Rifat Ara Nur Rekha

Rifat Ara Nur Rekha I’m a enthusiastic web developer

14/01/2024
26/02/2023

গীবতের ভয়াবহতা ও ক্ষতি

মুফতি মুহিউদ্দীন কাসেম
পেশ ইমাম: বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ

গীবত’-এর পরিচয় প্রসঙ্গে নবী করীম (ছাঃ) ছাহাবীগণকে লক্ষ্য করে বলেছেন,

أَتَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ؟ قَالُوا اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ : ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ. قِيلَ أَفَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِى أَخِى مَا أَقُولُ؟ قَالَ : إِنْ كَانَ فِيْهِ مَا تَقُولُ فَقَدِ اغْتَبْتَهُ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيْهِ فَقَدْ بَهَتَّهُ- তোমরা কি জান ‘গীবত’ কী? তাঁরা বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জ্ঞাত। তিনি বললেন, তোমার ভাই যে কথা অপসন্দ করে তার সম্পর্কে সে কথা বলার নাম গীবত। জিজ্ঞেস করা হ’ল, আমি যা বলছি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বললেন, তুমি যা বলছ তা যদি তার মধ্যে বিদ্যমান থাকে তবেই তুমি তার ‘গীবত’ করলে। আর যদি না থাকে তাহলে তুমি তাকে অপবাদ দিলে’।(মুসলিম; মিশকাত হা/৪৮২৮)

অপর হাদীসে বর্ণিত হয়েছে- রাসূল সা.-কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, পরিভাষায় গীবত কাকে বলে? তখন মহানবী সা. বলেন-
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ قِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الْغِيبَةُ قَالَ ‏”‏ ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ ‏”‏ ‏.‏ قِيلَ أَفَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي مَا أَقُولُ قَالَ ‏”‏ إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ فَقَدِ اغْتَبْتَهُ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ مَا تَقُولُ فَقَدْ بَهَتَّهُ ‏”‏.. হযরত আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, একদা রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-কে প্রশ্ন করা হলো, গীবত কী? তিনি বললেন, তোমরা ভাইয়ের ব্যাপারে তোমার এমন কিছু বলা যা শুনলে সে অসন্তুষ্ট হয়। পুনরায় প্রশ্ন করা হলো, আমি যা বলি তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে বর্তমান থাকে? তিনি বললেন, তুমি যা বলো তা যদি তার মধ্যে থাকে তাহলেই তুমি তার গীবত করলে। আর তুমি যা বলো তা যদি তার মধ্যে না থাকে তবে তুমি তাকে মিথ্যা অপবাদ দিলে। সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৮৭৪।

কুরআনে এই গীবতের পরিণাম বুঝাতে ইরশাদ করেন-
وَلَا يَغۡتَب بَّعۡضُكُمۡ بَعۡضًا‌ؕ اَيُحِبُّ اَحَدُكُمۡ اَنۡ يَّاۡكُلَ لَحۡمَ اَخِيۡهِ مَيۡتًا فَكَرِهۡتُمُوۡهُ‌ؕ وَاتَّقُوۡا اللّٰهَ‌ؕ اِنَّ اللّٰهَ تَوَّابٌ رَّحِيۡمٌ…
“আর তোমরা একে অপরের গীবত করোনা। তোমাদের কেউ কি এটা পছন্দ করবে যে, সে তার মৃত ভাইয়ের গোশত খাবে। নিশ্চয়ই তোমরা এটাকে অপছন্দ করবে। আর তোমরা আল্লাহকে ভয় করো। নিশ্চই আল্লাহ তাআলা সিমাহীন ক্ষমাকারী এবং দয়ালু।” সূরা হুজরাত : ১২

এই আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা কারো গীবত করাকে মৃত ভাইয়ের গোশত খাওয়ার সাথে তুলনা করেছেন।

গীবতের ভয়াবহতা বুঝানোর জন্যেই বহু হাদীস বর্ণিত হয়েছে হাদীসে রাসূল সা. ইরশাদ করেন- الغيبة أشد من الزناء “গীবত করা যিনা থেকেও মারাত্মক।” [মেশকাত, বায়হাকি]

অতএব বুঝা গেল যিনা করলে যে গুনাহ হয় এর চাইতে বেশি গুনাহ হয় গীবত করলে। অপর হাদীসে রাসুলে কারীম (ছাঃ) ইরশাদ করেন
اَلرِّبَا اثْنَانِ وَسَبْعُونَ بَابًا أَدْنَاهَا مِثْلُ إِتْيَانِ الرَّجُلِ أُمَّهُ وَأَرْبَا الرِّبَا اسْتِطَالَةُ الرَّجُلِ فِيْ عِرْضِ أَخِيهِ-
‘সূদের (পাপের) ৭২টি দরজা বা স্তর রয়েছে। তন্মধ্যে নিম্নতম স্তর হচ্ছে স্বীয় মায়ের সাথে ব্যভিচারে লিপ্ত হওয়া তুল্য পাপ এবং ঊর্ধ্বতম স্তর হ’ল কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার এক ভাইয়ের মান-সম্ভ্রমের হানি ঘটান তুল্য পাপ’।(তাবারাণী; সিলসিলা ছহীহাহ হা/১৮৭১)

গীবতের গুনাহ যেমন বড় তেমনি এর পরিণতিও খুবই ভয়াবহ। এটা বুঝানোর জন্য রাসূল সা. গীবতকারীদের ইহকালীন ও পরকালীন শাস্তি সম্পর্কে ইরশাদ করেন,

১। ইহকালীন শাস্তিঃ-
عَنْ أَبِي بَرْزَةَ الأَسْلَمِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ يَا مَعْشَرَ مَنْ آمَنَ بِلِسَانِهِ وَلَمْ يَدْخُلِ الإِيمَانُ قَلْبَهُ لاَ تَغْتَابُوا الْمُسْلِمِينَ وَلاَ تَتَّبِعُوا عَوْرَاتِهِمْ فَإِنَّهُ مَنِ اتَّبَعَ عَوْرَاتِهِمْ يَتَّبِعِ اللَّهُ عَوْرَتَهُ وَمَنْ يَتَّبِعِ اللَّهُ عَوْرَتَهُ يَفْضَحْهُ فِي بَيْتِهِ ‏”‏ ‏.‏
হযরত আবূ বারযাহ আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হে সেসব লোক যারা কেবল মুখেই ঈমান এনেছে কিন্তু ঈমান অন্তরে প্রবেশ করেনি! তোমরা মুসলিমদের গীবত করবে না ও দোষত্রুটি তালাশ করবে না। কারণ যারা তাদের দোষত্রুটি খুঁজে বেড়াবে আল্লাহও তাদের দোষত্রুটি খুঁজবেন। আর আল্লাহ কারো দোষত্রুটি তালাশ করলে তাকে তার ঘরের মধ্যেই অপদস্থ করে ছাড়বেন।
সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৮৮০।

২। পরকালীন শাস্তিঃ-
عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ “‏ لَمَّا عُرِجَ بِي مَرَرْتُ بِقَوْمٍ لَهُمْ أَظْفَارٌ مِنْ نُحَاسٍ يَخْمِشُونَ وُجُوهَهُمْ وَصُدُورَهُمْ فَقُلْتُ مَنْ هَؤُلاَءِ يَا جِبْرِيلُ قَالَ هَؤُلاَءِ الَّذِينَ يَأْكُلُونَ لُحُومَ النَّاسِ وَيَقَعُونَ فِي أَعْرَاضِهِمْ ‏”‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ حَدَّثَنَاهُ يَحْيَى بْنُ عُثْمَانَ عَنْ بَقِيَّةَ لَيْسَ فِيهِ أَنَسٌ ‏.

হযরত আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এরশাদ করেছেন মি’রাজের রাতে আমি এমন এক কওমের পাশ দিয়ে অতিক্রম করছিলাম যাদের নখগুলো তামার তৈরী এবং তা দিয়ে তারা অনবরত তাদের মুখমণ্ডলে ও বুকে আচড় মারছে। আমি বললাম, হে জিবরীল ! এরা কারা? তিনি বললেন, এরা সেসব লোক যারা মানুষের গোশত খেতো অর্থাৎ, মানুষের গীবত করত এবং মানুষের ইজ্জতের উপর হামলা করত।” এবং তাদের মানসম্মানে আঘাত হানতো। সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৮৭৮।

৩। উভয় শাস্তিঃ-
عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ، أَنَّهُ حَدَّثَهُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ مَنْ أَكَلَ بِرَجُلٍ مُسْلِمٍ أَكْلَةً فَإِنَّ اللَّهَ يُطْعِمُهُ مِثْلَهَا مِنْ جَهَنَّمَ وَمَنْ كُسِيَ ثَوْبًا بِرَجُلٍ مُسْلِمٍ فَإِنَّ اللَّهَ يَكْسُوهُ مِثْلَهُ مِنْ جَهَنَّمَ وَمَنْ قَامَ بِرَجُلٍ مَقَامَ سُمْعَةٍ وَرِيَاءٍ فَإِنَّ اللَّهَ يَقُومُ بِهِ مَقَامَ سُمْعَةٍ وَرِيَاءٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏”‏ ‏.‏

হযরত আল-মুসতাওরিদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহি ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অপর মুসলিমের গীবত করতে করতে এক লোকমা ভক্ষন করবে আল্লাহ তাকে এজন্য জাহান্নাম হতে সমপরিমাণ ভক্ষন করাবেন। আর যে ব্যক্তি অপর মুসলিমের দোষত্রুটি বর্ণনা করতে করতে পোশাক পরবে আল্লাহ তাকে অনুরূপ জাহন্নামের পোশাক পরাবেন। আর যে ব্যক্তি অপর ব্যক্তির (কুৎসা) রটিয়ে খ্যাতি ও প্রদর্শনীর স্তরে পৌছবে, মহান আল্লাহ ক্বিয়ামতের দিন তাকে ঐ খ্যাতি ও প্রদর্শনীর জায়গাতেই (জাহান্নামে) স্থান দিবেন। সুনানে আবু দাউদ, হাদিস নং ৪৮৮১।

আর গীবতের ক্ষতিসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো- যার গীবত করা হয় তার আমলনামায় গীবতকারীর সওয়াব চলে যায়৷ উম্মুল মুমিনীন আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত, নিশ্চয়ই কেয়ামতের দিন আল্লাহ তাআলার কাছে মর্যাদার দিক দিয়ে সর্বাধিক নিকৃষ্ট সেই লোক হবে, যাকে মানুষ তার অনিষ্টের ভয়ে ত্যাগ করেছে। [বুখারি, মুসলিম]

গীবত করার কারণঃ- অহংকার ৷অহংকার হচ্ছে, সত্যকে উপেক্ষা করা এবং মানুষকে তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করা। ’ -সহিহ মুসলিম

সত্যকে উপেক্ষার অর্থ, সত্য জেনেও সেটাকে প্রত্যাখ্যান করা।

আর মানুষকে তুচ্ছ করার অর্থ, মানুষকে ছোট মনে করা, মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করা। অহংকারী ব্যক্তিকে আল্লাহ ধ্বংস করে দেন, তার প্রভাব-প্রতাপ নস্যাৎ করে দেন ও তার জীবনকে সংকুচিত করে দেন।

অহংকারের কঠোর পরিণাম ও শাস্তির বর্ণনা করে কুরআনে কারীমে আল্লাহ তাআলা বলেন->> ‘তোমাদের পালনকর্তা বলেন, তোমরা আমাকে ডাক, আমি (তোমাদের ডাকে) সাড়া দেব। যারা আমার ইবাদত নিয়ে অহংকার করে তারা শীঘ্রই লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে।’ (সুরা মুমিন : আয়াত ৬০)

যারা আল্লাহ তাআলার দাসত্বকে লজ্জাবোধ করবে কিংবা আল্লাহকে প্রভু বলে মেনে নিতে অহংকার করবে, তাদের পরিণতি সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা হজরত ঈসা আলাইহিস সালাম ও ফেরেশতাদের উদাহরণ উল্লেখ করে ঘোষণা দেন->> মসীহ (ঈসা) আল্লাহর বান্দা হবেন, তাতে তার কোনো লজ্জাবোধ নেই এবং ঘনিষ্ঠ ফেরেশতাদেরও (আল্লাহর দাসত্ব করবে তাদেরও) লজ্জাবোধ নেই।

বস্তুতঃ যারা আল্লাহর দাসত্ববোধকে লজ্জাবোধ করবে এবং অহংকার করবে, তিনি তাদের সবাইকে (পরকালে) নিজের কাছে সমবেত করবেন।অতঃপর যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, তিনি তাদেরকে পরিপূর্ণ সওয়াব দান করবেন, বরং স্বীয় অনুগ্রহে আরও বেশী দেবেন। পক্ষান্তরে যারা লজ্জাবোধ করেছে এবং অহংকর করেছে তিনি তাদেরকে দেবেন বেদনাদায়ক শাস্তি। আল্লাহকে ছাড়া তারা কোনো সাহায্যকারী ও সমর্থক পাবে না। (সুরা নেসা : আয়াত ১৭২-১৭৩)
অহংকার বশতঃ যদি কেউ আল্লাহ নির্দেশ অমান্য করে তবে সে ব্যক্তি অস্বীকারকারী হিসেবে সাব্যস্ত হবে। যেমনিভাবে ইবলিস আল্লাহর দরবার থেকে বিতাড়িত হয়েছিল। আল্লাহ তাআলা সে কথা উল্লেখ করে বলেন-এবং যখন আমি হযরত আদম (আঃ)-কে সেজদা করার জন্য ফেরেশতাগণকে নির্দেশ দিলাম, তখনই ইবলিস ব্যতিত সবাই সেজদা করলো। সে (নির্দেশ) পালন করতে অস্বীকার করল এবং অহংকার প্রদর্শন করলো। ফলে সে কাফেরদের অন্তর্ভূক্ত হয়ে গেল।’ (সুরা বাকারা : আয়াত ৩৪)

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অহংকারীদের ব্যাপারে মুমিন বান্দাকে সতর্ক করেছেন। তিনি তার উম্মতকে হুশিয়ার করে দিয়ে জানিয়েছেন কারা হবে জাহান্নামি। হাদিসে এসেছে-হজরত হারিসাহ ইবনু ওহাব খুযায়ী রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘আমি কি তোমাদের জান্নাতীদের সম্পর্কে জানাবো না? (তারা হলেন) : ওই সব লোক- যারা অসহায় এবং যাদের তুচ্ছ মনে করা হয়। তারা যদি আল্লাহর নামে শপথ করে, তাহলে তা তিনি নিশ্চয়ই পুরা করে দেন।আমি কি তোমাদের জাহান্নামীদের সম্পর্কে জানাবো না? তারা হলো-(1)কর্কশ স্বভাবের অধিকারী;(2) শক্ত হৃদয়ের অধিকারী এবং(3)অহংকারী।’ (বুখারী)

অপর হাদীসে ইরশাদ হয়েছে তিল পরিমাণ অহংকার যার অন্তরে আছে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না, আর তিল পরিমাণ ঈমান যার অন্তরে আছে সে দোজখে যাবে না। -জামে তিরমিযী, হাদীস ১৯৯৮

অহংকারের কারণেই ইবলিস বিতাড়িত হয়েছিলেন জান্নাত থেকে। আল্লাহ তাআলা তাকে জান্নাত থেকে বিতাড়িত করতে গিয়েও অহংকারের অপরাধে কথা সুস্পষ্ট করে বলেছিলেন। আল্লাহ তাআলা বলেন-‘তুমি এ স্থান থেকে নেমে যাও; এখানে থেকে অহংকার করবে তা হতে পারে না। সুতরাং বের হয়ে যাও। তুমি অধমদের অন্তর্ভূক্ত।’ (সুরা আরাফ : আয়াত ১৩)

অহংকার মানুষকে অন্যায়ের দিকে ধাবিত করে। যে কারণে আল্লাহ তাআলা অহংকারী ব্যক্তিকে পছন্দ করেন না। আল্লাহ তাআলা বলেন-‘নিশ্চয় আল্লাহ তাআলা কোনো উদ্ধত অহংকারীকে পছন্দ করেন না।’ (সুরা লোকমান : আয়াত ১৮)

হাদিসে কুদসিতে এসেছে অহংকার আল্লাহ তাআলা চাদর। এ চাদর ধরে যারা টানাটানি করে আল্লাহ তাআলা তা সহ্য করেন না। অহংকারকারীকে আল্লাহ তাআলা জাহান্নামে নিক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন। তাই মানুষের উচিত অহংকারের মতো বড় পাপ না করা। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বর্ণনা করে বলেন, আল্লাহ তাআলা বলেছেন-‘বড়ত্ব আমার চাদর এবং মহানত্ব আমার ইযার (লুঙ্গি)। কেউ যদি এ দুইটির কোনো একটির ব্যাপারে আমার সঙ্গে ঝগড়ায় লিপ্ত হয় তবে আমি তাকে জাহান্নামে নিক্ষেপ করব।’ (মুসলিম, মিশকাত)

যেহেতু অহংকার জান্নাতের অন্তরায় জাহান্নামে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাই মুমিন মুসলমানের অহংকারমুক্ত থাকা জরুরি। হাদিসে এসেছে-‘যার অন্তরে এক যাররা (অণু) পরিমাণ অহংকার থাকবে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।’ (মুসলিম, মিশকাত)

মনে রাখতে হবেঅহংকারী ব্যক্তিও বড় গোনাহগার। কারণ শয়তানের প্রথম অপরাধই ছিল অহংকার। আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই অহংকার মুক্ত থাকার তাওফিক দান করুন। কুরআন-সুন্নাহর ঘোষণা অনুযায়ী দুনিয়া ও পরকালের সফল জীবন লাভের তাওফিক দান করুন। আমিন।

হিংসা-বিদ্বেষ থেকেই একে অপরের গীবত করে ৷মনে রাখতে হবে
হিংসা-বিদ্বেষ একটি ভয়ানক সংক্রামক ব্যাধি। মানুষের হীন মনমানসিকতা, ঈর্ষাপরায়ণতা, সম্পদের মোহ, পদমর্যাদার লোভ-লালসা থেকে হিংসা-বিদ্বেষের উৎপত্তি ও বিকাশ হয়। হিংসা-বিদ্বেষ মুমিনের সৎ কর্ম ও পুণ্যকে তার একান্ত অজান্তে কুরে কুরে খেয়ে ফেলে। মানুষ হিংসা-বিদ্বেষ, লোভ-লালসা, শঠতা-কপটতা, অশান্তি, হানাহানি প্রভৃতি সামাজিক অনাচারের পথ পরিহার করে পারস্পরিক ঐক্য ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হবে এবং ইসলামের পরিশীলিত জীবনবোধে উদ্বুদ্ধ হবে—এটিই ধর্মের মূলকথা। তাই নবী করিম (সা.) সাবধানবাণী উচ্চারণ করেছেন, ‘তোমরা হিংসা-বিদ্বেষ থেকে নিবৃত্ত থাকবে। কেননা, হিংসা মানুষের নেক আমল বা পুণ্যগুলো এমনভাবে খেয়ে ফেলে, যেভাবে আগুন লাকড়িকে জ্বালিয়ে নিঃশেষ করে দেয়।’ (আবু দাউদ)

হিংসা-বিদ্বেষের কঠিন পরিণতি সম্বন্ধে মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘প্রতি সপ্তাহে সোম ও বৃহস্পতিবার মানুষের আমলগুলো পেশ করা হয় এবং সব মুমিন বান্দার গুনাহখাতা মাফ করে দেওয়া হয়; কিন্তু যাদের পরস্পরের মধ্যে বিদ্বেষ ও দুশমনি আছে, তাদের ক্ষমা করা হয় না। তাদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেন: তাদের ছেড়ে দাও, যেন তারা ফিরে আসে অর্থাৎ মিলে যায়।’ (মুসলিম)

কুধারণা থেকেও মানুষ একে অপরের গীবত করে ৷ কুরআনে কারীমে ইরশাদ হয়েছে
তোমার যে বিষয়ে জ্ঞান নেই, তার অনুসরণ কোরো না। অবশ্যই কান, চোখ ও হৃদয়—এগুলোর প্রতিটি সম্পর্কে (কিয়ামতের দিন) কৈফিয়ত তলব করা হবে। [সুরা : বনি ইসরাঈল, আয়াত : ৩৬ বর্তমানে একটি বড় সমস্যা হলো, না জেনে কথা বলা, অমূলক সন্দেহ করা, আপনজনের কথা বাছ-বিচার ছাড়াই বিশ্বাস করা ইত্যাদি। অথচ সমাজে এমন বহু কথা ছড়িয়ে পড়ে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। এ ধরনের ভিত্তিহীন গুজব মানুষে মানুষে সম্পর্ক নষ্ট করে। তাই শোনা কথার সত্যতা যাচাই করা জরুরি। ইসলামে খবরের সত্যতা যাচাইয়ে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হয়েছে।

ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা, যদি কোনো পাপাচারী তোমাদের কাছে কোনো বার্তা নিয়ে আসে, তোমরা তা পরীক্ষা করে দেখবে। যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোনো সম্পদের ক্ষতিসাধনে প্রবৃত্ত না হও এবং পরে যাতে নিজেদের কৃতকর্মের জন্য তোমাদের অনুতপ্ত হতে না হয়।’ (সুরা : হুজরাত, আয়াত : ৬)
যাচাই না করে কোনো খবর প্রকাশ করা ও বিশ্বাস করা মিথ্যাবাদী হওয়ার নামান্তর। মহানবী (সা.) ইরশাদ করেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি যা শুনেছে, তা-ই (যাচাই করা ছাড়া) বর্ণনা করা মিথ্যাবাদী হওয়ার জন্য যথেষ্ট।’ (মুসলিম শরিফের ভূমিকা : ১/১০৭; আবু দাউদ, হাদিস : ৪৯৯২)
অপর হাদীস শরীফে ইরশাদ হয়েছে

রাসুলুল্লাহ (সা.) সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, ‘তোমরা অন্যের প্রতি মন্দ ধারণা পোষণ করা থেকে বেঁচে থাকবে, কেননা এরূপ ধারণা জঘন্যতম মিথ্যা। আর কারও দোষ অনুসন্ধান করবে না, কারও গোপনীয় বিষয় অন্বেষণ করবে না, একে অন্যকে ধোঁকা দেবে না, পরস্পর হিংসা করবে না, একে অন্যের প্রতি বিদ্বেষ মনোভাব পোষণ করবে না, পরস্পর বিরুদ্ধাচরণ করবে না, বরং তোমরা সবাই এক আল্লাহর বান্দা হিসেবে পরস্পর ভাই ভাই হয়ে থাকবে।’ (বুখারি ও মুসলিম)
তাছাড়া কেউ অপরাধ করলেই তার সমালোচনা করা একারনেও উচিত নয় কারন হতে পারে সে ভুল করে তাওবা করেছে আর হাদীস শরীফে এসেছে হযরত মুয়াজ ইবনে জাবাল (রাযি:) বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করিয়াছেন, যে ব্যক্তি আপন (মুসলমান) ভাইকে কোন এমন গুনাহের উপর লজ্জা দিল, যে গুনাহ থেকে সে তওবা করেছে, তবে এই লজ্জাদাতা ততক্ষন পর্যন্ত মৃত্য বরণ করবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত সে নিজে ঐ গুনাহের মধ্যে লিপ্ত না হবে। – তিরমিযী, মুন্তাখাব হাদীস (৩১৮ একরামে মুসলিম)

গীবত থেকে বেচে থাকার উপায়ঃ-
গীবত থেকে বেঁচে থাকা অত্যন্ত জরুরি। এ থেকে বাঁচার কয়েকটি উপায় আছে
(১)প্রথম উপায় হচ্ছে অপরের কল্যাণ কামনা করা। কেননা, রাসূল সা. বলেছেন, ‘দীন হচ্ছে নিছক কল্যাণ কামনা করা।’ [বুখারি ও মুসলিম]
(২)দ্বিতীয়ত, আত্মত্যাগ অর্থাৎ যেকোনো প্রয়োজনে অপর ভাইকে অগ্রাধিকার দেয়া। যেমন আল্লাহ তাআলা এরশাদ করেছেন-‘তারা নিজের ওপর অন্যদের প্রয়োজনকে অগ্রাধিকার দেয়, যদিও তারা অনটনের মধ্যে থাকে।’ [সূরা হাশর : ৯]
(৩)তৃতীয়ত, অপরের অপরাধকে ক্ষমা করে দেয়া।
(৪)চতুর্থ কুরআন ,হাদীস এবং মহৎ ব্যক্তিদের জীবনী বেশি বেশি করে অধ্যয়ন করে অন্তরে আল্লাহপাকের ভয় সৃষ্টি করা ৷

এ ক্ষেত্রে জিহ্বাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে সর্বাগ্রে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে- مَّا يَلْفِظُ مِن قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ সে যে কথাই উচ্চারন করে, তাই গ্রহন করার জন্যে তার কাছে সদা প্রস্তুত প্রহরী রয়েছে৷ (সূরা ক্বাফ – 18)

হাদীস শরীফে রাসূলে কারীম (দ:)ইরশাদ করেছেন র ‘যে ব্যক্তি আমার জন্য তার জিহ্বা ও লজ্জাস্থানের জিম্মাদার হবে, আমি তার জন্য জান্নাতের জিম্মাদার হবো।’ [বুখারি]

অপর হাদীসে রাসূল সা. বলেছেন, ‘বান্দা যখন ভোরে নিদ্রা থেকে জাগ্রত হয় তখন শরীরের সব অঙ্গ জিহ্বার কাছে আরজ করে, তুমি আমাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করো, আল্লাহর নাফরমাণী কাজে পরিচালিত করো না। কেননা, তুমি যদি ঠিক থাক, তবে আমরা সঠিক পথে থাকব। কিন্তু যদি তুমি বাঁকা পথে চলো, তবে আমরাও বাঁকা হয়ে যাবো। [তিরমিযী]

সর্ব শেষ বিষয় হলো নিজে গীবত করবোনা এবং কারো গীবত শুনবো না সর্বপরি যে ভাইয়ের গীবত করা হয় তার পক্ষ নিয়ে সাধ্যমত তাকে সহযোগিতা করাও আবশ্যক। সম্ভব হলে ঐ মজলিসেই গীবতের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, مَنْ رَدَّ عَنْ عِرْضِ أَخِيهِ رَدَّ اللهُ عَنْ وَجْهِهِ النَّارَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ- ‘যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের মান-সম্ভ্রমের বিরুদ্ধে কৃত হামলাকে প্রতিহত করবে, ক্বিয়ামতের দিন আল্লাহ তা‘আলা তার থেকে জাহান্নামের আগুনকে প্রতিহত করবেন’৷(মুসনাদে আহমাদ হা/২৭৫৮৩; তিরমিযী )

আল্লাহ আমাদের সকল গুনাহের থেকে বিরত থাকার তৌফিক দান করেন ৷আমীন

26/11/2020

Union Council Secretary - ডিসি অফিসে নিয়োগ

Govt jobs
Jamalpur
Apply on Ejobscircular
10 days agoBDT 22,490 a month
Today District commissioner office published new job circular in there website. You can also get updates about District commissioner office job in My website . See below the more information.At this moment Bangladesh DC Office job is the best job in Bangladesh. Student who will got their HSC Result can apply this circular. And the DC Office is a very attractive job for every people in Bangladesh DC Office Job Opportunity. DC Office is now a attractive job circular in Bangladesh. Vacancy notice of Jamalpur Deputy Commissioner’s office. For Apply Zilla Parishad Office Job circular You have to sent your document before deadline mention below.

District commissioner office job circular 2020

Contents
• 1 District commissioner office job circular 2020
• * 1.0.1 Jamalpur DC office job 2020
• 1.0.1.1
• 1.0.1.2 Today New Jobs:

Published Date : 16 November 2020
Job Type : Government Jobs
Organisation Name: District commissioner office
Age Preferred: 18 to 30 Years

Official Website : check circular
Positions: Check circular below.
Salary : 10,200 – 24,680 Taka
Job Location: Mention below circular
Job Nature: Full-time
Total Post: Mention below circular
Application Last Date: Mention below
For age limit, Educational Qualification and application information see below this circular..
Jamalpur DC office job 2020
• Source:jugantor(16/11/2020)
• Deadline: 22/12/2020

Khulna DC Office Job Circular 2020

Application Deadline: 30 November 2020
• Source: Ittefaq, 12 November 2020
• Application Deadline: 30 December 2020

Magura DC Office Job Circular 2020
• Source: Bangladesh Pratidin, 09 November 2020
• Application Deadline: 03 December 2020

Sylhet dc office job circular
• Source: Jugantor, 09 November 2020
• Application Deadline: 08 December 2020

Cox’s Bazar DC office job Circular 2020

Cox’s Bazar DC College
• Source: Bangladesh Pratidin, 27 October 2020
• Application Deadline: 19 November 2020

Previous DC Office Job title below 😉
• Narail DC office job Circular 2020
• Gazipur DC office job Circular 2020
• Barguna DC Office Job Circular 2020
• Chittagong (Zilla Porishod) District Council Job Circular
• Chapainawabganj District Job Circular 2020
• Mymensingh Deputy Commissioner’s Office Job
• Kishoreganj DC office job Circular 2020
• Netrokona DC Office Job Circular 2020
• Pirojpur DC Office job 2020
• Narayanganj DC office job circular 2020
• Khagrachhari DC Office job
• Faridpur DC office job Circular 2020
• Khulna DC Office Job circular
• Kurigram District Commissioner Office Job Circular 2020
• Jamalpur DC Office Job Circular 2020
• Lalmonirhat District Commissioner’s Office Job Circular 2020
• Rangamati DC Office Job Circular 2020
• Moulvi Bazar DC office job Circular 2020
• Noakhali DC Office Job Circular 2020
• Barishal DC office job Circular 2020
• Gaibandha DC Office Job circular
• Kishoreganj DC Office Job circular 2020
• Brahmanbaria District Commissioner Office Job Circular 2020
• Chuadanga DC Office Job Circular
• Barishal DC office job Circular
• Patuakhali DC Office Job Circular
• Kurigram District Commissioner Office Job Circular
• Lakshmipur District Commissioner office job Circular
• Bhola DC office job Circular
• Chuadanga DC Office Job Circular
• Cox’s Bazar DC office job Circular
• জামালপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• বরিশাল জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ
• মেহেরপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• Visit Website: www.meherpur.gov.bd
• ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• Manikganj DC office job
• মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• Visit Website: www.manikganj.gov.bd
• হবিগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• Habiganj DC office job Circular
• চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• দিনাজপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• Dinajpur DC Office Job
• Feni DC office job Circular
• কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি
• Kushtia DC office job Circular
• Gopalganj District Commissioners Office circular
• Shariatpur District Commissioners Office
• Bogra District Commissioners Office
• Cox’s Bazar District Commissioners Office
• Sylhet District Commissioners Office
• Madaripur District Commissioners Office
• Comilla District Commissioners Office
• BargunaDistrict Commissioners Office
• JessoreDistrict Commissioners Office
• Nilphamari District Commissioners Office
• Tangail District Commissioners Office
• Chittagong District Commissioners Office

For apply District commissioner office Please read this bd circular again. You can also get all information about this job result and News at ejobscircular.com Thanks for stay visit our website. Need More HSC Pass job notice today ? Check our recently published DC Office job circular and read carefully. If you think this post is helpful for job seeker then share on your Facebook timeline 😉
Today New Jobs:
• Directorate of Technical Education Job circular 2020
• Bangladesh Shipping Corporation (BSC) Job Circular 2020 – www.bsc.gov.bd
• Bureau of Non-Formal Education Job Circular 2020 – www.bnfe.gov.bd
• DIA Written Result & Viva Exam Date 2020 – dia.teletalk.com.bd
• IFIC Bank Limited Job Circular 2020 – www.ificbankbd.com

Address

Tejkunipara

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rifat Ara Nur Rekha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rifat Ara Nur Rekha:

Share