DotNetBD Infosys

DotNetBD Infosys Computer hardware, Web & software service, Networking

::::::::::  দারুন অফার  ::::::::::মাত্র ২০০ টাকায় পাচ্ছেন ৮ টা প্রিমিয়াম এন্ড্রোয়েড সফটওয়্যার ফুল প্যাকেজ একটি নিলে ৫০ ট...
05/11/2022

:::::::::: দারুন অফার ::::::::::

মাত্র ২০০ টাকায় পাচ্ছেন ৮ টা প্রিমিয়াম এন্ড্রোয়েড সফটওয়্যার ফুল প্যাকেজ
একটি নিলে ৫০ টাকা। একসাথে মাত্র ২০০ টাকা। এই অফার সীমিত সময়ের জন্য

 Android only 
পেমেন্ট মেথডঃ বিকাশ, নগদ,
সবগুলো প্রয়োজনীয় প্রিমিয়াম সফটওয়্যার আপনার নিত্য দিনের নানা কাজে আসতে পারে।তাই দেরি না করে এখনি লুফে নিন!!
ইন্সটলেশন গাইড সহ যে কোন সমস্যা সমাধানের জন্য সাপোর্ট পাবেন ।
যাবতীয় কোন বিষয় বা বিস্তারিত জানতে পেইজ এ ইনবক্স করুন।

#ইউটিউব_প্রিমিয়ামের সাহায্যে আপনি বিজ্ঞাপন-মুক্ত ভিডিও দেখতে পারেন।অন্যান্য অ্যাপ্লিকেশনগুলি ব্যবহার করার সময় বা আপনার স্ক্রিন বন্ধ থাকাকালীন আপনার মোবাইল ডিভাইসে ভিডিওগুলি দেখতে পারেন।

#ট্রুকলার_গোল্ডঃএই সফটওয়্যার টা কল করার কাজে ব্যবহার করা হয়। এতে কোন বিজ্ঞাপন থাকবে না। অপরিচিত নাম্বারের পরিচয় সনাক্ত করা যাবে। নিজের তথ্য গোপন করা যাবে। একসাথে অনেকগুলা নাম্বার ব্লক করা যাবে। কেউ প্রোফাইল দেখেছে নাকি তা চেক করা যাবে। স্প্যাম সুরক্ষা আছে।

#কাইন_মাস্টার প্রিমিয়ামঃ এটা একটা ভিডিও মেকিং সফটওয়্যার। যারা ইউটিউব এবং tiktok এ ভিডিও আপলোড করেন তারা মোবাইল ব্যবহার করে এই সফটওয়্যার এর মাধ্যমে প্রিমিয়াম লেভেলের ভিডিও তৈরি করতে পারবেন। এতে কোনরকম বিজ্ঞাপন আর ওয়াটারমার্ক থাকবে না। ৷ 2K-4k ভিডিও সেভ করতে পারবেন। সব রকম ইফেক্ট এবং হাই কোয়ালিটি ভিডিও আর resources থাকবে।

#ইমু_প্রিমিয়ামঃ এটি একটি সোশ্যাল সফটওয়্যার। এতে পাচ্ছেন এ্যাড ফ্রি প্রিমিয়াম মেম্বারশিপ, ভিজিটর হিস্টোরি চেক, আনলিমিটেড কলার টিউন, এইচ-ডি কোয়ালিটি ভিডিও/অডিও কল, সকল প্রিমিয়াম সুবিধা।

#পিকআর্ট_প্রিমিয়ামঃ এটা একটা পিকচার এডিটিং সফটওয়্যার। এতে হাজারো টেমপ্লেট, ফ্ন্টস স্টিকার এবং টুলস রয়েছে। এক ক্লিকে ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভ করা যায়। Shutterstock সহ লাখ লাখ ছবির স্টক আছে। ওয়াটার মার্ক আর বিজ্ঞাপন নেই।

#এমএক্স_প্লেয়ার_প্রোঃ এটা একটা ভিডিও প্লেয়ার। এতে কোন বিজ্ঞাপন থাকবে না। ম্যাক্সিমাম রেজুলেশন এর ভিডিও দেখা যায়। ব্যাকগ্রাউন্ডে অডিও শোনা যায়।

#ক্যামস্ক্যানার_প্রিমিয়ামঃ এই সফটওয়্যার দিয়ে ডকুমেন্ট স্ক্যানিং করা হয়। ওয়াটার মার্ক ছাড়া ডকুমেন্ট সেভ করা যায়। কোন বিজ্ঞাপন থাকবে না। ইমেজ থেকে টেক্সট এ কনভার্ট করা যায়, ইমেজ থেকে এক্সেলে কনভার্ট করা যায়। একটা বই খুলে দুই পাতার একটা ছবি নিবেন আর দুইটা আলাদা পিডিএফ এ কনভার্ট হয়ে যাবে।

্রোঃ এটা একটা ছবি ও ভিডিও এডিটিং সফটওয়্যার। এতে কোন বিজ্ঞাপন এবং ওয়াটার মার্ক থাকবে না। থাকবে হাজারো ইফেক্ট, স্টিকার।

'InSight' হচ্ছে Robotic Lander টাইপের মহাশূন্যযান, যেটা সরাসরি কোনো মহাজাগতিক বস্তুর পৃষ্ঠদেশে অবতরণ করে। Impact Probe-এ...
28/11/2018

'InSight' হচ্ছে Robotic Lander টাইপের মহাশূন্যযান, যেটা সরাসরি কোনো মহাজাগতিক বস্তুর পৃষ্ঠদেশে অবতরণ করে। Impact Probe-এর সাথে এটার পার্থক্য হচ্ছে, ইম্প্যাক্ট প্রোব সরাসরি গিয়ে মহাজাগতিক বস্তুর পৃষ্ঠদেশে আঘাত করে। ফলে প্রোবটার ক্ষতিসাধন ঘটে কিংবা একেবারে ধ্বংস হয়ে যায়। ল্যান্ডার টাইপের মহাশূন্যযানে এই ব্যাপারটা ঘটে না। এটা অতি সতর্কতার সাথে নিরাপদে ল্যান্ডিং করতে পারে কোনো মহাজাগতিক বস্তুর কঠিন পৃষ্ঠদেশে।
ইনসাইটের পুরো নাম হচ্ছে 'Interior Exploration using Seismic Investigations, Geodesy and Heat Transport'. এর পূর্ববর্তী নাম ছিলো 'GEMS (Geophysical Monitoring Station)'. নাসার সুপারিশে এর ডিজাইনাররা পরে মূল নাম বদলে রাখেন InSight (হয়তো আগের নামটা নাসার কাছে যথেষ্ট পরিমাণে দাঁতভাঙ্গা মনে হয়নি, কে জানে!)।
নাসার 'ডিসকভারি প্রোগ্রাম'-এর আওতায় ২০১১-তে সেরা তিন ফাইনালিস্টের একটা ছিলো ইনসাইট। ডিসকভারি প্রোগ্রাম হচ্ছে নাসার মূল বিগ বাজেট মহাকাশ মিশনের বাইরে কম খরচে সৌরজগতের মাঝে মিশন পরিচালনার একটা প্রোগ্রাম। এই প্রোগ্রামের আওতায় বিশ্বের বিভিন্ন বিজ্ঞানী হতে শুরু করে ভার্সিটির শিক্ষার্থীদের পাঠানো নানা ডিজাইনের উপরে ভিত্তি করে মহাকাশযান তৈরি করা হয়। এই প্রোগ্রামের মাধ্যমেই ২০১১-তে অনুমোদিত হয়েছিলো জেমসের ডিজাইন। পরে নাসার অনুরোধে এটার নাম পালটে জেমস থেকে ইনসাইট রাখা হয়েছিলো। এই যানটা তৈরি করেছে 'লকহিড মার্টিন' কোম্পানি। মূল অনুমোদিত ডিজাইন থেকে অনেক উন্নতিও ঘটিয়েছে এটার ভেতরে লকহিড কোম্পানি।
গত ২৬ নভেম্বর, ২০১৮-তে ইনসাইট ল্যান্ডার নিরাপদে গিয়ে ল্যান্ড করেছে মঙ্গল গ্রহে। ইনসাইট মিশন ২০১৬-তেই বাস্তবায়িত হবার কথা ছিলো। কিন্তু মঙ্গলের উদ্দেশ্যে যাত্রায় শুরুতেই অমঙ্গল ঘটে। ভেতরে কিছু যান্ত্রিক ত্রুটি ধরা পড়ায় সেই সময়ে মিশনটা স্থগিত করা হয়। পরে ২০১৮-এর মে মাসে এসে উৎক্ষেপণ করা হয় মহাশূন্যযানটাকে। মোটামুটি ৬ মাসের যাত্রায় ৪৮৩ মিলিয়ন কিঃমিঃ উড়ে অবশেষে ২৬ নভেম্বরে এটা অবতরণ করেছে মঙ্গল গ্রহে। অবতরণ করার কয়েক ঘণ্টার মাঝেই পৃথিবীতে পাঠিয়েছে মঙ্গলের ছবি (পোস্ট সংযুক্ত ছবিগুলো দ্রষ্টব্য)।
ইনসাইট ল্যান্ডারের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে মঙ্গল গ্রহের অভ্যন্তরভাগ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা। এর Core, Mantle, Crust ইত্যাদির পুরুত্ব ও গঠন নিয়ে গবেষণা করা। এর প্লেটগুলোর গঠন কেমন সেটা নিয়ে গবেষণা করে একটা ম্যাপ তৈরি করা, যেটা থেকে আন্দাজ করা যাবে মঙ্গলের ভূমিকম্প প্রবণ এলাকা কোনগুলো। সৌরজগত গঠনের সময়ে সব গ্রহই একই ধরণের পদার্থ থেকে উদ্ভূত হয়েছিলো। কিন্তু বিলিয়ন বছর সময়ের আবর্তনে একেক গ্রহের পৃষ্ঠদেশ ও অভ্যন্তরভাগ একেক রকমের রাসায়নিক পদার্থের প্রাধান্য দিয়ে স্তরে স্তরে সজ্জিত হয়। এই ব্যাপারটা কীভাবে ঘটে, সেটা পরিষ্কারভাবে বুঝতেও মঙ্গলের অভ্যন্তরভাগের এই গবেষণা কাজে দিবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
আগামী তিন মাস ধরে ইনসাইট পর্যায়ক্রমে তার ভেতর থেকে
প্রয়োজনীয় সব যন্ত্রপাতি খুলে খুলে সাজিয়ে রাখবে মূল অপারেশন শুরু করার জন্যে। এরপরেই শুরু হবে তার গবেষণার কাজ।
আরো জানতে,
১। https://www.space.com/42531-insight-mars-lander-arrives-tod…
২। https://mars.nasa.gov/insight/
৩। https://www.nasa.gov/mission_pages/insight/main/index.html
৪। https://en.wikipedia.org/wiki/InSight
============================================.
লিখেছেন - রিজওয়ানুর রহমান প্রিন্স

23/04/2018

Edit Widget Heading

(Y)
23/04/2018

(Y)

WP Widgets

:)
23/04/2018

:)

How to Login

দারুন অফার !!!!!!!!মাত্র ১৫৫০০ টাকায় (Core i3) নতুন কম্পিউটার মনিটরসহ ১ বছরের ওয়্যারেন্টি ।DotNetBD Infosys দিচ্ছে বছরের...
03/02/2018

দারুন অফার !!!!!!!!
মাত্র ১৫৫০০ টাকায় (Core i3) নতুন কম্পিউটার মনিটরসহ ১ বছরের ওয়্যারেন্টি ।
DotNetBD Infosys দিচ্ছে বছরের সেরা অফার 🤗
--------------------------------------------------------
DotNetBD Infosys (15,500/= টাকা )
+880 1919 368638
+880 1783 988554
--------------------------------------------------------
🔧 কনফিগারেশন :
Motherboard - G61 Intel Chipset
Processor - Intel Core i3 2.80 GHz or Up
Hard Disk - 250 GB SATA
RAM - 2GB DDR 3, 1333 MHz
Casing - ATX Gaming
Power Supply - 500 WATT
Graphics Card - 512 MB Built in
Keyboard - USB Optical
Mouse - USB Optical
Monitor - 17” LED
(1 Year Warranty)

S.S.C, দাখিল ও ভকেশনাল পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা
01/02/2018

S.S.C, দাখিল ও ভকেশনাল পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভ কামনা

22/10/2017

.
::::::::::::::::পেশা হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং::::::::::::::::

অনেকেই ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে অনেক প্রশ্ন করেন অনেকে হাহা দেন, আবার অনেকে লাখ লাখ টাকা কামাই করতেছেন, শুরুতেই বলে দেই লাখ লাখ টাকা আয় করতে পারেন ২-৩ বছর এর রাত দিনের সাধনার মাধ্যমে, এই সাধনা কেমন সাধনা সেটা আমরা জানি।
এখন কিছু সেক্টর নিয়ে আলোচনা করি সফল হবার! যদি লেগে থাকেন আর কি! :)
পেশা হিসেবে ফ্রিল্যান্সিং এর প্রত্যেকটা সেক্টর ভালো!
সহজ থেকে শুরু করি -
১। ইউটিউব ব্লগিং - এটা করে মাসে ২/৩ লাখ টাকাও আনা যায়, কিন্তু আপনাকে জানতে হবে কন্টেন্ট রিসার্স করার ক্ষমতা, জানতে হবে টুকটাক অনেক ধরনের সংবাদ, গল্প, ইতিহাস, ঐতিহ্য, সহ সব ধরনের কিছু, এরপরে জানতে হবে উন্নত মানের ভিডিও এডিটিং, এডিটিং সফটওয়্যার এর জন্য ঐসব ক্যামট্যাসিয়া বা ফিলমরার কাজ আমাদের সস্তা বাংগালি কন্টেন্ট ক্রিয়েটর রা করে, ৪/৫ মাস পরে ব্যান খায় ইউটিউব থেকে, তাই শিখতে হবে এডবি প্রিমিয়ার প্রো দিয়ে ভিডিও এডিটিং।
২। স্যোশাল মিডিয়া মার্কেটিং - সংক্ষেপে SMM এটা আরেকটা জোশ ইনকাম সেকটর মাসে ৬০-৭০ হাজার টাকা ইনকাম অনায়াসে করা যাবে যদি আপনি কাজ পারেন, কি কাজ করতে হবে? ক্লায়েন্ট আপনাকে বলবে তাঁর একটা পোস্টে ১০০০ লাইক এনে দেন, বিনিময়ে তিনি দিবেন ৫০ ডলার! বা কেউ কাজ দিবে ইন্সটাগ্রাম এর লাইক / ফোলোয়ার এনে দেন হিউজ কামাই লাইফটাইম, যত দিন যাচ্ছে তত ডিমান্ড বাড়তেই আছে।
৩। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন - এটাও একটা জনপ্রিয় মাধ্যম, এইটা করে আপনি ওয়েব সাইট কে গুগল পেইজ র‍্যাংকিং এ প্রথম পেইজে আনবেন, একটা ওয়েব সাইট কে ঘিরেই সাধারণত এই কাজ করা হয়, ডিমান্ড কখনো কখনো লাখ টাকার ও থাকে।
৪। গ্রাফিক্স ডিজাইন - লোগো ডিজাইন, ব্যানার ডিজাইন, টিশার্ট ডিজাইন, সহ ৩ডি ডিজাইন, আরো অনেক কিছু করে আজীবন খেতে পারবেন। ইনকাম ও মাসে ৫০ হাজার এর কম না। অনেকে মাসে ৩ লাখ টাকাও আয় করে, ট্রিক্স বুঝতে হবে মার্কেট প্লেস বুঝতে হবে।
৫। ওয়েবডিজাইন - বর্তমানে খালি ওয়েব ডিজাইনের কোনো ভাত নাই, ডিমান্ড ও বেশি হলে পার ওয়েব ডিজাইন এ ৫০০-১৫০০ টাকা।
৬। ওয়েবডেভেলপিং - এটা অনেক পাওয়ারফুল কোডিং এর একটা বিষয়, এই বিষয়ে শিখার শেষ নাই, ওয়েব ডেভেলপিং শিখার জন্য আপনাকে অবশ্যই ভালো ওয়েবডিজাইনার হতে হবে, গ্রাফিক্স ডিজাইনার ও হতে হবে, আপনি ওয়েবডেভেলপার হইলে একসাথে আরো আরো দুইটা হতে পারবেন।
৭। এফিলিয়েট মার্কেটিং - উপরের সব কিছুর সমন্বয়ে হচ্ছে এফিলিয়েট মার্কেটিং এত কিছু আর বলতে ইচ্ছা হচ্ছেনা, এফিলিয়েট মার্কেটার দের মাসিক এস্টিমেট ইনকাম ৫-৭ লাখ টাকা।
এই সব একদিনে জীবনেও হবেনা ৬ মাসেও না, শিখেন এপ্লাই করে, গুগল আছে ইউটিউব আছে ইউডেমি আছে, তাদের থেকে গুরু আর কেউ নাই।

:) শুভ কামনা।

19/02/2017

গুগলের প্রধান নির্বাহী সুন্দর পিচাই। ২৩ বছর পর নিজের ক্যাম্পাস, ভারতের ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজি (আইআইটি) খড়গপুরে পা রেখেছিলেন তিনি। স্মরণ করেছেন তাঁর ছাত্রজীবনের কথা।

আমার মনে আছে, কলেজ ছেড়ে যাওয়ার সময় যখন স্টেশনে দাঁড়িয়ে ছিলাম, খুব মন খারাপ লাগছিল। কী দারুণ চারটা বছর কেটেছে এখানে! এরপর গত ২৩ বছরে আর আসা হয়নি। আজ সত্যিই ভীষণ স্মৃতিকাতর লাগছে।

তখন ভাবিনি, এত বছর পর আবারও ফিরব এই মুক্তমঞ্চে কথা বলার জন্য। হাজারো ছাত্রছাত্রী আমার কথা শুনবে। আমি তো একজন সাধারণ ছাত্রই ছিলাম। আর দশজন ছাত্রের মতোই কখনো কখনো ক্লাস ফাঁকিও দিয়েছি। কলেজে তখন ‘র‌্যাগিং’ সেভাবে ছিল না। কিন্তু আমাদের সময় ‘সিজি চেঞ্জ’ বলে একটা কথা ছিল। এখনো কি আছে? সিজি চেঞ্জ মানে হলো ‘সেন্ট্রাল গ্র্যাভিটি চেঞ্জ’। একবার রুমের দরজায় তালা দিয়ে কোথায় যেন গেছি। ফিরে এসে দরজা খুলেই চমকে গেলাম। জামাকাপড়-বই থেকে শুরু করে টেবিল, খাট—সব কিছুর জায়গা বদলে গেছে! অথচ দরজায় তালা ছিল ঠিকই। আসলে বাইরে থেকে লাঠি দিয়ে ঘরের সব ওলট-পালট করে দেওয়া হয়েছিল। নবাগত ছাত্রদের চমকে দিতে সিনিয়ররা এই কাজ করতেন। এরই নাম দেওয়া হয়েছিল সেন্ট্রাল গ্র্যাভিটি চেঞ্জ।

আমি চেন্নাই থেকে এসেছিলাম। স্কুলে হিন্দি শিখেছি, কিন্তু খুব একটা বলতে পারতাম না। এখানে এসে সহপাঠীদের কথা শুনে একটু একটু করে শিখছিলাম। মনে আছে একবার অপরিচিত এক লোককে আমি ‘আব্বে সালেহ...’ (অ্যাই শালা) বলে ডেকেছিলাম। বন্ধুদের দেখে আমার ধারণা হয়েছিল, এভাবেই বোধ হয় মানুষকে সম্বোধন করতে হয়!

অঞ্জলি ছিল আমার সহপাঠী। এখন যদিও সে আমার স্ত্রী। ক্লাসেই ওর সঙ্গে পরিচয়। তখন এসএন হল ছিল মেয়েদের একমাত্র হোস্টেল। মেয়েদের হোস্টেলে কারও সঙ্গে দেখা করতে যাওয়াটা আরেক বিব্রতকর অভিজ্ঞতা। আমি হয়তো কাউকে ডেকে নিচু গলায় বললাম, ‘অঞ্জলিকে একটু ডেকে দেবেন?’ তিনি ভেতরে গিয়ে চিৎকার করে পুরো হোস্টেল জানান দিতেন, ‘অঞ্জলি, তোমার সঙ্গে দেখা করতে সুন্দর এসেছে।’

আমি জানি না কেন, আজ আমার হলের সেই সরু করিডর থেকে শুরু করে নিজের ছোট্ট কামড়াটাও দেখতে একই রকম লাগল। অথচ সব কত বদলে গেছে। আমি যখন এই ক্যাম্পাসে ছিলাম, তখন গুগল ছিল না। ইন্টারনেটও ছিল না।

গুগলে আমরা চেষ্টা করি এমন কিছু তৈরি করতে, যেটা কোটি কোটি মানুষ প্রতিদিন ব্যবহার করবে। এবং যা তাদের জীবনের কোনো না কোনো সমস্যার সমাধান দেবে। যেকোনো কিছু তৈরি করার সময় এটাই থাকে আমাদের লক্ষ্য। আমরা লক্ষ্যটা এত বড় রাখি যেন দু-একবার ব্যর্থ হওয়াটা স্বাভাবিক মনে হয়। ল্যারি (গুগলের সহপ্রতিষ্ঠাতা ল্যারি পেজ) বলে, ‘যদি তুমি খুব কঠিন কিছু নিয়ে কাজ কর, যা আর কেউ করছে না, চালিয়ে যাও। কারণ তোমার কোনো প্রতিযোগী নেই। তুমি যদি ব্যর্থও হও, নিশ্চয়ই একটা ভালো কিছু পাবে।’

গুগলে আমি ইন্টারভিউ দিয়েছিলাম ২০০৪ সালের পয়লা এপ্রিলে। তখন তারা মাত্রই জিমেইল চালু করেছে। আমি তখনো জিমেইল সম্পর্কে জানতাম না। ইন্টারভিউতে ওরা যখন আমাকে জিমেইল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল, প্রথমে ভেবেছিলাম এটা একটা ‘এপ্রিল ফুল জোক’! মনে আছে ইন্টারভিউয়ের মাঝখানে একজন আমাকে আইসক্রিম খেতে দিয়েছিল। সেদিনই বুঝেছিলাম, এই প্রতিষ্ঠানটা অন্যরকম। এখানে আমি অসাধারণ সব মানুষের সঙ্গে কাজ করি। একটা ঘরে যখন অস্বাভাবিক মেধাবী মানুষেরা তোমাকে ঘিরে থাকবে, তখন একটা সমস্যা হওয়া খুব স্বাভাবিক। আমরা এটাকে বলি ‘ইম্পোস্টার সিনড্রোম’। এসব ক্ষেত্রে মনে হয়, আমি বোধ হয় এই রুমে থাকার যোগ্য না। বিশ্ববিদ্যালয়ে কিংবা ক্লাসরুমে অনেক শিক্ষার্থীরও এ সমস্যা হয়। আমি বলব, অন্যের দিকে মন না দিয়ে নিজের কাজটার প্রতি মনোযোগ দেওয়া উচিত।

সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছু যেমন বদলে যাচ্ছে, তেমনি আমাদের শিক্ষাব্যবস্থা বা পড়ালেখার ধরনটাও নিশ্চয়ই বদলানো উচিত। অভিজ্ঞতা থেকে আমি জানি, এখানে পাঠ্যবইয়ের পেছনে সময় দেওয়াটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাইরের পৃথিবীতে কিন্তু ব্যাপারটা তা নয়। সেখানে কাজের অভিজ্ঞতার গুরুত্ব বেশি। তাই বিভিন্ন ধরনের কাজ করো। ঝুঁকি নাও। খোঁজো, কোন কাজটা তুমি ভালোবাসো। সেটাই মন লাগিয়ে করো। স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির অধিকাংশ ছাত্র তাদের মেজর ঠিক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষে উঠে। কারণ এর আগে পর্যন্ত তারা তাদের আগ্রহের বিষয়টা অনুসন্ধান করে। একাডেমিক পড়ালেখাও গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু ততটা নয়, যতটা গুরুত্ব আমরা দিই। জীবন একটা দীর্ঘ যাত্রা। তাই আমি যা করছি, তা উপভোগ করা খুব জরুরি।

গুগলে আমাদের ৬০ হাজার কর্মী আছেন। এই কর্মীদের মধ্যে ছোট ছোট দল আছে। সেসব দলের নেতা আছেন। পুরো প্রতিষ্ঠানের নেতা হিসেবে আমার কাজ হলো, অন্য নেতাদের সামনে থেকে বাধাগুলো সরিয়ে দেওয়া। তাঁদের বিশ্বাস করা, স্বাধীনতা দেওয়া, তাঁদের সফল করা। আমি বিশ্বাস করি—নেতৃত্ব দেওয়া মানে নিজে সফল হওয়া নয়। বরং এটা নিশ্চিত করা যে আমার সঙ্গে যাঁরা কাজ করছেন, তাঁরা সফল হচ্ছেন।

এখনকার পড়ালেখায় চাপ খুব বেশি। আমার খুব অবাক লাগে, ক্লাস এইট থেকেই নাকি শিক্ষার্থীরা আইআইটিতে ভর্তি হওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে। কিন্তু এটা বুঝতে হবে, পড়ে শেখার চেয়ে করে শেখা জরুরি। ব্যর্থতা কোনো বাধা না। অনেকে বলে, ‘তুমি অমুক কলেজে ভর্তি হতে পারোনি, ব্যাস, তোমার জীবন তো এখানেই শেষ।’ এমনটা কখনোই না। আশা আর স্বপ্ন বাঁচিয়ে রেখে সেটা অনুসরণ করতে পারাটাই বড়।

(সংগৃহীত)
ইংরেজি থেকে অনুবাদ: মো. সাইফুল্লাহ
সূত্র: অনুষ্ঠানের অফিশিয়াল ভিডিও

01/01/2017

Address

214, Asamcolony, Sopura, Chandrima
Rajshahi
6203

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when DotNetBD Infosys posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to DotNetBD Infosys:

Share