26/02/2026
#ফ্যামিলি_কার্ড নীতিমালা চূড়ান্ত
যারা কার্ড পাবেন না:
পরিবারে সরকারি পেনশনভোগী থাকলে।
বাড়িতে এসি বা গাড়িসহ বিলাসবহুল সম্পদ থাকলে।
পরিবারের কেউ সরকারি চাকরিজীবী, বাণিজ্যিক লাইসেন্সধারী বা বড় ব্যবসা করলে।
মূলত নিম্ন, মধ্যম ও উচ্চ আয়ের ছয় শ্রেণির মানুষ।
যারা অগ্রাধিকার পাবেন (৭ শ্রেণি):
ভূমিহীন পরিবার
গৃহহীন পরিবার
প্রতিবন্ধী সদস্যের পরিবার
অনগ্রসর জনগোষ্ঠী
হিজড়া পরিবার
বেদে ও ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী
০.৫ একর বা কম জমির মালিক পরিবার
নীতিমালার মূল বিষয়:
ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের একক।
প্রাথমিকভাবে ১৪টি উপজেলায় এক ইউনিয়নের এক ওয়ার্ডের দরিদ্র পরিবার ২,৫০০ টাকা পাবেন।
প্রথম পর্যায়ে ৬,৫০০ পরিবার, পরে ২ কোটি দরিদ্র পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার লক্ষ্য।
নগদ ভাতা ও টিসিবির সহায়তা এক কার্ডের অধীনে মিলিত হবে।
বিশেষ অগ্রাধিকার হতে পারে এমন পরিবার যাদের সন্তান স্কুলে যাচ্ছে।
কেন প্রয়োজন:
দেশে ৯৫টির বেশি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি আছে, কিন্তু সমন্বয়হীনতা ও একাধিক সুবিধা গ্রহণের কারণে ২২-২৫% প্রকৃত দরিদ্র বাদ পড়ছে।
লক্ষ্য: বৈষম্যহীন ও মানবিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন।
দীর্ঘমেয়াদে (২০৩০) ফ্যামিলি কার্ডকে ‘সর্বজনীন সোশ্যাল আইডি কার্ড’-এ রূপান্তর।
কার্ডের ব্যবহার ও সুবিধা:
ভাতাটি নারীর নামে ইস্যু, সরকারি কোষাগার থেকে সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট বা ব্যাংক অ্যাকাউন্টে।
বিদ্যমান টিসিবি কার্ডকে ‘ডাইনামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ হিসেবে স্থানান্তর।
একই কার্ডে ওটিপি ভেরিফিকেশন দ্বারা খাদ্য সহায়তা, শিক্ষা উপবৃত্তি ও কৃষি ভর্তুকি সুবিধা।
২০২৮ সালের মধ্যে সামাজিক নিরাপত্তা বাজেট জিডিপির ৩% করার লক্ষ্য।
পাইলট প্রকল্প:
১৩টি ভিন্ন এলাকা নির্বাচিত: বনানী বস্তি (ঢাকা), পটিয়া (চট্টগ্রাম), লামা (বান্দরবান), দিরাই (সুনামগঞ্জ), ঠাকুরগাঁও সদর ইত্যাদি।
দারিদ্র্যের ঘনত্ব, ভৌগোলিক চ্যালেঞ্জ ও অনগ্রসরতা প্রাধান্য।
বাজেট: ২ কোটি ১১ লাখ টাকা, যার ৭৭% সরাসরি দরিদ্র পরিবারে পৌঁছাবে।
স্বচ্ছতা:
সরকারি খানা জরিপ ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ডাটাবেজ ব্যবহার করে উপযুক্ত সুবিধাভোগী নির্ধারণ।
এনআইডি কার্ডের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত।