লীডস আইটি ট্রেনিং সেন্টার

লীডস আইটি ট্রেনিং সেন্টার Training
Sales
Servicing

14/08/2025

ভারতীয় ভিসা

ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন প্রক্রিয়া, নিয়মাবলী এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিচে আলোচনা করা হলো। এই তথ্যগুলো মূলত বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য।

ভিসার আবেদনের নতুন নিয়ম (২০২৪-২৫ অনুযায়ী)
সাম্প্রতিক সময়ে ভারতীয় ভিসার নিয়মে কিছু পরিবর্তন এসেছে, যা আবেদন প্রক্রিয়াকে আরও সহজ করেছে। তবে কিছু বিষয়ে কঠোরতাও লক্ষ্য করা যায়।

* ভিসা প্রসেসিং ফি বৃদ্ধি: আগে যেখানে ভিসা প্রসেসিং ফি ছিল ৮২৪ টাকা, তা বাড়িয়ে ১,৫০০ টাকা করা হয়েছে। এই নতুন ফি কার্যকর হয়েছে।

* ওয়াক-ইন সুবিধা: কিছু নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে (যেমন মেডিকেল, বিজনেস, স্টুডেন্ট) ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ ছাড়া সরাসরি ওয়াক-ইন পদ্ধতিতে আবেদন জমা দেওয়া যায়।

* অনলাইন আবেদন: এখনো আবেদন প্রক্রিয়া মূলত অনলাইনেই করতে হয়। তবে, অনলাইন ফর্ম পূরণ করার পর নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে (সাধারণত ৮ দিনের মধ্যে) ভিসা আবেদন কেন্দ্রে (IVAC) জমা দিতে হয়।
ভিসার প্রকারভেদ এবং নিয়মাবলী

ভারতীয় ভিসা বিভিন্ন ধরনের হয়। আপনার ভ্রমণের উদ্দেশ্য অনুযায়ী সঠিক ক্যাটাগরি বেছে নিতে হবে।

১. ট্যুরিস্ট ভিসা (Tourist Visa)

* উদ্দেশ্য: পর্যটন, বিনোদন, বন্ধু-বান্ধব বা আত্মীয়-স্বজনের সাথে দেখা করা।
* নিয়ম: সাধারণত, এই ভিসার মেয়াদ এক বছরের হয়ে থাকে এবং মাল্টিপল এন্ট্রি সুবিধা থাকে। ভ্রমণকারীদের অবশ্যই প্রমাণ করতে হবে যে তারা কেবল পর্যটনের উদ্দেশ্যেই যাচ্ছেন।

২. মেডিকেল ভিসা (Medical Visa)

* উদ্দেশ্য: ভারতে চিকিৎসার জন্য যাওয়া।
* নিয়ম: এই ভিসার জন্য, ভারতের কোনো স্বীকৃত হাসপাতাল থেকে চিকিৎসার জন্য আমন্ত্রণপত্র (Invitation Letter) বাধ্যতামূলক। এই আমন্ত্রণপত্রে রোগীর অবস্থা, চিকিৎসার ধরণ এবং আনুমানিক খরচ উল্লেখ করা থাকে। এই ভিসা সাধারণত রোগীর একজন সহকারীর জন্যও (Medical Attendant Visa) পাওয়া যায়।
৩. বিজনেস ভিসা (Business Visa)

* উদ্দেশ্য: বাণিজ্যিক বা ব্যবসায়িক কাজে ভারতে ভ্রমণ।
* নিয়ম: এই ভিসার জন্য, বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানের প্যাডে একটি কাভার লেটার এবং ভারতীয় প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে আমন্ত্রণপত্র প্রয়োজন। ট্রেড লাইসেন্সের কপিও জমা দিতে হয়।

৪. অন্যান্য ভিসা: এছাড়া স্টুডেন্ট ভিসা, ট্রানজিট ভিসা, জার্নালিস্ট ভিসা, কনফারেন্স ভিসা ইত্যাদি বিভিন্ন ধরনের ভিসা রয়েছে, যেগুলোর জন্য নির্দিষ্ট নিয়মাবলী ও কাগজপত্র প্রয়োজন হয়।
ভারতীয় ভিসার জন্য আবেদন পদ্ধতি
ভারতীয় ভিসার আবেদন প্রক্রিয়া কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়:

ধাপ ১: অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ

* প্রথমে ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC) -এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইট (https://www.ivacbd.com/) অথবা ভারতীয় হাই কমিশনের ওয়েবসাইট (https://indianvisa-bangladesh.nic.in/) থেকে অনলাইন আবেদন ফর্ম পূরণ করতে হবে।
* ফর্ম পূরণের সময় সব তথ্য পাসপোর্টের সাথে মিল রেখে সতর্কতার সাথে দিতে হবে।
* ফর্ম পূরণের সময় একটি পাসপোর্ট সাইজের ছবি স্ক্যান করে আপলোড করতে হবে। ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা এবং ছবিটি সাম্প্রতিক সময়ের হতে হবে।
ধাপ ২: আবেদন ফি প্রদান

* আবেদন ফর্ম পূরণের পর ভিসা প্রসেসিং ফি (বর্তমানে ১,৫০০ টাকা) অনলাইনেই অথবা ভিসা সেন্টারে জমা দেওয়ার সময় নগদ দিতে পারেন।
(বিঃদ্রঃ টাকা জমা করে স্লট নেওয়া বর্তমানে এতটা সহয় নয় যদিও)

ধাপ ৩: কাগজপত্র সংগ্রহ ও প্রস্তুতি

* ভিসা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত কাগজপত্র জোগাড় করে একটি নির্দিষ্ট ফাইলে সাজিয়ে রাখতে হবে।

ধাপ ৪: ভিসা আবেদন কেন্দ্রে জমা দেওয়া

* ফর্ম পূরণ এবং কাগজপত্র প্রস্তুত হওয়ার পর আপনার বিভাগ অনুযায়ী নির্ধারিত ইন্ডিয়ান ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টারে (IVAC) ফর্ম ও সব কাগজপত্র জমা দিতে হবে।
* কিছু কিছু ক্ষেত্রে (যেমন ট্যুরিস্ট ভিসা) অনলাইনে অ্যাপয়েন্টমেন্টের তারিখ নিতে হতে পারে।
প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (সাধারণত সকল ভিসার জন্য প্রযোজ্য)
* পাসপোর্ট: মূল পাসপোর্ট, যার মেয়াদ অন্তত ৬ মাস থাকতে হবে এবং কমপক্ষে দুটি খালি পৃষ্ঠা থাকতে হবে। পুরনো পাসপোর্ট থাকলে সেটিও জমা দিতে হবে।
* ছবি: ২x২ ইঞ্চি (350x350 পিক্সেল) সাইজের রঙিন ছবি, যার ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা এবং মুখমণ্ডল পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। ছবিটি ৩ মাসের বেশি পুরোনো হওয়া যাবে না।
* জাতীয় পরিচয়পত্র/জন্ম সনদ: এনআইডি কার্ডের ফটোকপি বা জন্ম নিবন্ধন সনদের ফটোকপি।
* ঠিকানার প্রমাণ: বর্তমান ঠিকানার প্রমাণ হিসেবে বিদ্যুৎ, গ্যাস, টেলিফোন বা পানির বিলের ফটোকপি (৬ মাসের বেশি পুরোনো নয়)।
* পেশার প্রমাণ:
* চাকরিজীবী: কর্মস্থল থেকে NOC (No Objection Certificate) বা প্রত্যয়নপত্র।
* ব্যবসায়ী: ট্রেড লাইসেন্সের ফটোকপি।
* শিক্ষার্থী: শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আইডি কার্ডের ফটোকপি।
* আর্থিক সচ্ছলতার প্রমাণ: প্রতি জন প্রতি ১৫০ মার্কিন ডলার সমমূল্যের বৈদেশিক মুদ্রা এন্ডোর্সমেন্ট অথবা গত তিন মাসের ব্যাংক স্টেটমেন্টের ফটোকপি।
ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্র (IVAC)
বাংলাদেশে ভারতীয় ভিসা আবেদন গ্রহণ ও বিতরণের জন্য ভারতীয় ভিসা অ্যাপ্লিকেশন সেন্টার (IVAC) রয়েছে।
* ঢাকা: যমুনা ফিউচার পার্ক ।
* চট্টগ্রাম
* রাজশাহী ।
* সিলেট: মিরাবাজার।
* খুলনা: শিববাড়ি মোড়।

এছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছোটো ছোটো IVAC রয়েছে। আবেদন জমা দেওয়ার আগে আপনার এলাকার জন্য নির্ধারিত কেন্দ্রটি নিশ্চিত হয়ে নিন।

15/06/2018

_-'-_
]| |[
]| |[
]| |[ ._.-^-._
]| |[_((('''')))_.-^-._
]| |[¤ ঈদ ¤{[( )]}
@@@@@@@@@@@@
§§§ মোবারক §§§

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সকল কিবোর্ড শর্টকাটঃশেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেওয়ার জন্য সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।Ctrl + A = সিলেক্ট...
05/11/2017

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সকল কিবোর্ড শর্টকাটঃ
শেয়ার করে টাইমলাইনে রেখে দেওয়ার জন্য সবার দৃষ্টি আকর্ষন করছি।

Ctrl + A = সিলেক্ট অল।
Ctrl + B = টেক্সট বোল্ড।
Ctrl + C = কোন কিছু কপি করা।
Ctrl + D = ফন্ট পরিবর্তনের ডায়ালগ বক্স প্রদর্শন করা।
Ctrl + E = সেন্টার এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + F = কোন শব্দ খোঁজা বা প্রতিস্থাপন করা।
Ctrl + G = গো টু কমান্ড।
Ctrl + H = রিপ্লেস কমান্ড।
Ctrl + I = টেক্সট ইটালিক।
Ctrl + J = টেক্সট জাস্টিফাইড এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + K = হাইপারলিংক তৈরী করা।
Ctrl + L = টেক্সট লেফট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + M = ইনভেন্ট দেয়ার জন্য।
Ctrl + N = নতুন কোন ডকুমেন্ট খোলার জন্য।
Ctrl + O = পূর্বে তৈরী করা কোন ফাইল খোলার জন্য।
Ctrl + P = ডকুমেন্ট প্রিন্ট।
Ctrl + Q = প্যারাগ্রাফের মাঝে স্পেসিং করার জন্য।
Ctrl + R = টেক্সটকে রাইট এলাইনমেন্ট করা।
Ctrl + S = ফাইল সেভ।
Ctrl + T = ইনডেন্ট পরিবর্তন করার জন্য।
Ctrl + U = টেক্সট আন্ডারলাইন।
Ctrl + V = টেক্সট পেষ্ট করার জন্য।
Ctrl + W = ফাইল বন্ধ করার জন্য।
Ctrl + X = ডকুমেন্ট থেকে কিছু কাট্ করার জন্য।
Ctrl + Y = রিপিট করার জন্য।
Ctrl + Z = আন্ডু বা পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনা।
Alt+0131= ƒ (টাকা)
Alt+0165= ¥ (ইয়েন)
Alt+0177= ± (যোগবিয়োগ)
Alt+0215= × (গুণ)
Alt+Ctrl+T= ™ (ট্রেডমার্ক)
Alt+ Ctrl+R= ® (রেজিষ্টার্ড)
Alt+0163= £ (লীরা)
Alt+0128= € (পাউন্ড)
Alt+0247= ÷ (ভাগ)
Alt+248/0186= º (ফারেনহাইট)
F1 key (সাহায্য পাওয়ার জন্য)
F2 key (রিনেম বা পুনর্নাম নির্ধারন)
F3 key (সার্চ )
F4 key ( ঠিকানা বা এড্রেস বার দেখা )
F4 key (সক্রিয় তালিকা থেকে আইটেমগুলো দেখা )
F5 key ( রিফ্রেস/ বিদ্যমান উইন্ডো আপডেট করা)
F6 key ( ডেস্কটপ বা বিদ্যমান উইন্ডোর আইটেমগুলোতে ঘুরাফিরা করা)
F10 key (সক্রিয় প্রোগ্রামের মেনু বার সক্রিয় করার জন্য )

Keyboard shortcuts, Computer key Shortcut-
CTRL+A (একই উন্ডোর সবকিছু একসাথে বাছাই বা সিলেক্ট করার জন্য)
CTRL+C (কপি করুন)
CTRL+X (কাট করুন)
CTRL+V ( পেস্ট করুন )
CTRL+Z (আগের অবস্থায় ফিরে যান)
CTRL+SHIFT (শর্টকাট তৈরি করা)
CTRL+RIGHT ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের শব্দে নেয়া)
CTRL+LEFT ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের শব্দে নেয়া)
CTRL+DOWN ARROW (ইনসার্শন পয়েন্ট কে পরের অনুচ্ছেদে নেয়া)
CTRL+UP ARROW ((ইনসার্শন পয়েন্ট কে পূর্বের অনুচ্ছেদের প্রথমে নেয়া)
CTRL+TAB (বিদ্যমান ট্যাবগুলো নড়াচড়া করা)
CTRL+ESC (স্টার্ট মেনুতে ফিরে যাওয়া )
CTRL+SHIFT+TAB (ট্যাবগুলোতে ঘুরাফিরা করার জন্য)
CTRL+SHIFT with any of the arrow keys (টেক্সটকে হাইলাইট করা)
SHIFT+TAB ( অপশনগুলোর পেছনে যাওয়া)
SHIFT with any of the arrow keys ( একই উইন্ডোতে একসাথে অনেকগুলো আইটেমকে বাছাই বা সিলেক্ট করা)
SHIFT+DELETE (বাছাইকৃত উপাদানগুলো permanently মুছে ফেলা)
SHIFT+F10 ( বাছাইকৃত আইটেমগুলোর জন্য শর্টকাট মেনু দেখা )
ALT+ENTER ( বাছাইকৃত আইটেম এরপ্রোপার্টিজ দেখা )
ALT+F4 ( চলমান কোন প্রোগ্রাম বা বিদ্যমান উইন্ডো বন্ধ করা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর শর্টকাট ওপেন করা )
ALT+TAB ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে মুভ করা )
ALT+ESC ( চলমান প্রোগ্রামগুলোতে ঘুরাফিরা )
ALT+SPACEBAR ( বিদ্যমান উইন্ডোর জন্য সিস্টেম মেনু )
ALT+Underlined letter in a menu name ( সংশ্লিষ্ট মেনু দেখা )
Dialog Box (কীবোর্ড শর্টকাট)
BACKSPACE ( আগের মেনুতে ফিরে যাওয়া)
ESC ( সম্প্রতিক কাজ শেষ করা )

Accessibility Keyboard Shortcuts
HOME (সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
END ( সক্রিয় উইন্ডোর উপরে যাওয়া)
Windows Logo +U (ইউটিলিটি ম্যানাজার অন করা )
SHIFT five times (স্টিকি কী অন বা অফ করা )
Right SHIFT for eight seconds ( ফিল্টার কী অন বা অফ করা )
Left ALT+left SHIFT+PRINT SCREEN (হাই কন্ট্রাসট অন বা অফ করা)
Left ALT+left SHIFT+NUM LOCK ( মাউস কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK for five seconds (টুগল কী অন বা অফ করা )
NUM LOCK+Asterisk sign (*) (নির্বাচিত ফোল্ডারের মধ্যের সব সাব-ফোল্ডার দেখা )
NUM LOCK+Plus sign (+) (নির্বাচিত ফোল্ডারের সকল কন্টেন্ট দেখা )
NUM LOCK+Minus sign (-) (নির্বাচিত ফোল্ডারটি minimize করা

উইন্ডোজ ১০’র কিবোর্ড শর্টকাট
----------------------------------
Windows key + A : অ্যাকশন সেন্টার খুলবে।
Windows key + C : করটানা কণ্ঠ নির্দেশনার জন্য তৈরি হবে।
Windows key + I : সেটিংস অ্যাপ্লিকেশন খুলবে।
Windows key + S: করটানা চালু হবে।
Windows key + Tab টাস্ক ভিউ দেখা যাবে।
Windows key + Ctrl + D :নতুন ভার্চুয়াল ডেস্কটপ তৈরি হবে।
Windows key + Ctrl + F4 :চালু থাকা ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বন্ধ হবে।
Windows key + Ctrl + left or right arrow : ভার্চুয়াল ডেস্কটপ বদলাবে।
সাধারণ শর্টকাট।
Windows key (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : স্টার্টমেন্যু খুলবে/বন্ধ হবে।
Windows key + X (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : স্টার্ট বোতামে ডান কিক করলে যে মেন্যু আসে, তা দেখা যাবে।
Windows key + left or right arrow (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর ডানে-বাঁয়ের পর্দাজুড়ে দেখা যাবে।
Windows key + E (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : দ্রুত ফাইল এক্সপ্লোরার চালু করে ফাইলপত্রের কাজ করা যাবে।
Windows key + L (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : ডেস্কটপ লক করা যাবে।
Alt + PrtScn (উইন্ডোজ ৭ ও পরের সংস্করণ) : চালু থাকা উইন্ডোর স্ক্রিনশট নেওয়া যাবে, কিপবোর্ডে কপি করা যাবে। Windosw key + Print Screen (উইন্ডোজ ৮.১ ও ১০) : ডেস্কটপের পুরো পর্দার ছবি (স্ক্রিনশট) নেওয়া যাবে। এগুলো জমা হবে Computer Picture screen shots ফোল্ডারে।

28/09/2017
Computer Shortcut  Key
28/09/2017

Computer Shortcut Key

13/08/2017

Address

Chairman Market (1st Floor), Thakurgaon Road
Thakurgaon
5100

Telephone

01738119859

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when লীডস আইটি ট্রেনিং সেন্টার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to লীডস আইটি ট্রেনিং সেন্টার:

Share