Sk Wahida Parvin

Sk Wahida Parvin Author

দেশ থেকে দূরে থাকলেও মনটা সারাক্ষণ পড়ে থাকে ওখানেই। কিন্তু আজ পঞ্চগড়ের এই খবরটা পড়ে মনটা বিষিয়ে গেল। গ্রাম পুলিশ নিয়োগ প...
26/02/2026

দেশ থেকে দূরে থাকলেও মনটা সারাক্ষণ পড়ে থাকে ওখানেই। কিন্তু আজ পঞ্চগড়ের এই খবরটা পড়ে মনটা বিষিয়ে গেল। গ্রাম পুলিশ নিয়োগ পরীক্ষায় ৩৮ জন প্রার্থীর একজনও আমাদের জাতীয় সংগীত শুদ্ধভাবে লিখতে পারেননি! ভাবা যায়?

আমরা যারা প্রবাসে থাকি, বিদেশের মাটিতে যখন 'আমার সোনার বাংলা' সুরটা শুনি, তখন গায়ের লোম খাড়া হয়ে যায়। নিজেদের সন্তানদের শত কষ্টের মাঝেও বাংলা ভাষা আর জাতীয় সংগীত শেখানোর চেষ্টা করি যাতে তারা শিকড়টা ভুলে না যায়। অথচ দেশের ভেতরেই আজ এই দশা? ১৫ মিনিট সময় পেয়েও কেউ নির্ভুলভাবে গানটা লিখতে পারল না—এটা কেবল মেধার অভাব নয়, এটা আমাদের জাতীয় অবহেলা।

সার্টিফিকেটের পাহাড় দিয়ে কী হবে যদি আমরা আমাদের পরিচয়টাই ঠিকমতো বহন করতে না পারি? এই লজ্জা কেবল ওই প্রার্থীদের নয়, এই লজ্জা আমাদের সবার। তবে প্রশাসনের এই কঠোর সিদ্ধান্ত দেখে ভালো লাগলো; অযোগ্যদের জায়গা না দিয়ে বরং শূন্য পদ রাখা অনেক ভালো। আমাদের দেশপ্রেম যেন কেবল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবেও প্রতিফলিত হয়।

পরবাসে বসে যখন জুলাইয়ের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলো পার করছিলাম, তখন দেশের প্রতিটি খবর আমাদের কলিজা ছিঁড়ে ফেলছিল। আমাদের ভাই-...
25/02/2026

পরবাসে বসে যখন জুলাইয়ের সেই বিভীষিকাময় দিনগুলো পার করছিলাম, তখন দেশের প্রতিটি খবর আমাদের কলিজা ছিঁড়ে ফেলছিল। আমাদের ভাই-বোনদের রক্তে যখন রাস্তা লাল হচ্ছিল, তখন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পদে বসে মো. সাহাবুদ্দিন সাহেব যে তামাশাটা দেখেছেন, তা ভাবলে আজও গা শিউরে ওঠে। আজকে জাতীয় নাগরিক পার্টির নাহিদ ইসলাম ভাই ঠিক কথাটাই তুলেছেন—যিনি দেশের ওই কঠিন সময়ে গণহত্যা থামাতে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেননি, তিনি কীভাবে এখনো ওই সম্মানজনক পদে বহাল থাকেন?

দেশের বাইরে থেকে আমরা রাত-দিন এক করে লড়াই করেছি শুধু একটা ইনসাফভিত্তিক বাংলাদেশের জন্য। তাই এই খুনের দায় রাষ্ট্রপতি কোনোভাবেই এড়াতে পারেন না। আমাদের দাবি খুব স্পষ্ট—আগামী সংসদের প্রথম অধিবেশনেই তাকে অভিশংসন করতে হবে এবং তারপর উপযুক্ত বিচারের মাধ্যমে তাকে দ্রুত গ্রেপ্তার করতে হবে। খুনি আর তাদের দোসরদের কোনো ছাড় এই নতুন বাংলাদেশে হবে না। সুদূর প্রবাসে থেকেও আমরা দেশের এই ন্যায়ের লড়াইয়ের সাথে আছি এবং থাকব। শহীদের রক্ত বৃথা যেতে দেব না!

সরাসরি 'রাষ্ট্রদ্রোহ'-এর অভিযোগ! ভাবা যায়?আমরা যারা বিদেশে থাকি, আমাদের কাছে ড. ইউনূস মানেই বাংলাদেশের একটা বড় ব্র্যান্ড...
24/02/2026

সরাসরি 'রাষ্ট্রদ্রোহ'-এর অভিযোগ! ভাবা যায়?

আমরা যারা বিদেশে থাকি, আমাদের কাছে ড. ইউনূস মানেই বাংলাদেশের একটা বড় ব্র্যান্ড। কিন্তু আইনের চোখে কি ব্র্যান্ড ভ্যালু দিয়ে বিচার হয়? মোহসিন রশীদ সাহেব বলছেন, সংবিধান শুধু লঙ্ঘনই হয়নি, বরং রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়া হয়েছে। বর্তমান সরকার ব্যবস্থা না নিলে তিনি নিজেই আইনি লড়াইয়ে নামবেন—এই জেদটা কিন্তু খাটো করে দেখার মতো না। ⚖️

ব্যক্তিগতভাবে কার কী অর্জন আছে, সেটা এক পাশে রেখে যদি ভাবি—দেশটা তো সবার আগে, তাই না? যদি অভিযোগ সত্যি হয়, তবে সেটা ভয়াবহ। আর যদি এটা কেবলই রাজনৈতিক কাদা ছোড়াছুড়ি হয়, তবে বিদেশের মাটিতে আমাদের দেশের ভাবমূর্তি কোথায় গিয়ে ঠেকবে? 🇧🇩

প্রবাসে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে যখন দেখি দেশের ভেতরে এমন অস্থিরতা, তখন খুব অসহায় লাগে। আমরা চাই শুধু সত্যের জয় হোক। আইন তার আপন গতিতে চলুক, কোনো বিশেষ ব্যক্তির জন্য যেন আইন নমনীয় না হয়, আবার কারো ওপর যেন অন্যায়ও না হয়।

#প্রবাসেরচিঠি #দেশনিয়েভাবনা

প্রবাসে থেকেও যখন দেশের খবরগুলোর দিকে চোখ রাখি, তখন এমন কিছু সংবাদের জন্য মনটা তৃষ্ণার্ত থাকে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড...
23/02/2026

প্রবাসে থেকেও যখন দেশের খবরগুলোর দিকে চোখ রাখি, তখন এমন কিছু সংবাদের জন্য মনটা তৃষ্ণার্ত থাকে। আমাদের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান সাহেবের সাম্প্রতিক বক্তব্যটা পড়ে বুকটা গর্ভে ভরে গেল। তিনি খুব স্পষ্টভাবে বলেছেন—‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’। আমাদের দেশ নিজের স্বাধীনতা আর সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে নিজেই সক্ষম, অন্য কারোর হস্তক্ষেপ আমাদের প্রয়োজন নেই।

আমরা যারা দেশের বাইরে থাকি, তারা প্রতিমুহূর্তে অনুভব করি একটা দেশের ‘ন্যাশনাল ডিগনিটি’ বা জাতীয় মর্যাদা কতটা জরুরি। বিদেশের মাটিতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে হলে নিজের দেশের মেরুদণ্ড শক্ত হওয়াটা সবচেয়ে আগে প্রয়োজন। মন্ত্রী মহোদয় যখন বলেন যে, আমাদের নীতি হবে পারস্পরিক স্বার্থ আর আত্মমর্যাদার ভিত্তিতে, তখন মনে হয় সত্যি আমরা একটা আত্মনির্ভরশীল জাতি হিসেবে বিশ্বমঞ্চে নিজেদের চিনিয়ে দিচ্ছি।
সবচেয়ে ভালো লাগলো এটা শুনে যে—চীন, ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, সৌদি আরব কিংবা ইউরোপীয় ইউনিয়ন—সব দেশের রাষ্ট্রদূতরাই আমাদের বর্তমান সরকারের ওপর আস্থা প্রকাশ করেছেন। কোনো এক বিশেষ ব্লকের দিকে ঝুঁকে না থেকে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ কিন্তু মর্যাদাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাটাই তো আসল সার্থকতা।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই ‘সবার ওপরে বাংলাদেশ’ নীতি যদি বাস্তবে আমরা বজায় রাখতে পারি, তবে আমাদের লাল-সবুজ পাসপোর্ট আর আমাদের পরিচয় বিদেশের বুকে আরও বেশি সম্মান পাবে। দূর পরবাসে বসে আমরা এটাই চাই—আমাদের প্রিয় বাংলাদেশ যেন নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নিতে পারে, আর মাথা উঁচু করে বিশ্ব দরবারে নিজের অবস্থান জানান দেয়।

শুভকামনা বাংলাদেশের জন্য! এগিয়ে যাও প্রিয় জন্মভূমি। ❤️

পরবাসে থেকে যখন দেশের এসব খবর দেখি, তখন লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে যায়। ২১শে ফেব্রুয়ারি—যে দিনটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা...
22/02/2026

পরবাসে থেকে যখন দেশের এসব খবর দেখি, তখন লজ্জায় মাথা নিচু হয়ে যায়। ২১শে ফেব্রুয়ারি—যে দিনটি বর্তমানে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে সারা বিশ্বে স্বীকৃত এবং সম্মানিত, সেই পবিত্র দিনে নিজ দেশের শহিদ মিনারে ফুল দিতে গিয়ে একজন নারী সংসদ সদস্যকে তাঁর নিজের দলের লোকেদের হাতেই লাঞ্ছিত হতে হলো!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রুমিন ফারহানার ওপর হামলার ঘটনায় সরাইল উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদকসহ ১৫০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। ভাবা যায়? যারা নিজেদের আধুনিক আর গণতান্ত্রিক বলে দাবি করে, তাদের ভেতরেই এই আদিম কোন্দল আর নারীবিদ্বেষ? শহিদ মিনারের পবিত্রতাটুকু রক্ষা করার ন্যূনতম শিক্ষা কি আপনাদের রাজনৈতিক দীক্ষায় নেই?

আমরা প্রবাসে যখন ভিনদেশিদের কাছে আমাদের ভাষা আন্দোলনের গৌরবগাথা শোনাই, তখন গর্বে বুক ভরে ওঠে। আর ঠিক সেই সময়েই দেখি দেশে এই ভাষা শহিদদের স্মৃতির সামনে দাঁড়িয়েই আপনারা ক্ষমতার কামড়াকামড়ি করছেন, মারপিট করছেন। তাও আবার নিজ দলের নারী নেতৃত্বের ওপর হামলা!

আসলে আপনাদের কাছে রাজনীতি মানেই হচ্ছে পেশিশক্তি আর অন্ধ প্রতিহিংসা। এই অপরাজনীতির কারণেই আজ দেশটার এই দশা। প্রবাসে হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে যখন দেখি দেশের মাটিতে সাধারণ মানুষের শ্রদ্ধা নিবেদনের পরিবেশটুকুও আপনারা নষ্ট করছেন, তখন মনে হয়—এই পরিবর্তনের স্বপ্ন কি আমরা দেখেছিলাম?

ধিক্কার জানাই এই নোংরা রাজনীতিকে। নিজের দলের নারী নেত্রীকে যে দল সম্মান দিতে পারে না, তারা দেশের মানুষের অধিকার রক্ষা করবে—এটা ভাবাই বোকামি।
#প্রবাসীর_আক্ষেপ #রুমিনফারহানা #নোংরা_রাজনীতি #শহিদমিনার #লজ্জা #বাংলাদেশ

21/02/2026

পরবাসের এই ব্যস্ত শহরে আজ যখন ক্যালেন্ডারের পাতায় ২১শে ফেব্রুয়ারি উঁকি দিল, বুকের ভেতরটা হু হু করে উঠল। আমাদের শহরগুলোতে আজ হয়তো আর দশটা দিনের মতোই কর্মব্যস্ততা, কিন্তু মনের গহীনে এখনো বেজে চলেছে— ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’।
দেশ থেকে হাজার মাইল দূরে থেকেও যখন নিজের ভাষায় কথা বলি, তখন বুঝতে পারি এই বর্ণমালা আমাদের কতটা আপন। বায়ান্নর সেই উত্তাল দিনগুলোতে সালাম-বরকতরা যদি রাজপথে রক্ত না দিতেন, তবে আজ প্রবাসে বসে নিজের অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া আমাদের জন্য কতটা কঠিন হতো! একুশ মানে তাই আমার কাছে কেবল একটি তারিখ নয়, একুশ মানে বিদেশে বেড়ে ওঠা আমার সন্তানদের শুদ্ধ বাংলায় ‘মা’ ডাক শেখানোর নিরন্তর প্রচেষ্টা।
এখানে হয়তো ভোরের আলোয় খালি পায়ে শহীদ মিনারে ফুল দেওয়া হয় না, কিন্তু মনের কোণে গড়ে তোলা সেই মিনারেই বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। প্রবাসের এই যান্ত্রিক জীবনেও আমাদের লড়াইটা প্রতিদিনের—নিজের সংস্কৃতি আর ভাষাকে পরবর্তী প্রজন্মের হৃদয়ে বাঁচিয়ে রাখার লড়াই। বায়ান্নর সেই অসাম্প্রদায়িক আর প্রগতিশীল চেতনাকে বুকে ধারণ করেই আমরা বিদেশের মাটিতে বাংলাদেশকে রিপ্রেজেন্ট করি।
যতই দূরে থাকি না কেন, আমার বর্ণমালা আর আমার শহীদ মিনার সবসময় আমার সাথেই থাকে। সকল ভাষা শহীদের প্রতি জানাই গভীর শ্রদ্ধা।
জয় বাংলা। ✊🇧🇩
#২১শেফেব্রুয়ারি #আন্তর্জাতিকমাতৃভাষা দিবস #প্রবাসেরএকুশ #আমারভাষাআমারঅহংকার #একুশমানেমাথানতনাকরা #জয়বাংলা

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর গত কয়েকটা দিন এক অদ্ভুত দোলাচলের মধ্য দিয়ে কাটছে। একদিকে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর দেশে এ...
20/02/2026

১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের পর গত কয়েকটা দিন এক অদ্ভুত দোলাচলের মধ্য দিয়ে কাটছে। একদিকে দীর্ঘ এক দশকেরও বেশি সময় পর দেশে একটি অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের স্বস্তি, আর অন্যদিকে আগামীর এক অজানা শঙ্কা। আজ এবি পার্টির ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ ভাইয়ের সেই কড়া বক্তব্যটা পড়লাম, যা মূলত আমাদের সবার মনেরই কথা। তিনি খুব স্পষ্টভাবে সতর্ক করেছেন যে, নতুন সরকার বা বিএনপির নেতাকর্মীরা যদি নব্য আওয়ামী স্টাইলে 'ফ্যাসিবাদী' আচরণ শুরু করে, তবে তারেক রহমানের পতন শেখ হাসিনার চেয়েও ভয়াবহ হতে পারে।
বিদেশে বসে আমরা যখন বাংলাদেশের জন্য প্রহর গুনি, তখন আমাদের চাওয়াটা খুব সাধারণ—আমরা কেবল ক্ষমতার হাতবদল দেখতে চাইনি, আমরা চেয়েছিলাম একটা সংস্কৃতির পরিবর্তন। ফুয়াদ ভাইয়ের এই হুশিয়ারি আজ প্রতিটি দেশপ্রেমিক নাগরিকের জন্য এক চরম সত্য। যদি বিজয়ীদের মধ্যে সেই পুরোনো দখলদারিত্ব, অন্যকে দমানোর প্রবণতা বা মাঠ পর্যায়ের নেতাকর্মীদের বেপরোয়া ভাব বজায় থাকে, তবে চব্বিশের সেই রক্তক্ষয়ী গণ-অভ্যুত্থানের চেতনা ভূলুণ্ঠিত হবে।
বাংলাদেশের মানুষ এখন অনেক বেশি সচেতন এবং সাহসী। তারা বুঝিয়ে দিয়েছে যে ক্ষমতার দম্ভ দিয়ে বেশিদিন টিকে থাকা যায় না। ফুয়াদ ভাই যখন বলেন যে আরেকটি গণ-অভ্যুত্থান কেবল সময়ের ব্যাপার হতে পারে যদি ভুল সংশোধন করা না হয়, তখন বুঝতে হবে এই আওয়াজটা কোনো নির্দিষ্ট দলের নয়, বরং এটা সাধারণ মানুষের পুঞ্জীভূত ক্ষোভের প্রতিফলন। আমরা চাই না দেশ আবারও কোনো অস্থিতিশীলতার দিকে যাক। আমরা চাই নতুন নেতৃত্ব যেন অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নেয় এবং প্রতিহিংসার বদলে ইনক্লুসিভ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক রাজনীতি উপহার দেয়।
ইতিহাস বড় নির্মম, আর যারা ইতিহাস থেকে শিক্ষা নেয় না, ইতিহাস তাদের ক্ষমা করে না। আশা করি বর্তমান নেতৃত্ব এই কঠোর সতর্কবার্তাকে তুচ্ছ জ্ঞান না করে নিজেদের শুদ্ধ করার কাজে মনোযোগী হবে। আমরা আর কোনো ফ্যাসিবাদ চাই না, সে যে নামেই আসুক না কেন।

নিউ ইয়র্কের এই ব্যস্ত লাইফেও দিনশেষে মনটা ওই বাংলাদেশেই পড়ে থাকে। কিন্তু আজ নিউজফিড স্ক্রল করতে গিয়ে জাইমা রহমানের এই ছব...
19/02/2026

নিউ ইয়র্কের এই ব্যস্ত লাইফেও দিনশেষে মনটা ওই বাংলাদেশেই পড়ে থাকে। কিন্তু আজ নিউজফিড স্ক্রল করতে গিয়ে জাইমা রহমানের এই ছবিটা নিয়ে যা দেখলাম, তাতে মনটা সত্যিই খারাপ হয়ে গেল। আমাদের দেশের মানুষের মানসিকতা কি কোনোদিনও বদলাবে না?

একটা ছবি ভাইরাল হয়েছে—কেউ বলছে এটা এআই (AI) দিয়ে বানানো, কেউ বলছে রিয়েল। আরে ভাই, ছবিটা যেটাই হোক, সমস্যাটা কোথায়? একটা মেয়ে তার ফ্রেন্ডদের সাথে একটু হাসিখুশি সময় কাটাবে, আড্ডা দেবে—এটা কি কোনো পাপ? আমরা যারা প্রবাসে থাকি, তারা জানি ব্যক্তিগত স্বাধীনতা কতটা দামী জিনিস। কিন্তু আমাদের দেশে দেখলেই মনে হয়, একজন ব্যারিস্টার বা পটেনশিয়াল লিডার মানেই তাকে রোবটের মতো গম্ভীর হয়ে থাকতে হবে!

জাইমা রহমান একজন শিক্ষিত, স্মার্ট মেয়ে। তার ব্যক্তিগত লাইফস্টাইল বা হাসি-আনন্দ নিয়ে যারা সস্তা ক্যারেক্টার অ্যাসাসিনেশন করছেন, তাদের আসলে রুচির অভাব। আপনারা তাকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে পারেন না বলেই কি তার পার্সোনাল লাইফ নিয়ে নোংরামি শুরু করেছেন?

ব্যক্তিগতভাবে আমি জাইমার এই কনফিডেন্সটাকেই ভালোবাসি। সে তার মতো করে বাঁচবে, এটাই তো স্বাভাবিক। আমাদের দেশের রাজনীতিতে এমন আধুনিক আর প্রাণবন্ত মানুষেরই আসা উচিত। এসব সস্তা অপপ্রচারে কিচ্ছু হবে না।

জাইমা, নিউ ইয়র্ক থেকে তোমার জন্য অনেক অনেক দোয়া আর ভালোবাসা রইল। তোমার এই হাসিটাই যেন সবসময় অটুট থাকে! 🗽❤️

ভাইরে ভাই, দেশে তো 'দারিদ্র্যের জাদু' দেখিয়েই ক্ষান্ত হলেন না, এখন নাকি আবার বিদেশ বিভুঁইয়ে আসার পায়তারা করছেন? 🙄একজন প্...
18/02/2026

ভাইরে ভাই, দেশে তো 'দারিদ্র্যের জাদু' দেখিয়েই ক্ষান্ত হলেন না, এখন নাকি আবার বিদেশ বিভুঁইয়ে আসার পায়তারা করছেন? 🙄

একজন প্রবাসী হিসেবে বিনীত অনুরোধ— ইউনুস সাহেব, দয়াকরে আমেরিকার দিকে পা বাড়াবেন না! 🙏 বাংলাদেশে যা করার করেছেন, এখন এখানে এসে আমাদের মান-সম্মানটুকু ধুলোয় মিশিয়ে দিয়েন না। এমনিতেই দিনরাত হাড়ভাঙা খাটুনি খেটে বিদেশের মাটিতে নিজেদের একটা ইজ্জত তৈরি করেছি। আপনি যদি এখানে এসে আবার আপনার সেই 'ক্ষুদ্র ঋণের' মহিমা ছড়ানো শুরু করেন, তবে মার্কিনিরা তো আমাদের চোর-বাটপার ছাড়া আর কিছুই ভাববে না! 🤦‍♀️

নিজের দেশে তো দারিদ্র্য বাড়িয়ে বিদায় নিলেন, এখন কি আমাদের ইজ্জতটাও মারার পরিকল্পনা? প্লিজ, আপনি যেখানে আছেন সেখানেই থাকুন, আমাদের আর লজ্জা দিয়েন না। আমরা শান্তিতে থাকতে চাই! 🤚🇺🇸

#ইউনুস_আমেরিকা_আসবেন_না #প্রবাসীদের_সম্মান_রক্ষা_করুন #দারিদ্র্যের_জাদুকর #বাংলাদেশি_প্রবাস #লজ্জা

16/02/2026

ভিডিওটা দেখে মনটা একদিকে যেমন তিক্ততায় ভরে গেল, অন্যদিকে একধরণের স্বস্তিও পেলাম। তিক্ততা এই কারণে যে, ৫৪ বছর পরেও এই দেশে এমন একদল মানুষ আছে যারা আমাদের জাতীয় সংগীত গাইতে লজ্জা পায় বা ঘৃণা করে! আর স্বস্তি এই কারণে যে, অন্তত কেউ একজন তো আছে যারা এই উগ্রবাদী গোষ্ঠীটাকে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিচ্ছে যে এই দেশটা কারো ব্যক্তিগত জায়গির নয়।

আমরা যারা প্রবাসে থাকি, বিদেশের মাটিতে আমাদের একমাত্র পরিচয় হলো এই বাংলাদেশ আর আমাদের এই প্রাণের জাতীয় সংগীত। অথচ একদল লোক ধর্মের দোহাই দিয়ে বা উগ্র মতাদর্শ নিয়ে আমাদের অস্তিত্বকেই অস্বীকার করতে চায়। সেনাবাহিনী আজ তাদের ঠিকঠাক আয়না দেখিয়ে দিয়েছে। দেশপ্রেম ভেতর থেকে না এলে মাঝেমধ্যে বোধহয় এমন 'শক থেরাপি'র দরকার হয়।

মানুষের সম্মানহানি কোনো সমাধান নয় জানি, কিন্তু যারা আমাদের স্বাধীনতা আর মানচিত্রকে সম্মান করতে জানে না, তাদের সাথে আর কতটুকু লিবারাল হওয়া সম্ভব? এই দেশে থাকতে হলে এদেশের সংস্কৃতি আর জাতীয় প্রতীককে সম্মান জানিয়েই থাকতে হবে।

বাংলাদেশটা আমাদের সবার, কোনো উগ্রবাদী গোষ্ঠীর তান্ডব চালানোর জায়গা এটা নয়। সেনাবাহিনী যেভাবে এদের লাইনে আনছে, তা দেখে অন্তত মনে হচ্ছে এখনো সব শেষ হয়ে যায়নি।

Address

Bufallo
Mymensingh

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sk Wahida Parvin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share