25/12/2025
শিক্ষা ঠিক তখনই এগোয়, যখন শিক্ষক হাসিমুখে পড়াতে পারেন। শিক্ষকের সম্মান বাড়লে শিক্ষার মানও বাড়বে—এই সত্যিটা আমরা বেশ কয়েক বছর ধরেই এড়িয়ে যাচ্ছি।
বিগত ১৮ বছর ধরে জীভাম এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের পরিচালনায় কিডজি, বাচপান এবং "বেঙ্গল আইটি" ভোকেশনাল ইনস্টিটিউশন আজ আগরপাড়া, সোদপুর, খড়দহে এবং পশ্চিমবাংলার বিভিন্ন শহরে আধুনিক এবং কর্পোরেট শিক্ষা জগতের প্রসার ঘটাতে নিজের রোজগারের পাশাপাশি নিয়োজিত করেছেন আগামী প্রজন্মকে নতুন শিক্ষা জগতে প্রবেশ করাতে।
আপনারা যদি সহমত হন, বর্তমান সময়ে সরকারি শিক্ষা ব্যবস্থার যে বেহাল অবস্থা তার সুফল ভোগ করেন প্রাইভেট বা ব্যক্তি কেন্দ্রিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলি এই প্রতিষ্ঠানগুলির মূল লক্ষ্য থাকে ছাত্র-ছাত্রীদের বর্তমান সময়ের সাথে পৃথিবীর চাহিদা অনুযায়ী এগিয়ে নিয়ে যাওয়া নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতা তৈরি করে স্কুলের ব্যবসা বৃদ্ধি করা যার ফলে সাধারণ মানুষের এই স্কুলগুলিতে পড়ানোর সম্ভাবনা কম থাকলেও সন্তানের ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে নিজেদের রোজগারের সাথে এক কথায় সমঝোতা করে এই অধিক বেতন সম্পূর্ণ স্কুলগুলিতে সন্তানকে ভর্তি করা তার ফলে সন্তান গুলো হয় কর্পোরেট সংস্থাগুলির গোলাম।
সরকারি স্কুলের পরীক্ষার ফল ভাল হলে আমরা স্কুলের নাম শুনি, প্রধান শিক্ষকের বক্তৃতা শুনি, শিক্ষা মন্ত্রীর মন্তব্য পড়ি। কিন্তু পর্দার আড়ালে কাজ করেন যারা—তাঁদের নাম খুব কমই উঠে আসে।
শহর থেকে একটু দূরে গৃহশিক্ষকদের কথা ভাবলে একটা কঠিন সত্য সামনে আসে। এই মানুষ গুলোই ছাত্র ছাত্রীদের পড়ায় সবচেয়ে বেশি সময় ব্যয় করেন, হাতে-কলমে শেখার ভিত্তি তৈরি করেন, অথচ তাঁদের অবস্থাই সমাজে সবচেয়ে দুর্বল।
এই সত্যিটা কে শক্ত ভাবে সফল করতে ২০০৭ সালে পারিবারিক যৌথ প্রচেষ্টায় তৈরি হয়- JAEVM এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট, আর এই ট্রাস্ট যার তত্ত্বাবধানে ছিলেন, শ্রীমতি অপর্ণা সেন মহাশয়া। ওনার স্পর্শে স্বর্গীয় জহরলাল সেনের স্মৃতিকে সর্ব সম্মুখে উজ্জ্বল করতে এবং সব মানুষের শিক্ষার ভিতকে প্রতিস্থাপন করতে,
এই ট্রাস্ট গঠন করা হয় সরকারি সহায়তায়।
উনার সন্তান শ্রীযুক্ত রাজিব সেন মহাশয়ের প্রচেষ্টায় স্বর্গীয় পিতাকে স্মরণ করে এবং মায়ের দেওয়া শিক্ষা সমাজের মধ্যে বিস্তার স্থাপন করলো "জিভাম এডুকেশন এন্ড ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের" মাধ্যমে।
এই মঞ্চে থেকেই আমরা ধন্যবাদ জানাই পশ্চিমবঙ্গ সরকার এবং তার যুব কল্যাণ দপ্তরের আধিকারিক, জেলা যুব অফিসার এবং মিউনিসিপ্যালিটি যুব অফিসার সহ পশ্চিমবঙ্গের সব যুব কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের আধিকারিকদের এবং লক্ষ লক্ষ ছাত্র-ছাত্রীদের যারা এই প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের মাধ্যমে নিজেদেরকে সমাজের বুকে সফলভাবে প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন।
এরপরই আমি ধন্যবাদ জানাবো JAEVM এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্টের হাত ধরে এগিয়ে আসেন বেশ কয়েকজন উচ্চশিক্ষিত মহিলা। যাদের উচ্চশিক্ষা থাকলেও সরকারি ঘেরা টোপের বাইরে তাদের শিক্ষা বিস্তার করা সম্ভব হয়নি। তারা প্রত্যেকেই মাস্টার ডিগ্রী সম্পূর্ণা এবং কম্পিউটারে বিশেষ শিক্ষা অর্জন করে এই ট্রাস্টের সাথে যুক্ত হয়ে মফস্বলের ছাত্র-ছাত্রীদের উচ্চ মানের কারিগরি মেধার তালিকা প্রস্তুত করতে, সেই শুরু..........
২০০৭ সাল থেকে ২০২৫ সাল দীর্ঘ ১৮ বছর অতিক্রম করে কয়েক হাজার ছাত্র-ছাত্রীর ভবিষ্যৎ প্রতিস্থাপন করে তাদেরকে উচ্চশিক্ষা এবং কর্মজগতে নিয়োগের মাধ্যমে স্কিল ডেভেলপমেন্ট, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক ও বিভিন্ন প্রতিযোগিতা মূলক পরীক্ষায় সফল করে তাদের পিতা-মাতার মুখে হাসি ফুটিয়ে তুলে, শিক্ষার শহর খড়দহের উজ্জ্বল নক্ষত্রের নাম........ "বেঙ্গল আইটি এবং জিভাম এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট"
এই ট্রাস্ট এর প্রথম দিনের সাথী যার অধিক পরিশ্রম, উজ্জ্বল হাসি, কঠোর শৃংখলার মধ্যে অসংখ্য ছাত্র-ছাত্রী তাদের নিজের ভবিষ্যৎ তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন। উনি হলেন ট্রাস্টের চেয়ারপারসন- ম্যাডাম "পিয়ালী কাঞ্জিলাল" মহাশয়া। ঠিক তার পরবর্তী ক্ষেত্রে আমাদের এই কর্মযজ্ঞের সঙ্গী হতে হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন উচ্চ শিক্ষিত শিক্ষিকা শ্রীমতি "চৈতালী রায়" এবং তার পরবর্তী ক্ষেত্রে আমাদের আজকের এই প্রতিষ্ঠানের সম্পূর্ণ দায়িত্বভার যার কাঁধে ম্যাডাম "অনুসূয়া ঘোষ" মহাশয়া এবং তার পরবর্তী ক্ষেত্রে ২০১৫ সালে প্রতিস্থাপন করেছেন KIDZEE- ব্যান্ডের সাথে যৌথ ভাবে একটি প্লে-স্কুল, যার নাম "KIDZEE- PLAY SCHOOL এই স্কুলে আমাদের সাথে এগিয়ে এসেছেন বর্তমানে আমাদের আজকের প্রি-স্কুল "বাচপান গ্লোবাল" এর সহ প্রধান শিক্ষিকা শ্রীমতি "মৌলি গুহ" এবং এই সম্পূর্ণ "JAEVM" এডুকেশন ওয়েলফেয়ার ট্রাস্ট কে অর্থনৈতিকভাবে সফল করতে এগিয়ে এসেছেন কর্পোরেট জগতের দীর্ঘদিনের সাথী শ্রীমতি "বর্ণালী মল্লিক" মহাশয়া সহ অসংখ্য শিক্ষিকা যারা আমাদের এই কর্মযজ্ঞের সাথী-বন্ধু এবং সমাজের বুকে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে সুষ্ঠু ভাবে পুনর্জীবিত করার অধিক প্রয়াস। ওনাদের এই মূল্যবান পরিশ্রম, ভালোবাসা, স্নেহ আগামী দিনে এইসব প্রতিষ্ঠানগুলোকে উজ্জীবিত করবে। আমাদের আশা BACHPAN KALYANNAGAR শাখা, শিক্ষার শহর খড়দহে উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে চিরজীবন স্থায়িত্ব থাকবে।।
জানোই তো! যে পথ চলতে শেখায়, সে পথই গন্তব্যে পৌঁছায়।