Success Learning Club

Success Learning Club Success Learning Club is one of the emerging organizations of the entire West Bengal which is successfully providing Programming and Digital Marketing courses.

Thus, paving the way for establishing a career in Freelancing for thousands.

অনলাইন আয় এর সেরা ১০টি উপায়অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে কে না চায়! সবারই ইচ্ছে থাকে অনলাইন থেকে কিছু আয় করার। অনলাইন ইনকা...
23/01/2022

অনলাইন আয় এর সেরা ১০টি উপায়
অনলাইন থেকে টাকা ইনকাম করতে কে না চায়! সবারই ইচ্ছে থাকে অনলাইন থেকে কিছু আয় করার। অনলাইন ইনকাম সোর্স অনেক আছে। কিন্তু তারমধ্যে ভালো বা খারাপও আছে।

আমরা আজকের এই পোস্টে এমন ১০টি অনলাইন ইনকামের উপায় জানব যেগুলো থেকে আপনি যেমন অনেকটা নিশ্চিন্তে আয় করতে পারবেন, একই রকমভাবে স্বচ্ছলভাবে আয়ও করতে পারবেন।

বর্তমানে অসংখ্য মাধ্যম আছে অনলাইনে যেখান থেকে আপনি ইনকাম করতে পারবেন। এর মধ্যে থেকে সেরা ১০ টি উপায় নিচে দেয়া হলোঃ

১। ব্লগিং (Blogging) করে আয়
ব্লগিং অনলাইন আয়ের বেশ পুরাতন কিন্তু অনেক কার্যকরী একটা পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে বেশ ভালো অঙ্কের একটা টাকা প্রতি মাসেই ইনকাম করা সম্ভব।

এটি মূলত একটি ডিজিটাল নিউজ পেপার এর মতো। আপনি আপনার মন মতো কোনো একটি বিষয় নিয়ে লিখবেন। যার ওই বিষয়টি জানার দরকার সে এসে পড়ে যাবে।

আপনি এখন যে লেখাটি পড়ছেন এটিও একটি ব্লগ। অতএব বুঝতেই পারছেন বিষয়টা। লেখালেখি যদি আপনার আগ্রহ থাকে, তাহলে আপনি খুব সহজেই এখান থেকে ইনকাম করতে পারেন।

আপনার যে বিষয়ে আগ্রহ, জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা বেশি সে বিষয়ে ব্লগিং করলে তা সবথেকে বেশি কাজে দেয়।

তাই আপনি যে বিষয়ে পারদর্শী সেই নিশেই (niche) কাজ করতে পারেন। নিশ(niche) বলতে মূলত নির্দিষ্ট কিছু বিভাগ বোঝায় যেমন, খেলাধুলা, টেকনোলজি, আইন, রান্না, জীবনী, ভ্রমন, ইত্যাদি। উদাহরণ স্বরূপ ভ্রমনের ক্ষেত্রে আপনি কোনো এক জায়গায় ভ্রমনে গিয়ে কি কি অভিজ্ঞতা হয়েছিলো সেটি নিয়ে একটি বিস্তারিত ব্লগ লিখে ফেলতে পারেন।

এখন মূল বিষয় হলো আপনি কোথায় লেখা লিখি করবেন। এক্ষেত্রে সব থেকে ভালো হয় আপনি যদি একটি ব্লগ সাইট নিজে বানিয়ে নিতে পারেন। এখন অনেক সহজে কোনো খরচ ছাড়াই ব্লগ সাইট বানানো যায়। তবে ফ্রি সাইটগুলো কে মানুষ একটি কম বিশ্বাস করে।

তাই আমাদের পরামর্শ থাকবে প্রথমে কিছু টাকা খরচ করে ডোমেন কিনে হোস্টিং ঠিক করে আকর্ষণীয় একটি সাইট তৈরি করুন। এরপর ওখানে লেখা লেখি শুরু করুন। দেখবেন বেশ ভালো ফল পাচ্ছেন।

একটি ডট কম ডোমেন কিনবেন সাথে এক জিবি হোস্টিং এবং একটি ফ্রি থিম। এই তিনটা জিনিসই আপনার ব্লগিং শুরু করার জন্য যথেষ্ট। এক্ষেত্রে আপনার তিন হাজার টাকা মতো খরচ হতে পারে।

এইভাবে খরচ করে ব্লগিং করলে আপনার ব্র্যান্ডিং টা ভালো হবে এবং ইনকাম এর পরিমানও অনেক বেশি হবে ফি সাইটের তুলনায়। আর ভবিষ্যতে আপনার সাইট এর দামও অনেক হবে। ক্ষেত্র বিশেষে একটি ভালো সাইটের মূল্য কয়েক লক্ষ্য পর্যন্ত হয়ে যায়।

আর ফ্রি সাইট গুলোর ক্ষেত্রে আপনাকে পুরো ডোমেইন দিবে না গুগোল। আপনি সেক্ষেত্রে পাবেন সাব ডোমেইন। এভাবে ব্লগ সাইট খোলার ক্ষেত্রে আপনি খুব সহজেই ব্লগস্পট দিয়ে ১০ মিনিটেই একটি ব্লগসাইট খুলতে পারেন।

আর এক্ষেত্রে আপনি মোবাইল এবং কম্পিউটার উভয় মাধ্যমেই কাজ করতে পারেন। তাই যারা মোবাইলে অনলাইন ইনকামের কথা ভাবছেন, তাদের জন্যও এটি একটি সেরা সুযোগ হতে পারে।

তবে এতো কিছুর পাশাপাশি আপনার যদি ডিজিটাল মার্কেটিং এর উপর কিছুটা ধারনা থাকে তাহলে কিন্তু আপনি খুব সহজেই আপনার সেই ব্লগে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক বা ভিজিটর আনতে পারবেন। যার মাধ্যমে আপনি কিন্তু আপনার ইনকামের পরিমাণ বহুগুণে বাড়িয়ে ফেলতে পারবেন খুব সহজেই।

২। ফ্রিলান্সিং (Freelancing) করে আয়
অনলাইনে যে পদ্ধতিতে সবথেকে বেশি মানুষ রোজগার করে সেটি হলো ফ্রিলান্সিং। বাংলদেশের বেকারত্ব কমাতে এই খাতটি অনেক বড় ভুমিকা পালন করছে এবং সাথে সাথে অনেক দক্ষ মানুষ এই খাতে কাজ করে আমাদের দেশকে রিপ্রেসেন্ট করছে ।

পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশকে তুলে ধরছে। আসলে বিশ্বের অনেক বড় বড় দেশের মানুষের জানতোই না যে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ বলে একটা দেশ আছে। সেসব মানুষের কাছে বাংলাদেশকে পরিচিত করছে আমাদের দেশের ফ্রিল্যান্সারগণ।

সাথে সাথে প্রতি মাসে মিলিয়ন মিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স তারা এনে দিচ্ছে বাংলাদেশে। তাই এই ফ্রিলান্সিং এ যোগদান করে আপনি টাকা আয় করার পাশাপাশি এই গৌরবেরও অংশীদার হতে পারবেন।

এখন আসি কিভাবে শুরু করবেন এই কাজ। ফ্রিলান্সিং বলতে মুলত বিভিন্ন ধরনের কাজ যে কাজে আপনি দক্ষ সে কাজটি একটি নির্দিষ্ট পারিশ্রমিক এর বিনিময়ে করে দেয়া।

এখানে আপনার কাজ করার এবং আপনার যে ইমপ্লয়ার (Employer) তার নির্দিষ্ট কোনো জায়গা নাই। আপনি ঘরে বসেই আপনার কাজ সম্পাদন করতে পারবেন এবং আপনার ক্লায়েন্ট হবে বিভিন্ন দেশের। সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন হতে থাকবে।

যাহোক, সবার প্রথমে এখানে আপনার দরকার একটি নির্দিষ্ট বিষয় দক্ষতা। এটা হতে পারে গ্রাফিক্স ডিজাইনিং (Graphics Design), হতে পারে ফটো এডিটিং (Photo Editing), হতে পারে ওয়েব ডিজাইনিং (Web Design), ওয়েব সাইট মেকিং (Website Making), কপি রাইটিং (Copywriting), কন্টেন্ট রাইটিং (Content Writing), লোগো ডিজাইন (Logo Design), ইত্যাদি।

এসবের যেকোনো একটি কাজে আপনি দক্ষতা অর্জন করতে পারলেই আপনি ফ্রিলাঞ্চিং করতে পারবেন। আপনি যদি একাধিক কাজ পারেন সেক্ষেত্রে আপনার টাকা ইনকামের সুযোগ বেশি হয়ে যায়।

কাজ শেখার পর আপনাকে বিভিন্ন ফ্রিলান্সিং সাইটে (যেমন- Freelancer, Upwork, Fiver, ইত্যাদি) আপনার তথ্য দিয়ে অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। এর পরে আপনি কোন কোন কাজে পারদর্শী সেগুলো ওই সাইটে মেনশন করে দিতে হবে।

তবে একটা বিষয় আপনাকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে। বর্তমান সময়ে অনলাইন ইনকাম সাইট অনেক আছে। কিন্তু সঠিক ও ভালো মানের সাইট খুব একটা নেই।

তাই যেকোনো ওয়েবসাইটে কাজ শুরু করার আগে অবশ্যই ভালো ভাবে সাইটটি দেখে নিবেন। যদি সব কিছু দেখে আপনার কাছে ভালো বলে মনে হয় কেবল তাহলেই আপনি সেই সাইটে কাজ করা শুরু করবেন।

তারপর, আপনি যে কাজ পারেন তার প্রমানের জন্য আপনার পূর্বেই সম্পাদিত কোনো কাজ থাকলে সেটা পোর্টফোলিও আকারে ওই ওয়েবসাইটে সাজিয়ে রাখতে হবে। এতে করে আপনার ক্লায়েন্ট এসে আপনার পোর্টফলিও দেখে পছন্দ করলে আপনাকে কাজে নিয়োজিত করবে।

এক্ষেত্রে আমাদের পরামর্শ থাকবে অবশ্যই ভালো একটা পোর্টফলিও তৈরি করার জন্য কারন বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই নতুন হিসাবে ওই পোর্টফোলিও গুলোই আপনাকে কাজ পেতে সহায়তা করবে।

প্রথম প্রথম আপনাকে কাজ পেতে একটি অসুবিধা হতে পারে। সেক্ষেত্রে আপনার পরিচিত কেও যদি ফ্রিলান্সার থাকে তার রেফারেন্স নিতে পারেন।

এই রেফারেন্স এর মাধ্যমে কাজ পেয়ে আপনার প্রথম ক্লায়েন্ট যখন আপনাকে ভালো একটা রিভিউ দিবে, তখন দেখবেন কাজ আসতেই থাকবে।

এছাড়াও প্রথমে গিয়ে বিভিন্ন কন্টেস্টে অংশগ্রহন করতে পারেন। ওখান থেকেও ক্লায়েন্ট পেতে পারেন। আমাদের মতে ফ্রিলান্সিং এর ক্ষেত্রে প্রথম কাজটা পাওয়াই একটু কঠিন।

৩। ইউটিউবিং করে আয়
বাংলাদেশের অনেক বড় বড় ইউটিউবার আছে। এদের কারো কারো মাসের ইনকাম ৪০ থেকে ৫০ লক্ষ টাকা পর্যন্ত। আপনিও কিন্তু চাইলেই ইউটিউব ভিডিও বানিয়ে ইনকাম করা শুরু করতে পারেন।

এই ভিডিও বানাতে আপনার ক্যামেরা না থাকলেও চলবে। প্রথমে অনেক বড় বড় ইউটিউবার-ই মোবাইল দিয়ে ভিডিও করে শুরু করে তাদের ইউটিউব যাত্রা। তারপরে সফল হওয়ার পরে এখন তারা দামি দামি গেজেট ব্যবহার করে।

আপনার কন্টেন্ট যদি ভালো থাকে, প্রয়োজনীয় বিষয় নিয়ে যদি আপনি ভিডিও বানাতে পারেন, তাহলে খুব তাড়াতাড়িই আপনি ভিউয়ার পেয়ে যাবেন।

তবে এক্ষেত্রে একটি ছোট্ট বিষয় টিপস দিয়ে রাখি আপনাদের। আপনারা যদি সত্যিই প্রফেশনালভাবে ইউটিউবে কাজ করতে করতে চান তাহলে ভিডিওর অডিও ও ভিডিও এডিটিং খুবই ভালো ভাবে করতে হবে।

তারপরে সর্বনিম্ন এক হাজার সাবস্ক্রাইবার হয়ে গেলে এবং ন্যূনতম ভিউ টাইম হয়ে গেলে আপনি মানিটাইজেশন এর জন্য আবেদন করতে পারবেন। এর পরে প্রতিটা ভিডিওতে মানিটাইজেশন একটিভেট করে নিলেই আপনার ইনকাম শুরু হয়ে যাবে।

এছাড়াও বর্তমানে ইউটিউব কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে ছাড়াও আপনি বিভিন্ন জায়গা থেকে স্পন্সারের মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারেন। দেখা গেলো কোনো একটা কোম্পানি কোনো একটা পন্যের মার্কেটিং এর জন্য আপনার ভিডিও তে তার ওই পন্য বিজ্ঞাপন দেয়ার জন্য বললো। আপনি এক্ষেত্রে বিজ্ঞাপন দিতে সম্মতি প্রকাশ করলে আপনাকে আপনার চাহিদা অনুযায়ী সে পেমেন্ট করবে।

৪। ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম
ভিডিও দেখে অনলাইন ইনকাম করার বিষয়টি হয়ত অনেকেই জানেন না। সত্যি কথা বলতে অনলাইন থেকে ভিডিও দেখে ইনকাম করার বিষয়টি অনেকের কাছে অবাক লাগলেও ঘটনাটি কিন্তু সত্যি। বর্তমানে এমন কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে আপনাকে প্রতিদিন ভিডিও দেখার জন্য পেমেন্ট করা হবে।

তবে মনে রাখবেন, অনলাইনে ভিডিও দেখে ইনকাম করার মতো স্ক্যাম বা ভূয়া সাইট রয়েছে। যারা আপনাকে দিয়ে ভিডিও দেখিয়ে পরবর্তীতে কোনো পেমেন্ট করবে না। এ ধরনের প্রতারণার হাত থেকে বাচঁতে অবশ্যই আপনাকে অনলাইন জগতে সব সময় সর্তক থাকতে হবে।

সাধারনত এই ধরনের ওয়েবসাইটগুলো বিভিন্ন ধরনের চটকদারী বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের মাধ্যমে আপনাকে চেষ্টা করবে তাদের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনাকে ভিডিও দেখিয়ে আয় করার ফাঁদে ফেলার। একটা বিষয় সব সময়ই মনে রাখবেন। অনলাইনে কখনই কোনো ওয়েবসাইট আপনাকে ভিডিও দেখে খুব বেশি পেমেন্ট করবে না।

যখনই দেখবেন কোনো ওয়েবসাইট মাত্রাতিরিক্ত পেমেন্ট করার কথা বলছে কিংবা কোনো চটকদারী বিজ্ঞাপনের কথা বলে আপনাকে তাদের ওয়েবসাইটে আয়ের কথা বলছে; তখনই ওয়েবসাইটটিকে খুব ভালো ভাবে দেখে শুনে যদি সত্যিকার অর্থেই আসল বলে মনে হয় তখন কাজ করা শুরু করবেন; অন্যথায় নয়।

৫। ওয়েবসাইট (Website) বানিয়ে আয়
আপনি হয়তো জেনে থাকবেন একটি ভালো ওয়েবসাইটের দাম লাখ টাকা ছাড়িয়ে যায়। আপনিও চাইলে এরকম ওয়েবসাইট বানাতে পারেন এবং সেটি সচল করে অনেক বেশি দামে বিক্রি করে দিতে পারেন। ওয়েবসাইট বানানো বর্তমানে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলার মতোই সহজ। যে কেউ চাইলেই করতে পারেন।

কিন্তু যে সাইট গুলো খুব সহজে বানানো যায়, সেগুলোর তেমন কোনো চাহিদা থাকে না। তবে আপনার সাইটে যদি পরিমিত পরিমান ট্রাফিক থাকে, সেক্ষেত্রে দাম পেতে পারেন ভালো। যে সাইট গুলো বেশি দামে বিক্রি হয় সেগুলো দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার দ্বারা তৈরি করা হয়।

তাই আপনি যদি একজন ওয়েব ডিজাইনার হয়ে থাকেন, অথবা ওয়েব ডিজাইনিং শিখতে পারেন সেক্ষেত্রে আপনি নিজে নিজে ভালো ওয়েবসাইট বানিয়ে সেখানে পর্যাপ্ত কন্টেন্ট আপলোড করে সেখান সাইটটি সচল করে সেটিকে ভালো দামে বিক্রি করতে পারেন।

আপনি চাইলে ইউটিউব থেকে ফ্রিতে ভিডিও দেখে বা ভালো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে ওয়েব ডিজাইন কোর্স করেও শিখতে পারেন ওয়েব ডিজাইনিং।

আবার অনেক ক্ষেত্রে নতুন সাইটও বিক্রি করতে পারেন যদি আপনার হাতে ক্লায়েন্ট থাকে। আর এই কাজের একটি ভালো দিক হলো আপনি যদি এই কাজে একবার দক্ষ হয়ে উঠতে পারেন, তবে বিভিন্ন জায়গা থেকে কাজের সুযোগ আসবে আবার চাকরি জীবনেও এই অভিজ্ঞতা অনেক কাজে আসবে আপনার।

৬। ড্রপশিপিং (Dropshipping) এর মাধ্যমে আয়
ড্রপশিপিং (Dropshipping) অনলাইন ব্যবসার অন্তর্গত একটি কাজ যার মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক টাকা ইনকাম করা সম্ভব। চলুন প্রথমেই জেনে নেই ড্রপশিপিং (Dropshipping) আসলে কি। এটা উদাহরন দিয়ে বুঝালে আপনি খুব সহজেই বুঝে যাবেন।

মনে করেন, আপনার এলাকায় পরিচিত একজন কোনো একটা পন্য তৈরি করে সেটা বাজারে ৫০০ টাকায় বিক্রি করে। আপনি খোঁজ নিয়ে দেখলেন যে এই পন্যটিই শহরে বড় বড় মার্কেটে অথবা কোনো ই-কমার্স সাইটে ১৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এরকম কিন্তু সচরাচর আমাদের দেশে সবসময় হয়েই চলেছে। কোনো একটা সবজি কৃষকদের থেকে ৫ টাকা কেজি মূলে কিনে বড় বড় বাজারে ওইগুলো ৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

তো এক্ষেত্রে আপনি নিজেই বড় একটি ই-কমার্স (E-Commerce) সাইটে প্রোফাইল খুলে ওই পন্যটি বিক্রি করতে পারেন। আপনি আপনার এলাকার যে উৎপাদনকারী আছে তার কাছে থেকে পন্য টা ৫০০ টাকায় কিনে সেটি আপনার প্রোফাইলে ১৪০০ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন।

এতে একটি পন্যেই ৯০০ টাকা লাভ করতে পারছেন। অথবা আপনি যদি ১২০০ টাকায় বিক্রি করেন তাতেও আপনার ৭০০ টাকা লাভ থেকে যাচ্ছে। এটিই মুলত ড্রপশিপিং (Dropshipping)। আপনার এলাকায় যদি এরকম কোনো সুযোগ থেকে থাকে আপনার অবশ্যই উচিৎ সুযোগটি কাজে লাগানো।

৭। অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) করে আয়
অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) বর্তমানে সারা বিশ্বেই অনেক জনপ্রিয় একটি অর্থ উপার্জনের মাধ্যম হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশেও আস্তে আস্তে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটার এর সংখ্যা বাড়ছে।

এটি অনেক সহজ একটি মাধ্যম। কিন্তু সাধারন মানুষের অনেকেরই এ বিষয়ে স্পষ্ট ধারনা না থাকার কারনে এই কাজে তেমন আগ্রহ প্রকাশ করছেনা। আসুন বিষয়টা খুব সহজে বুঝে নেই।

বিশ্বজুড়ে হাজার হাজার ই-কমার্স (E-Commerce) সাইট রয়েছে। এদের ভেতরে অনেকগুলো আবার সারা বিশ্বেই পন্য ডেলিভারি দিয়ে থাকে। এইসব ই-কমার্স (E-Commerce) সাইটে প্রত্যেকটাতে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং (Affiliate Marketing) নামে একটি সেকশন রয়েছে।

আপনি সেখানে অ্যাকাউন্ট খুলে খুব সহজেই তাদের মেম্বার হয়ে যেতে পারেন। তারপর আপনার একটা গ্রুপ তৈরি করতে হবে বন্ধু এবং শুভাকাঙ্ক্ষীদের নিয়ে। এরকম গ্রুপ আমাদের প্রতিটি মানুষেরই আছে বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়াতে।

এখন ওই নির্দিষ্ট ই-কমার্স (E-Commerce) সাইট থেকে আপনি বিভিন্ন পন্যের বিবরন সহ ওই লিঙ্ক কপি করে বিভিন্ন গ্রুপে পাঠাতে হবে। এবার ওখানে থেকে ওই লিঙ্কে ক্লিক করে যদি কেও পন্যটি কিনে তাহলে আপনি সেটার থেকে নির্দিষ্ট পরিমানের একটি কমিশন পাবেন।

এক্ষেত্রে আপনার কমিশনের জন্য কিন্তু পন্যটির দাম বাড়বে না। পন্যটির আসল যে দাম সেটি দিয়ে মানুষ কিনতে পারবে আপনার পাঠানো লিঙ্ক থেকে।

তবে এ ধরনের কাজ করার ক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং এর পাশাপাশি ডিজিটাল মার্কেটিং সর্ম্পকেও পরিষ্কার ও সুস্পষ্ট ধারনা থাকা চাই।

এভাবে অনেক টাকায় ইনকাম করা সম্ভব হয় যদি আপনি ভালো একটি কমিউনিটি তৈরি করে ফেলতে পারেন। তাছাড়া আপনি চাইলে এখান থেকে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমেও ইনকাম করতে পারেন।

এর জন্য আপনার দরকার অনেক গুলো একটিভ ইমেইল। আপনি যদি হাজার খানের একটিভ ইমেইল ম্যানেজ করে ফেলতে পারেন, তাহলেই খুব সহজে এখানে থেকে ভালো অঙ্কের একটি টাকা ইনকাম করে ফেলতে পারেন।

বর্তমানে অ্যামাজন এফিলিয়েশন প্রোগ্রাম (Amazon Affiliation Program) বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে।

৮। অনলাইনে পড়িয়ে (Online Teacher) আয়
আমাদের আসে পাশে অনেক মানুষই দেখতে পাবেন বাড়ি বাড়ি গিয়ে অথবা কোনো কোচিং সেন্টার খুলে সেখানে পড়াচ্ছেন। এভাবে পড়িয়ে মাসে অনেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করে থাকেন। কিন্তু এভাবে বাসায় গিয়ে গিয়ে পড়ানোর ক্ষেত্রে অনেক সময় এবং অর্থ যাতায়াতেই চলে যায়।

অন্যদিকে কোচিং সেন্টারের জায়গা জোগাড় করাও একটি কষ্টসাধ্য বিষয়। এক্ষেত্রে বর্তমানে বাংলাদেশে যে বিষয়টি জনপ্রিয় হয়ে উঠছে সেটি হলো অনলাইন টিচার (Online Teacher) কনসেপ্ট।

আপনি চাইলেই ঘরে বসেই অনলাইনে ছাত্রদের পড়িয়ে অনেক বেশি অর্থ উপার্জন করে নিতে পারেন। আপনি জেনে অবাক হতে পারেন যে বর্তমান বিশ্বে ৫০ শতাংশ শিক্ষক অনলাইনে শিক্ষা দিচ্ছেন।

ভারতেও এর জনপ্রিয়তা রয়েছে অনেক বেশি। বর্তমানে আমাদের দেশেও এরকম বেশ কয়েকটি প্লাটফর্ম রয়েছে যেখানে অনলাইনে পড়ানো হয়ে। এর মধ্যে টেন মিনিট স্কুল অন্যতম।

আপনি তাদের থেকেও অনেক ধারনা নিতে পারেন। প্রথমে হয়তো বিভিন্ন বাধা বিপত্তি আসবে, ছাত্র খুজতে বেগ পেতে হবে, কিন্তু পরবর্তীতে অনেক সুবিধা পেতে পারেন এখানে থেকে।

৯। ছবি বিক্রি (Sell Photos Online) করে আয়
আমাদের বর্তমান জেনারেশনে স্মার্টফোন নেই এমন মানুষের সংখ্যা হাতে গণা। অনেকের কাছে আবার বিভিন্ন ধরনের ক্যামেরাও বিদ্যমান। আপনি চাইলে আপনার এই মোবাইলের মাধ্যমে খুব সহজেই অনেক অর্থ উপার্জন করতে পারেন।

সেক্ষেত্রে আপনাকে শুধু বিভিন্ন আকর্ষণীয় জিনিসের ছবি তুলতে হবে। সেটা আপনি আপনা মোবাইল ফোন দিয়েও তুলতে পারেন আবার ক্যামেরা দিয়েও তুলতে পারেন।

তারপর চাইলে একটু এডিট করে অথবা “র” (Raw) ফাইলই বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপলোড করে সেখান থেকে এক একটি ছবির জন্য ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৫০০ ডলার পর্যন্ত আয় করতে পারেন।

আপনি যদি অল্প সল্প ফটো এডিটিং জানেন, তাহলে এক্ষেত্রে অনেক সুবিধা লাভ করতে পারবেন। Photoshop, Illustrator ইত্যাদির মাধ্যমে ছবির আকর্ষণীয়তা অনেক ক্ষেত্রেই জানা বাড়ানো যায়।

অনলাইনে ছবি বিক্রির জন্য অনেক ওয়েবসাইট পেয়ে যাবেন আপনি। তার মধ্যে, Shutterstock, 500px, Envato ইত্যাদি খুবই জনপ্রিয় এবং সব থেকে বেশি পে করে থাকে ফটোগ্রাফারদেরকে।

ইন্ডিয়ার সন্দিপ মহেশ্বরীর কথা অনেকেই শুনে থাকবেন। এখন প্রত্যেকটা টেকনোলজি বিষয়ক সেমিনার বা স্টেজ সো-তে তিনিই প্রধান অতিথি থাকেন। তিনিই অন্যতম উদাহরন যে ফটোগ্রাফিকে নিজের পেশা হিসেবে নিয়েছিলেন ।

এই সেক্টরে তিনি ভীষণই সফল একজন মানুষ। তার নিজেরও ছবি বিক্রির একটি ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে দেশ বিদেশের ১০০০ এরও বেশি ফটোগ্রাফার কাজ করে থাকেন।

আপনি এইসব ওয়েবসাইট গুলো তে যে ছবি গুলো বিক্রি করবেন সেগুলো আবার ওই ওয়েবসাইট থেকেই বিভিন্ন মানুষ ক্রয় করে নিবে। এইসব ছবি গ্রাফিক ডিজাইনে অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করে। বিভিন্ন বইয়ের কাভারে, ব্যানারে, ফেস্টুনে এইসব ছবি বিক্রি ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

১০। অনলাইন সার্ভে (Online Survey) করে আয়
অনেক কোম্পানি আছে যারা গ্রাহকের কাছ থেকে ফিডব্যাক পাওয়ার জন্য বিভিন্ন ধরনের সার্ভে করে থাকে। অনেক দেশে তো সরকারীভাবেই বিভিন্ন সার্ভে হয়ে থাকে। দেশের সার্বিক অবস্থায় দেশের জনগন কতটা সন্তুষ্ট এটা জানার জন্য সরকার এই সার্ভে গুলো করে থাকে। তবে বড় বড় কোম্পানিগুলোই বেশির ভাগ অনলাইন সার্ভের ব্যবস্থা করে থাকে।

এইসব সার্ভে সাধারনত পেইড হয়ে থাকে। আপনি চাইলেই এসব সার্ভে করে প্রতি মাসে ভালো অঙ্কের একটি ইনকাম করে ফেলতে পারেন। বড় বড় কোম্পানিগুলো তো একটি সার্ভের জন্য ১০০ ডলার পর্যন্ত খরচ করে থাকে। এইসব সার্ভে গুলো নির্দিষ্ট একটি ওয়েবসাইটের মাধ্যমে পরিচালিত হয়ে থাকে।

এর জন্য আপনাকে প্রথমে ওই নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে একাউন্ট খুলতে হবে। তারপর আপনার সব ইনফর্মেশন দিয়ে অ্যাকাউন্ট আপডেট করে নিলেই আপনি কয়াজ শুরু করার জন্য প্রস্তুত। তবে প্রতিটি সার্ভেতেই আপনি কুয়ালিফাই হতে পারবেন না। শুধু মাত্র যে সার্ভে গুলো আপনার অ্যাকাউন্ট-এ দেওয়া তথ্যের সাথে মিলবে সেগুলোই আপনি করতে পারবেন।

ফাইভারে কাজ পাওয়ার উপায়একজন বায়ারের যখন নির্দিষ্ট কোন সার্ভিস প্রয়োজন হয়, তখন তিনি ফাইভারে গিয়ে সেই সার্ভিসের নাম লিখে ...
23/01/2022

ফাইভারে কাজ পাওয়ার উপায়
একজন বায়ারের যখন নির্দিষ্ট কোন সার্ভিস প্রয়োজন হয়, তখন তিনি ফাইভারে গিয়ে সেই সার্ভিসের নাম লিখে সার্চ করে। সার্চের প্রথম দিকে আপনার গিগ পাওয়া গেলে আপনার সার্ভিস বিক্রির সম্ভাবনাও বেড়ে যায়। তাই আপনার গিগ কীভাবে সার্চ রেজাল্টে ফাইভারের প্রথম পেজে রাখতে পারেন, তার সম্ভাব্য কিছু টিপস অনুসরণ করতে পারেন।

১. সুন্দর ও আকর্ষণীয় একটি টাইটেল দিন
আপনার গিগকে বায়ারের কাছে আকর্ষণীয় করে তোলার জন্য অবশ্যই আাপনার গিগ চমৎকার করে সাজাতে হবে। আর এজন্য আপনার গিগের টাইটেল আরো আকর্ষণীয় করুন। আপনার টাইটেলে অবশ্যই সার্চের সম্ভাব্য কীওয়ার্ড ব্যবহার করুন, যাতে যে কেউ টাইটেল দেখে ভিতরে গিয়ে পড়তে আকর্ষণ বোধ করে। টাইটেলে অপ্রয়োজনীয় বা অবাঞ্চিত কোন শব্দ ব্যবহার করবেন না।

২. রিলেটেড ট্যাগ ব্যবহার করুন
আপনার গিগ বায়ারের কাছে পৌঁছে দেয়ার জন্য সার্ভিস রিলেটেড সম্ভাব্য কীওয়ার্ডগুলো ব্যবহার করুন। ট্যাগগুলো অবশ্যই আপনার দেয়া সার্ভিসের সাথে প্রাসঙ্গিক হওয়া চাই। এর ফলে আপনার সার্ভিটি সার্চ ইঞ্জিনে র‍্যাঙ্ক হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে বেড়ে যায়।


৩. ফিচার ইমেজের ক্ষেত্রে আরো যত্নশীল হোন
ফাইভারে গিগ তৈরি করার ক্ষেত্রে ফিচার ইমেজ অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। গিগ ইমেজ কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। একটি আকর্ষণীয় গিগ ইমেজ আপনাকে বায়ার বা ক্লায়েন্ট পেতে অনেক সহযোগিতা করবে। গিগে ফিচার ইমেজ ব্যবহারের ক্ষেত্রে নতুন কারো হঠাৎ করে দৃষ্টি আকর্ষণ করা যায় এমন কিছু ব্যবহার করুন।

একজন বায়ার প্রথমে আপনার দেয়া এই ফিচার ইমেজ এবং টাইটেল দেখেই সিদ্ধান্ত নেবে, যে সে আপনার গিগে ক্লিক করবে কি না।
কিভাবে আপনার গিগের জন্য পারফেক্ট একটি ফিচার ইমেজ তৈরি করতে পারেন, সে সম্পর্কে আমরা আগে একটি পোস্টে বিস্তারিত লিখেছি। সেই লেখাটি পড়ে নিতে পারেন এখান থেকে: ইমেজ দিয়ে ফাইভার গিগ র‍্যাঙ্ক করবেন যেভাবে।

৪. সম্ভব হলে ভিডিও ব্যবহার করুন
গিগে আকর্ষণীয় ভিডিও ব্যবহার করলে ওই সার্ভিসটি বিক্রির সম্ভবনা ৬০% বেড়ে যায়। এটা কিন্তু কোর্সটিকার কথা না, স্বয়ং ফাইভার অথরিটিতেই এটা বলা আছে। সুতরাং চেষ্টা করুন ফাইভারের নিয়ম মেনে একটি ভিডিও তৈরি করতে। কারণ, একটি স্টিল ইমেজের চেয়ে ভিডিওতে আপনি আরো বিস্তারিতভাবে আপনার সার্ভিসটি সম্পর্কে বায়ারকে ধারণা দিতে পারবেন।

গত বছরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ফাইভার ব্লগ থেকে জানা যায়, যেসকল গিগে ভিডিও ছিল তাদের সেল অনেক বেড়েছে। যেসকল সেলার নিজেরাই নিজের কাজের উপস্থাপন করেছেন তাদের সেল প্রায় ৯৬% বেড়েছে। আর যাদের ভিডিও ইফেক্ট, এনিমেশন, লেখা, স্টিল ছবি ইত্যাদির মাধ্যমে প্রকাশ করেছে তাদের সেল ৮৪% বেড়েছে। সুতরাং গিগে ভিডিও গুরুত্বটা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে।

ভিডিওতে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করুন: ফাইভার গিগে শুধু ভিডিও আপলোড করলেই হবে না, আপনাকে কিছু স্টান্ডার্টও মেইনটেইন করতে হবে। ভিডিও তৈরির ক্ষেত্রে নিচে দেয়া তথ্যগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাে অনুসরণ করুন।
১। ভিডিও অবশ্যই সর্বোচ্চ ৭৫ সেকেন্ডর হবে।
২। Exclusively On Fiverr – এই কথাটি অব্যশই গিগে থাকতে হবে। সেটা আপনি লিখে, মুখে বা ছবির মাধ্যমে যে ভাবে হোক প্রকাশ করবেন।
৩। পর পর ৩ বার ভিডিও রিজেক্ট হলে আর কখনই গিগে ভিডিও যুক্ত করতে পারবেন না। কাজেই সাবধান থাকবেন। প্রথমে উল্লেখ করা কারণ দুটির জন্য সাধারণত ভিডিও রিজেক্ট হয়ে থাকে।
৪। আপনার ভিডিওতে কোন ব্যকগ্রাউন্ড নয়েজ থাকতে পারবে না।
৫। আপনার সাথে যোগাযোগ করা যাবে, ভিডিওতে এধরনের কোন ইনফরমেশন থাকা যাবে না।
৬। ফিচার ইমেজের মত ভিডিওতেও কোন প্রকার ব্যাজ বা রেটিং স্টার প্রদশন করা যাবে না।
৭। ভিডিওতে কপিরাইট অডিও বা ওয়াটারমার্ক ব্যবহার করা যাবে না।
উপরের এই নিয়মগুলো সব ফাইভার থেকেই পাওয়া। তাই ভিডিও তৈরির জন্য এই নিয়মগুলো বেশ সতর্কতার সাথে পালন করুন।

৫. গিগ প্রচার করুন
গিগ তৈরি করে থেমে গেলেই হবে না, সেটাকে সর্বত্র প্রচার করতে হবে। বিভিন্ন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া যেমন: ফেসবুক, টুইটার, লিংকডইন অথবা রেডিটে আপনার তৈরির গিগের লিংক শেয়ার করুন। এর ফলে প্রচুর মানুষের কাছে আপনার সার্ভিসটি প্রচার হতে থাকবে এবং এখান থেকে আপনার বায়ার পাওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যাবে।

এছাড়াও আপার গিগটি সংশ্লিষ্ট ব্লগ পোস্টের মাধ্যমে প্রচার করতে পারেন। গিগটি যদি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট সম্পর্কিত হয়ে থাকে, তাহলে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট উপর টিপস নিয়ে কোন ব্লগ পোস্ট লিখতে পারেন। এ পোস্টটি অনেক মানুষ পড়বে। সেই পোস্টে যদি গিগ লিংকটি দিয়ে আসেন তাহলে গিগটিতে অনেক ভিজিটর নিয়ে আসতে পারবেন।

উপরের কাজগুলো করলে আশা করা যায় খুব দ্রুত কিছু গিগ বিক্রির অর্ডার পেয়ে যাবেন। গিগ অনুযায়ী কাজ করে এবং সময়মত কাজ ডেলিভারি দিয়ে বায়ারের কাছ থেকে ভালো ফিডব্যাক সংগ্রহ করুন। যত বেশি ভালো ফিডব্যাক পাবেন, আপনার গিগ তত বেশি সার্চের উপরে উঠতে থাকবে।

22/01/2022
22/01/2022

Social Media তে Fiverr gigs কয়েকটি উপায়ে Promotion করা যায়।যার ফলে খুব দ্রুত কাজ পাওয়া যায়।নিচে সেসব উপায়গুলি তুলে ধরা হল:
1. Facebook Groups
Facebook এ Fiverr সংক্রান্ত অনেক groups রয়েছে। এই সব Fiverr related groups এ gigs promote করা যায়।এখানে sales বাড়বে এমন না কিন্তু Facebook promote এর মাধ্যমে আপনার gig এ views & impressions বাড়বে ফলে sales increase হবে। তাই বিষয়টা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে নিতে হবে এবং আপনার gigগুলো Facebook groups এ share করেন। Facebook groups এ যে বিষয়গুলো লিখে search করবেন
• Fiverr Gig promotion
• Fiverr Gig promote
• Fiverr community
2. Twitter ‪ #‎Hashtags‬‬
Fiverr gigs promote করার সবচেয়ে Best মাধ্যম হচ্ছে Twitter . Fiverr gigs and profile এ যেভাবে Twitter করবেন. Try like ‪ #‎Fiverr‬‬ ‪ #‎Fiverr_promotion‬‬ ‪ #‎Fiverr_gigs‬‬ ‪ #‎Gig‬‬ ‪ #‎Gigs‬‬ and post tweet by pasting the gig URL in it. যখন 100 views হবে তখন sales হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে।
3. Create YouTube Channel
YouTube হচ্ছে আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। Fiverr gigs and profile a whiteboard animation video YouTubeএ Upload করে দেখাতে পারেন।
এছাড়া Linkedin, Google+ আপাতত এই কয়টা Social Media তে Fiverr gigs promote করুন.
বি:দ্র: Fiverr gigs promote করার আগে অবশ্যই
• Mind blowing description সাথে কিছু offer এতে order দ্রুত পাওয়া যাবে।
• Attractive images এবং video
• Simple (but attractive) and understandable title.
কোনো প্রশ্ন থাকলে মেসেজ করতে পারেন।
পরবর্তী topics Fiverr Rules & Regulation নিয়ে আলোচনা করবো। Finally Fiverr total summarize করবো।

ফাইভার কি (What is fiverr in bangla)fiverr হলো এমন একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখান থেকে বিভিন্ন রকমের freelance service প...
22/01/2022

ফাইভার কি (What is fiverr in bangla)
fiverr হলো এমন একটি অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেখান থেকে বিভিন্ন রকমের freelance service প্রদান করা হয়। আবার ফাইভারকে একটি ওয়েবসাইট ও বলা যায়। যেখান থেকে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের বিভিন্ন ধরনের কাজ বা ক্লায়েন্ট খুঁজতে পারে। তাছাড়া একজন কাস্টমার বিভিন্ন রকমের কাজ করানোর জন্য fiverr platform ব্যবহার করতে পারে। এক কথায় এখানে বিভিন্ন ধরনের কাজ (service) কেনা বেচা করা হয়।

বর্তমানে চাকরির থেকে ফ্রিল্যান্সিং এর চাহিদা বেশি কেন?
এ ধরণের online marketplace গুলোতে Graphic design & art, web design, logo design, business, programming & development, writing, video editing ইত্যাদি কাজ ক্রয় বিক্রয় করা হয়। তাহালে বুঝতে পারছেন Fiverr কি? এবং fiverr marketplace কি?

এছাড়া fiverr marketplace এর মতো আরো অনেক অনলাইন মার্কেটপ্লেস রয়েছে। আর সব গুলো মার্কেটপ্লেসে একই করম কাজ করে। যেমন

Fiverr.com
Freelancer.com
upwork.com
guru.com
এছাড়া আরো অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে। যেখানে Fiverr এর নিয়মে কাজ করা হয়ে থাকে।

Fiverr এ কি কি কাজ পাওয়া যায়?
fiverr এ কি কি কাজ পাওয়া যায় এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া অনেক কঠিন। কারণ এখানে প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ আসে কাজ করানোর জন্য। আবার হাজার হাজার ফ্রিল্যান্সার আসে কাজ করে দেওয়ার জন্য। তবে, এখানে বেশি সংখ্যক যে কাজ গুলো পাওয়া যায় সেগুলো নিচে উল্লেখ্য করছি।

লোগো ডিজাইন এর কাজ
ওয়েব ডিজাইন এর কাজ
আর্টিকেল লেখার কাজ
ভিডিও এডিটিং এর কাজ
ডিজিটাল মার্কেটিং এর কাজ
এসইও এর কাজ
এন্ড্রয়েড অ্যাপস ডেভেলপমেন্ট এর কাজ
ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইট অপটিমাইজেশন কাজ
গ্রাফিক্স ডিজাইন এর কাজ
ওয়েবসাইট তৈরি করার কাজ
এছাড়া আরো নানা ধরনের কাজ আপনার ঘরে বসে এই মার্কেটপ্লেসে পেয়ে যাবেন। তাহালে জানতে পারলেন ফাইভারে কি কি কাজ পাওয়া যায়। এই সম্পর্কে বিস্তারিত ভাবে জানতে Fiverr website এ যান।

ফাইবারে কাজ করার নিয়ম
ভাইবারে কাজ করতে হলে আপনাকে প্রথমে ফাইভার একাউন্ট খুলতে হবে। এখানে প্রশ্ন হলো “ফাইভারে কাজ করার নিয়ম” কি? তাহালে সহজ উত্তর হলো।

(১) প্রথমে একজন Freelancer বিভিন্ন রকমের কাজ করার জন্য ফাইবার একাউন্ট রেজিস্টার করে।

(২) এরপরে ফ্রিল্যান্সাররা যে কাজ গুলো ক্লায়ন্টের করে দিতে পারবে সেগুলো Fiverr marketplace এ ফাইভার গিগ (Fiverr Gig) বা ফাইভার গিগ মার্কেটিং করে। অনেকে জানেন না ফাইভার গিগ কি? ফ্রিল্যান্সাররা যে কাজ গুলো পাবলিশ করে সেগুলোকে গিগ বলে।

WordPress vs Blogger ওয়েবসাইট তৈরির জন্য কোনটা ভালো?
(৩) যে সকল Freelancer fiverr gig sell করে তাদেরকে বলে Fiverr seller.

(৪) এবার বিভিন্ন কোম্পানি কাজ করানোর জন্য ফাইবারে আসেন এবং গিগ অনুসারে সার্ভিস খুঁজেন।

(৫) এরপরে, নিজের কাজ করানোর জন্য freelancer খুঁজার পরে নিচের তথ্য গুলো দেখেন।

যথা,

ফ্রিল্যান্সারের অভিগতা (Experience)।
সে এর আগে কোনো কাজ করেছে কি না।
ফ্রিল্যান্সারের portfolio website দেখে নেওয়া।
অন্যরা তার বিয়ষে কি বলেছে সেটা দেখে নেওয়া।
শেষে কাজটি করার জন্য কত টাকা নেওয়া হবে।
সবকিছু দেখে সার্ভিস অর্ডার করা হয়। মনে রাখবেন, Fiverr এ কাজ করে দেওয়া জন্য আগে fiverr কে সম্পর্ন টাকা পরিশোধ (payment) করতে হবে। এখানে কোনো কাজ করানোর জন্য সর্বনিম্ন 5$ ডলার পেমেন্ট করতে হবে। freelancer কাজ সম্পর্ন করে জমা দেওয়া পরে fiverr থেকে পেমেন্ট পেয়ে যাবে। এর জন্য fiverr আলদা টাকা $ নিয়ে থাকে।

ফাইভার (Fiverr) থেকে টাকা আয় করার উপায়
(১) মনে করুন, আপনি যেকোনো একটি কাজ খুব ভালো ভাবে পারেন। যেমন- ডিজিটাল মার্কেটিং, লোগো ডিজাইন, সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ভিডিও এডিটিং, ওয়েব ডিজাইন ইত্যাদি।

(২) এবার ফাইবার একাউন্ট খোলার নিয়ম জেনে Fiverr account তৈরি করুন।

অবশ্যই পড়ুন – কিভাবে ফাইভারে একাউন্ট খুলতে হয়
(৩) একাউন্ট খোলার পরে নিজের প্রফাইল ছবি সহ সকল ইনফরমেশন দিন।

(৪) এবার আপনাকে ফাইভার গিগ তৈরি করতে হবে। Gig কত টাকায় বিক্রয় করবেন সেটা সেট করে দিন।

(৫) কোনো কোম্পানি যখন আপনার গিগ থেকে কাজ দিবে তখন নিদিষ্ট সময়ের মধ্যে কাজ করে জমা দিতে হবে। কাজের বিনিময়ে আপনি টাকা পাবেন।

(৬) মনে রাখবেন, প্রতিটা কাজ ক্লায়ন্ট অর্ডার করলে সাথে সাথে fiverr টাকা নিয়ে নেয়। এজন্য আপনি কাজ শেষ করে জমা দিলে নিশ্চয়তা টাকা পেয়ে যাবেন।

এভাবে Fiverr account খুলে নিজের জানা কাজ গুলে করে Fiverr থেকে টাকা আয় করতে পারবেন। অনেক ফ্রিল্যান্সাররা নিজের দক্ষতা দিয়ে fiverr এর মতো অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে সফল ফ্রিল্যান্সার হয়েছে।

আজকে আমরা কি শিখলাম
তাহালে বন্ধুরা, আজকে আমরা শিখলাম Fiverr কি? কিভাবে ফাইভার থেকে টাকা আয় করা যায়। fiverr এ কি কি কাজ পাওয়া যায়। আমি এই আর্টিকেলে fiverr সম্পর্কে সম্পর্ন তথ্য তুলে ধরেছি। তাছাড়া Fiverr সম্পর্কে যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তাহালে নিচে কমেন্টে জানাবেন। আমি দ্রুত উত্তর দিবো।

Apnio ki freelancer hote chan.Thole deri na kore aji admission niye nin
22/01/2022

Apnio ki freelancer hote chan.Thole deri na kore aji admission niye nin

Address

Charbramananager, Daksin Para, Nadia
Nabadwip

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Success Learning Club posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Success Learning Club:

Share