01/10/2021
৬ জন নারীকে আল্লাহ মেয়েদের জন্য মডেল
বানিয়েছেন।
১। মেয়েদের মডেল হাজেরা : আল্লাহর প্রতি ভরসা কিভাবে করতে হবে তিনি তা বাস্তবে আমল করে দেখিয়েছেন
ইসমাইল আর হাজেরা কে যখন মরুভুমি তে রাখা হয়।তখন হাযেরা বলেছিল স্বামী এই একা জঙ্গলে আমরা কি করব।
তখন ইব্রাহীম (আঃ) বলেছিলেন, আল্লাহ আছেন
তখন হাজেরা জবাব দিয়েছিলেন ইনশাআল্লাহ
আমার বিশ্বাস আছে আল্লাহ আমাদের কখনো নিরাশ করবে নাহ।
২।মেয়েদের মডেল মরিয়ম: আল্লাহর ইবাদত কিভাবে করা লাগে তিনি তার জীবনে দেখিয়েছেন
৩। মেয়েদের মডেল আছিয়া : কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে ইমানকে কিভাবে টিকিয়ে রাখতে হয় তিনি তা জীবনে আমল করে দেখিয়েছেন।
তার জিব্বায় পেরেক মেরে দেয়া হয়েছিল তারপরও তিনি এক সেকেন্ড এর জন্য ইমান ছাড়েনি।সবার সামনে বিবস্র করা হয়েছিল।
তার পরও ইমান ছাড়েনি।
৪। মেয়েদের মডেল মা আয়েশা : শিক্ষা কিভাবে অর্জন করা লাগে তিনি তার জীবনে দেখিয়েছেন।
রাইসুল মুহাদ্দিস ছিলেন মা আয়েশা।
যার কাছে সাহাবিরা পর্দার আড়াল থেকে হাদিস পড়তেন।রাইসুল মুহাদ্দিস ছিলেন আবু হুরায়রা এটা বানোয়াট কথা।
তার থেকে বড় মুহাদ্দিস ছিলেন মা আয়েশা
আবু হুরায়রা নিজেও মা আয়েশার কাছে হাদিস
পড়েছেন।
৫। মেয়েদের মডেল মা খাদিজা : স্বামী ভক্তি কাকে বলে তিনি তা আমল করে দেখিয়েছেন।
মা খাদিজা বলতেন আমার স্বামী যখন বাহিরে থাকতেন তখন আমি দরজায় পিঠ লাগিয়ে দাড়িয়ে থাকতাম।উনাকে রেখে কখনো আমি ঘুমাই নাই।
মা খাদিজার যতো সম্পদ ছিলো সব কিছু স্বামীর জন্য দিয়েছিলেন।
আল্লাহর নবী মাঝে মাঝে বলতেন আমার খাদিজা বেচে থাকলে কোনদিনও দ্বিতীয় বিবাহ করতাম নাহ।
একটা বার একটু চিন্তা করুণ তো ৪০ বছরের একটা মহিলা ২৫ বছরের যুবককে কি এমন দিয়েছিলেন। সেই যুবক বলেছে আমার খাদিজা বেচে থাকলে দ্বিতীয় বিবাহ করতাম নাহ।
চিন্তা করেছেন স্বামী ভক্তি কাকে বলে
আল্লাহ এমনি এমনি মা খাদিজাকে সালাম দেয়নি মা খাদিজাকে সালাম দেয়ার কারণ
মা খাদিজা ছিলেন স্বামী ভক্তি।আর এটা আল্লাহর কাছে খুব পছন্দনীয় ব্যাপার ছিলো।
মা খাদিজার ইবাদত বেশি ছিলো না,কিন্তু আল্লাহর
কাছে তার একটা জিনিস প্রিয় তা হলো স্বামী ভক্তি.....!!!!!
৬।মেয়েদের মডেল ফাতেমা :পর্দা কি করে করা লাগে তিনি তা আমল করে দেখিয়েছেন।
মৃত্যুর আগে বলেছিলেন স্বামী, আমি যখন দুনিয়াতে থেকে বিদায় নেব,তখন কয়েকটা লোক নিয়ে আমার দাফন করে দেবেন।
দিনের বেলা নয়, রাত্রিবেলা দাফন করবেন,কারণ দিনের বেলা দাফন করলো মানুষ আমার লাশ দেখে যেন বলতে না পারে নবীর মেয়ে এতোটুকু মোটা ছিলো, এরকম চিকন ছিলো। আমার পর্দার খেলাফ হবে।
এই পর্দা করা আল্লাহর কাছে এতোই পছন্দীয় ছিলো,যে ফাতিমা মারা যাওয়ার পর জান্নাতুল বাকিতে কোথায় ফাতিমার কবর।কেউ কোনদিন বলতে পারে নি।দশ হাজার সাহাবীর কবর আছে।ফাতিমার কবর কেউ খুজে পাই নাই।কারণ ফাতিমার কবরটাও আল্লাহ পর্দার সহিত রেখে দিয়েছেন।
ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে পাশে থাকবেন ইন-শা-আল্লাহ
আল্লাহ মা বোনদের এই ছয় নারীর যে কোন একজনকে মানার তৌফিক দান করুণ।
আমিন