Online আউট সোর্সসিং & Computer শিক্ষা

Online আউট সোর্সসিং & Computer শিক্ষা আমরা টাকা উপার্যণ করি। আপনি? Money is all things for our all Problems solving.

So we can't think our happy life without Money//////////////////////////////////////////////
For that we want to earn money

24/07/2018

প্রতিদিন শিখিএক নজরে জ্যামিতিক সকল সংজ্ঞা:

❑ সূক্ষ্মকোণ (Acute angle) : এক সমকোণ (90) অপেক্ষা ছোট কোণকে সূক্ষকোণ বলে।



❑ সমকোণ (Right angle) : একটি সরল রেখার উপর অন্য একটি লম্ব টানলে এবং লম্বের দু’পাশে অবস্থিত ভূমি সংলগ্ন কোণ দুটি সমান হলে, প্রতিটি কোণকে সমকোণ বলে। এক সমকোণ=90



❑ স্থূলকোণ (Obtuse angle) : এক সমকোণ অপেক্ষা বড় বিন্তু দুই সমকোণ অপেক্ষা ছোট কোণকে সথূলকোণ বলে।



❑ প্রবৃদ্ধকোণ (Reflex angle) : দুই সমকোণ অপেক্ষা বড় কিন্তু চার সমকোণ

অপেক্ষা ছোট কোণকে প্রবদ্ধ কোণ বলে। অর্থাৎ 360 > x 180 হলে x একটি প্রবৃদ্ধ

কোণ।



❑ সরলকোণ (Straight angle) : দু’টি সরল রেখাপরস্পর সম্পর্ণ বিপরীত দিকে গমন করলে রেখাটির দু’পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তাকে সরলকোণ বলে। সরলকোণ

দুই সমকোণের সমান বা 180



❑ বিপ্রতীপকোণ (Vertically Opposite angle ) : দু’টি সরল রেখা পরস্পর ছেদ করলে যে চারটি কোণ উৎপন্ন হয় এদের যেকোণ একটিকেতার বিপরীত কোণের

বিপ্রতীপ কোণ বলে।



❑ সম্পূরককোণ(Supplementary angle ) : দু’টি কোণের সমষ্টি 180 বা দুইসমকোণ হলে একটিকে অপরটির সম্পূরক কোণ বলে।



❑ পূরককোণ (Complementary angle) : দু’টি কোণের সমষ্টি এক সমকোণ বা 90 হলেএকটিকেঅপরটির পূরক কোণ বলে।



❑ একাস্তরকোণ: দু’টি সমান্তরাল রেখাকে অপর একটি রেখা তির্যকভাবে ছেদ করলে ছেদক রেখার বিপরীত পাশে সমান্তরাল রেখা যে কোণ উৎপন্ন করে তাকে একান্তর কোণ বলে। একান্তর কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।



❑ অনুরূপকোণ: দু’টি সমান্তরাল সরল রেখাকে অপর একটি সরল রেখা ছেদ করলে ছেদকের একই পাশে যে কোণ উৎপন্ন হয় তকে অনুরূপ কোণ বলে। অনুরূপ কোণগুলো পরস্পর সমান হয়।



❑ সন্নিহিতকোণ: যদি দু’টি কোণের একটি সাধারণ বাহু থাকে তবে একটি কোণের অপর কোণের সন্নিহিত কোণ বলে।

❑ ত্রিভূজ (Triangle): তিনটি সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ ক্ষেত্রকে ত্রিভূজ বলে।



❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Acute angle triangle ) : যে ত্রিভূজের তিনটি কোণই এক সমকোণ(90 0 ) এর ছোট তাকে সূক্ষ্মকোণী ত্রিভূজ বলে।



❑ সুক্ষ্মকোণীত্রিভূজ (Obtuse angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সথূলকোণ বা এক সমকোণ অপেক্ষা বড় তাকে সথূলকোণী ত্রিভূজ বলে। কোণ

ত্রিভূজের একের অধিক সথূলকোণ থাকতে পারে না।



❑ সমকোণী ত্রিভূজ (Right angled triangle) : যে ত্রিভূজের একটি কোণ সমকোণ

তাকে সমকোণী ত্রিভূজ বলে। কোন ত্রিভূজে একটির অধিক সমকোণ থাকতে পারে না। সমকোণী ত্রিভূজের সমকোণের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ এবং সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের একটিকে ভূমি এবং অপরটিকে লম্ব বলা হয়।

❑ লম্বকেন্দ্র
ত্রিভুজের তিনটি শীর্ষ থেকে বিপরীত বাহুগুলির উপর তিনটি লম্ব সমবিন্দুগামী, এবং বিন্দুটির নাম লম্বকেন্দ্র(orthocenter)❑ পরিবৃত্ত: তিনটি শীর্ষবিন্দু যোগ করে যেমন একটিমাত্র ত্রিভুজ হয় তেমনি তিনটি বিন্দু (শীর্ষ)গামী বৃত্তও একটিই, এর নাম পরিবৃত্ত।❑ পরিকেন্দ্র: পরিবৃত্তের কেন্দ্র (যে বিন্দু ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় থেকে সমদূরত্বে স্থিত)।

❑ চতুর্ভুজ: চারটি রেখাংশ দিয়ে সীমাবদ্ধ সরলরৈখিক ক্ষেত্রের সীমারেখাকে চতুর্ভুজ বলে।
বিকল্প সংজ্ঞা: চারটি রেখাংশ দিয়ে আবদ্ধ চিত্রকে চতুর্ভুজ বলে।চিত্রে কখগঘ একটি চতুর্ভুজ।

❑ কর্ণঃ চতুর্ভুজের বিপরীত শীর্ষ বিন্দুগুলোর দিয়ে তৈরি রেখাংশকে কর্ণ বলে। চতুর্ভুজের কর্ণদ্বয়ের সমষ্টি তার পরিসীমার চেয়ে কম।

❑ চতুর্ভুজের বৈশিষ্ট্যঃ চারটি বাহু, চারটি কোন, অন্তর্বর্তী চারটি কোনের সমষ্টি ৩৬০°।

❑ সামান্তরিক: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং বিপরীত কোণগুলো সমান (কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়) , তাকে সামান্তরিক বলে।

❑ আয়ত: যে চতুর্ভুজের বিপরীত বাহুগুলো সমান ও সমান্তরাল এবং প্রতিটি কোণ সমকোণ, তাকে আয়ত বলে।

❑ বর্গক্ষেত্র: বর্গক্ষেত্র বলতে ৪টি সমান বাহু বা ভূজ বিশিষ্ট বহুভূজ, তথা চতুর্ভূজকে বোঝায়, যার প্রত্যেকটি অন্তঃস্থ কোণ এক সমকোণ বা নব্বই ডিগ্রীর সমান।

❑ রম্বসঃ রম্বস এক ধরনের সামান্তরিক যার সবগুলি বাহু সমান কিন্তু কোণ গুলো সমকোন নয়।

❑ ট্রাপিজিয়ামঃ যে চতুর্ভুজ এর দুইটি বাহু সমান্তরাল কিন্তু অসমান।

❑ বহুভুজ
(কারনঃ সরলরেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ বক্র রেখা দ্বারা সীমাবদ্ধ) বহুভুজ নয়
(কারনঃ সীমাবদ্ধ নয়)
যদি বহুভুজের সবগুলি বাহু ও কোণ সমান হয়, তবে সেটিকে সুষম বহুভুজ বলে।

বিপ্রতীপ কোণঃ কোন কোণের বাহুদ্বয়ের বিপরীত রশ্মি যে কোণ তৈরি করে, তা ঐ কোণের বিপ্রতীপ কোণ বলে ।

❑ গোলকঃ দুইটি পরস্পর বিপরীত রশ্মি তাদের সাধারণ প্রান্ত বিন্দুতে যে কোণ উৎপন্ন করে, তাকে সরল কোণ বলে ।

❑ প্রবৃদ্ধকোণঃ দুই সমকোণ থেকে বড় কিন্তু চার সমকোণ থেকে ছোট কোণকে প্রবৃদ্ধকোণ বলে ।

❑ সমান্তরাল রেখাঃ একই সমতলে অবস্থিত দুটি সরল রেখা একে অপরকে ছেদ না করলে, তাদেরকে সমান্তরাল সরল রেখা বলে ।

❑ ছেদকঃ যে সরলরেখা দুই বা ততোধিক সরলরেখাকে ছেদ করে, তাকে ছেদক বলে ।

❑ অন্তঃকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণত্রয়ের সমদ্বিখন্ডকগুলো সমবিন্দু ।ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের অন্তঃকেন্দ্র।

❑ পরিকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের বাহুত্রয়ের লম্বদ্বিখন্ডকত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের পরিকেন্দ্র।

❑ ভরকেন্দ্রঃ ত্রিভুজের কোণ একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দুর সংযোজক সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের মধ্যমাত্রয় সমবিন্দু । ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের ভরকেন্দ্র।

❑ লম্ববিন্দুঃ ত্রিভুজের শীর্ষত্রয় হতে বিপরীত বাহুর উপর অঙ্কিত লম্বত্রয় সমবিন্দু। ত্রই বিন্দু ত্রিভুজের লম্ববিন্দু।

❑ সর্বসমঃ দুইটি ক্ষেত্র সর্বসম হবে যদি একটি ক্ষেত্র অন্যটির সাথে সর্বতোভাবে মিলে যায় । সর্বসম বলতে আকার ও আকৃতি সমান বুঝায় ।

❑ বর্গঃ আয়তক্ষেত্রের দুটি সন্নিহিত বাহু সমান হলে তাকে বর্গ বলে ।

❑ স্পর্শকঃ একটি বৃত্ত ও একটি সরলরেখার যদি একটি ও কেবল ছেদবিন্দু থাকে তবে রেখাটিকে বৃত্তটির একটি স্পর্শক বলা হয় ।

❑ সাধারণ স্পর্শকঃ একটি সরলরেখার যদি দুইটি বৃত্তের স্পর্শক হয়, তবে বৃত্ত দুইটির একটি সাধারণ স্পর্শক বলা হয় ।

❑ আয়তিক ঘনবস্তুঃ তিন জোড়া সমান্তরাল আয়তাকার সমতল বা পৃষ্ট দ্বারা আবদ্ধ ঘনবস্তুকে আয়তিক ঘনবস্তু বলে ।

❑ ঘনকঃ আয়তাকার ঘনবস্তুর দৈর্ঘ্য, প্রস্থ ও উচ্চতা সমান হলে, তাকে ঘনক বলে ।

❑ কোণকঃ কোন সমকোণী ত্রিভুজে সমকোণ সংলগ্ন যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে ত্রিভুজটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক কোণক বলে ।

❑ সিলিন্ডার বা বেলুনঃএকটি আয়তক্ষেত্রের যে কোন একটি বাহুকে স্থির রেখে ঐ বাহুর চতুর্দিকে আয়তক্ষেত্রটিকে ঘুরালে যে ঘনবস্তু উৎপন্ন হয় তাকে সমবৃত্তভুমিক বেলুন বলে ।

❑বাহু :

❑ ত্রিভুজের বাহু = ৩টি,

❑ চতুর্ভুজের বাহু = ৪টি

❑ বৃত্তের বাহু = নাই,

❑ ঘনকের বাহু = ৮টি

❑ ঘনবস্তুর বাহু = ১২টি

❑ কিছু প্রাসঙ্গিক ইংরেজী শব্দ
Geometry-জ্যামিতি,
Point-বিন্দু্,
Line-রেখা,
Solid-ঘনবস্ত
Angle-কোণ,
Adjacent angle-সন্নিহিত কোণ,
Vertically opposite angles-বিপ্রতীপকোন,
Straight angles-সরলরেখা,
Right angle-সমকোণ,
Acute angle সূক্ষকোণ,
Obtuse angle- স্থুলকোণ ,
Reflex angle –প্রবিদ্ধ কোন,
Complementary angle-পূরক কোণ,
Supplementary angle-সম্পুরক কোণ,
Parallel line-সমান্তরাল রেখা,
Transversal-ছেদক,
Alternate angle-একান্তর কোণ,
Corresponding angle-অনুরূপ কোণ,
In-center – অন্ত-কেন্দ্র,
Circumcenter – পরিকেন্দ্র,
Centroid –ভরকেন্দ্র,
Orthocenter- লম্ববিন্দু,
Equilateral triangle-সমবাহু ত্রিভুজ,
Isosceles angle-সমদিবাহু ত্রিভুজ,
Scalene angle –বিষমবাহু ত্রিভুজ,
Right angled triangle- সমকোণী ত্রিভুজ,
Acute angled triangle-সূক্ষকোণী ত্রিভুজ,
Obtuse angled triangle-স্থুলকোণী ত্রিভুজ,
Congruent – সর্বসম,
Equiangular triangles-সদৃশকোণী ত্রিভুজ,
Quadrilateral- চতুভুজ,
Diagonal-কর্ণ,
Parallelogram- সামন্তরিক,
Rectangle-আয়তক্ষেত্র ,
Square-বর্গ, Rhombus-রম্বস,
Mensuration -পরিমিতি

04/12/2016

আপনি কি একজন সফল ট্রেডার হতে চান?তাহলে এই আর্টিকেল আপনার জন্যই।
Share & comment plz
আপনার দিনের পর দিন, মাসের পর মাস কেটে গেছে, কিন্তু কোন ইম্প্রুভমেন্ট হয় নাই ট্রেডিং এ?আপনি ধারাবাহিক ভাবে মার্কেটে প্রফিট বের করতে পারেন না?তাহলে আর্টিকেলটা মনযোগ দিয়ে পড়ুন এবং নিজের জীবনে কাজে লাগান, সফলতা আসবে ইনশা আল্লাহ্‌।ট্রেডিং পরিসংখ্যানের হিসেব মতে ৯০% ট্রেডার লস করে। নিয়মিত প্রফিট করতে পারে না। তার মানে ৯০% লোক সঠিক ট্রেডিং মেথড, মানি ম্যানেজমেন্ট এবং তাদের মাইন্ড সেট ঠিক করতে পারে না।আপনাকে প্রশ্ন করতে হবে নিজেকেই, তাহলে বাকি ১০% ট্রেডার কি ফলো করে, কিভাবে ট্রেড করে? ৯০% লুজার ট্রেডারদের মাঝ থেকে কিভাবে তারা নিয়মিত প্রফিট নিয়ে বের হয়?মেজরিটি যেদিকে আছে সেদিকে, যাওয়া বাদ দেন। চেস্টা করতে হবে ১০% কোন দিকে যায়, তারা কিভাবে ট্রেড করে সেটাশেখার, সেটা জানার।আপনি রাতারাতি সফল হতেপারবেন না, যদি রাতারাতি সফল হওয়ার ইচ্ছা থাকে তাহলে ট্রেডিং আপনার জন্য না। এটার জন্য দরকার নিয়মানুবর্তিতা , ধৈর্য এবং প্র্যাকটিস। এই তিনের সমন্বয়ে আপনার প্রয়োজনীয় অভিজ্ঞতা অর্জন করতে হবে।ট্রেডিং এর সঠিক পদ্ধতি , মানি ম্যানেজমেন্ট এবং নিজের মাইন্ড সেট , এই তিনটি যদি ঠিক থাকে, সঠিক ভাবে, ধৈর্য ধরে প্র্যাকটিস করতে পারেন সফলতা আসবে ইনশাআল্লাহ্‌।
১। ১ টা মাষ্টার স্ট্রেটেজি ফলো করতে হবে, আপনি ট্রেডিং এ সফলতা পেতে চাইলে যেকোন একটাট্রেডিং স্ট্রেটেজি ফলো করতে হবে। আজকে এই স্টেটেজি, কালকে অই স্টেটেজি ফলো করতে জাবেন না। যেদিকে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই এই থিওরি ট্রেডিং এ ফলো করবেন তো মরবেন। যেদিকে দেখিবে ছাই, উড়াইয়া দেখো তাই, পাইলেও পাইতে পারো অমূল্য রতন, এটা বই তেই শোভা পায়। বাস্তব জিবনে ছাইএর নিচে আপনি সব সময় কয়লাই পাবেন।যে স্ট্রেটেজির নিদ্রিস্ট এন্টি এক্সিট এর রুলস থাকবে আপনি সেটা ফলো করবেন। মনে রাখবেন এই মার্কেটে যে টিকে থাকেসে প্রফিট বের করবেই, আর একটা স্ট্রেটেজি দিয়েই সেটা খুব ভালো ভাবেই সম্ভব। বেশীরভাগ সফল ট্রেডারদের একটা কমন স্ট্রেটেজি কম্বাইন্ড স্ট্রেটেজি। টেকনিক্যাল, ফান্ডামেন্টাল এবং অভিজ্ঞতার আলোকে তারা মার্কেট সেন্টিমেন্ট ঠিক করে। টেকনিক্যাল এআপনি যে কোন একটা জিনিস ফলো করেন, যেটা আপনি ভালো বুঝেন। হতে পারে সেটা মুভিং এভারেজ, বলিঙ্গার ব্যান্ড, ফিবোন্যাক্কি, ইলিওট ওয়েভ, সাপোর্ট, রেসিটেন্স, চ্যালেন, মুরি ম্যাথ ইত্যাদি ইত্যাদি। এক কথায় আপনিযেটা ভালো বুঝেন। চার্ট দেখে যে টুলস দিয়ে আপনি মার্কেট এর সঠিক এন্ট্রি, এক্সিট পয়েন্ট ধরতে পারেন।সেটাই ট্রেডিং চার্টে সেট করুন।ফান্ডামেন্টাল যদি ধরতে না পারেন, শেখার চেস্টা করুন, না হয় ওই টাইম টাতে ট্রেড করা বাদ দিন।তবে কম্বাইন্ড ট্রেডিং স্ট্রেটেজি সবচেয়ে জনপ্রিয় সফল ট্রেডার মাঝে।ফান্ডামেন্টাল কি এতটাই কঠিন যতটা আপনি ভাবতেছেন? আসলেই না। আপঙ্কে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্দ্যালয়ে অর্থনীতির ক্লাশ নিতে হবে না, নিজে মার্কেট বুঝার জন্য যতটুকু দরকার সেটুকু জানতে হলে খুব বেশী কাঠ কয়লা পুড়াতে হয় না। আর বর্তমানে ইন্টারনেটে অনেক কিছুই ফ্রি পাওয়াযায়, শুধু জানতে হয় ধরতে শেখা। সিম্পল কয়েকটা জিনিস জেনেও আপনি প্রফেশনাল ট্রেডারদের মত মার্কেট এনালাসিস করতে পারবেন। ৬ মাস এক বছর আপনি টেকনিক্যাল এবং ফান্ডামেন্টাল এর কম্বিনেশনে ট্রেড করা প্র্যাকটিস করলে সঠিক সেন্টিমেন্ট আপনা আপনি চলে আসবে। আপনি নিজেও কম্বাইন্ড ট্রেডিং এর মত সেরা স্টেটেজি দিয়ে ট্রেড করতে পারবেন। মনে রাখবেন ভয় পেলেই ভয়, ভয় না পেলে সব হয়।ভয় পেলে একটা পুকুর কেউ সাগর মনে হবে, ভয় না পেলে সাগর কে একটা ছোট খাল মনে হবে।
২। আপনার ট্রেডিং প্ল্যান ফলো করেন।আপনার অবশ্যই ট্রেডিং প্লান থাকতে হবে। আপনিট্রেড ওপেন করার পুর্বে আপনাকে জানতে হবে আপনি কি ট্রেড করতেছেন, কেন বাই সেল করতেছেন, এর ঝুকি কতিটুকু, কতটুকু ঝুকি আপনি নিতে পারবেন, আপনি কোন টাইমে ট্রেড করেন এবং কিভাবে এটা ম্যানেজ করুন। প্রতিদিন এবং প্রতিটি ট্রেডে একই থিওরি মেনেচলুন। আজকেই আপনার ট্রেডিং প্ল্যান করে ফেলুন এবং এটা মানার জন্য প্র্যাকটিস শুরু করে দিন।
৩। ঝুঁকি মেনে ট্রেড করুন প্রতিটি ট্রেডে স্টপ লস ব্যাবহারের অভ্যাস করুন। এটা আপনাকে বড় ধরনের লস থেকে রক্ষা করবে। আবার স্টপ লস এমন প্লেসে দিবেন না যেটা আপনার টেকনিক্যাল চার্টের এন্ট্রি এক্সিট এর পরিপন্থী। আপনি সঠিক প্লেসে ট্রেড ওপেন করতে না পারলে স্টপ লস অনেক বড় হয়ে যাবে। আপনি তখন ট্রেড ওপেন করা থেকে বিরত থাকুন। মনে রাখবেন মার্কেট সবসময় আপনাকে সুযোগ দিয়ে, অযথা ঝুঁকি নিবেন না। না হলে, আপনার ট্রেড আপনার স্ট্রেটেজি আপনাকেই লসে ফেলে দিবে।এখন থেকে আপনার স্ট্রেটেজি দিয়ে ট্রেড ওপেন করুন, এবং সঠিক প্লেসে স্টপ লস ব্যাবহার করুন।৪। লং টার্ম ট্রেড করার চিন্তা করুন।শর্ট টার্ম ট্রেড অনেকঝুঁকিপুর্ন বেশীরভাগ ক্ষেত্রে। তবে অনেক স্ট্রেটেজি আছে, যেগুলি ভালো ফল দেয়। প্রথমে আপনার ব্যাল্যান্স ঠিক রাখতে হবে, তারপর প্রফিটের চিন্তা। ব্যালান্স টিকে থাকলে প্রফিট আসবেই। এমন ভাবে ট্রেড ওপেন করতে হবে, মানি ম্যানেজমেন্ট যাতে কোন ভাবেই ভায়োলেট না হয়। আপনি সারা জীবন ট্রেডিং এ টিকতে পারবেন তাহলে। ব্যালন্স এর ১% প্রফিট চিন্তা করুন প্রতিদিন। এর বেশী না।মূলধনের ১% প্রতিদিন গেইন করা কঠিন কিছু না। এতে আপনার ঝুঁকি কমবে, আপনি আজীবন টিকে থাকতে পারবেন। লসের ক্ষেত্রেও আপনি আপনার সুবিধা মত চিন্তা করুন। তবে ২% এর বেশী যেনো না হয়, এটা মাথায় রাখবেন।আজকে থেকে মানি ম্যানেজমেন্ট মেনে চলুন, প্রতিদিন ১% মূলধনের প্রফিট টার্গেট রাখুন। দেখেবন ৩-৪ মাসেই মুলধন দিগুণ হয়ে যাবে, সেটা অন্য ব্যাবসায় অনেকটা কল্পনা।৫। বড় টাইম ফ্রেমে ট্রেড করার অভ্যাস করুন।সফল ট্রেডারদের এটা একটা বড় কৌশল। বড় টাইম ফ্রেমে যেকোন একটা স্ট্রেটেজিই ভালো কাজ করে, ইভেন আপনি শুধু মাত্র টেকনিক্যাল এনালাইসিস দিয়েও বড় টাইম ফ্রেমে ট্রেড করেভালো রেজাল্ট পাবেন ইনশাআল্লাহ্‌। আপনি কি টাইপের ট্রেডার এটাব্যাপার না। বড় টাইম ফ্রেমে মার্কেট ডাইরেকশন ভালো বুঝা যায়। আপনি প্রতিটা ট্রেড করার পুর্বে এটাদেখে নিন। তবে লং টাইম ফ্রেমে একটা বড়মুভমেন্ট হয়ে গেলে আপনি ট্রেডের ৫০-৭০% প্রফিট টেক করে ফেলুন।বাকিটা মিনিমাম প্রফিট করে স্টপ লস দিয়ে রাখুন। আজকে থেকেই বড় টাইম ফ্রেমে ট্রেড করার অভ্যাস করুন, আপনার পক্ষে মার্কেট এর বড় মুভমেন্ট হয়ে গেলে পুরো ট্রেড একবারে ক্লোজ করে না দিয়ে ট্রেডের ৫০-৭০% ক্লোজ করে দিয়ে , বাকী ট্রেডটা মিনিমান প্রফিট ধরে স্টপ লস দিয়ে রাখুন। দেখেবন একটা একদিন সোনার ডিম দিবে।
৬। নিজের উপর বিশ্বাস রাখুন।আপনার স্টেটেজি এবং ট্রেডিং মেথড এর উপর বিশ্বাস রাখুন। লাভ হোক , লস হোক আপনার স্ট্রেটেজির উপরেই অটল থাকুন। লস হলে কেন লস হলো এটা খুজে বের করুন। প্রফিট হলে সেটাকে আরো ডেভেলোপ করুন।আজকে থেকেই নিজের ট্রেডিং মেথড কে ডেভোলাপ করা শুরু করে দিন।
৭। প্রতিটি ট্রেড ওপেনকরার পুর্বেই কারন খুজে বের করুন এবং রেকর্ড করে রাখুন।প্রতিটি ট্রেড ওপেন করার পুরবেই আপনার স্ট্রেটেজি দিয়ে কারন খুজে বের করার চেস্টা করুন। যদি আপনার স্টেটেজি দিয়ে ট্রেড করার অবস্থানে থাকে তাহলে ট্রেড ওপেন করুন, এবং রেকর্ড করে রাখুন। এটা আপনার ভবিষ্যৎ এনালাইসিস এ কাজে। মনে রাখবেন ট্রেডিং এ হিস্ট্ররি রিপিট হয়। আর রেকর্ড করে রাখলে ভবিষ্যতে ট্রেড ওপেন করতে গেলে বুঝতে পারবেন আগের বারআপনার কি বুল ছিল, এবং আপনার ট্রেডিং অভিজ্ঞতা অনেক বাড়বে।তাহলে আজকে থেকেই প্রতিটা ট্রেডের পিছনে কারন খুজে বের করার চেস্টা করুন এবং রেকর্ড করে রাখুন।
৮। ব্যাক্তি জিবনের সাথে ট্রেডিং লাইফ এক করে ফেলবেন না।ট্রেডের পাশাপাশি জীবনে কিছু সময় রিলাক্স এর প্রয়োজন পরে। টানা ট্রেড করলে একঘেয়েমি চলে আসবে ট্রেডে, সিদ্ধান্ত নিতে ভুল করবেন তখন ট্রেডিং এ। আর ব্যাক্তি জিবনের ঝামেলা থাকলে সেটা আগেসল্ভ করার চেস্টা করবেন। মাথায় টেনশন নিয়ে ট্রেড করতে যাবেননা। আপনি যখন নিউজ এনালাইসিস করতে বসবেন,চার্ট এনালাইসিস করবেন তখন সবকিছু থেকেদুড়ে থেকে আপনার ট্রেডসেট আপ সাজিয়ে ফেলুন। এবং লক্ষ্য রাখুন আপনার সেট আপে ট্রেড করার সুযোগ এসেছে কিনা। যদি আসে তাহলে এন্ট্রি এক্সিট এর লেভেলগুলি নিদ্রিস্ট করে রাখুন। এবং সময় মত ট্রেডে এন্ট্রি নিন।এখন থেকেই একটানা ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন, নিজের রিলাক্স এর জন্য কিছু সময় ব্যয় করুন, চার্ট গুলিকে সাজিয়ে ফেলুন, লক্ষ্য রাখুন কথন ট্রেড সেট আপ আসে। এবং ব্যাক্তিগত ঝামেলার সময় ট্রেড করা থেকে বিরত থাকুন,
৯। নিজের মতামত কে প্রধান্য দিনঅন্যার কথায় কান দেওয়ার দরকার নেই ( অন্য বলতে আমি আম জনতাকে বুঝিয়েছি, একজনভালো শিক্ষক, ট্রেইনারবা ভালো ট্রেডার এর কথা না। তাদের কথা শুনবেন, তাদের থেকে অবশ্যই শিখবেন)। আপনি যা চোখে দেখেন, যা ভালো বুঝেন। সেটার প্রাধান্য দিন।আজ থেকে আম ট্রেডার সবার কথা শোনা বাদ দিন, নিজের মতামত কে প্রাধান্য দিন।
১০। সিম্পল থাকেন সব সময়।এই বিষয়টা ব্যাক্তি এবং ট্রেডিং লাইফ দুটোক্ষেত্রেই কাজে দিবে আপনাকে। সব কিছু সহজভাবে চিন্তা করতে শিখুন। তাহলে আপনি যেকোন কাজে সহজে মননিবেশ করতে পারবেন। বেশীরভাগ সময় মার্কেট স্টাডি করে কাটান। ট্রেড করার চেয়ে স্টাডিতে সময় বেশী দিন। MT4 এর সামনে সারা দিন বসে থাকলেই ভালো ট্রেডার হওয়া যায় না। কিন্তু স্টাডির পিছনে সময় দিলে আপনি প্রফিট করার অনেক স্মার্ট ওয়েবের করতে পারবেন। MT4 এরসামনে সারা দিন বসে থাকলে আপনার ট্রেড আরোজটিল থেকে আরো জটিল হবে। এই সেট আপ, সেই আপ করে করে পাগল হয়ে জাবেন। আপনি ট্রেড ভালো করেন, বুঝেন এটা কারো সাথে গলা ফাটিয়ে বলার দরকার নাই। প্রফিটের ভুরি ভুরি স্ক্রিন শট দিয়ে ফেসবুকে সয়লাব করার দারকার নাই। সিম্পল থাকেন। মানুষিক প্রশান্তিতে থাকবেন। উটকো ঝামেলায় যত জড়াবেন তত বিপদ মনে রাখবেন।ব্যাক্তি এবং ট্রেডিং লাইফে সিম্পল থাকার চেস্টা করেন।
১১। সব কিছুর উর্ধে ধৈর্য এবং নিয়মানুবর্তিতা ।।ট্রেডিং এ সফল হতে গেলে এই জিনিসটা সবচেয়ে বেশী দরকার। ছোত বেলায় একটা ইংরেজিট্রান্সলেশন পরতাম “ রোম নগরী এক দিকে তৈরি হয় নাই ‘’। সফলতাও কোনদিন একবারে আসে না।এক দিনে আসে না। চেস্টা, ধৈর্য এবং লেগে থাকলে সফলতা আসবে। আল্লাহ্‌তালা নিজেও এই বান্দার এই গুনগুলো পছন্দ করেন। যে চেস্টা করে, ধৈর্য ধরে, নিয়ম মেনে চলে আল্লাহ্‌ তাকে প্রতিটি কাজে সাহায্য করে। কপালে না থাকলে সেটা ভিন্ন ব্যাপার। কিন্তু আমি, আপনি ভবিষ্যৎ জানি না, আল্লাহ্‌ আমাদের জন্য কি রেখেছেন। তাই চেস্টা করে যাবো, আল্লাহর কাছে দুয়া করবো, ধৈর্য ধরবো, নিয়ম মেনে চলবো। ইনশা আল্লাহ্‌ পেয়ে যাবো সফলতা। আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস রাখবেন, আল্লাহ্‌ সফল করবেন......।

02/03/2016

***********প্রচলিত ভুল ধারণা # # # # #
দ্রুতগতিতে ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিংয়ে (Freelance Outsourcing)এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। আর এই এগিয়ে যাওয়ার বিপরীতে ফ্রিল্যন্সিং নিয়ে অনেকেরই ভুল ধারণা তৈরি হচ্ছে । ভালোভাবে না জেনে অন্যকে উপদেশ দেওয়ার কারণেই এমনটি ঘটছে। এই ভুলগুলো সম্পর্কে জানা ও সচেতন থাকা ভাল।
*ইনভেস্ট করে আয় করাঃ
হ্যাঁ, ইনভেস্ট করলেই আয় করা যায় এমন একটি ভুল ধারণা সর্বত্র রয়েছে এখনও। অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যেখানে ইনভেস্ট করে সর্বশাš হওয়া খুব সোজা। পিটিসিতে, হাইপে, এমএলএম-এ ইনভেস্ট করলে আপনি যে ধরা খাবেন এটি অনেকটাই নিশ্চিত থাকতে পারেন। বাংলাদেশে অনেকে ইতিমধ্যে তাদের ইনভেস্টকৃত মূলধনও হারিয়েছে। সুতরাং যেখানে সেখানে ইনভেস্ট করলেই যে আপনি আয় করতে পারবেন এমনটি কখনোই ভাববেন না।
**রেফারেলের মাধ্যমে আয়ঃ
আমাদের অনেকেরই একটা বদ অভ্যাস আছে। যাচাই বাছাই না করেই বলে, আমি শুনেছি আমার এক বন্ধুর মামার চাচার দুঃস¤পর্কের এক ফুফাতো ভাইয়ের ছোট ভাই একটা সাইট থেকে ১ ডলার আয় করে, আগামী মাসের ১৫ তারিখে পেআউট করবে অ্যালার্টপে-তে! কোনভাবে তার কাছ থেকে সাইটের অ্যাড্রেস নিয়ে সাইন আপ করি এবং বড় বড় কমিউনিটি সাইটগুলোতে রেফারেল লিঙ্কসহ পোস্ট দেই, ¯প্যাম কমেন্ট দেই! এই ধরণের কাজগুলো একেবারেই বোকামি। রেফারেলের মাধ্যমে আয় করার জন্য গুজবে কান দিয়ে স্প্যামিং করে কোন লাভ নেই।

***খুব সহজে বিনা পরিশ্রমে ইন্টারনেট থেকে আয় করা যায়ঃ
এটা সবচেয়ে বড় ভুল ধারনা। আপনি আশা করছেন একজন চাকুরিজীবি কিংবা ব্যবসায়ীর চেয়ে বেশি আয় করবেন অথচ পরিশ্রম করবেন না! এটি কি কোনভাবেই হতে পারে? ইন্টারনেটে যে পদ্ধতিতেই আয় করন না কেন, আপনাকে যথেষ্ট সময় ও মেধা ব্যায় করতে হবে।

****পিটিসি সহজে আয়ের কার্যকর পদ্ধতিঃ

পিটিসি হেছ কোন ওয়েবসাইটে গিয়ে নির্দিষ্ট লিংকে ক্লিক করবেন আর আপনার নামে টাকা জমা হবে। বিষয়টি পুরোপুরি প্রতারণা ছাড়া কিছুই না। সাবধান, টাকা আয়ের জন্য পিটিসি সাইটে জয়েন করেছেন তো মূলধনই গায়েব হয়ে যাবে!

৫*পেপ্যাল না থাকলে আয় করা যাবে নাঃ

পেপ্যাল না থাকায় বাংলাদেশ থেকে ইন্টারনেটে আয় করার কোন পথ নেই। এমনটি মনে করেন অনেকে। এটি একেবারেই ভুল ধারণা। পেপ্যাল ছাড়াও অনেক উপায়ে বাংলাদেশে টাকা আনা যায়।
সাইফুর রহমান

18/02/2016

Let's try to learn about online outsourcing by liking this page..

আমরা টাকা উপার্যণ করি। আপনি?

05/01/2016

ফ্রিল্যান্সিং কিভাবে শুরু করা উচিৎ:
শেয়ার করুন দয়াকরে..
আপনি যদি প্রফেশনাল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ক্যারিয়ার (Freelance Career) গড়তে চান, তাহলে প্রশিক্ষণের বিকল্প নেই। কিন্তু, বেশিরভাগ মানুষ কোনকিছু চিন্তা না করেই প্রশিক্ষণের দিকে ছুটে। যার ফলে, হয় অপ্রয়োজনীয় দক্ষতার উপর প্রশিক্ষণ নেয় বা একাধিকবার প্রশিক্ষণ নিতে হয়, নতুবা কিছু না শিখেই শুধু সার্টিফিকেট নিয়ে সন্তুষ্ট থাকে। বেশিরভাগ মানুষ ফ্রিল্যান্সার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চান, পয়সার লোভে। কিন্তু পয়সার লোভ নিয়ে আগালে, বেশিদূর যাওয়া যায় না। পয়সার সাথে আরেকটি জিনিষের দরকার পড়ে, আর তাহলো- চধংংরড়হ।

চধংংরড়হ নিয়ে পয়সা কামানোর জন্য পেশায় প্রবেশ করতে চাইলে, আপনাকে সঠিক প্রশিক্ষণ নিতে হবে। আর প্রশিক্ষণ নেবার আগে আপনাকে আপনার ক্যারিয়ার এর পথ ঠিক করতে হবে। মানে, আপনি কোন দিকে আগাবেন, কি কি করতে চান, ইত্যাদি। ক্যারিয়ার শব্দটাকে অনেকে চাকুরির সমার্থক ভাবেন। কিন্তু ক্যারিয়ার আলাদা একটা জীবন, আপনার প্রফেশনাল জীবন। জীবনের ৮ ঘন্টা যদি ঘুম হয়, ৮ ঘন্টা ব্যক্তিগত জীবনের জন্য হয়, তাহলে আপনার ক্যারিয়ার, ঘুমবাদে আপনার জীবনের অর্ধেক। তাই ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, আপনার জীবনের পরিকল্পনার ৫০%। ক্যারিয়ার পরিকল্পনা করতে গেলে সর্বপ্রথম আপনার নিজেকে চিনতে হবে। আপনাকে অবশ্যই আপনার দক্ষতা নিজেকে যাচাই করে নিতে হবে! নিজেকে প্রশ্ন করতে হবে:

আপনি কি ভালো গান গাইতে, নাঁচতে অথবা আঁকাআঁকি করতে পারেন?

আপনি কি ব্রিটিশ বা আমেরিকান সিটিজেনদের সঙ্গে সহজেই কমিউনিকেশন করতে পারেন?

আপনার কি ভালো ট্রান্সলেশন দক্ষতা রয়েছে?

আপনার কি ক¤িপউটার দক্ষতা আছে?

আপনার কি লেখালেখির দক্ষতা আছে?

আপনার কি ভালো বানিজ্যিক ধ্যান-ধারনা আছে?

আপনার কি ভালো ডিজাইন বা আঁকাআঁকির দক্ষতা আছে?

এই ৭টা প্রশ্ন, নমুনা মাত্র। নিজেকে প্রশ্ন করে বের করে নিন, এমন সব দক্ষতা, যা অন্যকেউ করে দিতে টাকা নিবে। মানে, এই দক্ষতাগুলো যেনো বিক্রির উপযোগী হয় সেটি বিবেচনা করতে হবে। এরপর আপনি সবচেয়ে বেশি কি পছন্দ করেন সেটি নির্বাচন করতে হবে। আপনি যদি টেলিভিশন দেখতে অথবা মুভি দেখতে পছন্দ করেন, সেটিও খারাপ নয়। আপনি যদি রোমান্স-প্রিয় হন, তাতেও সমস্যা নেই। এই চধংংরড়হ কাজে লাগিয়ে একজন মুভি ব্লগার বা রিলেশনশিপ বিষয়ক ব্লগার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার গড়তে পারেন। আপনি কি বেশি পছন্দ করেন, সেটি নির্বাচন করতে নিচের প্রশ্নগুলোর উত্তর দিন:

কষ্টকর হওয়া স্বত্বেও আপনি কোন কাজটি বিনামূল্যে করতে পারবেন?

টানা ১৪ ঘন্টা কাজ করার পরেও আপনি কোনো চাপ বোধ করছেন না, এমনকি মাঝে মাঝে ডিনার করতে ভুলে যান?

এমনটি যদি হয়ে থাকে তাহলে আপনি ঐ কাজটি নিশ্চয় ভালোবাসেন। এমন কাজ প্রয়োজনে আপনি বিনামূল্যেও করতে পারেন। কারণ সেখানে আপনার পছন্দ জড়িয়ে আছে।

চাপের কাজ হলেও কোনটি করে আপনি সন্তুষ্ট হন? (যেমনঃ মানুষের প্রশংসা)

আপনি কোন বিষয়টি ভালো জানেন যেটা সাধারণত অন্য কেউ জানে না এবং কাজটি করার সমস্ত বিষয়টি আপনি উপভোগ করেন?

এই প্রশ্নের উত্তরের মাধ্যমে আপনি আপনার ১. দক্ষতা ও ২. পছন্দের বিষয় খুঁজে পাবেন। এখন বিষয়গুলো একত্র করেন এবং এটিকে আপনার ক্যারিয়ার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন। উদাহরণস্বরুপ বলতে পারি, আমি একজনকে চিনি যে কিনা বাচ্চাদের অনেক পছন্দ করে কিন্তু কাজ করে কল সেন্টারে, যেটি সে একেবারেই পছন্দ করতো না! কিন্তু এখন সে বাচ্চাদের অনলাইনে শিক্ষাদান করায় এবং এটি সে অনেক মজা করে করে। আপনি যেটি করবেন সেটির পক্ষে আপনার আগ্রহটাই বড়। আমার কথাই ধরি, ইন্টারনেটের প্রতি আমার আগ্রহ সব সময়েই কিন্তু আমার শিক্ষাগত যোগ্যতা ক¤িপউটারে নয়, বিএসএস! অথচ আমি আমার আমার ব্যাকগ্রাউন্ড, দক্ষতা ও আগ্রহে কাজে লাগিয়ে ইন্টারনেট মার্কেটার হয়েছি।

আপনার ক্যারিয়ার পরিকল্পনা হয়ে যাবার পর, আপনাকে কি কি শিখতে হবে, সেটারও পরিকল্পনা করতে হবে। যা যা শিখতে হবে, এর মানে এই না যে আপনার সব কিছুর প্রশিক্ষণ নিতে হবে। সেটা সবার জন্য বলবো, গুগলকে আগে কাজে লাগাতে শিখুন। সেখান থেকে প্রাথমিক ধারণা নিন। তারপর যেগুলো জটিল মনে হয়, শুধু সেগুলার জন্য প্রশিক্ষণ নেবার মনঃস্থির করুন। কিন্তু, জটিল কিছুতে যাবার আগে গুগল আপনাকে ধারণা দিতে পারে। যখন আপনি জানতে বা বুঝতে পারলেন আপনি কি করতে চান, আর কি কি প্রশিক্ষণ নিতে চান, তখনই সে বিষয়ক এপার্টদের কাছ থেকে প্রশিক্ষণের বিষয়টি ভাবতে পারেন। আমি মনে করি, আইডিয়া ছাড়া প্রশিক্ষণ করা মানে টাকাটাই অপচয় করা! কারণ বেশিরভাগ মানুষ এমনকি আমিও প্রশিক্ষণের প্রথম দিকে প্রয়োজনীয় সাধারণ বিষয়গুলো জানতে পারি না। তাই প্রশিক্ষণের বিষয়ে আগে থেকে বেসিক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। সাইফ

08/09/2015

ইদানিং বাংলাদেশে খুব বেশি মাতামাতি হচ্ছে আউটসোর্সিং (Outsourcing) নিয়ে। রাতারাতি বড়লোক হবার বাহারি ও রকমারি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে মানুষকে আকৃষ্ট করার পায়তারায় মত্ত আছে একটি শ্রেনী। অনলাইনে আয় করার এইসব বাহারি বিজ্ঞাপনে আকৃষ্ট হয়ে প্রতারিতও হচ্ছেন অনেকে। অনেকে আউটসোর্সিং ও অনলাইনে আয় বিষয় দুটোকে একসঙ্গে গুলিয়ে ফেলছেন।

যখন কোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তাঁর নিজের বা প্রতিষ্ঠানের কাজ ইন-হাউজ না করে বাইরের কাউকে দিয়ে করিয়ে নেয় তখন সেটি হচ্ছে আউটসোর্সিং। আর ফ্রিল্যান্সিং (Freelancing) হচ্ছে যখন কোন ব্যক্তি কোন নির্দিষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে কাজ না করে চুক্তিভিত্তিক বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকেন তখন তাঁকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়ে থাকে।

বাংলাদেশে আউটসোর্সিং নিয়ে যে আলোচনা হচ্ছে সেটা মূলত ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে উন্নত বিশ্বের আউটসোর্সিং। ব্যবসায়িকভাবে আউটসোর্সিং সার্ভিসের শিল্পটা এখনো সেভাবে গড়ে ওঠেনি। এটা ঠিক আউটসোর্সিং সার্ভিস দেয় এমন অনেক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আছে এবং দিন দিন এটি বাড়ছে। অনেকের মধ্যে ফ্রিল্যান্সার হিসাবে কাজ শুরু করে উদ্যোক্তা হবার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে, এটি সত্যিই আশা ব্যঞ্জক।
Saifur Rahman

06/09/2015

Just Share it and help your friends to know simple but important information ...
কম্পিউটার কি বোর্ড এর F1 থেকে F12 এর কাজ
কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই বাটন গুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এবং গুরুত্তপূর্ণ ব্যবহার। বিশেষ করে মাউস এর বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায় । চলুন দেখে নিই কি গুলোর প্রয়োগঃ ▬

F1 ▬:সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহিত হয়। যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজ চলে আসে।

F2 ▬:সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ডকুমেন্ট খোলা যায় । Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা হয়।
F3▬: কি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়।Shift+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4▬ :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 :চেপে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়।পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়। এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
F6▬ :চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8▬ :কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালু করার জন্য এই কি টি চাপতে হয়।
F9▬ :কি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়।
F10▬ :কি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11▬ :চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়।
F12▬ :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা হয়....M Saifur Rahman ...Instructor of Computer program ...ধন্যবাদ

01/02/2015

My dear friends, I am giving you a simple but important information for you ....If you share it Somebody will be benefited for you .. কম্পিউটার কি বোর্ড এর F1 থেকে F12 এর কাজ
কম্পিউটার কি বোর্ড এর উপরের দিকের F1 থেকে F12 পর্যন্ত এই বাটন গুলোর প্রত্যেকের রয়েছে আলাদা আলাদা এবং গুরুত্তপূর্ণ ব্যবহার। বিশেষ করে মাউস এর বিকল্প হিসেবে এদের ব্যবহার করা যায় । চলুন দেখে নিই কি গুলোর প্রয়োগঃ ▬

F1 ▬:সাহায্যকারী কি হিসেবেই ব্যবহিত হয়। যখন F1 কি চাপা হয় তখন প্রত্যেক প্রোগ্রামেরই হেল্প পেইজ চলে আসে।

F2 ▬:সাধারণত কোনো ফাইল বা ফোল্ডার Rename করার জন্য ব্যবহার হয়। Alt+Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের নতুন ডকুমেন্ট খোলা যায় । Ctrl+F2 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের প্রিন্ট প্রিভিউ দেখা হয়।
F3▬: কি চাপলে মাইক্রোসফট উইন্ডোজসহ অনেক প্রোগ্রামের সার্চ অপশন চালু হয়।Shift+F3 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের লেখা বড় হাতের থেকে ছোট হাতের বা প্রত্যেক শব্দের প্রথম অক্ষর বড় হাতের বর্ণ দিয়ে শুরু ইত্যাদি কাজ করা হয়।
F4▬ :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের last action performed Repeat করা যায়। Alt+F4 চেপে সক্রিয় সব প্রোগ্রাম বন্ধ করা হয়। Ctrl+F4 চেপে সক্রিয় সব উইন্ডো বন্ধ করা হয়।
F5 :চেপে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ, ইন্টারনেট ব্রাউজার ইত্যাদি Refresh করা হয়।পাওয়ার পয়েন্টের স্লাইড শো আরম্ভ করা হয়। এবং মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের find, replace, go to উইন্ডো খোলা হয়।
F6▬ :চেপে মাউসের কার্সরকে ইন্টারনেট ব্রাউজারের অ্যাড্রেসবারে নিয়ে যাওয়া হয়। Ctrl+Shift+F6 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্টে খোলা অন্য ডকুমেন্টটি সক্রিয় করা হয়।
F7 :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে লেখা বানান ও গ্রামার ঠিক করা হয় এবং মজিলা ফায়ারফক্সের Creat browsing চালু করা হয়। Shift+F7 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডে কোনো নির্বাচিত শব্দের প্রতিশব্দ, বিপরীত শব্দ, শব্দের ধরন ইত্যাদি জানার ডিকশনারি চালু করা হয়।
F8▬ :কি টি অপারেটিং সিস্টেম চালু হওয়ার সময় কাজে লাগে। সাধারণত উইন্ডোজ Safe Mode-এ চালু করার জন্য এই কি টি চাপতে হয়।
F9▬ :কি চেপে Quark 5.0 এর মেজারমেন্ট টুলবার ওপেন করা হয়।
F10▬ :কি চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজার বা কোনো খোলা উইন্ডোর মেনুবার নির্বাচন করা হয়।Shift+F10 চেপে কোনো নির্বাচিত লেখা বা লিংক বা ছবির ওপর মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করার কাজ করা হয়।
F11▬ :চেপে ইন্টারনেট ব্রাউজারের ফুল-স্ক্রিন মোড অন-অফ করা হয়।
F12▬ :চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের Save as উইন্ডো ওপেন করা হয়। Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট সেভ করা হয়। এবং Ctrl+Shift+F12 চেপে মাইক্রোসফট ওয়ার্ড ডকুমেন্ট প্রিন্ট করা হয়/Collected by Saifur rahman

06/12/2014

প্রিয় বন্ধুগন....লাইক শেয়ার না থাকায় আমি আমি আপনাদের অনলাইনে তথ্যাদি দানে উৎসাহ পাচ্ছি না। তবে আজ গুরুত্বপূর্ণ একটি তথ্য দিলাম লাইক, শেয়ার, উৎসাহ আপনাদের কাছে।
ফরেক্স কি?
ফরেক্স অথবা স্পট ফরেক্স হচ্ছে বৈদেশিক মুদ্রার ক্রয়-বিক্রয়। ফরেক্স মার্কেট এ আপনি একটি দেশের কারেন্সি বিক্রয় করে আর একটি দেশের কারেন্সি ক্রয় করতে পারবেন।
উদহারণসরুপ, আমেরিকা বা USA এর কারেন্সি হছে ডলার, ব্রিটেন বা UK এর কারেন্সি হচ্ছে পাউন্ড। ফরেক্স মার্কেট এ আপনি ডলার বিক্রয় করে পাউন্ড অথবা পাউন্ড বিক্রয় করে ডলার কিনতে পারেন। ডলার অথবা পাউন্ড ব্যাতিতও আর বিভিন্ন দেশের কারেন্সি আছে যা ফরেক্স মার্কেট এ আপনি ক্রয়-বিক্রয় করতে পারেন।

কিভাবে ফরেক্স মার্কেট থেকে আয় করা সম্ভব?
বিভিন্ন দেশের মুদ্রা সর্বদায় পরিবরতনশিল। আপনি পত্রিকায় দেখে থাকবেন যে কখনও কখনও ডলার টাকার বিপরীতে শক্তিশালী হচ্ছে, আবার কখনও টাকা ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হচ্চে। এরকম পৃথিবীর অধিকাংশ মুদ্রার বিপরিতেই হয়। সুতরাং, আপনার যদি ডলার কেনা থাকে, ডলারের বিপরীতে ইউরো এর দাম পরে গেলে আপনি ডলার বিক্রয় করে ইউরো কিনে রাখতে পারেন। আবার, ইউরো ডলার এর বিপরীতে শক্তিশালী হলে, ইউরো বিক্রয় করে অধিক ডলার পেতে পারেন।

হয়ত আপনার কাছে ১০০ ডলার ছিলো যা বিক্রয় করে আপনি ৮০ ইউরো ক্রয় করেছিলেন। পরবর্তীতে ইউরোর দাম বাড়ার পর তা বিক্রয় করে ১২০ ডলার পেলেন। এভাবে আপনি আয় করতে পারেন। শেয়ার মার্কেট এ শুধু শেয়ার এর দাম বাড়লেই (buy) আমরা প্রফিট করতে পারি। কিন্তু ফরেক্স মার্কেট এ, কোন কারেন্সি শক্তিশালী অথবা দুর্বল হক, দুই ক্ষেত্রেই আমাদের প্রফিট করার সুযোগ আছে যেটা ফরেক্স মার্কেটের সবচেয়ে বড় সুবিধা।

আমি কিভাবে ডলার অথবা অন্যান্য মুদ্রা ক্রয়-বিক্রয় করব?

ফরেক্স ট্রেড করতে হলে সর্বপ্রথম আপনাকে কোনো একটি ফরেক্স ব্রোকারের সাথে অ্যাকাউন্ট ওপেন করতে হবে ও তাতে ডিপোজিট করতে হবে। অ্যাকাউন্ট খুব সহজেই ২ মিনিটে অনলাইনে ওপেন করা যায়। আপনি বিভিন্ন অনলাইন মুদ্রা যেমন পেপাল, অ্যালার্ট পে, লিবার্টি রিজার্ভ ইত্যাদি দিয়ে তাৎক্ষণিক আপনার আকাউন্টে ডিপোজিট করতে পারেন ও ফরেক্স ট্রেড করা শুরু করতে পারেন।

তবে সাধারনত অধিকাংশ মানুষই ব্যাংক এর মাধ্যমে ফরেক্স ব্রোকারদের সাথে ডিপোজিট করে। সেক্ষেত্রে, অ্যাকাউন্ট ওপেনিং এর পরে, আপনি আপনার ব্রোকারের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নাম্বার এবং ব্যাংক ডিপোজিটের বিস্তারিত তথ্য পাবেন।

আপনার অ্যাকাউন্টে ডিপোজিট সম্পন্ন হলে আপনি ট্রেড করা শুরু করতে পারবেন। ফরেক্স ট্রেডিং অনলাইনে সফটওয়ারের মাধ্যমে করতে হয়। এই সফটওয়ার আপনি বিনামূল্যে আপনার ব্রোকারের ওয়েবসাইট থেকে ডাউনলোড করতে পারবেন। সফটওয়ারটি ইন্সটল করে ব্রোকার প্রদত্ত ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড দিয়ে তাতে সাইন ইন করলেই বিভিন্ন পেয়ারের চার্ট ও মূল্যতালিকা লোড হবে এবং আপনি আপনার ট্রেড ওপেন/ক্লোজ করতে পারবেন।

03/12/2014

টুইটারের আরেকটি মজার ব্যাপার হচ্ছে, আপনার যদি প্রচুর সংখ্যক ফলোয়ার বা অনুসারী থাকে, তাহলে আপনি টুইটার থেকে টাকা আয়েরও ব্যবস্থা করতে পারবেন। অবশ্য কাজটি মোটেই সহজ নয়। শুধু ফলোয়ার থাকলেই হবে না, আপনার থাকতে হবে হিউম্যান ফলোয়ার। অর্থাৎ, বট ফলোয়ার থাকলে আপনি বিভিন্ন ওয়েবসাইটে টুইটার থেকে টাকা আয়ের উদ্দেশ্যে সাইন আপ করতে পারবেন ঠিকই, তবে টাকা তেমন একটা আসবে না। কেননা, বট আপনার লিংকে ক্লিক করলেও সে রেজিস্ট্রেশন করবে না।

যাই হোক, আসুন জেনে নিই ৪টি ওয়েবসাইটের কথা যারা আপনাকে আপনার টুইটার একাউন্ট থেকে টাকা আয়ের ব্যবস্থা করে দিতে পারে।

Sponsored Tweets

পাঠকদের মধ্যে কেউ যদি IZEA Inc. এর নাম শুনে থাকেন, তাহলে বুঝতেই পারবেন স্পনসর্ড টুইটস কোম্পানিটির অবস্থান। আইজিয়া ইনকর্পোরেটেড অনলাইনে আয়ের ক্ষেত্রে একটি বিশাল মার্কেট ধরে রেখেছে। বেশ কয়েকটি সমৃদ্ধ মার্কেটপ্লেসও রয়েছে এদের। তাই প্রথম যখন আইজিয়া কর্তৃক sponsored tweets এর ঘোষণা দেয়া হয়, তখন মোটামুটি নাড়া পড়ে যায় ইন্টারনেট জগতে।

স্পনসর্ড টুইটস প্রতিটি সফল আপডেটের জন্য বরাবর ১ ডলার দিয়ে থাকে। তবে আপনি চাইলে যেকোনো সময় এই দাম কমাতে বা বাড়াতে পারবেন। উল্লেখ্য, দাম কম রাখাই ভালো, কেননা এতে করে বিজ্ঞাপনদাতা বেশি পাওয়া যায়। যখনই কোনো বিজ্ঞাপনদাতা আপনার টুইটার স্ট্রিমে বিজ্ঞাপন দিতে চান, আপনাকে তা ইমেইল করে জানানো হয়। আপনি ইচ্ছেমতো তা গ্রহণ বা বর্জন করতে পারবেন। প্রয়োজনে টুইটারের মেসেজটি নিজে নিজে লিখে নিতে পারবেন।
আপনি কোনো বিজ্ঞাপন গ্রহণ করলে তা দশ থেকে পনেরো মিনিটের মধ্যেই আপডেট হবে এবং আপনার একাউন্টে পরবর্তী চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যেই তার টাকা জমা হবে।

স্পনসর্ড টুইটস আপনাকে পেপালের মাধ্যমে টাকা দিয়ে থাকে। সর্বনিম্ন ৫০ ডলার হলে আপনি টাকা তুলতে পারবেন। এছাড়াও অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের সুবিধাতো রয়েছেই।

ad.ly

ad.ly হঠাৎ করেই বেশ নাড়া ফেলে দিয়েছে ইন্টারনেট জগতে। এটি প্রায় নতুন একটি টুইটার অ্যাডভার্টাইজিং কোম্পানি। এদের কনসেপ্টও কিছুটা ভিন্ন। এরা আপনাকে সপ্তাহব্যাপী ক্যামপেইন অফার করবে। অর্থাৎ, টানা এক সপ্তাহের জন্য আপনি টাকা পেয়ে যাবেন যার বিনিময়ে প্রতিদিন আপনার একাউন্ট থেকে একটি করে স্ট্যাটাস আপডেট করা হবে। এক্ষেত্রে সপ্তাহব্যাপী ক্যামপেইনের জন্য কত টাকা নিবেন তা আপনাকেই নির্ধারণ করতে হবে। তবে ভয়ের কোনো কারণ নেই। আপনি যদি বুঝতে না পারেন কত টাকা অফার করা উচিৎ, ad.ly আপনাকে সাহায্য করবে।

ad.ly-এ রেজিস্ট্রেশন করে আপনাকে সুযোগ এর জন্য অপেক্ষা করতে হবে। সাধারণত প্রচুর সংখ্যক সক্রিয় ফলোয়ার না থাকলে এই কোম্পানি থেকে বিজ্ঞাপনদাতা পাওয়া যায় না। যদি আপনি পেয়ে যান, সেক্ষেত্রে আপনি তা গ্রহণ করতে পারবেন। গ্রহণ করার সময়ই আপনাকে নির্ধারণ করে দিতে হবে উইকলি ক্যামপেইনে আপনি কত দাবি করবেন। সেই মূল্য বিজ্ঞাপনদাতার কাছে যাবে এবং তারা যদি সম্মতি দেন, তাহলেই আপনার টুইটার একাউন্টে টানা ৭ দিন প্রতিদিন একটি করে স্পনসর্ড টুইট আপডেট হতে থাকবে।
ad.ly এর ওয়েবসাইট ঘেঁটে কত টাকা আয় হলে তা উঠানো যায় এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে পেপালের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করে থাকে কোম্পানিটি।

be-a-magpie

be-a-magpieসাইটে রেজিস্ট্রেশন করার পর আপনার একাউন্টের অ্যাকসেস দিয়ে দিতে হবে এই সাইটটিকে। একসেস না দিলেও চলবে তবে একসেস দিয়ে দেয়াটাই ভালো। এর ফলে আপনাকে যখনই কোনো বিজ্ঞাপনদাতা sponsored tweet দিতে আগ্রহী হবে, তখনই বি-এ-ম্যাগপাই এটিকে লাইনে দাঁড় করিয়ে দিবে এবং সময়মতো আপডেট করে দিবে। উল্লেখ্য, আপনি চাইলে অবশ্যই প্রতিটি স্পনসর্ড টুইট আপডেট হওয়ার আগে দেখে নিতে পারবেন। এছাড়াও কতটি টুইটের বিপরীতে একটি করে স্পনসর্ড টুইট আপডেট হবে, তাও সিলেক্ট করে দিতে পারবেন আপনি। ন্যূনতম ৫টি আপডেট/১টি স্পনসর্ড টুইট হচ্ছে ratio।
বি-এ-ম্যাগপাই-এ তিন ধরনের স্পনসর্ড টুইট থাকে। পে-পার-ভিউ, পে-পার-ক্লিক এবং পে-পার-অ্যাকশন। নাম শুনেই নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন কোন ধরনের টুইটের কী কাজ। আপনি এগুলোর যেকোনো একটি সিলেক্ট করে রাখতে পারেন অথবা সবগুলোকেই allow করে রাখতে পারেন। পছন্দ আপনার। বি-এ-ম্যাগপাই আপনাকে পেপালের মাধ্যমে টাকা পরিশোধ করবে। এ জন্য আপনার ন্যূনতম ব্যালেন্স হতে হবে ৫০ ডলার। আপনি আপনার ব্যালেন্স দিয়ে প্রয়োজনে বি-এ-ম্যাগপাই নেটওয়ার্কে অ্যাডভার্টাইজিংয়ের কাজেও লেগে যেতে পারেন। এছাড়াও রেফারাল অপশন তো রয়েছেই। শেয়ার করে অন্যকে জানার সুযোগ দিন ও একটিব থাকুন।

Address

Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Online আউট সোর্সসিং & Computer শিক্ষা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Online আউট সোর্সসিং & Computer শিক্ষা:

Share