28/03/2022
What is OSI Model?
OSI এর পূর্ণ অর্থ হচ্ছে Open Systems Interconnection. নেটওয়ার্কে যখন এক ডিভাইস থেকে আরেক ডিভাইসের মধ্যে যোগাযোগ হয়, তখন OSI মডেলের প্রতিটি লেয়ার পার হতে হয়। OSI মডেলে মোট সাত (০৭) টি লেয়ার থাকে এবং তিনটি (০৩) ভাবে বিভক্ত। উপরের তিনটি (০৩) লেয়ারকে বলা হয় সফটওয়্যার লেয়ার, নিচের তিনটি (০৩) লেয়ার কে বলা হয় হার্ডওয়্যার লেয়ার, আর মাঝের লেয়ার কে বলা হয় কোর (Core) লেয়ার। নেটওয়ার্কে আমরা যত অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি তার সবই ব্যবহার হয় উপরের তিনটি লেয়ারে (Application), আর নেটওয়ার্কে যত হার্ডওয়্যার (Router, Switch, Firewall) ব্যবহার করা হয়, তার সবই নিচের তিনটি (০৩) লেয়ারে ব্যবহার করা হয়, আর সফটওয়্যার লেয়ার এবং হার্ডওয়্যার লেয়ারের মাঝে ইন্টারফেসিং করে ট্রান্সপোর্ট লেয়ার। এইজন্য ট্রান্সপোর্ট লেয়ারকে Core লেয়ার বলা হয়। নিচে OSI মডেলের লেয়ার গুলার নাম দেয়া হয়েছে।
1. Physical Layer
2. Data Link Layer
3. Network Layer
4. Transport Layer
5. Session Layer
6. Presentation Layer
7. Application Layer
৭. এপ্লিকেশন লেয়ার :
এটি হলো ওএসআই মডেলের সপ্তম লেয়ার। এপ্লিকেশন লেয়ার ইউজার ইন্টারফেস প্রদান করে এবং নেটওয়ার্ক ডাটা প্রসেস করে।এপ্লিকেশন লেয়ার যে কাজ গুলো করে থাকে রিসোর্স শেয়ারিং, রিমোট ফাইল একসেস, ডিরেক্টরী সার্ভিস ইত্যাদি। এপ্লিকেশন লেয়ারের কিছু প্রটোকল এর পোর্ট এড্রেস দেওয়া হলো
প্রটোকল এফটিপি টিএফটিপি টেলনেট ডিএইচসিপি ডিএনএস পপ আইম্যাপ এসএমটিপি এইচটিটিপি
পোর্ট এড্রেস ২০/২১ ৬৯ ২৩ ৬৭/৬৮ ৫৩ ১১০ ১৪৩ ২৫ ৮০
পোর্ট নাম্বারগুলো মনে রাখার চেষ্টা করতে হবে। কারণ সিসিএনএ পরীক্ষায় সাধারণত এ ধরনের প্রশ্ন থাকে , যেমন এইচটিটিপি এর পোর্ট নাম্বার কত?
৬.প্রেজেন্টেশন লেয়ার :
এই লেয়ার নেটওয়ার্ক সার্ভিসের জন্য ডাটা ট্রান্সলেটর হিসেবে কাজ করে। এই লেয়ার যে কাজ গুলো করে থাকে ডাটা কনভার্শন,ডাটা কমপ্রেশন, ডিক্রিপশন ইত্যাদি। এই লেয়ারে ব্যবহিত ডাটা ফরম্যাট গুলো হলো .জেপিজি, .এমপিইজি ইত্যাদি।
৫. সেশন লেয়ার :
সেশন লেয়ারের কাজ হলো উৎস এবং গন্তব্য ডিভাইসের মধ্যে সংযোগ গড়ে তোলা , সেই সংযোগ কন্ট্রোল করে এবং প্রয়োজন শেষে সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা। ডাটা পাঠানোর জন্য ৩ ধরনের কন্ট্রোল ব্যবহার করা হয় ।
সিম্পলেক্স : সিম্পলেক্স এ ডাটা একদিকে প্রবাহিত হয়।
হাফ ডুপ্লেক্স : হাফ ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একদিকের ডাটা প্রবাহ শেষ হলে অন্যদিকের ডাটা অন্য দিকের ডাটা প্রবাহিত হয়ে থাকে।
ফুল ডুপ্লেক্স : ফুল ডুপ্লেক্স পদ্ধতিতে একইসাথে উভয়দিকে ডাটা প্রবাহিত হতে পারে।
৪. ট্রান্সপোর্ট লেয়ার :
ওএসআই মডেলের চতুর্থ লেয়ার ট্রান্সপোর্ট লেয়ার । এই লেয়ারের কাজ হলো সেশন লেয়ারের কাছ থেকে পাওয়া পাওয়া ডাটা নির্ভরযোগ্যভাবে অন্য ডিভাইসে পৌছানো নিশ্চিত করে। এই লেয়ারে ডাটা পৌছানোর জন্য দু’ধরনের ট্রান্সমিশন ব্যবহার করে:
কানেকশন ওরিয়েন্টেড:
কানেকশন ওরিয়েন্টেড এ ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক গ্রাহক এর সাথে একটি একুনলেজ সিগন্যাল এর মাধ্যাম কানেকশন তৈরি করে থাকে। ইহা টিসিটি এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।
কানেকশনলেস:
কানেকশনলেস ওরিয়েন্টেড এ ডাটা পাঠানোর আগে প্রেরক গ্রাহক এর সাথে কোন একুনলেজ সিগন্যাল এর মাধ্যাম কানেকশন তৈরি করে থাকে না। ইহা ইউডিপি এর ক্ষেত্রে ঘটে থাকে।
৩. নেটওয়ার্ক লেয়ার :
নেটওয়ার্ক লেয়ারের কাজ হলো এড্রেসিং ও প্যাকেট ডেলিভারি। এই লেয়ারে ডাটা প্যাকেটে নেটওয়ার্ক এড্রেস যোগ করে এনক্যাপসুলেশনের মাধ্যমে। এই লেয়ারে রাউটার ব্যবহিত হয়ে থাকে এবং রাউটিং টেবিল তৈরি করে থাকে।
২. ডাটালিংক লেয়ার :
OSI Model এর দ্বিতীয় লেয়ার হলো; ডাটা লিঙ্ক লেয়ার। ডাটা লিঙ্ক লেয়ার অনেকটা নেটওয়ার্ক লেয়ার এর মতো করে ,কাজ করে। নেটওয়ার্ক লেয়ার ডাটা ট্রান্সফার করে থাকে, একই নেটওয়ার্ক এর বাহিরে। কিন্তু ডাটা লিঙ্ক লেয়ার ডাটা প্যাকেট ট্যান্সফার করে থাকে একই নেটওয়ার্ক এর ভিওরে। অথ্যার্ৎ দুটি ডিভাইস যদি, একই নেটওয়ার্ক এর আন্ডারে থাকে ,তাহলে ডাটা লিঙ্ক লেয়ার এর সাহায্যে ডাটা প্যাকেট ট্রান্সমিট করা সম্ভব। ডাটা লিঙ্ক লেয়ার >নেটওয়ার্ক লেয়ার থেকে ডাটা প্যাকেট নেয় এবং ডাটা গুলোকে ছোট ছোট আকারে ভাগ করে, যেটিকে বলা হয় ফ্রেম। নেটওয়ার্ক লেয়ার এর মতোই , এই ডাটা লিঙ্ক লেয়ার , ডাটা প্রবাহ, ডাটা নিয়ন্ত্রন, এরর কন্ট্রোল ইত্যাদি করে থাকে।বলতে পারেন, এই লেয়ার , দুটি ডিভাইসের মধ্যে লজিক্যাল লিঙ্ক তৈরি করে।
১. ফিজিক্যাল লেয়ার :
ফিজিক্যাল লেয়ার OSI Model এর প্রথম লেয়ার যেটি কিনা, সর্বনিম্নে অবস্থান করে। এর নাম থেকে, আপনি আন্দাজ করতে পারেন, এই লেয়ার কি কাজ করে। এই লেয়ার দুটি ফিজিক্যাল ডিভাইস এর মধ্যে সম্পর্ক স্থাপন করে। এবং ফিজিক্যাল কানেকশণ (কোন ক্যাবল এর সাহায্যে) এর সাহায্যে ডাটা এক ডিভাইস থেকে অন্য ডিভাইসে প্রেরণ করা হয়। এই লেয়ার ডাটাকে বিট স্ট্রিমে রুপান্তর করে থাকে অর্থাৎ ডাটাকে 0 এবং 1 এ .রুপান্তর করে থাকে। ডাটাকে বিট টু বিট আকারে ট্রান্সফার করা হয়ে থাকে।
এই লেয়ারে ব্যবহৃত ডিভাইস গুলো হলোঃ
*হাব.
*ট্যুইস্টেড পেয়ার ক্যাবল
*ফাইবার অপটিক ক্যাবল
*কোএক্সিয়াল ক্যাবল
*ইত্যাদি।
অনেক সময় একটি প্রশ্ন আসে এপ্লিকেশন লেয়ার অথবা নেটওয়ার্ক লেয়ার OSI model এর কততম লেয়ার সহজেই মনে রাখার জন্য এই বাক্যটি মনে রাখতে পারেন।
All People Seem To Need Data Processing. এখানে
7. A= Application layer
6. P= Presentation layer
5. S= Session layer
4. T= Transport layer
3. N= Network layer
2. D= Data link layer
1. P=Physical layer
Please do not tell secret password anyone. এখানে
1. P=Physical layer
2. D= Data link layer
3. N= Network layer
4. T= Transport layer
5. S= Session layer
6. P= Presentation layer
7. A= Application layer