The Best Digital Marketer and Expert Va

The Best Digital Marketer and  Expert Va Wc to expert_va_10 best seller & top digital marketing service provider’s profile. Providing quali

29/10/2024
20/10/2024

#স্বামী-স্ত্রী সম্পর্কে রাসূল (সাঃ) এর একটি হাদীস

» রাসূল (সাঃ) বলেন..যখন স্বামী স্ত্রী পরস্পরের সাথে
প্রেম চাহনির বিনিময় করে তখন আল্লাহ পাক উভয়ের দিকে
করুনার দৃষ্টি দেন...

» অতঃপর যখন স্বামী স্ত্রীর হাত ধারন করে তখন তাদের
আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে পাপরাশি ঝরে পড়ে...

» যখন কোন স্ত্রী স্বামীর দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসে তখন
আল্লাহ-তাআলাও তাদের উভয়ের দিকে তাকিয়ে মিষ্টি হাসেন...

গাছে জাম্বুরার স্বাদ নিতে ব্যস্ত কাঠবিড়ালি।
20/10/2024

গাছে জাম্বুরার স্বাদ নিতে ব্যস্ত কাঠবিড়ালি।

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে সকালের যেসব অভ্যাসেঅনেকেরই কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ...
13/05/2024

কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে থাকে সকালের যেসব অভ্যাসে

অনেকেরই কোলেস্টেরলের সমস্যা আছে। শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হৃদরোগ, পেরিফেরাল আর্টারি ডিজিজ, স্ট্রোকসহ নানা অসুখে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়। স্বাভাবিকভাবে কোলেস্টেরল কমাতে চাইলে, আপনার দৈনন্দিন রুটিনে কিছু অভ্যাস পরিবর্তন বা যোগ করতে হবে। এসব অভ্যাস আপনার কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখবে। যেমন-

স্বাস্থ্যকর নাশতা : পুষ্টিকর সকালের নাশতা দিয়ে দিন শুরু করা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। এজন্য দ্রবণীয় ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খান। দ্রবণীয় ফাইবার রক্তে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। আমেরিকান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, প্রতিদিন মাত্র ৫ থেকে ১০ গ্রাম দ্রবণীয় ফাইবার গ্রহণ করলে ৫ শতাংশ খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে। সকালের নাশতায় খাদ্যতালিকায় গোটা শস্য, ওটমিল, ব্রকলি রাখুন।

কমলার রস পান করুন : সকালে এক গ্লাস তাজা কমলার রস পান কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। কমলা ফ্ল্যাভোনয়েড সমৃদ্ধ, যা এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে ভূমিকা রাখে। আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, চার সপ্তাহ ধরে প্রতিদিন ৭৫০ মিলি কমলার রস পান করলে তা উল্লেখযোগ্যভাবে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে পারে।

সকালে হাঁটতে যাওয়া : সকালের ব্যায়াম ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে এবং খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। প্রতিদিন বাড়ির আশেপাশে হাঁটাহাঁটি করুন বা পার্কে জগিং করতে যান। সপ্তাহে কমপক্ষে পাঁচ দিন ৩০ মিনিটের মাঝারি বা তীব্র ব্যায়াম করুন । দ্য আমেরিকান জার্নাল অফ কার্ডিওলজিতে প্রকাশিত একটি গবেষণা অনুসারে, নিয়মিত অ্যারোবিক ব্যায়াম ভালো কোলেস্টেরলের পরিমাণ ৫ শতাংশ পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।

এক কাপ গ্রিন টি : গ্রিন টি ক্যাটেচিন নামক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ, যা এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। কফির পরিবর্তে এক কাপ গ্রিন টি দিয়ে সকাল শুরু করুন। আমেরিকান ডায়েটিক অ্যাসোসিয়েশনের জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, নিয়মিত গ্রিন টি পান করা এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

সকালের নাশতায় ফ্ল্যাক্সসিড যোগ করুন: ফ্ল্যাক্সসিড ওমেগা- থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড এবং ফাইবার সমৃদ্ধ। এই দুটি উপাদানই কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। সকালের নাশতায় যেকোন উপায়ে ফ্ল্যাক্সসিড যোগ করুন। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, তিন মাস ধরে প্রতিদিন ৩০ গ্রাম ফ্ল্যাক্সসিড খেলে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে।

মেডিটেশন করুন : সকালে মেডিটেশনের অভ্যাস মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে। এর ফলে রক্তে এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে আসে। সকালে অন্তত ১০ মিনিট নিঃশ্বাসের ব্যায়াম করুন। সাইকোসোম্যাটিক মেডিসিনে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, মাইন্ডফুলনেস মেডিটেশন অনুশীলন করা এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে।

বাদাম খান : বাদাম মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট সমৃদ্ধ, যা এইচডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়াতে এবং এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। সকালের নাশতায় এক মুঠো বাদাম যোগ করুন। দ্য আমেরিকান জার্নাল অফ ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, আপনার খাদ্যতালিকায় বাদাম যোগ করলে কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত হতে পারে।

আখরোট খান : সকালের নাশতায় আখরোট যোগ করা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। আখরোট ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা এলডিএল কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করতে পারে। জার্নাল অফ নিউট্রিশনে প্রকাশিত একটি সমীক্ষা অনুসারে, আপনার খাদ্যতালিকায় আখরোট যোগ করা কোলেস্টেরলের মাত্রা উন্নত করতে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কারণ উচ্চ কোলেস্টেরল হৃদরোগ এবং স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলতে পারে। স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম এবং প্রয়োজনে ওষুধের মাধ্যমে আপনার কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করুন।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া

বাস্তবতা
13/05/2024

বাস্তবতা

02/04/2024

এবারের ঈদে কাকে বেশি মিস করবেন?

01/04/2024

ঘুমের আগে মন প্রশান্ত করবেন কীভাবে?

যত ব্যস্ততাই থাকুক, ঘুমের আগে মনকে প্রশান্ত করে নিন। জেনে নেওয়া যাক ঘুমের আগে মনকে প্রশান্ত করার কিছু উপায়।

১. আগামী দিনের কাজের তালিকা করে রাখুন আগেই

২. দূরে থাক ভাবনার খোরাক

৩. চিন্তার সমাধান

৪. পেশিগুলো শিথিল হতে দিন

৫. ধ্যান করুন, কিংবা প্রার্থনা

৬. নিজের সঙ্গে জবরদস্তি নয়

সূত্র: ওয়েবএমডি

13/03/2024

গোপন স্থানে চুলকানি হলে করণীয়

পুরুষের নিম্নাঙ্গের নানা স্থানে বিভিন্ন সময় তীব্র চুলকানি দেখা দেয়। এটি খেলাধুলা, কর্মক্ষেত্রে, সামাজিক অনুষ্ঠানের মাঝে এমনকি পরিবারের সকলের সামনেও হতে পারে। যা খুবই বিরক্তিকর ও অনেক সময় এই সমস্যা নিয়ে ভোগান্তিও পোহাতে হয়। এর পেছনে কোনো নির্দিষ্ট
জীবাণু দায়ী বলে মনে করা হয়। এ ছাড়া আরও কিছু কারণও রয়েছে। ব্যাকটেরিয়া ছাড়াও আরও যেসব কারণসমূহকে দায়ী করা হয় তাহলো-

- ছত্রাকের আক্রমণ
- ট্রাইকোমোনিয়াসিস প্যারাসাইট-এর আক্রমণ
- এ ছাড়াও যৌনাঙ্গে উকুন, খোসপাঁচড়া ও মাইকোপ্লাজমা জেনেটালিয়ামের সংক্রমণ হলে নিম্নাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
- কিছু যৌনরোগ যেমন সিফিলিস, গনোরিয়া, এইডস ইত্যাদির কারণে যৌনাঙ্গে চুলকানি হতে পারে।
- বিভিন্ন বিরক্তিকর পদার্থ যেমন কোনো কোনো ডিটারজেন্ট, কেমিক্যাল, সুগন্ধিযুক্ত সাবান, রঙ ওয়ালা টিস্যুপেপার, ফেমিনিন হাইজেনিক স্প্রে, ডুশ ইত্যাদি ব্যবহার করলেও চুলকানি হতে পারে।
- ডায়াবেটিস, রেনাল ডিজিজ, একজিমা ও রক্তে কোনো রোগ থাকলে ও অন্যান্য কোনো রোগ থাকলেও যৌনাঙ্গে চুলকানি হয়।
- আঁটো পোশাক ও যৌনাঙ্গ সবসময় গরম ও আর্দ্র রাখলে।
- অপরিষ্কার থাকলে।

প্রতিকার
- ছত্রাকের বা ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে, চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে এন্টিফাংগাল বা অ্যান্টিবায়োটিক ড্রাগস খেতে হয়। এ ছাড়া অন্যান্য ক্ষেত্রে কারণ নির্ণয় করে সে অনুযায়ী সমাধান করতে হবে। এ ছাড়া প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যেন তা আর না হয়।

প্রতিরোধের উপায়
- সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখবেন। রঙিন ও বেশি সুগন্ধিযুক্ত টয়লেট টিস্যু ও সাবান ব্যবহার করবেন না।
- প্রয়োজন ছাড়া ফেমিনিন হাইজিন স্প্রে ও ডুশ ব্যবহার করবেন না।
- ভেজা কাপড় পরে বেশিক্ষণ থাকবেন না। গোসল বা ব্যায়ামের পর যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভেজা কাপড়টি পাল্টে নেবেন।
- সুইমিং পুলে সাঁতার কাটেন তাদের ক্লোরিনের কারণেও চুলকানি হতে পারে।
- দই খান, এতে ল্যাকটোব্যাসিলাস নামক উপকারী ব্যাকটেরিয়া থাকে।
- সুতির কাপড় দিয়ে তৈরি অন্তর্বাস পরুন।
- ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
- ওজন কমান।
- নিয়মিত গোসল করুন।

অন্তর্বাস নিয়মিত রোদে শুকাতে হবে, যাতে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হয়।
যারা এই সমস্যায় প্রতিনিয়ত ভুগে থাকেন তাদেরকে অবশ্যই চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ দেখাতে হবে এবং অনেক সময় বিভ্রান্তকর পরিস্থিতি এড়াতে এর স্থায়ী সমস্যার সমাধান করা উচিত।

05/03/2024

দেখি কে কে পারেন???

"যার সঙ্গী মোমবাতি আর খাবার"।

উত্তর কি?

 #জরায়ুমুখ_ক্যানসারের_লক্ষণগুলো_জেনে_রাখুনটিউমার দুধরনের- বিনাইন বা সিস্ট টিউমার ও ম্যালিগন্যান্ট বা দুষ্ট টিউমার। ম্যা...
28/11/2023

#জরায়ুমুখ_ক্যানসারের_লক্ষণগুলো_জেনে_রাখুন

টিউমার দুধরনের- বিনাইন বা সিস্ট টিউমার ও ম্যালিগন্যান্ট বা দুষ্ট টিউমার। ম্যালিগন্যান্ট টিউমারই হলো ক্যানসার। জরায়ুমুখের দুষ্ট টিউমারটির নাম জরায়ুমুখের ক্যানসার। এই ক্যানসার নির্ণয়ে আপনার নিকটস্থ সরকারি স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে বিনামূল্যে পরীক্ষা করিয়ে নিন।

ক্যানসারের সম্ভাব্য কারণ : ১৮ বছর বয়সের নিচে বিয়ে বা যৌনমিলন, বহুজনের সঙ্গে মিলন বা গণিকাবৃত্তি, অপরিচ্ছন্ন জননেন্দ্রীয়, জননেন্দ্রীয়ের সংক্রামক রোগ, যেমনÑ হারপিস সিমপ্লেক্স ভাইরাস টাইপ২ ও হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাস, ২০ বছর বয়সের নিচে গর্ভধারণ ও মা হওয়া, ধূমপান ও নিম্ন আর্থ-সামাজিক অবস্থা।

রোগের লক্ষণ : অনিয়মিত রক্তস্রাব, ঋতু বন্ধের এক বছর পরও রক্তস্রাব, যৌনসঙ্গমের পর রক্তস্রাব, যোনিপথে অধিক পরিমাণ বাদামি বা রক্তমাখা স্রাব ও দুর্গন্ধযুক্ত সাদা স্রাব। এসব লক্ষণের কোনোটিই ক্যানসার নিশ্চিতকরণের চিহ্ন নয়, তবে এসব চিহ্ন দেখে রোগটা কোন ধরনের বোঝা যায়।

চিকিৎসা : ক্যানসারের আগের স্তরের শুরুতেই যথাযথ চিকিৎসার মাধ্যমে রোগীকে পুরোপুরি সুস্থ করে তোলা যায়। আগের স্তরে জরায়ুমুখের অস্বাভাবিক ও অনিয়ন্ত্রিত কোষ বিভাজনের চিকিৎসা করা হয় ক্রাইওথেরাপির মাধ্যমে। এ সময় প্রচণ্ড ঠাণ্ডা প্রয়োগ করে আক্রান্ত কোষকলা ধ্বংস করে দেওয়া হয়। বৈদ্যুতিক প্রবাহের মাধ্যমেও প্রচণ্ড উত্তাপ সৃষ্টি করে আক্রান্ত কোষকলা ধ্বংস করা যায়। চিকিৎসার এ প্রক্রিয়ায় রোগীর সন্তান ধারণক্ষমতা অটুট থাকে।

সার্জারি : ক্যানসার উৎপত্তিস্থলে সীমাবদ্ধ থাকলে সার্জারি করে জরায়ু অপসারণ করা হয়। এ পদ্ধতিকে হিস্টারেক্টমি বলা হয়। কখনো কখনো যোনিপথের উপরের অংশ এবং কাছের কোষকলা এবং লসিকাগ্রন্থি অপসারণ করা হয়, যাতে ক্যানসারে আক্রান্ত কোষ দূরবর্তী স্থানে ছড়িয়ে না পড়ে।

রেডিয়েশন থেরাপি : এ পদ্ধতিতে বিকিরণের মাধ্যমে ক্যানসারে আক্রান্ত কোষের ধ্বংস বা ক্ষতিসাধন করা হয়। অনেক সময় এ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রয়োগ করা হয় টিউমারের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ বা ব্যথা কমাতে। যখন ক্যানসার আক্রান্ত সব কোষ সার্জারির মাধ্যমে অপসারণ করা যায় না, তখন সার্জারির পরে আবার রেডিয়েশন দেওয়া হয়।

চিকিৎসা-পরবর্তী করণীয় : সার্জারি বা রেডিয়েশন থেরাপির পর রোগীকে নির্দিষ্ট সময় পরপর পরীক্ষা করাতে হয়। যৌনমিলন থেকে কিছুদিন বিরত থাকতে হয়। সব নিয়ম-কানুন যথাযথভাবে মেনে চললে চিকিৎসার দু-তিন মাসের মধ্যে রোগী স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারেন।

প্রতিরোধ : বিবাহিত বা যৌনজীবনে প্রবেশ করা প্রত্যেক নারীকে অবশ্যই প্রতি তিন বছরে একবার শারীরিক কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে হয়। এ রোগের উপসর্গগুলো, যেমনÑ মাসিক অবস্থায় বা ঋতু বন্ধের পর অস্বাভাবিক রক্তস্রাব, স্রাব ইত্যাদি দেখলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। এভাবে প্রত্যেক নারী যদি নিজের শরীর ও স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন হন, তবে জরায়ুমুখ ক্যানসারে কোনো নারীকেই আর চরম মূল্য দিতে হবে না। ক্যানসারের সার্বিক প্রতিরোধ, সঠিক রোগ নির্ণয় ও উপযুক্ত চিকিৎসা পদ্ধতি গ্রহণ করে এই ব্যাধি নিয়ন্ত্রণ করা যায়।

Address

Sitakund
4203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Best Digital Marketer and Expert Va posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Best Digital Marketer and Expert Va:

Share