Central Computers & Technology Ltd.

Central Computers & Technology Ltd. কম্পিউটার ও প্রযুক্তি নিয়ে সম্পুর্ণ

এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ টার্মস এসইও (SEO) এই তিন অক্ষরের শব্দটি বর্তমান অনলাইন জগতে একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। কোন ওয়েবসাইটকে...
01/12/2014

এসইও এর গুরুত্বপূর্ণ টার্মস

এসইও (SEO) এই তিন অক্ষরের শব্দটি বর্তমান অনলাইন জগতে একটি বহুল ব্যবহৃত শব্দ। কোন ওয়েবসাইটকে প্রমোট করার জন্য বলেন আর লাইমলাইটে আনার জন্যই বলেন এসইও এর গুরুত্ব অপরিসীম। যদি আপনি একটা ওয়েবসাইট তৈরি করেন কিন্তু সেটির জন্য কোন এসইও এর কাজ করলেন না তাহলে আপনার ওয়েবসাইটটি এ অনলাইনের তথ্যের মহাসাগরে কোন এক অতল গহব্বরে পড়ে থাকবে। কেউ কোনদিন হয়তো সেটির খোঁজও পাবে না। একমাত্র সঠিকভাবে এসইও করলেই আপনার ওয়েবসাইটটি সাগরের জলে ভেসে উঠবে এবং সবাই এটির সম্পর্কে জানতে পারবে। সুতরাং এসইও করার গুরুত্ব নিশ্চয় বুঝতে পারছেন। এসইও দুই ভাবে করা যায়। একটি হচ্ছে অন পেজ এসইও এবং অপরটি হচ্ছে অফ পেজ এসিইউ। এসইও এর কিছু গুরুত্বপূর্ণ টার্মস নিয়ে নিচে আলোচনা করা হল-

হোয়াইট হ্যাট এসইও (White Hat SEO):

SEO বা সার্চ ইন্জিন অপটিমাইজেশন করার জন্য কিছু নীতিমালা রয়েছে। এসব নীতিমালা বা নিয়মকানুন সঠিকভাবে অনুসরণ করে এসইও করাকেই বলে হোয়াইট হ্যাট এসইও। কিছু উল্লেখযোগ্য নিয়মকানুন আমরা দেখে নিতে পারি।

যেমনঃ প্রথমত ওয়েবসাইট এমনভাবে তৈরী করতে হবে সেটি যেন মানুষের জন্য হয় শুধুমাত্র সার্চ ইন্জিনের জন্য নয়। যেমন আপনি যদি ভাল এসইও করার আশায় একটা আর্টিকেল লিখলেন। সার্চ র্যাংকিংয়ে উপরে থাকার জন্য অসংখ্য বা অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহার করলেন। কিন্তু তাতে তেমন কোন তথ্য দিলেন না। ফলশ্রুতিতে, আপনার আর্টিকেল কারো কোন কাজে লাগল না। অপরদিকে অতিরিক্ত কীওয়ার্ড ব্যবহারের ফলে এটি সার্চ ইন্জিনের কাছেও তেমন গুরুত্ব পেল না। তাহলে ব্যাপারটা কী দাড়ালো “গুড় বেশি হলে পায়েস তিতা হয়ে যায়।” এজন্যই সবকিছু নিয়ম মেনে স্বাভাবিকভাবে করতে হবে। হোয়াইট হ্যাট এসইও কে ইথিক্যাল এসইও (Ethical SEO) বলা হয়।



ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black Hat SEO):

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের নীয়মনীতি না মেনে সার্চ রাঙ্ককে উপরে আসার জন্য যে এসইও করা হয় তাকে ব্ল্যাক হ্যাট এসইও বলে। কীওয়ার্ড স্টাফিং, ডোরওয়ে পেজেস, অদৃশ্য টেক্সট, স্প্যামিং ব্যাকলিংক ইত্যাদি ব্ল্যাকহ্যাট এসইও (Black Hat SEO) এর অন্তর্ভূক্ত। এধরণের এসইও আনইথিক্যাল এসইও (Unethical SEO) নামেও পরিচিত। ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করলে আপনার সাইট সার্চ ইঞ্জিন থেকে বাতিল হয়ে যেতে পারে। সুতরাং সবসময় এটি এড়িয়ে চলুন।



ব্যাকলিংক (Back Link):

আপনার ওয়েবসাইটের রাঙ্ক বৃদ্ধির জন্য ব্যাকলিংক খুবই কার্যকরী। আপনার ওয়েবসাইটের লিংক যদি অন্য কোন ওয়েবসাইটে থাকে তাহলে সেটি হবে ব্যাকলিংক। ব্যাকলিংক করা যায় দুটি উপায়ে। একটি অ্যাংকর টেক্সটের মাধ্যমে এবং অপরটি বিবি কোডের মাধ্যমে। ব্যাকলিংক আরও দুটি নামে পরিচিত। সে নাম দুটি হচ্ছে যথাক্রমে ইনকামিং লিংক এবং ইনবাউন্ড লিংক।



লিংক পপুলারিটি (Link Popularity):

এটি হচ্ছে এমন একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে সার্চ ইঞ্জিন কোন ওয়েবসাইটের মান যাচাই করে থাকে এবং সার্চ রেজাল্টে ঐ ওয়েবসাইটের অবস্থান কততম পেজে হবে সেটি নির্ধারণ করে থাকে। লিংক পপুলারিটি আপনার ওয়েবসাইটের কোয়ালিটি ব্যাকলিংকের সংখ্যার উপর ভিত্তি করে তৈরী করা হয়ে থাকে। ব্যাকলিংক এবং কোয়ালিটি ব্যাকলিংকের মধ্যে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে। আপনি আপনার ওয়েবসাইটের লিংক যদি এমন একটি ওয়েবসাইটে দেন যেটির সাথে আপনার ওয়েবসাইটের মিল আছে তাহলে সেটি হবে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক। যেমন আপনার যদি ক্রিকেট নিয়ে একটি ওয়েবসাইট থাকে এবং আপনি যদি YahooCricket ওয়েবসাইটে লিংক দেন সেটি হবে কোয়ালিটি ব্যাকলিংক। অপরদিকে আপনি যদি Google Plus এ লিংক দেন তাহলে সেটি হবে শুধু ব্যাকলিংক। কারণ গুগল প্লাসের বিষয়বস্তুর সঙ্গে আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুর মিল নেই।



আউটবাউন্ড লিংক (Outbound Link):

অন্যকোন ওয়েবসাইটের লিংক আপনার ওয়েবসাইটে দেওয়া থাকলে সেটি হবে আউটবাউন্ড লিংক। এটি ব্যাকলিংকের সম্পূর্ণ বিপরীত। আউটবাউন্ড লিংক আউটগোয়িং লিংক নামেও পরিচিত।



ইয়াহু অ্যান্সার ব্যাকলিংক (Yahoo Answer Backlink):

দ্রুত সময়ের মধ্যে ভিজিটর পাওয়ার জন্য Yahoo Answer ব্যাকলিংক খুবই কার্যকরী। এক্ষেত্রে আপনাকে উক্ত সাইটে প্রশ্নের সুন্দর উত্তর দেওয়ার মাধ্যমে লেভেল ২ অথবা ৩ করতে হবে।



লিংক ফার্ম (Link Farm):

লিংক ফার্ম ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর অন্তভুক্ত। ধরুণ আপনি ১০ টি ওয়েবসাইট ওপেন করলেন এবং ব্যাকলিংক বৃদ্ধির জন্য প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটের লিংক প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটে দিলেন। এবং এ কাজটিই হচ্চে লিংক ফার্ম। সার্চ ইঞ্জিন যখনই বুজতে পারবে আপনি লিংক ফার্ম করছেন তখনই আপনার সাইট থেকে এটির ইনডেক্স লিস্ট থেকে বাতিল করে দেবে। কারণ সার্চ ইন্জিন লিংক ফার্মকে স্প্যাম বা একটি অবৈধ কাজ হিসাবে গণ্য করে।



ফোরাম পোস্টিং (Forum Posting):

ফোরাম পোস্টিং এসইও এর একটি অন্যতম কার্যকরী টার্মস। ফোরাম পোস্টিংয়ের মাধ্যমে আপনি নানামুখী সুবিধা পেতে পারেন। এটি একইসঙ্গে লিঙ্ক বিল্ডিং, কীওয়ার্ড মার্কেটিং এবং ভিজিটর আনয়নের মত গুরুত্বপূর্ণ কাজ করে থাকে। সুতরাং আপনার ওয়েবসাইটকে প্রমোট করার জন্য ফোরাম পোস্টিংয়ের গুরুত্ব অপরিসীম।



ব্লগ কমেন্ট (Blog Comment):

বিভিন্ন ব্লগে কমেন্ট করার মাধ্যমে আপনি ব্যাকলিংক তৈরী করতে পারেন। আপনি যত বেশি ব্যাকলিংক তৈরী করবেন আপনার ওয়েবসাইটের পেজ রাঙ্ক বৃদ্ধিতে সেটি তত বেশি সহায়ক হবে। উচ্চ পেজ রাঙ্ক বিশিষ্ট সাইটে ব্যাকলিংক দিলে সার্চ ইঞ্জিনে আপনার সাইটটি অধিক রকম গুরুত্ব পাবে।



কীওয়ার্ড স্টাফিং (Keyword Stuffing):

এটি ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর অন্তর্ভূক্ত। আপনি যদি কোন আর্টিকেল লিখেন এবং শুধুমাত্র সেখানে শুধুমাত্র কীওয়ার্ডের গাদি ছাড়া আর কিছু না থাকে তাহলে সেটি হবে কীওয়ার্ড স্টাফিং। দেখা গেল আপনি গুগল আ্যডওয়ার্ড থেকে খুজে খুজে শুধুমাত্র হাই সার্চ কীওয়ার্ডগুলি ব্যবহার করলেন। কিন্তু আর্টিকেলে তেমন কোন তথ্য থাকল না। তাহলে এটি কীওয়ার্ড স্টাফিং হিসাবে চিহ্নিত হবে। এছাড়া অনেকে সার্চ রাঙ্কিং এ উপরে থাকার জন্য ইনভিসিবল বা অদৃশ্য কীওয়ার্ড ব্যবহার করে। সার্চ ইন্জিনের কাছে এসব কাজ অবৈধ। তাই বুঝতে পারলেই আপনার সাইট তাদের ইনডেক্স লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দিবে।সুতরাং একাজ করা থেকে সর্বদাই বিরত থাকুন।



লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ (Link Exchange):

আপনি যদি আপনার ওয়েবসাইটের লিংক কোন একটি ওয়েবসাইটে দেন এবং সেই ওয়েবসাইটটির লিংকও আপনার সাইটে দেন তাহলে এই পুরো প্রক্রিয়াটাই হবে লিঙ্ক এক্সচেঞ্জ।



ডোরওয়ে পেজ (Doorway Page):

সার্চ রাঙ্কিং বৃদ্ধির জন্য কোন ওয়েবসাইটে যদি এমন কোন পেজ তৈরী করা হয় যেখানে অল্প দু-এক লাইন লেখা থাকে কিন্তু সে লেখাগুলি শুধুমাত্র কীওয়ার্ড দিয়ে ভরা থাকে তাহলে সে পেজটিই ডোরওয়ে পেজ। এটি এসইও নীতিমালা বহির্ভূত একটি কাজ। তাই এটি ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর অন্তর্ভূক্ত। এসব পেজে সাধারণত অন্য কোন পেজের লিংক দেওয়া থাকে। তাই কোন ভিজিটর এ পেজে গেলে তাকে রিডাইরেক্ট করে অন্য পেজে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।



ক্লকিং (Cloaking):

ক্লকিং হচ্ছে খুবই ধুরন্ধর একটি প্রক্রিয়া। এটি ব্ল্যাক হ্যাট এসইও এর অন্তর্ভূক্ত কারণ এটি সার্চ ইঞ্জিন নীতিমালা বহির্ভূত। এটির মাধ্যমে সার্চ ইন্জিনকে এক জিনিস দেখানো যায় আবার মানুষকে আর এক জিনিস দেখানো যায়। যখন এ পেজের জন্য সার্ভার থেকে রিকোয়েস্ট যায় তখন এটি আইপি আড্রেস দেখে বুঝি ফেলে যে এটি সার্চ ইঞ্জিন নাকি মানুষ। যদি মানুষ হয় তাহলে পেজে একরকম কনটেন্ট প্রদর্শন করে এবং সার্চ ইন্জিনকে আরেক রকম কনটেন্ট প্রদর্শন করে।



কীওয়ার্ড ডেনসিটি (Keyword Density):

কীওয়ার্ড ডেনসিটি হচ্ছে কীওয়ার্ডের ঘনত্ব যাচাই করার একটি পদ্ধতি। এটির মাধ্যমে জানা যায়্ একটি পেজে কোন একটি নির্দিষ্ট কীওয়ার্ড কতবার আছে। কোন একটি কীওয়ার্ড বিশ্লেষণ করে তার উপস্থিতির যে সংখ্যাটি পাওয়া যাবে সেটিই ঐ কীওয়ার্ডের ডেনসিটি।

"আগামী সিম এবার ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের জন্য!"তোমরা যারা এই ৫ বছরের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-...
11/11/2014

"আগামী সিম এবার ২০১০, ২০১১, ২০১২, ২০১৩ এবং ২০১৪ এর জিপিএ-৫ প্রাপ্তদের জন্য!"

তোমরা যারা এই ৫ বছরের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কিন্তু আগামী সিম পাওনি, এই বিরল সুযোগ শুধু তোমাদের জন্য!

রেজিস্ট্রেশন শুরু হবে আগামী ১লা অক্টোবর, ২০১৪ থেকে ১৫/১১/২০১৪ তারিখ পর্যন্ত। বিস্তারিত জানতে ভিজিট করো অফিশিয়াল ওয়েবসাইট :
http://www.teletalk.com.bd/

তাই আর মিস করো না। নিজেও জানো, বন্ধুদেরও জানাও। বুঝে নাও আগামী সিম আর উপভোগ কর দেশের সর্বনিম্ন কলরেট, সবেচেয়ে স্বাশ্রয়ী ইন্টারনেট সহ আরো অনেক কিছু!

আগামী সিমের সুবিধাদির বিস্তারিত :
http://www.teletalk.com.bd/services/prepaid.html

টেলিটক আগামী সিম এর বিতরণ শুরু হচ্ছে আজ থেকে। আপনার সিম গ্রহনের তারিখসহ বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন এখান থেকে...!!!২০১০, ২০১...
11/11/2014

টেলিটক আগামী সিম এর বিতরণ শুরু হচ্ছে আজ থেকে। আপনার সিম গ্রহনের তারিখসহ বিস্তারিত তথ্য জেনে নিন এখান থেকে...!!!

২০১০, ২০১১, ২০১২ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত সকল ছাত্র-ছাত্রী এবং ২০১৩ ও ২০১৪ সালে এসএসসিতে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ছাত্র-ছাত্রী যারা টেলিটকের আগামী সিম গ্রহণ করে নাই সেইসব ছাত্র-ছাত্রীগণকে টেলিটক দিচ্ছে বিশেষ সুবিধা সম্বলিত সিম “টেলিটক আগামী” একদম ফ্রিতে! যারা এখনো আবেদন করেননি তারা ১৫/১১/২০১৪ তারিখ পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন। ১০ই নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে এই সিম এর বিতরণ প্রক্রিয়া। যারা এই সিম এর জন্যে আবেদন করেছিলেন কিন্তু এখনো জানেন না যে কবে কোথায় কখন এই সিম সংগ্রহ করা যাবে তারা নিচের লিঙ্কে দেওয়া পিডিএফ ফাইলটি ডাউনলোড করে বিস্তারিত তথ্য জানতে পারবেন।

আপনার সিম সংগ্রহের তারিখ ও সময় জানতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন:http://www.teletalk.com.bd/pdf/gpa5_sim_distribution_2014.pdf

06/11/2014

SEO Tutorial Bangla: 1

What is search engine optimization (SEO)?

পূথিবীতে অনেক Search Engine আছে যেমন সবচেয়ে Famous হল Google,এরপর আছে yahoo, Bing ইত্যাদি। কেউ যদি বাংলায় HTML শিখতে চায় তাহলে হয়ত সে “HTML Tutorial in Bangla” লিখে গুগলে সার্চ দেবে কারন সে হয়ত বাংলায় HTML Tutorial আছে এমন কোন ওয়েবসাইটরে ঠিকানা জানেনা। এখন ধরুন আপনার একটা ওয়েবসাইট আছে যেখানে বাংলায় এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল আছে।এখন যদি “HTML Tutorial” লিখে গুগলে Search দিলে গুগলের প্রথম পেজে আরও ভাল হবে যদি প্রথম পেজের প্রথম লিংকটাই আপনার সাইটের হয় তাহলে নিশ্চিত থাকতে পারেন যে ঐ ইউজার যে “এইচটিএমএল টিউটোরিয়াল” দিয়ে খুজছিল সে অবশ্যই আপনার সাইটে যাবেই।এই যে একজনের সাইট গুগলে সবার আগে দেখাল অথচ বাংলায় HTML Tutorial আছে এমন বহু Site ,Blog, Forum ইত্যাদি থাকার পরেও, যে সাইট আগে দেখালো সে সাইটে কিছু কৌশল অবলম্বন করা হয়েছিল এসব কৌশলকে বলা হয় Search engine optimization(SEO).

Mainly two types of Search Engine Optimization:
On Page: (যেটা সাইটের ভিতরেই করা হয় যেমন Title Tag, Content, Keword ইত্যাদি প্রাসঙ্গিক হওয়া )
Off Page:(যেটা সাইটের বাইরে করা হয় যেমন Forum posting,Blog) McqAcademy সাইটে আগে On Page SEO টিউটোরিয়াল থাকবে এবং এরপর Off Page SEO এখানে শুধু অর্গানিক Search Engine Optimization (Organic SEO) এর টিউটোরিয়াল থাকবে, Paid Search Engine Optimizatio (Paid SEO) নয়।

Paid search Engine Optimization: গুগলে সার্চ দিলে মাঝে মাঝে দেখবেন সার্চ রেজাল্টের ডানে বা উপরে ভিন্ন রং (সাধারনত হালকা খয়েরি) কিছু লিংক থাকে (যে শব্দ দিয়ে সার্চ দিয়েছেন সেটা সংশ্লিষ্ট)। এগুলি পেইড লিংক অর্থ্যাৎ এরজন্য জন্য গুগলকে অর্থ দিতে হয়েছে।এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে পেইড এসইও (Paid SEO) বলে।

Organic search engine optimization:যে লিংকগুলি Serch Result পেজে সাধারনভাবে প্রদর্শিত হয় মানে Google এগুলি কোন বিশেষ Colour দিয়ে হাইলাইট করেনা এগুলি Organic link.এই ধরনের অপটিমাইজেশনকে Organic SEO. এটাকে এলগরিদমিক SEO ও বলে।

আজকের post এ আমি আপনাদেরকে শিখাব কিভাবে আপনার নতুন blog URL কে Google,Bing, Ask and Yahoo তে free তে submit করতে হয় এই s...
12/05/2014

আজকের post এ আমি আপনাদেরকে শিখাব কিভাবে আপনার নতুন blog URL কে Google,Bing, Ask and Yahoo তে free তে submit করতে হয় এই search enginesগুলোতে আপনার ব্লগকে add করার ফলে আপনার ব্লগটি high traffic পাবে।এতে আপনার ব্লগটি search engine এ index হবে এবং search engine results page (SERP) এ দেখাবে|
Add URL to Google :
Google search engine,আপনার blog URL কে add করুন এভাবে:
Step 1. এই লিংকে যান : http://www.google.com/addurl/?continue=/addurl
Step 2. আপনার blog URL example: http://www.yoursite.com টি টাইপ করুন
Step 3. box এর captcha text Enter করুন
Step 4. এখন Submit Request এ click করুন
Add URL to Bing and Yahoo :
Bing and Yahoo search engine,আপনার blog URL কে add করুন এভাবে:
Note: Bing এবং Yahoo একই ধরনের search engines.
Step 1. এই লিংকে যান : http://www.bing.com/docs/submit.aspx
Step 2. আপনার blog URL example: http://www.yoursite.com টি টাইপ করুন
Step 3. box এর captcha text Enter করুন
Step 4. এখন Submit Request এ click করুন
প্রতিদিন আপনার ব্লগটিকে একবার করে submit করবেন।এতে ব্লগটি search engine গুলোতে show করবে ।

04/05/2014
বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম ||আমরা সবাই জানি PDF কী । আজ দেখব কিভাবে একটি PDF তেরি করা য়ায়।তাহলে ঝটপট এই অ্যাপসটা ডাউনলোড...
03/05/2014

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম ||

আমরা সবাই জানি PDF কী । আজ দেখব কিভাবে একটি PDF তেরি করা য়ায়।

তাহলে ঝটপট এই অ্যাপসটা ডাউনলোড করেনিন। আশা করি কাজে লাগবে। আমি আজ আপনাদের সামনে একটা গুরুত্বপূর্ণ উইন্ডোজ সফটওয়্যার শেয়ার করবো। কিন্তু আমাদের ভিতর অনেকেই আছেন যারা এই ডকুমেন্ট বানাতে পারেন না। যারা পারেন আমি তাদের কথা আমি বলছিনা।যারা এটা তৈরি করতে পারেন না তাদের জন্য এই সফটওয়্যার।আর সফটওয়্যার লাভাররা এটা সংগ্রহ করে রাখতে পারেন। সফটওয়্যারটার নাম ডু পি ডি এফ। এটি ব্যবহার করে আপনি খুব সহজেই যে কোন অফিস ডকুমেন্ট যেমন (docs) থেকে পি ডি এফ বানাতে পারবেন । এটির কাজ খুব সহজ। আপনারা একটু ট্রাই করে দেখলেই পারবেন বলে আশা করি। এখন যাদের যাদের এই সফটওয়্যারটা লাগবে তারা এখানে ক্লিক করুন এবং ডাউনলোড করেনিন। আজ আর নয়।

http://www.solidfiles.com/d/4b093fa752/

কেমন হল জানাবেন ||

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীমনিজে নিজে Microsoft Powerpoint শিখতে চাইলে PDF ফাইলটি ডাউনলোড করে নিনআমরা অনেকেই মাইক্রোসফট্  ...
03/05/2014

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম

নিজে নিজে Microsoft Powerpoint শিখতে চাইলে PDF ফাইলটি ডাউনলোড করে নিন

আমরা অনেকেই মাইক্রোসফট্ Powerpoint সম্পর্কে জানি না । Microsoft Powerpoint এর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের ওয়েবপেজ ডিজাইন, লেখালেখির ডিজাইন, কম্পোস ডিজাইন, ড্রইং, প্রজেক্ট প্রোফাইল তৈরী, অফিসের কার্যাবলী সম্পাদন সহ যাবতীয় কাজ করা যায় । বিভিন্ন ধরনের কম্পিউটার কোচিং সেন্টারে কম্পিউটার শিখতে গেলে পুরোপুরি সব শেখানো হয় না । সে জন্য আমরা তা শেখার জন্য নিজে নিজে অনেক চেষ্টা করি । বন্ধুরা আজ আমি আপনাদের Microsoft Powerpoint সম্পর্কে যে PDF ফাইলটি উপহার দেব সেটি পড়লে আশা করি আপনি Microsoft Powerpoint সম্পর্কে পুরোপুরি ধারনা পেয়ে যাবেন । এই PDF বইটিতে Microsoft Powerpoint সম্পর্কে A To Z আলোচনা করা হয়েছে । কিভাবে Microsoft Powerpoint দিয়ে কাজ করতে হবে আরো অনেক কিছু । আশা করি PDF বইটি আপনাদের ভাল লাগবে ।

Microsoft Powerpoint এর PDF ফাইলটির মেগাবাইট বেশী হওয়াই এটকে ২টি ভাগে বিভক্ত করা হয়েছে ।

১-৮ টি পার্ট ডাউনলোড করতে https://dl.dropboxusercontent.com/s/10105lrcpedhrdz/Powerpoint_part_1.pdf?token_hash=AAHzdr2xL9y1QYYh52jdMh1GAlbaYpJeTocPQdlSpHzmUw&disable_range=1 4.81 MB

৯-১৭ পার্ট ডাউনলোড করতে https://dl.dropboxusercontent.com/s/5icbvkl2fxszwm1/Powerpoint_part_2.pdf?token_hash=AAGgB8GoINAcmq4PVbwyL8LG5hehEhkrL2LY12fLQnx1jQ&disable_range=1 4.04 MB

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীমAndroid মজা :: অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কম্পিউটার এ ইন্টারনেট চালান (সফটওয়ার ছাড়া)symhony ও walto...
02/04/2014

বিসমিল্লাহীর রহমানির রাহীম

Android মজা :: অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কম্পিউটার এ ইন্টারনেট চালান (সফটওয়ার ছাড়া)

symhony ও walton স্বল্প মুল্যে android পন্য বাজারে ছাড়ায় তরুনদের মাঝে এ সকল পন্য (স্মার্ট ফোন) কেনার হিড়িক পরে গেছে।
স্মার্ট ফোনের অনেক সুবিধার মধ্যে একটি হচ্ছে apps ইউজ করার সুবিধা।

আমরা সবাই কম্পিউটার এ ইন্টারনেট ব্যাবহার করি, কেউ ব্লুটুথ দিয়ে কেউ আবার মডেম দিয়ে, আজ আমি আপনাদের দেখাবে কিভাবে ব্লুটুথ/মডেম ছাড়া অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কম্পিউটারে ইন্টারনেট চালানো যায় তার নিয়ম, তাহলে আসুন নিয়ম টা শিখে নিই।

প্রথমে কেবল দিয়ে অ্যান্ড্রয়েড ফোন কে কম্পিউটার এর সাথে ডাটা ক্যাবলের মাধ্যমে সংযুক্ত করে নিন। তারপর নিচের নিয়মগুলো ভাল করে অনুসরণ করি।

১।

প্রথমে Media Device (MTP) এখানে টিক চিহ্ন দিন।

২।

তারপর Settings>>Developer options> USB Debugging এর ফাকা বক্সে টিক চিহ্ন দিয়ে সিলেক্ট করুন।

৩।
এবার Settings>Wireless & Networks>Tethering & portable hotspot গিয়ে USB tethering টিক চিহ্ন দিয়ে দিন উপরের মত করে।

Android মজা :: অ্যান্ড্রয়েড ফোন দিয়ে কম্পিউটার এ ইন্টারনেট চালান (সফটওয়ার ছাড়া)

ব্যাস হয়ে গেল কম্পিউটারে ইন্টারনেট সংযোগ, এবার ইচ্ছামত ইন্টারনেট ব্যবহার করুন কম্পিউটারে। আর হ্যাঁ একটি কথা আপনার সিমে কিন্তু মেগাবাইট থাকতে হবে না হলে কিন্তু হবে না।

অজানা তথ্য ফেইসবুকের (Mega Post)১৯৮৪ সালে নিউ ইয়র্কে জন্ম নেওয়া কম্পিউটার প্রোগ্রামার মার্ক জুকারবার্গ ফেইসবুক প্রতিষ্...
02/04/2014

অজানা তথ্য ফেইসবুকের (Mega Post)

১৯৮৪ সালে নিউ ইয়র্কে জন্ম নেওয়া কম্পিউটার প্রোগ্রামার মার্ক জুকারবার্গ ফেইসবুক প্রতিষ্ঠা করেন ২০০৪ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে। ২০০৪ হলো ফেবুকের প্রতিষ্ঠা সাল।
২০০৩ সালের ২৮ অক্টোবর মার্ক এলিয়ট জুকারবার্গ ফেইসম্যাশ ডট কম নামে একটি সাইট প্রতিষ্ঠা করে। এই ফেইসম্যাশ সাইটের কাজ তেমন ভালো ছিলো না। এই সাইটে দুইটা ছবি পাশাপাশি রাখা হত। এই দুই ছবি থেকে ভিজিটররা কে “হট” আর কে “হট না/নট” তা তুলনা করতো।
মার্ক জুকারবার্গ স্কুল পড়া শেষ করে ভর্তি হন হার্ভার্ড কলেজে। ফেইসম্যাশ সেই সময়কার কথা। হার্ভার্ড কলেজের ডাটাবেজ হ্যাক করে স্টুডেন্টদের ছবি নিয়ে তা ফেইসম্যাশে ব্যবহার করে ভিজিটরদের “হট” অথবা “নট” বের করার সুযোগ দেন।
পরে কলেজের স্টুডেন্টরা এই সাইট বন্ধ করতে তাকে বাধ্য করে। এ ব্যপারে মার্ক জুকারবার্গ বলেছিলো;
“ একটা ব্যপার পরিষ্কার এই সাইট বানানোর জন্য আমি একটা জার্ক! যাই হোক, কেউ না কেউ এটা এমনেই করতো। ”
হাউজসিস্টেম নামে হার্ভার্ড কলেজে একটা ওয়েব সার্ভিস ছিলো। এরপর ঐ বছরই “দি ফেসবুক” কনসেপ্ট আসে এই হাউজ সিস্টেমের একটা নতুন ফিচার হিসেবে। ২০০৩ সালের ১৩ সেপ্টেম্বর এরন গ্রীন্সপ্যান নামে এক স্টুডেন্ট আনেন এটি।
জুকারবার্গ পরে হার্ভার্ড কানেকশন নামে একটা সাইটে তার কিছু বন্ধুর ( ক্যামেরুন, টেলর,ডিভিয়া ) জন্য কাজ করা শুরু করেন।
মার্ক জুকারবার্গ ২০০৪ সালের ১১ই জানুয়ারী দি ফেইসবুক ডট কম ডোমেইন কিনে নেন। দি ফেসবুক ডট কমের চেহারা অনেকটা এরকমঃ
the_facebook_dot_com
দি ফেসবুক ডট কম চালুর ২৪ ঘন্টার মধ্যে জুকারবার্গ ১২০০ জন স্টুডেন্ট এর রেজিস্ট্রেশন দেখতে পান। এখানে তার সাথে কাজ করেন তার রুমমেট এডুয়ারড সারভেরিন,আন্ড্রো ম্যাক্কোলাম, ডাস্টিন মস্কভিটয। মূলত হার্ভার্ড কানেশন ডট কমে কাজ করার সময়কার ফিচার এই দি ফেসবুক ডট কম। তাই জুকারবার্গ এর সেই বন্ধুরা ( ক্যামেরুন, টেলর,ডিভিয়া ) ছয় দিনের মাথায় তার বিরুদ্ধে আইডিয়া চুরির অভিযোগ আনে।
এদিক দিয়ে ফেইসবুকের ইউজার সংখ্যা খুব দ্রুত গতিতে বাড়তে থাকে। ২ মাসের মাথায় হার্ভার্ড ছড়াও আরো বেশ কিছু কলেজে দি ফেইসবুক পরিচিতি পায়। জুন মাসের মধ্যে সাইটে প্রায় দেড় লাখ ( ১৫০,০০০ ) ইউজার প্রোফাইল খুলে। দি ফেইসবুকের সম্ভাবনা দেখে ওই মাসেই পেপাল এর ফাউন্ডার ফেইসবুকের ১০ দশমিক ২ পারসেন্ট এর শেয়ার কিনে নেয় পাঁচ লাখ ইউ এস ডলারে।
কিন্তু সেপ্টেম্বার মাসে এসে জেগে উঠে সেই পুরনো সমস্যা। ক্যামেরুন, টেলর ও ডিভিয়া মামলা করে বসে দি ফেইসবুকের নামে। যদিও সেই বছর ডিসেম্বারেই ১ মিলিয়ন ইউজার হয়ে যায় দি ফেইসবুকে।
২০০৫ এর মে মাসে এক্সেল পারটনারস ১২ দশমিক ৭ মিলিয়ন ডলার ইনভেস্ট করে দি ফেইসবুক ডট কমে।
২০০৬ সালে দেখা যায় গতবছর অর্থাৎ ২০০৫ সালে ফেইসবুক সাড়ে তিন মিলিয়ন ডলারের উপরে লস করে। এরপর ২০০৬ এর সেপ্টেম্বারে ১৩ বছর বয়সের উপরে সবার জন্য ফেসবুক ওপেন করে দেওয়া হয়।
২০০৭ সালে ফেসবুকে আরো বিশাল অঙ্কের দুটি ইনভেস্টমেন্ট দেখা যায়। হং কং এর এক লোক ষাট মিলিয়ন ডলার ও মাইক্রোসফট ২৪০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে ফেইসবুকের এক দশমিক ছয় পারসেন্ট কিনে নেয়।
২০০৮ এ এসে ফেইসবুক আইনগত সমস্যাগুলো সমাধান করে এবং প্রায় পাঁচ বিলিয়ন ডলারের কোম্পানীতে রুপ নেয়। ২০০৯ এসে দেখা যায় মাই স্পেস ডট কমকে পেছনে ফেলে দিয়েছে ফেইসবুক।
এরপর ফেইসবুককে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ২০১২ সালে দেখা যায় মার্ক জুকারবার্গ এর সম্পত্তির পরিমান প্রায় সাড়ে নয় বিলিয়ন ডলার। জুকারবার্গ নিজ যোগ্যতায় হওয়া পৃথিবীর দ্বিতীয় কনিষ্ঠ বিলিনিয়র।
২০১১ তে এসে ফেইসবুকে ১০০ বিলিয়নের বেশি ছবি আপলোড করেছে ইউজাররা। এরপর ওই বছরই ফেইসবুকে ভিডিও কল এর জন্য স্কাইপির সাথে চুক্তি করে ফেইসবুক।
অক্টোবর ২০১২ তে ফেসবুকে ১ বিলিয়ন ইউজার রেজিস্ট্রেশন করে। এবং ২০১২ তেই মার্ক জুকারবার্গ বিয়ে করেন প্রিসিলা চ্যানকে। ২০১০ সালে টাইম ম্যাগাজিনের পারসোন অব দি ইয়ার হন ফেসবুকের জনক মার্ক জুকারবার্গ!

[Staff Recommends] Wanna stay away from Low Battery anxiety disorder? Give 'DU Battery Saver' a try. This app can make y...
30/03/2014

[Staff Recommends] Wanna stay away from Low Battery anxiety disorder? Give 'DU Battery Saver' a try. This app can make your battery last longer with its power-management modes, very useful!

[Android] http://m9.my/go/edubfb

30/03/2014

কোন সফটওয়্যার ছাড়াই কম্পিউটারের সাটডাউনের সময় নির্ধারণ করুন

কেমন আছেন সবাই? আজ আপনাদের কাছে দারুন টিপম শেয়ার করছি। আশাকরি আপনাদের ভাল লাগবে। তো আমরা এখন কাজের কথায় চলে যাই। মনেকরুন আপনি আপনার কম্পিউটারটিকে নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন করতে চান কিন্তু আপনার কাছে প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার নেই! তবে এই কাজটি কোন সফটওয়্যার ছাড়াই করতে পারেন!!! ধরুন আপনি আপনার কম্পিউটারকে ৫ মিনিট পর সাটডাউন করতে চান, তাহলে ৫ মিনিটরে সময় হল ৩০০ সেকেণ্ড। এক্ষেত্রে প্রথমে Start Menu থেকে Run এ ক্লিক করুন। তারপর টাইপ করুন Shutdown.exe-s-t-300 এবং OK করুন। আপনি যদি ৫ মিনিটের পরিবরতে অন্য কোন সময় কম্পিউটার বন্ধ করতে চান তাহলে সেই সময়কে সেকেণ্ডে প্রকাশ করুন এবং ৩০০ জায়গায় তা টাইপ করুন। আপনার কম্পিউটার নিদ্রিষ্ট সময়ে সাটডাউন হবে। আর যদি আপনি এই টাইমার বন্ধ করতে চান তাহলে Start Menu থেকে Run এ গিয়ে Click করুন তারপর Shutdown.exe-a।

Address

Mymensingh
2290

Telephone

+8801981447445

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Central Computers & Technology Ltd. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share