Krity Sanon

Krity Sanon Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Krity Sanon, Software Company, Mirpur.

বাংলাদেশে ফ্রিলান্সারের চেয়ে মেন্টরের সংখ্যাটাই মনে হয়  বেশী, কে কতো গুলা প্রোজেক্টে কাজ করেছে তার চেয়ে কে কতো জন স্টুডে...
08/05/2021

বাংলাদেশে ফ্রিলান্সারের চেয়ে মেন্টরের সংখ্যাটাই মনে হয় বেশী, কে কতো গুলা প্রোজেক্টে কাজ করেছে তার চেয়ে কে কতো জন স্টুডেন্ট কে বোকা বানিয়ে নিজের কোর্সটা সেল করাতে পেরেছে সেটাই যেন বেশি ইমপর্টেন্ট।

কম্পিউটার এর উপর দক্ষতা কম? নিজ অভিজ্ঞতায় আউটসোর্সিং করে আয় করুন...অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন। আমি তো কম্পিউটার সম্পর্কে বে...
21/09/2020

কম্পিউটার এর উপর দক্ষতা কম? নিজ অভিজ্ঞতায় আউটসোর্সিং করে আয় করুন...
অনেকেই প্রশ্ন করে থাকেন। আমি তো কম্পিউটার সম্পর্কে বেসিক জানি, তাহলে আমি কি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবো? তাদের জন্য উত্তর হল হ্যাঁ আপনি যদি সঠিক ভাবে সময় দেন তাহলে অবশ্যই আপনি অনলাইন থেকে ইনকাম করতে পারবেন।অনলাইনে ইনকামের জন্য যে আপনাকে প্রোগ্রামার হতে হবে অথবা ভালো ডিজাইনার হতে হবে এমন তা নয়। অনলাইনে ইনকামের অনেক রাস্তা আছে। এমনকি আপনি আপনার নিজের অভজ্ঞতা এবং জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে ইনকাম করতে পারেন। কারন অনলাইনে এ এখন সকল ধরনের কাজ পাওয়া যায়। তবে যে কাজই করেন না কেন প্রথম প্রথম সময় দিতে হয়। এর পর আর তেমন সময় না দিলেও হয়। প্রথম প্রথম যে সময় দিতে হয়, তা একটি চাকরি খোজার সময় থেকেও কম। অনেক কম কষ্টের। অনলাইনে এ যত ধরনের ইনকামের রাস্তা আছে তার মধ্যে সবচেয়ে ভালো এবং স্থায়ী পথ হল গুগল এডসেন্স । চলুন তাহলে দেখে নেই এডসেন্স দিয়ে কীভাবে আমরা ইনকাম করতে পারি :
১. ব্লগ বা ওয়েবসাইট থেকে অর্থ উপার্জন:
Adsense টাকা রোজগার শ্রেষ্ঠ উপায়. আপনি যদি নিজে যা জানেন বা কোন ভালো আইডিয়া নিয়ে একটি মান সম্পূর্ণ তথ্য-
বহুল ওয়েব সাইট তৈরি করতে পারেন তাহলে আপনি সহজেই আপনার Adsense দিয়ে অর্থ উপার্জন করতে পারেন. হতে পারে এটি রান্না-বান্না বা খাবারের উপর, অথবা পড়াশুনার উপর, অথবা নিউজ বা ভালো কোন বিষয়ের উপর। তবে মাথায় রাখতে হবে আপনি যে বিষয়েই লেখেন না কেন ভিজিটরা যেন এতে উপকৃত হয়। তবেই তারা আপনার সাইট এ আসবে এবং ভিজিটর যত বেশি হবে আপনার ইনকামও ততো বেশি হবে। শুধু একটি Adsense অ্যাকাউন্টের জন্য google এ সাইন আপ করতে হবে। যখন Google অনুমোদন দিবে তখন আপনার অ্যাকাউন্টে আপনার ওয়েব তা প্রদর্শন করে সহজেই উপার্জন করতে পারবেন। আর ওয়েব সাইট এর জন্য ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে খুব সমজেই একটি ওয়েব সাইট তৈরি করতে পারবেন ।
২. Youtube থেকে অর্থ উপার্জন:
YouTube হল বিশ্বের বৃহত্তম ভিডিও ওয়েবসাইট. আপনি যদি চান তাহলে আপনি এই সাইট ব্যবহার করে অর্থ উপার্জন করতে পারেন. আপনার যদি একটি Adsense অ্যাকাউন্ট থাকে, “ভিডিওর জন্য Adsense” Adsense কোড সংগ্রহ করে এবং আপনার ইউটিউবে এটা ব্যবহার করে সহজেই আয় করতে পারবেন। যখন মানুষ আপনার বিজ্ঞাপন ক্লিক করবে তখন আপনার Adsense এ টাকা জমা হবে। . এটা নিরাপদ উপায় Adsense থেকে আপনার কোন ধরনের পার্সোনাল ওয়েবসাইটব্যবহার না করেই উপার্জন এর।এছাড়াও এডসেন্স ছাড়া ইনকামের আরও অনেক পথ আছে।
এগুলো সম্পর্কে আরও জানতে পারবেন পরবর্তী কোন পোষ্টে।স্প্ন এখনই বাস্তবে রুপান্তর করতে উদ্যোগ নিন,
আপনার পথচলার সাথী হিসেবে পাশে আছি আমরা। আপনার প্রয়োজন শুধু মনোবল এবং সদিচ্ছা।
যে কোন ধরনের সহযোগিতার জন্য কমেন্ট করুন।

ক্লায়েন্টকে আপনার খোজতে হবে না ক্লায়েন্টরাই আপনাকে খুজে নিবে। ক্লায়েন্ট পাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কারো রেফারেন্সে কা...
20/09/2020

ক্লায়েন্টকে আপনার খোজতে হবে না ক্লায়েন্টরাই আপনাকে খুজে নিবে।

ক্লায়েন্ট পাবার সবচেয়ে সহজ উপায় হলো কারো রেফারেন্সে কাজ পাওয়া। চমৎকার একটা প্রোফাইল প্রস্তুত করে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করে থাকতে হবে প্রথম কাজ পাবার জন্যে। এখানেই ধৈর্যের আসল পরীক্ষা শুরু। অনেক অপেক্ষার পর একটা কাজ হাতে পেলে সেটা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিখুতভাবে শেষ করতে হবে। এতে ক্লায়েন্ট খুশি হয়ে হয়তো পরের কাজটিও আপনাকে দিয়ে দেবে, কিংবা অন্যের কাছে রেফারেন্স করবে আপনার নাম। এভাবেই ফ্রিল্যান্স জগতে আপনি হতে পারবেন পরিচিত মুখ।

ফ্রিল্যান্সিংয়ের বিষয়ঃ

ক্লায়েন্ট-ফ্রিল্যান্স-মার্কেটপ্লেস এসব খটমটে শব্দের ভীড়ে একটু কি খেই হারাচ্ছেন? মনে কি হচ্ছে, “সবই বুঝলাম। কিন্তু কি নিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করবো?”
সবকিছুরই উত্তর পাবেন এখানে। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে নানা রকম কাজ করা সম্ভব। এই কাজগুলোকে মোটামুটি দুই ভাগে ভাগ করা যায়।
তুলনামূলক সহজ কাজগুলোর মধ্যে আছে ডাটা এন্ট্রি বা আর্টিকেল লেখার মতো কাজ। বলাই বাহুল্য, এমন কাজের জন্যে প্রচুর বিড আসে, তাই এমন কাজ পেতে হলে একজন ফ্রিল্যান্সারকে বেশ বড় রকমের একটা প্রতিযোগিতায় পড়তে হয়।
তুলনামূলক কঠিন কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, গ্রাফিক ডিজাইনিং- এমন সব কাজ। সঙ্গত কারণেই এমন কাজে বেশি পারিশ্রমিক পাওয়া যায়, প্রতিযোগিতাও কিছুটা কম। কিন্তু এসব কাজ নিখুঁতভাবে করতে হলে এক্সপার্ট হতে হবে। নইলে ক্লায়েন্টের হাসিমুখ দেখার সৌভাগ্য আপনার হবে না।
বিষয় যা-ই হোক না কেন, একটা ব্যাপার সবসময় মাথায় রাখতে হবে। কাজটা কত কঠিন আর সেটি করতে কি সময় আপনি পাচ্ছেন- এর মধ্যে একটা ভারসাম্য বজায় রাখতে হবে। পারিশ্রমিকের ব্যাপারটা আপনার অভিজ্ঞতার ওপর অনেকটা নির্ভর করবে।
কিভাবে পারিশ্রমিক বুঝে পাবেনঃ
ইন্টারনেট কিন্তু খুব নিরাপদ কোন জায়গা নয়। তাই ফ্রিল্যান্সিং করে যদি পারিশ্রমিক পাওয়ার প্রক্রিয়াটা না জানা থাকে, তাহলে খুব সহজেই আপনি বোকা বনে যেতে পারেন। আপনার পরিশ্রম হয়ে যেতে পারে স্রেফ বেগার খাটা। সেজন্যে পারিশ্রমিক পাবার উপায়গুলো পরিষ্কার করে দেয়া দরকার।

প্রাপ্য অর্থ বুঝে নেবার জন্যে ব্যাংক অবশ্যই একটি নিরাপদ মাধ্যম। কিছু মার্কেটপ্লেস থেকে সরাসরি ব্যাংক একাউন্টে ব্যালান্স ট্রান্সফার করা যায়। কিন্তু যেসব মার্কেটপ্লেসে এ ব্যবস্থা নেই, সেখানে অনলাইন পেমেন্ট ট্রান্সএকশান প্রসেসে পারিশ্রমিক বুঝে নেয়া যায়। কিন্তু এটি একটি জটিল প্রক্রিয়া আর সব কাজ শেষ করতে মাস দেড়েক লেগে যায়।
নিয়মিত ক্লায়েন্টরা সাধারণত এসব ঝামেলায় যান না। তারা ফ্রিল্যান্সারদের কাজ দেন ই-মেইল বা অন্য উপায়ে, আর পারিশ্রমিকও সরাসরি ফ্রিল্যান্সারদের ব্যাংক একাউন্টে পাঠিয়ে দেন। কিন্তু এমন নিয়মিত ক্লায়েন্ট পেতে হলে প্রচুর অভিজ্ঞতার প্রয়োজন।

Payoneer Prepaid Master Card নামের এক ধরণের ডেবিট কার্ড আছে। এই কার্ড ব্যবহার করে সরাসরি মার্কেটপ্লেস থেকেই নির্দিষ্ট পরিমাণের অর্থ তোলা যায়। এই কার্ডটি ব্যবহার করে অনলাইন শপিংও করা সম্ভব।

Data Entry- ডাটা এন্ট্রির কাজ করে online থেকে টাকা উপার্জন করুন।ডাটা এন্ট্রিঃঅনলাইন এর ডাটা এন্ট্রির কাজ করে টাকা উপার্জ...
20/09/2020

Data Entry-

ডাটা এন্ট্রির কাজ করে online থেকে টাকা উপার্জন করুন।
ডাটা এন্ট্রিঃ
অনলাইন এর ডাটা এন্ট্রির কাজ করে টাকা উপার্জন করতে একটি দক্ষতা ই প্রয়োজন তা হল নিখুত ভাবে টাইপ করতে জানা।
কাজ পাওয়া যাবে খুব সহজেই । বহু কোম্পানি আছে যাদের লক্ষ লক্ষ রেজিস্টেশন ফর্ম পুরন করতে হতে হয় এবং এসব কাজ করার জন্য তাদের পর্যাপ্ত
পরিমান লোকবল নাই। তাহলে এসব কাজ গুলো কিভাবে কমপ্লিট হয়। এগুলো সবই ডটা এন্ট্রির সেলার কে দিয়ে করানো হয়। তারা ভিবিন্য ফ্রিল্যান্সিং সাইটে এন্ট্রির কাজের
জন্য বিজ্ঞাপন দেয় । এরকম ১ টা রেজিস্ট্রেশন ফর্ম এর রেট হয়ে থাকে ২০$ থেকে ৫০$ পর্যন্ত।শুনে অবাক হবেন শুধুমাত্র এরকম ডাটা এন্ট্রির কাজ করে মাসে ২০,০০০$
ডলার ইনকাম করার রেকর্ড রয়েছে।
কোথায় কাজ করবেন?
আপনি বলতে পারেন আমি কাজ পারি, কিন্ত আমি কোথায় কাজ গুলো পাব।
অনলাইন এ অনেক ফ্রিল্যন্সিং সাইট আছে যেখানে, প্রচুর পরিমানে ডাটা এন্ট্রির কাজ আছে ।
মাই-ডাটা টিম http://www.my-data-team.com/ একটি বহুল প্রচলিত ডাটা এন্ট্রির সাইট।
এখানে আপনি ফ্রি তে কাজ করতে পারবেন ।
এখানে আপনি কাজ করতে চাইলে পরিক্ষা মূলক ভাবে আপনাকে একটা কাজ দিবে ,
আপনি ঠিক ভাবে এই ডাটা গুলো এন্ট্রি করবেন।
তারপর পাওনাকে পে-লিংক একাউন্ট এ নাম লিখাতে হবে যার মাধ্যমে আপনি আপনার কাজের টাকা পাবেন।
যেই তথ্যগুলা এখানে দেবেন সেই তথ্য অনুযাই আপনাকে টাকা পাঠাবে।
এছাড়া আপনার একাউন্ট এ যে কোন ধরনের প্রব্লেম হলে হেল্প লাইনে যোগাযোগ করতে পারবেন।
এ ছাড়াও ভাল কিছু সাইট আছে যেমনঃ fiverr.com, upwork.com, Freelancer.com এখানেও আপনি পেতে পারেন প্রচুর পরিমানে কাজ।এখানে নিয়ম হচ্ছে আপনি কাজ করে যে টাকা ইনকাম করবেন সেখান থেকে এই সাইট গুলো ২০% কমিশন কাটবে।
বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সার আছে যারা ডাটা এন্ট্রির কাজ করে
মাসে ২০,০০০ টাকা থেকে ৭০,০০০ টাকা পর্যন্ত ইনকাম করে। আপনি ও হতে পারেন সফল ফ্রিল্যান্সার দের জন্য একজন।

বর্তমান অনলাইনের যুগে সুনিশ্চিত ও স্বনির্ভর ক্যারিয়ারের জন্য ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে সেরা মাধ্যম। ঘরে বসে অলস সময় নষ্ট না...
20/09/2020

বর্তমান অনলাইনের যুগে সুনিশ্চিত ও স্বনির্ভর ক্যারিয়ারের জন্য ফ্রিল্যান্সিং হতে পারে সেরা মাধ্যম। ঘরে বসে অলস সময় নষ্ট না করে একবার চেষ্টা করেই দেখুন।
Virtual Professions আপনাদের জন্য নিয়ে এলো ধামাকা অফার। আমাদের এই অফারে থাকছে -
💁‍♂️আমাদের কোর্স সমূহ-
♦️ Facebook Marketing
♦️ Web Site Create & Web Content Create
♦️ Fiverr, Upwork, Freelancer
♦️ Youtube Marketing
♦️ Full SEO Course
♦️ Affiliate Marketing
♦️ Article Writing
♦️ Website Create
♦️ Link Building
♦️ Advanced Internet
♦️ Products Description Writing
♦️ Keyword Research
♦️ Content Making
♦️ Meta Title And Meta Description Writing
♦️ Google Top Ranking
♦️ Google AdSense
♦️ Classified Ads Posting
♦️ Google Map Marketing
♦️ Video Editing
♦️ Outsourcing Basic
♦️ Computer Basic

***All Course package Only 650/-

♦️ Advanced Cpa marketing 650/-
♦️ Ethical hacking 650/-
♦️ Online Marketplace Complete 650/-
♦️ Social Media Marketing 650/-
♦️ SEO Advanced 650/-
♦️ Apps development 650/-
♦️ Web Design 650/-
♦️ Android Game development 650/-
♦️ Graphics Design Advanced 650/-
♦️ Java 650/-
♦️ Graphics Design 650/-
♦️ Microsoft excel 650/-
♦️ Asp net 650/-
♦️ Spoken English 650/-
♦️ Web development and wordpress 650/-

✅ আমাদের সকল কোর্সসমূহ হলো সম্পূর্ন আপডেট এবং প্রত্যেকটা টিউটোরিয়াল কোর্স ভিডিও ফুল HD Quality and Clear Sound.
🔖 আমাদের কোর্সসমূহ অর্ডার করতে হলে আপনাকে প্রথমে পেমেন্ট করতে হবে এবং কোন কোন কোর্স নিতে চাচ্ছেন সেটা আমাদের পেইজে এস এম এস করে জানাতে হবে। তারপর আমরা আপনাকে Google Drive লিংক এর মাধ্যমে কোর্স সমূহ দিয়ে দেয়া হবে । পেমেন্ট আপনি করতে পারবেন বিকাশ, অথবা নগদে। বিকাশ অথবা নগদে পেমেন্ট করার পর যে নাম্বার থেকে পেমেন্ট করছেন সেই নাম্বারের লাস্ট ৪টা ডিজিট আমাদের এই ফেসবুক পেইজে এস এম এস করে দিতে হবে। এস এম এস করে দেওয়ার ১ মিনিটের ভিতরই আমরা চেক করে আপনাকে Google Drive এর লিংক দিয়ে দিবো। তারপর আপনি আপনার সুবিধামত যেকোন সময়ই Google Drive থেকে কোর্স সমূহ ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। আমাদের Google Drive এ সকল ক্লাসই সিরিয়াল করে সাজানো রয়েছে। সুতরাং আপনি কোন ঝামেলা ছাড়াই সকল ক্লাস ডাউনলোড করে নিতে পারবেন।

👉👉এখন ঘরে বসেই হবে ইনকাম👈👈💗 ভিডিও কোর্সে অবিশ্বাস্য মূল্য ছাড়!!!!ঘরে বসেই আপনাকে Apps Development কোর্স করার সুযোগ করে দ...
12/09/2020

👉👉এখন ঘরে বসেই হবে ইনকাম👈👈
💗 ভিডিও কোর্সে অবিশ্বাস্য মূল্য ছাড়!!!!

ঘরে বসেই আপনাকে Apps Development কোর্স করার সুযোগ করে দিচ্ছে Virtual Professions.
🤟যে যে কারণে Apps Development শেখা যেতে পারে তার কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক,🤟
🌿🌿প্রথমত জাভা শিখে আপনি চমৎকার সব মোবাইলের এপ্স নিজেই তৈরী করতে পারবেন ঘরে বসেই,
এবং সেগুলাতে Admob & Facebook এর এড লাগিয়ে মাস শেষে দশ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকাও উপার্জন করেতে পারবেন।🌿🌿

⭐️ কোর্স টি নিতে হলে প্রথমে আপনাকে পেমেন্ট করতে হবে তারপর আমরা আপনাকে Google Drive এর মাধ্যমে কোর্সটি দিয়ে দেয়া হবে
পেমেন্ট আপনি বিকাশে করতে পারেন। পেমেন্ট করার পর যে নাম্বার থেকে পেমেন্ট করছেন সেই নাম্বারের লাস্ট ৪টা ডিজিট আমাদের এই ফেসবুক পেইজে এস এম এস করে দিতে হবে। এস এম এস করে দেওয়ার ১ মিনিটের ভিতরই আমরা চেক করে আপনাকে Google Drive এর লিংক দিয়ে দিবো। ধন্যবাদ
----আরো জানতে চাইলে ইনবক্স করুন----

১. মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কী?
মূলতঃ আমাদের দৈনন্দিন ব্যবহৃত হাতের মোবাইলটির জন্য তৈরিকৃত সফটওয়্যারকে আমরা সাধারণত মোবাইল অ্যাপ বলে থাকি। আর এর তৈরির পদ্ধতি হচ্ছে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট।

২. বর্তমান বিশ্বে কত ধরণের মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে? এবং সব গুলো কি একই ফ্লাটফর্মে বা এনভাইরোনমেন্টে ডেভেলপ করা সম্ভব?
বর্তমান বিশ্বে জনপ্রিয় দুটি মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হচ্ছে যথাক্রমে অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস মোবাইল যেটাকে আমরা iphone নামেই ছিনি। এবং এই দুইটির জন্যেই মূলত মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট হচ্ছে। এই দুটির প্রতিটি প্লাটফর্মের জন্য অ্যাপ তৈরি করতে ভিন্ন ভিন্ন প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করতে হয়। যেমন আইওএস’র জন্য সুইফট বা অবজেক্টিভ সি, অ্যান্ড্রয়েড’র জন্য জাভা ল্যাংগুয়েজের প্রয়োজন হয়। এমন কী অ্যাপগুলো তৈরি করার জন্য থাকতে হয় আলাদা আলাদা অ্যানভারনমেন্ট। যেমন আইওএস অ্যাপ তৈরি করতে প্রয়োজন হয় এক্সকোড এবং অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ’র জন্য অ্যান্ড্রয়েড স্টুডিও। দুটিরই নিজ নিজ প্লাটফরমের প্রোগ্রামিং ল্যাংগুয়েজ ব্যবহার করে তৈরিকৃত অ্যাপগুলোকে ন্যাটিভ অ্যাপ বলে।

৩. ন্যাটিভ অ্যাপ তো বুজলাম, কিন্তু ন্যাটিভ ছাড়া কি অন্য কোনো ভাবে মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করা সম্ভব না?
হ্যা ন্যাটিভ অ্যাপ ছাড়াও আরেকভাবে অ্যাপ তৈরি করা যায়। যাকে আমরা বলি ক্রস প্লাটফর্ম অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট। সাধারণত ওয়েব টেকনোলজি যেমন এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জেএস ব্যবহার করে ক্রস প্লাটফর্ম অ্যাপ তৈরি করা হয়। এগুলোকে হাইব্রিড অ্যাপও বলা হয়। হাইব্রিড বেশিরভাগ ফ্রেমওয়ার্ক যেমন react native, vue native জাভাস্ক্রিপ্ট’র উপর তৈরি। আবার flutter framework টি google এর dart language দিয়ে তৈরী।

৪. হাইব্রিড অ্যাপ এবং ন্যাটিভ অ্যাপ এর মধ্যে কোনো পার্থক্য আছে?
খুব একটা পার্থক্য না থাকলেও হাইব্রিড অ্যাপ এর ফ্রেমওয়ার্কগুলো আপনাকে একটা দারুণ সুবিধে দিবে , আর সেটা হচ্ছে আপনি একটা প্লাটফরমের জন্য যখন কোনো অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট করবেন তখন তা একই সাথে সবগুলো প্লাটফরমে সাপোর্ট করে। আর এতে আপনার সময় এবং টাকা দুটোই বাঁচবে। আর তাই বর্তমানে হাইব্রিড অ্যাপ গুলো খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।

৫.একজন মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপারের কী ধরনের যোগ্যতা থাকতে হয়?
অ্যাপ ডেভেলপার হতে হলে কম্পিউটার সায়েন্স নিয়ে পড়ালেখা করতে হবে, বিষয়টি এমন নয়। তাদের জন্য বিষয়টা একটু সহজ হয়। তবে যে কেউই অ্যাপ ডেভেলপার হতে পারবে।অ্যাপ ডেভলপিং যেহেতু সম্পূর্ণ টেকনিক্যাল কাজ। তাই সবার প্রথমে কম্পিউটারের বেসিক জ্ঞানের পাশপাশি প্রোগ্রামিং সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকতে হবে। এরপর অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ভালোভাবে শিখে নিতে হবে। অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট শেখার পর আসল হলো আপনার তৈরি অ্যাপ্লিকেশনটির নকশা। কি অ্যাপ তৈরি করতে চাচ্ছেন, তার পরিষ্কার ধারণা। এছাড়া অ্যালগরিদম, ডেটা স্ট্র্যাকচার, ডেটাবেজ সম্পর্কে ধারণা থাকলে দারুণ সব অ্যাপ তৈরি করা যাবে। থাকতে হবে সৃষ্টিশীল মানসিকতা, প্রবল ইচ্ছাশক্তি, কাজের প্রতি একাগ্রতা, আন্তরিকতা ও ধৈর্য। যারা নিজে অ্যাপ তৈরি করে প্লে স্টোরে দিতে চায়, তাদের উচিত ইউনিক কিন্তু প্রয়োজনীয় এমন কোনো বিষয়ে অ্যাপ তৈরি করা। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সম্যক জ্ঞান থাকা প্রয়োজন। আর ক্লায়েন্টদের জন্য তৈরি করতে হলে ওই বিষয়ে পড়াশোনা করে যত্ন সহকারে কাজ করতে হবে।

⭐️ কোর্স টি নিতে হলে প্রথমে আপনাকে পেমেন্ট করতে হবে তারপর আমরা আপনাকে Google Drive এর মাধ্যমে কোর্সটি দিয়ে দেয়া হবে
পেমেন্ট আপনি বিকাশে করতে পারেন। পেমেন্ট করার পর যে নাম্বার থেকে পেমেন্ট করছেন সেই নাম্বারের লাস্ট ৪টা ডিজিট আমাদের এই ফেসবুক পেইজে এস এম এস করে দিতে হবে। এস এম এস করে দেওয়ার ১ মিনিটের ভিতরই আমরা চেক করে আপনাকে Google Drive এর লিংক দিয়ে দিবো। ধন্যবাদ
----আরো জানতে চাইলে ইনবক্স করুন----

👉👉এখন ঘরে বসেই হবে ইনকাম👈👈💗 ভিডিও কোর্সে অবিশ্বাস্য মূল্য ছাড়!!!!ঘরে বসেই আপনাকে  JAVA কোর্স করার সুযোগ করে দিচ্ছে Virtu...
12/09/2020

👉👉এখন ঘরে বসেই হবে ইনকাম👈👈
💗 ভিডিও কোর্সে অবিশ্বাস্য মূল্য ছাড়!!!!

ঘরে বসেই আপনাকে JAVA কোর্স করার সুযোগ করে দিচ্ছে Virtual Professions.
🤟যে যে কারণে জাভা শেখা যেতে পারে তার কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা যাক,🤟
🌿🌿প্রথমত জাভা শিখে আপনি চমৎকার সব মোবাইলের এপ্স নিজেই তৈরী করতে পারবেন ঘরে বসেই,
এবং সেগুলাতে Admob & Facebook এর এড লাগিয়ে মাস শেষে দশ হাজার থেকে শুরু করে লাখ টাকাও উপার্জন করেতে পারবেন।🌿🌿

**Pay matters. সাম্প্রতিক একটি প্রতিবেদন থেকে দেখা গেছে যে প্রোগ্রামিং ইন্ডাস্ট্রিতে জাভা প্রোগ্রামাররা অন্যান্য প্রোগ্রামারদের চেয়ে অনেক বেশি বেতন পেয়ে থাকে।**

১। পৃথিবীতে প্রায় ১৫ বিলিয়ন ডিভাইসে জাভা চলে। এছাড়া জাভা দিয়ে স্মার্টফোন থেকে শুরু করে সার্ভার, এটিএম মেশিন (ATM Machine), পয়েন্ট অব সেল (POS) এর টার্মিনাল, ব্লু-রে প্লেয়ার, টেলিভিশন, সেট-টপ বক্স (STB), ইন্টারনেট অব থিং (Internet of thing) এর গেটওয়ে (Gateway), মেডিকেল ডিভাইস (Medical Device), আমাজনের কিন্ডল (Kindle), অটোমোবাইল এবং আরও অনেক কিছুতে প্রোগ্রাম করা যায়।

২।জাভা সাধরাণত খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং রিয়েল ওয়ার্ল্ড অ্যাপ্লিকেশন (Real World Application)2 তৈরিতে ব্যবহার করা হয়। যেমন, এন্ড্রয়েড ডেভেলপমেন্টের ক্ষেত্রে জাভা ব্যবহার অপরিহার্য। বিশেষ বিশেষ শক্তিশালী ওয়েব সাইট যেমন, eBay.com, LinkedIn.com, Amazon.com, Facebook.com, ESPNcricinfo.com, Gmail.com, Netflix.com, Alibaba.com ইত্যাদিতে জাভা ব্যবহার করা হয়েছে। এছাড়াও বিভিন্ন এন্টারপ্রাইজ অ্যাপ্লিকেশন যেমন, অর্থনৈতিক সেবাসমূহ, স্বাস্থ্যসেবা, ম্যানুফ্যাকচারিং ইত্যাদির জন্য যেকোনো ইন্ডাস্ট্রিতে জাভার চাহিদা সর্বাগ্রে।

৩।কিছুদিন আগেই জাভার ২৩ তম জন্মদিন চলে গেল।3 এ থেকে একটি বিষয় সহজেই অনুমেয় যে জাভা খুব তাড়াতাড়ি পালিয়ে যাওয়ার মতো টেকনোলজি নয়।4 আরও দীর্ঘকাল এর চাহিদা অভিন্ন থেকে যাবে। সুতরাং এতে সময় ব্যয় করলে তা নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা নেই।

৪।এর সোর্সকোড খুব সহজ ও পাঠযোগ্য (readable)। অন্য যেকোনো প্রোগ্রামিং ভাষা জানে এমন একজন প্রোগ্রামার খুব সহজেই একটি জাভাতে লেখা কোড দেখে বুঝতে পারবে যে কোডে কী লেখা আছে বা কোনো বিশেষ কোড দিয়ে কী কাজ করা হচ্ছে।
সি কিংবা সি++ এ কোড করার সময় আমাদের অনেক সময়ই লিংকিং (Linking)5, অপটিমাইজেশন (Optimization)6, মেমোরি অ্যালোকেশন (Memory Allocation)7, মেমোরি ডি-অ্যালোকেশন (Memory Deallocation)8, পয়েন্টার ডিরেফারেন্সিং (Pointer Dereferencing)9 ইত্যাদি নানা রকম জিনিস নিয়ে ভাবতে হয়। জাভার ক্ষেত্রে এগুলোর কথা ভাবতেই হয় না। খুব বেশি চিন্তাভাবনা না করেই নিশ্চিন্তভাবে জাভা কম্পাইলারের উপর সব কিছু ছেড়ে দেওয়া যায়।

৫।জাভাতে অসংখ্য এপিআই (API)10 আছে যেগুলো খুবই স্টেবল (Stable), খুব বেশি চিন্তাভাবনা না করেই এগুলো নিশ্চিন্তমনে ব্যবহার করে খুব সহজেই অনেক বড় বড় প্রোগ্রাম লিখে ফেলা যায়।

৬।এটি একটি ওপেন সোর্স প্রোগ্রামিং ভাষা। এর সোর্সকোড যে কেউ পড়তে পারে।
জাভা ভার্চুয়াল মেশিন সম্ভবত সফটওয়্যার জগতে সবচেয়ে চমৎকার সৃষ্টি। এটি জাভার সঙ্গে আরও অনেকগুলো ল্যাঙ্গুয়েজ11 যেমন, Groovy, Scala, Kotlin, Jython,Jruby, Clojure ইত্যাদি নিয়ে কাজ করা যায়।

৭।গত ১৫ বছরে অনেকগুলো চমৎকার ডেভেলপমেন্ট এনভায়রনমেন্ট (Integrated Development Environment – IDE) তৈরি হয়েছে যেগুলো খুবই স্মার্ট এবং ইন্টেলিজেন্ট। যেমন, Eclipse, IntelliJ IDEA, Netbeans ইত্যাদি। এগুলো ব্যবহার করে খুব আয়েশের সঙ্গেই কোড করা ও ডিবাগ করা যায়।

৮।ইন্ডাস্ট্রি গ্রেডেড, বড় বড় এন্টারপ্রাইজ অ্যাপগুলো সাধারণত জাভা দিয়ে লেখা হয়।.
৯।এটি পৃথিবীতে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রোগ্রামিং ভাষা।
১০।এছাড়াও জাভার একটি শক্তিশালী রোডম্যাপ রয়েছে। ওরাকল এতে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

⭐️ কোর্স টি নিতে হলে প্রথমে আপনাকে পেমেন্ট করতে হবে তারপর আমরা আপনাকে Google Drive এর মাধ্যমে কোর্সটি দিয়ে দেয়া হবে
পেমেন্ট আপনি বিকাশে করতে পারেন। পেমেন্ট করার পর যে নাম্বার থেকে পেমেন্ট করছেন সেই নাম্বারের লাস্ট ৪টা ডিজিট আমাদের এই ফেসবুক পেইজে এস এম এস করে দিতে হবে। এস এম এস করে দেওয়ার ১ মিনিটের ভিতরই আমরা চেক করে আপনাকে Google Drive এর লিংক দিয়ে দিবো। ধন্যবাদ
----আরো জানতে চাইলে ইনবক্স করুন----

Address

Mirpur
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Krity Sanon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share