ذكرى-Ziqra

ذكرى-Ziqra 🎨 Crafting impactful identities. Specializing in Font Logos, Minimalist Design, and unique Calligraphy Logos. Let's build your brand story. ✨

আসসালামু আলাইকুম! আমাদের শপ এ স্বাগতম!! মেয়েদের বিভিন্ন রকম পোশাক যেমন ফ্লোরটাচ, গাউন, থ্রীপিস, খিমার, হিজাব সহ ছেলেদের পাঞ্জাবি, পায়জামা তৈরি করার অর্ডার নেয়া হয় এবং থ্রিপিস, পাঞ্জাবিতে সাধারণ হ্যান্ডপেইন্ট করা হয়, বেটার দেবার চেষ্টা করব ইনশাআল্লাহ!!

13/11/2025

আপনার ব্র্যান্ডের জন্য কি একটি নতুন পরিচয়ের প্রয়োজন? আপনার পছন্দকে মুল্যায়ন করে যুগপযোগি নান্দনিক ডিজাইনের মিনিমাল, স্লিক ফন্ট বা ক্যালিগ্রাফি লগো পেতে ⚡️✨
আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন! 💥💥
আপনার ব্যবসা থাকুক সবার শীর্ষে।👑👑👑

Does your brand need a fresh identity? ✅
To receive a modern, aesthetic Minimalist, Sleek Font, or Calligraphy logo that truly values your choice ⚡️✨
Contact us now! 💥💥
Let your business stand out from the crowd.👑👑👑

📌গাজওয়াতুল হিন্দ : একটি তাত্ত্বিক ও তথ্যবহুল আলোচনারাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতিশ্রুত গাজওয়াতুল...
22/08/2024

📌গাজওয়াতুল হিন্দ : একটি তাত্ত্বিক ও তথ্যবহুল আলোচনা

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতিশ্রুত গাজওয়াতুল হিন্দ কি অতি সন্নিকটে?

আজ আমরা গাজওয়াতুল হিন্দ বা হিন্দুস্তানের মহাযু*দ্ধ নিয়ে কিছুটা আলোকপাত করব ইনশাআল্লাহ। এটা এমনই এক মর্যাদার্পূণ জি*হাদ, যে ব্যাপারে হাদিসে সুস্পষ্ট ফজিলত ও দিক-নির্দেশনা রয়েছে।

গাজওয়াতুল হিন্দ বলতে ইমাম মাহদি এবং ইসা আ.-এর আগমনের কিছু আগে অথবা সমসাময়িক সময়ে এই পাক-ভারত-বাংলাদেশে মুসলিম ও কাফিরদের মধ্যকার সংগঠিত যু*দ্ধকে বুঝায়। ‘গাজওয়া’ অর্থ যু*দ্ধ, আর ‘হিন্দ’ বলতে এই উপমহাদেশ তথা পাক-ভারত-বাংলাদেশসহ শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানকে বুঝায়।

আমরা প্রথমত এসংক্রান্ত কয়েকটি প্রামাণ্য হাদিস উল্লেখ করব। এরপর এর প্রেক্ষাপট, সময় ও অবস্থান র্নিণয় সম্পর্কে কিছু আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

১ নং হাদিস :
حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى الزَّمِنُ، ثنا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ثنا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ بُسْرِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ، عَنْ صُرَيْمٍ السَّكُونِيِّ، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: لَتُقَاتِلُنَّ الْمُشْرِكِينَ، حَتَّى تُقَاتِلَ بَقِيَّتُكُمُ الدَّجَّالَ، عَلَى نَهْرٍ بِالأُرْدُنِّ، أَنْتُمْ شَرْقِيَّهُ وَهُمْ غَرْبِيَّهُ، وَمَا أَدْرِي، أَيْنَ الأُرْدُنُّ يَوْمَئِذٍ مِنَ الأَرْضِ.
অর্থ : সুরাইম রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, নিঃসন্দেহে তোমরা মুশরিকদের (মূর্তিপূজারীদের) বিরুদ্ধে যু*দ্ধ করবে; এমনকি এ যু*দ্ধে তোমাদের অবশিষ্ট মুজাহিদরা জর্ডান নদীর তীরে দাজ্জালের সঙ্গে যু*দ্ধে লিপ্ত হবে। এই যু*দ্ধে তোমরা পূর্ব দিকে অবস্থান করবে আর দাজ্জালের অবস্থান হবে পশ্চিম দিকে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি জানি না, সেদিন জর্ডান কোথায় অবস্থিত হবে?

সূত্র :
১. কাশফুল আসতার আন জাওয়াইদিল বাজ্জার : ৪/১৩৮, হা. নং ৩৩৮৭, প্র. মুআসাসাসতুর রিসালা, বৈরুত-
২. মাজমাউজ জাওয়ায়িদ : ৭/৩৪৮-৩৪৯, হা. নং ১২৫৪২, প্র. মাকতাবাতুল কুদসি, কায়রো-
মান :
এর সনদ বিশুদ্ধ।

২ নং হাদিস :
حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، قَالَ: حَدَّثَنَا يَزِيدُ، قَالَ: أَنْبَأَنَا هُشَيْمٌ، قَالَ: حَدَّثَنَا سَيَّارٌ أَبُو الْحَكَمِ، عَنْ جَبْرِ بْنِ عَبِيدَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ: وَعَدَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ غَزْوَةَ الْهِنْدِ، فَإِنْ أَدْرَكْتُهَا أُنْفِقْ فِيهَا نَفْسِي وَمَالِي، وَإِنْ قُتِلْتُ كُنْتُ أَفْضَلَ الشُّهَدَاءِ، وَإِنْ رَجَعْتُ فَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الْمُحَرَّرُ.
অর্থ : হজরত আবু হুরাইরা রা. বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে হিন্দুস্তানের জি*হাদ সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। যদি আমি সে জি*হাদ পেয়ে যাই তাহলে আমি আমার জান-মাল সব কিছু তাতে ব্যয় করব। এতে যদি আমি শাহাদত বরণ করি তাহলে আমি হব সর্বশ্রেষ্ঠ শহিদ। আর যদি গাজি হয়ে ফিরে আসি তাহলে আমি হব (জাহান্নামের আগুন থেকে) মুক্তিপ্রাপ্ত আবু হুরাইরা।

সূত্র :
১. সুনানুন নাসায়ি : ৬/৪২, হা. নং ৩১৭৪, প্র. মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়্যা, হালব-
২. আস-সুনানুল কুবরা, বাইহাকি : ৯/২৯৭, হা. নং ১৮৫৯৯, প্র. দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত-
৩. মুসনাদু আহমাদ : ১২/২৮-২৯, হা. নং ৭১২৮, প্র. মুআসাসাসতুর রিসালা, বৈরূত-
৪. মুসতাদরাকুল হাকিম : ৩/৫৮৮, হা. নং ১৭৭৫/৬১৭৭, প্র. দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত-
৫. হিলইয়াতুল আওলিয়া : ৮/৩১৬, প্র. আস-সাআদা, মিসর-
৬. আল-ফিতান, নুআইম বিন হাম্মাদ : ১/৪০৯, হা. নং ১২৩৭, প্র. মাকতাবাতুত তাওহিদ, কায়রো-
মান :
এ বর্ণনাটির সনদ হাসান তথা উত্তম।

৩ নং হাদিস :
حَدَّثَنَا أَبُو النَّضْرِ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ سَالِمٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ الْوَلِيدِ الزُّبَيْدِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْوَلِيدِ الزُّبَيْدِيِّ، عَنْ لُقْمَانَ بْنِ عَامِرٍ الْوُصَابِيِّ، عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى بْنِ عَدِيٍّ الْبَهْرَانِيِّ، عَنْ ثَوْبَانَ مَوْلَى رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: عِصَابَتَانِ مِنْ أُمَّتِي أَحْرَزَهُمُ اللهُ مِنَ النَّارِ: عِصَابَةٌ تَغْزُو الْهِنْدَ، وَعِصَابَةٌ تَكُونُ مَعَ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ.
অর্থ : হজরত সাওবান রা. সূত্রে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, আমার উম্মতের মধ্যে হতে দুটি দলকে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে নিরাপত্তা দিয়েছেন। একটি দল, যারা হিন্দুস্তানের যু*দ্ধে শরিক হবে। আর দ্বিতীয় আরেকটি দল, যারা ইসা ইবনে মারইয়াম আ.-এর সঙ্গে মিলে যু*দ্ধ করবে।

সূত্র :
১. মুসনাদু আহমাদ : ৩৭/৮১, হা. নং ২২৩৯৬, প্র. মুআসাসাসতুর রিসালা, বৈরূত-
২. সুনানুন নাসায়ি : ৬/৪২, হা. নং ৩১৭৫, প্র. মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়্যা, হালব-
৩. আস-সুনানুল কুবরা, বাইহাকি : ৯/২৯৭, হা. নং ১৮৬০০, প্র. দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত-
৪. আল-মুজামুল আওসাত : ৭/২৩, হা. নং ৬৭৪১ প্র. দারুল হারামাইন, কায়রো-
৫. আত তারিখুল কাবির : ৬/৭২-৭৩, জীবনী নং ১৭৪৭, প্র. দায়িরাতুল মাআরিফিল উসমানিয়্যা, হায়দারাবাদ-
৬. আল কামিল, ইবনে আদি : ২/৪০৮, জীবনী নং ৩৫১, দারুল কুতুবিল ইলমিয়্যা, বৈরুত-
মান :
এ হাদিসটি হাসান।

৫ নং হাদিস :
حَدَّثَنَا أَبُو الْجَوْزَاءِ أَحْمَدُ بْنُ عُثْمَانَ – وَكَانَ مِنْ نُسَّاكِ أَهْلِ الْبَصْرَةِ – قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ قَالَ: حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ كِنَانَةَ بْنِ نُبَيْهٍ مَوْلَى صَفِيَّةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: وَعَدَنَا اللَّهُ وَرَسُولُهُ غَزْوَةَ الْهِنْدِ، فَإِنْ أُدْرِكْهَا أُنْفِقْ فِيهَا نَفْسِي وَمَالِي، فَإِنْ قُتِلْتُ كُنْتُ كَأَفْضَلِ الشُّهَدَاءِ، وَإِنْ رَجَعْتُ فَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الْمُحَرَّرُ.
অর্থ : হজরত আবু হুরাইরা রা. বলেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে হিন্দুস্তানের জি*হাদ সম্পর্কে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। আমি যদি সে জি*হাদ পেয়ে যাই তাহলে তাতে আমি আমার জান-মাল সব কিছু ব্যয় করব। এতে যদি আমি শাহাদত বরণ করি তাহলে আমি হব সর্বশ্রেষ্ঠ শহিদের ন্যায়। আর যদি গাজি হয়ে ফিরে আসি তাহলে আমি হব (জাহান্নামের আগুন থেকে) মুক্তিপ্রাপ্ত আবু হুরাইরা।

সূত্র :
আল-জিহাদ, ইবনু আবি আসিম : ২/৬৬৮, হা. নং ২৯১, প্র. মাকতাবাতুল উলুম ওয়াল হিকাম, মদিনা-
মান :
এ বর্ণনাটি জইফ।

৬ নং হাদিস :
حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ صَفْوَانَ، عَنْ بَعْضِ الْمَشْيَخَةِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، وَذَكَرَ الْهِنْدَ، فَقَالَ: لَيَغْزُوَنَّ الْهِنْدَ لَكُمْ جَيْشٌ، يَفْتَحُ اللَّهُ عَلَيْهِمْ حَتَّى يَأْتُوا بِمُلُوكِهِمْ مُغَلَّلِينَ بِالسَّلَاسِلِ، يَغْفِرُ اللَّهُ ذُنُوبَهُمْ، فَيَنْصَرِفُونَ حِينَ يَنْصَرِفُونَ فَيَجِدُونَ ابْنَ مَرْيَمَ بِالشَّامِ. قَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ: إِنْ أَنَا أَدْرَكْتُ تِلْكَ الْغَزْوَةَ بِعْتُ كُلَّ طَارِفٍ لِي وَتَالِدٍ وَغَزَوْتُهَا، فَإِذَا فَتْحَ اللَّهُ عَلَيْنَا وَانْصَرَفْنَا فَأَنَا أَبُو هُرَيْرَةَ الْمُحَرِّرُ، يَقْدَمُ الشَّامَ فَيَجِدُ فِيهَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ، فَلَأَحْرِصَنَّ أَنْ أَدْنُوَ مِنْهُ فَأُخْبِرُهُ أَنِّي قَدْ صَحِبْتُكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: فَتَبَسَّمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَضَحِكَ، ثُمَّ قَالَ: هَيْهَاتَ هَيْهَاتَ.
অর্থ : আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিন্দুস্তানের যু*দ্ধের আলোচনার প্রাক্কালে বলেছেন, অবশ্যই তোমাদের একটি দল হিন্দুস্থানের সাথে যু*দ্ধ করবে। আল্লাহ সেই দলের যো*দ্ধাদের সফলতা দান করবেন এবং তারা হিন্দুস্তানের রাষ্ট্রপ্রধানদের শিকল/বেড়ি দিয়ে টেনে আনবে। আল্লাহ তাআলা সেই দলের যো*দ্ধাদের ক্ষমা করে দিবেন। অতঃপর মুসলিমরা যু*দ্ধ থেকে ফিরে এসে ইসা ইবনে মারইয়াম আ.-কে সিরিয়ায় পেয়ে যাবে। হজরত আবু হুরাইরা রাযি. বলেন, আমি যদি গাজওয়াতুল হিন্দে অংশগ্রহণের সু্যোগ পাই তাহলে আমি আমার নতুন পুরাতন সব সম্পদ বিক্রি করে দেবো এবং এতে অংশগ্রহণ করব। এরপর যখন আল্লাহ তাআলা আমাদের বিজয় দান করবেন এবং আমরা যুদ্ধ থেকে ফিরে আসব তখন আমি হব (জাহান্নামের আগুন হতে) মুক্তিপ্রাপ্ত আবু হুরাইরা, যে সিরিয়ায় গিয়ে ইসা ইবনে মারইয়াম আ.-এর সাথে মিলিত হবে। হে আল্লাহর রাসুল, আমার খুব আকাঙ্ক্ষা যে, আমি ইসা আ.-এর নিকটবর্তী হয়ে তাঁকে বলব যে, আমি আপনার সংশ্রবপ্রাপ্ত একজন সাহাবি। তিনি বলেন, এতে রাসুলুল্লাহ সা. মুচকি মুচকি হাসতে লাগলেন এবং বললেন, সে (যু*দ্ধ) তো অনেক দেরি! অনেক দেরি!!

সূত্র :
আল-ফিতান, নুআইম বিন হাম্মাদ : ১/৪০৯, হা. নং ১২৩৬, প্র. মাকতাবাতুত তাওহিদ, কায়রো-
মান :
এ সনদটি জইফ।

৭ নং হাদিস :
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ نَافِعٍ، عَمَّنْ حَدَّثَهُ عَنْ كَعْبٍ، قَالَ: يَبْعَثُ مَلِكٌ فِي بَيْتِ الْمَقْدِسِ جَيْشًا إِلَى الْهِنْدِ فَيَفْتَحُهَا، فَيَطَئُوا أَرْضَ الْهِنْدِ، وَيَأْخُذُوا كُنُوزَهَا، فَيُصَيِّرُهُ ذَلِكَ الْمَلِكُ حِلْيَةً لَبَيْتِ الْمَقْدِسِ، وَيُقْدِمُ عَلَيْهِ ذَلِكَ الْجَيْشُ بِمُلُوكِ الْهِنْدِ مُغَلَّلِينَ، وَيُفْتَحُ لَهُ مَا بَيْنَ الْمَشْرِقِ وَالْمَغْرِبِ، وَيَكُونُ مَقَامُهُمْ فِي الْهِنْدِ إِلَى خُرُوجِ الدَّجَّالِ.
অর্থ : হজরত কাব রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, জেরুজালেমের একজন বাদশাহ হিন্দুস্তানের দিকে একটি সৈন্যদল পাঠাবেন। সৈন্যদল হিন্দুস্তানের ভূমি জয় করে তা পদানত করবে। এর অর্থ-ভাণ্ডার দখল করবে। তারপর বাদশাহ এসব ধনদৌলত বাইতুল মুকাদ্দাসে সাজিয়ে রাখবেন। সৈন্যদলটি হিন্দুস্তানের রাজাদের শিকল দিয়ে বেঁধে বন্দি করে তাঁর নিকট উপস্থিত করবে। প্রাচ্য-পাশ্চাত্যের সকল এলাকায় তাঁর বিজয়ার্জন হবে। দাজ্জালের আবির্ভাব পর্যন্ত তাঁরা হিন্দুস্তানেই অবস্থান করবেন।

সূত্র :
আল-ফিতান, নুআইম বিন হাম্মাদ : ১/৪০৯, হা. নং ১২৩৫, প্র. মাকতাবাতুত তাওহিদ, কায়রো-
মান :
এটার সনদ জইফ।

৮ নং হাদিস :
حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ جَرَّاحٍ، عَنْ أَرْطَاةَ، قَالَ: عَلَى يَدَيْ ذَلِكَ الْخَلِيفَةِ الْيَمَانِيِّ الَّذِي تُفْتَحُ الْقُسْطَنْطِينِيَّةُ وَرُومِيَّةُ عَلَى يَدَيْهِ، يَخْرُجُ الدَّجَّالُ وَفِي زَمَانِهِ يَنْزِلُ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ عَلَيْهِ السَّلَامُ، عَلَى يَدَيْهِ تَكُونُ غَزْوَةُ الْهِنْدِ، وَهُوَ مِنْ بَنِي هَاشِمٍ، غَزْوَةُ الْهِنْدِ الَّتِي قَالَ فِيهَا أَبُو هُرَيْرَةَ.
অর্থ : হজরত আরতাত রহ. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ইয়ামানি খলিফার নেতৃত্বে ইসতামবুল ও রোম (ইউরোপ) বিজয় হবে, তাঁর সময়েই দাজ্জাল আত্মপ্রকাশ করবে, তাঁর যুগেই ইসা ইবনে মারইয়াম আ. অবতরণ করবেন এবং তাঁর নেতৃত্বেই হিন্দুস্তানের যু*দ্ধ সংঘটিত হবে। তিনি হবেন হাশিমি বংশের লোক। গাজওয়াতুল হিন্দ বলতে ঐ যু*দ্ধ উদ্দেশ্য, যে ব্যাপারে আবু হুরাইরা রা. বর্ণনা করেছেন।

সূত্র :
আল-ফিতান, নুআইম বিন হাম্মাদ : ১/৪১০, হা. নং ১২৩৮, প্র. মাকতাবাতুত তাওহিদ, কায়রো-
মান :
এটার সনদ জইফ।

🟥 গাজওয়াতুল হিন্দের হাদিসগুলোর সম্মিলিত মান :

উপরিউক্ত হাদিসগুলোর কিছু সহিহ, কিছু হাসান এবং কিছু জইফ। তবে এ জইফগুলো একটিও মারাত্মক নয়; বরং সবগুলোই সহনীয় পর্যায়ের। সবগুলো সনদ একসাথে করলে সম্মিলিতভাবে গাজওয়াতুল হিন্দের হাদিস সহিহ (বিশুদ্ধ সূত্রে বর্ণিত) বা কমপক্ষে হাসান (উত্তম সূত্রে বর্ণিত) পর্যায়ের বলে সাব্যস্ত হয়।
এজন্যই শাইখ আলবানি রহ. সুনানে নাসায়িতে বর্ণিত গাজওয়াতুল হিন্দের হাদিসটিকে সহিহ বলে আখ্যায়িত করেছেন। (দেখুন, সুনানুন নাসায়ি : ৬/৪২, হা. নং ৩১৭৫, প্র. মাকতাবুল মাতবুআতিল ইসলামিয়্যা, হালব) আর সিলসিলাতুস সহিহা-তে এর সনদকে জাইয়িদ বা হাসান বলে অভিহিত করেছেন। (দেখুন : সিলসিলাতুল আহাহাদিসিস সহিহা : ৪/৫৭০, হা. নং ১৯৩৪, প্র. মাকতাবাতুল মাআরিফ, রিয়াদ) এছাড়াও শাইখ শুআইব আরনাওত রহ. মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত উক্ত হাদিসকে হাসান বলে অভিহিত করেছেন। (দেখুন, মুসনাদু আহমাদ : ৩৭/৮১, হা. নং ২২৩৯৬, প্র. মুআসাসাসতুর রিসালা, বৈরূত)

গাজওয়াতুল হিন্দের হাদিসগুলোর সারমর্ম :
এ মর্মে বর্ণিত হাদিসগুলো থেকে আমরা যে বিষয়গুলো জানতে পারি, তা হলো-

🟥১. এটা আল্লাহ ও তাঁর রাসুল সা. কর্তৃক প্রতিশ্রুত একটি যু*দ্ধের ভবিষতবাণী, যা শেষ জমানায় ঘটবে।

🟥২. যু*দ্ধটি হবে হিন্দুস্তানে, যা পাক-ভারত-বাংলাদেশসহ শ্রীলঙ্কা, নেপাল ও ভুটানকে বুঝায়।

🟥৩. যু*দ্ধটি হবে হিন্দুস্তানের মুশরিক তথা মূর্তিপূজারী হিন্দুদের সাথে।

🟥৪. এ যু*দ্ধে সর্বাত্মকভাবে নিজের জান-মাল সব কিছু ব্যয় করে অংশগ্রহণ করা উচিত; যেমনটি আবু হুরাইরা রা. বলেছেন; এমনকি তিনি এ যু*দ্ধ শেষ জমানায় হবে জেনেও তাতে শরিক হয়ে ইসা আ.-এর সাথে সাক্ষাতের আকাঙ্ক্ষা পোষণ করেছিলেন।

🟥৫. এ যু*দ্ধে মুসলমানদের বিজয় অর্জন হবে এবং মূর্তিপূজারী রাষ্ট্রপ্রধানদের হাতে পায়ে শিকল পরিয়ে বন্দি করে নিয়ে আসা হবে।

🟥৬. গাজওয়াতুল হিন্দে অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদেরকে ইসা আ.-এর সাথে অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদের সাথে তুলনা করা হয়েছে এবং উভয় দলের একই মর্যদার কথা বর্ণনা করা হয়েছে।

🟥৭. এ যু*দ্ধে অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদেরকে আল্লাহ তাআলা ক্ষমা করে দেওয়ার ঘোষণা করেছেন।

🟥৮. এ যু*দ্ধে অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদেরকে আল্লাহ তাআলা জাহান্নাম থেকে মুক্ত ঘোষণা করেছেন।

🟥৯. এ যু*দ্ধের শহিদগণ হবেন শ্রেষ্ঠ শহিদদের অন্তর্গত।

🟥১০. এ যু*দ্ধ রাসুল সা.-এর যুগের অনেক পরে দাজ্জাল আবির্ভাবের পূর্বে শেষ জমানায় সংঘটিত হবে।

🟥১১. এ যু*দ্ধ জেরুজালেম থেকে ইমাম মাহদির নেতৃ্ত্বে পরিচালিত হবে।

🟥১২. এ যু*দ্ধে অংশগ্রহণকারী মুজাহিদদের মধ্য হতে যারা গাজি হয়ে ফিরবেন তারা ইসা আ.-এর সাথে দাজ্জালের বিরূদ্ধে সংঘটিত যু*দ্ধে শরিক হবেন।

⭕এ যু*দ্ধ কোথায় এবং কবে হবে?

‘আল-হিন্দ’ দ্বারা ভৌগলিকভাবে দুটি স্থানকে নির্দেশ করে। এক : ইরাকের বসরা নগরী; যেমন শাইখ মাশহুর হাসান স্বীয় ‘আল ইরাক ফি আহাদিসা ওয়া আসারিল ফিতান ওয়াল মালাহিম’ গ্রন্থে বলেন, ‘হিন্দ’ বলে কখনো কখনো ইরাকের বসরা নগরীকেও বুঝানো হয়ে থাকে। দুই : ভারত উপমহাদেশ, যা ভারত, পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নেপাল, ভুটান ও শ্রীলঙ্কা নিয়ে গঠিত। হাদীসে বর্ণিত ‘আল হিন্দ’ বলতে সকল উলামায়ে কেরাম এ দ্বিতীয় অর্থ তথা ভারত উপমহাদেশই উদ্দেশ্য নিয়েছেন। তাই ‘গাজওয়াতুল হিন্দ’ আমাদের এ ভুখণ্ডেই সংঘটিত হবে। আর হাদিসের ভাষ্যানুসারে এর প্রতিপক্ষ দলটি হবে হিন্দুরা।

এ যু*দ্ধ পূর্বে হয়ে গেছে নাকি অদূর ভবিষ্যতে হবে এ নিয়ে উলামায়ে কিরামের মাঝে কিছুটা মতানৈক্য পাওয়া যায়। কতিপয় উলামায়ে কিরামের মতে এ যু*দ্ধ বনি উমাইয়ার শাসনামালে মুহাম্মাদ বিন কাসিম রহ.-এর ভারত বিজয়ের মাধ্যমে সংঘটিত হয়ে গেছে। কারও মতে সুলতান মাহমুদ গজনবি রহ.-এর ভারত অভিযানের দ্বারাই এ যু*দ্ধ শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু গাজওয়াতুল হিন্দের সবগুলো হাদিস সামনে রাখলে প্রতিভাত হয় যে, এ যু*দ্ধ এখনও হয়নি; বরং ইসা আ.-এর আগমনের কিছু কাল পূর্বে ইমাম মাহদির নেতৃত্বে এটা সংঘটিত হবে এবং এ যু*দ্ধের গাজিরাই সিরিয়ায় গিয়ে ইসা আ.-এর সাথে দাজ্জালের বিরুদ্ধে যু*দ্ধ করবে।

শাইখ হামুদ তুওয়াইজিরি বলেন :
وما ذكر في حديث أبي هريرة رضي الله عنه الذي رواه نعيم بن حماد من غزو الهند؛ فهو لم يقع إلى الآن، وسيقع عند نزول عيسى ابن مريم عليهما الصلاة والسلام إن صح الحديث بذلك.
অর্থ : নুআইম বিন হাম্মাদ কর্তৃক বর্ণিত আবু হুরাইরা রা.-এর হাদিসে যে গাজওয়াতুল হিন্দের কথা এসেছে তা এখনও সংঘটিত হয়নি। এ হাদিসটি সহিহ হলে সত্বরই তা ইসা আ.-এর অবতরণের সময়কালে সংঘটিত হবে।

সূত্র :
ইতহাফুল জামাআহ : ১/৩৬৬, গাজওয়াতুল হিন্দসংক্রান্ত অধ্যায়, প্র. দারু সামিয়ি, রিয়াদ-

শাইখ সালিহ আল-মুনাজ্জিদ বলেন :
الذي يبدو من ظاهر حديث ثوبان وحديث أبي هريرة ـ إن صح ـ أن غزوة الهند المقصودة ستكون في آخر الزمان ، في زمن قرب نزول عيسى بن مريم عليهما السلام ، وليس في الزمن القريب الذي وقع في عهد معاوية بن أبي سفيان رضي الله عنه
অর্থ : সাওবান রা. ও আবু হুরাইরা রা. এর হাদিস সহিহ হয়ে থাকলে এর স্পষ্ট ভাষ্য থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, কাঙ্খিত গাজওয়াতুল হিন্দ শেষ জমানায় ইসা আ.-এর অবতরণের নিকটবর্তী সময়ে সংঘটিত হবে। মুআবিয়া রা.-এর যুগের কাছাকাছি সময়ে যে সকল যু*দ্ধ সংঘটিত হয়েছে, সেগুলো নয়।

সূত্র :
ইসলাম সুওয়াল ও জাওয়াব : প্রশ্নোত্তর নং ১৪৫৬৩৬-

⭕বর্তমান পরিস্থিতি :

রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভবিষ্যতবাণী অনুযায়ী খোরাসান (বর্তমান আফগানিস্থান) থেকে কালিমাখচিত কালো পতাকাধারীদের উত্থান এবং তাদের কাশ্মীর পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া, পূর্বপ্রস্তুতি হিসাবে ভারতের কাশ্মীর সীমান্তে সাত লক্ষ সেনা মোতায়েন, পাক-ভারত-বাংলাদেশের হকপন্থী দলগুলোর সুদৃঢ় অবস্থান, পানি নিয়ে ভারতের সাথে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি, কাশ্মীর নিয়ে পাকিস্তানের সাথে ভারতের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি, বাবরি মসজিদ ধ্বং*স এবং মুসলিমদের নির্যাতন নিয়ে ভারতের ভেতরে মুসলিমদের ক্ষোভের বিস্ফোরণ, সেভেন সিস্টারস বা ভারতের সাতটি অঙ্গরাজ্যের স্বাধীনতার দাবি নিঃসন্দেহে ভারত বিভক্তি এবং আশু সে মহাযু*দ্ধেরই ইঙ্গিত বহন করে।

বর্তমানে এই উপমহাদেশের মূর্তিপূজারী ভূখণ্ডের মুসলিমপ্রধান ভূখণ্ডের ওপর সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক আগ্রাসনের অব্যাহত প্রচেষ্টা দেখলে বুঝা যায় যে, এটি খুব সত্বরই চূড়ান্ত সংঘাতময়রূপ ধারণ করবে এবং এখানকার ইসলামকে টিকিয়ে রাখতে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভবিষ্যতবাণী অনুসারে উম্মতের একটি দলকে এদিকে অগ্রসর হতে হবে। এটি ঘটবে সেই সমসাময়িক সময়ে, যখন সমগ্র দুনিয়াতে ইসলামের ক্রান্তিলগ্নে বৈশ্বিক শাসনব্যশাসনব্যবস্থা খিলাফতের আদলে সাজাতে আল্লাহ তাআলা ইমাম মাহদিকে প্রেরণ করবেন, যার খিলাফতের সপ্তম বছরে দাজ্জালের আবির্ভাব হবে এবং দাজ্জালের সাথে মহাযু*দ্ধের নেতৃত্ব দিতে ইসা আ.-এর আগমন ঘটবে। গাজওয়াতুল হিন্দের সময় অবশ্যই পাক-ভারত-বাংলাদেশের মুসলিম নামধারী মুনাফিকরা আলাদা হয়ে যাবে। তারা হয়তো কাফিরদের পক্ষে যোগ দিবে অথবা পালিয়ে বেড়াবে। এই ভয়ংকর রক্তক্ষয়ী যু*দ্ধে মুসলিমরা জয়ী হবে এবং তারা ফিলিস্তিনের বাইতুল মুকাদ্দাসে গিয়ে ইসা আ.-এর সাথে মিলিত হবে।

⭕সারকথা :

গাজওয়াতুল হিন্দের প্রকৃত সময় এবং অবস্থা একমাত্র আল্লাহ তাআলাই জানেন। আমরা কেবল হাদিসের আলোকে এবং বর্তমান প্রেক্ষাপট অনুযায়ী ঘটনা সম্পর্কে নিজেদেরকে সচেতন এবং প্রস্তুত করতে পারি। সার্বিক বিচারে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে, এ যু*দ্ধ খুবই সন্নিকটে। কেননা, এ যু*দ্ধের সাথে ইমাম মাহদি ও ইসা আ.-এর সম্পর্ক রয়েছে। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতি সম্পর্কে ওয়াকিফহাল যারা, তারা ভালো করেই জানেন যে, বর্তমানে তাগুতি শক্তিগুলো আসন্ন মহাযু*দ্ধের জন্য কী পরিমান প্রস্তুতি গ্রহন করছে! অথচ আমরা মুসলিমরাই একমাত্র জাতি, যারা কিনা আজও এ সম্পর্কে গাফিল ও চরম উদাসীন। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে এত করে সতর্ক করে দিয়ে গেছেন, যার কারণে তাগুতরা পর্যন্ত সতর্ক হয়ে গেছে, আর আমরা হতভাগার দল আজও আমাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জড়িত।

“CIA terrified of Ghazwa e Hind” (ইংরেজি) শিরোনামে এই ভিডিওটি দেখলে বুঝতে পারবেন, তারা কতটা সচেতন আর আমরা কতটা গাফিল হয়ে আছি!

⭕ হে আমার প্রিয় ভাই, ঘুম থেকে এবার জাগো। একবার চেয়ে দেখো রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ভবিষ্যতবাণী ও বর্তমানের ভয়ংকর পরিস্থিতি। এখনই যদি সতর্ক না হও তাহলে ঘুম থেকে জেগে দেখবে তোমরা শিয়রে অস্ত্র হাতে তাগুতের বাহিনী দণ্ডায়মান। হে আমার দ্বীনের বন্ধু, এখনই সময় সজাগ হওয়ার, প্রস্তুতি নেওয়ার। অসময়ে তোমার দৌঁড়ঝাপ তোমার কোনো কাজে আসবে না। সত্যের বাহিনী তোমার অপেক্ষায় আছে। সাড়া দাও তাদের ডাকে; নইলে আর সময় পাবে না। হে আল্লাহ, তুমি মুসলিমবিশ্বের এ বিনাশী নিদ্রা টুটে দাও। তাদের অন্তর্চক্ষু খুলে দাও। আশু বিপদ অনুধাবনের শক্তি দাও। আল্লাহ, আমাদের রক্ষা করো, হিম্মত দাও, তাওফিক দাও। (আমীন ইয়া রব্বাল আলামীন)

✍️ সংগৃহীত

22/04/2024

গুনাহের শাস্তি শুধুমাত্র যে আখিরাতেই পাবে তা নয়। বরং দুনিয়াতেও এর কিছু শাস্তি আল্লাহ বান্দাদেরকে দিয়ে থাকেন যেমন :
১. জ্ঞান ও মুখস্তশক্তি কমে যায়।
২. রিজিক থেকে বঞ্চিত হয়ে যায়।
৩. ইবাদাত কে কষ্টকর মনে হয়।
৪. অন্তর মরে যায়।
৫. পৃথিবীতে বালা-মুসিবত ছড়িয়ে পড়ে।
৬. সবসময় ভয়ে থাকা মানসিক সমস্যায় ভোগা।
৭. লজ্জা শরম কমে যায়।
৮. গুনাহ অন্তর কে ভালো কাজ থেকে গাফিল করে দেয়।
৯. চেহারার সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যায়।
১০. গুনাহের কারণে হায়াতের বরকত কমে যায়।

(C)

30/01/2023

আসসালামু আলাইকুম!

মা বোনদের প্রতি আহবান, নিজে কোরআন পড়ুন অন্যকে পড়তে উৎসাহিত করুন!!

এটা অতিব দুঃখের বিষয়, আমাদের সমাজে ইদানীং জেনারেল শিক্ষায় মানুষ যেভাবে আগ্রহী ; কুরআন শিক্ষায় ঠিক ততটাই উদাসীন! অথচ কুরআন আমদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রয়োজন!

✅✅কোরআন পড়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ তাআলা। কীভাবে কোরআন পড়তে হবে

✅মুমিন মুসলমানের জন্য তারতিলের সঙ্গে কোরআন পড়ার নির্দেশ এসেছে। তারতিলের সঙ্গে কোরআন পড়া প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ বলেন-
وَ رَتِّلِ الۡقُرۡاٰنَ تَرۡتِیۡلًا
✅আর কোরআন পড় বা তেলাওয়াত কর ধীরে ধীরে, স্পষ্ট ও সুন্দরভাবে।’ (সুরা মুযযাম্মিল : আয়াত ৪)

✅✅কুরআন শিক্ষা না করার পরিনতি
যে কুরআন শিখা থেকে থেকে বিমুখ হয়ে থাকল, সে কতইনা দুর্ভাগা! আল-কুরআনে এসেছে,

﴿ وَمَنۡ أَعۡرَضَ عَن ذِكۡرِي فَإِنَّ لَهُۥ مَعِيشَةٗ ضَنكٗا وَنَحۡشُرُهُۥ يَوۡمَ ٱلۡقِيَٰمَةِ أَعۡمَىٰ ١٢٤ قَالَ رَبِّ لِمَ حَشَرۡتَنِيٓ أَعۡمَىٰ وَقَدۡ كُنتُ بَصِيرٗا ١٢٥ قَالَ كَذَٰلِكَ أَتَتۡكَ ءَايَٰتُنَا فَنَسِيتَهَاۖ وَكَذَٰلِكَ ٱلۡيَوۡمَ تُنسَىٰ ١٢٦ ﴾ [طه: ١٢٤، ١٢٦]

✅অর্থ: আর যে আমার যিকর (কুরআন) থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, নিশচয় তার জীবন-যাপন হবে সংকুচিত এবং আমি কিয়ামতের দিন তাকে অন্ধ অবস্থয় উঠাবো। সে বলবে, হে আমার রব, কেন আপনি আমাকে অন্ধ অবস্থায় উঠালেন ? অথচ আমিতো ছিলাম দৃষ্টিশক্তিসম্পন্নণ? তিনি বলবেন, অনুরুপভাবে তোমার নিকট আমার আয়াতসমূহ এসেছিল, অত:পর তুমি তা ভুলে গিয়েছিলে এবং সেভাবেই আজ তোমাকে ভুলে যাওয়া হল’ [সূরা ত্বহা-১২৪-১২৬]।

৷ এ জন্যই আমাদের বিশেষ চেষ্টা,শুধু মাত্র মহিলা ও ছোটদের জন্য অনলাইনে কোরআন শিক্ষা,

(অফলাইনে কেউ শিখতে চাইলে নিজে এসে পড়তে হবে )

৷ ❤️( دين-دعاء) দ্বীন-দোয়া কুরআন মক্তব
💥তাজবিদ বিভাগ
💥নাজেরা বিভাগ

!

👉যাদের জন্য এই কোর্সটি।

✅যারা কুরআন এবং নামাজ মোটেই পড়তে পারেন না
✅ছোটকালে শিখলেও এখন সব ভুলে গেছেন
✅নতুন করে আবার শিখতে চাচ্ছেন, অথবা
✅মোটামুটি পারলেও সহি শুদ্ধভাবে পড়তে পারেন না,
✅যারা কায়দা সহীহ ভাবে শিখেছেন কিন্তু কুরআন পড়া সেভাবে হয়নি বা রিডিং পারেনা তাদের জন্য নাজেরা কোর্স!

👉কোর্স বৈশিষ্ট্য :

✅সহজ ভাবে শিখানো হয়।
✅মহিলাদের জন্য আলাদা ব্যাচ
✅বাচ্চাদের জন্য আলাদা ব্যাচ
✅📱💻Live ক্লাস নেওয়া হবে

🌹 আলহামদুলিল্লাহ এই কোর্সে যা শিখানো হবে:
🌹সার্কেল অফ কোরআনের সহজ কায়দা
🌹সার্কেল অফ কোরআনের ১০০ দিনের টার্গেটের নিয়মে পরিচালিত নাজেরা বিভাগ!

এছাড়াও নিজস্ব ভাবে শিখনো হবে

✅কালেমা সমূহ মুখস্ত
✅মাসনূন দোয়া মুখস্ত
✅আসমাউল হুসনা মুখস্ত
✅প্রয়োজনীয় সুরা মুখস্ত
✅বাচ্চাদের আদব ও নৈতিকতা শিক্ষা
✅মেয়েদেরকে সঠিক পর্দা শেখানো।

🏆 বিশেষ আকর্ষণ ঃ
সার্কেল অফ কোরআনের মাধ্যমে রেজিষ্ট্রেশন করে পাবেন সার্টিফিকেট সহ মুয়াল্লিমা হওয়ার সুযোগ ইনশাআল্লাহ!!

📱তাই অনলাইনে ঘরে বসে তাজবীদ সহকারে সহী-শুদ্ধভাবে কুরআন এবং নামাজ শিক্ষার জন্য আজই আমাদের অনলাইন কোর্সে ভর্তি হোন।

✅বিস্তারিত জানতে যোগাযোগ করুন:
Inbox

10/09/2021

ইব্রাহীম বিন আদহাম একজন দুশ্চিন্তাগ্রস্ত মানুষের পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তিনি সে লোকটিকে বললেন, আমি তোমাকে তিনটি প্রশ্ন করব। তুমি উত্তর দিবে, তিনি বললেন
(১) এই জগতে আল্লাহর ইচ্ছার বাইরে কিছু হয় কি?
(২) তোমার জন্য আল্লাহ যে রিযক নির্ধারণ করেছেন, তা থেকে একটুও কমবে কি?
(৩) তোমার জন্য আল্লাহ যতটুকু হায়াত রেখেছেন, তা থেকে এক মুহূর্তও হ্রাস পাবে কি?
সে লোকটি বলল, না।
তখন ইব্রাহীম বললেন, তাহলে দুশ্চিন্তা কিসের জন্য? নিশ্চই দুশ্চিন্তা আল্লাহর একটি বাহিনী যার মাধ্যমে তিনি তার বান্দাদের পরীক্ষা করেন, যাতে তিনি দেখেন তারা কি করে।
এটা (দুশ্চিতা) যদিও অনুভূতিজাত, বস্তুজাত নয়। তবুও তা বস্তুজাত কষ্টদায়ক জিনিস থেকে বেশী প্রভাবশালী। এই কথাকে দৃঢ় করে তা, যা আলী বিন আবী তালিব (রাঃ) উল্লেখ্য করেছেন, যখন তাঁকে প্রশ্ন করা হয়, আল্লাহর সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী কোনটি?
তিনি বললেন, পাহাড়' লোহা পাহাড়কে কেটে ফেলে, অতএব লোহা পাহাড়ের চেয়ে শক্তিশালী। আগুন লোহা কে গলিয়ে ফেলে, অতএব আগুন লোহার চেয়ে শক্তিশালী। পানি আগুন কে নিভিয়ে দেয়, অতএব পানি আগুনের চেয়ে শক্তিশালী। মেঘ পানি কে বহন করে, অতএব মেঘ পানির চেয়ে শক্তিশালী। বাতাস মেঘকে চালিয়ে নিয়ে যায়, অতএব বাতাস মেঘের চেয়ে শক্তিশালী।
মানুষ হাত এবং কাপড় দ্বারা বাতাস আটকে দেয়, অতএব মানুষ বাতাসের চেয়ে শক্তিশালী। ঘুম মানুষ কে পরাভূত করে, অতএব ঘুম মানুষের চেয়ে শক্তিশালী। আর দুশ্চিন্তা, দুশ্চিন্তা ঘুম দূর করে দেয়। অতএব আল্লাহর সবচেয়ে শক্তিশালী বাহিনী হল 'দুশ্চিন্তা। তাঁর বান্দাদের মধ্যে যার উপর ইচ্ছা তা চাপিয়ে দেন।
আল্লাহ তা'আলা সত্য বলেছেনঃ
"অতঃপর আল্লাহ যাকে পথ-প্রদর্শন করতে চান, তার বক্ষকে ইসলামের জন্যে উম্মুক্ত করে দেন এবং যাকে বিপথগামী করতে চান, তার বক্ষকে সংকীর্ণ অত্যধিক সংকীর্ণ করে দেন-যেন সে সবেগে আকাশে আরোহণ করছে। এমনি ভাবে যারা বিশ্বাস স্থাপন করে না। আল্লাহ তাদের উপর আযাব বর্ষন করেন।"
(সূরা আল আনামঃ১২৫)

কালেক্টেড

  এই চ্যালেঞ্জ শুধু মুখে মুখে বা ফেইসবুক টাইমলাইনে না...নবীকে (সাঃ) সত্যিই ভালোবেসে থাকলে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ নিন।আর ক...
27/10/2020



এই চ্যালেঞ্জ শুধু মুখে মুখে বা ফেইসবুক টাইমলাইনে না...

নবীকে (সাঃ) সত্যিই ভালোবেসে থাকলে সত্যিকারের চ্যালেঞ্জ নিন।

আর কী সেই চ্যালেঞ্জ?

আজ থেকেই নামাজ ধরুন,
আজ থেকেই পর্দার বিধান মেনে চলুন(নারী-পুরুষ উভয়েই),
আজ থেকেই প্রতিজ্ঞা করে ফেলুন, দাড়িটা এখন থেকে আর কাটাবো না।
আজ থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিন, রাসুল (সাঃ) যেভাবে খেতেন, ঘুমাতেন, চলতেন সেভাবেই চলার চেষ্টা করবো।
আজ থেকেই এই প্রতিজ্ঞায় বদ্ধপরিকর হোন, আচার-আচরণে আর কখনো রূঢ় হবোনা। নিজের ভুল স্বীকার করে মজলুমের কাছে মাফ চাইতে দ্বিধা করবো না।
আজ থেকেই, এখন থেকেই বাদ হয়ে যাক সিগারেট।
আজ থেকেই বাদ হয়ে যাক ফ্রি মিক্সিং।
আজ থেকেই বাদ চলে যাক মিউজিক আর নগ্ন নাটক-সিনেমাগুলো।
আজ থেকেই বাদ হয়ে যাক সময় নষ্ট করা, গেইম খেলা আর অন্যকে ছোটো করার মতো কাজগুলো।

যতক্ষণ পর্যন্ত না উপরের কাজগুলো করতে পারছেন বা করার চেষ্টা করছেন ততক্ষণ এই নবীপ্রেম কেবলই প্রদর্শনেচ্ছা মাত্র। বাইরে বাইরে লোকে আপনাকে আশেকে রাসুল (সাঃ) হিসেবে মানলেও আল্লাহ কিন্তু আপনার অন্তরের অবস্থা ঠিকই জানেন।

কাল কিয়ামতে বিশ্বাস করলে, জাহান্নাম থেকে বাঁচতে হলে নবীর শাফায়াত লাগবে এই কথা মেনে থাকলে আল্লাহর রাসুলের (সাঃ) প্রেমে মশগুল হওয়ার চেষ্টা শুরু হোক আজ থেকেই, এখন থেকেই।

Address

Rajshahi

Opening Hours

Monday 10:00 - 17:00
Tuesday 10:00 - 17:00
Wednesday 10:00 - 17:00
Thursday 10:00 - 17:00
Saturday 10:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 17:00

Telephone

+8801716371993

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ذكرى-Ziqra posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ذكرى-Ziqra:

Share