16/03/2020
১। করোনা ভাইরাস বিশালাকৃতির ভাইরাস, যার কোষের প্রস্থ ৪০০-৫০০ মাইক্রোমিটার। সুতরাং যে কোনও মুখোশ যেটা এই আকারের বস্তুকে প্রতিহত করতে পারে সেটা ব্যবহার করলেই হবে, ফার্মাসিস্টদের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন নেই।
২। ভাইরাসটি বায়ুবাহী নয়, আকারে বড় ও ভারী বলে এটা মাটিতে পড়ে থাকে।
৩। করোনা ভাইরাস যখন ধাতব কোনো পৃষ্ঠের উপর পড়ে তখন এটি ১২ ঘন্টা পর্যন্ত বাঁচতে পারে। কাপড়ের উপরে পড়লে ৯ ঘন্টা, সরাসরি শরীরে লাগলে ১০ মিনিট পর্যন্ত বাঁচতে পারে। তাই সাবান এবং জল দিয়ে ভালভাবে জামাকাপড়, শরীর পরিষ্কার করলে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ প্রতিহত করা সম্ভব।
৪। যদি ভাইরাসটি ২২°-২৭° ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় চলে আসে তবে এটি মারা যাবে, কারণ এটি গরম অঞ্চলে বাস করে না। এছাড়াও গরম জল খেলে এবং সূর্যের আলোয় থাকলে করোনাভাইরাস কার্যকর হতে পারে না।
৫। আইসক্রিম থেকে দূরে থাকুন এবং ঠান্ডা আবহাওয়া পরিহার করুন।
৬। উষ্ণ- লবন জলে গার্গল করলে করোনাভাইরাস মরে যায় এবং টনসিল ও ফুসফুসে প্রবেশ করতে পারে না।
এই ছয়টি উপায় মেনে চললে করোনা ভাইরাস প্রতিরোধ করা সম্ভব। শুভ সকালের শুভেচ্ছা রইল। করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) নিজেই পরীক্ষা করুন
এই মুহূর্তে করোনা ভাইরাস পুরো বিশ্ব, বিশেষ করে চীন ও আশেপাশের দেশগুলোতে প্রচণ্ড আতংকের সৃষ্টি করেছে। এযাবৎ প্রায় তিনহাজার মানুষ মারা গিয়েছেন, যার প্রায় দুইহাজার আটশত জনই চীনে। বিশ্বের ৫০টিরও বেশি দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত মানুষের সন্ধান মিলেছে, এবং সারা বিশ্বে আশি হাজারেরও বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন।
সমস্যা হচ্ছে, কেউ আক্রান্ত হলে তার দেহে এই ভাইরাসের চিহ্ন বা লক্ষণ খুঁজে পেতে অনেকদিন সময় লেগে যায়। সাধারণত করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে জ্বর বা কাশি নিয়ে হাসপাতালে যাওয়ার আগেই তার ফুসফুসের ৫০% ফাইব্রোসিস (সূক্ষ্ম অংশুসমূহের বৃদ্ধি) তৈরি হয়ে যায়, যার মানে অনেক দেরি হয়ে গেছে।
তাইওয়ানের বিশেষজ্ঞরা কেউ আক্রান্ত হয়েছেন কি না, সেটা নিজে নিজেই পরীক্ষা করার একটি পদ্ধতি আবিষ্কার করেছেন, যেটা কেউ প্রতিদিন সকালে উঠেই কয়েক সেকেন্ডে একবার পরীক্ষা করে নিশ্চিন্ত হতে পারেন। পরীক্ষাটা হলো;
পরিচ্ছন্ন পরিবেশে লম্বা একটা শ্বাস নিয়ে সেটাকে দশ সেকেন্ডের কিছুটা বেশি সময় ধরে আটকে রাখুন। যদি এই দম ধরে রাখার সময়ে আপনার কোনো কাশি না আসে, বুকে ব্যথা বা চাপ অনুভব না হয়, মানে কোনো প্রকার অস্বস্তি না লাগে, তার মানে আপনার ফুসফুসে কোনো ফাইব্রোসিস তৈরি হয়নি অর্থাৎ কোনো ইনফেকশন হয়নি, আপনি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত আছেন।
---------
জাপানের ডাক্তাররা আরেকটি অত্যন্ত ভালো উপদেশ দিয়েছেন যে, সবাই চেষ্টা করবেন যেন আপনার গলা ও মুখের ভেতরটা কখনো শুকনো না হয়ে যায়, ভেজা ভেজা থাকে। তাই প্রতি পনেরো মিনিট অন্তর একচুমুক হলেও জল পান করুন।
কারণ, কোনোভাবে ভাইরাসটি আপনার মুখ দিয়ে শরীরে প্রবেশ করলেও সেটি জলের সাথে পাকস্থলীতে চলে যাবে, আর পাকস্থলীর এসিড মুহূর্তেই সেই ভাইরাসকে মেরে ফেলবে।
ইন্টারনেট থেকে প্রাপ্ত এই মেসেজটি বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। আপনারা আপনাদের আত্মীয়-বন্ধু-স্বজনদের সাথে শেয়ার করতে পারেন.
সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন।
এই মুহূর্তে সবাইকে জানিয়ে দিতে হবে।