Gita The Human Constitution-গীতা মানব সংবিধান

  • Home
  • Bangladesh
  • Sylhet
  • Gita The Human Constitution-গীতা মানব সংবিধান

Gita The Human Constitution-গীতা মানব সংবিধান ভগবানের বানী মানব সংবিধান গীতা প্রচা?

ভগবত গীতার শিক্ষা
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে বললেন মানুষের জীবনে কর্মের প্রয়োজন আছে | কর্ম ছাড়া কেউ এক মূহুর্তও থাকতে পারে না | শরীর যতক্ষণ আছে, কর্মও ততক্ষণ আছে | শারীরিক কর্ম আপাত দৃষ্টিতে না থাকলেও মানসিক কর্ম থাকবেই | মানুষ জীবনের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে স্বধর্ম অনুযায়ী কর্ম করা | ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন , কর্মানুষ্ঠান না করে কেহ নৈষ্কর্ম নিষ্ক্রিয় আত্মারূপে অবস্থিতি অর্থাৎ মোক্ষ লাভ করতে পারে

না | কর্মযোগে চিত্ত শুদ্ধি ও আত্মবিবেক না হলে নৈষ্কর্ম সিদ্ধি হয় না | কেবল মাত্র জ্ঞানশূন্য কর্ম ত্যাগ দ্বারা উক্ত অবস্থা লাভ অসম্ভব | নিষ্কাম কর্মের মধ্য দিয়েই কর্মবন্ধন মোচন হয়, চিত্তশুদ্ধি হয় | সেই শুদ্ধচিত্তে আত্মা সাক্ষাৎকার ঘটে | অর্জুনকে তাই ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন, 'নিয়তং কুরু কর্ম' অর্থাৎ সর্বদা শাস্ত্রবিহিত কর্ম কর | কর্ম সম্বন্ধে বললেন - অসক্তেন হ্যাচরণ কর্ম পরমাপ্নোতি পুরুষঃ অর্থাৎ অনাসক্ত হয়ে কর্ম করলে মানুষ পরমাগতি প্রাপ্ত হয় | ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে কামনামূলক বৈদিক কর্মকাণ্ড অর্থাৎ প্রধানত যজ্ঞানুষ্ঠান পরিত্যাগ করে নিষ্কাম করম করার উপদেশ দিলেন | তিনি বললেন -

কর্মণ্যেবাধিকারস্তে মা ফলেষু কদাচন |
মা কর্মফলহেতুর্ভূর্মা তে সঙ্গোহস্ত্বকর্মণি || (২:47)

অর্থাৎ কর্মেই তোমার অধিকার, কর্মফলে কখনও তোমার অধিকার নাই | কর্মফল যেন তোমার কর্মপ্রবৃত্তির হেতু না হয়, কর্মত্যাগেও যেন তোমার প্রবৃত্তি না হয় |
ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বললেন কর্মযোগ, ভক্তিযোগ, জ্ঞানযোগ এবং রাজযোগ, এই চারটি যোগ মুক্তি বা মোক্ষ লাভের পৃথক পৃথক পথ হলেও শেষে সব পথই এক তত্ত্বে মিলিত হয় |
গীতায় সগুণ ও নির্গুণ উপাসনাকে সমান স্থান দেওয়া হয়েছে |
ব্রাহ্মীস্থিতি বা ব্রহ্মনির্বাণ লাভ করা, গুণাতীত যোগারূঢ় বা স্থিতপ্রজ্ঞ হওয়াই গীতার উপদেশ |
গীতায় বলা হয়েছে যে ভগবানের অসংখ্য নাম, অসংখ্য রূপ | যে কোন একটি নামে বা রূপে আমাদের নিষ্ঠা হলেই মুক্তি লাভ হবে | নিষ্ঠাপূর্বক ভগবানের নাম জপ ও একটি রূপ ধ্যান করলেই মোক্ষ লাভ হবে | অপরের ইষ্টকে শ্রদ্ধা করা ইষ্টনিষ্ঠার একটি প্রধান সাধন.....
আসুন আমরা সবাই মিলে গীতার জ্ঞান আহরন করি।
জয় গীতা, জয় শ্রী কৃষ্ণ।

সবাইকে নমস্কার,  দয়া করে লাইক ও সাবস্ক্রাইব করে আমাদের এই জয় যাত্রা সফল করুন।
07/06/2020

সবাইকে নমস্কার, দয়া করে লাইক ও সাবস্ক্রাইব করে আমাদের এই জয় যাত্রা সফল করুন।

শ্রী কৃষ্ণ যে কালে গীতার উপদেশ দিয়েছিলেন, সেই সময় তাঁর মনোগত ভাব কি ছিল? মনোগত সমস্তভাব ভাষায় প্রকাশ করা যায় ন.....

14/10/2017

⏺ওঁ; হরি ওঁ তৎ সৎ•
⏺ওঁ নমো ভগবতে বাসুদেবায়•
⏩শ্রীমদ্ভগবদ্গীতা⏪
▶ প্রথম অধ্যায়ঃ-বিষাদ যোগ
↔ পর্ব-০৪↔
[[{"নিজে পড়ুন;- অন্যকেও পড়তে উৎসাহিত করুন"}]]

⏺শ্লোকঃ-অত্র শূরা মহেষ্বাসা ভীমার্জুনসমা যুধি ।
যুযুধানো বিরাটশ্চ দ্রুপদশ্চ মহারথঃ ॥৪॥

ধৃষ্টকেতুশ্চেকিতানঃ কাশিরাজশ্চ বীর্যবান্ ।
পুরুজিৎ কুন্তিভোজশ্চ শৈব্যশ্চ নরপুঙ্গবঃ ॥৫॥

যুধামন্যুশ্চ বিক্রান্ত উত্তমৌজাশ্চ বীর্যবান্ ।
সৌভদ্রো দ্রৌপদেয়াশ্চ সর্ব এব মহারথাঃ ॥৬॥

⏺উচ্চারণঃ-অত্র, শূরাঃ, মহেষ্বাসাঃ, ভীমার্জুন-সমাঃ, যুধি,
যুযুধানঃ, বিরাটঃ, চ, দ্রুপদঃ, চ, মহারথঃ ॥৪॥

ধৃষ্টকেতুঃ, চেকিতানঃ, কাশিরাজঃ, চ, বীর্যবান্,
পুরুজিৎ, কুন্তিভোজ, চ, শৈব্যঃ, চ, নরপুঙ্গবঃ ॥৫॥

যুধামন্যুঃ, চ, বিক্রান্তঃ, উত্তমৌজাঃ, চ, বীর্যবান্,
সৌভদ্রঃ, দ্রৌপদেয়াঃ, চ, সর্বে, এব, মহারথাঃ ॥৬॥

⏺অর্থ:- সেই সমস্ত সেনাদের মধ্যে অনেকে ভীম ও অর্জুনের মতো বীর ধনুর্ধারী রয়েছেন এবং যুযুধান, বিরাট ও দ্রুপদের মতো মহাযোদ্ধা রয়েছেন।।৪।।

সেখানে ধৃষ্টকেতু, চেকিতান, কাশিরাজ, পুরুজিৎ, কুন্তিভোজ ও শৈব্যের মতো অত্যন্ত বলবান যোদ্ধারাও রয়েছেন।।৫।।

সেখানে রয়েছেন অত্যন্ত বলবান যুধামন্যু, প্রবল পরাক্রমশালী উত্তমৌজা, সুভদ্রার পুত্র এবং দ্রৌপদীর পুত্রগণ। এই সব যোদ্ধারা সকলেই এক-একজন মহারথী।।৬।।

✅তাৎপর্যঃ- যদিও দ্রোণাচার্যের অসীম শৌর্য,বীর্য ও সামরিক কলা কৌশলের কাছে ধৃষ্টদ্যুম্ন দিলেন এক অতি নগন্য প্রতিবন্ধক এবং তাঁর ভয়ে ভীত হওয়ার কোন কারণই ছিল না দ্রোণাচার্যের পক্ষে, কিন্তু ধৃষ্টদ্যুম্ন ছাড়াও পান্ডবদের পক্ষে অন্য অনেক রথী-মহারথী ছিলেন, যারা সত্যি সত্যি ভয়ের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন। দুর্যোধনের পক্ষে সে যুদ্ধ জয়ের পথে তারা ছিলেন এক একটি দুরতিক্রম্য বন্ধকের মতো, কারন তারা সকলেই ছিলেন ভীম ও অর্জুনের মতো ভয়ঙ্কর। তাদের বীরত্বের কথা দূর্যোধন ভালভাবেই জানতেন, তাই তিনি অন্যান্য রথী-মহারথীদের অর্জুনের সঙ্গে তুলনা করেছেন।

➡শ্রী শ্রী গীতা মাহাত্ম্য (শ্রীবৈষ্ণবীয় তন্ত্রসারে)⬅

▶অন্যে শ্রবণতঃ শ্রুত্বা লেশং সংকীর্ত্তয়ন্তি চ ।
তস্মাত্ কিঞ্চিদ্‌ বদাম্যত্র ব্যাসস্যাস্যান্ময়া শ্রুতম্‌ ।।৪।।

⏺অনুবাদ =আর অন্য কানে শুনিয়া লেশমাত্র কির্ত্তন করেন; আমি ব্যাসদেবের মুখে যাহা শুনিয়াছি, তেমনি তাহার কিছু এইস্থানে কীর্ত্তন করিতেছি, তাহা শ্রবণ করেন।।৪।।

👉গীতাই শক্তি, গীতাতেই মুক্তি👈

⚠সকলেই লাইক, কমেন্ট ও শেয়ার করে অন্যকে গীতাপাঠের সুযোগ করে দিবেন কৃপাপূর্বক আশা করছি। ঈশ্বর আপনার মঙ্গল করুক।
"" জয় শ্রী কৃষ্ণ ""

11/09/2017

তুমি কেমন করে গান গেয়েছ হে গুণী
আমি অবাক হয়ে শুনি।
গীতা মানেই তো সংগীত! জীবনের সংগীত, জীবনের আনন্দময় সংগীত । গৈ ধাতু ত প্রত্যয় করে গীত- স্ত্রী লিঙ্গে গীতা।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে আমাদের সনাতন সমাজের বেশিরভাগ মান্ষুই এই গীতার সাথে পরিচিত নয়। সমাজের মানুষ যদি গীতা না জানে তাহলে তার জীবনে কিছুই জানা হল না। গীতা শুধু সাধারণ একটা ধর্মগ্রন্থ না, গীতা জীবনের পথপ্রদর্শক, জীবনের সংবিধান। বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজ এই মহাগ্রন্থ গীতার শিক্ষা হতে বিরত। তাই তো আজ যুব সমাজ এত বিপযস্থ। ধর্ম জানেনা-বুঝেনা। আর এতে কওে অনেকে ধর্মান্তরিত হয়। আমাদের অভিবাবকরাও আমাদের গীতার শিক্ষা দেন না বা দিতে চান না।
যদিওবা কোন ছেলে বা মেয়ে একটু গীতা নিয়ে বসে, তাহলে মা-বাবা ক্ষীপ্ত হয়ে যান!!! বলেন এখন এর সময় নয়, আগে পড়ালেখা কর, ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার হও। ওগুলো শেষ বয়সে করবে! আচ্ছা আমরা কেউ কি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে আগামী ১ ঘন্টা পর আমরা/আপনি/আমি জীবিত থাকব? কখনোই না! তাই আমাদের পারমার্থিক চেতনা উন্নত করতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি গীতার শিক্ষাও অর্জন করা উচিত।
তাই “এরঃধ ঞযব ঐঁসধহ ঈড়হংঃরঃঁঃরড়হ- গীতা মানব সংবিধান” গীতার শিক্ষা প্রচারে আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা কোন জ্ঞানী-গুণী বা শাস্ত্রজ্ঞ ব্যাক্তি নই। আমরা আমাদের অবস’ান থেকে সাধ্যমত চেস্টা করার প্রয়াস করেছি মাত্র.........
রবিন্দ্র নাথ ঠাকুরের একটা বিখ্যাত ছড়া আছে-
“ কে লইবে মোর কার্য কহে সন্ধ্যা রবি
শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর সবি,
মাটির প্রদীপ ছিল সে কহিল স্বামী
আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি”
সন্ধ্যা হয় হয় এমন সময় সূর্য জগতের সবার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করছে যে, এখন তো আমি অস্ত যাব, তা এখন জগতে আমার দায়িত্ব কে পালন করবে? শুনে সমস্থ জগতের সবাই নিশ্চুপ। কারণ সবাই জানে সূর্যের আলো দেবার মতো ক্ষমতা কারো নেই। মাটির একটা ছোট্ট প্রদীপ ছিল সে মাথা উচু করে বিনীতভাবে বলল প্রভূ আমার যেটুকু সাধ্য আমি তাই করব।
আমরাও এই মাটির প্রদীপ এর মতো ক্ষুুদ্র প্রয়াস করেছি সাধ্যমতো চেস্টা করার। কৃপা করে আপনারা লাইক/শেয়ার করে আমাদের পাশে থাকবেন, সহায়তা করবেন যাতে আমরা সকল সনাতনীদের মাঝে স্বয়ং ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মুখনিসৃত শ্রীমদ্ভগবত গীতার বাণী প্রচার করতে পারি।
সমাজ উন্নত হোক, শান্তিময় হোক। মানুষ মানুষের জায়গায় এসে দাড়াক এটাই আমাদের প্রার্থনা।

11/09/2017
এই পেজ টা একবার ঘুরে আসুন, ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার করুন এবং আপনার সকল হিন্দু বন্ধুদের ইনভাইট করুন লাইক ও শেয়ার করার জন্য।
26/08/2017

এই পেজ টা একবার ঘুরে আসুন, ভাল লাগলে লাইক ও শেয়ার করুন এবং আপনার সকল হিন্দু বন্ধুদের ইনভাইট করুন লাইক ও শেয়ার করার জন্য।

Gita The Human Constitution-গীতা মানব সংবিধানতুমি কেমন করে গান গেয়েছ হে গুণীআমি অবাক হয়ে শুনি।গীতা মানেই তো সংগীত! জীবনে...
24/08/2017

Gita The Human Constitution-গীতা মানব সংবিধান
তুমি কেমন করে গান গেয়েছ হে গুণী
আমি অবাক হয়ে শুনি।
গীতা মানেই তো সংগীত! জীবনের সংগীত, জীবনের আনন্দময় সংগীত । গৈ ধাতু ত প্রত্যয় করে গীত- স্ত্রী লিঙ্গে গীতা।
কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে আমাদের সনাতন সমাজের বেশিরভাগ মান্ষুই এই গীতার সাথে পরিচিত নয়। সমাজের মানুষ যদি গীতা না জানে তাহলে তার জীবনে কিছুই জানা হল না। গীতা শুধু সাধারণ একটা ধর্মগ্রন্থ না, গীতা জীবনের পথপ্রদর্শক, জীবনের সংবিধান। বিশেষ করে আমাদের যুব সমাজ এই মহাগ্রন্থ গীতার শিক্ষা হতে বিরত। তাই তো আজ যুব সমাজ এত বিপযস্থ। ধর্ম জানেনা-বুঝেনা। আর এতে কওে অনেকে ধর্মান্তরিত হয়। আমাদের অভিবাবকরাও আমাদের গীতার শিক্ষা দেন না বা দিতে চান না।
যদিওবা কোন ছেলে বা মেয়ে একটু গীতা নিয়ে বসে, তাহলে মা-বাবা ক্ষীপ্ত হয়ে যান!!! বলেন এখন এর সময় নয়, আগে পড়ালেখা কর, ডাক্তার/ইঞ্জিনিয়ার হও। ওগুলো শেষ বয়সে করবে! আচ্ছা আমরা কেউ কি নিশ্চিত করে বলতে পারি যে আগামী ১ ঘন্টা পর আমরা/আপনি/আমি জীবিত থাকব? কখনোই না! তাই আমাদের পারমার্থিক চেতনা উন্নত করতে আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার পাশাপাশি গীতার শিক্ষাও অর্জন করা উচিত।
তাই “এরঃধ ঞযব ঐঁসধহ ঈড়হংঃরঃঁঃরড়হ- গীতা মানব সংবিধান” গীতার শিক্ষা প্রচারে আমাদের ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমরা কোন জ্ঞানী-গুণী বা শাস্ত্রজ্ঞ ব্যাক্তি নই। আমরা আমাদের অবস’ান থেকে সাধ্যমত চেস্টা করার প্রয়াস করেছি মাত্র.........
রবিন্দ্র নাথ ঠাকুরের একটা বিখ্যাত ছড়া আছে-
“ কে লইবে মোর কার্য কহে সন্ধ্যা রবি
শুনিয়া জগৎ রহে নিরুত্তর সবি,
মাটির প্রদীপ ছিল সে কহিল স্বামী
আমার যেটুকু সাধ্য করিব তা আমি”
সন্ধ্যা হয় হয় এমন সময় সূর্য জগতের সবার উদ্দেশ্যে প্রশ্ন করছে যে, এখন তো আমি অস্ত যাব, তা এখন জগতে আমার দায়িত্ব কে পালন করবে? শুনে সমস্থ জগতের সবাই নিশ্চুপ। কারণ সবাই জানে সূর্যের আলো দেবার মতো ক্ষমতা কারো নেই। মাটির একটা ছোট্ট প্রদীপ ছিল সে মাথা উচু করে বিনীতভাবে বলল প্রভূ আমার যেটুকু সাধ্য আমি তাই করব।
আমরাও এই মাটির প্রদীপ এর মতো ক্ষুুদ্র প্রয়াস করেছি সাধ্যমতো চেস্টা করার। কৃপা করে আপনারা লাইক/শেয়ার করে আমাদের পাশে থাকবেন, সহায়তা করবেন যাতে আমরা সকল সনাতনীদের মাঝে স্বয়ং ভগবান শ্রী কৃষ্ণের মুখনিসৃত শ্রীমদ্ভগবত গীতার বাণী প্রচার করতে পারি।
সমাজ উন্নত হোক, শান্তিময় হোক। মানুষ মানুষের জায়গায় এসে দাড়াক এটাই আমাদের প্রার্থনা।

শ্রীল ব্যাসদেব কৃত গীতা-মাহাত্ম্য-শ্লোক:1:গীতা সুগীতা কর্তব্যা কিমনৈঃ শাস্ত্রবিস্তরৈঃ৷যা স্বয়ং পদ্মনাভস্য মুখপদ্মাদ্বিন...
22/08/2017

শ্রীল ব্যাসদেব কৃত গীতা-মাহাত্ম্য-

শ্লোক:1:
গীতা সুগীতা কর্তব্যা কিমনৈঃ শাস্ত্রবিস্তরৈঃ৷
যা স্বয়ং পদ্মনাভস্য মুখপদ্মাদ্বিনিঃসৃতা ॥১॥

শ্লোক:2:
সর্বশাস্ত্রময়ী গীতা সর্বদেবময়ী য্তঃ৷
সর্বধর্মময়ী য্স্মাত্তস্মাদেতাং সমভ্যসেৎ ॥২॥

অর্থ:- গীতা স্বয়ং শ্রীকৃষ্ণের মুখপদ্ম থেকে নিঃসৃত হয়েছেন ৷ সেই গীতা সুন্দরভাবে পাঠ করতে হবে৷ অন্যান্য বহু রকমের শাস্ত্রের প্রয়োজন নেই৷ যেহেতু শ্রীভগবদ্ গীতা সর্বশাস্ত্রময়ী, সর্বদেবময়ী, সুতরাং গীতা অভ্যাস করা একান্ত কর্তব্য৷

Address

Sylhet
3100

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Gita The Human Constitution-গীতা মানব সংবিধান posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share