Mohammad Zakir

Mohammad Zakir .

Location: Feni ❤️
09/05/2024

Location: Feni ❤️

02/11/2017

ওর সাথে পারিবারিক ভাবেই বিয়েটা হয়েছিলো।
বাসররাতে ওর প্রথম প্রশ্ন ছিলো, কয়টা প্রেম করছেন?
আমি ওর মুখের দিকে তাকিয়ে ছিলাম
অনেকক্ষন।
আবার বলেছিলো, কয়টা প্রেম করছেন?
আমি বলেছিলাম একটাও না!
উওরটা শুনে অনেক খুশি হয়েছিলো।
বলেছিলো,এখন থেকে শুধু আমাকেই
ভালোবাসবেন অন্য কোন মেয়ের দিকে
তাকালে মেরে ফেলবো।
ও আমাকে কতটা ভালোবাসে
বুঝেছিলাম সেই দিন, আমি ওর চাচাতো বোনের সাথে হেসে হেসে কথা বলছিলাম।
ও আমাকে জড়িযে ধরে সে কি
কান্না।
আমাকে বলেছিলো তোমাকে না
বলেছি আর
কারো সাথে কথা বলবে না। আমি
মরে
গেলে ইচ্ছে মত কথা বলো তখন আর
নিষেধ
করবো না!
ওর কান্না দেখে আমি নিজেই
কেদেছিলাম।
ও আমাকে বলেছিলো, আমি নাকি
বাবা
হবো।
কথাটা শুনে যে কি খুশি হয়েছিলাম
বোঝাতে পারবো না!
ওকে কোলে করে সারা পাড়া
ঘুরেছিলাম।
ও আমাকে বলতো রান্না করার সময়
ওকে
পিছন থেকে জড়িয়ে না ধরলে ওর
নাকি
রান্না করতে ইচ্ছে করে না।
আমি ওর সব আবদার হাসি মুখে পুরুন
করতাম।
বড্ড ভালোবাসতাম ওকে।
এখনো বাসি।
ও আমাকে বলেছিলো আমাকে
জড়িয়ে ধরে
না ঘুমালে নাকি ওর ঘুমই আসে না!
সারারাত জড়িযে ধরে থাকতো।
তাই কোথাও রাতে থাকতাম না যত
রাতই
হোক বাসায় আসতাম।
ও যখন ৬ মাসের অন্তঃসন্তা তখন
আমাকে
বলেছিলো, আমাকে ছাড়া তোমার
কেমন
লাগবে গো?
আমি ওর কথা উওর দিতে পারি নি শুধু
কেদেছিলাম।
ও আমাকে প্রায় বলতো, আমার যদি কিছু
হয়ে
যায় তুমি আবার আরেক টা বিয়ে করো
না
যেন!
মরে গিয়েও তোমাকে অন্য কারও হতে
দিবো
না।
আমাকে ভুলে যেও না।
ওর কথা শুনে কাদতাম।
ঘুমানোর সময় আমাকে বলতো, আমাকে
ছাড়া
ঘুমানোর চেষ্টা করো।
বলা তো যায় না।
আমি ওকে আরও শক্ত করে
জড়িযে
ধরতাম।
একদিন ওর ব্যথা উঠলো। সাথে সাথে
ওকে
হাসপাতালে নিয়ে গেলাম।
ও আমাকে বলেছিলো, আমার যদি কিছু
হয়ে
যায় প্লিজ আমাকে ভুলে যেও না!
বড্ড ভালোবাসি তোমাকে।
কথাটা শুনে কান্না ধরে রাখতে
পারি নি।
ওকে বলেছিলাম,কিছু হবে না তোমার
আমি
তো আছি।
কিছু হতে দিবো না।
ও আমাকে বলেছিলো, শেষবারের মত
একবার
বুকে নিবে?
কথাটা বলেই হাউ মাউ করে কেদে
দিয়েছিলো।
আমিও কান্না ধরে রাখতে পারি নি।

আমাকে ছেড়ে দিতে চাইছিলো না
জড়িয়ে
ধরে কাদছিলো।
আমিও কাদছিলাম সবাই হা করে
তাকিয়ে
ছিলো।
নিয়েছিলাম ওকে বুকে কিন্তু এটাই
যে
শেষবার বুঝতে পারি নি। বুঝতে
পারলে
কখনোই ছেড়ে দিতাম না। ও আমাকে
বলছিলো, আমার সাথে তুমিও চলো
আমার খুব
ভয় করছে। ডাক্তারকে কত বার
বলেছিলাম
আমিও ওর পাশে থাকবো।
কিন্তু আমাকে যেতে দিলো না।
O T থেকে একটা বাচ্চার কান্নার
আওয়াজ
শুনলাম।
বাচ্চাকে পেলাম কিন্তু ওকে আর
পেলাম না।
পাগলেন মত ওর কাছে গেলাম,দেখলাম
সাদা
কাপড় দিয়ে ওকে ঢেকে রাখছে।
কাপড়টা সরাতেই অজ্ঞান হয়ে
গেছিলাম।
জ্ঞান ফিরার পর দেখলাম ওকে
খাটনিতে
শুয়ে রাখছে।
ওর কাছে গেলাম,
বলেছিলাম,
এই কই যাও আমাকে ছেড়ে?
আমার রাতে ঘুম হয় না তোমাকে
ছাড়া
জানো না?
তোমাকে না জড়িয়ে ধরে ঘুমালে আমার
ঘুম হয় না
জানো না?
কেন চলে যাচ্ছো?
এই উঠো উঠো অনেক তো ঘুমালা আর কত
ঘুমাবে?
আমার কথা মনে পড়ে নি?
এই তুমি না বলেছিলে আমার চোখের
জল
তুমি সহ্য করতে পারো না!
এই দেখো আমি কাদছি, এই উঠো আরে
উঠো
না।
প্লিজ উঠো।
ও শুনলোই না আমার কথা ঘুমিয়ে
থাকলো!
ওকে যখন নিয়ে যাচ্চিলো আমি
পাগলের মত
আচরন করছিলাম।
তবুও উঠলো না!
চলে গেলো।
ও আমাকে বলতো যে দিন হারিয়ে
যাবো
সেই দিন বোঝবে কতটা ভালোবাসি
তোমাকে।
চলে গেলো, হারিয়ে গেলো।
১০ বছর ধরে তার স্মৃতি বুকে নিয়ে
বেচে
আছি।
ছোট্র মেয়ে বুঝতে শিখেছে, আমাকে
বলে
আব্বু আম্মুর জন্য আর কেদো না তোমাকে
আর
কাদতে দিবো না। বলে চোখের
পানি মুছে
দেয়। আবার চোখ জলে ভরে উঠে আবার
মুছে
দেয়।

05/12/2016

যে কারণে ইঞ্জিনিয়ার বিয়ে করা উচিত!
১. ইঞ্জিনিয়ারদের সাথে ঝগড়া করে আপনি
অপার শান্তি লাভ করবেন। এরা প্রতি উত্তর
দিবে না। কারণ এক কান দিয়ে লেকচার
ঢুকিয়ে অন্য কান দিয়ে বের করতে এরা
বিশেষভাবে পারদর্শী।
২. ইঞ্জিনিয়াররা কমপ্রোমাইজে অভ্যস্ত।
কাল ক্লাস টেস্ট?
-ওকে!
কুইজ আছে? বিশাল ল্যাব রিপোর্ট?
- নো প্রবলেম!
তাই বিয়ের পর আপনি যদি বলেন, আজকে
আমার মামাতো বোনের শ্বশুড়ের ভাগনের বড়
ভাইয়ের প্রতিবেশির ছেলের সুন্নতে খৎনার
দাওয়াত; এরা সানন্দে মেনে নিবে এবং শত
ক্লান্ত হলেও আপনার সাথে বের হবে।
৩. ইঞ্জিনিয়াররা কখনোই আপনার রান্নার খুঁত
ধরবে না। বেচারাগুলো হল এবং
ক্যাফেটেরিয়ার সুস্বাদু (!) খাবার খেয়ে
অভ্যস্ত। আপনার হাতের রান্না যে খেতে
পাচ্ছে এই-ই ঢের!
৪. স্বভাবতই এরা কঠিন হিসাবের মানুষ। কয়টা
ক্লাস মিস দিলে অ্যাটেন্ডেন্স 60% এর উপরে
থাকবে থেকে শুরু করে ফেইল ঠেকাতে আর
কত মার্কসের প্রয়োজন, এমন জটিল জটিল
হিসাব কষে তারা দিন পার করে।
তাই মাসিক ইনকাম যাই হোক না কেন,
সংসার চালাতে আপনার কোনো সমস্যা হবে
না! হিসাবটা যে ঠিকই থাকছে!
৫. এরা কিঞ্চিৎ স্নেহের কাঙাল।
সারাজীবন স্যারদের কাছ থেকে ‘অপদার্থ,
গাধা -গরু -ছাগল, কিচ্ছু পারো না, সব
থেকে বেয়াদব ব্যাচ….’ শুনে অভ্যস্ত। তাই
দুয়েকটি ভালোবাসার কথা শুনলেই এদের
অবস্থা প্রভুভক্তের মতো হয়ে যায়!
৬. সর্বোপরি, ইঞ্জিনিয়াররা সর্বংসহা।
যতোই প্যারা দেন, এরা নিতে পারে।
১৬০-৭০ ক্রেডিটের নরক যন্ত্রণা সহ্য করে বলে
এরা সবই হাসিমুখে সহ্য করতে পারবে।
…এমনকি আপনাকেও!

10/09/2016

জীবনের ৫ টি চরম সত্য :
১) মায়ের মতো আপন কেও হয় না।
২) গরীবের কোন বন্ধু হয় না ।
৩) মানুষ সুন্দর মনকে খোঁজে না সুন্দর
চেহারা খোঁজে ।
৪) সম্মান শুধু টাকার আছে মানুষের
নেই।
৫) মানুষ যাকেই
বেশি ভালবাসে সে বেশি কষ্ট
দেয়।

03/09/2016

আমার হাত ধরে বড় আপু একদিন বলেছিলেন, এত
সুন্দর আঙ্গুল তোর, তোকে আংটি পরাতে
এসে বর অজ্ঞান হয়ে যাবে নিশ্চিত! সেই
আমারই একবার আংটি বদলের দিন সবকিছু ভন্ডুল
হয়ে গিয়েছিল, আংটি আর বদল হয়নি!
আমার যে বান্ধবীটি এতিম, মামাবাড়িতে
থেকে পড়তো, খসখসে হাতের তালু,
খাটো খাটো আঙ্গুল, তার বর তাকে
আংটি পরাতে এসে অজ্ঞান হয়নি ঠিকই,
তবে তাদের পরবর্তী জীবন সুখময় হয়েছে।
আমার এক বন্ধুকে বলেছিলাম, তুমি দেখতে
ভালো। উত্তরে সে বলেছিল, 'It's not my
credit!'
আসলেই, দেখতে ভালো হওয়াটা কারো
কৃতিত্ব হতে পারে না। আমি যে ডক্টরের
কাছে সার্ভিক্যাল রিভ সার্জারি
করিয়েছিলাম তিনি দেখতে সুদর্শন নন।
মোটা, খাটো, ওভারওয়েট একজন মানুষ।
কিন্তু তারই একটু দর্শন পাওয়ার জন্য, তার
হাতে নিজ নিজ ওষুধ কোম্পানির ওষুধের
নামগুলো ধরিয়ে দেয়ার জন্য যে যুবকগুলো
ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করে তারা
প্রত্যেকেই স্যুটেড, বুটেড, সুদর্শন!
পৃথিবীতে এমন একটাও ভালো কাজ নেই,
যার জন্য সুন্দর চেহারা আবশ্যক। ঝকঝকে
চেহারার চেয়ে ঝকঝকে একটা মন জরুরি।
চেহারা হয়তো হাজার চেষ্টাতেও সুন্দর
নাও হতে পারে, মনটা সুন্দর করা সম্ভব,
চাইলেই।
আমার এক সুন্দরী কলিগকে সেদিন দেখলাম
রাস্তার মাঝখানে পড়ে থাকা একটি আস্ত ইট
হাত দিয়ে ধরে রাস্তার পাশে সরিয়ে
রাখতে, পথচারীরা যাতে হোঁচট খেয়ে
পড়ে ব্যথা না পায়। সেদিনের পর ওর
সৌন্দর্য আমার কাছে হাজারগুণ বেড়ে
গেছে!
সুন্দর না হওয়াটা অপরাধ নয়, সুন্দর হওয়াটাও
অপরাধ নয়। অপরাধ হচ্ছে সুন্দরভাবে বাঁচতে না
জানা, মানুষকে ভালোবাসতে না জানা।
তুমি কতটা সুন্দর তার সাক্ষ্য দেবে তোমার
কাজ, তোমার আচরণ। রাগী, বদমেজাজি,
ঝগড়াটে সুদর্শন কারো থেকে মিষ্টি
হাসির কেউ উত্তম নয় কি, যদি তাতে সে
দেখতে সুন্দর নাও হয়?
আমার এক কাজিনের বউ আমার পেছনে
একজনকে বলেছিলেন, হাবীবাহ্ নাসরীনের
চেহারা মোটেই সুন্দর নয়। আমি তাকে
ফিরতি উত্তর পাঠিয়েছি, হাবীবাহ্
নাসরীনদের চেহারার দরকারই পড়ে না

10/05/2016

দুঃখ সবার কাছেই কম-বেশী
থাকে....।
কিন্তু প্রকাশ করার ভাষা
ভিন্ন.....।
কেউ প্রকাশ করে নীরবে............
কেউ বা প্রকাশ করে মৃদ
হাসির
আড়ালে...

30/12/2015

একটা ছেলে
একটি মেয়েকে প্রেমের
প্রস্তাব দিল! কিন্তু গ্রহণ হলো না!"
পরে জানতে
পারলাম,,
ছেলেটা দেখতে কালো! এটাই প্রধান
সমস্যা!! . তারপরে একদিন, এক বড় আপুর
সাথে কথা
হচ্ছিল,,, আপুর পারিবারিক সমস্যা
থাকার জন্য একটা কাজ
খুজছিল,,চাকরির জন্য পরিহ্মা দিয়ে
পাস.... সাহ্মাৎকারের সময় বাতিল!!
কিন্তু, তারচেয়ে
অনেক খারাপ ছাত্রীরা কাজ
পেয়েছে!.....
কারণ তারা
ছিল সুন্দরি,আর বড় আপুটা ছিল কালো।
কালো
বলেই,জগতে যত সমস্যা!! যখন পৃথিবীর
বুকে নতুন
কারো আগমন হয়,,এবং সে যদি দেখতে
কালো বা কুৎসিত হয়, তাহলে জগতের
যত প্রকার
যন্ত্রনা,অন্যায় , অপমান,বিরক্তিকর
কথা শুনতে হয়! .
বিশেষ করে সে যদি মেয়ে হয়,,তাহলে
তে কথাই
নেই। তাকে জন্ম দিয়ে,তার জন্মদাত্রী
মা ও যেন খুশি হতে পারে না!!!
আচ্ছা, কালো বা কুৎসিত মানেই
কি অসুন্দর? আর, সাদা বা ফর্সা মানেই
কি সুন্দর? তাহলে,মাথার "সাদা" চুলকে
কেন ভয় পান? কেন চুলকে
কলপ দিয়ে কালো করেন?? .
কাফনের কাপড় তো
সাদা! সেটাকে কেন এত ভয় করেন??
কেন সেটা থেকে
পালিয়ে বাচার চেষ্টা করেন?? .
আর,কালো মানেই
যদি অসুন্দর হয়, তাহলে আল্লাহ- তা-
আলা কেন
পবিত্র কা'বা শরিফকে কালো কাপড়
দিয়ে ঢাকলেন? .
যখন,,কোন এক ব্যাক্তি, প্রিয় নবি
মুহাম্মদ (সঃ) কে "কালো" কাপড় দিয়ে
বলল,,আপনি
এটা দিয়ে পায়ের জুতা বানিয়ে
নিবেন,,,কিন্তু তিনি
সেটাকে মাথার টুপি বানালেন। .
আপনারা "কালো"
জিরার নাম শুনে থাকবেন, যেটা
দেখতে একদম
কালো। কিন্তু, কালো জিরার
উপকারিতা ও গুনের কথা, কার অজানা?
ইত্যাদি ইত্যাদি শত শত
উদাহরণ দেয়া যাবে। .
কিন্তু কথা তো একটাই,,,সাদা
বা ফর্সা মানেই কি সুন্দর? আর কালো
বা কুৎসিত
মানেই কি অসুন্দর?? আসল কথা
হল,,আমাদের
ভিতরকার মনটাই আসল...!!! .
সৌন্দর্য মানুষের
দেহে থাকে না,,,,সৌন্দর্য থাকে
মানুষের মনে কিন্তু দুর্ভাগ্য এখন প্রায়
সবারই মনটা কালো। সবাই
উপরের সৌন্দর্য দেখে..! কিন্তু,কালো
ছেলে-
মেয়েদের ভিতরও যে সুন্দর একটা মন
আছে, তা কেউ
দেখে না।

11/11/2015

ঝগড়ার পর মধুর সম্পর্ক
সম্পর্কে থাকলে দুজনের মধ্যে ঝগড়া, কথা কাটাকাটি বা তর্ক হতেই পারে। এটি খুব স্বাভাবিক একটি ব্যাপার। কিন্তু সমস্যা তখনই শুরু হয় যখন দুপক্ষ তা ধরে নিয়ে বসে থেকে অনেকটা সময় পার করে দেন। বুকের ভেতর অভিমান জমিয়ে রেখে কষ্ট পেতে থাকেন।এবং এভাবেই দূরত্বের সৃষ্টি হতে থাকে সম্পর্কে। তাই ঝগড়ার পর সম্পর্ক আবার নতুন করে মধুরতা ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতে হবে দুজনকেই। এতে করে দুজনেরপ্রতি স্রদ্ধাও বাড়বে এবং সম্পর্কও হবে দীর্ঘস্থায়ী।

১) ব্যাপারটি মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা যতো ধরে বসে থাকবেন ততোই সম্পর্কে এর খারাপ প্রভাব পড়তে থাকবে তাই ধরে নিয়ে বসে থাকার মনোভাব বাদ দিন। ঝগড়া যে ব্যাপারটি নিয়েই হোক না কেন তা মিটিয়ে ফেলার চেষ্টা করুন সেখানেই।

২) দুজনে যে মধুর সময় একসাথে কাটিয়েছেন তা মনে করুন ঝগড়ার পর মনে হতেই পারে আপনার সঙ্গী আপনাকে একেবারেই ভালোবাসেন না, তার সাথে জড়িয়ে আপনি জীবনে সুখ পেলেন না ইত্যাদি ধরণের কথা। কিন্তু দুজনের এক সাথে কাটানো মধুর স্মৃতি মনে করে দেখুন। এই ধরনের আজেবাজে কথা মাথা থেকে দূর হয়ে যাবে নিমেষেই।

৩) ভুল যারই হোক দুজনেই দুজনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন হতে পারে যেকোনো একজনের জন্য আপনাদের মধ্যে ঝগড়া হচ্ছে অথবা দুজনের ভুলের কারণেই, তাই ভুল যারই হোক না কেন সম্পর্কে পুনরায় মধুরতা আনতে দুজনেই দুজনের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিন। কারণ ভুল যারই হোক না কেন ঝগড়া দুজনেই করেছেন।এতে করে দুজনের মনে দুজনের জন্য নতুন করে ভালোবাসার সৃষ্টি হবে।

৪) জোর করে কিছুই করবেন না, জোরাজুরি করে কোনো কিছুই হয় না এই কথা মনে রাখবেন। যদি সঙ্গী আপনার মতো চিন্তা না করতে পারেন তবে আপনি তাকে জোর করে নিজের মতো করে ভাবতে বাধ্য করতে পারবেন না। তিনি যখন সহজ হবেন তখনই তার সাথে কথা বলে বিষয়টি মিমাংসা করে নিন। নতুবা নতুন করে ঝগড়ার সূচনা হবে।

৫) মনে করুন আপনারা একে অপরকে কতোটা ভালোবাসেন আপনি নিজেও জানেন আপনারা একজন আরেকজনকে কতোটা ভালোবাসেন। তাই সামান্য ঝগড়ার কারণে হুটহাট রাগের মাথায় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলবেন না। এবং সব চাইতে বড় বিষয় ইগো ধরে বসে থাকবেন না। সম্পর্কে ইগো ধরে বসে থাকলে সেই সম্পর্ক সুখের হয় না এবং দীর্ঘস্থায়ীও হয় না। ভুল করলে ক্ষমা চেয়ে নিন। প্রকাশ করুন একে অপরের প্রতি ভালোবাসা।

01/11/2015

হয়তো তোমারই জন্য "
কক্সবাজার
থেকে চট্টগ্রামে ফিরছে তন্ময়।
বাসে উঠে দেখে তার নির্দিষ্ট
সিটে একটি মেয়ে বসে আছে।
-- আপু, এইটাতো মনে হয় আমার সিট??
: জ্বী আসলে আমার একটু
সমস্যা আছে তাই জানালার পাশের
সিটে বসেছি। আপনি আমার সিটে বসুন।
Please.....
-- আচ্ছা ঠিক আছে।
নির্দিষ্ট সময়ে বাস ছেড়ে দেয়।
তন্ময়
কথায় কথায় জানতে পারলো মেয়েটির
নাম মেঘা। চট্টগ্রাম
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএ ২য় বর্ষের
ছাত্রী।
হোস্টেলে থেকে পড়াশুনা করে।
: আপনার পরিচয়টা তো জানা হলো না?
-- আমি তন্ময়। এম বি এ শেষ
করে একটা প্রাইভেট
ফার্মে চাকরী করছি। অফিসের কাজেই
কক্সবাজার আসা।
আর তেমন কথা হলো না তাদের মধ্যে।
একসময় চোখ জোড়া লেগে আসল
তন্ময়ের।
হঠাৎ বাসের ঝাকুনিতে জেগে উঠল
সে। কাঁধের কাছে কারো স্পর্শ
অনুভূতি হলো তার।
তাকিয়ে দেখে তার
কাঁধে মাথা রেখে ঘুমাচ্ছে মেঘা।
ঘুমন্ত মেঘাকে দেখতে খুবই
মায়াবী লাগছে, অদ্ভুদ সুন্দর। তন্ময়
বেশকিছুক্ষন অপলক তাকিয়ে রইল।
হঠাৎ
মেঘা জেগে উঠলে দুজনই অপ্রস্তুত
হয়ে পড়ে। মেঘা অস্ফুট স্বরে বলে, "
সরি "।
বাকী পথে তাদের মধ্যে আর তেমন
কথা। বাস থেকে নেমে বিদায়
নিয়ে দুজনেই নিজের
গন্তব্যে চলে গেল।
বাসায় আসার পর থেকে তন্ময়
একপ্রকার
মোহের মধ্যে পড়ে গেল। তার কল্পনার
চিত্রপটে বারবার মেঘার
মায়াবী চেহারা ভেসে উঠছিলো।
তার খুব ইচ্ছে করে মেঘাকে আরেকবার
দেখার বা একটু কথা বলার। কিন্তু
সে তো আর মেঘার ঠিকানা বা ফোন
নাম্বার জানে না।
এভাবে বেশ কয়েক মাস কেটে যায়।
তন্ময় তার কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।
মেঘার
কথা সে তখনো ভুলতে পারে নি।
একদিন অফিসে ফিরছিল তন্ময়। বাস
থেকে নেমে হাটা শুরু করে।
রাস্তাটা প্রায় জনশুন্য ছিল। কিছুদূর
এগোতেই সে চিৎকার শুনতে পায়।
এগিয়ে গিয়ে দেখে একটা মেয়ে
চিৎকার
করছে!!
-- কি ব্যাপার, এভাবে চিৎকার
করছেন
কেন??
তন্ময়ের
কথা শুনে মেয়েটি ফিরে তাকালো।
এবার তন্ময়ের অবাক হওয়ার পালা।
" আরে এতো মেঘা!!"
-- আপনি? আপনি এখানে কি করছেন?
তন্ময়কে দেখে মেঘাও অবাক হয়ে
বলল,
"
এদিকে আমার এক বান্ধবীর বাসায়
এসেছিলাম। ওখান থেকেই ফিরছি।
কিন্তু একটা ছেলে আমার
ব্যাগটা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে
যায়।"
তন্ময় বুঝতে পারল কি ঘটেছে।
-- আচ্ছা, আমার বাসায় চলুন। এইতো
একটু
পরেই।
: না, না, ঠিক আছে। অন্য আরেকদিন
আসবো।
-- আজকেই চলুন। Please....
কথা বলতে বলতে হাঁটছি দুজন.....
: আপনার বাসায় কে কে আছে?
-- বাবা, মা আর আমি। তা আপনাদের
ফ্যামিলিতে?
: বাবা-মা আর আমরা দুইবোন। আমি বড়।
বাসায় এসে কলিং বেল টিপল তন্ময়।
দরজা খুলে তন্ময়ের
সাথে একটা মেয়েকে দেখে তার
মা অবাক!!
মাকে সব খুলে বলল তন্ময়।
এরপর বেশকিছুক্ষন সবাই গল্প গুজব
করলাম।
: আচ্ছা এবার আমি উঠি।
হোষ্টেলে ফিরতে দেরী হয়ে যাবে।
-- চলুন আপনাকে এগিয়ে দিয়ে আসি।
একটা সিএনজি নিয়ে মেঘাকে
হোষ্টেলে পৌছে দিয়ে আসলাম।
: আচ্ছা চলি, ভালো থাকবেন।
-- আপনিও ভালো থাকবেন। সময় পেলেই
বাসায় আসবেন।
মেঘা চলে যাচ্ছিলো,
কি মনে করো তন্ময় পিছন থেকে ডাক
দিলো।
-- শুনুন, আপনার
নাম্বারটা কি দেয়া যায়?
: হুম, নিন। ০১৮২৬......।
-- ধন্যবাদ। আসি.....।
রাতে খাওয়ার পর মেঘাকে ফোন দেয়
তন্ময়।
-- হ্যালো, চিনতে পারছেন? তন্ময়......
: ও হ্যাঁ!! কি খবর??
এভাবেই শুরু তাদের কথাবলা।
ধীরে ধীরে আপনি থেকে তুমি তে
নেমে আসে তারা।
দুজনের
মধ্যে ভালো একটা বোঝাপোড়া তৈরী
হয়।
যতই দিন যাচ্ছে ততই মেঘার মায়ায়
জালে আটকা পড়ছে তন্ময়।
সে বুঝতে পারে তার মনের একটা অংশ
মেঘার দখলে চলে গেছে।
অবশেষে একদিন
সে মেঘাকে দেখা করতে বললো।
পরদিন বিকাল ৪ টা।
কেএফসিতে বসে আছে দুজন।
-- তো কেমন আছ?
: ভালোই। কি ব্যাপার হঠাৎ জরুরী
তলব?
-- কিছু বলার ছিল।
: হুম বলো......
-- হুমায়ূন স্যারের ভাষ্যমতে,
প্রত্যেকটি মানুষের জীবনে ৫
টি প্রেমের নীলপদ্ম থাকে। আর
যাকে তার ভালোলাগবে তাকেই
সে তার নীলপদ্মগুলো দেয়। তবে
একবার
যদি নীলপদ্মগুলো কাউকে দিয়ে দেয়
তবে সে আর নতুন
করে কাউকে ভলোবাসতে পারে না।
: দারুন তো!! তুমি কাউকে দিয়েছো?
-- আমার
নীলপদ্মগুলো কাউকে দেয়া হয়নি।
: কেন?
এবার তন্ময় চেয়ার
থেকে উঠে দাঁড়ালো।
সাথে আনা প্যাকেট থেকে ৫ টি পদ্ম
ফুল বের করে সেগুলো মেঘার
দিকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল:-
" আমি যদি আমার সবগুলো পদ্ম
তোমাকে দিই, তুমি কি তা গ্রহণ
করে সযত্নে রাখবে?"
মেঘার চোখ জলে ভরে গেল। সেও
এতদিন
ধরে তন্ময়কে ভালোবেসে এসেছে।
সে কান্নাজড়িত আবেগঘন কন্ঠে বলে,
" মৃত্যুর আগ পর্যন্ত এই
পদ্মগুলো আগলে রাখবো।
ভালোবাসি তোমায়, বড্ড
ভালোবাসি।"
এই বলে তন্ময়কে জড়িয়ে ধরলো।
-- আরেকটা কথা পদ্মগুলো যে নীল নয়!!
তাতে কি খুব সমস্যা হবে?
মেঘা কান্নামিশ্রিত
কন্ঠে বলে উঠলো---
" দোহাই তোমার একটুকু চুপ কর,
ভালোবাসিবারে দাও
আমারে অবসরে।।"
মেঘার হাত ধরে বললাম," চলো মায়ের
কাছে। মাকে surprise দিবো।"

26/10/2015

আজ তোমাকে খুব মনে পড়ছে, মনে পড়ছে তোমার
সৃতিগুলো, জানি আমাকে তুমিভুলে গেছো, ভুলে গেছো
তোমার দেওয়া সব কথা,আমিঠিকমনে রাখছি তাই
এখনো তোমার পথ চেয়ে অপেক্ষায় আছি, আমি
তোমাকে অনেক ভালোবাসি বলে আমার ভালোবাসার
মানুষটি ফিরে আসবে বলে সেই আশায়বসে আছি,যদি
কখনো মনে পরে আমায়,তাহলে ফিরে এসো আমি
আছিতোমার প্রতীক্ষায়, জীবনের শেষ নিঃশ্বাস
পর্যন্ত আমিতোমারি হয়ে থাকব,আমিতোমাকে
আমারনিজের জীবনের চেয়ে ভালোবাসি আমার
ভালোবাসা

22/10/2015

ভালবাসা একটা পাখি। যখন খাঁচায়
থাকে তখন মানুষ তাকে মুক্ত করে
দিতে চায়। আর যখন খোলা আকাশে
তাকে ডানা ঝাপটাতে দেখে তখন খাঁচায়
বন্দী করতে চায়।
-----হুমায়ূন আহমেদ

Address

Dhaka
Rajshahi
6250

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mohammad Zakir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share