বাশু বাংলাদেশ BASHU Bangladesh

বাশু বাংলাদেশ BASHU Bangladesh বানান সংশোধন, গবেষণা ও চর্চা
এবং দেশকে প্রচারে বাশু...

বানান ও দেশ নিয়ে কাজ করে চলেছি আমরা সেই ২০১৫ সাল থেকে। পাশাপাশি নানা সামাজিক কাজ, সচেতনতা আর মানসিকতার পরিবর্তনের চেষ্টাও করে চলেছি সাধ্যমত। দেশ ও দশের নানা গল্প, নেতিবাচক নানা দিক ইতিবাচকে উপস্থাপনসহ সবার অগোচরে থেকে যাওয়া তথ্য ও অজানা বিষয় তুলে ধরাও বাশু'র পথচলার পাথেয়।

Explore BANGLA and BANGLADESH. Join Our Community
------------
বাশু বাংলাদেশ ----
বানান শুদ্ধকারী বা বানান শুদ্ধিকরণ বা বানা

ন শুদ্ধি- এদের সংক্ষিপ্ত রূপ হচ্ছে বাশু আর যেহেতু আমরা কাজ করছি বাংলাদেশে তাই সংগঠনের নাম বাশু বাংলাদেশ। আমরা মূলত একটি বানানভিত্তিক সামাজিক সংগঠন।
বাশু’র মূলভাব বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের চেতনা, একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের মূলমন্ত্র ধারণ, ঠিক বানান, শুদ্ধ টাইপিং, বাংলার গান, ইতিহাস প্রচারণা, বাংলার প্রতিভা পরিবেশন, জনসচেতনতার অনুধাবন, জাগরণবোধ, মানসিকতার পরিবর্তন, বাংলা একাডেমির গ্রহণযোগ্য সংশোধন প্রচার এবং শিক্ষাকে গণ্ডিমুক্ত করার প্রত্যয়ে ২০১৫ সাল থেকেই কাজ করছে বাশু বাংলাদেশ।

হোক বাংলিশ, বাংলা কিংবা ইংলিশ; সেই শব্দকে ঠিকভাবে উপস্থাপনে অনুধাবন করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বাশু'র শব্দযোদ্ধারা। মূলত ৫২র ভাষা আন্দোলনের অনুপ্রেরণা, ৭১এর চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে ধর্মীয় গোঁড়ামি, সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, কথা ও লেখায় অশালীনতা দূরীকরণসহ বাংলাকে সর্বাগ্রে প্রাধান্যদান করে শুদ্ধ টাইপিং, লেখা এবং সঠিক বানানচর্চায় সবাইকে সচেতন করাই "বাশু বাংলাদেশ" এর কাজ।

Office ADDRESS LINK - https://goo.gl/maps/R6tyqjSWFKYBNSKu7

আমি যখন এসএসএসি পরীক্ষা দেই তখন পুরা সিলেটজুড়ে মাত্র ৬৮ জন এপ্লাস পেয়েছিলো সেই ৬৮ জনের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম। এইচএসসিতেও...
19/07/2026

আমি যখন এসএসএসি পরীক্ষা দেই তখন পুরা সিলেটজুড়ে মাত্র ৬৮ জন এপ্লাস পেয়েছিলো সেই ৬৮ জনের মধ্যে আমিও একজন ছিলাম। এইচএসসিতেও হাতে গোণা। যাই হোক, আজকে সিলেটে এপ্লাস পায় লাখের উপর। গোল্ডেনের দৌড়ে এপ্লাসেরই সিট মিলে না, বাকিদের হিসাব ত গোনার বাইরে। হাসিনা সরকার এসে শিক্ষাব্যবস্থার যে বেহাল দশা করেছিলো সেটার শেষ পেরেক ঠুকেছিলো টাকলা নাহিদ! সৃজনশীল নামক আরেক উপদ্রব, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় অমনোযোগী ও অনীহা এবং কোচিং সেন্টার নির্ভর অটোপাস মুখস্ত বিদ্যার ধাপে নিয়ে যায়। যদিও জাফর ইকবাল স্যারের আইডিয়া ছিলো কিন্তু তাকে বাদ দিয়েই সেই চিন্তার বাস্তবায়ন করে পলাতক সরকার। বেচারা!

অন্যদিকে বইয়ের লেখক থেকে শুরু করে পাঠসূচির আমূল পরিবর্তন শিক্ষার্থীদের মনোবল ও দক্ষতাকে গুড়িয়ে দেয়।

আপনি ওদের বইগুলো হাতে নিলে দেখতে পাবেন আমাদের আমলে পড়াশোনায় থাকা চ্যাপ্টারগুলোকে ওলটপালট করে ফেলেছে। বাংলা ১ম পত্রের বইতে আমরা যেসব কবিতা, গল্প, উপন্যাস পড়েছি কিংবা বাংলা ২য় পত্র বইটি হাতে নিলে নতুন বানান ও পাঠসূচির বিষয়বস্তুতে চোখ বুলানোর পর আপনি ওই বইটি ছুড়ে ফেলে দিবেন আমি নিশ্চিত। কারণ বইয়ের লেখকের নামটাও আপনার জানা নেই। এদের হাতে লেখা। পোলাপান নীরঞ্জন অধিকারী স্যারের বইয়ের চেয়ে বেশি পড়ে সিওর সাকসেস! ওরা এক্ষেত্রে মার্কেটিং এ সফল।

এই তো গেলো বাংলা এর কথা। ইংরেজি পড়ানো হচ্ছে স্কুলে, কলেজে, ভর্তি পরীক্ষায় সব খানে পোলাপানকে Parts of Speech, Transformation of English বা Tense ধরেন। দেখেন কী উত্তর দেয়। বায়োলজি বলেন কিংবা ফিজিক্স বা সমাজ অথবা ধর্মশিক্ষা কোনো সাবজেক্টের প্রশ্ন করলে বড়জোর ৫টা প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবে। কারণটা হচ্ছে তারা স্কুলে যা শুনে বা পড়ে বা পড়ানো হয় তা তাদের মগজে ঢুকে না। ঢুকে প্রাইভেট পড়তে গেলে থুক্কু, প্রাইভেটে স্যারের দেওয়া সাজেশনের দাপটে। আদতে প্রাইভেটে পড়ার চেয়ে প্রেমটাই বেশি চলে আরকি!

পরীক্ষার হলে নকল করে, হাতের ব্যান্ডেজ থেকে শুরু করে হলের বেঞ্চ, দেয়াল, টয়লেটের দেয়াল, জুতার ভেতরে, মোজার ভেতরে, পকেটে নকল বা টোকা নিয়ে ঢুকে না হাতেগোণা পাবেন। বন্ধুর দেখে দেখে, স্যারকে জিজ্ঞেস করে বা পুরা এমসিকিউ সবাই মিলে মতামতের ভিত্তিতে পূরণ করে তারপর এপ্লাস আসে। খাতায় কী লিখে সেটা নিজেও কতজন জানে সেটাও একটা প্রশ্ন!

ওদিকে কয়েক লিজেন্ড আছে কোন সাবজেক্ট এর পরীক্ষা সেটাই তারা জানে না। আরেকদল পড়তে পড়তে কী পড়েছে, মুখস্ত করে না বুঝেই শুধু উগড়ে দেয়। ফলে পাস, ১ম স্থান এসব আসলেও বড়জোর ঐ পরীক্ষার সময় পর্যন্ত তা মুখস্ত।

ফলে আমরা যেভাবে ছুটি গল্পের ফটিক বা ফিনাইলের গঠন, কিংবা বায়োলজিতে বুঝে বুঝে পড়েছি। বেশির ভাগই পরীক্ষার আগের রাত বা কোচিং এ আসা প্রশ্নের উত্তর বা শর্ট সাজেশন দিয়েই তারা প্রিপারেশন নিচ্ছে।

নতুন যুগে এখন আর পড়ার বই লাগে না৷ মোবাইলই বই। ইউটিউবই স্কুল আর চ্যাটজিপিটি শিক্ষক। ফলে মা-বাবাদের কাছে গিয়ে ডেকে নিয়ে পড়াশোনা করানোর অভ্যাসটাও দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে।

সবাই যার যার কাজে ব্যস্ত।

স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে কী বলব! বাচ্চাদের ভর্তি পরীক্ষা নাকি বাবা-মায়েরা ভর্তি হবেন সেটাই এখন বড় চিন্তা। ছোট ছোট বাচ্চাগুলোকে লাইব্রেরির ব্যবসা বাড়ানোর ফায়দালুটার একটা উপকরণ হিসেবে কাজে লাগানো হচ্ছে। বইয়ের স্তুপে কাধের ব্যাগ ভার। দিনশেষে ওরা আসলে শিখছেটা কী? আদৌ বাবা মায়ের শ্রম, টাকা ঢালাটা সার্থক হচ্ছে ছেলেমেয়েদের পড়শোনার পেছনে যা ইনভেস্ট তা কি কাজে আসলো?

পোলাপান কথায় কথায় আন্দোলনে নামছে, টিকটকে নষ্টামি করছে, প্রাইভেটে আসক্ত হচ্ছে, মোবাইল-ফেসবুকে গালাগালির, ট্রল মিমস, শিক্ষক বড়দেরকে তোয়াক্কা না করা। কী একটা নেক্সট জেনারেশন রেখে যাচ্ছি আমরা টের কি পাচ্ছি? একদিকে ডিগ্রিধারী অন্যদিকে বিবেকহীন একরোখা ও জেদি। সবাই না কিন্তু বেশিরভাগই এমন।

পরীক্ষার হলে যেতে দেরি হলে তাদের গেট আটকে দেয়! দারোয়ানের এতো পাওয়ার কীভাবে আসে? পরীক্ষার টাইম টেবিল বড় নাকি পরীক্ষা দিতে পারাটা বড়। কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষার হলে ততক্ষণ পর্যন্ত ঢুকতে পারবে যতক্ষণ পরীক্ষা চলবে। দারওয়ান ঢুকতে দিবে না কেন?

আমার বুঝে আসে না, পদত্যাগ বা বরখাস্ত এর দাবি পোলাপান করবে বোর্ডগুলোর চেয়ারম্যান, পরীক্ষার প্রশ্নপত্র তদারকির দায়িত্ব যাদের ছিলো, যারা প্রশ্ন নির্বাচন করবে এবং পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক কমিটির।

ওরা দাবি করছে শিক্ষামন্ত্রীর।

গাছ নষ্ট সেটা দেখে না, ফল নিয়ে পড়ে আছে!

শিক্ষামন্ত্রী কীভাবে জানবে যে প্রশ্ন কী করা হয়েছে। কবের হয়েছে? প্রতিটা ধাপ নিয়ন্ত্রণ করার জন্য বেতনভুক্ত কর্মকর্তা আছে। এদের কাজটা কী?
বোর্ড পরীক্ষার সাথে জড়িত মাথা থেকে শুরু করে তলা পর্যন্ত সবগুলোকে শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
হাসিনা পালিয়েছে, কয়জন নিচু লেভেল বা পরিচালক এর চাকরি গেছে? সব তো ১৬ বছর ধরে বহালরাই বসে আছে। শিক্ষামন্ত্রী পাল্টালেই কী আর না পাল্টালেই কী?

পড়ার বইটাই তো ঠিক না। হাসিনার লেখা কবিতা পড়ে আমার সন্তান মেট্রিক-ইন্টার দিবে? বাংলা ১ম পত্র বইটা হাতে নিয়ে দেখেছেন কেউ?

শিক্ষাব্যবস্থার উন্নতি করতে হলে যা যা করা দরকার-

১) ৯০ দশকের বইগুলো আবার ফিরিয়ে আনা
২) সৃজনশীল পরীক্ষা পদ্ধতি বাতিল করা
৩) ১-৪ পর্যন্ত শিক্ষার্থীদের বইয়ের সংখ্যা কমানো।
৪) যেসব পরীক্ষার্থী নানা ছুতায় পড়াশোনা বাদ দিয়ে আন্দোলন, দাবি এসবে যুক্ত হবে, উস্কানীমূলক বক্তব্য দিবে এদের পরীক্ষার নাম্বার থেকে ২০মার্ক কেটে নেওয়া হবে।
৫) সেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল, প্রধানশিক্ষক, অধ্যক্ষকে শোকজ করা হবে। কারণ তিনি তার শিক্ষার্থীদেরকে মূল্যবোধ শেখাতে ব্যর্থ। তাকে জবাবদিহির আওতায় আনলে শিক্ষার্থীদের রাস্তায় নামা বন্ধ।
৬) পরীক্ষায় দেরিতে আসা শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দিতে পারবে। দারওয়ান গেট আটকে দিতে পারবে না। যে দারওয়ান এই কাজ করবে তাকে শাস্তি দেওয়া হবে।
৭) শিক্ষকরা ক্লাসে কী শেখাচ্ছেন, নৈতিক শিক্ষা, মূল্যবোধ ও মুখস্তবিদ্যা থেকে সরে এসে নান্দনিকভাবে পড়াশোনা শেখাচ্ছেন কি না সেটা নজরদারির আওতায় আনতে হবে।
৮) প্রাইভেট, কোচিং নির্ভরশীলতা কমাতে হবে।
৯) কোন সরকারি শিক্ষক বাসায় নিয়ে কোচিং করাতে পারবে না। যা পড়াবে সেটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শেষ।
১০) কোন ক্লাসে, ২০জনের অধিক পরীক্ষায় ফেল করলে সেই শিক্ষককে জরিমানার আওতায় আনতে হবে।
১১) যার ক্লাসের ৯০ ভাগ শিক্ষার্থী ভালো রেজাল্ট করবে সেই শিক্ষককে বেস্ট টিচার হিসেবে সম্মানীবাড়ানোসহ আখ্যায়িত করা হোক। এতে শিক্ষাদানের মান বেড়ে যাবে।

১২) গ্রাজুয়েট বেকার, বাংলাসহ অন্যান্য অখ্যাত সাবজেক্টের অনার্স মাস্টার্স পাস করা গ্রাজুয়েটদেরকে তাদের গ্রাম, জেলা, উপজেলা, থানা বা ইউনিয়ন ভিত্তিক স্কুলগুলোতে বিসিএস ছাড়াই নিয়োগ দিতে পারলে বেকারত্ব কমবে, শিক্ষক শুন্যপদ পূরণ হবে। কর্মসংস্থানের সুযোগ হবে।

১৩) শিক্ষকদের ট্রেনিং করায় একটা প্রতিষ্ঠান আছে। ওটার কী কাজ আজো জানি না। জানলে সৃজনশীল পরীক্ষার প্রশ্নের মান এতো নিচু কীভাবে হয়? ওটার নজরদারি বাড়ানো ও দক্ষ শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া।

১৪) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে স্মার্ট করতে হবে। ডিভাইজ ভিত্তিক। সরকারি স্কুল, কলেজ, ভার্সিটিতে এটেডেন্স নিতে যে সময় শিক্ষকেরা ব্যয় করেন সেটা প্রতিটা স্কুলে বন্ধ করতে হবে। চেক ইন ও চেক আউট ডিভাইস বসানো উচিত। যেগুলো আমরা প্রাইভেট ভার্সিটিতে দেখি।

১৫) সরকারি স্কুল, কলেজে ফিজিক্স, ক্যামিস্ট্রি ল্যাবের মান এতো নিম্নমানের যে, শিক্ষার্থীরা ২৫ মার্ক ২৫ এ পেলেও তারা জেনে প্রেকটিক্যাল করে এই ফুল মার্ক পাচ্ছে না। সবাই জানে লিখলেই পাস। ফলে ল্যাব থাকা না থাকার কোনো পার্থক্য নেই।

১৬) প্রতিটা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেন্টালকাউন্সিল সেল ও এন্টিডিপ্রেশন কর্নার থাকা উচিত। যেখানে পড়াশোনার চাপ, সুইসাইডের টেন্ডেন্সি ও মেন্টাল, ফিজিক্যাল হ্যাসেনমেন্ট বা ডিপ্রেশনে পড়লে যাতে শিক্ষার্থীরা মানসিক ও শারিরীকভাবে সুস্থ থাকে সে বিষয়ে কাউন্সিলিং নিতে পারবে। এতে ডিপ্রেশন, রিলেশন ব্রেকাপ ও রেজাল্ট এর কারণে সুইসাইড করা কমবে।

১৭) পরীক্ষা খাতা যারা দেখবে এবং যারা প্রশ্ন করবে, ছাপাবে, তদারকি করবে তাদেরকে জবাবদিহি ও কড়া নজরদারির আওতায় আনতে হবে।

১৮) কথায় কথায় যেকোনো ইস্যুতে শিক্ষামন্ত্রীকে এট্যাক বা মিডিয়ার সামনে না এনে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের জবানবন্দি বা মতামত নিতে হবে। তাহলে মানুষ চেইন অফ কমান্ড বা স্তরে স্তরে অফিসার লেভেল আছে সেটা জানতে পারবে। যার যার দায়িত্ব সে সে আপডেট করবে।

শিক্ষার সংস্কার জরুরি।

#বাশু #শিক্ষা_সংস্কার

BANGLADESHI BAND WARFAZE EX GUITARIST RUSSELL ALI IS CO PRODUCER & WRITER OF THE WORLD CUP SONG"SIIR SIIR" Proud of You ...
13/06/2026

BANGLADESHI BAND WARFAZE EX GUITARIST RUSSELL ALI IS CO PRODUCER & WRITER OF THE WORLD CUP SONG"SIIR SIIR"
Proud of You Both! 🇧🇩

নিজের কাছে কতটা যে ভালো লাগছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। গুগল এআই তে আমার বাশুর কথা বলছে। যা আমি কল্পনাও করিনি। বা...
16/05/2026

নিজের কাছে কতটা যে ভালো লাগছে সেটা ভাষায় প্রকাশ করতে পারবো না। গুগল এআই তে আমার বাশুর কথা বলছে। যা আমি কল্পনাও করিনি। বাংলাদেশে একমাত্র আমরাই বলেছি শব্দ সংরক্ষণ মন্ত্রণালয় দরকার।

বানান নিয়ে কাজ করছে বাংলা একাডেমি, শুবাচ, বাবাচ, বানান আন্দোলন কিন্তু কারো নাম উল্লেখ করেনি গুগল বাশুকেই পেলো!
২০১৫ সাল থেকে একা একা লড়াই করে যাচ্ছি...
এসে গেছে অনেকে পাশে থাকেনি, গুরুত্ব দেয়নি বা দিচ্ছেও না।
কিন্তু গুগল, বাংলাপিডিয়া, উইকিপিডিয়াতে ঠিকই বাশু জায়গা পেয়ে যাচ্ছে!

সুবাহান আল্লাহ!

২০২৬ এর অমর একুশে বইমেলাতে শেষ ২ দিনে বাশু'র কার্যক্রম- ক) 'বাংলা পারদর্শী' ২জন বিজয়ী পেলাম। যারা নির্ধারিত সময়ে শুধুই ব...
16/03/2026

২০২৬ এর অমর একুশে বইমেলাতে শেষ ২ দিনে বাশু'র কার্যক্রম-
ক) 'বাংলা পারদর্শী' ২জন বিজয়ী পেলাম। যারা নির্ধারিত সময়ে শুধুই বাংলা বাক্য বলতে পেরেছেন। তাদেরকে আমরা 'বাংলায় পারদর্শী সনদপত্র' প্রদান করব।
খ) বাংলা একাডেমির নানা ব্যানার পোস্টারে বানান ভুল খুঁজে পেলাম।
গ) শেষ দিনে মোড়ক উন্মোচিত বইয়ের লেখকের সাথে আলাপ করলাম।
ঘ) তরুণ কবির প্রকাশিত ১ম বই নিয়ে আলাপ করলাম ও তার আবৃত্তি শুনলাম।
ঙ) বইমেলাতে আগত দর্শনার্থীদের মতামত জানার চেষ্টা করলাম।
চ) ভিন্নরকম স্টলের অনুসন্ধান করলাম এবং তাদের কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত জানলাম।
ছ) আমাদের চোখে পড়া বইমেলাতে থাকা যে বইগুলো আপনি পড়তে পারেন সেগুলো খুঁজে বের করলাম৷

বইমেলা শেষ হয়েছে গতকাল। একদিকে রমজান অন্যদিকে শিলা বৃষ্টির তান্ডবে বইমেলার আমেজ কিছুটা ম্লান ছিলো। তবে শেষ দিনে বইপ্রেমীরা ইফতারের আগে ও পরে বেশ উচ্ছ্বাস নিয়েই বইমেলার এ-স্টল থেকে ও-স্টলে গিয়েছেন। পছন্দের বই কিনেছেন। আমরাও বইমেলার নানা খুটিনাটি তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। শেষ ২দিন ঘুরে বেড়িয়েছি বইমেলাতে৷ চেষ্টা করেছি ভিন্নধর্মী স্টলগুলোর সম্পর্কে জানতে৷ সেসব নিয়েই বিস্তারিত ভিডিওচিত্রও আমরা প্রকাশ করতে থাকব।

ধন্যবাদ Most. Humira Samia Ava এবং Muhaiminul Islam Shamsকে আমাদের পাশে থাকার জন্য।
বাশু- Bangla Language Club,
আপনাদেরকে BASHU Bangladesh Foundation এবং বাশু বাংলাদেশ BASHU Bangladesh এর শব্দযোদ্ধা হিসেবে পেয়ে আমরা আনন্দিত।

#বইমেলা #ঢাকা #বই #লেখক #শাহবাগ #বাশু

২০২৬ সালে এসে একুশে পদক পেলো দেশের অন্যতম দেশাত্মবোধক মিউজিক ব্যান্ড ওয়ারফেজ!Warfaze Oni Hasanসহ আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন...
26/02/2026

২০২৬ সালে এসে একুশে পদক পেলো দেশের অন্যতম দেশাত্মবোধক মিউজিক ব্যান্ড ওয়ারফেজ!
Warfaze Oni Hasanসহ আপনাদের সবাইকে অভিনন্দন!
আমাদের জানামতে বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম কোনো মিউজিক ব্যান্ড একুশে পদক লাভ করলো। ওয়ারফেজ এর প্রতিটি এলবামের গানই ছিলো প্রতিবাদী, দেশাত্মবোধক, দেশ তাদেরকে মূল্যায়ন করলো অবশেষে!
আজ দুপুরে দেশের ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে ‘একুশে পদক-২০২৬’ প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী। তারা হলেন– চলচ্চিত্রে ফরিদা আক্তার ববিতা, চারুকলায় অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার, স্থাপত্যে মেরিনা তাবাসসুম, সংগীতে আইয়ুব বাচ্চু (মরণোত্তর), নৃত্যকলায় অর্থী আহমেদ, নাট্যকলায় ইসলাম উদ্দিন পালাকার, সাংবাদিকতায় শফিক রেহমান, শিক্ষাক্ষেত্রে অধ্যাপক মাহবুবুল আলম মজুমদার এবং ভাস্কর্যে তেজস হালদার যশ। এছাড়া, সংগীতাঙ্গনে অবদানের জন্য জনপ্রিয় ব্যান্ড ওয়ারফেজকে একুশে পদকে ভূষিত করা হয়।

Address

বাশু চর্চা কেন্দ্র, উপশহর প্লাজা, মেইন রোড, ব্লক-ই, উপশহর, সিলেট
Sylhet
3100

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাশু বাংলাদেশ BASHU Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বাশু বাংলাদেশ BASHU Bangladesh:

Shortcuts

Share