22/08/2023
দেওয়ানী মোকদ্দমায় প্রমাণের দায়ভার!
দেওয়ানী মোকদ্দমায় বাদী - বিবাদী উভয়পক্ষকেই তাদের দাবি প্রমাণ করতে হবে। বাদী যদি কোন দাবি ত্যাগ করেন তাহলে এক্ষেত্রে বিবাদীকে উক্ত দাবি সম্পর্কে কিছুই প্রমাণ করতে হয় না। আবার বিবাদী যদি বাদীর কোন দাবি স্বীকার করেন নেন তাহলে যে বিষয় বা বস্তু তিনি স্বকার করে নিয়েছেন সেই বিষয় বা বস্তুতে বিবাদী তার অধিকার হারাবেন। এখান দেওয়ানী মোকদ্দমা প্রমাণের দায়ভার থাকে উভয়ের উপর।অর্থাৎ উভয়পক্ষের দাবীর উপর।
তবে সাক্ষ্য আইনের নীতি অনুযায়ী যিনি যা দাবী করবেন তাকে তা প্রমাণ করতে হবে। দেওয়ানী মোকদ্দমায় আদালতের সিদ্ধান্ত দালিলিক সাক্ষ্য প্রমাণের উপর নির্ভর করে। সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারা অনুসারে যখন মোকদ্দমার কোন পক্ষই মোকদ্দমার বিষয় বস্তু প্রমাণ করতে পারছে না তখন যে পক্ষ পরাজিত হওয়ার সম্ভাবনা আছে সেই পক্ষকেই প্রমাণ করতে হবে যে উক্ত বিষয়ে তার অধিকার স্বত্ত্ব আছে। balance of probabilities ফৌজদারি মামলায় প্রমাণের মানদণ্ড হলো beyond reasonable doubt বা সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ। অন্যদিকে দেওয়ানী মোকদ্দমায় হলো standard of proof অর্থাৎ মিথ্যার চেয়ে সত্য বেশী( more probably truth than false)। বাদীর জন্য prima facie case উপস্থাপন করাই যথেষ্ট। বিবাদীর সাক্ষ্য প্রমাণ থেকে বাদী বেশী সাক্ষ্য প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারলেই যথেষ্ট।
দেওয়ানী মোকদ্দমায় প্রায় ৩০ বছরের দলিলের বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।
যা ধারা ৯০ তে উল্লেখ রয়েছে..
যার হেফাজতে ত্রিশ বছরের দলিল থাকার কথা সেই ব্যক্তি বা তার প্রতিনিধি যদি উক্ত দলিল আদালতে হাজীর করেন তাহলে আদালত উক্ত দলিলের হস্তাক্ষর, স্বাক্ষর, প্রত্যয়ন, সম্পাদনের পদ্ধতি সব কিছুই আইনসঙ্গতভাবে হয়েছে বলে অনুমান করে নিবেন। এই ধরনের দলিল অন্যান্য দলিলের ন্যায় সাক্ষী দ্বারা প্রমাণ করতে হয় না
কাইয়ুম সরকার শিক্ষানবিশ আইনজীবী