11/06/2020
বাজেটে নিত্য প্রয়োজনীয় অনেক পন্যের দাম বাড়িয়ে আগামী দিনের খরচ বাড়িয়ে দিয়েছে সবার জন্যই।
কিন্তু নিন্ম থ আয়ের করদাতাদের জন্য সুখবর। যেটা ৩ -৪ বছর ধরেই ছিলো বিভিন্ন মহলের আবদার। অবশেষে করমুক্ত আয়সীমা ২৫০,০০০ থেকে বাড়িয়ে করা হয়েছে ৩০০,০০০৷ কিন্তু মধ্যম থেকে উচ্চ আয়ের ব্যক্তিদের জন্য একটু ভালোভাবে হিসেব করলে আগে যা ছিলো তাই ই আছে।
ছবিতে খেয়াল করলেই পার্থক্যটা বুঝা যাবে সুন্দর ভাবে।
২০১৯ পর্যন্ত সালে আপনার বাৎসরিক করযোগ্য আয় ৩০০,০০০ হলে আপনাকে ট্যাক্স দিতে হতো ৫,০০০ টাকা। কিন্তু ২০২০ এখন সেটা যদিও শুন্য কিন্তু ৩০০,০০০ টাকা আয় হলেই আপনাকে কমপক্ষে ৫,০০০ টাকা দিতেই হবে সরকারি কোষাগারে যদি আপনি ঢাকার বাসিন্দা হয়ে থাকেন। অন্যান্য বিভাগীয় শহর হলে সেটা ৩,০০০ টাকা।
৬৫০,০০০ টাকা আয় হলে আগে যেখানে দেয়া লাগতো
৪০,০০ টাকা ট্যাক্স, সেখানে এখন লাগবে ৩০,০০০ টাকা।
এরপর আপনার আয় যতই বেশি হতে থাকবে। এই বাজেট থেকে আপনার চাওয়া-পাওয়ার কিছুই নেই। যেমন দেখেন আপনার আয় বছরে ১,৭৫০,০০০ হলে আগে ট্যাক্স আসতো ২৩৫,০০০ হাজার কিন্তু এখন সেটা ২৪০,০০০ আসবে।
(তবে আমার এই হিসাবে, বিনিয়োগ রেয়াতের হিসাব আনা হয় নি); তা আনলে সকল শ্রেনীর করদাতার কর অনেক কমে যাবে এর থেকে।
বি.দ্রঃ যারা আগে থেকেই ট্যাক্স দিয়ে থাকেন তারা অবশ্যই জানেন। আপনার বছরে যা আয় সবই কিন্তু করযোগ্য আয় নয়। যদি না জেনে থাকেন, তাহলে ট্যাক্স প্রদান করার আগে অবশ্যই এই ব্যাপারে যথেষ্ট জ্ঞান আছে তার সাথে পরামর্শ করে নিতে পারেন।
ভালভাবে ট্যাক্স প্ল্যানিং করলে আপনার পকেটের টাকা সরকার কে দেয়া লাগবে অনেক ক্ষেত্রেই 😀
তবে আপনার আয় যতই হউক। টিআইএন থাকলেই জমা দিতে হবে আয়কর রিটার্ন। আয় শূন্য হলেও রিটার্ন জমা দেয়া বাধ্যতামূলক।