Web Solution A To Z

Web Solution A To Z Web Solution A To Z is a complete web marketing agency in Bangladesh, we Provide all kinds of web related solutions for your business.

Its a complete one stop solution for your Online Business

ফ্রী অফার ! একটি ওয়েবসাইট + প্রফেশনাল মোবাইল অ্যাপ  !কম খরচে প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট ও মোবাইল আ্যপ বানাতে   চান? এবার ও...
11/05/2022

ফ্রী অফার ! একটি ওয়েবসাইট + প্রফেশনাল মোবাইল অ্যাপ !
কম খরচে প্রফেশনাল মানের ওয়েবসাইট ও মোবাইল আ্যপ বানাতে চান? এবার ওয়েবসাইট ও আ্যাপ হবে আপনার এক বাজেটের মধ্যেই ! মাত্র ৯৫০০ টাকায় বুঝে নিন একটি ফুল ওয়েবসাইট ! সাথে থাকছে পুরো এক বছরের ফ্রি ডোমেইন হোস্টিং ও প্রফেশনাল মানের একটি মোবাইল অ্যাপ ।
� ডেমো দেখতে বা বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে ইনবক্স করুন অথবা কল করুনঃ 01914056526, 01301510235
===================================
✅ ই-কমার্স ওয়েবসাইট
✅ নিউজপেপার ওয়েবসাইট
✅ কোম্পানী ওয়েবসাইট
✅ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট
✅ ট্রেইনিং প্রতিষ্ঠান/কোচিং সেন্টার ওয়েবসাইট
✅ হাসপাতাল/ ক্লিনিক ওয়েবসাইট
✅ ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট (পোর্টফোলিও)
✅ হাসপাতাল/ ক্লিনিক ওয়েবসাইট/ ল-ফার্ম ওয়েবসাইট
✅ ফটোগ্রাফি/ফটোগ্রাফার ওয়েবসাইট
✅ হোটেল ও পর্যটন ওয়েবসাইট

===================================
এক নজরে দেখে নেই কি কি থাকছে এই অফারে :

✅ একটি প্রফেশনাল ওয়েবসাইট
✅ ১ জিবি হোস্টিং ।
✅ ইউএস ভিত্তিক সার্ভার (৯৯ .৯৯ % আপটাইম গ্যারান্টি) ।
✅ ফ্রি SSL সার্টিফিকেট ।
✅ সি প্যানেল ও এডমিন ড্যাশবোর্ড এক্সেস ।
✅ প্রফেশনাল প্রিমিয়াম থিম ও প্রিমিয়াম প্লাগিনস ।
✅ মোবাইল ফ্রেন্ডলি ও ড্যয়নামিক রেস্পন্সিভ ডিজাইন ।
✅ আন্তর্জাতিকমানের পপুলার ডেমো ।
✅ ফুল ওয়েবসাইট নিজের মতো করে কাস্টোমাইজেশন ।
✅ এস ই্ ও (অন পেজ অপটিমাইজেশন) ।
✅ ২৪ ঘন্টা সেবা ও সার্বক্ষনিক সমস্যা সমাধান ।
✅ ডেলিভারি সময়: ৩ থেকে সর্বোচ্চ ৭ দিন ।

===================================
� ডেমো দেখতে বা বিস্তারিত জানতে আমাদের পেজে ইনবক্স করুন অথবা কল করুনঃ 01914056526, 01301510235
===================================
ঠিকানা:
ওয়েব সল্যুশন এ টু জেড,
৫৪/৩, জয়নাল টাওয়ার (৪র্থ তলা)
নওয়াব সলিমুল্লাহ রোড, চাষাড়া, নারায়নগঞ্জ
(চাষাড়া বাস স্ট্যান্ড এর ঠিক উল্টা দিকে)
মোবাইল : 01914056526, 01301510235
ইমেইল : [email protected]

ওয়েব সাইট কাকে বলে?ওয়েবসাইট হল ইন্টারনেট জগতে আপনার একটি ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান, বা আপনার কোন শখ, বা কোন জরুরী বিষয় সারা বি...
11/05/2022

ওয়েব সাইট কাকে বলে?

ওয়েবসাইট হল ইন্টারনেট জগতে আপনার একটি ব্যবসা, প্রতিষ্ঠান, বা আপনার কোন শখ, বা কোন জরুরী বিষয় সারা বিশ্বের লোকদের মাঝে তুলে ধরার একটি অন্যতম মাধ্যম। সারা বিশ্বের মাঝে আপনার প্রতিষ্ঠান বা আপনার ব্যবসাকে তুলে ধরতে হলে একটি ওয়েবসাইট অবশ্যই জরুরী।

ওয়েব সাইট এর প্রকার ভেদঃ

ব্যাক্তিগত ওয়েবসাইট
সামাজিক ওয়েবসাইট
ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট
প্রশ্ন উত্তর বিষয়ক ওয়েবসাইট
খবর বা নিউজপেপার ওয়েবসাইট
নিস ওয়েবসাইট

আপনি কোন ওয়েবসাইট বানাবেন?

১. একটি শক্তিশালী মার্কেটিং মাধ্যম :বর্তমানে বেশিরভাগ মানুষ কিছু ক্রয় বিক্রয়ের আগে সেই দ্রব্য এবং কোম্পানি সম্পর্কে জানার জন্য ইন্টার্নেটে সেই কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করেন।এমনকি কেউ যদি দ্রব্যটি নাও কিনতে চান তবু তারা দ্রব্য এবং কোম্পানি সম্পর্কে কোম্পানির ওয়েবসাইট থেকে তথ্য সংগ্রহ করতে পছন্দ করেন। এভাবে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে খুব দ্রুত ও সহজেই যেকোন ব্যবসা মানুষের কাছে পরিচিতি পাচ্ছে ও আস্থা গড়ে তুলতে সক্ষম হচ্ছে।

২. ক্রেতাকে প্রভাবিত করার অন্যতম উপায় : যদি আপনার একটি ছোট বা বড় ব্যবসা থাকে তো নি:সন্দেহে আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন। যদি আপনার কোন ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট না থাকে তাহলে ক্রেতা ধরেই নিতে পারেন এটি একটি সল্প সাময়িক কোম্পানি এবং আপনি আপনার ব্যবসা সম্পর্কে সচেতন বা দায়িত্বশীল নন।এভাবে আপনি ক্রেতাদের বিশ্বাসযোগ্যতা হারাতে পারেন।একটি ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসা সম্পর্কে মানুষের মনে আস্থা গড়ে তুলতে পারে।তাই বলা যেতেই পারে আপনার সাইটটিই হতে পারে কোন ক্রেতাকে আকর্ষণ করার প্রথম সুযোগ ও অন্যতম উপায়।

৩. ব্যবসার মান উন্নত করা : বর্তমানে এমন কিছু নেই যা ইন্টারনেটের মাধ্যমে ক্রয় বা বিক্রয় করা যায় না এবং এর হার দিনদিন বেড়েই চলেছে। বই থেকে শুরু করে মুদির দোকানের জিনিসপত্র কিংবা রিয়েলস্টেটের মত দামী উপকরণও এখানে কেনাবেচা চলছে।যে কোন ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যক্তি তার ব্যবসাকে আরও উন্নত ও আধুনিকায়ন করতে ওয়েবসাইট ব্যবহার করতে পারেন।এতে ব্যবসা আরও দ্রুত প্রাণবন্ত ও জীবন্ত হয়ে উঠে।

৪.বাজারের অন্য সকল ব্যবসার সাথে প্রতিযোগিতায় নিয়ে আসা : বর্তমানে বেশিরভাগ দায়িত্বশীল কোম্পানির নিজস্ব ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট রয়েছে।তাই যদি আপনার ব্যবসার নিজস্ব কোন ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট না থাকে তো আপনার ব্যবসা অন্য সেই সকল ব্যবসা থেকে পিছিয়ে পড়বে যাদের নিজস্ব ব্যবসায়িক ওয়েবসাইট রয়েছে।

৫. আন্তর্জাতিক ভাবে লেনদেন এবং পরিচিতির অন্যতম মাধ্যম : আধুনিক বিশ্বে বহু আগে থেকেই ওয়েবসাইটের প্রচলন রয়েছে।বর্তমানে বাংলাদেশের জন্যেও এটি একটি সম্ভবনাময় ক্ষেত্র হয়ে উঠেছে।বড় বড় কর্পোরেশন ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান গুলো আন্তর্জাতিকভাবে ব্যবসায়িক লেনদেনের জন্য ও পরিচিতি লাভের জন্য ওয়েবসাইটকে তাদের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে থাকে।

৬. সকলের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করার জন্য দ্রুত ও সহজতর উপায় : মূলত যদি আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকে তবে ক্রেতা,দয়িত্বশীল কর্মচারী,ব্যবসায়িক সহকর্মী,এমনকি বিনিয়গকারী পর্যন্ত আপনার ব্যবসা সম্পর্কে যে কোন সময় পৃথিবীর যেকোন প্রান্তে বসে খুব দ্রুত ও সহজেই জানতে পারবেন ও যোগাযোগ করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস কি? কেন শিখব?ওয়ার্ডপ্রেস হলো একটি অনলাইন ভিত্তিক CMS সফটওয়্যার যার মাধ্যমে সহজেই একটা ওয়েব সাইট এর Structure...
11/05/2022

ওয়ার্ডপ্রেস কি? কেন শিখব?

ওয়ার্ডপ্রেস হলো একটি অনলাইন ভিত্তিক CMS সফটওয়্যার যার মাধ্যমে সহজেই একটা ওয়েব সাইট এর Structure তৈরী করা যায়। বিশ্বের প্রায় 65% ওয়েব সাইট ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে তৈরী করা হয়েছে। ওয়ার্ডপ্রেস মূলত PHP প্রোগ্রমিং ল্যঙ্গুয়েজ দ্বারা তৈরী করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ব্যবহার করা যায়। সাধারনত ওয়ার্ডপ্রেস ব্যবহারের জন্য কোডিং সম্পর্কে ধারনা না থাকলেও চলে।

বর্তমানে ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা প্রচুর বৃদ্ধি পাচ্ছে, সেই তুলনায় ওয়েব ‍ডিজাইনার খুবই কম সংখ্যক হওয়ার এবং প্রচুর কোডিং এর ঝামেলা থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য ওয়ার্ডপ্রেস একটি সহজ সমাধান। খুব অল্প প্ররিশ্রমে সহজে ওয়ার্ডপ্রেস এর দ্বারা একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা যায়। সামান্য ধারনা নিয়ে যেকেউই সহজে ওয়ার্ডপ্রেস নিজের আয়ত্ত করতে পারে এবং প্রফেশনালি ওয়েব সাইটৈ তৈরী করতে পারে।

ওয়ার্ডপ্রেস থিম কি? থিম কাস্টমাইজেশন কি?

ওয়ার্ডপ্রেস থিম হলো একটা প্রস্তুতকৃত থিম যা আপনি আপনার ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন। একটা ওয়েব সাইটের জন্য প্রয়োজনীয় কনটেন্ট নিয়ে সাধারনত একটা থিম তৈরী হয়।

থিম কাস্টমাইজেশন হলো প্রস্তুতকৃত থিমকে আবার পরিবর্তন করা অর্থ্যাৎ থিমকে আপনার ইচ্ছা মত ইডিট করতে পারা। একটা থিম একাধিক সেকশন নিয়ে গঠিত হয়। আপনি চাইলে থিমে সেকশন বাড়াতে পারেন আবার কমাতেও পারেন এটাকেই মূলত থিম কাস্টমাইজেশন বলে।

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে আয়? ওয়ার্ডপ্রেস শিখে ফ্রিল্যান্সিং?

ওয়ার্ডপ্রেস শিখে কম সময়ে, সহজ উপায়ে ওয়েব সাইট তৈরী করা যায় বিধায় এর চাহিদা অনেক বেড়ে গেছে। বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসে ওয়ার্ডপ্রেস এর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করা যায়। বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে বর্তমানে বিপুলহারে ওয়েব সাইট তৈরী হচ্ছে ফলে আপনি চাইলে ওয়ার্ডপ্রেস শিখে সেসব কাজ করেও ইনকাম করতে পারবেন।

ওয়ার্ডপ্রেস কোর্স কোথায় করব?

আপনি অনলাইনে ইউটিউব, গুগল থেকে ওয়ার্ডপ্রেস সম্পর্কে ব্যাসিক ধারনাগুলো সহজেই নিতে পারেন। এছাড়াও আপনি যশোরের মানসম্মত কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র ফাস্ট টেক কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টার থেকে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করে নিজের ক্যারিয়ার গড়তে পারেন।

৩ টি সহজ ধাপে ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার কৌশল :Step 1: ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য আপনার যে দক্ষতার প্রয়োজন তা বাছাই করুনওয়েব ড...
11/05/2022

৩ টি সহজ ধাপে ওয়েব ডেভেলপার হওয়ার কৌশল :

Step 1: ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য আপনার যে দক্ষতার প্রয়োজন তা বাছাই করুন
ওয়েব ডেভেলপমেন্টের চাকরীগুলি সাধারণত দক্ষতা ভিত্তিক (কোনও প্রযুক্তি-নির্দিষ্ট ব্যাচেলর ডিগ্রি বা এমনকি কোনও সহযোগীর ডিগ্রির মতো প্রশংসাপত্রের বিপরীতে), যার অর্থ যদি আপনার দক্ষতা থাকে তবে আপনি কাজটি করতে পারেন। ওয়েব ডেভেলপমেন্টের পথে প্রথমে এক ধাপ: এই দক্ষতাগুলি কী তা নির্ধারণ করুন।



এটি করার ক্ষেত্রে, দুটি বিভাগে ওয়েব ডেভেলপার এর চাকরি রয়েছে তা লক্ষ্য করা গুরুত্বপূর্ণ: ফ্রন্ট-এন্ড ডেভলপমেন্ট এবং ব্যাক-এন্ড ডেভলপমেন্ট ।



ফ্রন্ট এন্ড ওয়েব ডেভলপমেন্ট দক্ষতা সমুহঃ

HTML
CSS
JavaScript


এইচটিএমএল এবং সিএসএস হ'ল মার্কআপ ভাষা যা কোনও ওয়েব পেজের অংশগুলি এবং তাদের স্টাইল (ফন্ট, রঙ, বিন্যাস) যথাক্রমে সংজ্ঞায়িত করতে ব্যবহৃত হয়। এদিকে, জাভাস্ক্রিপ্ট একটি স্ক্রিপ্টিং ভাষা যা স্ক্রোলিং ভিডিও, অ্যানিমেটেড গ্রাফিক্স এবং ইন্টারেক্টিভ মানচিত্রের মতো ওয়েব পেজে গতিশীল বিষয়বস্তু নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহৃত হয়। এই তিনটি ভাষার কাজ উপলব্ধিকে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট মাঠে দেওয়া কাজের কাজ শুরু করার জন্য যথেষ্ট।



ব্যাক এন্ড ওয়েব-ডেভেলপমেন্ট দক্ষতা সমুহঃ

HTML
CSS
JavaScript / NodeJS
PHP / Laravel


ব্যাক-এন্ড প্রোগ্রামিং ওয়েবসাইটগুলির "হুডের নীচে" দিকগুলির সাথে ডিল করে — ডাটাবেসগুলি থেকে ডেটা অনুরোধ করতে এবং আনার জন্য কোড লেখার মতো জিনিস এবং তারপরে এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রিপ্ট সামগ্রীযুক্ত ডেটা প্রদর্শন করার মতো বিষয়। ব্যাক এন্ড ডেভলপমেন্টের জন্য ব্যবহৃত সাধারণ দক্ষতার মধ্যে রয়েছে ওয়েব ফ্রেমওয়ার্ক (প্রি-লিখিত কোডের সংকলন যা ডেভেলপার রা পুনরাবৃত্ত কাজগুলির জন্য পুনরায় ব্যবহার করতে পারেন) যেমন লারাভেল এবং নোডজেএস (সেইসাথে সেই ফ্রেমওয়ার্কগুলি পিএইচপি এবং জাভাস্ক্রিপ্টে নির্মিত ভাষাগুলির মতো)।



যদিও এই দক্ষতাগুলি ফ্রন্ট-এন্ড বা ব্যাক-এন্ড ওয়েব ডেভলপমেন্টের জন্য শুরু করার প্রয়োজনীয়, তবে আপনার ব্যক্তিগত পদ্ধতি এবং অনুপ্রেরণা আপনার দক্ষতার মতোই গুরুত্বপূর্ণ। যে কোনও ক্যারিয়ারের মতোই, সফল ওয়েব ডেভেলপার দের যখন নতুন চ্যালেঞ্জ শেখার এবং গ্রহণ করার ক্ষেত্রে উদ্যোগ দেখাতে হবে তবে এটি সত্যই তাদের কাজটি উপভোগ করাও জরুরি।



Step 2: ওয়েব ডেভলপমেন্ট শেখা শুরু করুন এবং অনুশীলনে আপনার দক্ষতা রাখুন
কোন ওয়েব ডেভলপমেন্ট দক্ষতা শিখতে হবে এবং কীভাবে ওয়েব ডেভেলপার হতে হবে সে সম্পর্কে আপনি একবার পরিষ্কার হয়ে গেলে, আসলে সেই দক্ষতাগুলি শিখতে শুরু করার সময় এসেছে। এর অর্থ কি কম্পিউটার বিজ্ঞানে নতুন চার বছরের ডিগ্রির জন্য স্কুলে ফিরে যাওয়া? না! আপনি ক্লাসরুমের সেটিংয়ে অবশ্যই এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রিপ্টের মতো দক্ষতা বাছাই করতে পারবেন, আপনি নিজের বাড়ী থেকে এবং নিজের গতিতেও এগুলি শিখতে পারেন অথবা পরিপূর্ন গাইড এর জন্য বিভিন্ন ট্রেইনিং করতে পারেন।



বেসিক ৩: এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রিপ্ট দিয়ে শুরু করুন

Codeacademy এবং w3schools এর মতো সংস্থার মাধ্যমে বিনামূল্যে এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রিপ্ট টিউটোরিয়ালগুলি রয়েছে তা শিখতে পারবেন। এদিকে, আপনি যদি আরও কাঠামো এবং সহায়তার জন্য বসে থাকেন তবে অর্থ প্রদত্ত কোডিং ক্লাসগুলি উপলভ্য। এগুলি সবই কলেজের সময় এবং ব্যয় বা এমনকি ব্যক্তিগতভাবে কোডিং বুটক্যাম্পকে বাইপাস করে। যেমন টা আমাদের Pencilbox Training Institute এ প্রদান করে থাকি।



প্রতিক্রিয়া এবং উপদেশের জন্য একটি ওয়েব ডেভেলপমেন্ট কমিউনিটি খুঁজুন

টিউটোরিয়াল এবং অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে দক্ষতা বুনিয়াদি শেখার পাশাপাশি, আপনাকে GitHub এবং Stack Overflow এর মতো অনলাইন কোডিং সম্প্রদায়গুলিতেও অংশ নিতে হবে। গিটহাব এমন একটি ফোরাম যেখানে ওয়েব ডেভেলপার রা তাদের উপর কাজ করা প্রকল্পগুলি পোস্ট করতে পারে, অন্যান্য ডেভেলপার দের সাথে কোড ভাগ করে নিতে পারে এবং তাদের কাজের বিষয়ে পিয়ার-টু-পিয়ার মন্তব্য পেতে পারে। স্ট্যাক ওভারফ্লো একটি কোডিং-সম্পর্কিত আলোচনা বোর্ড যেখানে ডেভেলপার রা একটি প্রশ্নোত্তর বিন্যাসের মাধ্যমে ইন্টারঅ্যাক্ট করে। এই দুটি প্ল্যাটফর্মই আপনি কী শিখেছেন তা চেষ্টা করার জন্য এবং বাস্তব-জগতের অভিজ্ঞতা এবং প্রতিক্রিয়া অর্জন করার জন্য আদর্শ জায়গা।



আপনার জ্ঞান বাড়ানোর জন্য বিনামূল্যে সরঞ্জামগুলির সাথে অনুশীলন করুন

অবশেষে, আপনি ওয়েব ডেভেলপার দের জন্য উপলব্ধ অনেকগুলি বিনামূল্যে সরঞ্জামের সাথে নিজেকে পরিচিত করতে শেখার সময় নেওয়ার সময় এবং আপনাকে সর্বাধিক মান প্রদানকারীগুলির সন্ধান করুন। এটি পাঠ্য সম্পাদক, ওয়েব ব্রাউজার এক্সটেনশন বা কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমগুলিই হোক না কেন, আপনি অবাক হবেন যে কতগুলি প্রয়োজনীয় সংস্থান বিনা ব্যয়ে পাওয়া যায়।



Step 3: আপনার জন্য সঠিক ওয়েব ডেভেলপার চাকরি টি খুঁজুন
একবার আপনি একটি শক্ত ওয়েব ডেভেলপার দক্ষতা সেট আপ তৈরি করার পরে, আপনি কোন ধরণের কাজ করতে চান তা ভেবে দেখার সময় — আপনি কোনও প্রতিষ্ঠিত সংস্থার ডেভেলপার হিসাবে নিয়মিত চাকরী চান বা আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার পক্ষে আরও উপযুক্ত? ব্যবসা এবং আপনার নিজের মালিক হচ্ছে?

ফ্রিল্যান্সিং এবং ফুলটাইম চলার পক্ষে বিভিন্ন মতামত রয়েছে এবং আপনি যে পথটি বেছে নিয়েছেন তা ওয়েব ডেভলপমেন্টের কেরিয়ার থেকে আপনি কী চান তা অবহিত করা উচিত। মনে রাখার মূল বিষয়, যদিও, ওয়েব ডেভেলপার দের পক্ষে উভয়েরই কর্মসংস্থান সম্পূর্ণভাবে সম্ভব।



অন্যান্য ওয়েব ডেভেলপারদের সঙ্গে নেটওয়ার্ক করতে ভুলবেন না যেন! নেটওয়ার্কের সুযোগগুলি খুঁজে পেতে এবং সম্মেলন, কাজের মেলা এবং কর্মশালায় মুখোমুখি কাজের সংযোগ তৈরির ক্ষেত্রে মেটআপ ডট কম এবং উইমেন হু কোডের মতো সাইটগুলি অমূল্য সম্পদ। তাদের ব্যাবহার করুন!

মনে রাখবেন - কীভাবে ওয়েব ডেভেলপার হয়ে উঠতে হবে তার রোডম্যাপটি মহাকাব্যিক মনে হতে পারে তবে এটি হওয়ার দরকার নেই। এই তিনটি সহজ পদক্ষেপ অনুসরণ করুন এবং আপনি ওয়েবসাইট ডেভেলপার হয়ে উঠলে আপনি প্রযুক্তির সমস্ত সুবিধাগুলি কাটা শুরু করার অবস্থানে থাকবেন।

ডায়নামিক ওয়েবসাইট কি ? আমরা জানি যে, এক বা একাধিক অনলাইন ভিত্তিক পেজের সমষ্টি কে ওয়েবসাইট বলে। কিন্তু আজকে আমাদের আলো...
11/05/2022

ডায়নামিক ওয়েবসাইট কি ?

আমরা জানি যে, এক বা একাধিক অনলাইন ভিত্তিক পেজের সমষ্টি কে ওয়েবসাইট বলে। কিন্তু আজকে আমাদের আলোচনার বিষয় ডাইনামিক ওয়েবসাইট । আপনি কি জানেন ডায়নামিক শব্দের অর্থ কি ?

ডায়নামিক অর্থ কি
ডায়নামিক(Dynamic) শব্দ দিয়ে এমন কিছু কে বুঝায়, যা এলোমেলো ভাবে বা নির্দিষ্ট কোন বিরতিতে, বা কোন কিছুর উপর নির্ভর করে পরিবর্তন হতে পারে। অর্থাৎ ডাইনামিক কোন কিছু বলতে বুঝায় তা পরিবর্তনে সক্ষম। ডায়নামিক শব্দটির বিপরীত শব্দ হচ্ছে স্ট্য্যাটিক।

যে ওয়েবসাইট গুলো ইউজারের ইনপুট এর ভিত্তিতে ইউজার কে ডাটা বা কনটেন্ট দেখায়, সেগুলোই ডাইনামিক ওয়েবসাইট। যদি স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট vs ডাইনামিক ওয়েবসাইট তুলনা করা যায়, তাহলে ডাইনামিক সম্পর্কে আর ভালোভাবে বুঝতে পারা যাবে।

ডাইনামিক ওয়েবসাইট কাকে বলে
যে ওয়েবসাইট ইউজারের ইনপুটের উপর ডিপেন্ড করে ফ্রন্ট ইন্ডে রিয়েল টাইম ডাটা দেখাতে পারে, তাকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট বলে। অর্থাৎ এ ধরনের ওয়েবসাইট বিভিন্ন ইউজার কে বিভিন্ন ডাটা দেখাতে সক্ষম।

ডাইনামিক ওয়েব পেজ কি
ডাইনামিক ওয়েব পেজ কি
একটি ডাইনামিক ওয়েবসাইটের প্রত্যেকটি পেজ কে একেকটি ডাইনামিক ওয়েব পেজ বলা হয়। অর্থাৎ অনেক গুলো ডাইনামিক ওয়েব পেজ মিলে তৈরি হয় একটি ডাইনামিক ওয়েবসাইট।

ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি
ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি এবং স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরির প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ আলাদা। স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট তৈরিতে সাধারণত শুধু ওয়েব ডিজাইন রিলেটেড নলেজ লাগে, যেমন – HTML, CSS, BOOTSTRAP এগুলো জানলেই চলে। অন্যদিকে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনার ওয়েব ডিজাইন ছাড়াও ওয়েব ডেভলপমেন্ট নলেজ লাগবে। ওয়েব ডেভলপমেন্ট এর জন্য আপনাকে কোন একটা প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ এবং একটি ডেটাবেজ ল্যাঙ্গুয়েজ জানতে হবে। অর্থাৎ ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরি করার জন্য আপনি একটা ওয়েবসাইট ডিজাইন এবং ডেভলপমেন্ট দুইটাই করতে হবে।

ডাইনামিক ওয়েব ডিজাইন
কোন ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ওয়েব ডিজাইন করলে তাকে ডাইনামিক ওয়েব ডিজাইন বলা হয়। এক্ষেত্রে ডাইনামিক ওয়েবসাইট তৈরিতে সুবিধার জন্য ওয়েব ডিজাইনার ওয়েব পেজে নানা ডাইনামিক এলিমেন্ট সেট করে রাখে।

ডাইনামিক ওয়েবসাইটের কয়টি অংশ
একটা ডাইনামিক ওয়েবসাইটের প্রধানত দুইটা অংশ, ফ্রন্ট ইন্ড পার্ট এবং ব্যাক ইন্ড(Back End) পার্ট। ফ্রন্ট ইন্ড(Front End) পার্টে সাধারণত ডেটা দেখানো হয় ডেটাবেজ থেকে কুয়ারি(Query) করে, যেটা ব্যাক ইন্ড ডেভেলপ এর মাধ্যমে করা হয়। সহজ ভাষায় ফ্রন্ট ইন্ড এবং ডেটাবেজকে কানেক্ট করে ব্যাক ইন্ড।

ডাইনামিক ওয়েবসাইট এর বৈশিষ্ট্য
১. কনটেন্ট সমূহ ডাইনামিক ভাবে পরিবর্তন হয়।

২. সাধারনত এই ধরনের ওয়েবসাইট ইউজার ডিটেক্ট করে ডাটা দেখাতে পারে।

৩. Dynamic Website ইউজার এর ইনপুট ভিত্তিতে আউটপুট দেখাতে সক্ষম।

৪. এই ধরনের তৈরিতে সময় বেশি লাগে।

৫. খরচ বেশি।

৬. নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।

৭. স্ট্যাটিক ওয়েবসাইট এর তুলনায় ডাইনামিক ওয়েবসাইট বেশি ব্যবহৃত হয়।

৮. ডাইনামিক ওয়েবসাইট তুলনামুলক বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি।

ডাইনামিক ওয়েবসাইটের সুবিধা
ডাইনামিক ওয়েবসাইটের সুবিধা সমূহ –

১. নিয়ন্ত্রণ করা সহজ।

২. Dynamic Website অনেক বেশি ইউজার ফ্রেন্ডলি।

৩. টাইম, দেশ বা ইউজার ভেদে ডাইনামিক ওয়েবসাইট ভিন্ন ভিন্ন তথ্য দেখাতে সক্ষম।

৪. ম্যানুয়ালি ডাটা চেঞ্জের প্রয়োজন পড়ে না।

৫. কনটেন্ট চেঞ্জ করা সহজ।

আদর্শ ওয়েবসাইটের গুণাবলি বর্ণনা কর।উত্তর:- একটি আদর্শ ওয়েবসাইটের যেসব গুনাবলি থাকা প্রয়োজন তা নিম্নরূপ—(i) ওয়েবসাইটটি দ্...
11/05/2022

আদর্শ ওয়েবসাইটের গুণাবলি বর্ণনা কর।
উত্তর:- একটি আদর্শ ওয়েবসাইটের যেসব গুনাবলি থাকা প্রয়োজন তা নিম্নরূপ—
(i) ওয়েবসাইটটি দ্রুত প্রদর্শন ও ডাউনলোড করতে যথা–সম্ভব কম ধারণা ক্ষমতার ছবি ব্যবহার করতে হয়।
(ii) ব্রাউজারের জন্য মানানসই রেজুলেশন নির্ধারণ করতে হবে।
(iii) বর্ণনার সাথে সম্পৃক্ত গ্রাফিক্স ও ইমেজ যুক্ত করতে হবে।
(iv) বয়সভিত্তিক অনুসারে রঙের ব্যবহার করতে হবে যাতে ব্যবহারকারী আকৃষ্ট হয়।
(v) ওয়েবপেজে বিদ্যমান তথ্যসমূহ হালনাগাদ,নির্ভুল ও সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে।

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন কেনার পূর্বে কি বি বিষয় মাথায় রাখতে হবে । ১। কম দামের হোস্টিং এড়িয়ে চলুন: বাংলায় একটা প্রবাদ আছে-...
11/05/2022

ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন কেনার পূর্বে কি বি বিষয় মাথায় রাখতে হবে ।

১। কম দামের হোস্টিং এড়িয়ে চলুন: বাংলায় একটা প্রবাদ আছে- “যত গুড় তত মিষ্টি” সুতরাং কম দামের হোস্টিং এ সাপোর্ট কম পাবেন, বেশি দামেরটায় বেশি সাপোর্ট পাবেন এটাই স্বাভাবিক। কিছুটাকা বাঁচানোর জন্য এমন মানের হোস্টিং নেওয়া উচিত হবে না যেটা আপনাকে সারা বছর ভুগাবে। ফেসবুকের কল্যানে এখন অনেকেরই স্ট্যাটাস পাওয়া যায় ১০ জিবি হোস্টিং মাত্র ৫০০ টাকায়! দয়া করে এদের এড়িয়ে যাবেন।

২। স্পেস ও বেন্ডউইথ দেখে নিন: যার কাছ থেকে হোস্টিং নিচ্ছেন তার তাছ থেকে ভাল ভাবে আপনার সার্ভারের স্পেস ও ব্যান্ডউইথ বুঝে নিন। সি-পেনেলে ঢুকে চেক করে দেখুন আসলেই কি আপনাকে আপনার কথামতন স্পেস ও ব্যান্ডউইথ দিয়েছে কিনা।

৩। কাস্টমার সাপোর্ট: হোস্টিং কেনার আগে সাপোর্টে ফোন, মেইল বা লাইভে চ্যেট করে দেখুন তারা লাইভ সাপোর্ট কেমন দেয়। আপনার সার্ভার যদি কখনো ডাউন হয় আর যদি তা জানাতে এবং উত্তর পেতে কয়েক দিন লেগে যায় তাহলে লক্ষ ভিজিটর হারাতে পারেন। আর যদি আপনি রিসেলার ক্লাইন্ট হোন তবে তো মহা বিপদে পড়বেন। আপনার ক্লাইন্টকে কোন উত্তর দেয়ার মতো কিছু থাকবে না। তাই তাদের সাথে আপনার যোগাযোগের বেপারটা দেখ নিন।

৪। প্রতিষ্ঠানের সামগ্রিক অবস্থা : আপনার ওয়েবসাইট যে প্রতিষ্ঠানের সার্ভারে রাখবেন তার ব্যবসা সম্পর্কে জেনে নিন। আনলাইনে সার্চ দিলে কোন হোস্টিং কোম্পানী সম্পর্কে অনেক তথ্যই বেরিয়ে আসবে। বিভিন্ন ফোরাম পোস্টগুলো দেখতে পারেন। একটি বড় প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে হোস্টিং কেনাটাই বেশি ভাল।

৫। বাধ্যবাধকতা : হোস্টিং প্লানগুলোর মধ্যে কোন লিমিটেশন থাকলে সেটা অনেক সময় ভালভাবে উল্লেখ করা থাকে না। তাই প্লানগুলোর তুলনা করে আপনার চাহিদার সাথে বেপারগুলো মিলে কিনা তা দেখে নিন। আপনি যদি এএসপি ডট নেটে সাইট বানাতে চান আর যদি লিনাক্স হোস্টিং বানাতে চান তাহলে তো চলবে না। এ জন্য প্রয়োজন হবে উইনডোজ প্লান। তাই জেনে নিন কি কি লিমিটেশন থাকবে আপনার সার্ভারে।

৬। ই-মেইল ফিচার ও ডোমেইন ফিচার : আপনি কতটা ই-মেইল সেটআপ করতে পারবেন এবং কতটা ডোমেইন/সাব-ডোমেইন ব্যবহার করতে পারবেন তা অবশ্যই জেনে নিবেন। আপনার আজ হয়তো একটি ওয়েব সাইট দরকার হলো কাল আরেকটা লাগতেই পারে তাই যে সব প্ল্যান একটি মাত্র ডোমেইন হোস্ট করতে দেয় সেই প্ল্যান না কেনাই ভাল।

৭। কন্ট্রোল প্যানেল : আপনি যদি এফটিপি সফ্টওয়্যার ব্যবহার করতে অভ্যস্ত না হোন তবে সি প্যানেল বা ইউজার ইন্টারফেস কি দিবে তা জেনে নিন। আপনি হোস্টিং রিসেল করতে চাইলে একাধির ইউজার বানানো এবং তাদের জন্য রিসোর্স (স্পেস,ব্যান্ডউইথ) বরাদ্দের বেপারটি জেনে নিন।

৮। আপগ্রেড : একটা সময় আপনার বর্তমান প্লানটাকে একটু বাড়িয়ে নিতে হতে পারে, সেই সময় যদি সয়ংক্রিয়ভাবে তারা আপনার হোস্টিং আপগ্রেড করে দিতে পারে সেটা আপনার জন্য অনেক সুবিধাজনক হবে। সাধারনত ভাল মানের সকল সারভার কোম্পানী এরকম পদ্ধতি রেখে থাকে।

ওয়েবসাইট কি?ওয়েবসাইট এর প্রয়োজনীয়তা জানার আগে ওয়েবসাইট কি ও কিভাবে কাজ করে সেটাও জানা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক সং...
11/05/2022

ওয়েবসাইট কি?
ওয়েবসাইট এর প্রয়োজনীয়তা জানার আগে ওয়েবসাইট কি ও কিভাবে কাজ করে সেটাও জানা জরুরি। চলুন জেনে নেওয়া যাক সংক্ষেপে ওয়েবসাইট ও এর কার্যক্রম সম্পর্কে।

কেন আপনার একটি ওয়েবসাইট দরকার
আপনার যদি নিজের কোনো ব্যবসা থাকে, সেক্ষেত্রে অবশ্যই একটি ওয়েবসাইট থাকা উচিত। আর যেকোনো প্রতিষ্ঠানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থাকা তো বর্তমানে একটি সাধারণ ব্যাপার হয়ে গিয়েছে।

ওয়েবসাইট কি তা তো জানলাম। চলুন জেনে নেওয়া যাক, কেনো আপনার একটি ওয়েবসাইট থাকা প্রয়োজন।

ডিজিটাল বিজনেস কার্ড
অনেক মানুষ বর্তমানে তাদের সময়ের বেশিরভাগ অংশ ইন্টারনেট ব্রাউজ করে কাটায়। কোনো ব্যবসার প্রতিনিধি হিসাবে আপনার ফোকাস থাকা উচিত মানুষজন যেখানে তাদের সময় ব্যয় করে সেখানে। আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে যাতে সবাই বেশ সহজেই জানতে পারে তার সুযোগ প্রদান করে ওয়েবসাইট।

একটি ওয়েবসাইট কি শুধুই একটি ভার্চুয়াল পেজের সমাহার? না । এটি একটি প্রতিষ্ঠান বা একজন ব্যক্তির জন্য ডিজিটাল বিজনেস কার্ড এর মত কাজ করে। কন্টাক্ট ইনফরমেশন, কর্মীদের তথ্য, প্রদত্ত সেবা, অফার, ইত্যাদিসহ যেকোনো ধরনের তথ্য আপনার ওয়েবসাইটে দেওয়ার মাধ্যমে পুরো বিশ্বের কাছে খুব সহজেই আপনি বা আপনার প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে তুলে ধরতে পারবেন।

সার্চ ইঞ্জিনে উপস্থিতি
মানুষজন কিন্তু শুধুমাত্র তাদের পছন্দের ব্যবসা খুঁজে পেতে ইন্টারনেট ব্রাউজ করেনা। লোকজন সার্চ ইঞ্জিন, যেমনঃ গুগল, বিং, ইত্যাদি ব্যবহার করে তাদের প্রয়োজনীয় বিষয়বস্তু বের করে। ৯৩ শতাংশ অনলাইন অ্যাক্টিভিটি শুরু হয় সার্চের মাধ্যমে। আবার এর মধ্যে প্রায় অর্ধেক সার্চ হয়ে থাকে শুধুমাত্র স্থানীয় ব্যবসা সম্পর্কিত।

পণ্য বিক্রয়ে সহায়তা
অধিকাংশ মানুষ কোনো পণ্য ক্রয়ের আগে সে পণ্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ইন্টারনেটে একবার হলেও ঢুঁ মেরে আসে। প্রতি ৫জন কনজ্যুমার এর মধ্যে ৪জন কনজ্যুমার স্থানীয় তথ্যের জন্য সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে থাকে।

এসব সার্চকে সাধারণ সার্চ ভেবে বোকামি করবেন না। কেননা মোবাইল ডিভাইসে সংঘটিত ৮৮% স্থানীয় ব্যবসা সম্পর্কিত সার্চ ২৪ঘন্টার মধ্যে সেলে পরিণত হয়ে থাকে। আপনার ব্যবসার সেবা বা পণ্য সমুহের উল্লেখ করে যদি একটি ওয়েবসাইট থাকে, সেক্ষেত্রে কনজ্যুমারগণ খুব সহজেই আপনার পণ্য বা সেবা খুঁজে পাবে।

বিশ্বাসযোগ্যতা স্থাপন
আপনার ব্যবসা বা সেবা নিয়ে আপনি কতোটা সিরিয়াস, সে সংখ্যায় একটি বিশাল অবদান রাখে ওয়েবসাইট। কোনো কনজ্যুমারকে কোনো পণ্য ক্রয়ে আগ্রহী করতে ফার্স্ট ইম্প্রেশন খুবই জরুরি। ৫৭শতাংশ মানুষ ভালো ওয়েবসাইট নেই এমন ব্যবসা থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে।

সুতরাং, সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজড ও সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্টে র‍্যাংক করে এমন একটি ওয়েবসাইট থাকা একান্ত জরুরি। এর ফলে কনজ্যুমারগণ খুব সহজেই আপনার ব্যবসা খুঁজে পাবে ও তার সাথে যুক্ত হতে পারবে।

ওয়েবসাইট কি ব্র‍্যান্ড ইমেজ বৃদ্ধি করে?
অবশ্যই! আপনার ব্যবসা সম্পর্কে কোনো ব্যক্তি জানার পর সর্বপ্রথম ইন্টারনেটে সার্চ করবে। এখন এই ক্ষেত্রে সার্চ এর জবাব দিতে যদি আপনার ওয়েবসাইট থাকে, তাহলে ব্যাপারটি আপনার ও কনজ্যুমার, উভয়ের জন্যই সহজ হয়ে যায়।

ফেসবুক বা গুগল মাই বিজনেস এর মত সেবাতে আপনার ব্যবসা অন্তর্ভুক্ত থাকলেও একটি ওয়েবসাইট থাকার মাধ্যমে আপনার ব্যবসার প্রফেশনালিজম প্রকাশ পায়। যার ফলে কনজ্যুমারগণ খুব সহজেই আপনার ব্যবসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারে।

Address

53/3, Nowab Solimullah Road, Chasara
Narayanganj
1400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Web Solution A To Z posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Web Solution A To Z:

Share