Tips & tricks ( টিপস & ট্রিকস )

Tips & tricks ( টিপস & ট্রিকস ) We are going into the new things for this page. Which is freelancing. You will know about all the th

11/06/2017

সনি এক্সপেরিয়া টাচ। একটি পোর্টেবল প্রজেক্টর যেটা পরিবর্তিত হয়ে আপনার টেবিল বা দেওয়াল কে তৈরি করবে একটি ইন্টারএকটিভ টাচ-স্ক্রীনে।
এটি একটি ১৩৪মিমি( ৫.৩") উচ্চতা, ১৪৩মিমি(৫.৬") পুরু এবং ৬৯মিমি(২.৭") মোটা আয়তনের মোবাইল ডিভাইস। যেটা আপনার টেবিল বা দেওয়ালে আলোর সঞ্চার করে টাচ ডিভাইসে পরিণত হতে সক্ষম। এতে আছে এলপিডিডিআর৩ এর ৩ জিবি র্যাম, ইএমএমসি ৩২জিবি স্টোরেজ যা আপনি মেমোরি স্লটের মাধ্যমে বাড়ানো যাবে। এটাতে এন্ড্রয়েডের এন(নওগাট) ব্যবহার করা হয়েছে। এতে প্রায় সকল সেন্সর এর সাথে সাথে বাতাসের আর্দ্রতা এবং হিউম্যান ডিটেকশনের জন্য সেন্সর আছে। ওয়াইফাই, ব্লুটুথ, এনএফসি এবং কাস্টের জন্য মিরাকাস্ট ব্যবহৃত হয়েছে। এইচডিএমআই-ডি পোর্ট এবং ইউএসবি টাইপ-সি ব্যবহৃত হয়েছে। এসএক্সআরডি এর তিনটি প্রাইমারি কালার সমৃদ্ধ এলসিডি সাটার প্রোজেকশন সিস্টেম আছে। এতে ১৩৬৬*৭৬৮ মানের রেসুলেশন পাওয়া যাবে। তবে প্রোজেকশন সাইজ ২৩-৮০ ইঞ্চ পর্যন্ত করা যাবে। এটাতে ১৩ মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা আছে, দুই দিকে স্টোরিও স্পিকার রয়েছে, এবং এটা আইআর সেন্সরের মাধ্যমে ১০টি আঙ্গুল পর্যন্ত মাল্টি টাচ সাপোর্ট করবে। এটার দাম সম্পর্কে এখনো কোন খবর জানা যায় নি। আপলোডেড ভিডিও টি দেখে নিন। বিস্তারিত জানতে সনির অফিসিয়াল সাইট ভিসিট করতে পারেন।
Video From Sony Official YouTube channel
Sony official : https://www.sonymobile.com/global-en/products/smart-products/xperia-touch
GSM Arena: http://www.gsmarena.com/sony_xperia_touch_review-news-25540.php

31/05/2017

Project Soli is on air technology for mobile devices. Which is developing by Google inc. This is a chip, which can recognise user finger motion and sound. Let's see the promo.

Adobe XD CC (formerly Adobe Experience Design CC)অ্যাডোবি অবশেষে উইন্ডোজ এর জন্য রিলিজ দিল তাদের মোবাইল প্রোটোটাইপ ডিজাই...
15/12/2016

Adobe XD CC (formerly Adobe Experience Design CC)
অ্যাডোবি অবশেষে উইন্ডোজ এর জন্য রিলিজ দিল তাদের মোবাইল প্রোটোটাইপ ডিজাইনিং সফটওয়ার অ্যাডোবি এক্সপেরিয়েন্স ডিজাইন সিসি। তবে এটা এখনো বেটা ভারশন। তাই যেকোন ইউজার এটা ডাউনলোড করে ব্যবহার করা যাবে। এটা অনেক আগে প্রিভিউ ভারশনে ছিল শুধুমাত্র ম্যাকের জন্য কিন্তু এখন উইন্ডোজ ইউজারদের জন্য বেটা ভারশনে রিলিজ দেওয়া হয়েছে। বেটা ভারশন রিলিজ করা হয় গত ১২.১২.২০১৬ তে। উইন্ডোজ এবং ম্যাকের জন্য।
কার্যকারিতা
-----------------
এটা দিয়ে মূলত বিভিন্ন ধরনের সফটওয়ার, ওয়েবসাইটের প্রোটোটাইপ তৈরি করা হয়। এটাতে আছে খুবই সাধারণ একটা ইন্টারফেস। যেটা যেকোন ব্যবহারকারী সহজে বুঝে নিতে পারবে। এটা দিয়ে খুবই স্পিডে কাজ করা যায়। এটা অনেক ছোট সফটওয়ার হওয়াই খুবই নমনীয় ভাবে কাজ করে থাকে। এটার জন্য উন্মুক্ত করা হয়েছে অ্যাডোবি এক্সডি প্রিভিউ এক্সপেরিয়েন্স ফর আইপ্যাড এবং আইফোন এন্ড এন্ড্রয়েড। যাতে করে ব্যবহারকারী খুব সহজেই তার প্রোটোটাইপের প্রিভিউ দেখতে পারে। আরো আছে ফ্রেন্ডসদের সাথে ডিজাইন শেয়ার করার সুবিধা। এতে করে সহজে কারো মতামত যাচাই করা যায়। এখন আপতত উইন্ডোজ ব্যবহারকারীরা শুধুমাত্র সাধারণ ডিজাইন এবং প্রোটোটাইপ করতে পারবে। যেমন- এটাতে আছে drawing and layout tools, Repeat grid, ability to design specific devices, stylized text, multiscreen artboards, import and export PNG, color picker, type kit fonts, add interaction and animations, preview in desktop instantly.

যা আসতেছে পরের ভারশনে: Masking, pen and touch support, Boolean operations, blur effects, linear gradients, layers, symbols, recordable prototype, sharing for windows user.

কম্পোটিবিলিটি
কম্পিউটার এর ক্ষেত্রে উইন্ডোজ অথবা ম্যাক হতে হবে। ভারশন ম্যাক নু্ন্যতম ১০.১০ অথবা এর উপরের ভারশন এবং উইন্ডোজের ক্ষেত্রে উইন্ডোজ ১০ অ্যানিভারসারি আপডেট এবং ৬৪-বিট সাথে বিল্ড ভারশন ১০.০.১৪৩৯৩ হতে হবে অথবা উইন্ডোজ ৭ বা উপরের কোন ভারশনে পরে উল্লেখিত কনফিগারেশন থাকতে হবে। ম্যাক সিপিইউ ১.৪ গিগাহার্টজ এবং উইন্ডোজ ২ গিগাহার্টজ হতে হবে। র্যাম ৪গিগাবাইট এবং ২গিগাবাইট স্পেস লাগবে। উইন্ডোজের জন্য ১২৮০*৮০০ পিক্সেলের ডিসপ্লে এবং জিপিইউ ৫১২ মেগাবাইট লাগবে।
ব্রাউজারের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ১১, মাইক্রোসফট এজ ১.০, সাফারি ৯, গুগল ক্রোম লেটেস্ট, ফায়ার ফক্স লেটেস্ট লাগবে। মোবাইল ব্রাউজারের ক্ষেত্রে এন্ড্রয়েড ৪.২ এর ডিফল্ট ব্রাউজার, ক্রোম এর ক্ষেত্রে আইওএস ৯ এবং সাফারি এর ক্ষেত্রে আইওএস ৮ লাগবে। মোবাইল ডিভাইসের ক্ষেত্রে ৬৪-বিট এর আইওএস সাথে ৯.৩.৩ এর আপডেট এবং এন্ড্রয়েডের ক্ষেত্রে ৪.২ অথবা এর উপরের ভারশন হতে হবে।

অপারেটিং সিস্টেম পর্ব 2--------------------------------------------------------------পূর্ববর্তী পোস্ট এ আমরা জেনেছি যে, ...
14/11/2016

অপারেটিং সিস্টেম পর্ব 2
--------------------------------------------------------------
পূর্ববর্তী পোস্ট এ আমরা জেনেছি যে, এন্ড্রয়েড এবং উইন্ডোজ ফোন, এই দুইটি অপারেটিং সিস্টেম সম্পর্কে। আমরা যে ফোনই ব্যবহার করিনা কেন। তাতে অপারেটিং সিস্টেম বা সিস্টেম এপ্লিকেশন বিদ্যমান থাকে। হাজারো ধরণের ছোট ছোট সিস্টেম এপ্লিকেশন বা সফটওয়্যার এর মাধ্যমে একটি অপারেটিং সিস্টেম তৈরী হয়। আজ আমরা জানবো আইওএস এবং উবুন্টু টাচ নিয়ে।

আইওএস :
------------------------------
বিশ্ববিখ্যাত প্রযুক্তি উৎপাদন কারী টেক জায়ান্ট এপল এর ওএস এটি। তারা প্রতি বছর নতুন নতুন প্রযুক্তি লঞ্চ করে, যার জন্য প্রযুক্তি বিশ্ব হুমড়ি খেয়ে পরে তাদের প্রোডাক্ট কিনে নিতে। এপল তাদের প্রোডাক্ট গুলো এমন ভাবে তৈরী করে থাকে, যাতে তেমন কোন বাগ থাকে না। তারপরও টেকনোলজি বলে কথা। মানুষের তৈরী সবকিছুতেই কিছু না কিছু বাগ আছে। আর সেটা যদি ইলেকট্রিকাল কোনো প্রোডাক্ট হয়। তাহলেতো কথাই নেই। এপলের আইওএস মূলত একটি ক্লোস্ড সোর্স, হাইব্রিড(XNV), উনিক্স লাইক(ডারউইন বুট লোডার) এর মাধ্যমে তৈরী একটি অপারেটিং সিস্টেম। C, C++, অবজেক্টিভ C, সুইফট কোডিং এর মাধ্যমে তৈরী করা হয়। 2007 সালের জুন মাসের 20 তারিখ তারা এটা রিলিজ করে। এপল এর আইওএস শুধুমাত্র তাদের আইফোনে ব্যবহারিত হয়ে থাকে। এবং তাদের স্মার্টফোন বা স্মার্ট ডিভাইস নেয়া ছাড়া আইওএস ব্যবহার করা যায় না। এপল আইফোন, আইপ্যাড, আইপড টাচ এ মূলত আইওএস ব্যবহার করার সুযোগ রেখেছে। তাদের আছে বিশাল এপ্লিকেশন স্টোর। যেখানে প্রায় 10 মিলিয়ন এর ওপর এপ্লিকেশন রয়েছে। আইওএস ডিভাইস এ জেইলব্রেক ব্যাতিত যেকোনো এপল আইডি দিয়ে ডাউনলোড করা এপ্লিকেশন যেকোনো ডিভাইসে চালানো যাই না। এপল তাদের প্রতিটি ডিভাইস এ মিনিমাম চার বছর পর্যন্ত আপডেট দিয়ে থাকে। সার্ভিস সাপোর্ট পাওয়া যায় 1 বছর এর মতো। এখনো পর্যন্ত ওয়ার্ল্ডওয়াইড সবচেয়ে বেশি কাস্টমার সটিসফসিশন দিতে পেরেছে এপল জায়ান্ট। তবে উপরে উল্লেখিত সীমাবদ্ধতা ব্যাতিত আরো কিছু সীমাবদ্ধতা আছে যেমন- মিডিয়া ফাইল সিঙ্ক করার জন্য তাদের আইটিউনস সফটওয়্যার ছাড়া নেয়া যায় না, সকল এপ একই স্টোরেজ ব্যবহার করলেও তাদের ইউজার ফাইল গুলো আলাদা থাকে। বিশ্বে আইওএস এখন দ্বিতীয় এবং সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয় মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে আছে। আইওএস শুধুমাত্র এপল এর মোবাইল ডিভাইস আইফোন, আইপ্যাড, আইপড টাচ এ ব্যবহৃত হয়ে থাকে। কিছু মডেল হলো - iPhone( latest phone iPhone SE), iPad(latest tab iPad pro 9.7), iPod touch(latest device iPod 6th generation). এ ছাড়াও আইওএস এর মাধ্যমে না চললেও অন্য অনেক এপল এর ডিভাইস আছে যেগুলো ডারউইন এবং ইউনিক্স বেসড করে অপারেটিং সিস্টেম তৈরী করা হয়েছে। যেমন- Apple TV OS, Apple Watch OS.
আইওএস এর লেটেস্ট ভার্সন হলো 9.3.3 যেটা iPhone 4S or above, iPad 2 or above and iPod 5th generation or above সাপোর্ট করে। বর্তমানে স্মার্টফোন বাজারের প্রায় 33% তাদের হাতে। এবং তা দিন দিন বাড়ছে।

উবুন্তু টাচ:
-----------------------------`
উবুন্টু টাচ, মোবাইল এর জন্য ক্যানোনিক্যাল নিয়ে এসেছে একটি যুগান্তকারী মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম। এটাকে পুরা ইউনিক করে তৈরী করা হয়েছে। এটা লিনাক্স বেসড অপারেটিং সিস্টেম। এটাকে পুরোপুরি button less করে তৈরি করা হয়েছে। তবে উবুন্টু এর কিছু কিছু সেট এ বাটন দেখা যায়(যেমন Meizu X4 ubuntu edition)। এটার সব feature সম্পূর্ণ swap নির্ভর। এটার মধ্যে কোন ধরনের বাটনের দরকার পড়বে না ব্যবহারকারীদের। এটাতে শুধুমাত্র পাওয়ার এবং ভলিউম রকার ব্যবহার করা হয়েছে।এটা ব্যবহার করার জন্য নির্দিষ্ট কিছু ডিভাইস আছে। তবে নির্দিষ্ট কিছু এন্ড্রয়েড ডিভাইসে চাইলে ইনস্টল করা যায়। এক্ষেত্রে ব্যবহারকারীর কম্পিউটারে অবশ্যই উবুন্টু ইনস্টল এবং ইন্টারনেট কানেকশন থাকতে হবে।
এটার ব্যাবহারকারির সংখ্যা এখন খুবই কম।

আমরা পূর্ববর্তী পোস্ট এ জেনেছিলাম যে, স্মার্টফোন কি? মূলত কি কি থাকে সেটা। আমরা সবাই জানি যে, সকল স্মার্টফোন এ একটি অপার...
28/05/2016

আমরা পূর্ববর্তী পোস্ট এ জেনেছিলাম যে, স্মার্টফোন কি? মূলত কি কি থাকে সেটা। আমরা সবাই জানি যে, সকল স্মার্টফোন এ একটি অপারেটিং সিস্টেম থাকে। যেমন - গুগল এর এন্ড্রয়েড(বর্তমান এন্ড্রয়েড 6), এপল এর আইওএস(বর্তমানে 9.3.3), মাইক্রোসফট এর উইন্ডোজ ফোন(বর্তমানে উইন্ডোজ 10), ক্যানোনিক্যাল এর উবুন্টু( বর্তমানে উবুন্টু টাচ 2016) আরো অনেক ওএস আছে, তবে সেগুলো তেমন জনপ্রিয় না। এখানে উপরে উল্লেখিত চারটি অপারেটিং সিস্টেম এর উপর আলোচনা করা হবে।
এটি দুই পর্বের পোস্ট এর প্রথম পর্ব শুরু করতেছি।

এন্ড্রয়েড(Android) :
এন্ড্রয়েড হচ্ছে গুগল এর তৈরী একটি মোবাইল এর জন্য ওপেন সোর্স(যে সফটওয়্যার এর কোড যেকেউ তার মতো করে পরিবর্তন করতে পারে) বহুল জনপ্রিয় অপারেটিং সিস্টেম। এন্ড্রয়েড ইনক এটি ডেভেলপ করে । পরবর্তীতে গুগল 2007 সালের দিকে এটি কিনে নেয়। তবে ডেভেলপারদের মধ্যে কোনো পরিবর্তন হয়নি। 2008 এ এসে এন্ড্রয়েড পাবলিক ভাবে রিলিজ হয়, যেটা ছিল সম্পূর্ণ ওপেন সোর্স। বর্তমানে এন্ড্রয়েড মোবাইল(স্মার্টফোনের জন্য তৈরি), এন্ড্রয়েড টিভি(স্মার্ট টিভি এর জন্য তৈরি করা ওএস), এন্ড্রয়েড কারস(গাড়ির জন্য তৈরি করা ওএস), এন্ড্রয়েড ওয়ারস(স্মার্ট ওয়াচ এর জন্য তৈরি করা ওএস) আছে। এটির কার্নেল এর ধরণ হচ্ছে মনোলিথিক, ইউনিক্স বেসড, C, C++, Java কোডিং এর মাধ্যমে তৈরী করা হয়েছে। এন্ড্রয়েড মূলত বাজারে আসে 2008 সালের সেপ্টেম্বর মাসের 23 তারিখ। 2013 সাল থেকে এন্ড্রয়েড এর ব্যবহারকারী অতুলনীয় হরে বাড়তে থাকে। তারা 2010 সালে এন্ড্রয়েড স্টোর নিয়ে আসে, এবং তার পরবর্তী থেকে 2013 পর্যন্ত হিসাব অনুযায়ী গুগল টার্গেট অনুযায়ী apps ডেভেলপ হয়েছিল শুধুমাত্র 71%। যা তাদের মার্কেটে অনেক শক্ত অবস্থান তৈরী করে দিয়েছিল। বেশিরভাগ ডেভেলপার এন্ড্রয়েড apps ডেভেলপ করতে আগ্রহী হয়। কারণ সহজলভ্য, হার্ডওয়্যার ফ্রি, আর টুলস এর সহজলভ্যতা। 2013 সালের শেষের দিকে এসে পৃথিবীর মোট apps ডেভেলপার এর মধ্যে প্রায় 43% ডেভেলপার প্রফেশনালি এন্ড্রয়েড apps ডেভেলপমেন্ট কে বেছে নেয়।
এটির বর্তমানে 6.0.1 marsmallow(2015) পাবলিক রিলিজ হয়।
বিশ্বের মধ্যে অনেক বড় বড় ব্র্যান্ড এখন এন্ড্রয়েড ফোন তৈরী করে যেমন- Samsung, Sony, Motorola, Asus, HTC আরো অনেক। 2013 এর পর থেকে এখনো পর্যন্ত 1.5 বিলিয়ন বাবজার কারী পেয়েছে এন্ড্রয়েড। যেটা স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর মধ্যে প্রায় 53%।

উইন্ডোজ মোবাইল:
উইন্ডোজ মোবাইল ওএস হলো মাইক্রোসফট এর ডেভেলপ করা স্মার্টফোনের জন্য ক্লোস্ড সোর্স এ তৈরি একটি অপারেটিং সিস্টেম। যা 2010 সালে প্রথম বাজারে আসে উইন্ডোজ ফোন 7 নিয়ে। যা বাজারে তেমন একটা সারা ফেলতে পারে নি। তখন শুধুমাত্র 5% ব্যবহার কারী ছিল উইন্ডোজ ফোনের। এটার সবচেয়ে বড় সমস্যা বলে ব্যাবহারকারীরা বলেন apps এর সল্পতা। এটি সম্পূর্ণভাবে ক্লোস্ড সোর্স এ চলে। এটি একটি মাইক্রোসফট উইন্ডোজ বেসড, হাইব্রিড কার্নেল এবং C, C++ কোডিং এর মাধ্যমে তৈরী করা হয় অপারেটিং সিস্টেম। মাইক্রোসফট মোবাইল এখনো পর্যন্ত টেবলেট এবং ফোনের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে বেশিরভাগ ব্যাবহারকারী apps এর সল্পতা নিয়ে কথা বললেও তাদের মধ্যে বেশীরভাগই বলেছে যে, সবচেয়ে দ্রুত গতির অপারেটিং সিস্টেম এটি। আরেকটি সমস্যা হলো বাগ বেশি। থার্ড পার্টি apps এ তো আছে, মূল প্রোগ্রাম এ কিছু কিছু সফটওয়্যার এ আছে। মাইক্রোসফট 2014 সালে নোকিয়া কে কিনে নেয়। তারপর থেকে লুমিয়া নাম থাকলেও ব্র্যান্ড এর নাম নোকিয়ার জায়গায় মাইক্রোসফট দেখা যেতে থাকে। 2016 তে রিলিজ লুমিয়া সিরিজ এর ফোন 950, 950 XL, 550 তে মাইক্রোসফট লিখা দেখা যাই নি, শুধুমাত্র লোগো দেখা গিয়েছে। সম্প্রতি মাইক্রোসফট থেকে বলা হয়েছে(Rumor বলা হচ্ছে) তারা লুমিয়া ফোন আর উৎপাদন করবে না, এখন নতুন ফোন আসবে সারফেস নামে। যেটা তাদের বহুল প্রচলিত সারফেস ট্যাবলেট(বর্তমান মাইক্রোসফট সারফেস 4 এবং 4 প্রো) হিসেবে বাজারে আছে। তাদের শেষ পাবলিক রিলিজ ছিল 2014 সালে উইন্ডোজ ফোন 8.1 । তখন তাদের ব্যাবহারকারী ছিল মোট 7%। 2015 এর শেষের দিকে এসে মাইক্রোসফট ইনসাইট (ডেভেলপার প্রিভিও) প্রোগ্রামের মাধ্যমে উইন্ডোজ 10 মোবাইল রিলিজ করে, যার ফলে উইন্ডোজ ব্যাবহারকারী 7% থেকে 10% এ চলে আসে। যদিও উইন্ডোজ মোবাইল এখনো ডেভেলপমেন্ট এ আছে। এটা ফুল রিলিজ হবে এই বছর(2016) এর শেষের দিকে। তবে 950, 950 XL, 550 এবং এর পরবর্তী মোবাইলের জন্য উইন্ডোজ 10 মোবাইল আপডেট করা যায়, কোনো ধরণের ইনসাইট প্রোগ্রাম এ যুক্ত হতে হয় না। উইন্ডোজ মোবাইল স্টোর এ এখন অনেক এপ্লিকেশন যোগ করা হয়েছে। দিন দিন এর সংখ্যা বাড়তেছে। বিশ্বে বেশ কিছু বড় কোম্পানি উইন্ডোজ মোবাইল বের করেছে তাদের মধ্যে অন্যতম হলো - Samsung, Htc, MeiZu, Asus আরো অনেক।

উৎস: উইকিপিডিয়া, এবাউট, মাইক্রোসফট, এন্ড্রয়েড, ভার্জ, টেশত্রুচ।
ফটো: the firstpost, More Than Android

স্মার্টফোন সেই মোবাইল ফোন কে বলা হয়,  যেটা দিয়ে একসঙ্গে বেশ কয়েকটা এপপ্স এ কাজ করা যায়। টেকনিকাল ভাষায় বলতে গেলে, যে দ্র...
26/05/2016

স্মার্টফোন সেই মোবাইল ফোন কে বলা হয়, যেটা দিয়ে একসঙ্গে বেশ কয়েকটা এপপ্স এ কাজ করা যায়। টেকনিকাল ভাষায় বলতে গেলে, যে দ্রুততর, সহজ ব্যবহার পদ্ধতি, স্পর্শকাতর, উন্নত প্রসেসিং সুবিধা, মাল্টি টাস্কিং এ একসাথে অনেকগুলো এপ্লিকেশন চালানোর সুবিধার ফোন কে বুঝায়। এখন পৃথিবীর মোট মোবাইল ব্যবহার কারীর মধ্যে প্রায় 60% স্মার্টফোন ব্যবহার করে। স্মার্টফোন দিন দিন পরিবর্তন হচ্ছে। প্রতিদিন নতুন নতুন প্রযুক্তি যোগ করা হচ্ছে। স্মার্টফোন মূলত চলে অপারেটিং সিস্টেম এর মাধ্যমে। এই জন্য স্মার্টফোন কে ছোট কম্পিউটার ও বলা যায়। কারণ কম্পিউটার এর প্রায় অনেক প্রয়োজনীয় কাজ এখন স্মার্টফোনের মাধ্যমে করা যায়। যেমন- মেইল করা, মেসেজ করা, ইন্টারনেট ব্যবহার করা, ছবি এডিট করা ইত্যাদি। স্মার্টফোনেও কম্পিউটার এর মতো র্যাম, রম, হার্ড স্টোরেজ, ডিসপ্লে, স্পিকার, কীবোর্ড, নেটওয়ার্ক এডাপটার ইত্যাদি। তবে সবকিছু কম্পিউটার এর মতো হলেও এটার ক্ষমতার দিক থেকে ভিন্ন। পাওয়ারফুল কাজগুলো কিন্তু স্মার্টফোনের মাধ্যমে করা যায় না। যেমন- ফটোশপ ব্যবহার করে ছবির ম্যানিপুলেশন করা।
এটার প্রতিটি অপারেটিং সিস্টেম এ একটা করে ঐ ওএস কোম্পানির এপপ্স স্টোর থাকে। যেমন- আপেল এর আইফোনের জন্য এপপ্স স্টোর, গুগল এর এন্ড্রয়েড এর জন্য প্লে স্টোর। এখান থেকে ব্যবহার কারী তাদের ইচ্ছে মতো এপপ্স ডাউনলোড করে নিতে পারে তাদের ফোনে। অন্যান্য আরো বেশ কয়েকটি অপারেটিং সিস্টেম কোম্পানি আছে যেমন- উইন্ডোজ ফোন(মাইক্রোসফট), ব্ল্যাকবেরি ওএস(উইংক ইন্টারন্যাশনাল), ফায়ারফক্স ওএস(মজিলা ফাউন্ডেশন), উবুন্টু(ক্যানোনিক্যাল ইনক.) অন্যতম।

স্মার্টফোন এর উন্নয়ন এর সাথে সাথে এটার নেটওয়ার্ক কম্প্যাটিবিলিটি এর অনেক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, যেমন এখন 4G বা LTE কানেক্টিভিটি সমৃদ্ধ ফোন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। 1991 এ প্রথম 2G(Second Generation) নেটওয়ার্ক তৈরী করা হয় যার স্পিড ছিল 56kbits/s (kilobits per second), যা সাধারণ ডায়াল আপ কানেকশন এর সমান। 2002 এসে 3G নেটওয়ার্ক বাজারে আসে। যার 256kbits/s থেকে 14mbits/s (Megabits per second) পর্যন্ত। যা বর্তমানের ক্যাবল কানেকশন এর সমান। 2010 সালে আসে 4G বা LTE(Long Term Evolution), যার স্পিড সব নেটওয়ার্ক কে ছাড়িয়ে যায়। স্পিড 100mbits/s থেকে 1gbits/s(Gigabits per second) পর্যন্ত হয়ে থাকে। যা উন্নত মানের অপটিক্যাল ফাইবার কানেকশন এ পাওয়া যায়।
স্মার্টফোনের মাধ্যমে অনেক ধরণের কাজ করা যায়, যেমন - কল করা, বার্তা পাঠানো, ইমেইল করা(ইন্টারনেট), গান শোনা, ভিডিও দেখা, গেমস খেলা, সর্বোপরি ইন্টারনেট ব্যবহার করা।
উৎস: Wikipedia, Vodafone, Youtube, about.com

Address

Bab Al-Bahrain
Manama
211

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tips & tricks ( টিপস & ট্রিকস ) posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tips & tricks ( টিপস & ট্রিকস ):

Share

Category