Home Computing Solution in Sylhet City

Home Computing Solution in Sylhet City Home Computing Solutions provide computer, desktop, laptop, netbook support diagnostics, repairs and advice throughout the Sylhet City.

We provide a proffesional and efficient service for all maintenance, support, diagnostic and repair work. We deal with the smallest or largest of problems, from a failing mouse to a full wireless home network install. If we cannot fix your problem there is NO CHARGE!!

*Condition Apply

29/04/2015

কীবোর্ড এর এক ডজন F (Function key)

কম্পিউটারের কীবোর্ডের উপরের দিকে F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে ডজন কী আছে সেগুলোকে বলা হয় ফাংশন কী। এসব কী একবার চেপেই বিভিন্ন সফটওয়্যারে নানা রকম কাজ করা যায় ।

F1: সহায়তাকারী কী হিসেবে ব্যবহৃত হয় । F1 চাপলে প্রতিটি প্রোগ্রামের হেল্প চলে আসে।
F2: সাধারণত কোন ফাইল বা ফোল্ডার এর নাম বদলের (রিনেম) জন্য ব্যবহৃত হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড এর নতুন ফাইল খোলা হয়।
F3: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ সহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ সুবিধা চালু হয়। Shift+F3 চেপে ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা যায় ।
F4: ওয়ার্ডের Last action performed আবার (Repeat ) করা যায় এ কী চেপে । Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা যায়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয় ।
F5: মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয় F5 চেপে । পাওয়ার পয়েন্ট এর শো শুরু করা যায় । ওয়ার্ড এর find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয় ।
F6: এই কী চেপে মাউস কারসরকে ওয়েব ব্রাউজার এর ঠিকানা লেখার জায়গায় (অ্যাড্রেসবার) নিয়ে যাওয়া হয় । Ctrl+Shift+F6 চেপে ওয়ার্ডে খোলা অন্য ডকুমেন্ট টি সক্রিয় করা হয় ।
F7: ওয়ার্ডে লেখার বানান ও ব্যকরণ ঠিক করা হয় এ কী চেপে । ফায়ারফক্সের Caret browsing চালু করা যায় । Shift+F7 চেপে ওয়ার্ডে কোন নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার অভিধান চালু করা হয় ।
F8: অপারেটিং সিস্টেম চালু করার হওয়ার সময় কাজে লাগে এই কী । সাধারনত উইন্ডোজ safe mode-এ চালাতে এটি চাপতে হয় ।
F9: কোয়ার্ক এক্সপ্রেস ৫.০-এর মেজারমেন্ট টুলবার খোলা যায় এই কী দিয়ে ।
F10: ওয়েব ব্রাউজার বা কোন খোলা উইন্ডো এর মেনুবার নির্বাচন করা হয় এ কী চেপে । shift+F10 চেপে কোন নির্বাচিত লেখা বা সংযুক্তি, লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটন এ ক্লিক করার কাজ করা হয় ।
F11: ওয়েব ব্রাউজার ও বিভিন্ন সাপোর্টেড সফটওয়্যারে ফুলস্ক্রিন ভিউ দেখা যায় ।
F12: ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো খোলা হয় এ কী চেপে । Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের ফাইল সেভ করা হয় । এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে ওয়ার্ড ফাইল প্রিন্ট করা হয় ।
এছাড়া F12 (ডিফল্ড সেটিং) প্রেস করে অভ্র বাংলা কী বোর্ড চালু করা যায়।

08/02/2014

**** হার্ড-ডিস্কের পারফরমেন্স বাড়িয়ে নিই ****

এখন প্রায় সবারই পিসির কনফিগারেশন অনেক হাই। কিন্তু আপনি কি জানেন কিছু মাদার বোর্ড এবং অপারেটিং সিষ্টেম নির্মাতাদের ডিফল্ট কনফিগারেশন এর জন্য আপনার হার্ড় ডিস্ক সেকেলে আমলের গতি পাচ্ছে? ব্যপারটা ক্লিয়ার করে বলি। হার্ড ডিস্ক মূলত দুই প্রকার-

ক) পাটা এবং খ) সাটা

পাটার পারফরমেন্স সাটা অপেক্ষা অনেক কম। অর্থাৎ সাটার রিড, রাইট, স্পিড ইত্যাদি পাটার তুলনায় অনেক বেশি। আমরা সাটা হার্ড ডিস্ক ব্যবহার করার পরেও পাটার মত পারফরমেন্স পাচ্ছি। আসুন আমরা কিছু সিষ্টেম সেটিং পরিবর্তন করে পারফরমেন্স বাড়াই। এর জন্য AHCI বা এডভান্সড হোস্ট কন্ট্রোলার ইন্টারফেস কে সক্রিয় করতে হবে।

ক) সক্রিয় করতে স্টার্ট মেনুতে regedit লিখে রেজিস্ট্রি এডিটর অপেন করুন। রান থেকেও এই কাজটি করা যায়। এখন HKEY_LOCAL_MACHINE\System\CurrentControlSet\Services\Msahci এ যান।

খ) ডনপাশের বক্স থেকে Start এন্ট্রিটির ভ্যালু 3 থেকে 0 করে দিন।

গ) এবার কম্পিউটার রিষ্টার্ট করুন। বায়োসে গিয়ে আপনার হার্ড ডিস্ক এর সাটা কনফিগারেশন খুজে বের করে তা AHCI করে সেভ করে বের হয়ে আসুন।

ঘ) এবারে কমপিউটার চালু করলে উইন্ডোজ আপনার হার্ড ডিস্ক কে নতুন করে ডিটেক্ট করবে। এর পর আপনার পিসি নিজে থেকেই রিষ্টার্ট চাইবে। রিস্টার্ট করে সাটার সুবিধা উপভোগ করুন।

**** কম্পিউটার থেকে ডিলিট হওয়া ফাইল গুলো ফিরিয়ে আনুন ৪ মেগাবাইটের সফটওয়্যার দিয়ে ****আমরা ভুল করে অনেক সময় অনেক দরকারী ফ...
04/02/2014

**** কম্পিউটার থেকে ডিলিট হওয়া ফাইল গুলো ফিরিয়ে আনুন ৪ মেগাবাইটের সফটওয়্যার দিয়ে ****

আমরা ভুল করে অনেক সময় অনেক দরকারী ফাইল কম্পিউটার থেকে সম্পুর্ন ভাবে ডিলিট করে দিই এবং পরে পাওয়ার জন্য আফসোস করতে হয়। আপনি এখন ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করতে পারবেন সহজেই। ফাইল পুনরুদ্ধার করার জন্য অনেক সফটওয়্যার আছে কিন্তু বেশিরভাগ সফটওয়্যার কাজ করেনা ।আজকে খুব ভাল একটা কাজের সফটওয়্যার শেয়ার করব যেটা হল Recuva এই সফটওয়্যার যার দ্বারা সহজেই ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করা যায় ।ভাইরাসের কারনে ডিলিট হওয়া ফাইলও আপনি উদ্ধার করতে পারেন Recuva সফটওয়্যার দিয়ে

এই সফটওয়্যার এর সুবিধা হল > ইচ্ছামত MP3.Mp4,Pdf আলাদাভাবে পুনরুদ্ধার করা যায়

>ফাইল এর Quality দেখা যায়

>Deep Scan এনাবল করে অনেক আগের ফাইল পুনরুদ্ধার করা যায়

যে ফাইল পুনরুদ্ধার করতে চান সেটার ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে Recover Highlited অপশন এ ক্লিক করবেন

Recuva ডাউনলোড লিঙ্কঃ http://www.mediafire.com/download/9wzsyj9tutnuaac/rcsetup148.exe

02/02/2014

*** কম্পিউটারে সফটওয়্যার চলছে নাঃ

পুরোনো কম্পিউটারের প্রিয় প্রোগ্রামটি নতুন কম্পিউটারে চলছে না দেখে মাথা গরম করার আগে দেখতে হবে, সেটি নতুন কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমে সমর্থনযোগ্য কি না৷ যেমন পুরোনো অনেক সফটওয়্যার উইন্ডোজ ৮-এ কাজ না-ও করতে পারে৷

এ ক্ষেত্রে পুরোনো ওই সফটওয়্যারটি নতুন অপারেটিং সিস্টেমে ইনস্টল করার আগে মূল সেটআপ ফাইেল ডান ক্লিক করে প্রোপার্টিজ অপশন নির্বাচন করতে হবে৷ সেখান থেকে কম্প্যাটিবিলিটি ট্যাব নির্বাচন করে ‘রান দিস প্রোগ্রাম ইন কম্প্যাটিবিলিটি মোড ফর’ অপশনে টিক দিয়ে নিচের মেনুতে থাকা অপারেটিং সিস্টেমের তালিকা থেকে সফটওয়্যারটি আগে যে অপারেটিং সিস্টেমে ভালোভাবে চলত, সেটি নির্বাচন করে ওকে করতে হবে৷ তারপর সেটি ইনস্টল করুন৷

ম্যাক ওএস এক্সের জন্য বানানো সফটওয়্যার অবশ্যই উইন্ডোজ কম্পিউটারে চলবে না৷ আবার ৩২-বিট প্রযুক্তির প্রোগ্রাম ৬৪-বিট কম্পিউটারে চলবে ঠিকই কিন্তু উল্টোভাবে ৬৪-বিট প্রোগ্রাম ৩২-বিট সিস্টেমে চলবে না৷ সব ধরনের ফাইল উইন্ডোজে চলবে এমনটা নিশ্চিত করে বলা যাবে না৷ যেমন .এপিপি এক্সটেনশনের কোনো ফাইল উইন্ডোেজ চলবে না৷ কারণ, এই এক্সটেনশনের ফাইল ম্যাক ওএস এক্সে চলার জন্য সমর্থনযোগ্য৷ অনলাইনে ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি দেখতে সমস্যা হলে বুঝতে হবে, জাভা অথবা ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ইনস্টল করা নেই৷ এ ক্ষেত্রে ব্রাউজার নিজ থেকেই আপনাকে জানিয়ে দেবে, ঠিক কোন প্লাগ–ইন ইনস্টল করতে হবে৷ অ্যাডবি ফ্ল্যাশ প্লেয়ার ফাইনাল আপডেট নিচের ঠিকানা থেকে নামাতে পারবেন৷

ডাউনলোড করুন এখান থেকে- http://www.datafilehost.com/d/b2403fa7

*** ই-মেইলে সংযুক্ত ফাইল খুলতে সমস্যা:

মেইলে আসা কোনো সংযুক্ত ফাইল যদি খুলতে সমস্যা হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, আপনার কম্পিউটারে সম্ভবত ফাইলটি খুলে দেখার প্রয়োজনীয় সফটওয়্যারটি ইনস্টল করা নেই৷ অ্যাডবি রিডার বা পিডিএফ সমর্থন করে, এ রকম সফটওয়্যার যদি ইনস্টল করা না থাকে, তাহলে ফাইলের নামের শেষে একটি ডট দিয়ে তিন অক্ষরের শব্দ (ফাইল এক্সটেনশন) .পিডিএফ নামের ফাইল আপনি দেখতে পারবেন না৷ এ জন্য নিচের ঠিকানা থেকে বিনা মূল্যে অ্যাডবি রিডার ফাইনাল আপডেট নামিয়ে নিতে পারেন৷

ডাউনলোড করুন এখান থেকে-
http://www.datafilehost.com/d/1ed83b89

এভাবে ই-মেইলে সংযুক্ত ফাইলের ফাইল এক্সটেনশন দেখে বুঝতে হবে, সেটি দেখার জন্য ঠিক কী ধরনের সফটওয়্যার প্রয়োজন৷ সংযুক্ত ফাইলে নামের শেষে .ডিওসি বা .পিপিটি হলে বুঝতে হবে এটি দেখার জন্য মাইক্রোসফট অফিস বা এর মতো সফটওয়্যার প্রয়োজন৷ মাইক্রোসফট অফিসের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন বিনা মূল্যের ওপেন অফিস সফটওয়্যারটি, যার আকার ১৩৭ মেগাবাইট৷

ডাউনলোড করুন এখান থেকে-
http://goo.gl/l8I9dp

01/02/2014

**** ফরম্যাটের দুই প্রকার ****

কম্পিউটারে এখনো যদি কেউ উইন্ডোজ এক্সপি অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করতে যান, তাহলে একপর্যায়ে হার্ডডিস্ক ড্রাইভের পার্টিশন তৈরি করে, সেটি ফরম্যাট করে নিতে হয়। ফরম্যাট দুই ধরনের হয়ে থাকে—কুইক ও ফুল ফরম্যাট। যদিও উইন্ডোজ ৭ ও ৮ অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করার সময় আগে থেকেই কুইক ফরম্যাট নির্ধারণ করে দেওয়া থাকে। এই কুইক বা ফুল ফরম্যাটের মধ্যে পার্থক্যটা কী? কোন ধরনের ফরম্যাট ডিস্কের জন্য ভালো বা টেকসই হবে?

দুই ধরনের ফরম্যাট-পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় আলাদা কারণে। প্রথমত, কোনো ডিস্ককে ছোট ছোট ইউনিট বা ব্লকে বিভক্ত করে ‘লো-লেভেল’ ফরম্যাট করা হয়, যাতে অপারেটিং সিস্টেম প্রবেশ করতে পারে। বর্তমানে ডিস্ক নির্মাতারা সেক্টর সাইজ হিসেবে এসব হার্ডডিস্কে লো-লেভেল ফরম্যাট ব্যবহার করে থাকে। দ্বিতীয় ফরম্যাট-পদ্ধতি ব্যবহার করা হয় হার্ডডিস্ককে হাই-লেভেল ফরম্যাট করার জন্য। এভাবে অপারেটিং সিস্টেম তার ব্যবহার-উপযোগী একধরনের ফাইল সিস্টেম কাঠামো (এফএটি বা এনটিএফএস) ডিস্কে তৈরি করে। হাই-লেভেল ফরম্যাট ডিস্কের সব ডেটা সেক্টর খালি করে ফেলে।

তাই যখন ডিস্ককে ফরম্যাট করতে যাই, তখন আসলে হাই-লেভেল ফরম্যাটিং ব্যবহার করে ডিস্কে একটি নির্দিষ্ট ফাইল সিস্টেম তৈরি করি। আর যখন ফুল ফরম্যাট নির্বাচন করা হয়, তখন ডিস্কের সব সেক্টর স্ক্যান করে সেখানে কোনো ব্যাড সেক্টর পাওয়া যায় কি না, তা পরখ করা হয়, তারপর প্রতিটি ডেটা সেক্টর খালি করে ফেলা হয়। ডিস্কের প্রতিটি সেক্টরে প্রবেশ করতে হয় বলে ফুল ফরম্যাটে সময় লাগে বেশি। যেখানে কুইক ফরম্যাট শুধু ফাইল সিস্টেম তৈরির কাজটা করে থাকে। কুইক ফরম্যাট খুব দ্রুত করা গেলেও কয়েকটি বিষয় বিবেচনায় নিলে আপনি সম্ভবত ফুল ফরম্যাটকেই বেছে নেবেন।

কুইক ফরম্যাটে ফাইলের তথ্য বা ডেটা ডিস্কে থেকেই যায়। আনডিলিট বা ফাইল রিকভার জাতীয় প্রোগ্রাম ব্যবহার করে সহজেই সেগুলো ফিরিয়ে আনা যাবে। আরেকটি কারণ হলো, আপনি নিশ্চিত করে বলতে পারবেন না যে হার্ডডিস্কের বর্তমান অবস্থা কী রকম। সে ক্ষেত্রে ফুল ফরম্যাট করাটাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। ডিস্কে কোনো ব্যাড সেক্টর থেকে থাকলে সেগুলো চিহ্নিত হওয়ার ফলে পরে তথ্য নষ্ট বা করাপ্ট হওয়ার ভয় থাকবে না।

31/01/2014

**** পকেটের মধ্যেই সুপার কম্পিউটার ****

বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী নয়, প্রতি সেকেন্ডে দ্রুতগতিতে লাখ লাখ হিসাব করতে পারবে এমন সুপার কম্পিউটার থাকবে আপনার পকেটেই! বাস্তবে এমনই ক্ষুদ্রাকার দ্রুতগতির সুপার কম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা করেছে চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এনভিডিয়া। এক খবরে এ তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।
এনভিডিয়া দাবি করেছে, মোবাইল প্রযুক্তি ও গাড়িতে ব্যবহারের জন্য ভবিষ্যতে এমন এক ধরনের চিপ তৈরি করবে তারা; যা সুপার কম্পিউটারের মতোই দ্রুতগতিতে কাজ সম্পন্ন করতে পারবে।
৭ জানুয়ারি থেকে যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে অনুষ্ঠিতব্য কনজুমার ইলেকট্রনিকস শো (সিইএস) উপলক্ষে ‘কে১’ নামে একটি চিপ আনার কথা জানিয়েছে এনভিডিয়া। স্মার্টফোন, ট্যাব ও কম্পিউটারের চিপের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় এনভিডিয়া এখন নতুন প্রযুক্তি নিয়ে ভাবতে শুরু করেছে।
সিইএস শুরুর আগেই এনভিডিয়ার প্রধান নির্বাহী জেন সান হুয়াং জানিয়েছেন, এনভিডিয়ার তৈরি ‘কে১’মোবাইল চিপে ব্যবহূত হবে কেপলার গ্রাফিকস প্রযুক্তি, যা মূলত হাই এন্ড গেমিং পিসির ক্ষেত্রে ব্যবহূত হয়। এই চিপের মাধ্যমে মোবাইল ফোনে সর্বাধুনিক গ্রাফিকস প্রযুক্তি যুক্ত করতে যাচ্ছে এনভিডিয়া।
হুয়াং দাবি করেছেন, আমরা মোবাইল কম্পিউটিংকে ডেস্কটপ ও সুপার কম্পিউটিং স্তরে আনতে যাচ্ছি।

প্রসঙ্গত, এনভিডিয়ার তৈরি সর্বশেষ টেগরা ৪ প্রসেসর মাইক্রোসফটের সারফেস২ ট্যাবলেট ও চীনের শাওমি স্মার্টফোনে ব্যবহূত হয়েছে।
‘কে১’ চিপটি তৈরির সময় এনভিডিয়া এর কোডনাম রেখেছিল ‘লোগান’ যা মূলত উলভারিনের কমিক হিরোর নাম।
এনভিডিয়ার দাবি, তাদের তৈরি সুপার কম্পিউটিং চিপটি ৬৪বিটের স্মার্টফোন, ট্যাব, গাড়ির ড্যাশ বোর্ড এমনকি গেম কনসোলেও ব্যবহার করা যাবে।
এদিকে, মার্কিন বাজার-বিশ্লেষকেরা জানিয়েছেন, চিপ তৈরিতে এনভিডিয়া যে পরিমাণ অর্থ লগ্নি করেছে তা প্রতিযোগিতার কারণে গত কয়েক প্রান্তিকে তুলে আনতে পারেনি মার্কিন এই চিপ নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি।

31/01/2014

****উইন্ডোজের কিছু কৌশল****

উইন্ডোজের প্রচলিত অনেক টিপস অথবা কি-বোর্ড শর্টকাট আছে, যেগুলো দিয়ে সহজে ও দ্রুত কাজ সারা যায়। এর বাইরেও কিছু গোপন কৌশল আছে, যেগুলো দিয়ে বাড়তি কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে।
টাস্কবারে থাকা অ্যাপ্লিকেশন নির্বাচন: কি-বোর্ডের Windows Key + T চেপে চেপে টাস্কবারে থাকা অ্যাপ্লিকেশন বা প্রোগ্রামগুলো একে একে নির্বাচন করা যাবে, একই সঙ্গে খুলে রাখা অ্যাপ্লিকেশনগুলোর নমুনা বা প্রিভিউ দেখা যাবে।
টাস্কবারে থাকা অ্যাপ্লিকেশন চালু: টাস্কবারে পিন করে রাখা অ্যাপ্লিকেশন খুলতে চাইলে Windows Key চেপে ধরে অ্যাপ্লিকেশনগুলোর পর্যায়ক্রমিক অবস্থান বিচারে ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা চাপলেই সেটি চালু হয়ে যাবে।
অ্যাপ্লিকেশন ব্যবস্থাপনা: চলমান একই অ্যাপ্লিকেশনের নতুন আরেকটি উইন্ডো খুলতে চাইলে Shift + Windows Key চেপে টাস্কবারে অ্যাপ্লিকেশনের অবস্থান অনুয়ায়ী ১ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা চাপতে হবে। খুলে রাখা উভয় উইন্ডো অদল-বদল করে দেখতে চাইলে Ctrl + Windows Key চেপে সংখ্যাটি চাপতে হবে।
নির্দিষ্ট অবস্থানে কমান্ড প্রম্পট চালু: Shift কি চেপে ধরে কোনো নির্দিষ্ট ফোল্ডারে ডান ক্লিক করে এর অপশন থেকে সেই অবস্থানেই কমান্ড উইন্ডোতে ঢোকা যাবে। এটি উইন্ডোজ ৭ এবং ভিসতার ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
গোপন ‘সেন্ড টু’ মেনু: Shift বোতাম চেপে ধরে কোনো ফোল্ডারে ডান ক্লিক করে ‘সেন্ড টু’ মেনুতে কারসর নিলে সম্পূর্ণ নতুন কিছু অবস্থান (লোকেশন) দেখতে পাওয়া যাবে, যা দিয়ে সহজেই ফাইল পাঠানো যাবে জায়গামতো।
যেকোনো ফাইল কিংবা ওয়েবপেইজ খোলা: রান কমান্ড ব্যবহার করে যেকোনো ফাইল, অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইট খোলা যায় সহজেই। কি-বোর্ডের Windows Key + R বোতাম চেপে রান ডায়ালগ বক্সটি চালু করতে হবে। এখান থেকে অ্যাপ্লিকেশনের নাম বা ওয়েবসাইটের ঠিকানা লিখে এন্টার করলে সরাসরি সেটি খুলে যাবে।
জিপ ফোল্ডার বানানো: বেশ কটি ফাইল একসঙ্গে করে সহজে কোথাও পাঠাতে বা ওয়েবে আপলোড করতে চাইলে সেগুলোকে জিপ ফোল্ডার বানিয়ে বড় ফাইলকে অপেক্ষাকৃত ছোট করা যায়। এ জন্য সেই ফোল্ডারে ডান ক্লিক করে Send to অপশন মেনু থেকে Compressed (zipped) Folder অপশনটি নির্বাচন করতে হবে।

29/01/2014

কম্পিউটারের সাধারণ কিছু সমস্যার সমাধান


কম্পিউটার বা ল্যাপটপে কাজ করতে গেলে মাঝেমধ্যে কিছু সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। প্রায়ই হয় এমন সাধারণ সমস্যার সমাধান নিজে নিজেই করা যায়। চলুন দেখা যাক...

***কম্পিউটারশুরুতেই যা করণীয়***

কোনো সমস্যা হলে অন্য কিছু করার আগে প্রথম কাজটিই হবে কম্পিউটার পুনরায় চালু বা রিস্টার্ট করা। এই কাজটি অনেক সমস্যার সমাধান করে দেয়। কম্পিউটারে সংযুক্ত কোনো যন্ত্রপাতি সমস্যা করলে সেটি বন্ধ করে আবার চালু করুন। তাতে কাজ না হলে যন্ত্রটি প্রথমে কম্পিউটার থেকে খুলে আবার লাগিয়ে নিন, তারপর সেটির সর্বশেষ সংস্করণের চালক সফটওয়্যার বা ড্রাইভার ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে আবার ইনস্টল করুন।
******

১. ধীরগতির কম্পিউটার

কম্পিউটার খুব ধীরগতির হলে প্রথমে চিহ্নিত করতে হবে এটি আসলে কম্পিউটারের নিজের সমস্যা কি না। ওয়েবসাইট দেখতে সময় বেশি লাগা বা অনলাইনে ভিডিও দেখার সময় বাফারিং অবিরাম চলতে থাকাটা কম্পিউটারের সমস্যা না-ও হতে পারে। যদি মনে হয় কম্পিউটারেই সমস্যা, তাহলে দেখে নিন হার্ডডিস্কের যে ড্রাইভে অপারেটিং সিস্টেম ইনস্টল করা আছে (সাধারণত C:), তাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ জায়গা আছে কি না। অপারেটিং সিস্টেম চলার সময় উইন্ডোজের ফাইল তৈরিতে খালি জায়গার প্রয়োজন হয়। অপর্যাপ্ত থাকলে ড্রাইভের কিছু জায়গা খালি করে ফেলুন। এ ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভালো সমাধান হলো ডিস্কম্যাক্স নামের একটি প্রোগ্রাম। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/rgcY4Q। রিসাইকল বিন, ইনস্টলেশন রেমন্যান্ট, ইউজার হিস্ট্রি, টেম্পরারি ফাইল, কুকিজ, উইন্ডোজ ক্যাশ ইত্যাদি অপ্রয়োজনীয় সবকিছু মুছে সিস্টেম ড্রাইভসহ পুরো হার্ডডিস্ক পরিষ্কার করে ফেলবে।
ধীরগতির আরেকটি সমাধান হলো মাইক্রোসফট সিস্টেম কনফিগারেশন টুল। অনেক অ্যাপলিকেশন আছে যেগুলো কম্পিউটার চালু হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে কম্পিউটার পুরোপুরি প্রস্তুত হতে বাড়তি সময় লাগায়। এ জন্য Windows Key + R কি চেপে তাতে msconfig লিখে এন্টার চাপুন। এখান থেকে যেসব স্টার্টআপ আইটেম অপ্রয়োজনীয় মনে হয়, সেগুলো থেকে টিক উঠিয়ে দিন। তবে ম্যানুফ্যাকচারার ট্যাবে মাইক্রোসফট করপোরেশন লেখা আইটেমগুলো থেকে টিক ওঠাবেন না। এবার ওকে চেপে কম্পিউটার রিস্টার্ট করুন।
******

২. ইন্টারনেট সংযোগে সমস্যা

ইন্টারনেট সংযোগের সমস্যা হলে ভালো সমাধান হলো www.speedtest.net ওয়েব ঠিকানা। এখানে স্পিড টেস্ট চালিয়ে দেখুন ইন্টারনেটের গতি কেমন। ইন্টারনেট সেবাদাতার দেওয়া সংযোগের গতির অন্তত অর্ধেক পাচ্ছেন কি না, পিং করলে ১০০ মিলিসেকেন্ডের কম থাকে কি না। আশানুরূপ না হলে পরীক্ষা করে দেখুন, কোনো কিছু ডাউনলোড বা আপলোড হচ্ছে কি না। অনেক টরেন্ট ডাউনলোডিং প্রোগ্রাম টাস্কবারের বদলে সিস্টেম ট্রেতে থেকে নেপথ্যে ডেটা ডাউনলোড বা আপলোড করতে থাকে। উইন্ডোজের অটোমেটিক আপডেট নির্বাচন করা থাকলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে ডাউনলোড চলতে থাকে। এটি বন্ধ করতে চাইলে স্টার্ট বাটন চেপে সার্চ বক্সে লিখুন windows update এবং এন্টার চাপুন। ‘চেঞ্জ সেটিংস’ ক্লিক করে ‘নেভার চেক ফর আপডেটস’ অপশনটি নির্বাচন করে ওকে করুন। নেটওয়ার্কে ব্যবহূত হার্ডওয়্যারও পরীক্ষা করে দেখতে পারেন। রাউটার বা সুইচের রিসেট বাটন চেপে সংযোগ সমস্যার সমাধান পাওয়া যায়। অথবা দু-এক সেকেন্ডের জন্য পাওয়ার কেবল বিচ্ছিন্ন করেও এটা করা যায়।
******

৩. কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট

হার্ডওয়্যার সমস্যা করলে সেটা শনাক্ত করে সমাধান করা একটু কঠিনই। প্রথমে নিশ্চিত হতে হবে, উইন্ডোজ হালনাগাদ হচ্ছে কি না। এসব আপডেট ইনস্টল হওয়ার সময় স্বয়ংক্রিয়ভাবে কম্পিউটার রিস্টার্ট হয়। অনেক সময় ভাইরাস বা অ্যাডওয়্যারের কারণে এমনটা হতে পারে। অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যার অথবা বিনা মূল্যের মাইক্রোসফট সিকিউরিটি এসেনশিয়ালস সর্বশেষ হালনাগাদসহ ইন্টারনেট থেকে নামিয়ে ইনস্টল করে স্ক্যান করে নিতে পারেন। নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/EW85AC আর এর সর্বশেষ ডেফিনিশন আপডেট ফাইল নামানোর ঠিকানা http://goo.gl/8TnmU5। কম্পিউটারের ধরন অনুযায়ী (৩২ বা ৬৪ বিট) ‘ম্যানুয়ালি ডাউনলোড দ্য লেটেস্ট আপডেটস’ সেকশন থেকে এই সফটওয়্যারটির হালনাগাদ ফাইল নামাতে হবে অথবা ইন্টারনেটে সরাসরি হালনাগা করে নিতে পারেন।
কম্পিউটারের কোনো যন্ত্রাংশ মাত্রাতিরিক্ত গরম হলেও কম্পিউটার বারবার রিস্টার্ট নিতে পারে। আধুনিক অনেক কম্পিউটারে সেফগার্ড থাকে, যা যন্ত্রপাতি গরম হলে নিজে নিজেই কম্পিউটার বন্ধ করে দেয়। সিপিইউ খোলার অভিজ্ঞতা থাকলে এবং তাতে কোনো ওয়ারেন্টি সিল না থাকলে সেটি খুলে অনেক দিনের জমা ধুলোবালি ব্রাশ দিয়ে সাবধানে পরিষ্কার করে নিতে পারেন। তারপর র‌্যাম খুলে পরিষ্কার করে আবার লাগিয়ে নিন এবং হার্ডডিস্ক, ডিভিডি-রম ড্রাইভে সংযুক্ত তারগুলো ভালোভাবে লাগিয়ে রিস্টার্ট হওয়ার সমস্যা থেকে রেহাই পেতে পারেন।
******

Address

Sylhet

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Friday 10:00 - 20:00
Saturday 10:00 - 20:00
Sunday 10:00 - 20:00

Telephone

+8801748-095959

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Home Computing Solution in Sylhet City posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Home Computing Solution in Sylhet City:

Share