General Help For Computer

General Help For Computer সাধারণ ব্যবহাকারীর কম্পিউটার রক্ষণা?

আপনার প্রিয় ল্যাপটপের চার্জ সমাধান ।...........................আপনার হাতে একগাদা কাজ। অথচ, হঠাৎ করে ল্যাপটপের ব্যাটারির ...
17/01/2015

আপনার প্রিয় ল্যাপটপের চার্জ সমাধান ।...........................

আপনার হাতে একগাদা কাজ। অথচ, হঠাৎ করে ল্যাপটপের ব্যাটারির চার্জ ফুরিয়ে গেছে। কাছাকাছি কোন পাওয়ার সকেটও নেই, যেখান থেকে ল্যাপটপটি চার্জ দিয়ে নিতে পারেন। ল্যাপটপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে আমাদের এ ধরনের সমস্যায় হরহামেশাই পড়তে হয়। দুশ্চিন্তার কারণ নেই। কারণ, ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত করার কিছু সহজ সমাধান রয়েছে। ল্যাপটপ ব্যবহারকারীদের উচিত এ বিষয়গুলোকে দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত করে নেয়া। তা হলে আর অনাকাঙ্খিত বিড়ম্বনায় পড়তে হবে না।

নিচে সহজ ৬টি টিপস দেয়া হলো:
১. ডিসপ্লে: মোবাইলের মতো ল্যাপটপ স্ক্রিনও বেশি পাওয়ার ব্যবহার করে। সে কারণে স্ক্রিনের ব্রাইটনেস বা উজ্জ্বলতা চোখের জন্য সহনীয় মাত্রায় যতোটা কমিয়ে ব্যবহার করা যায়, ততোটাই ভালো। যদি আপনার কিবোর্ডে ব্যাকলাইট থাকে, তবে সেটিও সেটিংস থেকে বন্ধ করে দিন। এতে ব্যাটারির আয়ু দীর্ঘায়িত হবে।

২. এক্সটার্নাল ডিভাইস: ল্যাপটপের ইউএসবি পোর্টে যে কোন ধরনের এক্সটার্নাল ডিভাইস চালু থাকলে, তা আপনার ল্যাপটপ থেকে অনবরত পাওয়ার টানতে থাকবে। এক্সটার্নাল ডিভাইসটির কাজ শেষ হয়ে গেলে, সেটি ইউএসবি পোর্ট থেকে খুলে ফেলার অভ্যাসই শ্রেয়।

৩. ওভারহিটিং বা অতিরিক্ত গরম হওয়া: ল্যাপটপ বেশি গরম হলে, ভেতরের ফ্যানগুলো আরও দ্রুত ঘুরতে শুরু করে। আর তা স্বাভাবিকভাবেই বেশি ব্যাটারি খরচ করে। সে কারণে একটি ল্যাপটপ কুলার কিনে নিন। এতে আপনার ল্যাপটপটি অতিরিক্ত গরম হবে না।

৪. হাইবারনেশনে রাখুন: ল্যাপটপ স্ট্যান্ডবাই মোডে না রেখে হাইবারনেশনে রাখুন। এতে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ হয়ে যাবে ও ব্যাটারির চার্জ অনেক বেশি সময় থাকবে। হাইবারনেশনে ল্যাপটপ বন্ধ হলেও, আপনি শেষ যেভাবে কাজগুলো সংরক্ষণ করছিলেন বা যে উইন্ডোগুলো খুলেছিলেন, ল্যাপটপটি চালু করলে ঠিক সে অবস্থাতেই সেগুলো পাবেন।

৫. উইন্ডোজের পাওয়ার প্ল্যান: ল্যাপটপে উইন্ডোজের সঙ্গে বিল্ট-ইন পাওয়ার প্ল্যান সেটিংসও পাচ্ছেন। তাই চিন্তার কিছু নেই। বিভিন্ন অপশন; যেমন- ডিসপ্লে ব্রাইটনেস বাড়ানো বা কমানো, কখন ডিসপ্লে ডিম বা অনুজ্জ্বল করতে এবং বন্ধ করতে চান, হার্ড-ড্রাইভসমূহ ও ইউএসবি পাওয়ার বন্ধ করতে চান, সেগুলো সংযোজিত রয়েছে।

৬. ব্যাটারি কেস: এ অ্যাপ্লিকেশনটি ব্যাটারির সম্পূর্ণ স্ট্যাটাস দেখায়। শুধু তাই নয়। কতোটুকু ব্রাইটনেসে ব্যাটারি কতোক্ষণ চলবে সে সম্পর্কে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে সেখানে। ব্যাটারির বর্তমান কন্ডিশন কেমন, তাও জানতে পারবেন। সিপিইউ ও হার্ড-ড্রাইভ অতিরিক্ত গরম হয়ে গেলেও, সেটা প্রদর্শন করে ব্যাটারি কেস অ্যাপ্লিকেশন।

..... কীভাবে আপনার প্রথমডিএসএলআর (DSLR)ক্যামেরা কিনবেন? .....নতুন ক্যামেরা কেনা একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।পছন্দ করার মতো ব...
20/12/2014

..... কীভাবে আপনার প্রথম
ডিএসএলআর (DSLR)
ক্যামেরা কিনবেন? .....

নতুন ক্যামেরা কেনা একটি চ্যালেঞ্জ হতে পারে।
পছন্দ করার মতো বাজারে অনেক ক্যামেরা আছে,
যাদের প্রতিটিরই কিছু না কিছু সুবিধা রয়েছে।
আপনি পেশাদার ফটোগ্রাফি বা পারিবারিক
ছবি তোলার জন্যই হোক, ভালো মানের
ছবি তোলার জন্য ডিএসএলআর ক্যামেরা চমৎকার
একটি যন্ত্র।
ডিএসএলআর ক্যামেরা কী?
ডিএসএলআর বা ডিজিটাল সিঙ্গেল লেন্স
রিফ্লেক্স (digital single lens reflex) ক্যামেরা,
লেন্সের মধ্য দিয়ে সর্বোচ্চ আলো প্রবেশের জন্য
তৈরি করা হয়েছে, যাতে আপনি যা দেখছেন ঠিক
একই রকম ছবি পাওয়া যায়। ডিএসএলআর
ক্যামেরার ছবি অত্যন্ত স্পষ্ট এবং চমৎকার রঙ
বিশিষ্ট। এগুলোতে প্রাণবন্ত ছবি উঠে এবং সূক্ষ
বিবরণসহ ছবির জন্য এগুলো বেশ ভালো। পোট্রেট
ফটোগ্রাফির জন্যও ডিএসএলআর বেশ ভালো, কারণ
এগুলো চোখের রং, মুখের রেখা, গায়ের রং,
এবং চুলের বিন্যাসের মত বিষয়গুলো খুব সহজেই
ধারণ করতে পারে। ভালো মানসম্পন্ন ছবি তোলার
জন্য এগুলোর যে কোনো একটি কিনতে পারেন।
কীভাবে ক্যামেরার ব্র্যান্ড পছন্দ করবেন?
ক্যামেরা কেনার সময় গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোর
মধ্যে একটি হচ্ছে ব্র্যান্ড পছন্দ করা।
প্রত্যেকটি ব্র্যান্ডেরই তার নিজস্ব কিছু বৈশিষ্ট্য
ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম থাকে, তাই অধিকাংশ
মানুষই কেবল কোনো একটি বিশেষ ব্র্যান্ডের
প্রতি অনুরক্ত। ব্র্যান্ড পরিবর্তন
না করলে তা আপনার টাকা বাঁচাবে, কারণ
একটি মাত্র ব্র্যান্ড ব্যবহার করা হলে আপনি লেন্স
ও অন্যান্য সরঞ্জাম বারবার ব্যাবহার
করতে পারবেন।
ডিএসএলআর জগতে সবচেয়ে জনপ্রিয় দু’টি ব্র্যান্ড
হচ্ছে ক্যানন (Canon) ও নিকন (Nikon)। এই
দুটি ব্র্যান্ডের রয়েছে অসংখ্য লেন্সের সমাহার,
যেগুলোর সাহায্যে আপনি আপনার
ক্যামেরা দিয়ে দূরের ছবি তোলা থেকে শুরু
করে প্যানারোমিক, বাচ্চাদের ছবি থেকে স্থির
দৃশ্যের ছবি তোলা সহ সবকিছু করতে পারবেন।
অন্যান্য ব্র্যান্ডের সম্মিলিত মোট বিক্রির
চাইতে নিকন ও ক্যাননের মোট বিক্রির পরিমাণ
বেশী। যেহেতু এদের বেচাকেনা বেশী তাই এই
দু’টি ব্র্যান্ডের ব্যবহৃত ডিএসএলআর
ক্যামেরা সহজে পাওয়া যায়।
পেনটেক্স (Pentax) অনেক বছর
ধরে বাজারে আছে এবং সব ধরণের
ফটোগ্রাফারের জন্য তাদের বিভিন্ন
ক্যামেরা মডেল রয়েছে। সব ধরণের আবহাওয়ার
জন্য পেনটেক্স (Pentax) বেশ ভালো এবং এটিই
একমাত্র ব্র্যান্ড যা বরফ শীতল তাপমাত্রার মত
চরম তাপমাত্রায়ও কাজ করতে পারে। এদের
লেন্সগুলো আবহাওয়া নির্বিশেষে সুরক্ষিত
এবং এদের অনেকগুলোই পানিরোধক। তাই
এগুলো দিয়ে পানির নিচে ও উচ্চ তাপমাত্রায়
ছবি তোলা সম্ভব।
নিকন ডিএসএলআর (Nikon DSLR)
ক্যামেরা বাজারে সবচেয়ে জনপ্রিয় মডেল
এবং অন্যান্য প্রতিযোগী প্রতিষ্ঠানের চেয়ে এর
অধিক সংখ্যক লেন্স রয়েছে। নতুন ফটোগ্রাফারদের
মাঝে নিকন ডিএসএলআর (Nikon DSLR) বেশ
জনপ্রিয়, কারণ স্বয়ংক্রিয় সেটিংস
থাকাতে এগুলো ব্যবহার করা বেশ সহজ। এছাড়াও
এগুলোতে ইমেজ স্টেবিলাইজেশন ব্যবস্থা রয়েছে,
যা আপনার হাত স্থির না থাকলেও স্পষ্ট
ছবি তুলতে সাহায্য করে।
মূল্য
ডিএসএলআর ক্যামেরা কিনতে গেলে এর দামের
কথা ভাবতে হবে। কম দামী থেকে বেশি দামী,
অনেক ধরণের দামের ক্যামেরা মডেল রয়েছে।
আপনি কী দামের ক্যামেরা কিনবেন
তা অনেকগুলো বিষয়ের উপর নির্ভর করে, বিশেষ
করে আপনি ক্যামেরা দিয়ে কোন ধরণের কাজ
করবেন তার উপর নির্ভর করে। আপনি যদি শুধু
আপনার দৈনন্দিন জীবনের, পরিবার
বা বন্ধুবান্ধবের ছবি তোলেন তবে কমদামী মডেল
হলেই কাজ চলবে।
আপনি যদি ফটোগ্রাফির মাধ্যমে আয় করতে চান,
তবে ভালো ছবির জন্য আপনাকে উন্নত মডেল
বেছে নিতে হবে। মনে রাখবেন, বেসিক বা মৌলিক
মডেলের ক্যামেরাও আপনাকে অসাধারণ
ছবি উপহার দিতে পারে। তাই
ভালো ক্যামেরা কেনার জন্য অনেক
বেশী টাকা খরচ করার দরকার নেই। দামের
ব্যাপারে অনেক বিষয় মাথায় রাখতে হবে:
-লেন্স
বেসিক কিছু ক্যামেরা মডেল “কিট” (“kit”)
হিসেবে পাওয়া যায় যাতে ক্যামেরা বডি ও লেন্স
থাকে, কিন্তু অধিকাংশ ক্ষেত্রেই শুধু
ক্যামেরা বডি কিনতে পাওয়া যায়। অর্থাৎ,
ক্যামেরা কেনার সময় লেন্সের দামও মাথায়
রাখতে হবে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই লেন্সের দাম
বডির চেয়ে বেশী। একটি ব্রান্ড নিয়েই থাকুন
যাতে আপনি সহজেই লেন্স পরিবর্তন করতে পারেন।
-ব্যাটারি
আপনার ডিএসএলআর-এর সাথে ব্যাটারি থাকবে,
কিন্তু নির্বিঘ্নে ব্যবহারের জন্য ব্যাকআপ
ব্যাটারি থাকলে ভালো। ব্যাকআপ
ব্যাটারি থাকলে সহজেই
আপনি প্রয়োজনে আরেকটি ব্যাটারি ব্যাবহার
করতে পারেন, যাতে আপনার কোনো গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত
হাতছাড়া না হয়ে যায়।
-মেমরি কার্ড
গুরুত্বপূর্ণ
মুহূর্তগুলো হাতছাড়া করতে না চাইলে ব্যাটারির
মতোই যথেষ্ট মেমরি থাকা প্রয়োজন। কিছু কিছু
ডিএসএলআর ক্যামেরার দুইটি মেমরি কার্ডের স্লট
থাকে, যাতে একটি পূর্ণ
হয়ে গেলে ক্যামেরা স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যাকআপ
মেমরি কার্ড ব্যাবহার করা শুরু করবে। এটা বিভিন্ন
শুটিং ইভেন্ট ও ওয়াইল্ডলাইফ ফটোগ্রাফির জন্য
ভালো। অতিরিক্ত মেমরি কার্ড থাকলে আপনার
অসাধারণ কোনো মুহূর্ত আর হাতছাড়া হওয়ার
সম্ভাবনা থাকবে না।
-ক্যামেরার ব্যাগ
আপনি যদি পুরনো ক্যামেরা কেনেন তবে তার
সাথে ব্যাগ না থাকার সম্ভাবনাই বেশী। ব্যাগ
আপনার ক্যামেরাকে পড়ে যাওয়া ও অন্যান্য
ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করবে।
অন্যান্য বিবেচ্য বিষয়
অধিকাংশ মানুষ ক্যামেরা কেনার সময় এর
আকারের কথা ভাবে না। আপনি যদি আপনার
ক্যামেরা পাহাড়ে হাইকিং করতে,
বেড়াতে অথবা এমন জায়গায় নিয়ে যেতে চান
যেখানে অনেকটা পথ
পায়ে হেটে যাওয়া লাগবে তবে আপনার
হালকা ক্যামেরা কেনা উচিৎ, যা সহজেই বহন
করা যায়। ডিএসএলআর ক্যামেরা ‘পয়েন্ট অ্যান্ড
শুট’ ক্যামেরার চাইতে ভারী ও আকারে বড়, তাই
ক্যামেরা ব্যাবহারের সময় ভারী ক্যামেরা, ব্যাগ,
লেন্স এবং অন্যান্য সরঞ্জাম বহন করার
কথা আপনাকে মাথায় রাখতে হবে।
ভালো পুরনো ক্যামেরা খুঁজলে চাহিদা অনুযায়ী আপনি অনেক
ক্যামেরা পাবেন। আপনার জন্য সেরা মডেল
হচ্ছে সেটি, যেটি আপনার শুটিং-এর ধরণ ও
জীবনযাত্রার সাথে মানানসই। আপনি বিয়ের
অনুষ্ঠান বা পরিবারের ছবি, যাই তুলুন না কেনো,
আপনার জন্য কোনো না কোনো ক্যামেরা রয়েছে।
সাধারণভাবে ব্যবহারের জন্য আপনার
এন্ট্রি লেভেল মডেল দরকার,
এক্ষেত্রে আপনি সনি ডিএসএলআর (Sony DSLR)
ব্যবহার করতে পারেন। পেশাদার ছবির জন্য,
ক্যানন ডিএসএলআর (Canon DSLR) ভালো। পেনটেক্স
(Pentax), অলিম্পাস (Olympus) এবং ফুজি (Fuji)
ব্র্যান্ডেরও অনেক মডেল রয়েছে, যেগুলোর
সেটিংসে অনেক বৈচিত্র্য রয়েছে। আপনার জন্য
সঠিক ক্যামেরাটি কিনতে সেরা ডিএসএলআর
রিভিউগুলো পড়ুন।আজই আপনার নতুন
বা পুরনো ডিএসএলআর ক্যামেরাটি কিনে ফেলুন।

17/10/2014

কম্পিউটার ফান্ডামেন্টাল.........
উদ্দেশ্য
ইনপুট ডিভাইস এর সাথে পরিচিতি লাভ।

তত্ত্বঃ
যে সমস্ত ডিভাইস এর মাধ্যমে কম্পিউটারে কোন তথ্য বা নির্দেশ প্রদান করা হয় সেই সমস্ত ডিভাইসকে ইনপুট ডিভাইস বলে। কীবোর্ড একটি গুরুত্বপূর্ন ইনপুট ডিভাইস। কতগুলো বর্ণ, সংখ্যা, বিশেষ চিহ্ন ইত্যাদির সমন্বয়ে অনেকগুলো বোতাম বা কী বিশিষ্ট যন্ত্রকে কীবোর্ড বলা হয়। কম্পিউটারের কীবোর্ড দেখতে অনেকটা টাইপ রাইটারের মতো। কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত কীবোর্ডের কোনো বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি হয়। অতঃপর কম্পিউটারের কীবোর্ড এনকোডার নামক ইলেক্ট্রনিক সার্কিট ঐ বৈদ্যুতিক সংতেকে সনাক্ত করে এবং বাফার নামক সেকেন্ডারি মেমরিতে অস্থায়ীভাবে জমা রাখে।

কম্পিউটার ফান্ডামেন্টাল

কীবোর্ডের প্রকারভেদঃ
কীবোর্ড প্রধানত দুই প্রকার:
১। সিরিয়াল কীবোর্ড।
২। প্যারালাল কীবোর্ড।

সিরিয়াল কীবোর্ড:
যে কীবোর্ড কোন উপাত্তকে ক্রমানুসারে অর্থাৎ একটি একটি করে কম্পিউটারে প্রেরণ করে সেই কীবোর্ডকে সিরিয়াল কীবোর্ড বলে।

প্যারালাল কীবোর্ড:
যে কীবোর্ড কোন উপাত্তকে বাইট আকারে সমান্তরলভাবে কম্পিউটারে প্রেরণ করে সেই কীবোর্ডকে সিরিয়াল কীবোর্ড বলে।

কীবোর্ডের কী – গুলোর কার্যাবলীঃ
১। কীবোর্ডে থেকে পর্যন্ত যে কীগুলো দেখা যায় তদের বলা হয়। এই কী গুলোর সাহায্যে বিভিন্ন লেখা টাইপ করা যায়।
২। কীবোর্ডের ডানপার্শ্বের প্রান্তে লক্ষ করলে দেখা যায় সাধারণত ক্যালকুলেটর এর মত কীবোর্ডের এই অংশটি। এই কীগুলোর উপরে সংখ্যা যেমন- নিচে কমান্ড থাকে। যেমন – , লেখা যুক্ত বোতাম একবার চাপ দিয়ে অর্থাৎ করে লেখতে থাকলে গাণিতিক সংখ্যাগুলো কাজ করবে। আর যদি থাকে তাহলে তার নিচের কমান্ড কাজ করবে।
৩। : কীবোর্ডের একেবারে উপরের সারিতে থেকে পর্যন্ত যে কী-গুলো দেখা যায় তাদের কী বলে। কী চেপে ধরে কী ব্যবহার করা হয়।
৪। : এই কী – তে চাপ দিলে ডানদিকে যেখানে টেব সেট করা আছে কার্সার সে ঘরগুলোতে লাফ দিয়ে যাবে। সাধারণত ডিফল্ট সেট করা থাকে।
৫। : অনেক অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজে এই কী চাপ দিয়ে কমান্ড বাতিল করা যায়।
৬। : – কে কন্ট্রোল কী বলা হয়। এই কী ব্যবহার করে বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশন প্যাকেজে আদেশ প্রদান করা হয়।
৭। : – কে অল্টার কী বলা হয়। এই কী চেপে বিভিন্ন প্যাকেজে মেনু নির্বাচন করা হয়।
৮। : কম্পিউটার চালু করার পর কার্যক্ষেত্রে এই কী বেশি ব্যভহার করা হয়।
৯। : আমরা যদি কোন অক্ষর মুছতে চাই তাহলে একবার চাপ দিলে কার্সার তার বামদিকের অক্ষর মুছবে।
১০। : – কে কী বলা হয়। এই কী একবার চাপ দিলে কার্সারের উপরের অক্ষর মুছবে

মাউসের অজানা ট্রিপস সহজ করবে কাজ,............................কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলে...
07/08/2014

মাউসের অজানা ট্রিপস সহজ করবে কাজ,............................
কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হলো মাউস। সবাই সাধারণভাবে মাউসের কাজ সম্পর্কে জেনে থাকে। কিন্তু এটি ব্যবহারের বাড়তি কিছু কৌশল রয়েছে। যেগুলো জানা থাকলে খুব সহজে সময় বাঁচিয়ে অনেক কাজ করা যায়।

এ টিউটোরিয়ালের মাউস ব্যবহারের অজানা কিছু ট্রিপসগুলো তুলে ধরা হলো। এগুলো জেনে নিলে অনেক কাজ দ্রুত ও স্বল্পতম সময়ে করা যাবে।
শিফট বাটন ও মাউস ক্লিক
অধিকাংশ ওয়ার্ড প্রসেসিং প্রোগ্রাম বা টেক্সট এডিটরে শিফট কি ও মাউস ক্লিকের মাধ্যমে সম্পূর্ণ বা আংশিক লেখা হাইলাইট বা সিলেক্ট করা যায়।

লেখার সময় কার্সরকে যে কোনো একটি প্যারাগ্রাফের শুরুতে রেখে এরপর শিফট-কি চেপে ধরে উক্ত প্যারাটির শেষে ক্লিক করতে হবে। তাহলে পুরো প্যারাটিই সিলেক্টেড হয়ে যাবে।

তবে সেক্ষেত্রে একই কলামে অবস্থিত টেক্সট সিলেক্ট করার জন্য Alt কি চেপে ধরে ড্রাগ করে কাংক্ষিত অংশটি সিলেক্ট করা যাবে।

স্ক্রল হুইলের ব্যবহার
বর্তমানে অধিকাংশ মাউসে স্ক্রল হুইল আছে। এর মাধ্যমে যে কোনো পেইজের ওপর নিচে যাওয়া যায়।

এ ছাড়াও আরও কিছু কাজে হুইলটি ব্যবহার করা যায়। মাউসে এটি শুধু একটি হুইলই নয়, একটি বাটন হিসেবেও কাজ করে।

এটিকে অনেকটা মাউসের তৃতীয় বাটন হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এ হুইলের মাধ্যমে যে কোনো লিংকের ওপর ক্লিক করলে তা নতুন একটি ট্যাবে ওপেন হয়। আবার যে কোনো ট্যাবের ওপর মাউস হুইল দিয়ে ক্লিক করে ট্যাবটিকে বন্ধও করা যায়।

দ্রুত ওয়েব পেইজের নিচে যাওয়া
ইন্টারনেট ব্রাউজিংয়ের সময় শিফট কি চেপে ধরে নিচে বা ওপরে স্ক্রল করলে অতি তাড়াতাড়ি পেইজটির ওপরে বা নিচে যাওয়া যায়।
জুম করা
Ctrl কি চেপে ধরে ওপরে বা নিচে স্ক্রল করে ওয়েবপেজ/ওয়ার্ড পেইজকে জুম করে দেখা যায় এবং ছোটও করা যায়।

ওপেন করা উইন্ডো ম্যানেজ করা
যে কোনো ওপেন করা উইন্ডোর টাইটেল বারে ডাবল ক্লিক করে উইন্ডোটিকে ম্যাক্সিমাইজ অথবা রিসাইজ করা যাবে।

এ ছাড়া ওপেন করা উইন্ডোর সবার ওপরে বাম দিকে অবস্থিত লোগোটিতে ডাবল ক্লিক করলে উইন্ডোটি বন্ধ হয়ে যাবে।

ডাবল ক্লিক ও ট্রিপল ক্লিকের মাধ্যমে সিলেক্ট করা
যে কোনো শব্দের ওপর ডাবল ক্লিক করে শব্দটিকে সিলেক্ট করা যায়। আবার পুরো অনুচ্ছেদ সিলেক্ট করতে অনুচ্ছেদ বা প্যারাগ্রাফের যে কোনো অংশে ট্রিপল ক্লিক বা একসাথে তিনবার ক্লিক করতে হবে।

মাউসের সাইড বাটনের ব্যবহার
প্রযুক্তি উন্নয়নের সঙ্গে মাউসেও লেগেছে প্রযুক্তির ছোয়া। বর্তমানে অধিকাংশ মাউসে সাইড বাটন রয়েছে। এ বাটন দুটিকে নিজের ইচ্ছামতো প্রোগ্রামিং করে সুবিধাজনক কাজে ব্যবহার করা যায়। সাধারনত এতে ডিফল্টভাবে লেফট থাম্ব বাটন যুক্ত থাকে।

পুরোনো পাসওয়ার্ডই ভালো বলছে গবেষকরা.........................পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়নি এমন ব্যক...
23/07/2014

পুরোনো পাসওয়ার্ডই ভালো বলছে গবেষকরা.........................
পাসওয়ার্ড ভুলে যাওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়নি এমন ব্যক্তি হয়ত খুঁজে পাওয়া যাবে না। ভুলে যাওয়া পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করতে গিয়ে পড়তে হয় বিপাকে। অনেকে তাই পুরনো পাসওয়ার্ডটি ব্যবহার করেন। ইন্টারনেটে নিরাপদে থাকতে নিয়মিত পাসওয়ার্ড বদলানোর পরামর্শ দেওয়া হলেও একটি গবেষণার তথ্য বলছ ভিন্ন কথা।

মাইক্রোসফটের একটি গবেষণা বলছে, বারবার বদলানোর চেয়ে পুরনো পাসওয়ার্ডই ভালো। বিশেষ করে যারা বারবার পাসওয়ার্ড ভুলে যান তারা নতুন পাসওয়ার্ডের চেয়ে অতিপরিচিত পুরোনোটিই যেন ব্যবহার করেন।গবেষণায় আরও বলা হয়েছে, ইন্টারনেট ব্যবহারের ক্ষেত্রে খুব গোপনীয় যেমন ব্যংক একাউন্ট সুরক্ষায় জটিল এবং ইউনিক পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা উচিত। তাছাড়া, মোটামুটি কম ঝুঁকির ওয়েবসাইটগুলোতে সাধারণ পাসওয়ার্ড ব্যবহার করাই ভালো।

মাইক্রাসফেটের গবেষক দিনেই ফ্লোরেনসিও, করমেক হার্লি এবং কার্লেটন বিশ্ববিদ্যালয়ের পল সি ভ্যানন ওরসচট গবেষণাটি করেন।

গবেষকরা বলেছেন, নিয়মিত ভিজিট করা হয় এমন ওয়েবসাইটগুলোর একটি তালিকা তৈরি করে ব্যবহারকারীদের উচিত সেগুলোর গুরুত্ব নির্ধারণ করা। এরপর গুরুত্বানুসারে এবং নিজের মনের রাখার ক্ষমতা অনুসারে কম অথবা বেশি ডিজিটের পাসওয়ার্ড দেওয়া উচিত।

গবেষকরা বলেছেন, পুনরায় পাসওয়ার্ড সেট করা এবং দুর্বল পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার কৌশলগুলোকে খুটিয়ে দেখা গেছে, দুটোই ব্যবহারকারীদের জন্য খুবই মূল্যবান। সেটা হোক উচ্চমান সম্পন্ন গুরুত্বপূর্ণ একাউন্ট কিংবা কম গুরুত্বপূর্ণ একাউন্টের ক্ষেত্রে।

গবেষণায় দেখা যায়, অনেক সাইট ব্যবহারের কারণে ব্যবহারকারীরা পাসওয়ার্ড ভুলে যান এমনকি তারা অনেক সময় পাসওয়ার্ড মনে রাখার জন্য কাগজ কলমও ব্যবহার করতে শুরু করেন। তাই এসব ঝামেলা এড়াতে ই-মেইলভিত্তিক অথবা পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করার পরামর্শ দিয়েছেন গবেষকরা।
মনে রাখা কঠিন এমন শক্ত পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে মানসিক শক্তির অপচয় না করার পরামর্শই দিয়েছেন গবেষকরা।

উইন্ডোজ ৯ আনার পরিকল্পনা মাইক্রোসফটের................ইক্রোসফট কর্পোরেশন এবার তাদের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর পরবর্তী স...
05/07/2014

উইন্ডোজ ৯ আনার পরিকল্পনা মাইক্রোসফটের................
ইক্রোসফট কর্পোরেশন এবার তাদের উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম এর পরবর্তী সংস্করণ আনার পরিকল্পনা করছে। মাইক্রোসফট এর একটি সূত্র থেকে জানা গেছে চলতি বছর এপ্রিল মাসে মাইক্রোসফট তাদের পরবর্তী সংস্করণ উইন্ডোজ ৯ এর ডেভেলপার ভার্সন অবমুক্ত করতে পারে এবং আগামী বছর অর্থাৎ ২০১৫ সালের এপ্রিল নাগাত বাজারে আসতে পারে উইন্ডোজ ৯। উইন্ডোজ এর বাজার আরো সমৃদ্ধ করতে এবং বিক্রয় বাড়াতে মাইক্রোসফট এর এমন সিদ্ধান্ত। বর্তমানে মাইক্রোসফট উইন্ডোজ ৮.১ এর একটি আপডেট নিয়ে কাজ করছে। উইন্ডোজ ৯ এ মাইক্রোসফট এবার কি কি পরিবর্তন আনবে তা সুনির্দিষ্ট ভাবে বলা না গেলেও ধারনা করা হচ্ছে এতে স্টার্ট মেনুর প্রত্যাবর্তন হতে পারে। এর আগে উইন্ডোজ ৮ থেকে স্টার্ট মেনু বাদ দেয়া হলে ব্যবহারকারীদের অনুরোধে উইন্ডোজ ৮.১ আপডেটে স্টার্ট বাটন ফিরে এলেও ফেরেনি স্টার্ট মেনু। উইন্ডোজ ৮ সংস্করণ টি মূলত টাচ ইন্টারফেসের জন্য উপযোগী করে তৈরী করা হলেও এটি ডেস্কটপ ল্যাপটপ ও ট্যাবলেট পিসি সবগুলোতেই চালান যায়। টাচ এ ব্যবহারের সুবিধার্থে উইন্ডোজ ৮ এ স্টার্ট মেনুর এক ঐতিহাসিক পরিবর্তন আনা হয় তা হল মেট্রো ইন্টারফেস। যা ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। টাচ প্রযুক্তির ট্যাবলেট পিসিতে ব্যবহার বান্ধব এই মেট্রো ইন্টারফেসের বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয় আপডেট ৮.১ এ। তাই ধারনা করা হচ্ছে উইন্ডোজ ৯ এ মেট্রো টাইলস ইন্টারফেসের বেশ কিছু পরিবর্তন ও সংস্কার হতে পারে।

গরিলা গ্লাস সম্পর্কে জানতে চান , গরিলা গ্লাস আসলে কি জেনে নিন ।......................আসলে গরিলা ডিসপ্লে গ্লাস কি অনেক জা...
05/07/2014

গরিলা গ্লাস সম্পর্কে জানতে চান , গরিলা গ্লাস আসলে কি জেনে নিন ।......................
আসলে গরিলা ডিসপ্লে গ্লাস কি অনেক জানেন আর অনেকে হয়ত জানেন না । তাই আমি আজকে আপনাদের সাথে শেয়ার করব যে গরিলা গ্লাস আসলে কি । গরিলা গ্লাস হলো অ্যালকালি-অ্যালোমিনোসিলিকেট যৌগের তৈরি এক ধরনের শক্ত ও মজবুত ডিসপ্লে, যা স্মার্টফোনের পর্দাকে দাগ, আঁচড়, ঘষা-মাজা এমনকি হাতুড়ির শক্ত আঘাত থেকেও রক্ষা করবে। আর গরিলা গ্লাস ব্যাবহার করলে ডিস্প্লের এর টাচ রেসপন্স ও অনেক ভাল পাওয়া যায় । এই গরিলা গ্লাস সাধারনত কনিং কোম্পানি তৈরি করে থাকে । গরিলা গ্লাসের ভিবিন্ন ভার্শন আছে.

গরিলা গ্লাস ভার্শন ১ -
গরিলা গ্লাসের এই ভার্শন হল সব চেয়ে পুরানো এবং তুলনামুলক কম মজবুত । এই গ্লাস সাধারনত নখের আচর ও হালকা আঘাত থেকে ডিসপ্লেকে রক্ষা করতে পারে এবং ডিস্প্লের এর টাচ করার ক্ষমতা আরো ভালো করে দেয় । এই ডিস্প্লের ডিভাইস গুলার দাম তলনামুলক কম ও এই গুলা সাধারনত এখন আর ব্যাবহার করা হয় না । আমাদের দেশের ওয়াল্টন এইচ ২ তে এই প্রজুক্তির ডিসপ্লে ব্যাবহার করা হয়েছে ।

গরিলা গ্লাস ভার্শন ২ -
বর্তমান সময়ে সব থেকে বেশি ব্যাবহার করা হয় গরিলা গ্লাসের এই ভার্সন। এটা তুলনা মুলক সস্তা ও ডিসপ্লের ভাল মানের সুরক্ষা দেয়ার জন্য ব্যাবহার করা হয় । এই ডিসপ্লে ভাল মানের প্রেসার সহ্য করার ক্ষমতা রাখে । কাজেই আপনার হাত থেকে আপনার স্মার্ট ফোনটি পরে গেলেও আপনার ডিসপ্লেটি সুরক্ষা রাখার দায়িত্ত এই গরিলা গ্লাসের । বর্তমান সময়ে আমাদের দেশের বেশ কিছু সেট এ সুরক্ষা ব্যাবহার করা হয় । যেমন ওয়াল্টন এক্স ২, ওয়াল্টন আর ২, সিম্পনি জেট আইইত্যাদি ।

গরিলা গ্লাস ভার্শন ৩ -
এই ভার্সন হল গরিলা গ্লাসের সব থেকে লেটেস্ট ভার্সন । এই ডিসপ্লের ফোন গুলাতে অসাধারন টাচ রেসপন্স পাওয়া যায় । আর এই ডিসপ্লে হাতুড়ির এর আঘাত অনায়েসে সহ্য করতে পারে, আর যে কোন ধরনের দাগ বা আচর থেকে ডিসপ্লে কে ৯৯% পর্যন্ত সুরক্ষা দেয় । আর এই ডিসপ্লে যে ফোন গুলাতে ব্যবহার করা হয় তাদের দাম ও বেশি হয় । আর কেউ কেউ বলে থাকেন এই ডিসপ্লে এত শক্ত যে এই উপর দিয়ে একটা ট্রাক গেলেও এ ডিসপ্লে ভাঙবে না । আমাদের ওয়াল্টন এবার নিয়ে আসছে এই প্রযুক্তির ডিসপ্লের ফোন Walton Primo ZX .

নাক দিয়ে টাইপিং এর বিশ্বরেকর্ড!................বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন কতই না অবাক করা কান্ড ঘটে যাচ্ছে। কৌতুহলের পিছনে ছুটতে...
05/07/2014

নাক দিয়ে টাইপিং এর বিশ্বরেকর্ড!................
বিশ্বজুড়ে প্রতিদিন কতই না অবাক করা কান্ড ঘটে যাচ্ছে। কৌতুহলের পিছনে ছুটতে ছুটতে মানুষ নিত্য নতুন কত কিছুই না করে ফেলছে।
ভারতীয় ২৩ বছর বয়সী তরুন খুরশীদ হোসাইন, নাক দিয়ে কিবোর্ডে টাইপ করে বিশ্ব রেকর্ড গড়েছেন। মাত্র ৪৭ সেকেন্ডে ১০৩ বর্ণের একটি বাক্য লিখে এই অভিনব রেকর্ডটি গড়েন।
এই রেকর্ডটি গড়তে তিনি টানা এক মাস প্রতিদিন গড়ে ৬ ঘণ্টা প্রাকটিস করেছেন।
খুরশীদের পূর্বে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন সৌদি আরবের এক নাগরিক। ২০০৮ সালে যিনি একই কাজ করেছেন এক মিনিট ৩৩ সেকেন্ড।
উল্লেখ্য, হাত দিয়ে দ্রুত টাইপিং এর রেকর্ডধারীও হলেন এই খুরশীদ। তিনি ২০১২ সালে বিশ্ব রেকর্ডটি গড়েন।

রিসাইকেল বিন থেকে ডিলেট করা ফাইল পুনরায় পাওয়ার পদ্ধতি..............অনেকে হয়তো কোন প্রয়োজনীয় ফাইল চোখের  ভুলে  ডিলেট করে ...
23/06/2014

রিসাইকেল বিন থেকে ডিলেট করা ফাইল পুনরায় পাওয়ার পদ্ধতি..............
অনেকে হয়তো কোন প্রয়োজনীয় ফাইল চোখের ভুলে ডিলেট করে ফেলেছেন। এখন হয়তো সে ফাইল গুলো পুনরায় পেতে চান। নিম্মের টিউটোরিয়ালটি অনুসরণ করলে সহজে আপনার গুরুত্বপূর্ণ পেতে পারেন।
১.আপনি যে সফটওয়ের দিয়ে আপনার গুরুত্বপূর্ণ পেতে পারেন সে সফটওয়ের-এর নাম হল Pandora Recovery। এ সফটওয়েরটি ডাউনলোড করুন.
http://www.mediafire.com/download/b0omuga7yyxwprv/PandoraRecovery2.1.1Setup.exe
২.ডাউনলোড শেষে সফটওয়েরটি install করুন।
৩.তারপর সফটওয়েরটি ওপেন করুন। সফটওয়েরটি ওপেন করার সাথে সাথে একটি Pandora Recovery Wizard নামক একটি window ওপেন হবে।
৪.তারপর সেখানে next ক্লিক করুন। এরপর No,I did not find my files -এ ক্লিক করে next -এ ক্লিক করুন।
৫.তারপর আপনার ফাইলটি যে hard drive -এ হারিয়েছে সে hard drive এ ক্লিক করে next -এক্লিক করুন।
৬.তারপর সেখানে ৩ টি option থাকবে।যথাঃ
1.Browse: I want to browse the drive, and review individual folders and files.
2.Search: I want to search for one of the following:
-Full or Partial file name
-File size
-File creation date
-File last accessed date
3.Deep (Surface) Scan: Scan drive surface for files of certain types.
৭. উপরের ৩ টি option -এর মধ্যে ১ম টি দিয়ে কাজ করা বেশি সহজ।তাই উপরের option টি -ই chose করুন।
৮.তারপর next -এ ক্লিক করুন। কিছুক্ষণ loading হবে।
৯.loading শেষে, আপনার ফাইল যেখানে delete হয়েছে সে folder টি বের করুন।
১০.কোন folder বা exe file পুনরায় পেতে হলে সে folder বা exe file -এ right click করে recover file to.. তে ক্লিক করুন।
১১.তারপর browse করে আপনার ইচ্ছামত জায়গায় যাবেন যেখানে ফাইল টি recovery করবেন, সে জায়গায় গিয়ে ok ক্লিক করুন।তবে মনে রাখতে হবে যেন একই hard drive -এ যেন safe না করা হয়।
১২.ফাইলটি কে recover হতে সময় দিন।
recover হয়ে গেলে ফাইলটি উপভুগ করুন।

গুরুত্বপূর্ণ ৭ বিষয় ল্যাপটপ কেনার আগে !........................গত কয়েক বছরে ল্যাপটপের প্রযুক্তিও নকশাতে ব্যাপক পরিবর্ত...
18/06/2014

গুরুত্বপূর্ণ ৭ বিষয় ল্যাপটপ কেনার আগে !........................
গত কয়েক বছরে ল্যাপটপের প্রযুক্তিও নকশাতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এখন সাধ্যের মধ্যে প্রয়োজনীয় ল্যাপটপ বেছে নেওয়াটা কঠিন বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ল্যাপটপ কেনার সময় কিছু বিষয় মাথায় রাখলে আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হতে পারে।
টাচস্ক্রিন
আপনি যদি টাচ বা স্পর্শ করে পণ্য চালাতে পছন্দ করেন, তবে টাচস্ক্রিন ল্যাপটপ আপনার জন্য ভালো হবে। উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, উইন্ডোজ ৮ ইন্টারফেসেরজেশ্চার ও টাইল আপনার টাচস্ক্রিন অভিজ্ঞতাকে উন্নত করবে এবং তা সহজে ব্যবহার করতে পারবেন। উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর ল্যাপটপগুলোতে ওয়েব পেজ ব্যবহার করা সহজ। এ ছাড়াও ছবি ও ডকুমেন্টস দেখতেও সুবিধা হয়। টাচস্ক্রিন ল্যাপটপ আপনি কিবোর্ডযুক্ত ল্যাপটপ হিসেবেও ব্যবহার করতে পারেন। বাজারে ৫০ হাজার টাকার মধ্যে টাচস্ক্রিন সুবিধার ল্যাপটপ পাবেন। সাধারণত গান শোনা, সিনেমা দেখা, ইন্টারনেট ব্যবহার করাসহ ছোটখাটো কাজের জন্য কম দামের ল্যাপটপ কেনাই যথেষ্ট। এ ক্ষেত্রে ১৫ ইঞ্চি পর্দার মনিটরসহ ল্যাপটপ কিনতে পারেন।

নকশা ও ওজন
আপনি যদি বেশি বেশি ভ্রমণ করেন তখন আপনার জন্য হালকা-পাতলা ল্যাপটপ বা আলট্রাবুক ভালো হবে। ১২ থেকে ১৩ ইঞ্চি মাপের যে ল্যাপটপে দীর্ঘক্ষণ চার্জ থাকে সেটি কিনবেন। যদি বাড়ি বা অফিসের কাজের জন্য ল্যাপটপ কিনতে চান তবে ১৪ ইঞ্চি অথবা ১৫.৬ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ কিনুন। আপনি যদি গেমার বা ছবি ও ভিডিও সম্পাদনার কাজের জন্য ল্যাপটপ চান তবে আপনাকে শক্তিশালী ল্যাপটপ বেছে নিতে হবে। এ জন্য ১৫.৬ বা ১৭ ইঞ্চি মাপের ডিসপ্লেযুক্ত ল্যাপটপ কিনতে পারেন। আপনি যদি সব সময় সঙ্গে করে ল্যাপটপ নিয়ে ঘোরেন তবে আপনার জন্য ধাতব কাঠামোর ল্যাপটপ যুত্সই হবে। আপনার ল্যাপটপ যদি বাড়ির সকলেই ব্যবহার করে তবে তা ধাতব কাঠামো ও করপোরেট মডেলের হলে ভালো হবে। প্রচলিত প্রায় সব ল্যাপটপের ব্যাটারি লিথিয়াম আয়নের হয়ে থাকে। এতে যত বেশি সেল ৪থেকে১২ থাকবে, ব্যাটারি তত বেশি সময় চার্জ ধরে রাখতে পারবে।

তথ্য ধারণ ক্ষমতা

ল্যাপটপ কেনার সময় খেয়াল রাখবেন তাতে কতটুকু তথ্য আপনি সংরক্ষণ করতে পারবেন। এখনকার দিনে ১৫.৬ ইঞ্চি ল্যাপটপ ছাড়া অপটিক্যাল ড্রাইভের ব্যবহার কম দেখা যায়। এখন হার্ডড্রাইভের পরিবর্তে ফ্ল্যাশ ভিত্তিক ড্রাইভ এসএসডিও ব্যবহার হতে দেখা যাচ্ছে। ফ্ল্যাশ স্টোরেজ দামি হলেও এর নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি কম। এর আকার ছোট এবং কাজ করে দ্রুত।

অপারেটিং সিস্টেম

অনেকেই অল্প কিছু অর্থ সাশ্রয়ের জন্য প্রিলোডেড অপারেটিং সিস্টেমনির্ভর ল্যাপটপ কেনেন না। কিন্তু নিজে থেকে ওএস এবং অন্যান্য সফটওয়্যার ইনস্টল করা কঠিন ও সময় সাপেক্ষ। ল্যাপটপ কেনার সময় আপনি যে অপারেটিং সিস্টেমে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন সেটি ইনস্টল করুন।

ল্যাপটপের আকার

যদি বাড়ি অথবা অফিসের জন্য ল্যাপটপ কেনার কথা ভাবেন তবে ল্যাপটপের আকার বড় হওয়া ভালো। এতে চোখের সুবিধা হবে এবং কাজের জন্য সুবিধা পাবেন। যদি কোনো প্রেজেন্টেশন দেওয়ার জন্য ল্যাপটপ কিনতে হয় তবে তা হালকা-পাতলা ও ছোট স্ক্রিনের হলে ভালো হয়।

ফিচার

ভালো একটি ল্যাপটপে ইনটেল বা এএমডির মাল্টিকোর সিপিইউ থাকলে ভালো। ৩-৪ টি ইউএসবি পোর্ট এবং ল্যাপটপটি দ্রুতগতির কিনা তা দেখে নেওয়া বাঞ্চনীয়। সাধারণত উচ্চ রেজ্যুলেশনের ভিডিও সম্পাদনা,গেম খেলা, এবং গ্রাফিকসের কাজের জন্য উচ্চ গতির ল্যাপটপ কেনা জরুরি। এ জন্য প্রসেসরের ক্লক স্পিড ৩.০ গিগাহার্টজ বা এর বেশি হলে ভালো হয়। প্রসেসর কোন সিরিজের (কোর আইথ্রি, ফাইভ, সেভেন) তা জেনে নেওয়াও জরুরি। কেনার আগে অবশ্যই গ্রাফিকস সক্ষমতা কেমন দেখে নেবেন। ভিডিও সম্পাদনা এবং গ্রাফিকসের কাজের জন্য কমপক্ষে ৪ গিগাবাইটের ডিডিআরথ্রি র্যাম হলে ভালো হবে।

ব্র্যান্ড

পুরোনো ল্যাপটপ কেনার সময় সতর্ক থাকুন। ওয়ারেন্টি দেখে নিন। পরিচিত ব্র্যান্ডের ওপর আস্থা রাখতে পারেন। ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কাছ থেকে ল্যাপটপ কেনার আগে তাদের বিক্রয় পরবর্তী সেবা ও অতীতে তাদের ল্যাপটপ বিক্রির রেকর্ড সম্পর্কে জানা থাকলে ভালো হবে। কেনার সময় অবশ্যই ওয়ারেন্টি কার্ড, ব্যাগ, চার্জার, ইত্যাদি আনুষঙ্গিক জিনিসপত্র যা আপনার ল্যাপটপের সঙ্গেই পাচ্ছেন তা বুঝে নেবেন। এ ছাড়া সব সময় অনুমোদিত ডিলার, আমদানিকারক, দোকানবাবিশ্বস্ত মাধ্যম থেকে ল্যাপটপ কিনুন।

ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার জন্য একটি দরকারী টিপস......................মাঝে মাঝে শুনা যায় আমার তথ্য অমুক প্রতিষ্ঠান হাতিয়ে ন...
18/06/2014

ইন্টারনেটে নিরাপদ থাকার জন্য একটি দরকারী টিপস......................
মাঝে মাঝে শুনা যায় আমার তথ্য অমুক প্রতিষ্ঠান হাতিয়ে নিচ্ছে, তমুক হারিয়ে যাচ্ছে। আমরা চাইলে কিন্তু এর থেকে নিজেকে বাচিয়ে ‍রাখতে পারি। চলুন বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা যাক। মজিলা ফায়ারফক্স অপেন করি।

Privacy তারপর Tools থেকে Option এ যাই। সেখান থেকে Privacy তে ক্লিক করি। এই পেজটিতে tell websites I do not want to be tracked নামে একটি ব্যাপার আছে। এটিতে টিক মার্ক করে দিই। এরপর OK দিই।

এখন আর আপনাকে কেউ track করতে পারবে না। অর্থ্যাৎ আপনার কোন তথ্য আর track করতে পারবে না।

31/05/2014

কম্পিউটারে হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম সহজেই বন্ধ করে ফেলুন................
কম্পিউটার চালাতে গেলে অনেক সময় দেখা যায় কোন একটা প্রোগ্রাম হঠাৎ হ্যাং হয়ে যায়। তখন এই সমস্যা হতে উদ্ধার হওয়ার জন্য আমরা টাস্ক ম্যানেজারের কাছে সাহায্য চাই। কিন্তু আপনি খুব সহজে এক ক্লিকে বন্ধ করতে পারবেন আপনার হ্যাং হয়ে যাওয়া প্রোগ্রাম।

এর জন্য প্রথমে ডেস্কটপে মাউসের রাইট ক্লিক করুন এবং new তে গিয়ে shortcut সিলেক্ট করুন তাহলে আপনার শর্টকাট এর লোকেশন জানতে চাইবে। সেখানে নিচের লেখাটি কপি করে পেস্ট করে নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন। ‘taskkill.exe /f /fi “status eq not responding’

শর্টকাটটির পছন্দমত একটি নাম দিন এবং ফিনিশ বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার দেওয়া নামে একটা শর্টকাট তৈরী হয়েছে আপনার ডেস্কটপে এখন থেকে কোন প্রোগ্রাম হ্যাং হলে শুধু এখানে একবার ডাবল ক্লিক করুন। বন্ধ হয়ে যাবে আপনার হ্যাং হওয়া প্রোগ্রাম।

Address

Mahadebpur

Telephone

+8801739248330

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when General Help For Computer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to General Help For Computer:

Share