Sajid Computer

Sajid Computer mobile hardware and software engineering workshop sindur khan bazar sreemangal moulovibazar
(1)

চোখ-মুখের ভাষায় অপমান: একটি মারাত্মক গুনাহ!লুমাযাহ কী?লুমাযাহ হলো এমন একটি আচরণ যেখানে মুখে কিছু না বলেও কাউকে অপমান, উ...
05/04/2026

চোখ-মুখের ভাষায় অপমান: একটি মারাত্মক গুনাহ!

লুমাযাহ কী?
লুমাযাহ হলো এমন একটি আচরণ যেখানে মুখে কিছু না বলেও কাউকে অপমান, উপহাস বা তুচ্ছ করা হয়। ইশারা-ইঙ্গিতে, চোখ-ভ্রুর ভাষায়, মুখভঙ্গিতে বা শারীরিক অঙ্গভঙ্গিতে কারো সম্মান নষ্ট করাই লুমাযাহ।

যেমন: চোখ টিপে হাসা, ঠোঁট বাঁকানো, নাক-মুখ বিকৃত করা, হাতের ইশারায় ব্যঙ্গ করা, কারো কথা বা চলাফেরা নকল করা।

কুরআনের সতর্কবার্তা
وَيْلٌ لِكُلِّ هُمَزَةٍ لُمَزَةٍ

"ধ্বংস তার জন্য, যে নিন্দাকারী ও উপহাসকারী।"
— সূরা আল-হুমাযাহ: ১

হুমাযাহ = মুখে নিন্দা করা
লুমাযাহ = ইশারায় অপমান করা
দুটোই মারাত্মক গুনাহ এবং জাহান্নামের কারণ।
আমরা কীভাবে এই গুনাহ করি?
• কারো পোশাক বা চেহারা দেখে ব্যঙ্গ করে হাসি
• কেউ চলে গেলে পেছনে নাক-মুখ বাঁকাই
• কারো কথা বা হাঁটার ভঙ্গি নকল করে অন্যদের হাসাই
• চোখ দিয়ে তাচ্ছিল্য প্রকাশ করি
• হাত বা আঙুল দিয়ে কাউকে দেখিয়ে ইশারা করি

এগুলো আমাদের কাছে ছোট মনে হলেও আল্লাহর কাছে **বড় গুনাহ**।

রাসূলুল্লাহ (সা:) বলেছেন:
"মু'মিন কখনো অপমানকারী, অভিশাপকারী বা অশ্লীলভাষী নয়।" — তিরমিযী
"একজন মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। সে তাকে জুলুম বা অপমান করে না।" — সহিহ মুসলিম

বিদায় হজে রাসূল ﷺ বলেন:
"তোমাদের জান, মাল ও ইজ্জত-সম্মান একে অপরের জন্য হারাম।" — সহিহ বুখারি

লুমাযাহর ক্ষতি
• আল্লাহর অসন্তুষ্টি ও জাহান্নামের শাস্তি
• নেক আমল নষ্ট হয়
• হৃদয় কঠিন হয়ে যায়
• সমাজে শত্রুতা ও বিভেদ সৃষ্টি হয়
• কিয়ামতের দিন কঠিন জবাবদিহিতা

আমাদের করণীয়
*তাওবা করুন — অতীতের ভুলের জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা চান
*সম্মান করুন — প্রতিটি মানুষকে সম্মান করুন, দুর্বলতা নয়, ভালো দিক দেখুন
*নিয়ন্ত্রণ করুন — মুখ, চোখ, হাত ও মুখভঙ্গি সবকিছু নিয়ন্ত্রণে রাখুন
*শেখান — সন্তানদের ছোটবেলা থেকে শেখান যে কাউকে ইশারায় ঠাট্টা করা গুনাহ

লুমাযাহ একটি নীরব গুনাহ যা কথা ছাড়াই মানুষের অন্তরে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করে। আল্লাহ আমাদের সবাইকে এই ঘৃণ্য স্বভাব থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। প্রতিটি মানুষের সম্মান রক্ষা করা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব।

আল্লাহুম্মা আমিন।
এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি সবাইকে জানাতে পোস্টটি শেয়ার করুন। আমরা নিজেরা শিখি এবং অন্যদেরও শেখাই।

24/03/2026

তাহাজ্জুদতে এভাবে দোয়া করুন,,ইয়া আল্লাহ…সবাই ঘুমিয়ে গেছে।ঘর নিঃশব্দ… পৃথিবী শান্ত…কিন্তু আমার বুকের ভেতর ঝড় আমি আপনার সামনে দাঁড়িয়েছি—ভাঙা হৃদয় নিয়ে,লজ্জিত আত্মা নিয়ে,গুনাহে ভরা জীবন নিয়ে।আল্লাহ…আমি জানি আমি আপনার অবাধ্য বান্দা।আপনি যত নিয়ামত দিয়েছেন,আমি তত শুকরিয়া করিনি।আপনি ডাক দিয়েছেন,আমি দেরি করেছি।আপনি সুযোগ দিয়েছেন,আমি ফিরে যাইনি।
তবুও আজ এসেছি…কারণ আপনার দরজা ছাড়া আমার যাওয়ার আর কোনো দরজা নেই।

ইয়া রব…আমার এমন কোনো আমল নেই যেটা দেখিয়ে জান্নাত চাইবো।আমি শুধু আপনার রহমত চাই।আপনি যদি মাফ না করেন—
আমি কোথায় যাব?আপনি যদি ঢেকে না রাখেন—আমাকে কে লুকাবে?

হে আল্লাহ…
আমার প্রকাশ্য গুনাহ মাফ করুন,গোপন গুনাহ মাফ করুন,
জেনে করা, না জেনে করা—সব মাফ করুন যে গুনাহের কথা আমি ভুলে গেছি,সেগুলোও আপনি ভুলে যান, ইয়া রব।
আমার অন্তর পরিষ্কার করে দিন।
রিয়া, হিংসা, অহংকার—সব বের করে দিন।
আল্লাহ…
আমার তাকদীর বদলে দিন,,খারাপ লেখা থাকলে মুছে দিন।সুন্দর ভবিষ্যৎ লিখে দিন।
আমার দুঃখকে সহজ করুন,
আমার কষ্টকে সওয়াব বানিয়ে দিন।

ইয়া রব…
আমার মা-বাবাকে মাফ করুন।তাদের কবর থাকলে আলোয় ভরে দিন,,বেঁচে থাকলে সুস্থতা দিন।আমার পরিবারে মহব্বত দিন,
রিজিকে হালাল বরকত দিন,
যে দরজা বন্ধ—খুলে দিন।

হে আল্লাহ…
আমাকে এমন হেদায়েত দিন,,যেন আমি হারিয়ে না যাই।আমাকে এমন তাওবা দিন যার পরে আর গুনাহে না ফিরি।আমাকে এমন কান্না দিন যা জাহান্নাম থেকে মুক্তি এনে দেয়।

আল্লাহ…
মৃত্যুর সময় কালিমা নসিব করুন।কবরকে জান্নাতের বাগান বানান।হাশরের ভয়াবহ দিন সহজ করে দিন।আমার হিসাব সহজ করুন,
আর জান্নাতুল ফিরদাউসকে আমার ঠিকানা বানান।
ইয়া রহমান…
আমি ক্লান্ত দুনিয়ার ভিড়ে।আপনার কাছে শান্তি চাই।আমি ভেঙে গেছি—
আপনি আমাকে জোড়া লাগিয়ে দিন।আমাকে আপনার প্রিয় বান্দাদের দলে নিন।আমার উপর রাজি হয়ে যান।আপনি তো জানেন আল্লাহ…এই কান্না লোক দেখানোর না।এই রাত, এই সিজদাহ শুধু আপনি আর আমি
হে আরশের মালিক আপনি তো সকল কিছুর আল ওহাবদাতা , মাবুদ গো আপনার উপর আমার দৃঢ় বিশ্বাস ও এক আকাশ সমান ভরসা আছে রাব্বুল আলামিন আপনার উপর আপনি আমাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দেবেন না … আমিন সুম্মা আমিন 🤲

23/03/2026

বাসা বাড়িতে পরে থাকা নষ্ট ফোন থাকলে বিক্রি করতে পারেন ভালো দাম দেওয়া হবে

আল্লাহ কেনো সবাই কে ধনী বানান না!.....একবার মুসা (আঃ) রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন।তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র ব্যক্...
17/03/2026

আল্লাহ কেনো সবাই কে ধনী বানান না!.....

একবার মুসা (আঃ) রাস্তার পাশ দিয়ে কোথাও যাচ্ছিলেন।তিনি দেখলেন, অত্যন্ত দরিদ্র ব্যক্তি বালির ভিতর শরীর ডুবিয়ে বসে আছে।তাঁর গায়ে কোনো কাপড় নেই,লজ্জায় সে বালু দিয়ে শরীর ঢেকে রেখেছে।

লোকটি হযরত মুসা (আঃ)-দেখে আর্তনাদ করে বলল,"হে আল্লাহর নবী।আমার জন্য একটু দোয়া করুন।আল্লাহ যেন অন্তত আমাকে বেঁচে থাকার জন্য সামান্য কিছু রিজিক দান করেন।অভাবের তাড়নায় আমি আর বাঁচতে পারছিনা।"

ফকিরের করুণ অবস্থা দেখে মুসা (আঃ)-এর দয়া হল।তিনি আল্লাহর কাছে লোকটির সচ্ছলতার জন্য দোয়া করলেন এবং চলে গেলেন।পরর্বতীতে আল্লাহর নবীর দোয়া কবুল হলো।

কিছুদিন পর নবীর মুসা (আঃ) ওই পথ দিয়ে ফিরছিলেন।তিনি দেখলেন রাস্তায় বিশাল জটলা।এখানে অনেক মানুষ ভীর করে আছে।তিনি জিজ্ঞেস করলেন,এখানে কি হয়েছে? এত ভীর কেনো?

লোকেরা জানাল,"কিছুদিন আগে যে ভিক্ষুক বালির নিচে শরীর ঢেকে পরে থাকত,সে হঠাৎ কিছু সম্পদ পেয়ে ছিল।টাকা পেয়ে সে মদ খেয়ে মাতাল হয়েছে।এরপর মাতলামি করতে গিয়ে ঝগড়া করে এক ব্যক্তি কে হত্যা করেছে।এখন তার 'কিসাস' বা মৃত্যুদন্ড কার্যকর করার প্রস্ততি চলছে।

হযরত মুসা (আঃ) আল্লাহর প্রজ্ঞার স্বীকারোক্তি দিলেন এবং নিজের আবদারের জন্য ইস্তেগফার পড়লেন।

ঘটনাটি উল্লেখ করে আল্লামা শেখ সাদী (রহ.) কিছু চমৎকার প্রবাদও উপমা ব্যবহার করেছেনঃ-

১/বেচারা বিড়ালের যদি ডানা থাকত,তবে সে দুনিয়া থেকে সব চড়ুই পাখির বংশ শেষ করে দিত। অর্থাৎ, দূর্বলরা শক্তি পেলে অত্যাচারী হয়ে উঠে।

২/প্লাটো (আফলাতুন) বলেছেন,"পিঁপড়ার পাখা না থাকাই ভালো।কারণ পাখা গজালে সে উড়ে বেড়াবে এবং নিজের ধ্বংস ডেকে আনবে।

৩/পবিত্র কুরআনে আল্লাহ বলেছেন,যদি আল্লাহ তার সব বান্দাকে অঢেল রিজিক দিতেন,তবে তারা পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করত। (সূরা-শুরা:২৭)

৪/বাবার কাছে অনেক মধু আছে,কিন্তু তিনি জ্বরে আক্রান্ত ছেলে কে খেতে দেন না।কারণ তিনি জানেন মধু মিষ্টি হলেও জ্বরের রোগীর জন্য (শরীরে গরমের তাপমাত্রা বেশি থাকলে) তা ক্ষতিকর।

অতএব, যিনি তোমাকে ধনী করেননি,তিনি তোমার ভালো-মন্দ তোমার চেয়ে বেশি জানেন।

আল্লামা শেখ সাদী (রা.)

☞ ইসলামের যে কোনো বিষয় সুন্দরভাবে জানতে-বুঝতে এবং মহা-জরুরী মাসয়ালাগুলো সহজে পেতে ইসলামিক অনুপ্রেরণা কে ফলো দিয়ে রাখুন

09/03/2026

ও আল্লাহ আমি তোমার অলৌকিক শক্তির সাহায্য চাইছি মাবুদ।
আমাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিও না
আলিফ লাম মিম আল্লাহু লা ইলাহা ইল্লাহুয়াল
হাইয়ুল কাইয়ুম
আমিন

11/02/2026

👇 গল্পের বাকি অংশ👇
পাখিটি রাজি হয়ে বলল—মানুষের আজগুবি কথাবার্তায় অস্থির হওয়া বন্ধ করো। তাদের চিন্তাকে তাদের মতোই থাকতে দাও, এতে তোমার জীবন অনেক হালকা হবে। রুমি বুঝলেন কথাটির ভেতরে গভীর সত্য লুকিয়ে আছে। এরপর দ্বিতীয় উপদেশ শোনার জন্য তিনি পাখিটিকে শর্ত অনুযায়ী ছেড়ে দিলেন। পাখিটি উড়ে গিয়ে কাছের গাছের ডালে বসল এবং বলল—অতীত কখনো বদলানো যায় না, তাই বর্তমানকে ভালোবাসো এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত হও। তবে তুমি বড় ভুল করেছ রুমি! আমার পেটের ভেতরে তিন কেজি ওজনের হীরা ছিল। ওগুলো পেলে তোমার বংশের তিন পুরুষ রাজার হালে থাকতে পারতো।
এই কথা শুনে রুমি হিতাহিত জ্ঞান হারিয়ে আবার পাখিটিকে ধরতে ছুটলেন। তখন পাখিটি হেসে বলল—রুমি, তুমি কি কিছুই বুঝলে না? আমার নিজের ওজনই দুই কেজির কম, তাহলে আমার পেটে তিন কেজি হীরা থাকে কীভাবে? আর একটু আগেই তো আমি তোমাকে ছেড়ে এসেছি, তার মানে আমি এখন তোমার অতীত। উপদেশ দেওয়ার মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই তুমি অতীত নিয়ে এত প্রতিক্রিয়া কেন দেখাচ্ছ? রুমি স্তব্ধ হয়ে দাঁড়িয়ে পড়লেন। নিজের ভুল বুঝতে পেরে তিনি তৃতীয় ও শেষ উপদেশ চাইলেন।
পাখিটি শান্ত গলায় বলল—সবাইকে উপদেশ দিতে যেও না। শুধু তাদেরই বলো যারা শুনতে প্রস্তুত। মনে রেখো কিছু কাপড় এতটাই ছিঁড়ে যায় যা আর কখনো সেলাই করা যায় না। এই কথা বলেই পাখিটি নীল আকাশে ডানা মেলল আর রুমি রয়ে গেলেন এক গভীর উপলব্ধির সাগরে। আমাদের জীবনটাও ঠিক এমন—আমরা প্রায়ই গুরুত্বহীন মানুষের কথায় বিচলিত হই এবং যা হারিয়ে গেছে তা নিয়ে আফসোস করি। অথচ বর্তমানকে আঁকড়ে ধরাই হলো জীবনের আসল সার্থকতা। ✨🌿

07/02/2026

মীর্জা গালিব মসজিদে বসে মদ্যপান করছিলেন। তখন মুসল্লীরা তাকে বাধা দিল। বলল, মসজিদ আল্লাহর ঘর। মদ্যপানের জায়গা নয়।

গালিব তাকালেন মুসল্লীদের দিকে। তারপর আরেক চুমুক খেয়ে আওড়ালেন উপস্থিত শের,

'শরাব পিনে দে
মসজিদ মে ব্যায়ঠ কার,
ইয়া ও জাগা বাতা
যাঁহা খুদা নেহি।'

আমাকে মদ খেতে দাও
মসজিদে বসেই,
অথবা এমন জায়গা বল
যেথায় খোদা নেই।

মুসল্লীরা লা জবাব। কী জবাব দেবেন। খোদা নাই এমন জায়গার কথা বলা শক্ত বইকি।

তবে জবাব দিলেন আল্লামা ইকবাল। বহু বছর পর। তার শের দিয়ে। তখন মীর্জা আর বেঁচে নেই।

'ইয়া গালিব, মসজিদ খুদা কা ঘর হ্যায়
পিনে কি জাগা নেহি,
কাফির কে দিলমে যা
ওঁয়াহা খুদা নেহি।'

হে গালিব, মসজিদ আল্লাহর ঘর
মদ পান করার জায়গা নয়,
কাফিরের অন্তরে যা
যেথা খোদার জায়গা নয়।

কাফের মানে অবিশ্বাসী। তার অন্তরে খুদার জায়গা নাই। তাই গালিবকে সেখানে গিয়ে মদ্যপান করতে বলা হয়েছে৷

আহমদ ফারাজ নামের আরেকজন কবি এর প্রতিউত্তরে লিখলেন-

'কাফির কে দিল সে
আয়া হু দেখ কার
খুদা মওজুদ হ্যায় ওঁয়াহা
উসসে পাতা নেহি।'

কাফিরের মনে উঁকি দিয়ে এসেছি দেখে
সেখানেও খুদা আছে, কিন্তু সে জানেই না।

তার জবাবে কবি ওয়াসি লিখলেন-

'খুদা তো মওজুদ
দুনিয়া মে হার জাগা
তু জান্নাত মে যা
ওঁয়াহা পিনে সে মানা নেহি।'

খুদা তো দুনিয়ার সবখানেই উপস্থিত আছে
তুমি জান্নাতে যাও, ওখানে মদ খেতে বাধা নেই

কবি ওয়াসি এখানে 'শরাবান তহুরা'র কথা বলেছেন। যেটা জান্নাতবাসীরা যত ইচ্ছা খেতে পারবে। কিন্তু মাতাল হবে না। জান্নাতের মধ্যে হারাম-হালালের মাসয়ালা আসবে না। সব বিধিনিষেধ শুধু দুনিয়ার জন্যই প্রযোজ্য।

এরপরে সাকি লিখলেন-

'পীতা হুঁ সাকি
গাম-এ-দুনিয়া ভুলানে কে লিয়ে
জান্নাত মে কৌন সা গাম হ্যায়,
ইস লিয়ে ওঁয়াহা মাজা নেহি।'

সাকি বলতে চাইছেন, জান্নাতে তো দুনিয়াবি দুঃখ-কষ্ট থাকবে না। ওখানে কষ্ট ভোলার জন্য মদ গেলার সেই মজা পাওয়া যাবে কি?
📌
পৃথিবীতে শিক্ষিত ব্যক্তিরাই সবচেয়ে বেশি কনফিউজড। কমজানা লোকের মনে সন্দেহ থাকে না।
©
─সংগৃহিত

06/02/2026

০১.
মাওলানা রুমির নিমন্ত্রণে গুরু শামস তাব্রিজি এলেন এক রাতে। খাওয়াদাওয়া শেষে, রুমির কাছে মদের আবদার করে বসলেন গুরু।

রুমি স্তব্ধ! "গুরু, আপনি মদ্যপান করেন?"

তাব্রিজির শান্ত জবাব, "হ্যাঁ।"

শিষ্য ইতস্তত, যেতে চান না মদ আনতে— "মদ আনতে গেলে তো আমার মানসম্মান সব শেষ হয়ে যাবে! সমাজে আমার একটা সম্মান আছে গুরু।"

গুরু পরামর্শ দিলেন— "কোনো সেবককে পাঠাও, নিয়ে আসবে।"

রুমি হতভম্ব— "এ কী করে সম্ভব! ওদের কাছে আপনার-আমার মানমর্যাদা যে ধূলোয় মিশে যাবে!"

"তাইলে তুমি নিজেই যাও"— নাছোড় নির্বিকার শামস তাব্রিজির আদেশ।

০২.
বেরিয়ে পড়লেন ভয়ার্ত, বিব্রত মাওলানা রুমি। লুকিয়েচুরিয়ে হাঁটা ধরলেন মদ্য-পল্লীর দিকে। চারদিকে তাকিয়ে, ঢুকে গেলেন শুঁড়িখানায়। মদ-ভর্তি একটি বোতল কিনে, আলখাল্লার ভিতরে লুকিয়ে, বেরিয়ে এলেন তিনি দ্রুত। জনৈক পরিচিত দেখে ফেললো তাকে, মদ কিনতে।

ছড়িয়ে পড়লো খবর।

তাকে অনুসরণ করতে লাগলো বিরাট জনতার দল, চুপচাপ, অন্ধকারে।

মসজিদের দুয়ারে আসতেই, হাহাকার করে উঠলো অনুসৃত দলের এক রুষ্ট কণ্ঠে, "হায় ইমাম, মদ কিনে আনলেন কোন্‌ সাহসে আপনি! হায়!"

আলখাল্লার নিচ থেকে, লুকোনো মদের বোতল উদ্ধার করলো ক্ষিপ্ত জনতা। শুরু করলো থুতু নিক্ষেপ, হাত তুললো কেউকেউ, সম্মানিত-পাগড়ি টেনে ফেলে দিলো ধূলোয়।

রুমির মুখে শব্দ নেই, তিনি অপরাধবোধে ও ভয়ে নির্বাক। ক্ষুব্ধ জনতার ক্রোধ বাড়তে থাকলো, মাওলানাকে হ'ত্যার ইচ্ছে পোষণ করলো কেউকেউ।

তখনই মসজিদ থেকে বেরিয়ে এলেন গুরু শামস তাব্রিজি। ক্ষুব্ধ স্বরে ধিক্কার জানালেন উন্মত্ত জনতাকে— "ধিক্‌ তোমাদের! ধিক্‌! তোমরা কোন্‌ বিবেকে ভেবে নিলে যে, মাওলানা জালালুদ্দিন রুমির মতো মানুষ মদ্যপান করেন? এ-ই তোমাদের বিবেচনা? খোকো ওই বোতল, ওটায় আছে সিরকা, রান্নার জন্য। খোলো।"

বোতলটি খোলা হলো। ওটা সিরকায় ভর্তি।

রুমি নিজেই অবাক!

মারমুখী জনতা স্তম্ভিত, লজ্জিত, অনুতপ্ত। নিজেদের কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে বিদায় নিলো তারা।

০৩.
মসজিদে প্রবেশ করলেন গুরু-শিষ্য।

শামস তাব্রিজি জানালেন শিষ্যকে— "আসার সময় শুঁড়িওয়ালাকে বলে রেখেছিলাম, তুমি এলে সে যেন তোমাকে সিরকা-ভর্তি বোতল দেয়।"

মাওলানা রুমি অভিমান করলেন— "কেন আমার সম্মান নিয়ে এমন ক্রীড়া করলেন আপনি?"

উত্তর দিলেন শামস— "যাতে তুমি এ শিখতে পারো যে: মানুষের দেওয়া সম্মান মূলত একধরণের মোহ। সামান্য একটু সন্দেহের বশবর্তী হয়ে যারা তোমাকে চরম অপমান করলো, প্রায় মেরেই ফেলেছিলো, তারা তো তোমাকে কখনো সম্মানই করেনি। মানুষের এই সম্মান নিয়েই তুমি গর্ব করতে? মাওলানা, সৃষ্টির কাছ থেকে সম্মান খোঁজা বন্ধ করো; সম্মানপ্রাপ্তির চেষ্টা করো স্রষ্টার কাছ থেকে, অনুগত হও কেবল স্রষ্টার কাছে, যাঁর বিবেচনা মোহের মতো যখনতখন পরিবর্তিত হয় না। মানুষ সম্মান করে নিজ স্বার্থে; সম্মানকে অপমানে পরিবর্তন করতেও দু'বার ভাবে না, তাও নিজ স্বার্থেই।"

ভাষান্তরঃ

29/01/2026

@@ দেহতত্ত্বের কিছু অজানা কথা।@@
@@ ১৮ চীজে মানুষ পয়দা।

@@ যথাঃ-পিতার চারঃ @ ১।হাড় @ ২।রগ @ ৩।মনি @ ও ৪।মগজ ।

মায়ের চারঃ@ ১।গোশত @ ২।পশম @ ৩।চামড়া ও @৪।খুন ।

@ আল্লাহর দশঃ ১।দেখা ২।শুনা ৩।কথা বলা ৪।দৈহিক শক্তি ৫।স্বাদ ৬।গন্ধ ৭।দম ৮।বুদ্ধি ৯।বিবেক ১০।অনুভূতি এবং আত্মারুপে স্বয়ং আল্লাহ ।

দেহতত্ব পাঁচ মোকামে পাঁচ মহামানবের অবস্থান।
যথাঃ ১।মাকামে মাহমুদা=হযরত মুহাম্মদ(সাঃ)।

২।সুলতানুন নাসিরা=খাজা মঈনুদ্দীন আল চিশতী(রাঃ )।

৩।ওয়াহেদ মোকাম=বড় পীরআব্দুল কাদের জিলানী(রাঃ)

৪।মাকামে ইব্রাহীম=হযরত ইব্রাহীম(আঃ)।

৫।ওরাউল ওরা মোকাম=ইমাম হাসান ও ইমাম হোসেন(রঃ)।

দেহতত্ব ৰেহেস্তের চার নহরঃ

১।কাওসারেরপানি=স্বচ্ছ বিবেক

২।দুধের নহর=সূক্ষ্যজ্ঞান

৩।মধুর নহর=খোদার সান্নিধ্য অনুভূতি

৪।শরাবনতাহুরা=খোদা প্রেম বা এশক ।

দেহতত্বে একিনসমুহঃ
১।বেল গায়েব একিন=কর্ন দ্বারা
২।এলমুললএকিন =জ্ঞান দ্বারা
৩।আইনুল একিন=চক্ষু দ্বারা
৪।হাক্কুল একিন =বিবেকদ্বারা ও
৫।হুওয়াল একিন =মন দ্বারা ।

দেহতত্ব সৃষ্টির বিবরণঃ পুরুষের-১।মন থেকে চন্দ্র২।চক্ষু থেকে সূর্য৩।কর্ন থেকে বায়ু ও প্রান৪।মুখ থেকে অগ্নি৫।নাভি থেকে অন্তরিক্ষ ৬।মস্তক থেকে স্বর্গ৭।পদদ্বয় থেকে ভূমি৮।শ্রোত্র থেকে দিক সকল সৃষ্টি ।

দেহতত্ত্বে লিঙ্গ তিন প্রকার। যথাঃ…
১।পুংলিঙ্গ
২।স্ত্রী লিঙ্গ
৩।নপুংশ বা ব্রক্ষ্ম লিঙ্গ ।

দেহতত্ব মহলের বিবরণঃ

১।রং মহল=মুখমুন্ডল
২।স্বর্ন মহল=বুক
৩।আয়না মহল=চোখ
৪।মনি মহল=মনি মগজ ॥
দেহতত্বে যিকির চার প্রকার।যথাঃ…
১।লেছানি=মুখের দ্বাৱা।
২।পাছ আনফাছ=দম বা শ্বাস প্রশ্বাসের দ্বারা ।
৩।আয়নি=চোখের দ্বারা ।

৪।ক্বলবি=ক্বলব বা অন্তর দ্বারা।

দেহতত্ব
@ ১- বোরাখ=নারী লোক

@ ২ - রফরফ=দমের বাহন

@ হাজরে আসওয়াদ।

৪। সিদরাতুল মুনতাহা=কপাল দেশ

৫।বাইতুল মামুর=পূর্নাঙ্গমানবদেহ

৬।জাহান্নাম=পেট থেকে নিম্নদেশ

৭। জান্নাত=বুক থেকে উপর দেশ

৮ ।পুলসিরাত=কামের ঘাট প্রকৃত পক্ষে জান্নাত ও জাহান্নামেরমানসিক অবস্থা।

যারা সম্যক গুরুর ছায়াতলে তারা মুক্ত।

দেহতত্ব -

1* আরশ=মন ।

2 * কুরসী=দেহ ।

3 * লওহে মাহফুজ=স্মিতি রাজ্য

4 * আসমান=মাথা

5 *জমীন=শরীর

6 পাহাড়=বুক

দেহতত্ব লোকের নাম হলোঃ

১।দ্যুলোক=মাথা

২।ভূলোক=দেহ জগত

৩ ।অন্তরিক্ষ লোক=হৃদয় বা ব্যুম

দেহতত্ব সিদ্ধীর চারটি চাবি।
যথাঃ

১।হুশহরদম

২।নেগা বারকদম

৩। সফর দর ওয়াতন

৪। তেলাওয়াত দর আঞ্জুমান

দেহতত্ব ভেতর পাক পাঞ্জাতনঃ

১।গোসা=মা ফাতেমা

২।সাদা পর্দা=হযরত আলী

৩।পানি=ইমামহাসানও ইমাম হোসাইন

৪।কুসুম=নূর নবী ও

৫।মনি কুসুম=আপে আল্লাহ স্বয়ং
এটা মাতৃগর্ভের রুপক রুপ

দেহতত্ত্ব দেহের চার ঈমাম হলোঃ
১।জিহবা =জিব্রাঈল

২।নাক=ঈস্রাফিল

৩।কানও চোখ=মেকাঈল

৪।মনি মগজ =আজরাঈল

দেহতত্ত্ব

১। দেহের মক্কা=দিল

২। দেহের মদীনা=ক্বলব

৩। দেহের কাবা=মুখ মন্ডল

দেহতত্ত্বেআল্লাহর হাকিকি সেফাত 8টি।যথাঃ

১।কালামুন

২।তকদীর

৩।ইলম

৪।হায়াত

৫।বাসারাত

৬।কুদরত

৭।ইবাদত

ও৮।সামারাত

দেহতত্ত্বে দম সাধনের তিনটি ধারা।
যথাঃ

১।রেচক

২।পূরক ও

৩।কুম্ভক
দেহতত্ত্ব রুপের সাধন তিন প্রকার।
যথাঃ

১।নিজরুপ=স্বরুপ

২।গুরুরুপ=বরযখ

৩।আদিশক্তি রুপ=মাতা রুপ অধর ধরতে এ রুপের সাধন করতে হয়

দেহতত্ত্বে ১৮ মোকামের নামঃ

১।মাহমুদ

২।ইব্রাহীম

৩।সুলতানুন নাসিরা

৪।মুওয়াহেদ

৫! ওরাউল ওরা

৬।আরওয়াহ

৭।মাসুদ

৮।নাছুত

৯।মালাকুত

১০।জবরুত

১১।লাহুত

১২।হাহুত

১৩।লা

১৪।হা

১৫।বেল ফেল

১৬।নাসি

১৭।খায়ের নাসি ও

১৮।বেল কুয়া

দেহতত্ত্ব আরশ তিনটি
যথাঃ

১।আরশে আলা

২।আরশে মুয়াল্লা ও

৩।আরশে আজীম।( পরবর্তী অংশ সম্যক গুরু হইতে জানিয়া লইতে হবে)।

20/01/2026

এই'নে তোদের শরিয়ত।।
📖 হযরত শামস তাব্রিজ (আ.)
================================
তিনি বিশ্ব বিখ্যাত সুফি ও ইসলামিক দার্শনিক মাওলানা জালাল উদ্দিন (আ.) এর
প্রানের মুর্শিদ কেবলা।

শামস তাব্রিজ অনেক উঁচু
স্তরের আউলিয়া ছিলেন।

তিনি সবসময় চটের ছালা পড়ে
পাগল বেশে আল্লাহর প্রেমে মত্ত হয়ে
ঘুরে বেড়াতেন যাতে লোকে তাকে চিনতে না পারে।

শরিয়তের কোন ধার ধারতেন না।

তার উঁচু স্তরের মারিফতের কথা না
বুঝতে পেরে শরীয়তের কাজী গন তাকে চাবুক মেরে
চামড়া খুলিয়ে ফেলার ফতোয়া দিলে।

শামস তাব্রিজ এক টান দিয়ে
নিজের গায়ের সমস্ত চামড়া খুলে দিয়ে বলেন।

"এই নে তোর শরীয়ত ,
আমার কাছে মারিফত থাকলেই চলবে।

এরপর আল্লাহর কুদরতে তার গায়ের
চামড়া আগের মত অবিকল ফিরে আসে।

তারভিতর আল্লাহ এতই শক্তি দিয়েছিলেন যে
তিনি একনজরে সাধারন মানুষকে কুতুবে
আউলিয়া বানিয়ে দিতে পারতেন।

একবার মাংস রান্না করার জন্য
প্রতিবেশির কাছে আগুন চাইলে আগুন
দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে প্রতিবেশি
তাকে মারধর করলে।

তিনি আকাশের সূর্যকে ডাক দেয়ার সাথে সাথে
সূর্য তার মাথার এক হাত নীচে নেমে আসে।

তখন তিনি সূর্যের তাপে মাংস সিদ্ধ করেন।
সূর্যের প্রখর তাপে উক্ত এলাকার সকল ঘর-বাড়ি ও মানুষ জ্বলে পুড়ে ছাড়খাঁর হয়ে যাওয়ার উপক্রম হলেও
শামস তাব্রিজের সেদিন হাতের একটা পশম জ্বলেনি।

মানুষের চিৎকার ও আর্তনাদ দেখে
শামস তাব্রিজের অন্তরে দয়া হলে
সে পুনরায় সূর্যকে নিজ স্থানে ফিরে
যেতে আদেশ করলে
সূর্য তাহার স্থানে আগের মত অবস্থান শুরু করে।

এই মহান আউলিয়ার মাজার শরীফ
বর্তমানে তুরস্কের কউনিয়ায় অবস্থিত।

✍️আল্লাহর ওলি রা জিন্দা  সিরিয়া দামেস্কে হজরত আইয়ুব  তাহির কুর্দি(রহঃ) এর মাজারের বাহিরে পা বের করা,এখনো সপ্তাহে নখ কেটে...
09/01/2026

✍️আল্লাহর ওলি রা জিন্দা
সিরিয়া দামেস্কে হজরত আইয়ুব তাহির কুর্দি(রহঃ) এর মাজারের বাহিরে পা বের করা,এখনো সপ্তাহে নখ কেটে দিতে হয়।।
সত্যের সন্ধানেঃ

হযরত আইয়ুব তাহির কুর্দি (রহ.)'র পায়ের কিছু অংশ আজও মাজারের বাহিরে অক্ষত অবস্থায় দেখা যায়, যেটা এক বিয়াদব গভর্নরকে লাথি মারার জন্য বের করেছিলেন!

সিরিয়ার দামেস্কেরর মাউন্ট কাশিওনের পাদদেশে "আক্রাদে আইয়ুবিয়া" নামে একটি গ্রামে হযরত বাবা শেখ আইয়ুব তাহির কুর্দি (রহ.)'র মাজার শরীফ অবস্থিত। তিনি একজন সত্যিকারে মহান আল্লাহর মকবুল বান্দা ছিলেন, যিনি হযরত সুলতান সালাহউদ্দীন আইয়ুবী (রহ.)'র সাথে যুদ্ধে অংশগ্রহণ করে শহীদ হয়েছিলেন। মাযারের পাশে তাঁর ছোটভাই হযরত শেখ সালেহ (রহ.)'র মাজারও অবস্থিত। তিনিও একজন সাদাতে আইয়ুবিয়া ছিলেন।
#মাজার_থেকে_পা_বের_করার_কারণঃ
সিরিয়ার জনগণের কাছ থেকে জানা যায়, তুর্কিরা যখন সিরিয়া আক্রমণ করেছিল তখন "মিদহাত পাশা" নামে জনৈক ব্যক্তি গভর্নর হিসাবে নিযুক্ত হন। একবার সে দামেস্কের বিভিন্ন জায়গা পরিদর্শন করতে বের হন। যখন গভর্নর মিদহাত পাশা পরিদর্শন করতে করতে, হযরত আইয়ুব তাহির কুর্দি (রহ.)'র মাজারে প্রবেশ করে পায়ের কাছাকাছি অংশে দাঁড়িয়ে বলত লাগল, "কুর্দি ডাকাত ও চোর, তাঁকে কে ওলী বানায়ছে?" এই বিয়াদবী মূলক কথাটি বলার সাথে সাথে হযরত আইয়ুব কুর্দি (রহ.) কবর থেকে বাম পা বের করে লাথি মারলে গভর্নর সেখানেই মৃত্যুর বরণ করে। এই ঘটনার পর সিরিয়ার জনগণ কবরেরর ভিতরে পা ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে পায়ের পাতা মোটা পশম দিয়ে ঢেকে রাখেন। আল্লাহর ওলীর এই জলন্ত কারামত নবী ওলী বিদ্ধেষীদের জন্য শাস্তির নিদর্শন এবং নবী-রাসুল ও আল্লাহর খাস বান্দাগণ যে, কবরে জীবিত তার প্রমাণ স্বরূপ আজও হযরত আইয়ুব তাহির কুর্দি (রহ.)'র পা টি শতাধিক বছর পরও একিবারে সতেজ অবস্থায় অক্ষত রয়েছে!!!
(সংগৃহীত)

Address

Sindur Khan Bazaar Sreemangal Moulovibazar Sylhet
Moulvi Bazar

Opening Hours

Monday 09:00 - 22:00
Tuesday 09:00 - 22:00
Wednesday 09:00 - 22:00
Thursday 09:00 - 22:00
Friday 09:00 - 22:00
Saturday 09:00 - 22:00
Sunday 09:00 - 22:00

Telephone

01912407375

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Sajid Computer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Sajid Computer:

Share