Nurul Islam

Nurul Islam Digital advertising is not just for big brands,but also for small business looking to grow.

We can help you design the right ads to terget your audience and significatly increase sale.

17/09/2026

নুনু কাটার আইন নয়-আগে কাটতে হবে ক্ষমতার অপব্যবহার!

ভূমিকা- শরীরের আগে বিবেককে নিরাপদ করি
মানুষ শরীর ঢাকার জন্য কাপড় আবিষ্কার করেছে,
কিন্তু বিবেক ঢাকার জন্য এখনো কোনো কাপড় আবিষ্কার করতে পারেনি! 😀

তাই সমস্যা কারও পোশাক কতটুকু ঢাকা-সেখানে নয়;
সমস্যা হলো, কেউ অন্যের সীমারেখা দেখেও নিজের হাত থামাতে পারে কি না।

অদ্ভুত পৃথিবী আমাদের-
কেউ নারীর পোশাক মাপতে ব্যস্ত,
কেউ শিশুকে পরকালের ভয় দেখাতে ব্যস্ত,
কেউ ধর্মের কথা বলতে বলতে নিজের কামনাকে ভুলে যায়; অথচ সবচেয়ে জরুরি প্রশ্নটি নীরবে দাঁড়িয়ে থাকে।

“মানুষটি কি নিরাপদ?”

ভালোবাসার পৃথিবীতে
কাউকে ভয় দেখিয়ে কাছে টানা যায় না,
অসহায়তার সুযোগ নিয়ে স্পর্শ করা যায় না,
আর ধর্মের নামে কারও শরীরের দরজা খুলে ফেলা যায় না।

কারণ সত্যিকারের ভালোবাসা শরীরের দিকে হাত বাড়ানোর আগে
বিবেকের দরজায় কড়া নাড়ে।

আর সেখানেই সভ্যতার সবচেয়ে সুন্দর প্রশ্ন-
আমরা মানুষের কাপড় পাহারা দেব,
নাকি মানুষের মর্যাদা?

নুনু কাটার আইন নয়-আগে কাটতে হবে ক্ষমতার অপব্যবহার!

আমাদের সমাজে একটি অদ্ভুত দৃশ্য আছে-
মানুষের হাতে ক্ষমতা থাকলে কখনো কখনো তার বিবেকটি যেন ছুটিতে চলে যায়! 😀

ধর্মের পোশাক,শিক্ষকের মর্যাদা,রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা অর্থনৈতিক সাহায্য-কোনোটিই কাউকে অন্য মানুষের শরীর, সম্মান বা স্বাধীনতার ওপর অধিকার দেয় না।

মসজিদ-মাদ্রাসা হোক, স্কুল-কলেজ হোক, অফিস হোক কিংবা রাজনৈতিক সংগঠন-যেখানেই কোনো শিক্ষক, নেতা, ধর্মীয় ব্যক্তি বা প্রভাবশালী মানুষ নিজের অবস্থান ব্যবহার করে নারী বা শিশুকে যৌন হয়রানি, শোষণ বা নির্যাতন করে, সেখানে প্রশ্নটি ধর্মের নয়; প্রশ্নটি মানুষের চরিত্রের এবং আইনের শাসনের।

বিশেষ করে দরিদ্র নারী, স্বামীহীন নারী কিংবা অর্থনৈতিকভাবে নির্ভরশীল মানুষ যখন কারও সাহায্যের ওপর নির্ভর করেন, তখন সেই সাহায্য যদি পরবর্তীতে শরীরের বিনিময়ে আদায় করার চেষ্টা করা হয়-তাহলে সেটি সাহায্য নয়, সেটি ক্ষমতার নোংরা ব্যবসা।

আর ধর্মের ভয় দেখিয়ে যদি কাউকে বলা হয়-
“আমার কথা না শুনলে জাহান্নাম!”

তাহলে একটু থেমে প্রশ্ন করা দরকার-
জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে নিজের কামনার দরজা খুলে দেওয়া কি সত্যিই ধর্মের শিক্ষা, নাকি ধর্মের নাম ব্যবহার করে নিজের অন্ধকারকে পবিত্র পোশাক পরানো?

এখানেই আমাদের হাসতে হাসতে একটি কঠিন সত্য বুঝতে হবে-

মানুষের পাপের সবচেয়ে হাস্যকর কৌশল হলো, নিজের অপরাধকে ঢাকার জন্য অন্যের ধর্মবোধকে ব্যবহার করা। 😀

কেউ যদি অন্যের শরীরের সীমারেখা সম্মান করতে না জানে, তাহলে তার মুখে যত বড় ধর্মীয় বক্তৃতাই থাকুক, তার চরিত্রের পরীক্ষায় সে ফেল করেছে।

তাই “ননু কাটার আইন” কথাটি হয়তো রসিকতার ভাষা হতে পারে, কিন্তু প্রকৃত সমাধান শরীরের কোনো অঙ্গ কেটে দেওয়া নয়। কাটতে হবে অপরাধের শিকড়-ভয় দেখানোর ক্ষমতা, অর্থনৈতিক নির্ভরতার সুযোগ নেওয়া, পদমর্যাদার অপব্যবহার, নীরবতার সংস্কৃতি এবং রাজনৈতিক আশ্রয়।

আইন এমন হতে হবে, যেখানে অপরাধীর পরিচয় আগে নয়- অপরাধ আগে।

সে মোল্লা হোক, শিক্ষক হোক, ব্যবসায়ী হোক, চেয়ারম্যান হোক, এমপি হোক, বিএনপি হোক, আওয়ামী লীগ হোক কিংবা অন্য কোনো দলের প্রভাবশালী ব্যক্তি-

আইনের দরজায় ঢোকার পর তার পরিচয় একটাই:
সে একজন নাগরিক, এবং তার কাজের জন্য তাকে জবাব দিতে হবে।

কারণ একজন নারীর শরীর কোনো দান নয়,
কোনো রাজনৈতিক পুরস্কার নয়,
কোনো ধর্মীয় পরীক্ষার খাতা নয়,
কোনো দরিদ্রতার সুযোগ নেওয়ার জায়গাও নয়।

নারীর সম্মতি তার নিজের।
শরীর তার নিজের।
সম্মান তার নিজের।

আর সবচেয়ে সুন্দর সমাজ সেই সমাজ নয় যেখানে মানুষ নারীদের ভয় দেখিয়ে “ভালো” রাখে;
সবচেয়ে সুন্দর সমাজ হলো সেই সমাজ-

যেখানে একজন নারী ভয় ছাড়াই “না” বলতে পারেন,
একজন শিশু শিক্ষককে প্রশ্ন করতে পারেন,
একজন দরিদ্র মানুষ সাহায্য নিতে পারেন কোনো বিনিময়ের ভয় ছাড়া,

আর একজন অপরাধী যত বড়ই হোন-আইনের সামনে মাথা নত করতে বাধ্য হন।

শেষ কথা খুব ছোট-
ধর্মকে পাহারা দেওয়ার আগে মানুষকে নিরাপদ করুন।

মর্যাদার বক্তৃতা দেওয়ার আগে মানুষের মর্যাদা রক্ষা করুন।

আর নারীর নাভির নিচের কাপড় নিয়ে ব্যস্ত হওয়ার আগে নিজের চরিত্রের কাপড়টি ঠিক আছে কি না-একবার আয়নায় দেখে নিন। 😀

কারণ শরীর ঢাকার কাপড় মানুষকে ভদ্র বানায় না;
মানুষকে ভদ্র বানায় তার বিবেক।

আর যে বিবেক জেগে থাকে, তার জন্য জাহান্নামের ভয় দেখানোরও প্রয়োজন হয় না-
সে অন্যের চোখের জল দেখেই নিজের সীমা চিনে নেয়।

উপসংহার

ভয় নয়, মানুষের পাশে দাঁড়াক বিবেক
যে শিশুটি আজও জানে না পৃথিবীর সব রাস্তা কোথায় যায়,

তাকে যদি কেউ মৃত্যুর পরের আগুন দেখিয়ে ভয় দেখায়-

তার ছোট্ট হাতটি যেন কখনো
কোনো বড় মানুষের অন্ধ ইচ্ছার খেলনা না হয়।

যে নারী জীবনের ঝড়ে একা হয়ে যান,
স্বামীহীন, দরিদ্র, অসহায়-
তার দরজায় যদি কেউ সাহায্যের হাত বাড়ান,
সেই হাত যেন আশ্রয়ের হয়,
অধিকারের নয়;
ভালোবাসার হয়,
দাবির নয়।

কারও বিশ্বাসকে ভয় বানিয়ে,
কারও দারিদ্র্যকে দুর্বলতা বানিয়ে,
কারও একাকিত্বকে সুযোগ বানিয়ে-
কোনো মানুষের শরীরের সীমারেখা পার হওয়া
ধর্ম নয়, প্রেম নয়, মানবতা নয়;
এ শুধু ক্ষমতার অন্ধকার।

আর একটু হাসি দিয়ে বলি-

মানুষ স্বর্গের টিকিট হাতে নিয়ে জন্মায় না,
জাহান্নামের সিলও কপালে নিয়ে ঘোরে না! 😀
তাই অন্যকে জাহান্নামের ভয় দেখানোর আগে
নিজের বিবেকের দরজায় একবার কড়া নাড়ুন-

ভেতর থেকে যদি উত্তর আসে,
“এই মানুষটিও আমার মতোই অনুভব করে,”
তাহলেই হয়তো মানবতার প্রথম পাঠটি শেখা হলো।

শিশুর শরীর হবে নিরাপদ,
নারীর “না” হবে পূর্ণ বাক্য,
দরিদ্রের প্রয়োজন হবে না কোনো গোপন বিনিময়ের ঋণ,আর ধর্মের ভাষা হবে ভালোবাসার-
ভয়ের নয়।

কারণ সত্যিকারের পবিত্রতা
কাপড়ের কতটুকু ঢাকা আছে সেখানে নয়;
পবিত্রতা থাকে
অন্যের সীমারেখার সামনে নিজের হাত থামিয়ে দিতে পারার মধ্যে।

যে চোখ শিশুর ভয়ে ভেজা চোখ দেখতে পায়,
যে হৃদয় অসহায় নারীর নীরবতা শুনতে পায়,
যে হাত ক্ষমতা পেয়েও অন্যের শরীর থেকে দূরে থাকে
সেই মানুষই সত্যিকার অর্থে মানুষ।

তাই আসুন-

ননু কাটার আইন নিয়ে শুধু হাসাহাসি না করে,
কামনার অপব্যবহার, ক্ষমতার দম্ভ আর নীরবতার সংস্কৃতিটাকেই কাটি।

কেটে দিই সেই ভয়,
যে ভয় মুখ বন্ধ করে রাখে;
কেটে দিই সেই লজ্জা,
যে লজ্জা অপরাধীর নয়, ভুক্তভোগীর ঘাড়ে বসে;
কেটে দিই সেই প্রভাব,
যে প্রভাব আইনকে মানুষের পরিচয় দিয়ে মাপে।

তারপর এমন একটি সমাজ গড়ি-
যেখানে কোনো শিশুকে বাঁচতে হলে
কাউকে ভয় পেতে হবে না,
কোনো নারীকে সাহায্য পেতে হলে
নিজের মর্যাদা বন্ধক রাখতে হবে না,
আর কোনো অপরাধীকে বাঁচতে হলে
ধর্ম, দল, পদ কিংবা টাকার ছাতা খুঁজতে হবে না।

মানুষের শরীরের সীমা যেখানে সম্মানিত,
সেখানেই সভ্যতার শুরু।
আর মানুষের কান্না যেখানে
অপরাধীর হাসির চেয়ে শক্তিশালী-
সেখানেই সত্যিকারের মানবতার জন্ম।

শেষে শুধু এতটুকু-

জাহান্নামের ভয় দেখিয়ে মানুষ বানানো যায় না;
একটি নিরাপদ পৃথিবী বানাতে লাগে
জেগে থাকা বিবেক,
ন্যায়সঙ্গত আইন,
আর একটু মানবিক ভালোবাসা।

ভালোবাসা যদি সত্যিই পবিত্র হয়-
তবে সে কখনো কাপড় টানে না,
সে মানুষের হাত ধরে বলে-

“ভয় পাবেন না,
আপনার শরীর, আপনার মর্যাদা, আপনার ‘না’-
সবই আপনার।”

_ মোস্তফা বিন মালেক _16 September 2026 থেকে সংগৃহীত

সুখ তুমি কি,বড় জানতে ইচ্ছে করে😃সুখের ক্ষুদে ট্যাবলেট — ডোপামিনমানুষ সুখের পিছনে দৌড়ায় — এ কথা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সু...
17/09/2026

সুখ তুমি কি,বড় জানতে ইচ্ছে করে😃

সুখের ক্ষুদে ট্যাবলেট — ডোপামিন

মানুষ সুখের পিছনে দৌড়ায় — এ কথা নতুন কিছু নয়। কিন্তু সুখটা কোথায় থাকে, সেটা অনেকেই জানে না। আপনি কি কখনো খেয়াল করেছেন — নতুন জামা কিনলে যত উত্তেজনা, তিন দিন পর সেই উত্তেজনার কোনো চিহ্নই থাকে না? কারণ সুখটা জামায় ছিল না। সুখটা ছিল মস্তিষ্কের ভেতরে। আর সেই সুখ তৈরি করেছিল একটাই রাসায়নিক — ডোপামিন।

মস্তিষ্ক মাঝে মাঝে এমন আচরণ করে, যেন সে ছোটখাটো একটা রাসায়নিকের দোকান। প্রয়োজন অনুযায়ী রাসায়নিক দেয়, না দরকার মনে হলে দেয় না। এই দোকানের সবচেয়ে ব্যস্ত রাসায়নিকটার নাম ডোপামিন। আমি একে বলি “সুখের ক্ষুদে ট্যাবলেট।” তবে এই ট্যাবলেটটা এমন যে ডাক্তার ছাড়াই পাওয়া যায়, বিনা প্রেসক্রিপশনে — আর আপনার মস্তিষ্ক আপনাকে সেটাই বারবার খেতে বলে।

ডোপামিন আসলে কী চায়?

ডোপামিনকে বুঝতে হলে একটা কথা আগে মাথায় রাখতে হবে — সে আনন্দের হরমোন না, সে প্রত্যাশার হরমোন। মানে, চা খাওয়ার সময় আনন্দ কম, কিন্তু চা খাওয়ার কথা ভাবলেই মস্তিষ্কে সুখ আসে। ডোপামিন একধরনের রাজনৈতিক নেতার মতো — প্রতিশ্রুতি বেশি, ডেলিভারি কম। এ কারণেই মানুষ কাজ শুরু করার আগেই ভাবে, “শুরু করলেই কষ্ট।” তাই সে কাজ ফেলে আরেকটু আনন্দ খোঁজে। এই আনন্দই আসক্তির প্রথম বীজ।

আপনি যখন কাজ ফেলে চায়ে যান, তখন আসলে চায়ের টানে যান না — ডোপামিনের টানে যান। ডোপামিন জানে না আপনার কাজ কী, দায়িত্ব কী। সে শুধু জানে — “যেটা ভালো লাগে, সেটাই করো।” এটাই তার সমস্যা এবং এটাই তার সৌন্দর্য।

মজার ব্যাপার হলো, জীবন যত সহজ হয়, ডোপামিন ততই উচ্ছ্বসিত। আগে মানুষ গাছ বেয়ে পাতা ছিঁড়ে খেত, ফল খুঁজে পেতে হাফ মাইল হাঁটত। এখন ফোনে খাবার আসে দেখে ডোপামিন লাফিয়ে ওঠে — “বাহ! মানুষ এখন বেশ স্মার্ট!” মস্তিষ্কও ভাবে, “এই পথটাই ভালো, এই পথেই চলি।” ফলে ধৈর্যের পথগুলো ধীরে ধীরে ঝোপে ঢেকে যায়।

আসক্তির চক্র কীভাবে তৈরি হয়?

ডোপামিনের দুটো ছোট ভাই আছে — ট্রিগার আর রিওয়ার্ড। একটা পরিবেশ, একটা শব্দ, একটা ভাবনা — সবই ট্রিগার। আপনি সোফায় বসলেই ফোন মনে পড়ে, শোবার ঘরে ঢুকলেই স্ক্রল করার ইচ্ছে হয় — এটা দুর্বলতা না, এটা ট্রিগার। আর রিওয়ার্ড হলো সেই মুহূর্তের ছোট্ট তৃপ্তি — একটা ভিডিও দেখলেই মস্তিষ্ক বলে, “বাহ! আরেকটা দেখো।” এই দুই ভাইয়ের মিলে তৈরি হয় অভ্যাসের চক্র — Cue, Routine, Reward। এই চক্র একবার তৈরি হলে ভাঙা কঠিন। কিন্তু অসম্ভব না।
আসক্তি তৈরি হয় চার ধাপে। প্রথমে ছোট আনন্দ, তারপর পুনরাবৃত্তি, তারপর মস্তিষ্কে একটা স্থায়ী পথ তৈরি হয়, আর শেষে সেই আচরণ বাধ্যতামূলক হয়ে যায়। মানুষ ভাবে সে নিয়ন্ত্রণ করছে, আসলে সে নিয়ন্ত্রিত। “ইচ্ছে না থাকলেও খুলছি” — এই মুহূর্তটাই আসক্তির পরিণত রূপ।
ডোপামিনকে হারাতে হবে না — বোঝাতে হবে
ডোপামিন খারাপ না। সে আপনাকে আনন্দ দেয়। আপনি কাজ শেষ করলে সে পুরস্কার দেয়। সমস্যা হলো সে কখন পুরস্কার দেবে সেটা নিজে নিজে ঠিক করে নেয়। তাকে হারানো মানে আনন্দহীন জীবন নয়, বরং সঠিক সময়ে আনন্দকে বেছে নেওয়া। সকালে কাজ করলে দুপুরে বিশ্রাম, ডেডলাইন পূরণ হলে পুরস্কার — এভাবে ডোপামিনের সাথে একটা চুক্তি করা যায়। এটা যুদ্ধে জেতার মতো নয়, বরং একজন ঘনিষ্ঠ কিন্তু বেপরোয়া বন্ধুর সাথে বোঝাপড়া করার মতো।

ডোপামিনের ক্ষুদে ট্যাবলেট আমাদের জীবন চালায়, আমাদের ভুলও করায়। কিন্তু একদিন যদি কেউ ঠিক করে নেয় — “আমি ভুল রাস্তায় যাব না” — তাহলে সেই ক্ষুদে ট্যাবলেটও তাকে বড় সুখের পথে নিয়ে যেতে পারে। আসল সুখ দ্রুত আনন্দে নয়, দীর্ঘমেয়াদী শান্তিতে।

"মাথার ভেতর মেলা" বই থেকে। এই বই সহ আমাদের তিনটা বেস্ট সেলিং বইয়ের বান্ডেল অফার সম্পর্কে জানতে পিন কমেন্টের পোস্ট দেখুন।
সংগৃহীত

কানাডায় মিউনিসিপালিটি নিবাচনকে সামনে রেখে নিবাচনী প্রচারণা চালানো হচ্ছে রাস্তার ধারে নিদ্রিষ্ঠ মাপের প্যানা। কোন দেয়ালে ...
16/09/2026

কানাডায় মিউনিসিপালিটি নিবাচনকে সামনে রেখে নিবাচনী প্রচারণা চালানো হচ্ছে রাস্তার ধারে নিদ্রিষ্ঠ মাপের প্যানা। কোন দেয়ালে পোস্টার লাগানো হয় না বা কোন মাইকিং বা ইলেকট্রনিকস মিডিয়ায় প্রচারণা নেই। আর বাংলাদেশে বাসা- বাড়ি, অফিস আদালত,আর মাইকিং এবং ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার....

পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু কোন তাপমাত্রার পানি কতটা উপকারী - একটু জেনে নিই 🤫🥛
16/09/2026

পানির অপর নাম জীবন। কিন্তু কোন তাপমাত্রার পানি কতটা উপকারী - একটু জেনে নিই 🤫🥛

14/09/2026

Apple picking festival at Clarington, Ontario, Canada.

13/09/2026
13/09/2026

Apple picking festival at Clarington, Ontario, Canada but Only Apple Strawberry,colorful Pumpkin, Goat,Chicken are available there.

12/09/2026

Apple! Apple!! Apple!!! Festival 🍎🍏🍎🍏🍎🍏🍐🍒🍓🍓🍓
The 2026 Harvest Festival is currently underway at Pingle's Farm Market, located on Taunton Road in Clarington, Ontario,Canada.

The festival of Clarington only
Open from 11 September' 26 Day weekend and runs through November 1, 2026, offering extensive pick-your-own apple orchards along with a variety of family activities.

Key Festival Attractions at Pingle's
Pick-Your-Own Apples: Visitors can purchase a 10 lb bag ($26.91) or a 20 lb bag ($40.37) to fill with fresh apples directly from the branches,a minibusket for Strawberry by 8.0 $ Available varieties shift dynamically as the harvest season progresses.

Seasonal Entertainment: The farm includes a giant corn maze, wagon rides, flower, Pumpkin.

Food and Bakery: The market features freshly pressed apple cider, warm apple cider donuts, handcrafted pizza, poutine, and brisket.

What to Keep in Mind
Tickets Required: You must purchase an admission ticket.

Operational Hours: The market and pick-your-own orchard are open Monday through Friday from 9:00 AM to 6:00 PM, and Saturday and Sunday from 9:00 AM to 7:00 PM.

পাঁচবার "কেন" জিজ্ঞেস করুন। সমস্যার শিকড় বেরিয়ে আসবে।একটা সত্যি ঘটনা দিয়ে শুরু করি।জাপানের টয়োটা কারখানায় একদিন একট...
12/09/2026

পাঁচবার "কেন" জিজ্ঞেস করুন। সমস্যার শিকড় বেরিয়ে আসবে।

একটা সত্যি ঘটনা দিয়ে শুরু করি।

জাপানের টয়োটা কারখানায় একদিন একটা মেশিন হঠাৎ বন্ধ হয়ে গেল। সাধারণ মানুষ হলে কী করতো? মেশিনটা চালু করে দিয়ে কাজে ফিরে যেতো। কিন্তু টয়োটার প্রকৌশলীরা থামলেন এবং প্রশ্ন করা শুরু করলেন।

কেন মেশিন বন্ধ হলো? কারণ ফিউজ উড়ে গেছে।
কেন ফিউজ উড়লো? কারণ বিয়ারিংয়ে অতিরিক্ত চাপ পড়ছিল।
কেন চাপ পড়ছিল? কারণ পর্যাপ্ত তেল যাচ্ছিল না।
কেন তেল যাচ্ছিল না? কারণ তেলের পাম্প ঠিকমতো টানছিল না।
কেন পাম্প টানছিল না? কারণ পাম্পের ভেতরে ধাতুর গুঁড়ো ঢুকে গেছে।
আর কেন গুঁড়ো ঢুকলো? কারণ পাম্পে কোনো ফিল্টার লাগানো ছিল না।

এবার ভাবুন। যদি তাঁরা প্রথম উত্তরেই থেমে যেতেন, তাহলে শুধু ফিউজটা বদলাতেন। এক সপ্তাহ পর মেশিন আবার বন্ধ হতো। আবার ফিউজ বদলাতেন। এভাবে বছরের পর বছর চলতো।

কিন্তু তাঁরা পাঁচবার "কেন" জিজ্ঞেস করে এমন একটা কারণে পৌঁছালেন, যেটা ঠিক করলে সমস্যাটা আর কোনোদিন ফিরে আসবে না। মাত্র একটা ফিল্টার। ব্যস।

এই পদ্ধতির নাম "ফাইভ হোয়াইজ" বা পাঁচটি কেন। এটি আবিষ্কার করেছিলেন টয়োটার প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য সাকিচি টয়োডা, আর পরে এটি টয়োটা প্রোডাকশন সিস্টেমের ভিত্তি হয়ে ওঠে — যে সিস্টেম নিয়ে তাইচি ওহনো লিখেছেন তাঁর বিখ্যাত বই "Toyota Production System"। আজ এই পদ্ধতি ব্যবহার করছে পৃথিবীর সবচেয়ে বড় কোম্পানিগুলো, হাসপাতাল, এমনকি নাসা পর্যন্ত।

কিন্তু সবচেয়ে মজার ব্যাপার কী জানেন? এই পদ্ধতিটা কারখানার জন্য যতটা কার্যকর, ব্যক্তিগত জীবনের জন্য তার চেয়ে অনেক বেশি কার্যকর।

গত পোস্টে আমরা শিখেছি, সমাধানের আগে সঠিক সমস্যাটা খুঁজে বের করতে হয়। আজ শিখবো সেই সমস্যার শিকড়ে কীভাবে পৌঁছাতে হয়।

একটা উদাহরণ দেখুন।

সমস্যা: আমি প্রতিদিন রাত জেগে থাকি।

কেন রাত জাগি? কারণ রাত এগারোটার পর ফোনে স্ক্রল করি।
কেন স্ক্রল করি? কারণ ঘুম আসে না, আর ফোনটা সময় কাটানোর সহজ উপায়।
কেন ঘুম আসে না? কারণ সারাদিনের কাজগুলো মাথায় ঘুরতে থাকে।
কেন কাজগুলো মাথায় ঘোরে? কারণ কোনো কাজ কোথায় দাঁড়িয়ে আছে আমি লিখে রাখি না।
কেন লিখে রাখি না? কারণ আমার কোনো নির্দিষ্ট সিস্টেম নেই।

দেখুন কী হলো। আপনি ভাবছিলেন সমস্যাটা মোবাইলের। আসলে সমস্যাটা হলো, দিনের কাজ কোথাও লেখা থাকে না, তাই মাথাটাই খাতার কাজ করছে — আর খাতা কখনো ঘুমায় না।

এখন যদি আপনি শুধু "মোবাইল কম চালাবো" প্রতিজ্ঞা করেন, তিন দিন পর আবার আগের জায়গায় ফিরে যাবেন। কিন্তু যদি একটা ছোট্ট নোটবুক রাখেন যেখানে দিনের শেষে সব কাজ লিখে ফেলেন, তাহলে শিকড়টাই কেটে যাবে।

লক্ষ করুন, প্রতিটা "কেন" আপনাকে বাইরে থেকে ভেতরে নিয়ে যাচ্ছে। প্রথম উত্তরটা প্রায় সবসময় পরিস্থিতিকে দোষ দেয় — সময় নেই, মানুষটা খারাপ, ভাগ্য খারাপ। কিন্তু তৃতীয় বা চতুর্থ "কেন"-তে পৌঁছে হঠাৎ এমন কিছু বেরিয়ে আসে, যেটা আসলে আপনার হাতের নাগালেই ছিল।

এখানে অবশ্য দুইটা সতর্কতা আছে, যেটা বেশিরভাগ মানুষ জানে না।

প্রথমত, "কেন" জিজ্ঞেস করতে হবে ব্যবস্থার দিকে, মানুষের দিকে নয়। "কেন সে এত অলস?" — এটা ভুল প্রশ্ন, কারণ এর কোনো সমাধান নেই। "কেন কাজটা সময়মতো শেষ হয়নি?" — এটা সঠিক প্রশ্ন, কারণ এর উত্তরে ব্যবস্থার ফাঁক ধরা পড়ে। টয়োটার একটা মূলনীতিই হলো, দোষ খুঁজো না, কারণ খোঁজো।

দ্বিতীয়ত, নিজের দিকে প্রশ্নটা ঘোরানোর সময় সেটা যেন আত্মসমালোচনার হাতিয়ার না হয়। "কেন আমি এত অকর্মণ্য?" — এটা "কেন" নয়, এটা নিজেকে শাস্তি দেওয়া। আসল "কেন" ঠান্ডা এবং কৌতূহলী, গরম এবং বিচারমূলক নয়। একজন গোয়েন্দার মতো প্রশ্ন করুন, একজন বিচারকের মতো নয়।

আর এখানেই একটা কথা মন দিয়ে শুনুন। যে সমস্যাটা বারবার ফিরে আসছে — একই ঝগড়া, একই আর্থিক টান, একই অগোছালো সকাল — সেটার জন্য নিজেকে দুর্বল বা ব্যর্থ ভাববেন না। এটা আপনার দোষ নয়। বারবার ফিরে আসা সমস্যা মানে আপনার ইচ্ছাশক্তির ঘাটতি নয়, বরং এর মানে হলো শিকড়টা এখনো কাটা হয়নি। আপনি এতদিন ডালপালা ছাঁটছিলেন, তাই গাছটা আবার বেড়ে উঠছিল। গাছ কাটতে কুড়াল লাগে না — শুধু জানতে হয় কোথায় কোপ দিতে হবে।

আর সত্যি কথা হলো, শিকড় খোঁজার এই সাহসটা ইসলামে আমাদের বারবার শেখানো হয়েছে।

আল্লাহ তাআলা কুরআনে বলেন, "নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো জাতির অবস্থা পরিবর্তন করেন না, যতক্ষণ না তারা নিজেদের ভেতরের অবস্থা পরিবর্তন করে" (সূরা রাদ, ১৩:১১)। খেয়াল করুন আয়াতটা কী বলছে — বাইরের পরিবর্তন আসে ভেতরের পরিবর্তনের পর। অর্থাৎ লক্ষণ নয়, শিকড়। আল্লাহ আমাদের শিখিয়ে দিচ্ছেন যে আসল কাজটা গভীরে, উপরিভাগে নয়।

আর নবীজি (সা.) একটা অসাধারণ কথা বলেছেন। তিনি বললেন, শরীরে একটি মাংসপিণ্ড আছে; সেটি ঠিক থাকলে পুরো শরীর ঠিক থাকে, আর সেটি নষ্ট হলে পুরো শরীর নষ্ট হয়ে যায় — জেনে রাখো, সেটি হলো কলব বা হৃদয়। ভাবুন তো, এটাই তো চূড়ান্ত রুট কজ অ্যানালাইসিস। তিনি একের পর এক লক্ষণ ধরে না টেনে সরাসরি মূল কারণে হাত দিলেন।

আর মুহাসাবা — অর্থাৎ নিজের হিসাব নিজে নেওয়া — এই সুন্নাহটাও তো ঠিক এই কাজই। উমর (রা.) বলতেন, হিসাব নেওয়ার আগে নিজের হিসাব নিজেই নিয়ে নাও। কিন্তু খেয়াল করুন, মুহাসাবা মানে নিজেকে গালি দেওয়া নয়। মুহাসাবা মানে ঠান্ডা মাথায় প্রশ্ন করা: আজ কী ভুল হলো, আর কেন হলো। ঠিক পাঁচটা কেন-এর মতোই।

এবার আসুন করণীয়তে। আজ থেকে সাতটা ধাপে অভ্যাসটা গড়ে তুলুন।

ধাপ ১ — একটা সমস্যা বেছে নিন। এমন একটা সমস্যা নিন যেটা বারবার ফিরে আসে। বড় কিছু দরকার নেই। "প্রতিদিন সকালে দেরি হয়ে যায়" — এটাই যথেষ্ট। বারবার ফিরে আসা মানেই শিকড় কাটা হয়নি।

ধাপ ২ — কাগজে লিখুন, মাথায় নয়। মাথার ভেতরে "কেন" করলে তিন নম্বরেই আপনি হারিয়ে যাবেন। উপরে সমস্যাটা লিখুন, তারপর নিচে একটার পর একটা উত্তর লিখতে থাকুন। চোখের সামনে সিঁড়িটা দেখা যেতে হবে।

ধাপ ৩ — পাঁচবার "কেন" জিজ্ঞেস করুন। প্রতিটা উত্তরের পর আবার সেই উত্তরটাকেই প্রশ্ন করুন। পাঁচ কোনো জাদুকরী সংখ্যা নয় — কখনো তিনেই শিকড় বেরোবে, কখনো সাতে যেতে হবে। থামবেন তখনই, যখন উত্তরটা এমন কিছুতে গিয়ে ঠেকবে যা আপনি সরাসরি বদলাতে পারেন।

ধাপ ৪ — প্রতিটা উত্তর যাচাই করুন। প্রতিটা ধাপে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন, "এটা কি আসলেই সত্যি, নাকি আমি অনুমান করছি?" অনুমানের ওপর দাঁড়ানো সিঁড়ি ভুল জায়গায় নিয়ে যায়। প্রমাণ না থাকলে সেটা খুঁজে বের করুন।

ধাপ ৫ — ব্যবস্থায় থামুন, মানুষে নয়। যদি আপনার কোনো উত্তর গিয়ে ঠেকে "কারণ সে খারাপ" বা "কারণ আমি অলস" — তাহলে বুঝবেন আপনি ভুল পথে গেছেন। এক ধাপ পিছিয়ে গিয়ে প্রশ্নটা আবার করুন: কোন ব্যবস্থার অভাবে এটা ঘটছে?

ধাপ ৬ — শিকড়ে একটাই ছোট পদক্ষেপ নিন। শেষ উত্তরটার বিরুদ্ধে এমন একটা কাজ ঠিক করুন যেটা আজই শুরু করা যায়। টয়োটার সমাধান ছিল একটা ফিল্টার। আপনারটাও তেমন ছোট হবে — হয়তো একটা নোটবুক, হয়তো একটা অ্যালার্ম, হয়তো একটা কঠিন কথোপকথন।

ধাপ ৭ — দুই সপ্তাহ পর মিলিয়ে দেখুন। সমস্যাটা কি কমেছে? যদি একই জায়গায় ফিরে আসে, তার মানে আপনি শিকড় নয়, একটা মাঝের ডাল কেটেছেন। আবার বসুন, আবার "কেন" করুন। এতে হতাশ হওয়ার কিছু নেই — এভাবেই টয়োটা পৃথিবীর সেরা হয়েছে।

মনে রাখবেন, বেশিরভাগ মানুষ সারাজীবন প্রথম উত্তরটা নিয়েই সন্তুষ্ট থাকে। আর যারা পাঁচবার "কেন" জিজ্ঞেস করার ধৈর্য রাখে, তারা একই সমস্যা দ্বিতীয়বার সমাধান করতে বসে না।

আজ একটা কাগজ নিন। আপনার সবচেয়ে পুরনো সমস্যাটা লিখুন। তারপর পাঁচবার জিজ্ঞেস করুন — কেন।

আপনার জীবনের কোন সমস্যাটা বারবার ফিরে আসে, যেটার শিকড় আজ খুঁজতে চান? কমেন্টে শুধু সমস্যাটা এক লাইনে লিখুন — আর নিচে লিখুন "কেন ১"। বাকিটা আপনি নিজেই বের করে ফেলবেন।

আমাদের ক্রিটিকেল থিংকিং ও প্রবলেম সলভিং নিয়ে বই এর বিস্তারিত জানতে পিন করা কমেন্টের লিংকে দেখুন।।

বিশেষ দ্রষ্টব্য: দীর্ঘদিন ধরে চলা মানসিক কষ্ট, উদ্বেগ বা ঘুমের সমস্যা যদি জীবনযাপনে বাধা হয়ে দাঁড়ায়, তবে একজন যোগ্য মানসিক স্বাস্থ্য পেশাজীবীর পরামর্শ নেওয়া দুর্বলতা নয় — বরং সেটাই সবচেয়ে বুদ্ধিমান পদক্ষেপ।

#প্রবলেমসলভিং #ক্রিটিক্যালথিংকিং #আত্মউন্নয়ন #মনেরযত্ন


Soul Wellness | Breathe · Believe · Blossom

Address

511 Kazihata, GPO, Rajpara
Rajshahi
6000

Telephone

+8801712279017

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nurul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Nurul Islam:

Shortcuts

Share

Category