Prioroop Digital

Prioroop Digital Prioroop Digital is an institution where empowering the community for an excellent standard of learning is what desire.

We endeavor for the continuous improvement of our leaders who will work for constructing a better future. We are devoted to providing our patrons the most advanced exercise and the best sustainable business solution as a corporate partner. We provide technical support, cooperation for international standard projects, making successful digital transformations, and driving towards a world of entrepr

eneurship as well as corporate solution and enterprise resource planning, work process development, business consultancy, procedures, and implementation. We want you to be our companion throughout the journey of excellence that we are aiming for. Our mission is to create a progressive and sustainable influence on society by standardizing a set of skilled individuals and proficient organizations through long-lasting relationships and continuous development.

10/08/2024
With Bhalo-ভালো – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
13/06/2024

With Bhalo-ভালো – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

Google's new Quantum Computer can complete 47 years of computing takes in just 6 second!It takes 241 million times faste...
10/09/2023

Google's new Quantum Computer can complete 47 years of computing takes in just 6 second!

It takes 241 million times faster than Google's 2019 version.

Quantum computing could enable some amazing things that are not possible right now:

Find new medical drugs and vaccines by running molecular simulations that are beyond our current computing ability.

Boost global trade and cut climate emissions by optimizing complex trading routes and supply chain logistics.

Discover new materials by analyzing different molecular structures. This could transform industries like energy storage.

Google is using its quantum computer to solve optimization problems like finding the best outcome from a set of data.

আজ বিশ্ব ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব দিবস!ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (সংক্ষিপ্তরূপ: দি ওয়েব) হল ইন্টারনেট দিয়ে দর্শনযোগ্য আন্তঃ...
01/08/2023

আজ বিশ্ব ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব দিবস!

ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব (সংক্ষিপ্তরূপ: দি ওয়েব) হল ইন্টারনেট দিয়ে দর্শনযোগ্য আন্তঃসংযোগকৃত তথ্যাদির একটি ভাণ্ডার। একটি ওয়েব ব্রাউজারের সহায়তা নিয়ে একজন দর্শক ওয়েবপাতা বা ওয়েবপৃষ্ঠা দেখতে পারে এবং সংযোগ বা হাইপারলিঙ্ক ব্যবহার করে নির্দেশনা গ্রহণ ও প্রদান করতে পারে।

ইন্টারনেটের মাধ্যমে পরস্পরের সাথে যুক্ত হাইপার টেক্সট ডকুমেন্টগুলো নিয়ে কাজ করার প্রক্রিয়া ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েব নামে পরিচিত। হাইপার লিংকের সাহায্যে ওয়েব ব্রাউজারের মাধ্যমে, ওয়েব পৃষ্ঠা দেখা যায়, যা টেক্সট, চিত্র, ভিডিও ও অন্যান্য মাণ্টিমিডিয়া সমৃদ্ধ হতে পারে। ১৯৮৯ সালের মার্চে ইংরেজ পদার্থবিদ টিম বার্নাস লি, বর্তমানে যিনি ওয়ার্ণ্ড ওয়েব কনসোর্টিয়ামের ডাইরেক্টর, পূর্ববর্তী হাইপারটেক্সট সিস্টেম হতে ধারণা নিয়ে, যে প্রস্তাবনা লেখেন তা হতেই উপত্তি ওয়াল্ড ওয়াইড ওয়েবের। পরবর্তীতে এ কাজে লি'র সাথে যোগ দেন বেলজিয়ান বিজ্ঞানী রবার্ট কাইলিয়াউ। এসময় তারা উভয়েই সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় সের্নে কর্মরত ছিলেন। ১৯৯০ এর ডিসেম্বরে তাদের প্রকাশিত এক প্রস্তাবনায় তারা উল্লেখ করেন,‍“ হাইপারটেক্সট্-কে লিংক ও ওয়েব হতে নানবিধ তথ্যের সংগ্রহের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করে একজন ব্যাবহারকারি তার মর্জিমাফিক ওয়েব পরিভ্রমণ করতে পারবে।”

বর্তমান ইন্টারনেট সংযোগের মাধ্যমে সংযুক্ত হয়ে, অন্যান্য ওয়েব সাইট তৈরি হয়েছিল, সারা বিশ্বব্যাপী, ডোমেইন এর নাম ও এইচটিএমল এর ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক মান স্থাপিত হয়েছিল। তখন থেকেই বার্নাস লি ওয়েব স্টান্ডার্ড এর ব্যাপারে তার সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন(যেমন, ওয়েব পেই্জ তৈরীতে কোন মার্কআপ ভাষা ব্যবহার করা হবে)। সাম্প্রতিক কালে তিনি আওয়াজ তুলেছেন Semantic ওয়েব এর ব্যাপারে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব সহজে ব্যবহার যোগ্য ও সাবলীল পক্রিয়ায় ইন্টারনেটের মাধ্যমে তথ্য সমূহের প্রসার বা বিস্তৃতি ঘটিয়েছে। আর এভাবেই তারা ইন্টারনেটকে জনপ্রিয় করতে গুরুত্ববহ ভূমিকা রেখেছেন। অনেক সময় সাধারণত এদের অর্থকে গুলিয়ে ফেলা হয় যদিও ইন্টারনেট কখনই ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের প্রতিশব্দ নয়। ওয়েব হল মূলত ইন্টারনেটের উপর ভিত্তিকরে গড়ে ওঠা একটা এপ্লিকেশন মাত্র।

আমরা যখন বিজনেস ম্যানেজার নিয়ে কথা বলেছি, তখন আরো দুইটা ম্যানেজার আমরা আমাদের বিজনেস ম্যানেজারের ভিতরে খুজে পাই।ম্যানেজা...
30/07/2023

আমরা যখন বিজনেস ম্যানেজার নিয়ে কথা বলেছি, তখন আরো দুইটা ম্যানেজার আমরা আমাদের বিজনেস ম্যানেজারের ভিতরে খুজে পাই।

ম্যানেজার দুইটা হলো -
১) কমার্স ম্যানেজার
২) ইভেন্ট ম্যানেজার

কমার্স ম্যানেজারের ভিতর থাকে কমার্শিয়াল কাজের সুবিধা। এই যেমন ধরেন নিজের বিজনেস পেজের জন্য একটা বিজনেসশপ তৈরি করে ফেলা বা বিজনেস ক্যাটালগ তৈরি করে ক্যাটালগ এড ক্যাম্পেইন রান করা।

বিজনেস শপটা আমরা কম বেশি সবাই বুঝি বা চিনি। ফেসবুক শপটা এখন বেশ অনেক ডায়নামিক। আপনি চাইলে আপনার শপকে আপনার বিজনেস ওয়েবসাইটের সাথে কানেক্ট করে নিতে পারেন। এর মানে দাঁড়াল আপনার শপ থেকে আপনি আপনার পেজে আসা ট্রাফিককে আপনার ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দিতে পারেন আর ম্যাসেঞ্জারে পাঠানোর অপশন তো আছেই। এছাড়া কমার্স ম্যানেজার মাধ্যমে আপনি চাইলে আপনার ওয়েবে আপলোড করা সমস্ত প্রোডাক্টকে অটোমেটিক আপনি শপে এনলিস্ট করে ফেলতে পারবেন। আর ম্যানুয়ালি করার অপশন তো পাচ্ছেনই।

এইবার আসেন এই ক্যাটলগ জিনিসটা কি একটা ভেতরে ঢুকে দেখি। যদি আপনি একটা ইকমার্স বিজনেস বা লুক এ লাইক ইকমার্স বিজনেসের ওউনার হয়ে থাকেন তবে এই ক্যাটালগ ম্যানেজার আপনার জন্যই। ক্যাটালগ ম্যানেজারের একদম বেসিক কাজ হলো নিজের প্রোডাক্ট সেট নিয়ে একটা ক্যাটালগ তৈরি করে ফেলতে পারা।

ক্যাটালগ মানে হলো খানিকটা রেস্টুরেন্ট ম্যানুর মতন কিছু একটা। অর্থাৎ একটা ম্যানুতে আপনার প্রয়োজনীয় সব গুলো প্রোডাক্টকে লিস্ট করে ফেলতে পারবেন। ধরেন আপনি জুতো, জামা, প্যান্ট, ঘড়ি বিক্রি করেন। এখন এই সব কিছুর মধ্যে জুতোর আবার অনেক গুলো ব্র‍্যান্ড থাকতে পারে, অনেক গুলো ক্যাটাগরি ও থাকতে পারে। আপনি যখন জুতো নিয়ে এডভারটাইজমেন্ট এ যাবেন হয়তো একটা স্পেসিফিক ব্র‍্যান্ডনিয়ে যাবেন। তখন এই স্পেসিফিক ব্র‍্যান্ড নিয়ে এডে যেতে আপনাকে হয় সব গুলো প্রোডাক্টের ডিটেইল সহ পেজে একটা পোস্টকরে এডস ম্যানেজার থেকে এক্সিস্টিং পোস্ট সিলেক্ট করে এডে যেতে হবে। তবে এই এড কিন্তু ডায়নামিক কিছু হবে না। একদমসাধারণ একটা সাদা মাটা এড হবে। এই সাদা মাটা এড কে ইন্টারেস্টিং বানাতে হলে আপনাকে হয় Carousel Ad বা Instant Experience Ad বা Collection ad এর মতন ডায়নামিক কোন এড নিয়ে আপনাকে এডে যেতে হবে। আর এ ধরণের ডায়নামিক এড বানানোর একটা বিরম্বনা আছে। প্রতিবার আলাদা আলাদা প্রোডাক্ট সেট নিয়ে আলাদা আলাদা ভাবে ইনপুটদেয়া লাগে। যেমন,প্রোডাক্ট নাম, ডিটেইলস, ওয়েব লিংক, প্রাইস, অফার, ডিস্কাউন্ট প্রাইস ইত্যাদি। বারে বারে এতো ইনফরমেশন ইনপুট দেয়াটা সত্যি অনেক সময় সাপেক্ষ ও বটে। এই সমস্যার সমাধান হিসেবে আমাদের জন্য রয়েছে ক্যাটালগ নামের ভিটামিন।

ক্যাটালগ ম্যানেজারে গিয়ে আপনার কাজ হলো আপনার প্রোডাক্টের সেট বুঝে অনেকগুলা ক্যাটালগ তৈরি করে ফেলা আর যখন যেই সেট নিয়ে এডে যাবেন সেটা সিলেক্ট করে অটোমেটিক এডস ক্রিয়েটিভে খুঁজে পাওয়া।

এইবার আসেন ইভেন্ট ম্যানেজার নিয়ে একটু গল্প করা যাক। আপনি কি পিক্সেল নামটা এর আগে কখনো শুনেছেন? পিক্সেল হলো একটা জাভাস্ক্রিপ্ট কোড। এই কোডটা আমরা খুজে পাই আমাদের এই ইভেন্ট ম্যানেজারের ভিতরে। আমাদের কাজ হলো এই কোডটাকে ম্যানেজার থেকে কালেক্ট করে আমাদের ডেভেলপার ভাইজানকে দিয়ে দেয়া। ডেভেলপার ভাই এই কোডটা আমাদের সাইটে রেখে দিবে। কোডটা সাইটে রিপ্লেস করা মাত্র আমাদের ওয়েবসাইট এবং ম্যানেজার কানেক্টেড হয়ে যাবে এবংআমরা আমাদের এই পিক্সেল কোড ব্যাবহার করে নানা ধরনের ডাটা কালেক্ট করতে পারবো। ইভেন্ট ম্যানেজারে থাকা

এইকোডকে আবার তিন ভাগে ভাগ করা যায় -
১) বেস কোড
২) স্ট্যান্ডার্ড ইভেন্ট কোড
৩) কাস্টম ইভেন্ট কোড

প্রথমেই প্রশ্ন আসে ইভেন্ট কি? ইভেন্ট মানে ঘটনা। যখনি আপনার ওয়েবসাইটে একজন ট্রাফিক প্রবেশ করবে এবং সে কোনএকটা একশন নিবে তখনি সেটা একটা ইভেন্ট বলে কাউন্ট হবে। উদাহরণ নিলে, ধরেন একজন ট্রাফিক সাইটে প্রবেশ করা মাত্রহোম পেজটা লোড হয় এবং এইটাই একটা ইভেন্ট হিসেবে কন্সিডার হয়। কেও হয়তো কোন একটা ক্যাটাগরি পেজ ভিসিট করে, কেও কোন একটা প্রোডাক্টকে এড টু কার্ট করে, কেও পারচেজ বাটন ক্লিক করে, কেও বা আবার পেমেন্ট করে। এই যে এত গুলো এক্টিভিটি এই সব গুলো এক্টিভিটি ই কোন না কোন একটা ইভেন্ট হিসেবেই কাউন্ট হয় এবং আমাদেরকে পিক্সেল এই ইভেন্টেরবেসিসে ডাটা প্রোভাইড করে। আর সেই ডাটাকে ভিসুয়ালাইজ করে আমরা পরবর্তীতে আমাদের ওয়ার্ম অডিয়েন্সকে হট করার জন্যে রিটার্গেট বা রিমার্কেট ক্যাম্পেইন লঞ্চ করে থাকি।

রিমার্কেটিং ক্যাম্পেইনের একটা উদাহরণ দেই: ধরুন আপনার ওয়েবে মোট ১০০ টা এড টু কার্ট হয়েছে এখন এর মানে ওই না যে১০০ টা পারচেজ ও হয়েছে। আপনি ভালো করে নোটিশ করলে দেখবেন ১০০ এড টু কার্টের মধ্যে হয়তো ৩০ টা পারচেজ হয়েছেমাত্র। সো এর মানে দাঁড়ালো এমন ৭০ জন মানুষ আপনার ওয়েবে আছে যারা আপনার প্রোডাক্টের প্রতি আগ্রহী আছে ঠিকই কিন্তু কোন এক অজানা কারণে পারচেজ না করেই চলে গেছে।সো আমাদের ইভেন্ট ম্যানেজারের কাজই হলো ওই ৭০ জন মানুষকে খুজে বের করা এবং তাদেরকে রিটার্গেট করে ক্যাম্পেইন চালানোর ব্যাবস্থা করে দেয়া।

আমি জানি আপনি এখন ভাবছেন, আচ্ছা আমার তো ওয়েবসাইট নাই। তাহলে কি আমি এই রিটার্গেটিং ক্যাম্পেইন চালাতে পারবো না। আরেহ কি যে বলেন ভাই। আছে আছে আপনার জন্য ও ব্যাবস্থা আছে। আপনি ও খুজে বের করতে পারবেন আপনার ফেসবুক পেজে কারা ভিসিট করছিল, কারা এনগেজ হয়েছিল, কারা ম্যাসেজ করেছিল ইত্যাদি ইত্যাদি এবং ইত্যাদি। আর পেজ থেকে পাওয়া এই ডাটা গুলোকে ব্যাবহার করে ও আপনি চাইলেই কিন্তু আপনার পেজের জন্য রিটার্গেটিং ক্যাম্পেইন লঞ্চ করে ফেলতে পারবেন এবং আপনার সেলসের পরিমাণ আরো ২০-৩০% বাড়াতে পারবেন এবং ব্র‍্যান্ড রিকল ভ্যালু বাড়াতে পারবেন ৬.৫% এর ও বেশি।

সাধারণত একটা ফেসবুক বুস্ট করার জন্য আমাদের দরকার হয় একটা ফেসবুক পেজ এবং একটা পারসোনাল এড একাউন্ট। যেখানে আমরা আমাদের ব্য...
29/07/2023

সাধারণত একটা ফেসবুক বুস্ট করার জন্য আমাদের দরকার হয় একটা ফেসবুক পেজ এবং একটা পারসোনাল এড একাউন্ট। যেখানে আমরা আমাদের ব্যাংক কার্ডটা এড করে সেই কার্ডের ডলার খরচ করে আমাদের একটা পেজ পোস্টকে বুস্ট করে দেই। আর তা মানুষের ওয়ালে ওয়ালে পৌছে যায়।

এই একই কাজ করে যদি আপনি আপনাকে একজন ডিজিটাল মার্কেটার বা মিডিয়া বায়ার বলে দাবী করে থাকেন তবে আপনি ভুলে ভরা জীবন কাটাচ্ছেন ভাই।
আসেন ভুল ভেঙে দেই , আমিও আপনাকে এখন একটা কন্টেন্টকে বুস্ট করার অপশন দেখিয়ে দিবো তবে সেটা হবে অনেক বেশি প্রফেশনাল উপায়ে, অনেক বেশি। তাহলে শুরুতেই আপনার মোবাইল বা পিসি থেকে সার্চ করুন www.business.facebook.com নামের এই সাইটটা।

যেটা ফেসবুক তৈরী করেছে আমাদের মতন প্রফেশনাল মিডিয়া বায়ারদের জন্য। যারা শুধু মাত্র ৪/৫ টা অব্জেকটিভ নির্ভর বুস্টিং করে না। হ্যা সত্যি আমরা প্রফেশনালরা ফেসবুকের এই বিজনেস সাইট থেকে মোট ১৩ টা অব্জেকটিভ কে কেন্দ্র করে এডভারটাইজমেন্ট চালাতে পারি।

তার মধ্যে বিশেষভাবে উল্লেখ্যোগ্য হলো কনভারসন এড, ক্যাটালগ এড, ট্রাফিক এড, ব্র‍্যান্ড এওয়ারনেস এড, ম্যাসেজ এড ইত্যাদি। এছাড়া ও এই বিজনেস ম্যানেজার ব্যাবহার করায় আপনি এড মেট্রিক্স গুলোকে ভিসুয়ালাইজেয়াশান করতে পারবেন প্রপারলি। যেমন: আপনার এড এর CPC, CPM, CPR, Frequency, Attribution Setting ইত্যাদিকে খুব সহজেই মেজারকরতে পারবেন। আপনার ক্যাম্পেইনের ROAS বা ROI জানতে পারবেন এবং নিশ্চিত ও করতে পারবেন।

এছাড়া ও ম্যানেজার ব্যাবহার করার ফলে আপনার এডের উপর থাকবে আপনার অনেক বেশি কন্ট্রোল। এখানে বাজেট কন্ট্রোলিং বা স্কেলিং থেকে শুরু করে ক্যাম্পেইন বাজেট অপটিমাইজেশান করার ও উপায় আপনি একই ইন্টারফেসে পেয়ে যাবেন। এছাড়া ও এই এক ম্যানেজার থেকেই আপনি আপনার কন্ট্রোলে থাকা যে কোন পেজে পোস্ট করে ফেলতে পারবেন, ম্যাসেজের উত্তর দিতে পারবেন, কমেন্টের রিপ্লাই ওদিতে পারবেন। আপনার আর আলাদা আলাদা করে পেজ খুজে বের করে আলাদা আলাদা ম্যানেজ করার এফোর্ট দিতে হবে না।

এই ধরনের ক্যাম্পেইন চালাতে আমাদের কে শুরুতেই একটা বিজনেস ম্যানেজার ক্রিয়েট করে নিতে হয় আর সেই বিজনেস ম্যানেজারের ভিতরে থাকে একটা বিজনেস এড একাউন্ট। এছাড়া ও আমাদের পেজটা ও কানেক্ট করা থাকে একই সাথে বিজনেস ম্যানেজারের সাথে। যার ফলে আমরা বিজনেস ম্যানেজারের ভেতরে প্রবেশ করে একটা এড একাউন্ট ব্যাবহার করে যেকোন একটা পেজের এড চালাতে পারি। তবে মনে রাখতে হবে এর জন্য দরকার হবে একজন মানুষ। যে কিনা সেই বিজনেস ম্যানেজারের ভিতরে থাকবে বা আমরা তাকে ম্যানেজারে এড করে নিব। এছাড়া ও গ্রুপ অফ পিপল মানে কোন এজেন্সি কেএক্সেস দেয়ার জন্য বিজনেস ম্যানেজারে রয়েছে পার্টনার নামে আরেকটি অপশন।

----------------------------------------------------
সম্পূর্ণ পোস্টটি পড়ুন আমাদের ফেসবুক পেজেঃ
https://fb.com/prioroopdigital/

**ডিজিটাল মার্কেটিং কেন প্রয়োজন?**বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অপরিহার্য অংশ। কারণ মানুষ এখন যেকোন পণ্য ক্রয় করার...
25/07/2023

**ডিজিটাল মার্কেটিং কেন প্রয়োজন?**

বর্তমান সময়ে ডিজিটাল মার্কেটিং একটি অপরিহার্য অংশ। কারণ মানুষ এখন যেকোন পণ্য ক্রয় করার আগে ইন্টারনেটে ওই পন্য সম্পর্কে জেনে বুঝে তারপর ক্রয় করে। তাছাড়া মানুষ এখন দোকানে ঘুরে ঘুরে না কিনে, অনলাইন থেকেই বেশিরভাগ কেনা কাটা করে থাকে।

- সমগ্র বিশ্বে মোট প্রায় ২ বিলিয়ন মানুষ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে। আর এই সংখ্যাটি নিয়মিতভাবে বেড়ে চলেছে। মানুষ যত বেশি ইন্টারনেটে ব্যবহার করবে তত বেশি মানুষের সামনে আপনি আপনার পণ্যের মার্কেটিং করতে পারবেন। আর ইন্টারনেটে পণ্যের মার্কেটিং এ ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব কতখানি তা আপনি আমাদের উপরের আলোচনা পড়লেই বুঝতে পারার কথা।
- বর্তমান বিশ্বে মোট প্রায় ৫.১১ বিলিয়ন মানুষ মোবাইল ফোন ব্যবহার করে। আর এই সংখ্যা খুবই দ্রুত গতির সাথে বেড়ে চলেছে। এখন অনেক মানুষ আছে যারা একাধিক মোবাইল ব্যবহার করেন তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থা ঠিক রাখার জন্যে। আর এই মোবাইল ফোন হচ্ছে ক্রেতার তথ্য কালেকশনের অন্যতম মাধ্যম। কারণ প্রায় সকল মোবাইল ব্যবহারকারীই ইন্টারনেটের সাথে যুক্ত। তাই এই ব্যবহারকারীর সংখ্যা যত বাড়বে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োজনীয়তাও বাড়বে।
- আপনি জেনে অবাক হবে যে, একটা স্ট্যাটিসটিক্সের মাধ্যমে ইউজার সার্ভে রিপোর্ট উল্লেখ করেছে যে, প্রায় ৮৪% বিক্রেতা, মার্কেটার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে ক্রেতার তথ্য সংগ্রহ করার জন্যে।
- এছাড়া আরো একটি সার্ভে রেজাল্ট দেখিয়েছে যে, সারা বিশ্বে ৫৫% মানুষ যেকোন পন্য ক্রয়ের জন্যে সামাজিক মাধ্যমের ওপর নির্ভরশীল। মানে হচ্ছে, তারা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে তাদের পছন্দের পণ্য সম্পর্কে তথ্য এবং রিভিউ জানতে পারে। আর ক্রেতা যার প্রেজেন্টেশন ও পণ্যকে পছন্দ করবে তার কাছ থেকে অনলাইনের মাধ্যমেই ক্রয় করে ফেলে।
- ৪৩% ই-কমার্স ক্রেতা গুগলে সার্চ করে তাদের পছন্দের ই-কমার্স ওয়েবসাইটে আসে।
- বিশ্বে প্রায় ৫১% ক্রেতা তাদের প্রয়োজনীয় কেনাকাটা অনলাইন থেকে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করে থাকে। এই সংখ্যাটিও দিনকে দিন বেড়েই চলেছে।
- ৭০% ক্রেতা যেকোন পণ্য কেনার আগে ইন্টার্নেটে সার্চ দিয়ে সেই পণ্য সম্পর্কে যাচাই বাছাই করেন। পণ্যটি পচ্ছন্দ হলে সাথে সাথেই ঘরে বসেই অনলাইনে অর্ডার করে ফেলেন।
- আরো একটি মজার ব্যাপার হচ্ছে, ৮২% ক্রেতা মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যেই বিক্রেতার সাথে তাদের লাইভ চ্যাটের মাধ্যমে কথা বলতে চান।

**ডিজিটাল মার্কেটিং এর ভবিষ্যৎ কি?**

বর্তমান বিশ্বের বাজার ব্যবস্থা যেভাবে ডিজিটাল ইন্ডাস্ট্রিতে রূপ নিচ্ছে। সেদিন আর বেশি দূরে নয়, যখন মানুষ আর দোকানে কিংবা বাজারে গিয়ে পণ্য কেনা বন্ধ করে দিবে। তারা সবকিছু অনলাইনেই কিনে নিবে। কারণ ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে জীবনযাত্রা অনেক কঠিন হয়ে পড়েছে।
আর মানুষ সময় নষ্ট করে বাজারে গিয়ে পণ্য যাচাই বাছাই করার থেকে অনলাইনে যেকোন পণ্য সম্পর্কে সার্চ করে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা জেনে নিতে পারে। আর পছন্দ হলে সেই পণ্য একটি বিশ্বাসযোগ্য বিক্রেতার কাছ থেকে অনলাইনের মাধ্যমেই কিনে নিতে পারে। আর এই অনলাইন বাজার ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওপর নির্ভরশীল।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং এটির প্রয়োজনীয়তাই বা কি? এই প্রশ্নটি এখন সবার। উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সবাই...
23/07/2023

ডিজিটাল মার্কেটিং কি এবং এটির প্রয়োজনীয়তাই বা কি? এই প্রশ্নটি এখন সবার। উদ্যোক্তা থেকে শুরু করে প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী সবাই এখন ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে জানতে চায়। বর্তমান যুগ ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগ। এখন ঘরে বসে অনলাইনে কেনা কাটা থেকে শুরু করে, অনলাইনে ইনকাম করা সবটাই এই ডিজিটাল মার্কেটিং এর ওপর নির্ভর করে।

ডিজিটাল মার্কেটিং বলতে মানুষ মূলত সোশ্যাল মিডিয়ায় পন্যের বিজ্ঞাপনকেই বুঝে। কিন্তু আসলে ব্যাপারটা কি তাই?
ডিজিটাল মার্কেটিং মানে অনলাইনে পন্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করাকেই বুঝায়। এখন সেটা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে, আবার হতে পারে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে।
আবার ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া যেমন, টিভি, রেডিও ইত্যাদির মাধ্যমে পণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার করাটাও এক ধরণের ডিজিটাল মার্কেটিং। এছাড়া মোবাইলে ইন্সট্যান্ট মেসেঞ্জিং, ইলেকট্রনিক বিলবোর্ড, মোবাইল এপ্লিকেশনের মাধ্যমে পণ্যের প্রচারণাকেও ডিজিটাল মার্কেটিং বলা যেতে পারে।
বুঝতেই পারছেন, আধুনিক বিশ্বে নিজেকে ও নিজের ব্যবসার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখতে হলে ডিজিটাল মার্কেটিং এর কোনো বিকল্প নেই।

**** ডিজিটাল মার্কেটিং এর ধাপসমূহ ****

ডিজিটাল মার্কেটিং এর অনেকগুলো ধাপ আছে। যেগুলো প্রয়োগ করে মূলত ডিজিটাল মার্কেটাররা বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ডিজিটাল মার্কেটিং করে থাকেন। ডিজিটাল মার্কেটিং এ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ -
1. এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন
2. এসইএম বা সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং
3. কন্টেন্ট মার্কেটিং
4. সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং বা এসএমএম
5. এফিলিয়েট মার্কেটিং
6. ইমেইল মার্কেটিং
7. ই-কমার্স প্রোডাক্ট মার্কেটিং
8. সিপিএ মার্কেটিং

Rebranding can breathe new life into your business and keep you from being overshadowed by the competition. To rebrand y...
18/07/2023

Rebranding can breathe new life into your business and keep you from being overshadowed by the competition. To rebrand your business contact us.

- Phone: +8801714044237
- Email: [email protected]
- Web: www.prioroopdigital.com

কোম্পানির পুরাতন কার্য পরিধি, প্রমোশনাল কর্মকাণ্ড, লোগো, প্রয়োজন অনুসারে নাম, কাস্টমারদের সন্তুষ্ট করার উপায় এবং পারসে...
13/07/2023

কোম্পানির পুরাতন কার্য পরিধি, প্রমোশনাল কর্মকাণ্ড, লোগো, প্রয়োজন অনুসারে নাম, কাস্টমারদের সন্তুষ্ট করার উপায় এবং পারসেপশন সম্পূর্ণরূপে পরিবর্তন ও পরিমার্জন করাকেই রি-ব্র্যান্ডিং বলা হয়ে থাকে। সহজভাবে বললে, প্রতিষ্ঠানকে যে সব ইউনিক উপাদান অন্য প্রতিষ্ঠান থেকে পৃথক করে, সেগুলোর পরিবর্তনকেই রি-ব্র্যান্ডিং বলা হয়।

১. শুধু লোগো রি-ডিজাইন আর ওয়েবসাইটের কালার পরিবর্তন করলেই রি-ব্র্যান্ডিং হয় না। রি-ব্র্যান্ডিং একটি বৃহৎ বিষয়।
২. হুটাহাট করে সিদ্ধান্ত নিয়ে বা শখের বশে করার কাজ রি-ব্র্যান্ডিং নয়।
৩. দূরদর্শিতার পরিচয় দিয়ে এবং চরম ঝুঁকি নিয়ে রি-ব্র্যান্ডিং প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।
৪. রি-ব্র্যান্ডিং একটি ব্যয়বহুল ও আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া।
৫. সঠিক পরিকল্পনা এবং যথাযথ লক্ষ্য স্থির না থাকলে রি-ব্র্যান্ডিং করেও সফল হওয়া সম্ভব নয়।

রি-ব্র্যান্ডিং খুবই কার্যকর একটি প্রক্রিয়া ব্যবসাকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। বিশ্বের যত বড় বড় টেক এবং নন-টেক কোম্পানি রয়েছে সবাই কোন না কোন সময় রি-ব্র্যান্ডিং প্রক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে গিয়েছে যার ভিতরের প্রায় সব গুলো কোম্পানিই সফলতার মুখ দেখেছে। তাই আমরা বলতে পারি প্রয়োজন অনুসারে রি-ব্র্যান্ডিং করলে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলোর অধিক সফল হবার সম্ভাবনা রয়েছে।

# রি-ব্র্যান্ডিং করার প্রয়োজনীয়তা -
৮০ বা ৯০ এর দশকে প্রতিষ্ঠিত কোন কোম্পানি যদি ২০২২ সালে এসেও একই ধরনের পণ্য বিক্রি করে এবং সেইম মার্কেটিং ক্যাম্পেইন ও প্রমোশনাল এক্টিভিটি বজায় রাখে তাহলে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারার সম্ভবনা খুবই কম। কারণ ৯০ এর দশকের আর এখনকার মানুষের রুচি, চিন্তা-ভাবনা এক নয়। বিশেষ করে মোট জনসংখ্যার ভিতরে প্রায় ৪৫% তরুণ প্রজন্মের চিন্তা-ভাবনা সম্পূর্ণ ভিন্ন। তাছাড়া এই কয়েক দশকে প্রযুক্তির অবিশ্বাস্য ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। তাই এই বিশাল তরুণ প্রজন্মকে কাস্টমারে পরিণত করতে, প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিজের প্রতিষ্ঠানকে সহজলভ্য ও অটোমেটেড করতে রি-ব্র্যান্ডিং করাটা অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

কোম্পানি নতুন কোন পণ্য বা সার্ভিস প্রদান করার চিন্তা করলে বা সম্পূর্ণ নতুন কোন সেগমেন্ট ভিত্তিক কাস্টমারকে টার্গেট করার জন্য কিংবা ভোক্তাদের মনে কোম্পানির প্রতি যে একঘেয়েমিতা তৈরি হয়েছে তা কাটিয়ে তোলার জন্যও রি-ব্র্যান্ডিং করার প্রয়োজন হয়।

তাছাড়া কোম্পানিতে নতুন কোন সিইও আসলে, কোম্পানি অন্য কোন বৃহৎ কোম্পানির নিকট বিক্রি হলে, পুরাতন কয়েকটি কোম্পানি নতুন ভাবে কোন ব্যবসা শুরু করলে এবং পুরাতন কোম্পানি টি পূর্বে তাদের কার্যক্রমের জন্য ক্রেতাদের নিকট অপছন্দনীয় হলে নতুন উদ্যমে ব্যবসায় শুরু করার জন্য রি-ব্র্যান্ডিং করতে পারে। এক দেশ থেকে গিয়ে অন্য কোন দেশে কোম্পানি নতুন ভাবে ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু করলে, চলতি ব্যবসায় সফলতা অর্জনে ব্যর্থ হলেও রি-ব্র্যান্ডিং করা যেতে পারে।

# রি-ব্র্যান্ডিং করার প্রক্রিয়া সমূহ -
১. কোম্পানির ভ্যালু এবং মিশন এনালাইসিস করা। এই প্রক্রিয়ায় কোম্পানি রি-ব্র্যান্ডিং করা কেন প্রয়োজন এবং ভবিষ্যতে কি করতে হবে, মূল লক্ষ্য, উদ্দেশ্য ইত্যাদি পরিকল্পনা করে ঠিক করতে হবে।
২. যথাযথ কাস্টমার বেজ সিলেক্ট করা বা কোন ধরনের কাস্টমারদের নিকট পণ্য এবং সেবা বিক্রি করতে চায় রি-ব্র্যান্ডিং এর মাধ্যমে তা ঠিক করা।
৩. সঠিক পদ্ধতিতে মার্কেট রিসার্চ করা যে রি-ব্র্যান্ডিং করলে কোম্পানি মার্কেটে এবং কাস্টমারদের নিকট রেলেভেন্ট থাকবে কিনা। এই ধাপে প্রচুর দূরদর্শিতার পরিচয় দিতে হয় উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের।
৪. রি-ব্র্যান্ডিং এর পূর্বের ক্রেতা এবং রি-ব্র্যান্ডিং পরবর্তী ক্রেতাদের একত্র বা মিশ্রণ ঘটানো যাবে নাকি সেই বিষয়টি খেয়াল রাখা।
৫. এই পর্যায়ে সম্পূর্ণ ভাবে চুড়ান্ত পরিকল্পনা করতে হবে যে কি কি উপায়ে কোম্পানি রি-ব্র্যান্ডিং করা হবে এবং কোন কোন উপাদান (যেমন:- নাম, লোগো, ডিজাইন, মিশন, ওয়েবসাইট, মার্কেটিং প্রক্রিয়া ইত্যাদি ) পরিবর্তন করা হবে।
৬. রি-ব্র্যান্ডিং করার পর নতুন রুপে কোম্পানির সকল কর্মকান্ড সাজানো।
৭. ঘটাও করে বা বড় ধরনের কোন প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সকল পক্ষকে রি-ব্র্যান্ডিং সম্পর্কে জানানো। সংবাদ মাধ্যমে নিউজ করে, স্যোসাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বা বড় ধরনের কোন ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে হলেও কোম্পানির রি-ব্র্যান্ডিং সবাইকে জানানো টা জরুরি।
৮. পরিশেষে কোম্পানি রি-ব্র্যান্ডিং করার পর রি-লঞ্চিং করা।

প্রকৃতপক্ষে, রি-ব্র্যান্ডিং শুধুমাত্র কাস্টমারকেই কেন্দ্র করে করলেও এর সাথে আরো অনেক পক্ষই জড়িত থাকে। যেমন:- বিনিয়োগকারী, দেনাদার-পাওনাদার, মধ্যস্থাকারী, প্রতিযোগী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ইত্যাদি ।
রি-ব্র্যান্ডিং এর ফলে ব্যবসায়ে নতুন ধরনের কাস্টমার আসে তাই বিক্রয় বৃদ্ধি পায়। রি-ব্র্যান্ডিং এর মাধ্যমে কোম্পানি কাস্টমারদের নিকট নতুন রুপে জন্ম নেয় এর ফলে কোম্পানির প্রতি জনসাধারণের আস্থা বৃদ্ধি পায়।

কোম্পানি রি-ব্র্যান্ডিং করে নতুন ধারায় কার্যক্রম শুরুর মাধ্যমে যদি পূর্বের ন্যায় বা তার চেয়ে বেশি সফলতা অর্জন করে তবেই তাকে সফল রি-ব্র্যান্ডিং বলা হয়। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি সব কোম্পানিই রি-ব্র্যান্ডিং করার ফলে সফলতা অর্জন করতে পারে না বরং তারা পূর্বে যতটুকু ব্যবসা করতে সক্ষম ছিল সেই সক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। পূর্বে যে পরিমাণ কাস্টমার ছিল তাও আস্তে আস্তে হারাতে শুরু করে, তাই প্রয়োজন অনুসারে সঠিক পরিকল্পনা এবং মার্কেট রিসার্চের মাধ্যমেই রি-ব্র্যান্ডিং করা উচিৎ।

"বিজনেস ইনসাইডারের মতে, শুধুমাত্র রি-ব্র্যান্ডিং এর ফলেই পিজ্জা চেইন কোম্পানি ডোমিনোস বর্তমানে ৫০% এর বেশি মার্কেট অধিগ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছে।"

চলুন সফল ভাবে রি-ব্র্যান্ডিং করা কিছু কোম্পানির গল্প জেনে আসি!

ডোমিনোস -
ডোমিনোস ২০০৯ সালের দিকে প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে যাচ্ছিল, সেই সময় মাত্র ৭% মার্কেট শেয়ার নিয়ে সবার নিচে অবস্থান করছিল। ২০০৯ সালেই ডোমিনোস রি-ব্র্যান্ডিং করে। তারা তাদের কোম্পানিকে টেক ভিত্তিক পিজ্জা চেইন কোম্পানিতে রুপান্তরিত করে। যেমন:- প্রথম বারের মত ডোমিনোস-ই মেসেজের রিপ্লাই দেবার জন্য চ্যাটবোট চালু করে তারপর রোবোট, ড্রোন, অটো-পাইলোট গাড়ির মাধ্যমে হোম ডেলিভারি সার্ভিস এবং ৩০ মিনিটে পিজ্জা হোম ডেলিভারি করতে না পারলে ফ্রিতে পিজ্জা প্রদান করার মতো ইনোভেটিভ কার্যক্রম শুরু করে। রি-ব্র্যান্ডিং এর মাধ্যমে উপরের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করেছে বলেই বর্তমানে ডোমিনোস বিশ্বের এক নাম্বার পিজ্জা চেইন কোম্পানি পরিণত হয়েছে।

দারাজ -
বাংলাদেশের অন্যতম সফল ই-কমার্স কোম্পানি "দারাজ"। দারাজ ২০২২ এর শুরুতেই তাদের কোম্পানির রি-ব্র্যান্ডিং সম্পূর্ণ করেছে। তাদের লোগো রি-ডিজাইন এবং কোম্পানির কার্য পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে। যেমন:- লজিস্টিকস, পণ্য এবং রিসেলারদের সুবিধা সমূহ বৃদ্ধি করার মধ্যে দিয়ে রি-ব্র্যান্ডিং সম্পূর্ণ করেছে। রি-ব্র্যান্ডিং প্রক্রিয়ার পর দারাজের কাস্টমার প্রতিনিয়ত বাড়ছে এবং তারা সফলতার সাথেই কোম্পানি পরিচালনা করছে।

ইনস্টাগ্রাম -
ইনস্টাগ্রাম ২০০৯ সালে প্রতিষ্ঠিত হবার সময় তাদের কোম্পানির লোগো ছিল একটি এনালগ ক্যামেরার প্রতীক। সময়ের সাথে সাথে বাজারে ডিজিটাল ক্যামেরা ও উন্নত মানের ক্যামেরা সংবলিত স্মার্ট ফোন আসলে এবং নতুন অডিয়েন্সকে আকৃষ্ট করার জন্য তাদের সেই এনালগ ক্যামেরার প্রতীক পরিবর্তন করার প্রয়োজন অনুভব করে। পরবর্তীতে জাস্ট নান্দনিক রংয়ের একটি ক্যামেরা সাইন হিসেবে লোগো রি-ডিজাইন করার পাশাপাশি অন্যান্য ফিচার এবং মার্কেটিং কার্যক্রমে পরিবর্তনের মাধ্যমে ২০১৬ সালে রি-ব্র্যান্ডিং করে যা ইনস্টাগ্রাম কে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায় এবং সারা পৃথিবী ব্যাপী সবার পছন্দের স্যোসাল মিডিয়ায় পরিণত করে। বর্তমানে ফটোশেয়ারিং প্লাটফর্ম গুলোর মধ্যে ইনস্টাগ্রাম মার্কেট লিড করছে।

"Keep your brand Interesting, Compelling, and Fresh."

যোগাযোগের ঠিকানাঃ প্রিয়রুপ ডিজিটাল
- ফোনঃ +8801714044237
- ইমেইলঃ [email protected]
- ওয়েবসাইটঃ https://prioroopdigital.com/

নিশ্চয়ই আপনি একজন উদ্যোক্তা, অথবা বড় কোন উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্নে বিভোর। আপনার সপ্ন এবং বাস্তবের সেতু বন্ধনের রুপকার হিসাবে...
12/07/2023

নিশ্চয়ই আপনি একজন উদ্যোক্তা, অথবা বড় কোন উদ্দোক্তা হওয়ার সপ্নে বিভোর। আপনার সপ্ন এবং বাস্তবের সেতু বন্ধনের রুপকার হিসাবে প্রিয়রুপ ডিজিটাল আছে আপনার পাশে। ব্যবসা ছোট হোক কিংবা বড়, ব্রান্ডিং প্রয়োজন সকল ব্যবসার জন্য। আপনার ব্যাবসার সূচনা হোক আমাদের হাত ধরে।

যোগাযোগঃ প্রিয়রুপ ডিজিটাল
- ফোনঃ +8801714044237
- ইমেইলঃ [email protected]
- ওয়েবসাইটঃ www.prioroopdigital.com

“ব্র্যান্ড” (Brand) শব্দটির সাথে আপনি হয়তো কমবেশি পরিচিত। আমেরিকান মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ব্র্যান্ড বলতে এমন কোন না...
12/07/2023

“ব্র্যান্ড” (Brand) শব্দটির সাথে আপনি হয়তো কমবেশি পরিচিত। আমেরিকান মার্কেট অ্যাসোসিয়েশনের মতে, ব্র্যান্ড বলতে এমন কোন নাম, শব্দ, ডিজাইন, প্রতীক বা অন্য কোন ফিচার বোঝায় যা কোন একজন বিক্রেতার পণ্য বা সেবাকে অন্যান্য পণ্য বা সেবা থেকে আলাদাভাবে উপস্থাপন করে। অর্থাৎ এটি মূলত বাজারে আপনার প্রোডাক্ট বা প্রতিষ্ঠানের জন্য নিজস্ব জায়গা তৈরি করে। এ প্রক্রিয়াকেই ব্র্যান্ডিং বলা হয়ে থাকে।

ব্র্যান্ডিং মানে শুধু প্রতিষ্ঠান বা প্রোডাক্টের লোগো বা নামকে চেনানো নয়। এটি একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। প্রতিনিয়ত আপনার চোখের সামনে বিভিন্ন বিজ্ঞাপন আসে। সামাজিক মেলামেশাতেও অনেক প্রোডাক্টের নাম শুনে থাকেন আপনি। এগুলো ব্র্যান্ডিংয়ের মধ্যে পড়ে। এছাড়া প্রোডাক্ট প্যাকেজিংয়ের ধরন বা প্রোডাক্ট ব্যবহারের অভিজ্ঞতাও ব্র্যান্ডিং!

একটা উদাহরণ দেয়া যাক। আপনাকে কয়েকটি সাবানের ব্র্যান্ডের নাম বলতে বলা হলে এর মধ্যে ‘লাক্স’ সাবানের নাম থাকার সম্ভাবনা অনেক। আবার আপনি জানেন যে, এর সাথে ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষার সম্পর্ক রয়েছে। এ ধারণাটি লাক্স সাবানের ব্র্যান্ডিংয়ের একটি অংশ।

একটা উদাহরণ দেয়া যাক। আপনাকে কয়েকটি সাবানের ব্র্যান্ডের নাম বলতে বলা হলে এর মধ্যে ‘লাক্স’ সাবানের নাম থাকার সম্ভাবনা অনেক। আবার আপনি জানেন যে, এর সাথে ত্বকের সৌন্দর্য রক্ষার সম্পর্ক রয়েছে। এ ধারণাটি লাক্স সাবানের ব্র্যান্ডিংয়ের একটি অংশ।

বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান কেন ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য বড় আকারের বিনিয়োগ করে, তার কয়েকটি কারণ রয়েছে।

# ব্র্যান্ডিংয়ের গুরুত্ব -

১. ব্র্যান্ডিং আপনার পণ্য বা প্রতিষ্ঠানকে মানুষের মধ্যে আলাদাভাবে পরিচিত করে।
একজন মানুষের কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য থাকে। তার আচার-আচরণ, পছন্দ-অপছন্দ, জামাকাপড়ের ধরন, বন্ধুবান্ধব, কাজ ইত্যাদির মাধ্যমে তার একটি স্বকীয় পরিচয় আমাদের মাঝে তৈরি হয়। একটি পণ্য বা প্রতিষ্ঠানেরও এমন কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে যেগুলোর মাধ্যমে আপনি একে চিনতে পারেন।

২. ব্র্যান্ডিং ব্যবসায়িক প্রতিযোগিতায় আপনার পণ্য বা প্রতিষ্ঠানকে আলাদা অবস্থান দেয়।
বাজারে একই ধরনের বিভিন্ন পণ্য পাওয়া যায়। কিন্তু যেসব পণ্যের ব্যাপারে মানুষের ইতিবাচক ধারণা বেশি, সেগুলোর বিক্রির হারও বেশি। যেমন, জুতার বাজারে ‘বাটা’ ব্র্যান্ডের আলাদা কদর রয়েছে।

৩. কাস্টমারদের সাথে আপনার পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের একটি সম্পর্ক তৈরি হয় ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে।
শুনতে অদ্ভুত শোনালেও এটা সত্যি! কোন পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের ব্র্যান্ডিং ভালো হলে কাস্টমারদের আস্থা অর্জন করা সহজ হয়। এতে করে তারা বারবার আপনার পণ্যের কাছেই ফিরে আসবে।

৪. প্রতিষ্ঠানে ভালো কর্মী আকৃষ্ট করতে আপনাকে সহায়তা করে ব্র্যান্ডিং।
ব্র্যান্ডিংয়ের মাধ্যমে আপনার পণ্য বা প্রতিষ্ঠানের একটি সামাজিক মূল্য তৈরি হয়। এর মাধ্যমে আপনার প্রতিষ্ঠানে কাজ করার জন্য মানুষের আগ্রহ বেড়ে যায়। যেমন, মাইক্রোসফট বা গুগলের কথা ধরা যাক। ব্র্যান্ড হিসাবে তাদের পরিচিতি এত ভালো যে পৃথিবীর সবচেয়ে দক্ষ ও মেধাবী কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারদের স্বপ্ন থাকে এ কোম্পানিগুলোতে কাজ করার।

যোগাযোগের ঠিকানাঃ
প্রিয়রুপ ডিজিটাল, এ/১৬০, সানারপার, সিদ্ধিরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ।
- ফোনঃ +8801714044237
- ইমেইলঃ [email protected]
- ওয়েবসাইটঃ www.prioroopdigital.com

Address

Shanarpar, Shiddhirganj
Narayanganj
1361

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Prioroop Digital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Prioroop Digital:

Share