Sajid Computer

Sajid Computer mobile hardware and software engineering workshop sindur khan bazar sreemangal moulovibazar
(1)

বর্তমান যুগে প্রত্যেক দলের লোকেরাই বলে আমরা সত্যের উপর রয়েছি এবং ওহাবী নজদী সম্প্রদায়ের লোকেরা নিজেদের লোক ছাড়া অন্য লোক...
27/08/2026

বর্তমান যুগে প্রত্যেক দলের লোকেরাই বলে আমরা সত্যের উপর রয়েছি এবং ওহাবী নজদী সম্প্রদায়ের লোকেরা নিজেদের লোক ছাড়া অন্য লোককে তারা মুমিন মনে করে না।
তাদের কাজ হচ্ছে প্রতিটি কদমে কুফর,শিরক,বিদআত প্রত্যেক কথা কাজে ফতোয়াবাজী করা তাদের স্বভাব।নবী-গাউছ ওলী-আব্দাল পীর-মাশায়েখ ও মাজার সম্পর্কে সমালোচনা করা তাদের অভ্যাস। পৃথিবীর মধ্যে যতো ফেতনা রয়েছে এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ফেতনার মধ্যে ওয়াহাবী নজদী ফিতনা সর্বাধিক বিপদজনক।

এ ব্যাপারে আমাদের নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রথম থেকেই ভবিষ্যৎবাণী করে গেছেন।

"মিশকাত শরীফ" ২য় খণ্ডের ইয়ামন ও শামের বর্ণনা অধ্যায়ে বুখারী শরীফের বরাত দিয়ে আব্দুল্লাহ ইবনে ওমর (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু)থেকে বর্ণিত- একদিন দয়ার সাগর হুজুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) হাত তুলে দোয়া করেছিলেন-

اللهم بارك لنا فى شامنا
হে আল্লাহ আমাদের শাম প্রদেশে বরকত দাও।

اللهم بارك لنا فى يمننا
হে আল্লাহ আমাদের ইয়ামন দেশে বরকত দাও।

উপস্থিত শ্রোতাদের মধ্যে একজন সাহাবী আরজ করলেন! ইয়া রাসূলাল্লাহ! (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)আমাদের নজদের জন্য দোয়া করুন।পুনরায় হুজুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) দোয়া করলেন, শাম ও ইয়ামনের নাম উল্লেখ করলেন কিন্তু নজদের নাম নিলেন না।পুনরায় দৃষ্টি আকর্ষণ পূর্বক নজদের জন্য দোয়া করার অনুরোধ করার পরেও হুজুর শাম ও ইয়ামনের জন্য উপর্যুপরি তিনবার দোয়া করলেন কিন্তু বারবার নজদের কথা স্মরণ করিয়ে দেওয়া সত্ত্বেও নজদের জন্য দোয়া করলেন না।বরং শেষে বললেন-

هناك الزلازل والفتن وبها يطلع قرن الشيطن
যে অঞ্চল সৃষ্টির আদিকালেই আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে বঞ্চিত সে ভূখণ্ডের জন্য দোয়া কিভাবে করি?

এখানেই ইসলামের ভিতকে নাড়াদানকারী ভূমিকম্প ও ফেতনা আরম্ভ হবে এখানেই শয়তানের দলের আবির্ভাব ঘটবে’ এ থেকে বুঝা গেলো হুজুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর পবিত্র দৃষ্টিতে (পথ ভ্রষ্ট ও ঈমান নষ্ট করার দিক থেকে) দাজ্জালের ফেতনার পরে ছিলো নজদের ফেতনার স্থান,যার সম্পর্কে এভাবে ভবিষ্যৎবাণী করে গেলেন।

অনুরূপ "মিশকাত শরীফ" ১ম খণ্ডের কিসাস শীর্ষক আলোচনায় ‘মুরতাদদের’ (ধর্মদ্রোহীদের) হত্যা’ অধ্যায়ে নাসায়ী শরীফের উদ্ধৃতি দিয়ে হযরত আবু বরযা (রাদিয়াল্লাহু আনহু) থেকে বর্ণিত যে, একবার হুজুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কিছু গণিমতের মাল বণ্টন করছিলেন,তখন পিছন থেকে একজন লোক বললেন- হে মুহাম্মদ! আপনি ন্যায়সঙ্গতভাবে বণ্টন করেননি।হুজুর (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রাগান্বিত হয়ে বললেন- আমার পরে আমার থেকে বেশি কোন ইনসাফকারী ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তি পাওয়া যাবে না।তারপর বললেন- শেষ যামানায় এর বংশ থেকে একটি গোত্রের উদ্ভব হবে।যারা কুরআন পাঠ করবে বটে,কিন্তু কুরআন তাদের কণ্ঠনালীর নীচে পৌঁছবে না।কিন্তু তারা ইসলাম থেকে এমনিভাবে দূরে সরে যাবে,যেমনিভাবে তীর শিকার ভেদ করে বের হয়ে যায়-

سيما هم التحليق لايزلون يخرجون حتى يخرج اخرهم مع الدجال فاذا لقيتموهو هم شر الخلق والتخليقة
(মাথা মুণ্ডনো হলো এদের বিশেষ চিন্হ এদের একের পর এক বের হতেই থাকবে।শেষ পর্যন্ত এদের শেষ দলটি দাজ্জালের সঙ্গে মিলিত হবে। যদি তোমরা তাদের সাক্ষাত পাও, জেনে রেখো,তারা হলো সমস্ত সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে নৃশংস।)

এ হাদিসের মধ্যে এদের পরিচয় বর্ণনা করা হয়েছে।মাথা মুণ্ডানো ছাড়া এখনও কোন ওহাবীকে পাওয়া মুশকিল।

অন্য জায়গায় তিনি আরো বলেন- তারা মুর্তি পূজারীদেরকে ছেড়ে দেবে, কিন্তু মুসলমানদেরকে হত্যা করবে। (বুখারী শরীফ ১ম খণ্ড কিতাবুল আম্বিয়া ইয়াজুজ মাজুজের কাহিনীর সাথে সম্পৃক্ত বর্ণনা,মুসলিম শরীফ ও মিশকাত শরীফে আল মু’জিজাত অধ্যায়ে প্রথম পরিচ্ছেদ দেখুন উক্ত জায়গায় মিশকাত শরীফে আরো উল্লেখিত আছে-

لئن ادركتم لاقتلنهم قتل عاد
যদি আমি তাদেরকে পেতাম,আদ গোত্রের মত হত্যা করতাম।

এখনও দেখা যায় যে,দেওবন্দীরা সাধরণভাবে হিন্দুদের সাথে বেশি সংশ্রব রাখে মুসলমানদেরকে ঘৃণার চোখে দেখে।তারা সবসময় মুসলমানদের উপর বিশেষ করে হেরামাইন শরীফাইনের অধিবাসীদের ইজ্জত আবরুর উপর প্রচণ্ড আঘাত হেনেছেন।সাইফুল জব্বার ও ‘বোয়ারেফে মুহাম্মদীয়া আলা ইরগামাতিন নজদিয়া’ ইত্যাদি ইতিহাসের বই দেখুন।

আব্দুল ওহাব নজদীর জন্ম,পরিচয় ও ভ্রান্ত মতবাদ উপরোক্ত মহান ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী ১১১১ হিজরী মোতাবেক ১৭০৫ খ্রিস্টাব্দে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব নজদী, নজদ দেশে জন্মগ্রহণ করেন।জীবনের শুরুতে মদিনা মনোয়ারা লেখাপড়া করেছিলো।মদিনা মনোয়ারা ও মক্কা মুকাররমার মধ্যে আসা যাওয়া করতো।তার গোড়াছিলো তামীম গোত্রের সাথে গাথাঁ।মদিনা মনোয়ারার অনেক আলেমের কাছে বিদ্যার্জন করতো।এই শিক্ষকদের মধ্যে শায়খ মোহাম্মদ ইবনে সুলাইমান কারভী শাফেয়ী ও শায়খ মুহাম্মদ হায়াত সিন্ধী হানাফী অন্যতম।এ দুজন শিক্ষক এবং অন্যান্য শায়খগণ তার মধ্যে ধর্মদ্রোহীতার ও পথভ্রষ্টতার বিভিন্ন আলামত লক্ষ্য করতেন আর বলতেন-

سيضل هذا ويضل الله به من بعده واشقاه فكان الامر كذالك وما اخطأت فراستهم فيه
অর্থাৎ অনতিবিলম্ভে সে পথভ্রষ্ট হয়ে যাবে।আল্লাহতা’য়ালা তার মাধ্যমে পররবর্তী আগমনকারী হতভাগ্য লোকদেরকেও বিভ্রান্ত করবেন।

সুতরাং তেমনই ঘটেছে।
তার শ্রদ্বেয় পিতাও তার মধ্যে ধর্মদ্রোহিতার নিদর্শন দেখতে পান এবং প্রায় সময়ই তার সমালোচনা করতেন।মন্দ দিকগুলো তুলে ধরতেন।লোকজনকে বাঁচানোর জন্য তাকিদ সহকারে সাবধান করে দিতেন।এভাবে তার ভাই আল্লামা সোলাইমান ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবও তার বিদআতগুলো (নব আবিস্কৃত অবৈধ আকিদা ও কাজকর্ম, ভ্রান্তি এবং বাতিল আকিদাসমূহ) প্রত্যাখ্যান ও সেগুলো খণ্ডন করতেন।এমনই তার খণ্ডনে "আস সাওয়াইকুল ইলাহিয়া ফির রদ্দে আলাল ওয়াহহাবিয়া" নামে একটি কিতাব প্রণয়ন করেন।

আল্লামা মুহাম্মদ আব্দুর রহমান সিলহেটী (আলাইহির রহমত) নজদী সম্পর্কে লিখেছেন-

দ্বিতীয় সুলতান মাহমুদ খানের শাসনামলে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব নামের এক ব্যক্তির আত্মপ্রকাশ ঘটল।ইবনে তাইমিয়া মরে যাওয়ার পর সে তার বিলুপ্ত ভ্রান্ত আকিদাগুলোকে পুনরায় প্রকাশ করলো-

وابتدع شيعة مخالفا عن مذهب السنة وكان يطوف من العرب الى امكنة وشام والبغداد والبصرة ومن هناك رجع الى بلاد العرب وباتسعاف الامربن السعود- الذى كان دخل فى هذه الثيعة جذب اليه جمهور من اهل البلاد وسموا لوهابية باسم كبيرهم محمد بن عبد الوهاب
অর্থাৎ সে নতুন শরীয়ত প্রকাশ করলো।আহলে সুন্নাতের বিপক্ষে সে একটি দল গঠন করে নিলো।ফোরাত (ইউফ্রেটিস) থেকে সিরিয়া,বাগদাদ শরীফ ও বসরা পর্যন্ত শহরগুলোতে ঘুরে চষে বেড়িয়েছিলো।আর সেখান থেকে আরবে ফিরে এলো- আমির ইবনে সাউদের সহায়তা পাবার কারণে সে উক্ত দলে যোগ দিয়েছিলো।শহরের বড় বড় লোকদেরকেও নিজের দিকে টেনে নিলো।এ কারণে তাদেরকে তাদের দলনেতা মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের নামানুসারে "ওহাবী" বলা হয়।

উক্ত ওহাবী সম্প্রদায়ের প্রশংসিত মৌলভী ওবায়দুল্লাহ সিন্ধী লিখেছেন- প্রকৃত ঘটনা হলো।আলোচ্য লোকটি এমন কোন শিক্ষক থেকে জ্ঞনার্জন করেনি,যিনি তাকে সঠিক হিদায়তের পথে পরিচালিত করতেন উপকারী জ্ঞানের দিকে পথপ্রদর্শন করতেন এবং দ্বীনের বিষয়াবলীর ব্যাপারে তার মধ্যে বুঝ-সমঝের উম্মেষ ঘটাতেন।জ্ঞানার্জনের ধারাবাহিকতায় লোকটি শুধু এতটুকু করেছে যে শায়খ ইবনে তাইমিয়া এবং তার শিষ্য ইবনে কাইয়েমের কয়েকটি কিতাব পড়ে নিয়েছে আর তার তাকলিদ (অনুসরণ) করেছে।
শায়খ সাইয়্যেদ আমিন,যিনি ইবনে আবেদীন নামে খ্যাত রাদ্দুল মুহতার এবং এর মধ্যে বিদ্রোহীদের আলোচনা অধ্যায়ে লিখেছেন যে, তাদের উপমা হচ্ছে তেমনি যেমন আমাদের যুগের মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের অনুসারীগণ।
কিছুদিন হলো এসব লোক নজদ থেকে বের হয়েছে।আর দুই হেরামশরীফের উপর ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে নিয়েছে।এরা নিজেদেরকে হাম্বলী মাযহাবের অনুসারী বলে দাবি করে।কিন্তু তাদের অবস্থা এমন যে, নিজেদেরকে ছাড়া বাকী সকল মুসলমানদের যারা তাদের আকিদার পরিপন্থী হয় কাফির মনে করে এবং তাদের রক্তপাত ঘটানোকে জায়েয মনে করে।

সুতরাং,তারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াত ও তাদের আলিমকে হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করেনি।
মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব নজদি যখন নিজেদের বাতিল আকিদা এবং ভ্রান্ত চিন্তাধারা প্রকাশ করার ইচ্ছা করলো, তখন সে মদিনা মনোয়ারা থেকে পূর্ব দিকে চলে গেলে।আর লোকজনকে তার সাজানো মনগড়া কথাগুলো শুনালো।আর বুঝালো যে, তারা (জন সাধারণ) যে সব আকিদাপোষণ করে সব শিরক ও ভ্রান্ত।আর তার ভ্রান্ত আকিদাকে ধীরে ধীরে প্রকাশ করতে লাগলো।যখন সাধারণ জঙ্গলি লোকেরা তার আকিদাগুলো গ্রহণ করে নিলো ১১৫০ হিজরিতে বিভিন্ন জেলায় তার এসব কথা ছড়িয়ে পড়লো এবং দরইয়াহ এলাকায় শাসক মুহাম্মদ ইবনে সাউদ তার সাহায্যকারী হয়ে গেলো এবং শায়খই নজদীকে তার দেশ সম্প্রসারণের মাধ্যমে করে নিলো এবং দরইয়াহবাসীদেরকে সে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাবের অনুসরণের প্রতি উদ্বুদ্ধ করল।
১২০০ (বারো শত) বৎসর পরে মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব নামায কালেমার তাবলীগ চালিয়ে সুন্নি মুসলমানদেরকে ফাঁকি দিয়ে নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ও সাহাবায়ে কেরামের আকায়েদের বিপরীত আকিদা শিক্ষা দিয়ে জামাতভূক্ত করে একটা বেইমান শয়তানের গোমরাহী দল গঠন করেছে।এই দলের নামই ওহাবী দল।

মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব নজদী ওহাবি গোমরাহি ধর্মের একটা ছোট কিতাব লিখেছে যাহার নাম ‘কিতাবুত তাওহীদ’।

উক্ত কিতাবুত তাওহীদ দ্বারা আরবদেশে ওহাবী ধর্ম জারি হতে থাকে।ওহাবী গোমরাহী দলের পরিচয় পূর্বে আলোচনা করেছি।যখন ওহাবীরা মাজারগুলি ধ্বংশ করা শুরু করে দেয় ঠিক সে সময় মিশরের হাকিম ও ইসলামী সৈন্যগণ তাদের সঙ্গে জিহাদ করে পবিত্র মক্কা ও মদিনা শরীফ হতে ওহাবীদেরকে বিতাড়িত করে পূর্ণ দখল করে নেয়। ১২৩৩ হিজরিতে এই ঘটনা হয়।

আল্লামা শামী (রাদিয়াল্লাহু আনহু) এর জগবিখ্যাত ফতোয়ার কিতাব রাদ্দুল মুহতার কিতাবে প্রমাণ করে দিয়েছে ওহাবী দল প্রকৃতপক্ষে খারেজী দল, ইসলাম ধর্মের চার মাযহাব অমান্যকারী লা- মাযহাবী গোমরাহী দল।তারা তাদের গোমরাহী ওহাবী মতবাদকে বিশ্বে ছড়াবার জন্য অমানবিক হত্যা কাণ্ডের প্রতিযোগিতা চালায় কিন্তু আল্লাহপাক তাদের দর্পকে চূর্ণ করে দিলেন।ইসলামী সৈন্য দ্বারা তাদের উপর জয়ী করে পবিত্র মক্কা ও মদিনাশরীফকে মুক্ত করেন।অবশেষে ওহাবী মতাদর্শের লিখিত কিতাব ‘কিতাবুত তাওহীদ’ (যার লিখক মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহহাব নজদী) কয়েকখানা কিতাব হিন্দুস্থানের প্রসিদ্ধ নগরী দিল্লীতে পাঠানো হয়।এই ‘কিতাবুত তাওহীদ’ দেখে ও পড়ে মুহাম্মদ ইসমাইল দেহলভী সুন্নী মতবাদ ছেড়ে ওহাবী ধর্ম গ্রহণ করে ও ‘কিতাবুত তাওহীদের আরবির উর্দু তরজমায় অনুরূপভাবে একটা কিতাব লিখে যার নাম ‘তাকভীয়াতুল ঈমান’। মুহাম্মদ ইসমাইল দেহলভী দ্বারা প্রথমে হিন্দুস্থানের ওহাবী ধর্ম প্রচার হয়।যারা ‘কিতাবুত তাওহীদ’ ও ‘তাকভীয়াতুল ঈমান’কে উক্ত কিতাব দু’টির লেখক যথা- মুহাম্মদ ইবনে আব্দুল ওয়াহহাব নজদী ও মুহাম্মদ ইসমাইল দেহলভীকে নেতা ও ইমাম বলে মেনে চলে পাক-ভারত ও বাংলাদেশে তারাই ওহাবী বলে পরিচিত।

এখন ওহাবী গোমরাহী দলের নেতা মুহাম্মদ বিন আব্দুল ওয়াহাব নজদী ও মুহাম্মদ ইসমাইল দেহলভী লিখিত কিতাব ‘কিতাবুত তাওহীদ’ ও তাকভীয়াতুল ঈমান’ হতে কতগুলি ওহাবী কুফুরি গোমরাহী মতবাদ দেওয়া হলো-

মৌলভী ইসমাইল দেহলভী "তাকভীয়াতুল ঈমান" ৩১ পৃষ্ঠায় বলেন- ‘যার নাম মুহাম্মদ অথবা আলী তার কোন কিছু করার ইখতিয়ার নেই রাসূল চাইলে কোন কিছুই হয় না।’ (নাউজুবিল্লাহ)

তাকভীয়াতুল ঈমানের ৪৭ পৃষ্ঠায় বলেন- ‘গ্রামের জমিদার ও প্রত্যেক সম্প্রদায়ের চৌধুরীর যেরূপ মর্যাদা রয়েছে ঠিক এ অর্থে প্রত্যেক পয়গাম্বর নিজ নিজ জাতীর নিকট মর্যাদাবান।’ (নাউজুবিল্লাহ)

দেখুন এতে প্রিয় নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)এর সমুন্নত মর্যাদাকে গ্রামের জমিদার ও চৌধুরীর সাথে তুলনা করা হয়েছে এর চেয়ে চরম ধৃষ্টতা বেআদবি আর কি হতে পারে??
সবাইকে বোজার তৌফিক দান করুন /আমিন

এই প্রথম আমরা দিচ্ছি গ্যারান্টি সহ সার্ভিস।আপনার মোবাইলে এই ১১টি সমস্যার কোনটি আছে? যেমন,১/আপনার মোবাইলের ব্যাটারিতে আগে...
04/08/2026

এই প্রথম আমরা দিচ্ছি গ্যারান্টি সহ সার্ভিস।
আপনার মোবাইলে এই ১১টি সমস্যার কোনটি আছে? যেমন,
১/আপনার মোবাইলের ব্যাটারিতে আগের মত চার্জ থাকছেনা?
২/কথা বলা বা ভিডিও দেখার সময় আগের মত সাউন্ড হচ্ছেনা?
৩/বাসায় আসলে নেটওয়ার্ক সমস্যা করছে?
৪/ঠিকমতো চার্জ হচ্ছেনা অথবা নাড়াচাড়া দিলে হচ্ছে?
৫/একটু ব্যবহার করলে সেট গরম হয়ে যাচ্ছে?
৬/আপডেট দেওয়ার পর ( #বিশেষ_করে_POCO_এবং_Mi_Note_series )ক্যামেরা/টাচ/সাউন্ড কাজ করছেনা কিংবা একেবারে বন্ধ হয়ে গেছে?
৭/ডিসপ্লে ভালো আছে কিন্তু উপরের গ্লাসটা ভেঙে গেছে?
৮/ওয়াইফাই ব্লুটুথ বা নেটওয়ার্ক আসছেনা?
৯/ক্যামেরা আসছেনা?
১০/ডিসপ্লে নষ্ট হয়ে গেছে?
১১/মোবাইল অন হচ্ছেনা?
যারা চিন্তা করছেন কাজ করানোর কিছুদিন পর আবার একই সমস্যা হলে কি করবেন👇
👉উপরোক্ত যেকোনো সমস্যার সমাধানের জন্যে চলে আসুন সিন্দুরখান বাজার সাজিদ কম্পিউটার এ ।আমাদের রয়েছে গ্যারান্টি সহ সার্ভিস।
#টাচ_ডিসপ্লে_ব্যাতিত যেকোনো কাজে সর্বোচ্চ ১মাস গ্যারান্টি।তাই আর কোনো চিন্তা নেই।
❤️মোবাইলের খোলা ব্যটারিতে 7মাস থেকে ১বছর গ্যরান্টি দেওয়া হয়❤️ email - [email protected] mobile 01912-407375 and 01716-687988 website- http://sajidcomputerbd.blogspot.com

প্রতিটি নষ্ট মোবাইল ফোন এর পেছনে থাকে একটি নতুন সমাধানের গল্প। নষ্ট ফোনে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের কাজ। প্রতিটি ...
30/07/2026

প্রতিটি নষ্ট মোবাইল ফোন এর পেছনে থাকে একটি নতুন সমাধানের গল্প। নষ্ট ফোনে নতুন প্রাণ ফিরিয়ে দেওয়াই আমাদের কাজ। প্রতিটি সার্কিট, প্রতিটি আইসি, প্রতিটি সমস্যার পেছনে থাকে ধৈর্য আর অভিজ্ঞতার গল্প। সাজিদ কম্পিউটার সিন্দুরখাঁন বাজার 01912-407375

কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী সেরা ব্র্যান্ডের orginal Crown LCD indian মোবাইল ডিসপ্লে কোয়ালিটিতে নো কম্প্রোমাইজনিতে হলে সরা...
12/07/2026

কাস্টমারের চাহিদা অনুযায়ী সেরা ব্র্যান্ডের orginal Crown LCD indian মোবাইল ডিসপ্লে কোয়ালিটিতে নো কম্প্রোমাইজ
নিতে হলে সরাসরি চলে আসুন আমাদের দোকানে সাজিদ কম্পিউটার সিন্দুরখাঁন বাজার শ্রীমঙ্গল 01912-407375

এজিদ বাহিনীর  ২২০০০ সৈন্যের  ৭০০০ ছিল হাফেজ আর ৩০০০ ছিল মুফতি । ইমাম হোসাইন (রাঃ) একা দাড়িয়ে ছিলেন!কারবালার মাঠে একে-একে...
27/06/2026

এজিদ বাহিনীর ২২০০০ সৈন্যের ৭০০০ ছিল হাফেজ আর ৩০০০ ছিল মুফতি ।

ইমাম হোসাইন (রাঃ) একা দাড়িয়ে ছিলেন!

কারবালার মাঠে একে-একে যখন সবাই শাহাদাত
বরণ করছেন এবং ইমাম হোসাইন (রাঃ)

-যখন কেবল একা দাড়িয়ে ছিলেন

তখন তার শেষ কয়টি বানির কিছু অংশের অনুবাদ :

“কেন আমাকে হত্যা করতে চাও..??

আমি কি কোন পাপ অথবা অপরাধ করেছি..??

এজিদের সৈন্য বাহিনী বোবার মত দাড়িয়ে রইল।

পুনরায় ইমাম হোসাইন (রাঃ) বললেন,

“আমাকে হত্যা করলে আল্লাহর-কাছে কি জবাব দেবে..??

কি জবাব দেবে বিচার দিবসে প্রিয় (সাঃ) নবীর কাছে..??

এজিদের সৈন্য বাহিনী পাথরের মত দাঁড়িয়ে আছে!

আবার ইমাম হোসাইন (রাঃ) বললেন,

‘হাল্ মিন্ নাস্রিন ইয়ানসুরুনা,.??

আমাদের সাহায্য করার মত কি তোমাদের মাঝে একজনও নাই..??

তারপরের আহ্বানটি সাংঘাতিক মারাত্বক!!

ঐতিহাসিকদের মতে এটাই ইমাম হোসাইন (রাঃ) শেষ আহ্ববান!

"‘আমার কথা কি শুনতে পাও না..??
তোমাদের মাঝে কি মাত্র একজন মুসলমানও নাই..??

মুসলমানের এই অপদার্থের দল ইমাম পাকের
বাণী মোবারকের কোন জবাব দিতে পারলো না!

সমস্ত কারবালা নিরব-নিস্তব্ধ হয়ে গেলো!

ইমাম হোসাইন (রাঃ)-এর শেষ ভাষনটি মাত্র
একটি ছোট্র বাক্য"

তবে এর ব্যাখ্যা যদি কাঁচ ভাঙ্গার মত টুকরো-টুকরো করে দেখাতে চাই তাহলে সেই বাক্যটি হবে খুবই বেদনা দায়ক!?

‘ইমাম হোসাইন আসল এবং নকলের ভাগটা পরিস্কার করে দেখিয়ে গেলেন’
সে রকমই অর্থ বহন করছে ইমাম হোসাইন (রাঃ) শেষ ভাষনটিতে!

কারন, এজিদের সৈন্য বাহিনীতে একজন
হিন্দু,বৌদ্ধ,খ্রিস্টান অথবা অন্য কোন ধর্মের কেউ ছিল না!
সবাই ছিল মুসলমান!

অথচ কি সাংঘাতিক এবং ভয়ংকর ভাষন-

তোমাদের মাঝে কি একজন মুসলমান ও নাই..??

না, একটিও সত্যিকার আসল মুসলমান ছিল না বলেই ইমাম হোসাইন (রাঃ) এই আহ্বান জানিয়ে পৃথিবীকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন!

তিনি বুঝিয়ে দিয়ে গেলেন যে, যারা দাঁড়িয়ে আছে
তারা সবাই নকল মুসলমান।

26/06/2026

কারবালার ৭২ জন শহিদের নাম,

(১) হযরত হুসাইন ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(২) হযরত আব্বাস ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৩) হযরত আলী আকবার ইবনে হুসাইন (আলাইহিসসালাম)
(৪) হযরত আলী আসগার ইবনে হুসাইন (আলাইহিসসালাম)
(৫) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৬) হযরত জাফার ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৭) হযরত উসমান ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৮) হযরত আবুবাকার ইবনে আলী (আলাইহিসসালাম)
(৯) হযরত আবুবাকার ইবনে হাসান (আলাইহিসসালাম)
(১০) হযরত কাসিম ইবনে হাসান (আলাইহিসসালাম)

(১১) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে হাসান (আলাইহিসসালাম)
(১২) হযরত আওন ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)
(১৩) হযরত মুহাম্মাদ ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)
(১৪) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে মুসলিম (আলাইহিসসালাম)
(১৫) হযরত মুহাম্মাদ ইবনে মুসলিম (আলাইহিসসালাম)
(১৬) মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ ইবনে আকীল (আলাইহিসসালাম)
(১৭) হযরত আব্দুল রহমান ইবনে আকীল (আলাইহিসসালাম)
(১৮) হযরত জাফার ইবনে আকীল (আলাইহিসসালাম)
(১৯) হযরত উনস্ ইবনে হার্স আসাদী (আলাইহিসসালাম)
(২০) হযরত হাবীব ইবনে মাজাহির আসাদী (আলাইহিসসালাম)

(২১) হযরত মুসলিম ইবনে আওসাজা আসাদী (আলাইহিসসালাম)
(২২) হযরত কাইস ইবনে মাসহার আসাদী (আলাইহিসসালাম)
(২৩) হযরত আবু সামামা উমরু ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)
(২৪) হযরত বুরির হামদানী (আলাইহিসসালাম)
(২৫) হযরত হানালা ইবনে আসাদ (আলাইহিসসালাম)
(২৬) হযরত আবিস শাকরি (আলাইহিসসালাম)
(২৭) হযরত আব্দুল রহমান রাহবি (আলাইহিসসালাম)
(২৮) হযরত সাইফ ইবনে হার্স (আলাইহিসসালাম)
(২৯) হযরত আমির ইবনে আব্দুল্লাহ্ হামদানি (আলাইহিসসালাম)
(৩০) হযরত জুনাদা ইবনে হার্স (আলাইহিসসালাম)

(৩১) মহযরত মাজমা ইবনে আব্দুল্লাহ্ (আলাইহিসসালাম)
(৩২) হযরত নাফে ইবনে হালাল (আলাইহিসসালাম)
(৩৩) হযরত হাজ্জাজ ইবনে মাসরুক (আলাইহিসসালাম)
(৩৪) হযরত উমার ইবনে কারজা (আলাইহিসসালাম)
(৩৫) হযরত আব্দুল রহমান ইবনে আবদে রব (আলাইহিসসালাম)
(৩৬) হযরত জুনাদা ইবনে কাব (আলাইহিসসালাম)
(৩৭) হযরত আমির ইবনে জানাদা (আলাইহিসসালাম)
(৩৮) হযরত নাঈম ইবনে আজলান (আলাইহিসসালাম)
(৩৯) হযরত সাদ ইবনে হার্স (আলাইহিসসালাম)
(৪০) হযরত জুহায়ের ইবনে কাইন (আলাইহিসসালাম)

(৪১) হযরত সালমান ইবনে মাযারিব (আলাইহিসসালাম)
(৪২) হযরত সাঈদ ইবনে উমার (আলাইহিসসালাম)
(৪৩) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে বাশীর (আলাইহিসসালাম)
(৪৪) হযরত ইয়াযীদ ইবনে জাঈদ কানদী (আলাইহিসসালাম)
(৪৫) হযরত হারব্ ইবনে ওমরুল কাইস (আলাইহিসসালাম)
(৪৬) হযরত জাহীর ইবনে আমির (আলাইহিসসালাম)
(৪৭) হযরত বাসীর ইবনে আমির (আলাইহিসসালাম)
(৪৮) হযরত আব্দুল্লাহ্ আরওয়াহ্ গাফ্ফারি (আলাইহিসসালাম)
(৪৯) হযরত জওন (আলাইহিসসালাম)
(৫০) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে আমির (আলাইহিসসালাম)

(৫১) হযরত আব্দুল আলা ইবনে ইয়াযীদ (আলাইহিসসালাম)
(৫২) হযরত সেলিম ইবনে আমির আজদী (আলাইহিসসালাম)
(৫৩) হযরত কাসিম ইবনে হাবীব (আলাইহিসসালাম)
(৫৪) হযরত জায়েদ ইবনে সেলিম (আলাইহিসসালাম)
(৫৫) হযরত নোমান ইবনে উমার আবদী (আলাইহিসসালাম)
(৫৬) হযরত ইয়াযীদ ইবনে সাবিত (আলাইহিসসালাম)
(৫৭) হযরত আমির ইবনে মুসলিম (আলাইহিসসালাম)
(৫৮) হযরত সাইফ ইবনে মালিক (আলাইহিসসালাম)
(৫৯) হযরত জাবির ইবনে হাজ্জাজি (আলাইহিসসালাম)
(৬০) হযরত মাসঊদ ইবনে হাজ্জাজি (আলাইহিসসালাম)

(৬১) হযরত আব্দুল রহমান ইবনে মাসঊদ (আলাইহিসসালাম)
(৬২) হযরত বাকের ইবনে হাই (আলাইহিসসালাম)
(৬৩) হযরত আম্মার ইবনে হাসান তায়ী (আলাইহিসসালাম)
(৬৪) হযরত যুরঘামা ইবনে মালিক (আলাইহিসসালাম
(৬৫) হযরত কানানা ইবনে আতিক (আলাইহিসসালাম
(৬৬) হযরত আকাবা ইবনে সুল্ছ (আলাইহিসসালাম
(৬৭) হযরত হুর ইবনে ইয়াযীদ তামামি (আলাইহিসসালাম)
(৬৮) আকাবা ইবনে সুল্স (আলাইহিসসালাম
(৬৯) হযরত হাবালা ইবনে আলী শিবানী (আলাইহিসসালাম)
(৭০) হযরত কানাব ইবনে উমার (আলাইহিসসালাম
(৭১) হযরত আব্দুল্লাহ্ ইবনে ইয়াকতার (আলাইহিসসালাম)
(৭২) হযরত গোলামে তুরকি (আলাইহিসসালাম

22/06/2026

একদিন হযরত কেবলা পুকুর পাড়ে বসে ওজু করছিলেন। হঠাৎ তিনি উচ্চস্বরে বলে উঠলেন, 'হারামজাদা তুই এখান থেকে দূর হস না কেন?' এই কথা বলেই তিনি তার হাতের বদনাটি সজোরে পুকুরের মধ্যে নিক্ষেপ করলেন। তখনও তার ওজু সম্পূর্ণ হয়নি। সঙ্গে সঙ্গে খাদেমগণ আরেকটি বদনা এনে দিলে তিনি ওজু সম্পূর্ণ করে দায়রা শরীফে চলে যান। হযরত বদনা পুকুরে নিক্ষেপ করেছেন দেখে খাদেমগণ অবাক হয়ে পড়েন। তারা পুকুরে নেমে বহু চেষ্টা করেও বদনাটির কোনো সন্ধান পাননি। অবশেষে সবাই হতাশ হয়ে ফিরে আসেন। মনে মনে ভাবতে লাগলেন হযরত কাকে এমন কথা বললেন আর বদনাটি পুকুরে নিক্ষেপ করলেন কেন? তখন সবাই উপলব্ধি করলেন অলি-আল্লাহদের কার্যকলাপ সাধারণ বোধে ধরা পড়ে না।
এর দুইদিন পর রাঙ্গুনিয়া নিবাসী হযরতের এক ভক্ত আচমত আলী দরবার শরীফে হাজির হলেন। তার হাতে ছিল কিছু নাস্তা এবং সেই হারানো বদনা। তিনি হযরতের খেদমতে বদনা ও নাস্তাগুলো পেশ করে কদমবুচি করলেন এবং দীর্ঘ সময় ধরে কান্নায় ভেঙে পড়লেন। পরে তিনি বাইরে এলে উপস্থিত লোকজন তার কাছে জানতে চাইলেন বদনাটি তিনি কোথায় পেলেন? আচমত আলী বললেন, 'ভাই এ এক অপূর্ব ও অলৌকিক ঘটনা। এই বদনার মাধ্যমেই হযরত আমার প্রাণ রক্ষা করেছেন। আমি একজন গরিব মানুষ। ভাবছিলাম পাহাড় থেকে কিছু লাকড়ি সংগ্রহ করে বিক্রি করব। সেই টাকায় সামান্য নাস্তা বানিয়ে হযরতের খেদমতে হাজির হব। আমি মাইজভাণ্ডার দরবার শরীফ থেকে প্রায় ৪২ মাইল দূরে রাঙ্গুনিয়ার কোদালা পাহাড়ে গিয়েছিলাম। সেখানে কাঠ সংগ্রহ করে একটি গাছের নিচে আঁটি বাঁধছিলাম। হঠাৎ কোথা থেকে এক বিরাট বাঘ এসে আমার সামনে হাজির হলো। বাঘের আকস্মিক আক্রমণে আমি সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়লাম। জীবন বাঁচানোর শেষ আশায় আমি চিৎকার করে উঠলাম, ইয়া গাউস-উল-আজম।'
এই কথা শেষ হতে না হতেই আকাশের শূন্যতা ভেদ করে একটি লোটা এসে সরাসরি বাঘের মুখের উপর আঘাত করলো। বাঘটি ভয়ে গর্জন করতে করতে পালিয়ে গেল। আল্লাহর অশেষ রহমতে আমি বাঘের কবল থেকে রক্ষা পেলাম। পরে বদনাটি হাতে তুলে দেখে আমি বুঝলাম এটি তো হযরত কেবলার বদনা। আমি বুঝে গেলাম হযরত তার বেলায়েতী ক্ষমতায় এই নরখাদক জন্তুর হাত থেকে আমাকে রক্ষা করেছেন। এরপর বদনা ও লাকড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরে গেলাম। লাকড়ি বিক্রি করে সামান্য নাস্তা তৈরি করলাম। সেই দিনে বদনা ও নাস্তা নিয়ে হযরতের খেদমতে হাজির হয়েছি। যদি হযরত কেবলার অসীম কেরামত এবং করুণা না থাকতো, তবে আমার আর কখনো বেঁচে ফেরা হতো না। মহান আল্লাহর অলিদের কেরামতি যুগ যুগ বছর ধরে প্রমাণিত। আমাদের প্রিয় নবীর পূর্ব থেকেই আল্লাহর অলিদের অস্তিত্ব কোরআন দ্বারা প্রমাণিত। আল্লাহর অলিদের জীবন মানুষের উপকারে উৎসর্গ ছিল। মহান আল্লাহর দেওয়া ক্ষমতা বলে তারা..."

এটি ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম মহান ওলী আল্লাহ, ইমাম মালিক ইব্রাহিম (রহ.)-এর মাযার মুবারক।তিনি ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইস...
18/06/2026

এটি ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম মহান ওলী আল্লাহ, ইমাম মালিক ইব্রাহিম (রহ.)-এর মাযার মুবারক।

তিনি ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ইসলামের দাওয়াত পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছিলেন। বর্ণনা করা হয় যে, তিনি একসময় এমন একটি সম্প্রদায়ের কাছে পৌঁছান যারা বৃষ্টির জন্য মূর্তিপূজার অংশ হিসেবে নারীদের কুরবানি দিত। তখন তিনি তাদের বললেন:
“যদি আমি আমার রবের কাছে বৃষ্টির জন্য দোয়া করি এবং বৃষ্টি নেমে আসে, তাহলে কি তোমরা ঈমান আনবে?”
তারা এতে সম্মত হলো। এরপর তিনি আল্লাহ তাআলার দরবারে দোয়া করলেন। আল্লাহ তাআলা বৃষ্টি বর্ষণ করলেন। এই ঘটনা দেখে তারা অত্যন্ত প্রভাবিত হলো এবং পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করল।

ইমাম মালিক ইব্রাহিম (রহ.)-কে ইন্দোনেশিয়ার ইসলামী ইতিহাসে প্রথম যুগের মহান দাঈ ও ওলীদের একজন হিসেবে স্মরণ করা হয়। তিনি স্থানীয় জনগণের মধ্যে দাওয়াত, নৈতিকতা, মানবসেবা এবং উত্তম চরিত্রের মাধ্যমে ইসলামের শিক্ষা প্রচার করেন। তাঁর মাযার আজও ইন্দোনেশিয়ার বহু মানুষের জন্য একটি ঐতিহাসিক ও আধ্যাত্মিক স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে পরিচিত।

সূত্র: ইন্টারনেট

04/05/2026

❤️❤️ কয়েকজন বিখ্যাত সূফী সাধক অলি আউলিয়া দের নাম মোবারক ❤️❤️❤️

* হযরত সৈয়দ ইমাম জাফর সাদেক রহঃ ইরাক
* হযরত সুলতানুল বাইজিদ বুস্তামীর রহঃ ইরাক চট্টগ্রামে আস্তানা রয়েছে
* হযরত জুনাইদ বুগদাদী রহঃ ইরাক বাগদাদ
* হযরত সুলতানুল মনসুর হাজ্জাল রহঃ দার্শনিক
* হযরত আয়নাল হক আউলিয়া রহঃ
* হযরত ইব্রাহিম ইবনে আদহাম রহঃ বলকের বাদশা
* হযরত মাওলানা শিবলী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আবু সাইদ মাখযুমী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আবু সালেহ জঙ্গি মুসা রহঃ ইরান
* হযরত শেখ তৌফিক শাহ্ রহঃ আফগানিস্তান
* হযরত শাহ্ সুলতান সৈয়দ বলগী মাহি সারওয়ার রহঃ
বগুড়া মহাস্থানগড় মাজার শরীফ
* হযরত শহীদ শাহু মিয়া গাজী আউলিয়া রহঃ বগুড়া মহাস্থানগড়
* হযরত শহীদ কাবিল শাহ্ রহঃ বগুড়া মহাস্থানগড়
* হযরত শহীদ ফারুক শাহ রহঃ বগুড়া মহাস্থানগড়
* হযরত সৈয়দ মীর মহিউদ্দিন সুরুখ সুরতনী শাহ্ রহঃ মদনপুর নেত্রকোনা ১২০ আউলিয়ার প্রধান
* হযরত শাহ্ সুলতান সৈয়দ কমর উদ্দিন রুমী রহঃ মদনপুর নেত্রকোনা ১২০ আউলিয়ার সর্দার
* হযরত বড় পীর সৈয়দ আব্দুল কাদির জিলানী রহঃ বাগদাদ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আবু নাসির ইউসুফ শাহ্ রহঃ ইরান
* হযরত খাজা সৈয়দ মওদুদ চিশতী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা সৈয়দ শরীফ উদ্দিন জিন্দানী শাহ্ রহঃ তাড়াশ সিরাজগঞ্জ ইরান থেকে এসেছে
* হযরত খাজা আবু আহমেদ শাহ চিশতী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা আহাম্মদ জানদানি চিশতী রহঃ ইরানের
* হযরত শেখ আবু নাসির শাকিবান চিশতী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা আতা উল্লাহ খান ওয়াতো খেশগী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা শাহ্ সানজান চিশতী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা সব্জ পৌষ শাহ্ চিশতী রহঃ ইরানের
* হযরত খাজা শেখ হাসান তিবতি চিশতী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা শেখ আহমদ বদরুন চিশতী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা শেখ শাহ উসমান আউয়াল রহঃ ইরান
* হযরত খাজা আবু হাসান চিশতী রহঃ ইরান
* হযরত খাজা সৈয়দ ওসমান হারুনী চিশতী রহঃ ইরাক
* হযরত খাজা সৈয়দ গিয়াস উদ্দিন শাহ্ রহঃ ইরাক
* হযরত খাজা সৈয়দ মঈনুদ্দিন চিশতি সঞ্জরী রহঃ আজমীর শরীফ ভারত
* হযরত সৈয়দ আব্দুল রাজ্জাক জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আজাল্লা শাহ্ জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত আবুল খায়ের শাহ্ রহঃ মদনপুর নেত্রকোনা
* হযরত পাগল শমসের তিবরিজ রহঃ ইরাক
* হযরত খাজা কুতুবউদ্দিন বখতিয়ার কাকী রহঃ দিল্লি
* হযরত খাজা শেখ শাহ্ ফরিদ উদ্দিন মক্কী রহঃ ফরিদপুর আস্তানা রয়েছে পাকিস্তান মাজার শরীফ
* হযরত শাহ্ নিয়ামতুল্লাহ বু সাকেন রহঃ ঢাকা
* হযরত শহীদ আদম কাশ্মীরী রহঃ বিক্রমপুর
* হযরত খাজা আলাউদ্দিন আল সাবেরী রহঃ ভারত
* হযরত খাজা নিজামুদ্দিন আউলিয়া রহঃ দিল্লি ভারত
* হযরত শাহ্ শরফুদ্দিন আবু তাওয়ামা রহঃ সোনারগাঁও নারায়ণগঞ্জ
* হযরত শাহ্ শরফুদ্দিন এহিয়া মানেরী রহঃ সোনারগাঁও নারায়ণগঞ্জ
* হযরত সৈয়দ তুরকান শাহ জিলানী রহঃ রাজশাহী
* হযরত সৈয়দ শাহ মখদুম রুপোশ রহঃ রাজশাহী
* হযরত মাওলানা জালাল উদ্দীন রুমী রহঃ ইরাক
* হযরত শাহ্ মখদুম দৌলা শহিদ ইয়ামেনী রহঃ শাহজাদপুর সিরাজগঞ্জ
* হযরত শাহ্ হাবিবুল্লাহ ইয়ামেনী রহঃ সিরাজগঞ্জ
* হযরত খাজা শহীদ আমির খসরু আউলিয়া রহঃ দিল্লি ভারত
* হযরত সৈয়দ আহমদ তন্নুবী শাহ্ রহঃ লক্ষ্মিপুর
* হযরত সৈয়দ আবু সালেহ জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আবুল কাসিম আব্দুল রহিম জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ জামাল উল্লাহ জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আবু মহসিন ফজলুল্লাহ জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আবু মুহাম্মদ ইসমাইল জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আব্দুল জব্বার জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আব্দুল আযিয সাইদুদ্দিন জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ মনির আহমদ জিলানী রহঃ ইরাক
* হযরত মাওলানা সৈয়দ নিমাত উল্লাহ হামদানী রহঃ
* হযরত সৈয়দ জালালুদ্দিন সুরুখ বোখারী রহঃ
* হযরত খাজা শেখ ফখর উদ্দিন শাহ্ রহঃ ইরান
* হযরত শেখ শাহ্ শরফুদ্দিন বু আলী কালান্দার রহঃ পানি পথী শহর ভারত
* হযরত সৈয়দ আহমদ কবির সোহরাওয়ার্দী রহঃ
* হযরত সৈয়দ শাহ জালাল ইয়ামেনী রহঃ সিলেট
* হযরত শেখ শাহ পরান আউলিয়া রহঃ সিলেট
* হযরত শাহ্ সুলতান সৈয়দ লোহা আলী বাগদাদী রহঃ লোহাকুর মাজার শরীফ কাশিমপুর গাজীপুর
* হযরত শাহ্ সুলতান বদর কাশ্মীরী রহঃ সাভার ঢাকা
* হযরত শাহ্ সুলতান ইব্রাহিম ইয়ামেনী রহঃ সিংগাইর মানিকগঞ্জ
* হযরত শাহ্ রোস্তম আলী বাগদাদী রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত শাহ্ কামাল ইয়ামেনী রহঃ জামালপুর
* হযরত জামাল উদ্দিন শাহ্ ইয়ামেনী রহঃ জামালপুর
* হযরত সৈয়দ শাহ বাজ আনসারী রহঃ দার্শনিক
* হযরত সৈয়দ নাসির উদ্দীন সিপাহসালা রহঃ হবিগঞ্জ
* হযরত শাহ্ রাস্তি বাগদাদী রহঃ দিনাজপুর
* হযরত মাওলানা আতা উল্লাহ শাহ্ রহঃ দিনাজপুর
* হযরত শাহ্ রোস্তম আলী ফকির রহঃ দিনাজপুর
* হযরত খাজা কালু শাহ্ চিশতী রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত শাহ্ বদর আউলিয়া রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত সৈয়দ শহীদ কেল্লা শাহ্ রহঃ কুমিল্লা
* হযরত শাহ্ তাজউদ্দীন আল কোরাইশী রহঃ
* হযরত সৈয়দ শাহ চাষনী পীর রহঃ সিলেট
* হযরত শাহ্ আরিফ ইয়ামেনী রহঃ দার্শনিক
* হযরত সৈয়দ জকিম উদ্দিন শাহ্ রহঃ
* হযরত শাহ্ মালেক ইয়ামেনী রহঃ ঢাকা
* হযরত সৈয়দ জালালুদ্দিন বোখারী রহঃ ঢাকা
* হযরত খাজা নাসির উদ্দীন চিরাগ ই শাহ্ রহঃ ভারত
* হযরত খাজা সোহরাব হোসেন খান চিশতী রহঃ ভারত
* হযরত খাজা আলাউল হক চিশতী রহঃ যিনি সর্বপ্রথম খাজা ওরশ করেন বাংলাদেশে
* হযরত খাজা বাহাউদ্দীন নকশাবন্দী রহঃ
* হযরত মুহাদ্দিস আলফে সানি আল নকশাবন্দী রহঃ ভারত
* হযরত খাজা হাদিদুদ্দিন চিশতী নাগোরী রহঃ ভারত
* হযরত শাহ্ চেতনা ইয়ামেনী রহঃ চাটমোহর পাবনা
* হযরত শাহ্ মোখলেছুর রহমান খোরাসানী রহঃ পাবনা
* হযরত সৈয়দ আব্বাস উদ্দিন শাহ্ রহঃ নোয়াখালী
* হযরত সৈয়দ জকিম উদ্দিন শাহ্ রহঃ নোয়াখালী
* হযরত কুদ্দুস উদ্দিন শাহ্ রহঃ নোয়াখালী
* হযরত খাজা নাসির উদ্দীন চিশতী রহঃ ইরাক
* হযরত সৈয়দ তাজউদ্দীন হোসাইন কুদ্দুসিয়া রুহুল আজিজ রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর দরবারের পূর্ব পুরুষ কামিনী মাজার শরীফ গাজীপুর
* হযরত খাজা খান জাহান আলী শাহ্ রহঃ বাগেরহাট
* হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী রহঃ মিরপুর-১ ঢাকা
* হযরত সৈয়দ আজিমউদ্দিন রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত সৈয়দ গোলাম মওলা রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত খাজা শাহ শরফুদ্দিন চিশতী রহঃ হাইকোর্ট ঢাকা
* হযরত হাসান শাহ্ দরবেশ রহঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া
* হযরত খাজা আমানত উল্লাহ খান শাহ্ চিশতী রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত ফকির সিরাজ শাহ্ দরবেশ রহঃ ঝিনাইদহ
* হযরত হাকিম শাহ্ ফকির রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত ফকির লালন শাহ্ দরবেশ রহঃ কুষ্টিয়া
* হযরত মাওলানা মলম শাহ্ দরবেশ রহঃ কুষ্টিয়া
* হযরত সৈয়দ মাহবুব আলী শাহ্ রহঃ বাগদাদ ইরাক
* হযরত সৈয়দ আতাউর রহমান বাগদাদী রহঃ ধামরাই ঢাকা
* হযরত ফকির সালাল শাহ্ দরবেশ রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত শাহ্ নুর মোহাম্মদ নিজামপুরী রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত মাওলানা দুদ্দু শাহ্ দরবেশ রহঃ ঝিনাইদহ
* শাহ্সূফী ভাবুক কবি আলীমুদ্দিন শাহ রহঃ
* শাহ্সূফী শাহ্ নয়ন ফকির রহঃ হবিগঞ্জ
* শাহ্সূফী পাগল কানাই শাহ্ রহঃ ঝিনাইদহ
* হযরত খাজা গোসাই রুপচাঁন শাহ আল চিশতী নিজামী রহঃ ঝিনাইদহ
* হযরত খাজা কাউসার আহাম্মদ জিন্দা শাহ্ আল চিশতী নিজামী রহঃ জিটকা শরীফ মানিকগঞ্জ
* হযরত খাজা দেওয়ান শাহ্ আব্দুর রশিদ আল চিশতী নিজামী রহঃ জিটকা শরীফ মানিকগঞ্জ
* হযরত খাজা পাঞ্জুশাহ্ দরবেশ রহঃ ঝিনাইদহ
* হযরত মাওলানা সৈয়দ আহমদ উল্লাহ শাহ্ আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত সৈয়দ ফতে আলী ওয়ার্সী রহঃ কলকাতা ভারত
* হযরত সৈয়দ আব্দুল মোআলী শাহ রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত সৈয়দ আব্দুল কাদির রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত মাওলানা সৈয়দ গোলাম রহমান শাহ্ আল মাইজভান্ডারি প্রকাশে বাবা ভান্ডারী রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত সৈয়দ আহমদ উল্লাহ জান শাহ্ আল সুরেশ্বরী রহঃ সুরেশ্বর দরবার শরীফ শরিয়তপুর পদ্মা সাথে
* হযরত মাওলানা খাজা হাদিদুদ্দিন চিশতী রহঃ কুষ্টিয়া
* হযরত মাওলানা খাজা খুদিদুদ্দিন চিশতী রহঃ কুষ্টিয়া
* হযরত মাওলানা খাজা মুনসুর শাহ্ দরবেশ আল চিশতী নিজামী রহঃ যার ৭২ লক্ষ মুরিদ ছিলেন কুষ্টিয়া উহুদী বাড়ি মাজার শরীফ
* হযরত সৈয়দ কালু শাহ্ ফকির রহঃ মানিকগঞ্জ আস্তানা রয়েছে পাকিস্তান মাজার শরীফ
* হযরত মাক্কু শাহ্ দরবেশ রহঃ জেল থানায় মাজার শরীফ
* হযরত সৈয়দ ফয়জল হক আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* শাহ্সূফী মুনসুর শাহ্ বয়াতি রহঃ নেত্রকোনা
* শাহ্সূফী পাগল আফাজ উদ্দিন শাহ্ রহঃ
* হযরত ডেঙ্গর চাঁন শাহ্ রহঃ জয়মন্টব মানিকগঞ্জ
* হযরত ইখলাস উদ্দিন শাহ্ রহঃ মানিকগঞ্জ নতিব বাড়ি
* হযরত মাওলানা শাহ্ আব্দুর রহমান লাল মিয়া রহঃ গড়পাড়া ইমাম বাড়ি মানিকগঞ্জ
* হযরত হাবিবুর রহমান শাহ্ রহঃ গড়পাড়া মানিকগঞ্জ
* হযরত সৈয়দ আব্দুল খালেক রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত সৈয়দ গোলাম ইবনে হোসাইন খালেক রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত দেওয়ান হাছন রাজা দরবেশ রহঃ সুনামগঞ্জ
* হযরত গোলাপ শাহ্ রহঃ গুলিস্তান ঢাকা
* হযরত রাহাত আলী শাহ্ রহঃ ব্রাহ্মণবাড়িয়া
* হযরত কানু শাহ রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত লুতা পাগলা রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত দরবেশ মানিক শাহ রহঃ যার নামে মানিকগঞ্জ জেলা হয়েছে
* হযরতুল আল্লামা সৈয়দ হাসান আলী রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরতুল আল্লামা সৈয়দ আব্দুল সালাম রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত সৈয়দ গোলাম মোস্তফা রেজবী গেদু শাহ আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরতুল আল্লামা সৈয়দ গোলাম মওলা রেজবী তুলা আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া রেজবী শাহ ঢলু আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত সৈয়দে গোলাম আব্দুর রশিদ সরকার আল চিশতী নিজামী ওরফে রশিদ সাইজী রহঃ আজিমপুর সিংগাইর মানিকগঞ্জ
* হযরত সৈয়দ আব্দুল হাই নুরী আল সুরেশ্বরী রহঃ শরিয়তপুর
* হযরত সৈয়দ জালাল নুরী আল সুরেশ্বরী রহঃ শরিয়তপুর
* হযরত মাওলানা সৈয়দ দিলওয়ার হোসাইন আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত সৈয়দ মীর হাসান আল মাইজভান্ডারি রহঃ
* হযরত সৈয়দ মাহবুব আলী শাহ্ আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত মাওলানা সৈয়দ আবুল বশর আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত মাওলানা সৈয়দ নজিবুর বশর শাহ আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত মাওলানা সৈয়দ শফিউল বশর আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* শাহ্সূফী শাহ্ রমেশ ফকির মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* শাহ্সূফী রাধা স্বামী সরকার রহঃ সুনামগঞ্জ
* শাহ্সূফী শিতল শাহ দরবেশ রহঃ কুষ্টিয়া
* শাহ্সূফী শেখ ভানু শাহ্ রহঃ হবিগঞ্জ
* শাহ্সূফী শাহ্ আব্দুর রশিদ উদ্দিন রহঃ নেত্রকোনা
* শাহ্সূফী হরিনাথ মজুমদার রহঃ কুষ্টিয়া
* শাহ্সূফী শাহ্ গগন হরকরা শাহ্ রহঃ কুষ্টিয়া
* শাহ্সূফী ফকির ভোলা শাহ্ দরবেশ রহঃ ঝিনাইদহ
* শাহ্সূফী শাহ্ বলন কাইজী রহঃ কুষ্টিয়া
* শাহ্সূফী শাহ্ উকিল মুন্সি রহঃ নেত্রকোনা
* শাহ্সূফী জালাল উদ্দীন খাঁ রহঃ নেত্রকোনা
* শাহ্সূফী কাজী নজরুল ইসলাম রহঃ ঢাকা মাজার শরীফ
* শাহ্সূফী শিতালং শাহ্ দরবেশ রহঃ সিলেট
* হযরত আল্লাহ বাজান লোকমান শাহ্ রহঃ জিটকা শরীফ মানিকগঞ্জ
* হযরত খলিলুর রহমান শাহ্ রহঃ গড়পাড়া মানিকগঞ্জ
* হযরত মাওলানা সৈয়দ আব্দুল হামিদ শাহ আল কাদেরী রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত মাওলানা শাহ আব্দুল হামিদ ফখরে রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরতুল আল্লামা গাজী শেরে বাংলা সৈয়দ আজিজুল হক আল কাদেরী রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরতুল আল্লামা খাজা আব্দুল মালেক শাহ্ আল কুতুবী রহঃ কুতুববাগ দরবার শরীফ ফরিদপুর
* হযরত মাওলানা সুলতান আহমদ শাহ্ চন্দ্রপুরী রহঃ ফরিদপুর
* হযরত খাজা গওহার শাহ্ আল চিশতী নিজামী রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত খাজা দেওয়ান শাহ্ আব্দুল আজিজ আল চিশতী নিজামী রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত খাজা ইয়ার আলম চিশতি রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত কাজী সাশাত ইমরান শাহ্ রহঃ ঘোড়া শাল
* হযরত সৈয়দ নেদু শাহ ফকির রহঃ সাটুরিয়া মানিকগঞ্জ
* হযরত মাওলানা সদর উদ্দিন আহমদ চিশতি রহঃ কেরানীগঞ্জ ঢাকা
* হযরত শাহ্ আব্দুর রশিদ মস্তান রহঃ পুরান ঢাকার
* হযরত আলেফ চাঁন দরবেশ রহঃ কেরানীগঞ্জ ঢাকা
* হযরত খাজা কাদের শাহ্ ফকির আল চিশতী নিজামী রহঃ
* হযরত মাওলানা সৈয়দ আব্দুল জব্বার শাহ রহঃ কাউখালি দরবার শরীফ দোহার ঢাকা
* হযরত শাহ্ আব্দুল করিম মস্তান রহঃ পুরান ঢাকার
* হযরত শাহ্ কদম আলী মস্তান রহঃ নবাবগঞ্জ ঢাকা
* হযরত মাওলানা আব্দুল জব্বার শাহ রহঃ ঢাকা
* হযরত মাওলানা সৈয়দ মসউদুল করিম শাহ্ আল মাইজভান্ডারি রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত মাওলানা সৈয়দ আমিনুল হক ওয়াসেন রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত খাজা আব্দুর রহিম চিশতি রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত ফজল শাহ্ পাগল রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত বুচাই পাগলা সাধু রহঃ ধামরাই ঢাকা
* হযরত ফছি পাগল রহঃ টঙ্গী গাজীপুর
* হযরত বাহের শাহ্ পাগল রহঃ সাটুরিয়া মানিকগঞ্জ
* শাহ্সূফী শাহ্ তৈয়ব আলী ফকির রহঃ নেত্রকোনা
* শাহ্সূফী খাজা ইসলাম উল্লাহ শাহ্ চিশতী রহঃ
* শাহ্সূফী খাজা জয়নাল আবেদিন শাহ চিশতী রহঃ
* হযরত দলিল উদ্দিন ক্বারী শাহ্ রহঃ মানিকগঞ্জ
* হযরত সমির মুন্সী রহঃ মানিকগঞ্জ
* শাহ্সূফী ভবা পাগলা রহঃ মানিকগঞ্জ ভারত মাজার শরীফ
* মানবতার জনক নায়েব আলী মেম্বার রহঃ কলতাসুতী সাভার ঢাকা
* শাহ্সূফী রসুল উদ্দিন পালোয়ান আল কাদেরী রহঃ কলতাসুতী সাভার ঢাকা
* হযরত আলহাজ্ব ওহাদ আলী শাহ্ রহঃ কলতাসুতী
* হযরত আনসার উদ্দিন আল কাদেরী রহঃ কলতাসুতী সাভার
* শাহ্সূফী রাজা মিয়া পীর রহঃ কাশিমপুর গাজীপুর
* শাহ্সূফী মেরাজ আলী শাহ্ রহঃ নেত্রকোনা
* শাহ্সূফী খাজা শাহ্ রজ্জব আলী দেওয়ান আল চিশতী নিজামী রহঃ ঢাকা
* শাহ্সূফী খাজা আব্দুল হালিম বয়াতি আল চিশতী নিজামী রহঃ ফরিদপুর
* শাহ্সূফী ফকির আহাম্মদ আলী শাহ্ রহঃ ফরিদপুর
* শাহ্সূফী কালা শাহ দরবেশ রহঃ সিলেট
* শাহ্সূফী শাহ্ আনোয়ার দেওয়ান রহঃ মোহাম্মদপুর
* শাহ্সূফী শাহ্ আব্দুল মালেক দেওয়ান রহঃ ঢাকা
* শাহ্সূফী শাহ্ আব্দুল খালেক দেওয়ান রহঃ ঢাকা
* শাহ্সূফী মাতাল কবি রাজ্জাক দেওয়ান রহঃ ঢাকা
* শাহ্সূফী শাহ্ আব্দুর রশিদ রহঃ সিলেট
* শাহ্সূফী গোলাম হাছেন শাহ্ ফকির রহঃ নেত্রকোনা
* শাহ্সূফী হাছেন শাহ্ রহঃ নেত্রকোনা
* হযরত মাওলানা সৈয়দ লুৎফর রহমান রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত সৈয়দ শামসুদ্দীন রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর
* হযরত চাট গামী হুজুর শামীম শাহ্ রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত দিওয়ান পীর রায্যক্ব আলী গিলানী শাহ রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত শাহ্ নুরুল হুদা আল কাদেরী রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত হাফিজ নোয়াব আলী শাহ্ রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত মঈনুদ্দিন শাহ্ আউলিয়া রহঃ চট্টগ্রাম
* হযরত খাজা ইউনুস চিশতী রহঃ সিরাজগঞ্জ
* হযরতুল আল্লামা সৈয়দ হাসিব আল হাসান রেজবী আল চিশতী নিজামী রহঃ বরিয়াবর গাজীপুর

Address

Sindur Khan Bazaar Sreemangal Moulovibazar Sylhet
Moulvi Bazar

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

01912407375

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sajid Computer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sajid Computer:

Shortcuts

Share