Paharpur Cybercafe

Paharpur Cybercafe INTERNET XEROX PHOTO LAMINATION COLOUR AND BLACK & WHITE PRINT PAN CARD PAYTM MONEY TRANSFER ANY BANK CASH WITHDRWAL MINI ATM

23/04/2026

আবারও একটি সংগ্রহ সবার জ্ঞাতার্থে নিবেদন করছি। আমার সাম্প্রতিক ভয়াবহ অভিজ্ঞতার পরিপ্রেক্ষিতে মনে হলো এটি জনস্বার্থে প্রচার করা দরকার। এটি একটি বহুল প্রচারিত পোস্ট। তোমরা আগে পড়ে থাকতে পারো। এর সত্যতা সম্পর্কে আমি নিশ্চিত নই। তবে পড়ে মনে হলো, এ রকম কিছু কোনদিন ঘটতেও পারে। রাস্তাঘাটে বয়স্ক ও বৃদ্ধরা নানাভাবে সাহায্য চান। অল্পবয়সীরা এড়িয়ে গেলেও আমরা অনেকেই এড়াতে পারি না। বা এসব ডিজিটাল ব্যাপারে সবকিছু বুঝিও না। তাই বিপদে পড়ি বেশি। তোমরা পড়ে যদি প্রয়োজন বোঝ, তাহলে শেয়ার করে অন্যদের সতর্ক করে দিয়ো।।

"নতুন প্রতারণার সতর্কবার্তা!
মাত্র ৩০ মিনিটেই আপনার আর্থিক জীবন সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত হয়ে যেতে পারে।
এটি সাধারণ ফোন স্ক্যাম নয় — এটি অনেক বেশি বিপজ্জনক।
তারা আপনার টাকা, পাসওয়ার্ড বা বিশ্বাস চায় না।
তারা চায় শুধু আপনার সহৃদয়তা।
সম্প্রতি একটি নতুন ধরনের “সহায়তা চাওয়া প্রতারণা” শপিং মল, মেট্রো স্টেশন, বাজার ও অন্যান্য জনবহুল স্থানে দেখা যাচ্ছে। প্রতারকরা সাধারণত পরিপাটি পোশাক পরা মধ্যবয়স্ক বা প্রবীণ ব্যক্তি সেজে থাকে। তারা বলতে পারে যে তারা ফোন ব্যবহার করতে জানে না, পেনশন বা ভর্তুকি চেক করতে পারছে না, অথবা ভুল করে অন্য পেজ খুলে ফেলেছে। এরপর তারা আপনাকে তাদের ফোনটি একটু ব্যবহার করে দিতে অনুরোধ করে।

বিপদের আসল অংশ এখানেই—
আপনি যখন তাদের ফোন হাতে নেন, তখন সেটি অনেক সময় আগেই ভিডিও কলে সংযুক্ত থাকে, অথবা স্ক্রিন রেকর্ডিং ও ফেসিয়াল রিকগনিশন অনুমতি চালু করা থাকে।
ফোনের অপর প্রান্তে কেউ আপনাকে পর্যবেক্ষণ করছে। আপনি ভাবছেন সাহায্য করছেন, অথচ আপনার বায়োমেট্রিক তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে।
এটি সাধারণ প্রতারণা নয়। এটি একটি এআই-ভিত্তিক বায়োমেট্রিক পরিচয় চুরি কৌশল।

তারা আপনার টাকা চায় না।
তারা চায় আপনাকেই।
আপনি যদি—
ফোন স্পর্শ করেন (আঙুলের ছাপ),
কোনো নম্বর বা যাচাইকরণ কোড উচ্চারণ করেন (কণ্ঠস্বর),
অথবা ফোনের দিকে তাকিয়ে কথা বলেন (মুখাবয়ব ও নড়াচড়া),
তাহলে আপনার তিনটি প্রধান বায়োমেট্রিক পরিচয় — আঙুলের ছাপ, কণ্ঠস্বর ও মুখমণ্ডল — চুরি হয়ে যেতে পারে।
আধুনিক এআই প্রযুক্তি আপনার একটি প্রায় নিখুঁত ডিজিটাল প্রতিলিপি (ডিজিটাল ক্লোন) তৈরি করতে সক্ষম।
এরপর যা হতে পারে, তা ভয়াবহ—
প্রতারকরা আপনার সেই ডিজিটাল ক্লোন ব্যবহার করে অনলাইন ঋণ, ভোক্তা ঋণ, ক্রেডিট ক্যাশ-আউট ই

11/04/2026

এক দেশে অদ্ভুত এক নিয়ম ছিল। যারা বার্ধক্যে উপনীত হয়ে কাজ করতে অক্ষম হয়ে পড়ত, তাদের পাহাড়ে ফেলে আসতে হতো। ওই দেশের রাজা মনে করতেন, বয়স্কদের যত্ন নেওয়ার বোঝা কমালে সাধারণ মানুষের জীবন সহজ হয়ে যাবে।

সেই দেশে এক পিতা পুত্র খুব ভালোবাসত একে অপরকে। সময় গড়িয়ে গেল। পিতা বুড়ো হলেন, তিনি আর আগের মতো কাজ করতে পারেন না। দেশের নিয়ম অনুযায়ী, ছেলেকে বাধ্য হয়ে তাকে পাহাড়ে ফেলে আসতে হবে। কিন্তু বাবাকে ছেড়ে থাকতে পারার কথা ছেলে ভাবতেই পারছিল না। তবু, শাস্তির ভয়ে সে বাবাকে কাঁধে নিয়ে পাহাড়ের দিকে রওনা দিল।

পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে তার মন কেঁদে উঠল। শেষ পর্যন্ত বাবাকে সেখানে রেখে আসতে পারল না। সে বাবাকে সঙ্গে নিয়ে ফিরে এলো এবং বাড়ির পিছনে লুকিয়ে রাখল। প্রতিদিন চুপিচুপি খাবার এনে তাকে খাওয়াতে লাগল।

একদিন রাজা তার প্রজাদের বুদ্ধি পরীক্ষা করতে চাইলেন। তিনি ঘোষণা করলেন: "যে ছাই দিয়ে দড়ি বুনে এনে দিতে পারবে, তাকে পুরস্কৃত করা হবে!"

ঘোষণা শুনে লোকজন হতভম্ব হয়ে গেল। ছাই দিয়ে কি কখনও দড়ি তৈরি করা সম্ভব? ছেলেটি এই ধাঁধার কথা শুনে বাবাকে বলল। বাবা বললেন, "একটা দড়ি নিয়ে বড় পাত্রে পেঁচিয়ে রাখো, তারপর সেটা জ্বালিয়ে দাও।"

ছেলে বাবার কথা মতো কাজ করল। দড়ি পুড়ে গেল, কিন্তু তার ছাই ঠিক আগের মতো দড়ির আকারেই থেকে গেল। সে সেটি রাজাকে দেখাল এবং পুরস্কার জিতে নিল।

এক মাস পর, রাজা দ্বিতীয় পরীক্ষার আয়োজন করলেন। তিনি একটি কাঠের ডাল দিলেন এবং বললেন, "এর আগা আর গোড়ার খুঁজে বের করো!"

ডালের দু’প্রান্ত দেখতে একই রকম ছিল, তাই কেউই এর উত্তর খুঁজে পেল না। ছেলে কাঠের ডালটি বাড়িতে এনে বাবাকে দেখাল। বাবা বললেন, "ডালটি পানিতে রাখো। যেটি বেশি ডুবে যাবে, সেটি গোড়া, আর যেটি ভেসে থাকবে, সেটি আগা।"

ছেলে বাবার উপদেশ মতো কাজ করল এবং রাজাকে দেখিয়ে আবারও পুরস্কার জিতল।

এরপর রাজা আরও কঠিন এক ধাঁধা দিলেন। তিনি বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করো, যা কোনো আঘাত ছাড়াই শব্দ করবে!"

এবার সবার মাথা ঘুরে গেল। কেউই এমন ঢোল বানানোর উপায় খুঁজে পেল না। ছেলে আবার বাবার শরণাপন্ন হলো। বাবা বললেন, "একটি ঢোল তৈরি করে তার ভেতরে একটি মৌমাছির চাক রাখো।"

ছেলে বাবার নির্দেশ মতো ঢোল বানিয়ে রাজাকে দিল। রাজা ঢোলটি হাতে নিয়ে নাড়া দিতেই এর ভেতরের মৌমাছিরা উড়তে লাগল, ফলে ঢোলে আঘাত ছাড়াই শব্দ হতে লাগল!

রাজা বিস্মিত হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞাসা করলেন, "তুমি কীভাবে এত কঠ

09/10/2025

by DK TECH Computer GYAN

07/10/2025
06/10/2025

ভূমি অফিসে গেলেই ঘুষ দিতে হয় – এটা কি সত্যি?

আমরা অনেকেই মনে করি, ভূমি অফিস মানেই ঘুষ। অথচ আসল কারণটা অনেক সময় আমরা নিজেরাই তৈরি করি।
কারণ বেশিরভাগ মানুষের জমির কাগজপত্রে থাকে অসংখ্য ভুল, আর সেই ভুলগুলো ঠিক করানোর সুযোগেই দালালরা ঘুষের ফাঁদে ফেলে।

সাধারণত যে ভুলগুলো বেশি হয়ঃ

দলিলের ভাষাগত ভুল
দলিল লেখক ভুল শব্দ বা বাক্য লিখে ফেললে পরে সেটা সংশোধন করতে হয়। এতে জটিলতা বাড়ে।

নামের ভুল
বাবা/দাদা/মালিকের নাম বানান ভুল বা ভিন্নভাবে লেখা হলে সেটা ভবিষ্যতে নামজারি বা খারিজে সমস্যা তৈরি করে।

ঠিকানার ভুল
মৌজা, গ্রাম, থানার নাম ভুল লিখলে জমি সনাক্ত করাই কঠিন হয়ে পড়ে।

অংশে ভুল
জমির পরিমাণ স্পষ্ট না থাকলে বিরোধ বাঁধে। যেমন – ৫০ শতক লিখার বদলে ৫ শতক হয়ে গেলে সমস্যা মারাত্মক হয়।

দাগ নম্বর ভুল
জমির সঠিক দাগ (Dag No.) না লিখলে আপনি অন্যের জমির দলিল হাতে নিয়ে বসে থাকতে পারেন!

চৌহদ্দি ভুল
জমির চারপাশের সীমা (Boundary) যদি ভুল হয়, তখন কে আসল মালিক সেটা নিয়েই সন্দেহ তৈরি হয়।

বণ্টননামা নেই
বাবা মারা যাওয়ার পর ভাইবোনদের মধ্যে সঠিকভাবে বণ্টননামা না করলে, জমির মালিকানা নিয়ে ঝামেলা বাধে।

বায়না বা ক্রয় দলিল নেই
শুধু মৌখিকভাবে জমি কেনাবেচা করলে সেটা আইনের চোখে কোনো প্রমাণ নয়। বায়না দলিল বা রেজিস্ট্রেশন ছাড়া মালিকানা পাওয়া যায় না।

খতিয়ান বা খারিজ খতিয়ান নেই
দলিল থাকলেও যদি খতিয়ান আপডেট না থাকে, তবে সরকারিভাবে আপনি জমির মালিক প্রমাণ করতে পারবেন না।

দাখিলা (ভূমি কর রশিদ) নেই
ভূমি কর না দিলে আপনার মালিকানা প্রশ্নবিদ্ধ হয়। কর না দিলে সরকারও জমি বাজেয়াপ্ত করতে পারে।

কেন এগুলো ঘুষের কারণ হয়ে দাঁড়ায়?

কারণ অফিসে গিয়ে আপনি যদি ভুল কাগজপত্র জমা দেন, তখন ভূমি কর্মকর্তা সেটি গ্রহণ করতে চান না।
আপনি সমস্যা সমাধান না করে “তাড়াতাড়ি কাজ করে দিন” বললে, দালালরা এসে বলে—“টাকা দিলেই হয়ে যাবে।”
এভাবেই ভুলের সুযোগে জন্ম নেয় ঘুষ।

সমাধান কী?

সঠিক দলিল লেখা: দলিল লেখককে ভালোভাবে দেখে বেছে নিন। প্রতিটি শব্দ পড়ুন।

প্রতিটি কাগজপত্র যাচাই: দলিল, খতিয়ান, নকশা, দাখিলা – সব একসাথে মিলিয়ে নিন।

ভুল পেলেই সংশোধন: দলিলে নাম/ঠিকানা/দাগ নম্বর ভুল থাকলে দ্রুত সংশোধন করুন।

আইনজীবীর সহায়তা নিন: নিজে বুঝতে না পারলে একজন অভিজ্ঞ আইনজীবীর কাছে যাচাই করান।

প্রয়োজনীয় কাগজ আগে থেকে প্রস্তুত করুন: নামজারি, কর পরিশোধ, খতিয়ান সংগ্রহ সব ঠিক থাকলে অফিসে ঝামেলা হয় না।

মনে রাখবেন
ভূমি অফিস মানেই ঘুষ নয়।
কাগজপত্র সঠিক থাকলে এবং আপনি সচেতন হলে
দালালের দরকার হবে না, ঘুষও দিতে হবে না

সবাইকে সচেতন করতে প্লি'জ পো'ষ্টটা যত বেশি পারবেন শে'য়ার করবেন

ধন্যবাদ

আপনার পাকস্থলী ভীত, যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।  আপনার কিডনি আতঙ্কিত, যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ৮ গ্লাস  জল পান করতে ব্...
04/10/2025

আপনার পাকস্থলী ভীত, যখন আপনি সকালে ব্রেকফাস্ট করছেন না।

আপনার কিডনি আতঙ্কিত, যখন আপনি ২৪ ঘন্টায় ৮ গ্লাস জল পান করতে ব্যর্থ হচ্ছেন।

আপনার গলব্লাডার ভীত, যখন আপনি রাত ১২ টার মধ্যে ঘুমাতে এবং সকাল ৭:০০ টার মধ্যে বিছানা ছাড়তে ব্যর্থ হচ্ছেন।

আপনার ক্ষুদ্রান্ত্র আতঙ্কিত, যখন আপনি ঠান্ডা এবং বাসি খাবার খাচ্ছেন।

আপনার মূত্রথলি আতঙ্কিত, যখন আপনি জোর করে প্রস্রাব আটকে রাখছেন।

আপনার ফুসফুস ভীত, যখন আপনি ধোঁয়া, ধুলা এবং বিড়ি সিগারেটের বিষাক্ত আবহাওয়ায় থাকছেন।

আপনার লিভার ভীত, যখন আপনি অতিরিক্ত জাঙ্ক ফুড এবং ফাস্ট ফুড খাচ্ছেন।

আপনার হৃদপিন্ড আতঙ্কিত, যখন আপনি বেশি লবণ এবং কোলেস্টরলযুক্ত খাবার খাচ্ছেন।

আপনার অগ্ন্যাশয় আতঙ্কিত, যখন আপনি প্রচুর চিনি ও মিষ্টিজাত খাবার খাচ্ছেন।

আপনার চোখ ভীত, যখন আপনি অন্ধকারে মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিনের সামনে থাকছেন।

আপনার অস্থি ভীত, যখন আপনি প্রচুর অ্যালকোহল পান করছেন।

আপনার বৃহদান্ত্র আতঙ্কিত, যখন আপনি ভাজা পোড়া এবং ঝাল মশলাযুক্ত খাবার বেশি খাচ্ছেন।

আপনার মস্তিষ্ক আতঙ্কিত, যখন আপনি নেতিবাচক চিন্তাকে প্রশ্রয় দেওয়া শুরু করেছেন।

যারা প্রতিদিন এমন সব আর্টিকেল পড়তে চান,, তারা পেজটা ফলো করে রাখতে পারেন। সময় করে আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ

জমি কেনা জীবনের বড় সিদ্ধান্ত। একটু অসতর্ক হলে আজীবনের কষ্ট ডেকে আনতে পারে। তাই ভুল করার আগে ক্রেতাদের জন্য কিছু অত্যন্ত ...
03/10/2025

জমি কেনা জীবনের বড় সিদ্ধান্ত। একটু অসতর্ক হলে আজীবনের কষ্ট ডেকে আনতে পারে। তাই ভুল করার আগে ক্রেতাদের জন্য কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সাবধানতা নিচে তুলে ধরলাম।

১. খতিয়ান ও নকশা যাচাই করা

জমির সঠিক মালিকানা যাচাইয়ের প্রথম ধাপ হলো খতিয়ান ও নকশা মিলিয়ে দেখা। জরিপ অনুযায়ী মালিকের নাম ও জমির পরিমাণ সঠিক আছে কিনা অবশ্যই নিশ্চিত হতে হবে।

২. দাগ ও মৌজা যাচাই করা

প্রতিটি জমির নিজস্ব পরিচয় আছে — মৌজা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর। এগুলো সঠিকভাবে মিল না করলে প্রতারণার শিকার হওয়ার আশঙ্কা বেশি।

৩. রেকর্ডের ইতিহাস দেখা

সিএস, এসএ, আরএস, সব রেকর্ড মিলিয়ে দেখা উচিত। এতে বোঝা যাবে জমির ইতিহাসে কোনো জটিলতা আছে কিনা।

৪. বিক্রেতার মালিকানা যাচাই করা

বিক্রেতা দলিলের মাধ্যমে কিনেছেন নাকি উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন— তা নিশ্চিত হতে হবে। উত্তরাধিকার সূত্রে পেলে ফারায়েজ বা বন্টননামা আছে কিনা দেখে নিতে হবে।

৫. মাঠ পর্চা ভালোভাবে দেখা

জমি যদি চলমান জরিপ এলাকায় হয়, তবে মাঠ পর্চার মন্তব্য কলাম বিশেষভাবে খেয়াল করতে হবে। যদি (AD) লেখা থাকে তবে বুঝতে হবে আপত্তি আছে—তাহলে অবশ্যই জরিপ অফিসে খোঁজ নিতে হবে।

৬. নামজারী ও খাজনা যাচাই করা

জমির নামজারী, খাজনার রশিদ মিলিয়ে দেখতে হবে। জমির বকেয়া খাজনা থাকলে ক্রয়ের পর ক্রেতাকেই তা পরিশোধ করতে হবে।

৭. মামলা বা ঋণমুক্ত কিনা তা দেখা

কোনো জমি আদালত-মামলাভুক্ত, সার্টিফিকেট মামলা বা ব্যাংকের কাছে বন্ধক রাখা থাকলে সেই জমি কেনা বিপজ্জনক।

৮. সরকারী অধিগ্রহণ বা খাস জমি কিনা তা নিশ্চিত হওয়া

অধিগ্রহণকৃত, খাস, বা পরিত্যক্ত জমি কিনতে নেই। এজন্য তহসিল অফিস,ভূমি অফিস বা ডিসি অফিসে খোঁজ নিতে হবে।

৯. সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে তথ্য সংগ্রহ

সর্বশেষ জমি ক্রয়-বিক্রয়ের তথ্য সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে নিয়ে জমির লেনদেন ইতিহাস নিশ্চিত হতে হবে।

১০. লিগ্যাল নোটিশ প্রকাশ করা

শহর বা আশেপাশের এলাকায় জমি কিনতে গেলে জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় লিগ্যাল নোটিশ দিয়ে সতর্কতা নেওয়া উচিত। এতে ভবিষ্যতে অন্য কারো আপত্তি তোলা কঠিন হয়ে যায়।

তাই জমি কেনার সময় কাগজপত্র + মাঠ পরিদর্শন + অফিস যাচাই — এই তিনটি ধাপ কখনোই বাদ দেওয়া যাবে না। তাহলেই প্রতারণা থেকে নিরাপদ থাকা সম্ভব

সবাইকে সচেতন করতে প্লি'জ পো'ষ্টটা যত বেশি পারবেন শে'য়ার করবেন

ধন্যবাদ

05/10/2023

কাদম্বিনী গঙ্গোপাধ্যায়ের প্রয়াণ দিবসে শ্রদ্ধার্ঘ্য
"ফিজ দিলেই শহরে মিলবে যুবতী ডাক্তারের সেবা।"
হেডলাইন দেখে গঙ্গোপাধ্যায় বাড়ির বড়ো কর্তা হাতের খবরের কাগজটা টেবিলের ওপর ছুঁড়ে দিয়ে তার স্ত্রীকে ডেকে বললেন মেজো বউকে একবার ডেকে দাও তো। একগলা ঘোমটা দিয়ে ভাসুর ঠাকুরের সামনে এসে দাঁড়ালেন কাদম্বিনী। ডেকেছেন দাদা? ভাসুরের কন্ঠে যেন মেঘ ডাকলো। টেবিলের ওপর পড়ে থাকা বঙ্গবাসী পত্রিকাটি দেখিয়ে বললেন, পড়ে দেখো। তোমার জন্য তোমার স্বামীর, আমাদের পরিবারের সম্মান আজ কোথায় নেমেছে। নিজের জেদটাকেই চিরকাল বড়ো করে দেখলে। আর দ্বারকাও তোমার তালেই তাল দিয়ে গেলো। ছি ছি, খবরের কাগজ দেখে লজ্জায় মাথা কাটা যাচ্ছে।
কৌতূহলের সঙ্গে পত্রিকাটি তুলে নিলেন কাদম্বিনী দেবী। প্রথম পাতাতেই চোখ আটকে গেলো। কান মাথা ঝিম ঝিম করতে লাগলো রাগে। কী নির্লজ্জ আক্রমন, কী কুৎসিত কার্টুন। দ্বারকানাথ রূপী একটি ভেড়া, তাকে দড়ি বেঁধে ঘোরাচ্ছেন কাদম্বিনী। তার পাশে রসিয়ে রসিয়ে প্রকাশ করা হয়েছে তার খবর। "ফিজ দিলেই শহরে মিলবে যুবতী ডাক্তারের সেবা।" কি নির্লজ্জ ইঙ্গিত !
রাগে অভিমানে চোখে জল এলো তার। একটা মেয়ে স্বাধীনভাবে বাঁচবে, ঘর সংসার সামলে পড়াশোনা করবে, তাতে সমাজের এতো জ্বালা কিসের? তার স্বামী এতে সমর্থন দিয়েছে বলে এতো কুরুচিকর আক্রমন!! আর বাইরে কাকে বলবেন? তার ভাসুর, তার শ্বশুরবাড়ির সকলেই তো অমনটাই ভাবেন। তবে স্বামী পেয়েছেন ভাগ্য করে। নারী উন্নতির ফাঁকা বুলি না, মন থেকে বিশ্বাস করেন নারীদের শিক্ষা,নারীদের সাবলম্বী হওয়ার প্রয়োজনীয়তা। নিজের স্ত্রীর পাশে সর্বান্তকরণে দাঁড়িয়েছেন সবসময়।
দোষ কী কাদম্বিনীর? ১৮৮৩ খ্রিস্টাব্দে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম মহিলা স্নাতকের ডিগ্রী লাভ করার পর তিনি চেয়েছিলেন ডাক্তারি পড়তে। বাধা এসেছিল পদে পদে। প্রথমে সমাজ, প্রতিবেশী, আত্মীয় সকলে চমকে উঠেছিল। সে কি! মেয়ে পড়বে ডাক্তারি! সব ছেলেদের মাঝে একা! শরীর নিয়ে শিক্ষা। ইজ্জত থাকবে সেখানে? সমাজ কী বলবে? চারদিকে নেতিবাচক কথার মাঝে সায় দিলেন বাবা। তুই ডাক্তারী পড়। সমাজের ফালতু কথায় কান দিসনা। মহিলা ডাক্তার খুব দরকার এই পোড়া দেশের। এরা ধর্ম ধরে বসে থেকে বাড়ির মেয়েদের পুরুষ ডাক্তার দেখাবে না, আবার মেয়েদের ডাক্তারও হতে দেবে না। মাঝখান থেকে মরবে ঘরের মেয়েগুলো।
ডাক্তারি পড়ার সময়ও নানা অসুবিধা। ছাত্রদের থেকে তার প্রতি আগ্রহ যেমন ছিলো, টিপ্পুনি ও ভেসে আসতো সময় সময়। সে যেন অন্য গ্রহের জীব।সে প্র্যাকটিকাল ক্লাস কী ভাবে করবে?স্টুডেন্টরা পরস্পরের শরীর চেক আপ করে। কাদম্বিনীর ক্ষেত্রে কী হবে? সেই সময় এগিয়ে এলেন এক শিক্ষক। দাড়ি গোঁফ ওয়ালা ঋষিতুল্য চেহারা। তিনি বললেন এইসব নিয়ে ভেবোনা। আমি ব্যবস্থা করে দেবো। যে কোনো প্রয়োজনে এগিয়ে আসতেন তিনি। উৎসাহ দিতেন। কখন যেন কাদম্বিনীর লড়াইয়ের শরিক হয়ে গেলেন সেই শিক্ষক। ভরসা পরিনত হলো প্রণয়ে। সেই থেকে লড়াইয়ের সঙ্গীকে জীবনের সঙ্গী করে নিলেন কাদম্বিনী। বয়সে ১৮ বছরের তফাৎ,বিপত্নীক কিছুই বাধা হলো না। ব্রাহ্ম সমাজের নেতা, সমাজ সংস্কারক এই লোকটির মধ্যে কাদম্বিনী খুঁজে পেলেন এক প্রকৃত মানুষকে। তাঁর উৎসাহ ও চেষ্টাতেই কাদম্বিনী পেলেন প্রথম ভারতীয় মহিলা হিসাবে ইওরোপীয় চিকিৎসা শাস্ত্রের ডিগ্রি।
সেই উদার মানবতাবাদী সমাজসংস্কারক মানুষটির নামে এমন কুৎসা! শিক্ষা দিতে হবে বঙ্গবাসী পত্রিকার সম্পাদক মহেশ পালকে। আদালতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন তিনি। দ্বারকানাথ বললেন, ছেড়ে দাও, কী দরকার এইসবে? কিন্তু কর্তব্যে অটল কাদম্বিনী। বললেন, না। এই লড়াই আমার নিজের জন্য নয়, বাংলার ঘরে ঘরে যেসব মেয়েরা শিক্ষার জন্য গুমরে মরছে, সমাজের ভয়ে এগোতে পারছে না। এ লড়াই তাদের জন্য। যাতে শিক্ষার জন্য এগিয়ে আসা নারীদের কেউ কলঙ্ক লাগাতে না পারে, এ লড়াই তার জন্য লড়াই। লড়লেন তিনি। মহেশ পালকে ১০০ টাকা জরিমানা আর ৬ মাসের কারাবাসের ব্যবস্থা করে তবে থামলেন।
আইনের লড়াইতে জিতলেও,সমাজের লড়াইতে জয়ী হওয়া অতো সহজ ছিলনা। রক্ষণশীল সমাজ রীতিমতো ঘৃনার চোখে দেখতো তাকে। এমনই এক পরিবার ছিল কলকাতার রায়চৌধুরী পরিবার। গৃহকর্তা মনে করতেন মেয়েদের স্থান অন্দরমহলে। আধুনিক শিক্ষা বিগড়ে দেয় মেয়েদের। সেই পরিবারের আদরের কন্যা সন্তানসম্ভবা। মেয়েকে নিজের কাছে আনিয়ে রাখলেন। একদিন রাত্রে প্রসব বেদনা উঠলো। ধাই মা বলা ছিলো। কিন্তু পরিস্থিতি জটিল হয়ে উঠলো। মেয়ে তখন যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছে। পরিবারের চিকিৎসকের ডাক পড়লো।তিনি পর্দার বাইরে বসে শুনে শুনে নিদান দিতে শুরু করলেন। ধাই সুবিধা করতে পারলেন না। আসতে আসতে এলিয়ে পড়তে লাগলেন সুলতা। ডাক্তার সেন কর্তাকে ডেকে বললেন, এইভাবে চিকিৎসা সম্ভব না। যদি পুরুষ ডাক্তার দিয়ে চিকিৎসা না করান, কাদম্বিনী গাঙ্গুলিকে কল দিন। সম্প্রতি লন্ডন থেকে বিরাট ডিগ্রি নিয়ে ফিরেছেন। একটু ইতস্তত করে কর্তা বললেন, এই রাত্রে তিনি আসবেন? সমাজ কী বলবে তাকে? ঝংকার দিয়ে উঠলেন ডাক্তার সেন। সমাজ বলতে তো আপনাদের মতো গোঁড়া লোকেরা। আধুনিক পৃথিবীতে তাদের মতামতের কোনো দাম নেই শিক্ষিতদের কাছে। আপনারা এবার মুখ বন্ধ রাখুন। মেয়েটাকে বাঁচান আগে।
লজ্জা, সংস্কার, ঐতিহ্যের অহংকার চেপে রেখে রায়চৌধুরী বাড়ির গাড়ি গিয়ে দাঁড়ালো কাদম্বিনীর দ্বারে।কাদম্বিনী জানতেন এই রক্ষণশীল পরিবারটিকে। গাঙ্গুলিদের সমাজচ্যুত করার জন্য তারা খু্বই সচেষ্ট ছিলেন।সেই পরিবার আজ তার শরণাগত। মুহূর্তে তৈরি হলেন তিনি। গাড়িতেই শুনে নিলেন কেস হিস্ট্রি। তৈরি হলেন মনে মনে, আজ তার আসল পরীক্ষা। রায়চৌধুরী বাড়িতে সেদিন যমে মানুষে টানাটানি। খুব ক্রিটিকাল কন্ডিশন। পেশেন্ট খুব খারাপ অবস্থায়। তিনি বললেন আপনাদের গাফিলতিতে আজ এই পরিস্থিতি। পেশেন্টকে বাঁচানোর আপ্রাণ চেষ্টা করছি। কিন্তু বেবির কোনো গ্যারান্টি নেই। অবশেষে বেরিয়ে এলেন ক্লান্ত কাদম্বিনী দেবী। ঘরের ভেতরে কান্নার আওয়াজ। না সে আওয়াজ দুঃখের নয়, কচি গলার কান্না, স্বস্তির কান্না। রায়চৌধুরী বাবু এগিয়ে এলেন। কাদম্বিনী গম্ভীর মুখে বললেন আপনার মেয়ে সুস্থ আছে। বেবিও পুরো ফিট। নাতনি হয়েছে আপনার। প্রৌঢ়ের চোখে চকচক করে উঠলো জল। আপনাকে কি বলে যে ধন্যবাদ জানাই? আশীর্বাদ করুন এই মেয়ে যেন আপনার মতোই ডাক্তার হয়। আপনার ফিজ কতো দেবো মা? হঠাৎ আবেগে রুদ্ধ হয়ে গেলো কাদম্বিনীর গলা। ফিজ দিতে হবে না। যেটা বললেন সেটাই করুন। মেয়েটাকে শিক্ষা দিন। বিকশিত হতে দিন কুঁড়ি গুলিকে।হুস করে বেরিয়ে গেলো কাদম্বিনীর গাড়ি।
এই হলেন কাদম্বিনী। সমাজের কলঙ্ক গায়ে মেখেও সংকল্পে ছিলেন অটুট। রক্ষণশীল পরিবারের মহিলাদের অসুস্থতায় ডাক পেলেই যেতেন রাতবিরেতে। চিকিৎসার বিনিময়ে সংকল্প করিয়ে নিতেন মেয়েদের শিক্ষা দেবার। তাঁর থেকে সাহস পেয়ে, তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে বহু নারী এগিয়ে এসেছেন নিষেধের বাধা ঠেলে। এগিয়েছে সমাজ, এগিয়েছে দেশ।আজ ভারতের যত মহিলা চিকিৎসক, সবার কাছে তিনি ভগীরথ, পথপ্রদর্শক।
কাদম্বিনী গাঙ্গুলি, শুধু চিকিৎসক নন, এক লড়াই, এক সংস্কারক, এক প্রেরণা।কিন্তু তিনি আজ বিস্মৃতির অন্ধকারে। তাঁর নামে হয়নি মেডিকেল কলেজ,রাস্তা,মূর্তি কোনো কিছুই। তিনি তা চান ও নি।যা চেয়েছেন তা হয়েছে,হাজারে হাজারে মেয়ে নিচ্ছে চিকিৎসাবিদ্যার পাঠ।স্বপ্ন দেখছে চিকিৎসক হবার। সেই স্বপ্নই দেখিয়েছিলেন তিনি | নারী দিবসে আমাদের শ্রদ্ধাঞ্জলি ৷
কলমে ✍🏻
Partha Chakraborty
#সংগৃহীত

29/06/2023

বাড়িতে এসি না লাগিয়ে গাছ লাগান, আর কারোর না পারলেও নিজের প্রাণটা বাঁচান।
প্রমাণ আপনাদের চোখের সামনেই রয়েছে, দেখে নিন।।
এখন সবারই বাড়িতে গ্রীষ্মের কিছু ফল এই যেমন আম, জাম, কাঁঠাল, লিচু, ফলসা, আঁশ ফল আরো নানান ধরনের ফল আমরা এখন খাচ্ছি। তো শুধুমাত্র সেগুলোরই কিছু বীজ যদি আপনার বাড়ির কোন একটা পাত্রে রেখে একটু গাছে পরিণত করে তারপর সেই গাছটাকে সামনেই বর্ষা আসছে লাগিয়ে দিতে পারেন আর একটু লাঠি বা কোনো কাঠি দিয়ে ঘিরে দিতে পারেন তাহলে হয়তো সেই গাছ টা একদিন তার পরিপূর্ণ রূপ পাবে। সারা দেশের মানুষের অর্ধেক জন ও যদি একটা করে গাছ লাগায় 5বছর মধ্যে অনেক আশু বিপদ এড়ানো যাবে।
তাই #গাছ_লাগান_প্রাণ_বাঁচান🙏

03/06/2023

করমণ্ডল এক্সপ্রেসের দুর্ঘটনা চালু করা হল হেল্প লাইন নম্বর। হাওড়া ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য 033 2638 2217, খড়গপুর ডিভিশনের যাত্রীদের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল 8972073925/9332392339, বালাসোর ডিভিশনের জন্য হেল্পলাইন নম্বর 8249591559/ 7978418322 এবং শালিমার শালিমার ডিভিশনের জন্য 9903370746

দুর্ঘটনায় বিপদগ্রস্ত যাত্রীদের জন্য একটি কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, যার নম্বর হল 6782262286। যে কোনও রকমের সাহায্যের জন্য এই নম্বরে যোগাযোগের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Address

Dakshin Choumukh
Egra
721422

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Paharpur Cybercafe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Paharpur Cybercafe:

Share

Category