28/08/2023
মানতে চাইলে বিজ্ঞান এবং ধর্ম দুইটাকেই মানা যায় । বিজ্ঞানের সর্বশেষ বিজ্ঞান মহাকাশ বিজ্ঞান যা ব্যবহার করে ভারত চাঁদে তাদের মহাকাশযান চান্দ্রাইয়ান-৩ সফল অবতরণ করে। এ এক অনন্য সাফল্য ভারতের জন্য। বিজ্ঞানের সর্বোৎকৃষ্ট প্রযুক্তি যেমন তারা ব্যবহার করেছে তেমনি পুরো ভারত জুড়ে হয়েছে পূজা,আরতি, প্রার্থনা,দোয়া । এই একটা জায়গায় ভারত পৃথিবীতে নিজেদের একটা সতন্ত্র পরিচয় তৈরি করেছে। অন্যান্য দেশে এমন কাজে সাফল্য আসলে তাতে শুধু বিজ্ঞানের জয়জয়কার হয় । কিন্তু তারা যে কোন কাজেই সাফল্য পেলে ভগবান , ঈশ্বর, গুরু, আল্লাহ সবাইকে স্মরন করে।
এই যেমন আমাদের দেশে ধার করা টাকা আর ধার করা প্রযুক্তি দিয়ে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করেই আমাদের সেই কি উচ্ছাস। কেউ বলছে আমরা ডিজিটাল হয়ে গেছি। আবার প্রগতিশীল অনেক নারীকে দেখা গেছে ব্লাউজ খুলে রাস্তায় প্রতিবাদ করতে। তাদের বিশ্বাস যে এটাই আধুনিকতা । আমরা অনেক এগিয়ে গিয়েছি । আর ধর্ম চর্চা বা ধর্ম বিশ্বাস হচ্ছে সেকেলে ধারনা। আর এক থার্ড বেবি কি মজুমদার যেন নাম, সে তো সরাসরি প্রশ্ন করে বসে যে বাংলাদেশের এই অগ্রগতিতে কি করছে মুসলিমরা ?
চারিদিকে ঘিরে থাকা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিজ্ঞান কে অস্বীকার করবেন সেটা হল মূর্খতা। আর নিজেকে নিজে সৃষ্টি না করেও সৃষ্টিকর্তাকে অস্বীকার করা নাস্তিকতা । আর এই নাস্তিকতার শুরু হয় মূলত আত্ম-পরিচয়হীনতার মাধ্যমে । আমাদের যে প্রজন্মটা গড়ে উঠছে তারা মূলত পরিচয়হীন ভাবে বেরে উঠছে। তারা নিজেদের জাতিগত পরিচয় ধর্মীয় পরিচয় কিছুই জানেনা। আর তাই তারা হতাশায় ভোগে। কারন আমরা দেবার মত কোন পরিচয় খুঁজে না পেলে আমাদের আত্মবিশ্বাস কমে যায়। আর আত্মবিশ্বাস কমে গেলে হতাশা বাড়ে । আর তার সাথে সাথে নাস্তিকতা ও বাড়ে ।
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে বোরকা বা হিজাব নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে। এর অন্যতম কারণ হচ্ছে এখনও পৃথিবীতে ইসলামই একমাত্র ধর্ম যেটা তার পোশাক পরিচ্ছদ নির্বাচন করে রেখেছে। আর তা পৃথিবীর সব প্রান্তে পালিত হচ্ছে সেচ্ছায়। যে সমস্ত প্রগতিশীল ব্যাক্তি ও দেশ নারী স্বাধীনতার কথা বলে তারা সব সময় মধ্যেপ্রাচ্যের দেশগুলোর উদাহরন দেখায় যে তারা এই কারনে পিছিয়ে আছে । কারন তারা তাদের নারীদের স্বাধীন করেনি ইচ্ছে মত পোশাক পরিচ্ছদ করতে দেয় নি। কিন্তু পশ্চিমা দেশগুলোতে যেখানে মত প্রকাশের পূর্ন স্বাধীনতা রয়েছে সেখানেও দেখা যাচ্ছে সেচ্ছায় আধুনিক নারীরা সব জায়গায় সব কাজে তাদের ধর্মীয় পোশাক পড়তেই পছন্দ করছে। এই পরিস্থিতিটা হচ্ছে হিপোক্রেটদের জন্য চিন্তার। কারন যে সেচ্ছায় ধর্মীয় পোশাক পরিধান করাটাকেই বেছে নেয় তাকে ফেড়ানো মুশকিল। তখন তারা রাষ্ট্র যন্ত্র ব্যাবহার করে। আইন করে নিষিদ্ধ করে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও কর্মস্থলে ধর্মীয় পোশাক পরিধান করা যাবে না ।