04/07/2024
নামজারি
কোন জমি কিনলে সেটি নিজের নামে নামজারি করতে হয়। এর মানে হল সরকারি ভূমি অফিসের রেজিস্ট্রারে আপনার নামে জমিটি লিপিবদ্ধ থাকে।
ভূমি মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বাংলাদেশ সরকার প্রতি ১০ বা ১৫ বছর অন্তর ভূমি জরিপের মাধ্যমে ভূমির মালিকানা স্বত্বলিপি অর্থাৎ মৌজা ম্যাপ ও খতিয়ান প্রস্তুত করে থাকে।
জরিপ-পরবর্তী সময়ে যদি কোন জমির মালিকানা পরিবর্তন হয়। যেমন মালিকের মৃত্যুর পর তার উত্তরাধিকার জমি পেলে কিংবা প্রকৃত মালিক বা উত্তরাধিকারীরা জমি কেনা-বেচা করলে বা হস্তান্তর করলে সেই জমির নতুন মালিকানা বা ভূমিস্বত্বের তথ্য হালনাগাদের প্রয়োজন হয়।
এজন্য সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কাছে আগে হাতে-হাতে নামজারি আবেদন করতে হতো।
ভূমির মালিকানা পরিবর্তনের সাথে সাথে সহজে ও দ্রুত নামজারি করার লক্ষ্যে ভূমি মন্ত্রণালয় অনলাইনে নামজারি ফি পরিশোধের ব্যবস্থাসহ ই-নামজারি সিস্টেম চালু করেছে।
এজন্য ভূমি মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে অনলাইন নামজারি সিস্টেমে "অনলাইনে আবেদন করুন" এবং "আবেদন ট্র্যাকিং" নামে দুটি অংশ রয়েছে। বাম পাশে "অনলাইনে আবেদন করুন" অংশের নীচে "নামজারি আবেদনের জন্য ক্লিক করুন" লেখায় ক্লিক করলে আবেদন ফর্ম আসবে। নির্ভুলভাবে সেই ফরম পূরণ এবং প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট সংযুক্ত করে আবেদন জানাতে হবে।
আবেদন দাখিলের সময় আবেদন ফি ২০ টাকা ও নোটিশ জারি ফি ৫০ টাকা- মোট ৭০ টাকা শুধুমাত্র অনলাইনে পরিশোধ করতে হবে। এজন্য নগদ, রকেট, বিকাশ, উপায়, ভিসা কার্ড, মাস্টার্ড কার্ড সহ অন্যান্য ডিজিটাল লেনদেন ব্যবস্থা ব্যবহারের সুযোগ রয়েছে।
নামজারির জন্য আবেদন করা জমিটি আপনি ক্রয়, ওয়ারিশ, হেবা, ডিক্রি, নিলাম, বন্দোবস্ত, অন্যান্য কী সূত্রে পেয়েছেন তা চিহ্নিত করতে হবে।