁকে ভালোবেসে 'মুয়ালিমু' বলে ডাকতো।
সোয়াহিলি ভাষায় যার অর্থ শিক্ষক।
রাষ্ট্রপতি হওয়ার পরও তিনি এই পরিচয়টাই সবচেয়ে বেশি গর্বের সাথে ধারণ করতেন।🌻

জুলিয়াস নায়েরে বিশ্বাস করতেন, আফ্রিকার উন্নয়ন পশ্চিমাদের অন্ধ অনুকরণে হবে না, বরং নিজেদের সমাজ ও পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে হবে।
যদিও এই মডেলের অর্থনৈতিক সাফল্য নিয়ে নানা বিতর্ক আছে, কিন্তু এর মাধ্যমে তিনি তাঞ্জানিয়ার শত শত উপজাতির মধ্যে এমন এক অভাবনীয় ঐক্য তৈরি করেছিলেন, যার ফলে আফ্রিকার অন্যান্য দেশের মতো তাঞ্জানিয়াতে কখনো জাতিগত দা** বা গৃহযু** হয়নি।

অনেকে জুলিয়াস নায়েরে-কে ফকির রাজা বলেন। কিন্তু এই মানুষটি প্রমাণ করে গেছেন নেতৃত্ব মানে ক্ষমতার বড়াই নয়, নেতৃত্ব মানে পদের চেয়ে নিজের আদর্শকে উঁচুতে রাখা। 🖤

Address

Damkurahat
Rajshahi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Marcel Damkura posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share