Hasan Electronics

Hasan Electronics A TV Rapier Shop

26/02/2020
our new service
25/02/2020

our new service

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ে সকল LED TV আকর্শনীয় মূল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে।LED TV কেনার আগে অন্তত একবার আমাদের শোর...
19/08/2018

পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে বিশেষ ছাড়ে সকল LED TV আকর্শনীয় মূল্যে বিক্রয় করা হচ্ছে।
LED TV কেনার আগে অন্তত একবার আমাদের শোরুম এ আসুন। 01717706831 01712501970

কিডনির জন্য ক্ষতিকর ছয় অভ্যাস!!!!কিডনি শরীরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ, এটি প্রায় সবারই জানা। কিডনি শরীরের বাড়তি তরল ও বিষা...
30/11/2017

কিডনির জন্য ক্ষতিকর ছয় অভ্যাস!!!!
কিডনি শরীরের জন্য কেন গুরুত্বপূর্ণ, এটি প্রায় সবারই জানা। কিডনি শরীরের বাড়তি তরল ও বিষাক্ত পদার্থ বের করে দিতে সাহায্য করে।

তবে কিছু অভ্যাস রয়েছে, যেগুলো এই গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গটির ক্ষতি করে। কিডনির ক্ষতি করে এমন কিছু অভ্যাসের কথা জানিয়েছে জীবনধারাবিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।

১. বেশি মদ্যপান

অতিরিক্ত মদ্যপান কিডনির ক্ষতির ঝুঁকি বাড়ায়। কারণ, অ্যালকোহল কিডনি ও লিভারের ওপর চাপ ফেলে।

২. প্রস্রাব আটকে রাখা

প্রস্রাব দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখলে কিডনিতে পাথর হওয়ার আশঙ্কা বাড়ে এবং এই অভ্যাস কিডনিকে অকার্যকর করে তুলতে পারে।

৩. পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করা

পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান না করলে বিষাক্ত পদার্থগুলো শরীরে জমে থাকে। এ থেকে কিডনির ক্ষতি হতে পারে।

৪. বেশি লবণ খাওয়া

অতিরিক্ত সোডিয়াম গ্রহণ কিডনির ক্ষতি করে। কারণ, এটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মধ্যে চাপ প্রয়োগ করে, রক্তচাপ বাড়ায়।

৫. ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি

ভিটামিন ও মিনারেলের ঘাটতি হলে (যেমন—ম্যাগনেসিয়াম ও ভিটামিন বি৬) শরীর ভালোভাবে কাজ করে না; কিডনির ক্ষতি হয়।

৬. প্রাণিজ প্রোটিন বেশি গ্রহণ

প্রাণিজ প্রোটিন, যেমন—লাল মাংস কিডনির ওপর চাপ ফেলে। তাই লাল মাংস এড়িয়ে যাওয়া ভালো।
source
www.ntvbd.com/health/168901/কিডনির-জন্য-ক্ষতিকর-ছয়-অভ্যাস

কতটুকু বাদাম প্রতিদিন খাবেন?আমরা সবাই জানি, বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বাদাম ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর একটি খাবার। তবে ...
18/12/2016

কতটুকু বাদাম প্রতিদিন খাবেন?
আমরা সবাই জানি, বাদাম স্বাস্থ্যের জন্য ভালো। বাদাম ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর একটি খাবার। তবে স্বাস্থ্যগত উপকার পাওয়ার জন্য বাদাম খাওয়ার পরিমাণটা কিন্তু সঠিক হতে হবে।

বাদাম মস্তিষ্কের জন্য ভালো। বাদাম শরীরের বাজে কোলেস্টেরল কমায়, হৃদরোগ প্রতিরোধ করে, রক্ত সঞ্চালন সহজ করে। ডায়াবেটিস, ক্যানসার, নিউরোডিজেনারেটিভ রোগ প্রতিরোধ করে। গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ১০ গ্রাম বাদাম খাওয়া বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ করে। বোল্ড স্কাইতে পাওয়া গেল এসব তথ্য।

এই ১০ গ্রাম বলতে আসলে কী বোঝায়? ১০ গ্রাম ওয়ালনাট মানে হলো মোটামুটি পাঁচটি ওয়ালনাট। ১০ গ্রাম পিনাট হলো ১২টি পিনাট। ১০ গ্রাম কাঠবাদাম হলো আট থেকে নয়টি কাঠবাদাম-অবশ্য এটি আকারের ওপর অনেকটা নির্ভর করে। ১০ গ্রাম কেসুনাট মানে ছয়টি কেসুনাট। ১০ গ্রাম পিকেন মানে হলো পাঁচটি পিকেন।

গবেষণায় বলা হয়, প্রতিদিন ১০ গ্রাম বাদাম খেলে এক শতাংশ ক্যানসার প্রতিরোধ হয়। মস্তিষ্কের স্নায়ুজনিত সমস্যা সাত ভাগ প্রতিরোধ হয়, ১৭ ভাগ হৃদরোগের ঝুঁকি কমে। তাই বাদামকে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকতায় রাখুন।

18/09/2016

ধীরস্থিরতার সঙ্গে নামাজ আদায় করুন ----------------
একজন মুমিন নামাজ আদায় করবেন বিনয়াবনতভাবে। মুমিন ব্যক্তি নামাজ পড়া অবস্থায় আল্লাহপাকের ভীতি, শ্রেষ্ঠত্ব, প্রতাপ ও পরাক্রমের কারণে সন্ত্রস্ত ও আড়ষ্ট থাকবে। সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহর ভয়ে তার মাথা নত হয়ে যাবে, অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ ঢিলে হয়ে যাবে, দৃষ্টি নত হবে, কণ্ঠস্বর নিম্নগামী হবে এবং কোনো জবরদস্ত প্রতাপশালী ব্যক্তির সামনে উপস্থিত হলে মানুষের মধ্যে যে স্বাভাবিক ভীতির সঞ্চার হয় তার যাবতীয় চিহ্ন তার মধ্যে ফুটে উঠবে। এমনভাবে নামাজ আদায়কারী মুমিনকে আল্লাহপাক সফল হিসেবে উল্লেখ করে কোরআনে ইরশাদ করেছেন, ‘নিশ্চিতভাবে সফলকাম হয়েছে মুমিনরা। যারা নিজেদের নামাজে বিনয়াবনত হয়’ (মুমিনুন : ১-২)।
নামাজের চুরি হচ্ছে সবচেয়ে বড় চুরি। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেন, ‘সবচেয়ে নিকৃষ্ট চোর সেই ব্যক্তি, যে সালাতে চুরি করে। সাহাবিরা বললেন, ইয়া রাসুলুল্লাহ! সে কীভাবে সালাতে চুরি করে? তিনি বললেন, সে রুকু-সিজদাহ পরিপূর্ণভাবে করে না’ (মুসনাদে আহমদ ৫/৩১০; মিশকাত, হাদিস নম্বর-৮৮৫)।
অনেকে নামাজে ধীরস্থির ভাব বজায় রাখে না। ধীরে-সুস্থে রুকু-সিজদাহ করে না। রুকু থেকে যখন মাথা তোলে তখন পিঠ সোজা করে দাঁড়ায় না এবং দুই সিজদাহর মাঝে পিঠ টান করে বসে না। খুব কম মসজিদই এমন পাওয়া যাবে, যেখানে এ জাতীয় দু-চারজন পাওয়া যাবে না। অথচ ধীরস্থিরতা বজায় রাখা সালাতের অন্যতম রুকন। স্বেচ্ছায় তা পরিহার করলে কোনো মতেই সালাত শুদ্ধ হবে না। সুতরাং বিষয়টি বেশ গুরুতর। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘কোনো ব্যক্তি যে পর্যন্ত না রুকু-সিজদায় তার পৃষ্ঠদেশ সোজা করবে, সে পর্যন্ত তার সালাত যথার্থ হবে না’ (সুনান আবু দাউদ; তিরমিজি; মিশকাত, হাদিস নম্বর-৯৭৮)।
কাজটি যে অবৈধ এ বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই। যে এভাবে নামাজ আদায় কবে সে ভর্ৎসনার যোগ্য। আবু আবদুল্লাহ আশ’আরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) একবার সাহাবিদের সঙ্গে নামাজ আদায়ের পর তাদের একটি দলের সঙ্গে বসা অবস্থায় ছিলেন। এমন সময় এক ব্যক্তি এসে নামাজে দাঁড়াল। সে ঠোকর মেরে রুকু-সিজদা করছিল। তা দেখে নবী (সা.) বললেন, ‘তোমরা কি এ লোকটিকে ল করেছ? এভাবে নামাজ আদায় করে কেউ যদি মারা যায়, তবে সে মুহাম্মাদের মিল্লাত ছাড়া অন্য মিল্লাতে মারা যাবে। কাক যেমন রক্তে ঠোকর মারে, সে তেমনি করে তার সালাতে ঠোকর মারছে। যে ব্যক্তি রুকু করে আর সিজদায় গিয়ে ঠোকর মারে তার দৃষ্টান্ত সেই ক্ষুধার্ত লোকের মতো, যে একটি দুটির বেশি খেজুর খেতে পায় না। দুটি খেজুরে তার কতটুকু ক্ষুধা মেটাতে পারে?’
জায়েদ ইবন ওয়াহাব থেকে বর্ণিত, একবার হুজায়ফা (রা.) জনৈক ব্যক্তিকে দেখতে পেলেন যে, সে রুকু-সিজদাহ পূর্ণাঙ্গরূপে আদায় করছে না। তিনি তাকে বললেন, ‘তুমি নামাজ আদায় করনি। আর এ আবস্থায় যদি তুমি মারা যাও, তাহলে যে দীনসহ আল্লাহতাআলা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে পাঠিয়েছিলেন তুমি তার বাইরে মারা যাবে।’
যে ব্যক্তি সালাতে ধীরস্থিরতা বজায় রাখে না, সে যখন তার বিধান জানতে পারবে তখনকার ওয়াক্তের ফরজ সালাত তাকে আবার পড়তে হবে। আর অতীতে যা ভুল হয়ে গেছে সে জন্য তওবা করবে, সেগুলো আর আবার পড়তে হবে না। যেমন হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) একদিন জনৈক দ্রুত সালাত আদায়কারীকে ল্য করে বললেন, ‘যাও, সালাত আদায় করো। কেননা তুমি তো সালাত আদায় করনি।’ এখানে অতীত সালাত কাজা করার কথা বলা হয়নি (সহিহ বোখাারি; সহিহ মুসলিম; মিশকাত, হাদিস নম্বর-৭৯০)।
আল্লাহ আমাদের সবাইকে উত্তম গুণাবলি অর্জন করার তাওফিক দান করুন। সঙ্গে সঙ্গে বিনয়াবনতভাবে নামাজ আদায় করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

14/07/2016

কুকুর কামড়ালে কি পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়?
কুকুর সম্পর্কে আমাদের অনেকের মনে বিশেষ ভীতি রয়েছে। আর এই ভীতির অন্যতম কারণ হচ্ছে র‍্যাবিস। র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুর মানুষকে কামড়ালে আর সময়মতো চিকিৎসা না করালে পরিণাম হয় মৃত্যু। র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুরকে সাধারণ লোকজন পাগলা কুকুর বলেই জানে। প্রকৃতপক্ষে এই পাগল আচরণের জন্য দায়ী র‍্যাবিস। র‍্যাবিস—র‍্যাবডোভাইরাস গ্রুপের আরএনএ ভাইরাসজনিত রোগ। র‍্যাবিস আক্রান্ত কুকুরের মধ্যে কোনো কিছুকে কামড়ানোর প্রবৃত্তি জেগে ওঠে, ঝাঁপ দিয়ে কোনো কিছু ধরতে চায় এবং গিলে খেতে সাহায্যকারী মাংসপেশিগুলোর সংকোচন হতে থাকে।
এতে তৃষ্ণা পেলেও পানি পান করা সম্ভব হয় না। তাই হয়তো র‍্যাবিসের অন্য নাম জলাতঙ্ক। কাজেই কুকুর থেকে সাবধান থাকা ভালো। কিন্তু কুকুর কামড়ালে মানুষের পেটে কুকুরের বাচ্চা হয়—এ ধারণার কোনো ভিত্তি নেই। কুকুরের কামড় থেকে পেটে কুকুরের বাচ্চা হওয়া অসম্ভব ব্যাপার। এমনকি কখনো হয়েছে বলে শোনা যায়নি। তার পরও এ ধরনের একটি ভ্রান্ত বিশ্বাস প্রচলিত আছে।

Advertisement
সম্ভবত কুকুর সম্পর্কে সতর্কতা অবলম্বনের স্বার্থে এ ধরনের কথার প্রচলন হয়েছে। বিশেষ করে শিশুদের ভয় দেখানোর জন্য বিশেষ করে এবং তারা যাতে কুকুর থেকে দূরে থাকে, এ জন্যই হয়তো এ রকম ভ্রান্ত কথার প্রচলন হয়েছে। তবে কথাটির প্রচলন যে কারণেই হোক, এটি ঠিক নয়। কুকুর কামড়ালে পেটে বাচ্চা হয় না এবং বাচ্চা হওয়ার কোনো প্রশ্নই আসে না। তবে কুকুর কামড়ালে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

23/06/2016

রাসূল (সাঃ) বলেছেন, "আল্লাহ যার ভালো চান তাকে দুঃখ কষ্টে ফেলেন।" --[বুখারী ৫৬৪৫]
________
অপর এক হাদিসে তিনি বলেন, "যদি কারো উপর কোন কষ্ট আসে আল্লাহ তা'আলা এর কারণে তার গুনাহসমূহ ঝরিয়ে দেন, যেমনভাবে গাছ হতে পাতা ঝরে পড়ে।"
--[বুখারী ৫৬৮৪]
________
আয়িশাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন,
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ
________
মুসলিম ব্যক্তির উপর যে সকল বিপদ-আপদ আসে এর দ্বারা আল্লাহ তার পাপ দূর করে দেন। এমনকি যে কাঁটা তার শরীরে ফুটে এর দ্বারাও।
________
[মুসলিম ৪৫/১৪, হাঃ ২৫৭২, আহমাদ ২৪৮৮২] আধুনিক প্রকাশনী- ৫২২৯, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৫১২৫ গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (তাওহীদ) অধ্যায়ঃ ৭৫/ রুগী, হাদিস নম্বরঃ ৫৬৪০

16/06/2016

মহানবী (সা.) স্মৃতিশক্তি বাড়াতে যে ধরণের খাবার খেতে বলেছেন
আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অনেক মানুষেরই স্মৃতিশক্তি কম থাকে। তাই স্মৃতিশক্তি বাড়াতে তাদের স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া জরুরী। স্বাস্থ্যকর খাবার অর্থ শুধু মাছ বা মাংস খাওয়া নয়। মহানবী (সা.) নিজে যে খাবার খেতেন এবং যে খাবার গুলো উনার উম্মতদের খেতে বলেছেন সেগুলো হলো-
১। ডালিম-বেদানা
বেদানার পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণের পাশাপাশি এটার ধর্মীয় একটি দিক আছে এবং নবীজী(সাঃ) বলতেন, এটা আহারকারীদের শয়তান ও মন্দ চিন্তা থেকে বিরত রাখে।
২। মধু:
মধুর নানা পুষ্টিগুণ ও ভেষজ গুণ রয়েছে। মধুকে বলা হয় খাবার, পানীয় ও ওষুধের সেরা। হালকা গরম পানির সঙ্গে মিশিয়ে মধু পান ডায়রিয়ার জন্য ভালো। খাবারে অরুচি, পাকস্থলীর সমস্যা, হেয়ার কন্ডিশনার ও মাউথ ওয়াশ হিসেবে উপকারী।
৩। আঙ্গুর
নবীজী (সাঃ) আঙ্গুর খেতে অত্যন্ত ভাল বাসতেন। আঙ্গুরের পুষ্টিগুণ ও খাদ্যগুণ অপরিসীম। এই খাবারের উচ্চ খাদ্য শক্তির কারণে এটা থেকে আমরা তাত্ক্ষণিক এনার্জি পাই এবং এটা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। আঙ্গুর কিডনির জন্য উপকারী এবং বাওয়েল মুভমেন্টে সহায়ক। যাদের আইবিএস বা ইরিটেবল বাওয়েল সিনড্রোম আছে তারা খেতে পারেন।
৪। দুধ:
দুধ- দুধের খাদ্যগুণ, পুষ্টিগুণ ও ভেষজগুণ বর্ণনাতীত। দেড় হাজার বছর আগে বিজ্ঞান যখন অন্ধকারে তখন নবীজী (সাঃ) দুধ সম্পর্কে বলেন, দুধ হার্টের জন্য ভালো। দুধ পানে মেরুদন্ড সবল হয়, মস্তিষ্ক সুগঠিত হয় এবং দৃষ্টিশক্তি ও স্মৃতিশক্তি প্রখর হয়। আজকের বিজ্ঞানীরাও দুধকে আদর্শ খাবার হিসেবে দেখেন এবং এর ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি অস্থিগঠনে সহায়ক।
৫। ফল
যে সমস্ত ফল এবং সবজিতে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, তা মস্তিষ্কের পক্ষে খুবই ভালো। গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে ব্লুবেরি ও স্ট্রবেরিতে থাকে সবচেয়ে বেশি পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা মনোযোগ এবং শর্ট টার্ম মেমরি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
৬। ডিম
ডিমে প্রচুর পরিমাণে কোলিন থাকে যা শরীরে নিউরোট্রান্সমিটার অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি করতে সাহায্য করে। শরীরে যদি সঠিক পরিমাণে অ্যাসিটিলকোলিন তৈরি না হয় তাহলে, কোনও কিছু মনে রাখতে অসুবিধা হতে পারে। ডিমে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড থাকে যা বাচ্চার মস্তিষ্কের পক্ষে খুবই ভলো।
৭। বার্লি (জাউ)
এটা জ্বরের জন্য এবং পেটের পীড়ায় উপকারী।
৮। খেজুর
খেজুরের গুণাগুণ ও খাদ্যশক্তি অপরিসীম। খেজুরের খাদ্যশক্তি ও খনিজ লবণের উপাদান শরীর সতেজ রাখে। নবীজী (সাঃ) বলতেন, যে বাড়ীতে খেজুর নেই সে বাড়ীতে কোন খাবার নেই। এমনকি সন্তান প্রসবের পর প্রসূতি মাকে খেজুর খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন আল্লাহর নবী।
৯। ফিগস বা ডুমুর
ডুমুর অত্যন্ত পুষ্টিকর ও ভেষজগুণ সম্পন্ন যাদের পাইলস ও কোষ্ঠকাঠিন্য আছে তাদের জন্য অত্যন্ত উপযোগী খাবার।
১০। বাদাম
আমন্ড বা যেকোনো বাদামে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন। তবে বিশেষ করে কাজু বাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। তাই সন্তানকে বাদাম খাওয়াতে ভুলবেন না।
১১। মাছ
মাছে আছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড এবং ডিএইচএ। বহু গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে খাবারে কম পরিমাণে ডিএইচএ থাকলে স্মৃতিশক্তি ও বুদ্ধিজনিত সমস্যা দেখা দিতে পারে।
১২। তরমুজ- সব ধরনের তরমুজ স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। নবীজী (সাঃ) তরমুজ আহারকে গুরুত্ব দিতেন। যেসব গর্ভবতী মায়েরা তরমুজ আহার করেন তাদের সন্তান প্রসব সহজ হয়। তরমুজের পুষ্টি, খাদ্য ও ভেষজগুণ এখন সর্বজনবিদিত ও বৈজ্ঞানিক সত্য।
মহানবী হযরত মুহম্মদ (সা) উপরে বর্ণিত খাবারগুলো ভীষণ পছন্দ করতেন এবং এই ধরণের খাবরগুলো খেলে স্মৃতিশক্তি যে বাড়ে তা আধুনিক যুগের বিজ্ঞানও প্রমান করেছে।

14/06/2016

ফযীলাতুল ইফতার
(১)----হযরত সালমান ফারসী রা. থেকে বর্ণিত তিনি বলেন রাসূল (সাঃ) বলেছেন, যে ব্যক্তি রমযান মাসে কোন রোযাদারকে ইফতার করাবে তা তার গুনাহসমূ হের ক্ষমা স্বরুপ এবং দোজখের আগুন হতে মুক্তির কারণ হবে। তার সোয়াব হবে সেই রোযাদার ব্যক্তির সমান, অথচ রোযাদারের সওয়াবেও কম হবে না। ( মেশকাত- ১৭৩)
(২)----সাহল ইবনে সাআদ র. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন রাসূল সাঃ ইরশাদ করের মানুষ যতদিন দ্রুত ইফতার করবে ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে। (মিশকাত-১/১৭৫)

03/06/2016

Address

Lavely Cenema Road, Chatmohar
Pabna
6630

Opening Hours

Monday 09:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 14:00
Saturday 09:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 21:00

Telephone

+8801712501970

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hasan Electronics posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share