IT CORD

IT CORD The official page of . This is an outsourcing firm that makes a person professional.

ফ্রিল্যান্সারদের টাকা সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে জমা করার সুবিধা দিতে এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) অ্যাকাউন্ট চালু কর...
13/06/2015

ফ্রিল্যান্সারদের টাকা সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে জমা করার সুবিধা দিতে এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা (ইআরকিউ) অ্যাকাউন্ট চালু করল স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক।

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড সার্ভিসের (বেসিস) সহযোগিতায় এই সুবিধা দেবে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। এর মাধ্যমে আউটসোর্সিং পেশাদাররা তাদের অর্জিত অর্থের ৬০ শতাংশ ডলারে ইআরকিউ অ্যাকাউন্টে এবং ৪০ শতাংশ অর্থ দেশীয় মুদ্রায় সেভিংস অ্যাকাউন্টে জমা করতে পারবেন। এ ছাড়াও গ্রাহকেরা একটি আন্তর্জাতিক ডেবিট কার্ডের সাহায্যে কেনাকাটাসহ যাবতীয় লেনদেন করতে পারবেন। এই অ্যাকাউন্ট ব্যক্তি বা কোম্পানি পর্যায়ে খোলা যাবে।
সোমবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে এই উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন করে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক। ফ্রিল্যান্সারদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে বেসিসের সহায়তায় কয়েক ধরনের সেভিং অ্যাকাউন্ট ও ইউএস ডলার ইআরকিউ (এক্সপোর্টার রিটেনশন কোটা) অ্যাকাউন্ট চালু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
এই অ্যাকাউন্ট খুলতে বেসিস থেকে একটি সনদপত্র গ্রহণ করতে হবে। বেসিস থেকে সনদ নিতে তিন হাজার টাকা লাগবে। এই সনদ পেতে বেসিসের ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট উদ্বোধন করেন তথ্য যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশ এর হেড অব রিটেইল ক্লায়েন্ট আদিত্য মণ্ডল এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসর (বেসিস) প্রেসিডেন্ট শামীম আহসান।
জুনাইদ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের কাছে সবচেয়ে বেশি অনুরোধ আসে পেমেন্ট গেটওয়ে সমস্যা সমাধান করার। এ জন্য বেসিস ও স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক এগিয়ে আসায় তাদের ধন্যবাদ। আজ এই ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট সুবিধা উদ্বোধনের মাধ্যমে সাফল্যের সঙ্গে একটি ধাপ এগিয়ে যেতে পারলাম।’
স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী আবরার এ আনোয়ার বলেন, ‘বাংলাদেশে আমরাই প্রথম আউটসোর্সিং পেশাদারদের জন্য অ্যাকাউন্ট খোলার সুবিধা এনেছি যাতে দ্রুত, নিরাপদ এবং বৈধ উপায়ে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আনা বা বিদেশে কেনা কাটা করা যায়।’
শামীম আহসান বলেন, ‘এ সুযোগের মাধ্যমে আউটসোর্সিং পেশাদারেরা অভ্যন্তরীণ রেমিট্যান্স ও আন্তর্জাতিক বিল আদান-প্রদানে বিশেষভাবে উপকৃত হবেন।’
সনদ দিতে বেসিস তিন হাজার টাকা নেওয়ায় বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমসহ ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে এক ধরনের বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। সাজ্জাদ হোসেন অলি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘বেসিস হয়তো আইনিভাবে ফ্রিল্যান্সারদের এ রকম সনদ দেওয়ার যোগ্যতা রাখে, কিন্তু নৈতিকভাবে কি ফি বা চাঁদা রাখতে পারে? আর যদি রাখে এর বিনিময়ে কী সেবা দেওয়া হবে? ’
সংবাদ সম্মেলনে বেসিস কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ফ্রিল্যান্সারদের একই নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে এবং তাদের স্বীকৃতি দেবে বেসিস। তা ছাড়া যাচাই-বাছাই, অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ কাজের জন্য এই অর্থ সামান্য। অনেকেই এ ধরনের নিশ্চিত সেবা পেতে এর চেয়ে বেশি অর্থ খরচের জন্য প্রস্তুত থাকেন।
ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ইআরকিউ অ্যাকাউন্ট খুলতে বেসিসের অর্থ গ্রহণের কারণ ও যুক্তি দিয়ে শিগগিরই লিখিত বক্তব্য গণমাধ্যমে প্রকাশের তথ্য জানিয়েছে বেসিস।

গিগাবাইট জিএ-এক্স ৯৯-এসওসি চ্যাম্পিয়ন মডেলের গেমিং মাদারবোর্ড বাজারে এনেছে স্মার্ট টেকনোলজিস।ইনটেল কোর আই সেভেন এক্সট্রি...
13/06/2015

গিগাবাইট জিএ-এক্স ৯৯-এসওসি চ্যাম্পিয়ন মডেলের গেমিং মাদারবোর্ড বাজারে এনেছে স্মার্ট টেকনোলজিস।
ইনটেল কোর আই সেভেন এক্সট্রিম এডিশন প্রসেসর সমর্থিত এই মাদারবোর্ডে রয়েছে ডিডিআর ৪ চ্যানেল, জেনুইন ডিজিটাল পাওয়ার ডিজাইন, গোল্ড প্লেটেড সিপিউ সকেট, টার্বো এম ২ কানেক্টর, ১০ গিগাবিট ডেটা ট্রান্সফার, ইন্টেল গেমিং নেটওয়ার্কিং,২ এক্স কপার পিসিবি ডিজাইন, রিয়েলটেক অডিও, দীর্ঘস্থায়ী ব্ল্যাক সলিড ক্যাপস, ডুয়াল বায়োস এবং থান্ডারবোল্ট।
বিপণনকারী প্রতিষ্ঠানটির সূত্রে জানা গেছে, গিগাবাইটের গেমিং মাদারবোর্ডটির দাম পড়বে ৩২ হাজার টাকা। এটির সঙ্গে তিন বছরের বিক্রয়োত্তর সেবার নিশ্চয়তা দেবে তারা।

বামন গ্রহ হিসেবে পরিচিত প্লুটোর ছবি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থার (নাসা) অনুসন্ধানী নভোযান নিউ হরাইজনসের ক...
13/06/2015

বামন গ্রহ হিসেবে পরিচিত প্লুটোর ছবি ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে মার্কিন মহাকাশ সংস্থার (নাসা) অনুসন্ধানী নভোযান নিউ হরাইজনসের ক্যামেরায়। এটি বর্তমানে প্লুটো থেকে চার কোটি কিলোমিটারের কম দূরত্বে অবস্থান করছে। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৪ জুলাই প্লুটোর সবচেয়ে কাছ দিয়ে উড়ে যাবে নিউ হরাইজনস।
দূরপাল্লার ছবি তোলার জন্য নিউ হরাইজনসে যুক্ত রয়েছে এলওআরআরআই নামের বিশেষ ধরনের শক্তিশালী ক্যামেরা। এতে প্লুটোর পৃষ্ঠতলের সাম্প্রতিক কিছু ছবিতে বামন গ্রহটির কয়েকটি অঞ্চলকে কিছুটা উজ্জ্বল ও কিছুটা অন্ধকারাচ্ছন্ন দেখাচ্ছে। নিউ হরাইজনস যত এগিয়ে যাবে, এসব আলো-আঁধারি দূর হয়ে ছবিগুলো তত স্পষ্ট হবে বলে আশা করছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁদের ধারণা, প্লুটোপৃষ্ঠের ওই অঞ্চলগুলো কঠিন পদার্থে পূর্ণ।
নিউ হরাইজনসের প্রধান পর্যবেক্ষক এবং যুক্তরাষ্ট্রের কলোরাডো অঙ্গরাজ্যের বোল্ডারে অবস্থিত সাউথওয়েস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী অ্যালান স্টার্ন বলেন, সর্বশেষ ছবিগুলো অন্তত তিন কোটি মাইল দূরে থেকে তোলা হলেও সেগুলো প্লুটোর জটিল থেকে জটিলতর পৃষ্ঠতলের চিহ্ন তুলে ধরছে। আরও দেখা যাচ্ছে, প্লুটোর উত্তর গোলার্ধের অংশের প্রতিটি দিক ভিন্ন ভিন্ন বৈশিষ্ট্যের। সেখানে অন্ধকারাচ্ছন্ন অঞ্চলের চিহ্ন স্পষ্ট হচ্ছে, যদিও বামন গ্রহটির উজ্জ্বলতম ও অন্ধকারতম অঞ্চলের অবস্থান দক্ষিণ গোলার্ধে। তাই বিষয়টি রহস্যময়ই মনে হচ্ছে।
নিউ হরাইজনস এখন পৃথিবী থেকে প্রায় ৪৭০ কোটি কিলোমিটার দূরে এবং প্লুটো থেকে মাত্র ৩ কোটি ৯০ লাখ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। নভোযানটি যখন বামন গ্রহটির কাছে যাবে, তখন প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১৪ কিলোমিটার গতিতে পৌঁছাবে, যা সেখানকার কক্ষপথে প্রবেশের জন্য যথেষ্ট। কিন্তু তা না করে নিউ হরাইজনস স্বয়ংক্রিয়ভাবে দূর থেকেই প্লুটোকে পর্যবেক্ষণ করবে এবং সেখানকার অনেক ছবি ও তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করবে।
৩ হাজার ২০০ কিলোমিটার প্রশস্ত বামন গ্রহটির চাঁদ হিসেবে পরিচিত চ্যারন, স্টিক্স, নিক্স, কার্বেরোস ও হাইড্রা সম্পর্কেও ছবি ও তথ্য পাঠাবে।
২০০৬ সালের ১৯ জানুয়ারি নিউ হরাইজনসের যাত্রা শুরু হয়। প্রাথমিক অভিযানে এটি সাড়ে নয় বছর সময় নেবে বলে নাসা জানিয়েছে।

চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলাআট ও নয় দশমিক সাত ইঞ্চি মাপেরদুটি মডেলের ট্যাব বাজারে আনতেপারে স্যামসাং। গত বছরে বাজারেআসা...
04/06/2015

চলতি বছরে বিশ্বের সবচেয়ে পাতলা
আট ও নয় দশমিক সাত ইঞ্চি মাপের
দুটি মডেলের ট্যাব বাজারে আনতে
পারে স্যামসাং। গত বছরে বাজারে
আসা গ্যালাক্সি ট্যাব এস ৮ দশমিক
৪ ও ট্যাব এস ১০ দশমিক ৫ এর পরবর্তী
সংস্করণ হিসেবে এ বছর বাজারে
আসবে হালকা-পাতলা দুটি ট্যাব।
প্রযুক্তি বিষয়ক ওয়েবসাইট
টেকরাডার এক প্রতিবেদনে
জানিয়েছে, চীনের
টেলিকমিউনিকেশন ইকুপমেন্ট
সার্টিফিকেশন স্টোর স্যামসাংয়ের
দুটি মডেলের ট্যাবকে ছাড়পত্র দিয়ে
এবং নতুন ট্যাবের কিছু তথ্য প্রকাশ
করেছে। নতুন ট্যাব হিসেবে ট্যাব এস
২ এইটের এর ওজন হবে ২৬০ গ্রাম এবং
এর আকার হবে ১৯৮ বাই ১৩৪ বাই ৫
দশমিক ৪ মিলিমিটার। অর্থাৎ আট
ইঞ্চি মাপের ট্যাব এস ২ হবে পাঁচ
দশমিক চার মিলিমিটার পুরু। আট
ইঞ্চি মাপের এস ২ এর পাশাপাশি নয়
দশমিক সাত ইঞ্চি মাপের একটি
ট্যাবও বাজারে আনতে পারে
স্যামসাং।
ট্যাব এস ২ তে ট্যাবে থাকবে
অ্যামোলেড ডিসপ্লে যার রেজুলেশন
হবে ১৫৩৬ বাই ১০৪৮। অ্যান্ড্রয়েড
ললিপপ চালিত এই ট্যাবে অক্টাকোর
প্রসেসর ও তিন গিগাবাইট র্যাম
সুবিধা থাকবে। পেছনে আট ও সামনে
দুই মেগাপিক্সেলের ক্যামেরা
থাকবে এই হালকা-পাতলা। ১৬ জিবি
ইন্টারনাল স্টোরেজের পাশাপাশি
এতে এক্সটার্নাল মেমোরি কার্ড
ব্যবহারের সুযোগও থাকবে।

অভিনব এক ডকিং স্টেশনের ডিজাইনপেটেন্ট করিয়ে নেওয়ার জন্য আবেদনকরেছে দক্ষিণ কোরিয়ানইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট স্যামসাং।অ্যান্ড্রয়...
31/05/2015

অভিনব এক ডকিং স্টেশনের ডিজাইন
পেটেন্ট করিয়ে নেওয়ার জন্য আবেদন
করেছে দক্ষিণ কোরিয়ান
ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট স্যামসাং।
অ্যান্ড্রয়েড অপারেটিং
সিস্টেমচালিত যে কোনো
স্মার্টফোন বা ট্যাবলেটকে ওই ডকিং
স্টেশনে জুড়ে দিলেই স্বয়ংক্রিভাবে
উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে চলা
শুরু করবে ওই ডিভাইস।
প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল এক
প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ডকিং
স্টেশনের পেটেন্টের জন্য মার্কিন
পেটেন্টে অ্যান্ড ট্রেডমার্ক অফিসে
আবেদন করেছে স্যামসাং। আলাদা
কিবোর্ড আর স্ক্রিন থাকবে ওই
ডকিং স্টেশনে।
প্রযুক্তিবিষয়ক সাইট ম্যাশএবল
জানিয়েছে, ওই ডকিং স্টেশন
বাণিজ্যিক উৎপাদন করে ভালো
সাড়া পেতে পারে স্যামসাং।
স্মার্টফোন হিসেবে যেমন
অ্যান্ড্রয়েড ডিভাইসের জনপ্রিয়তা
বেশি, তেমনি ল্যাপটপের ওএস
হিসেবে অনেক ক্রেতার উইন্ডোজই
বেশি পছন্দ। স্যামসাংয়ের ডকিং
স্টেশনটির ব্যবহার করলে একই সঙ্গে
স্মার্টফোন আর ল্যাপটপ বহন করার
ঝক্কি থেকে রেহাই মিলতে পারে
ব্যবহারকারীর।
এই প্রযুক্তি ব্যবহারের জন্য
অ্যান্ড্রয়েড ও উইন্ডোজ, উভয়
অপারেটিং সিস্টেমই থাকতে হবে
ডিভাইসে। ডকিং স্টেশনে জুড়ে
দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ডিভাইসটিকে
উইন্ডোজ মোডে নিয়ে যাবে ওই
ডকিং স্টেশন। ডকিং স্টেশনের
স্ক্রিন আর কিবোর্ড দিয়ে সব কাজ
সারতে পারবেন ব্যবহারকারী।
পেটেন্টে ও ট্রেডমার্ক অফিসে
স্যামসাংয়ের আবেদন অনুযায়ী,
বাড়তি ট্র্যাকপ্যাড ও জুড়ে দেওয়ার
সুযোগ থাকবে ওই ডকিং স্টেশনে।
উইন্ডোজ ছাড়াও ভিন্ন অপারেটিং
সিস্টেম ব্যবহারের সুযোগও রাখা
হয়েছে পেটেন্টের আবেদনে।
স্যামসাং ডকিং স্টেশনটির
প্রযুক্তির পেটেন্ট করিয়ে নেওয়ার
জন্য আবেদন করলেও এর বাণিজ্যিক
উৎপাদন করবে কি না তার কোনো
নিশ্চয়তা নেই বলে জানিয়েছে
ম্যাশএবল। বরং স্যামসাং কোন
ধরনের প্রযুক্তি নিয়ে কাজ করে
যাচ্ছে সেদিকেই ওই পেটেন্ট
আবেদনটি ইঙ্গিত করে বলে
জানিয়েছে সাইটটি।

মোবাইল অ্যাপলিকেশনের সঙ্গে(অ্যাপ) গুগল মানচিত্রের সুবিধাটিকীভাবে সংযুক্ত করা যায়, অনলাইনবা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পুলিশসহা...
31/05/2015

মোবাইল অ্যাপলিকেশনের সঙ্গে
(অ্যাপ) গুগল মানচিত্রের সুবিধাটি
কীভাবে সংযুক্ত করা যায়, অনলাইন
বা ইন্টারনেটের মাধ্যমে পুলিশ
সহায়তা পাওয়ার উপায়গুলো কী হবে,
কারিগরি কাজগুলো মানসম্পন্ন হচ্ছে
কি—এমন নানা প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে
প্রস্তুতিপর্বে (গ্রুমিং সেশন) যোগ
দিয়েছেন রুকি কোডারস দলের
ফারজানা রশিদ। এমন সব
জিজ্ঞাসার জবাব মিলেছে গতকাল
শনিবার রাজধানীর গ্রামীণফোন
হাউস মিলনায়তনে ইএটিএল-প্রথম
আলো অ্যাপস প্রতিযোগিতা ২০১৫-
এর গ্রুমিং সেশনে।
প্রতিযোগিতার প্রথম পর্বে
নির্বাচিত ১০০টি দলের ৩২২ জন
প্রতিযোগী এই আয়োজনে অংশ নেন।
মোবাইল অ্যাপের
ব্যবহারোপযোগিতা, ব্যবহারকারীর
অভিজ্ঞতা ও মোবাইল গেমস নিয়ে
বিস্তারিত আলোচনা করেন
বিশেষজ্ঞরা। আলোচনা করেন
মোবাইল অ্যাপ বিশেষজ্ঞ এস
মাহবুব-উজ জামান, রায়হান আহমেদ,
আদিল নওশাদ এবং প্রথম আলোর যুব
কর্মসূচি সমন্বয়ক মুনির হাসান।
সকালে গ্রুমিং সেশনের উদ্বোধন
করেন এথিক্স অ্যাডভান্স
টেকনোলজিস লিমিটেডের (ইএটিএল)
ব্যবস্থাপনা পরিচালক এম এ মুবিন
খান। তিনি বলেন, ‘আগামী পাঁচ
বছরে ক্রমবর্ধমান মোবাইল অ্যাপের
চাহিদা মেটাতে সারা বিশ্বে ২৬
লাখের মতো মোবাইল অ্যাপ
নির্মাতার প্রয়োজন পড়বে। সে
উদ্দেশ্যে বাংলাদেশের হয়ে আমরা
এক লাখ অ্যাপ নির্মাতা গড়ে তুলতে
চাই। যারা দেশের অর্থনৈতিক
প্রেক্ষাপট বদলে দেবে।’
বিচারকমণ্ডলীর সমন্বয়ক রাজেশ
পালিত প্রথম আলোকে বলেন, ‘এ
আয়োজনটা একটু ব্যতিক্রম। সবার
মধ্যে থেকে নিজের কাজ দেখার ও
বোঝার সুযোগ আছে এখানে।
প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে সমস্যার
সমাধান, পরামর্শ এবং পরিকল্পনার
সীমাবদ্ধতা ও সম্ভবনা নিয়েও
আলোচনার সুযোগ রয়েছে।’ ২৫ জুনের
মধ্যে অ্যাপ তৈরি করে
প্রতিযোগীরা জমা দেবেন। সেখান
থেকে ২৫টি দলকে নির্বাচন করা হবে
পরবর্তী ধাপের জন্য।
বিকেলে আয়োজনের সমাপনীতে
ছিল সংগীতশিল্পী কিশোর ও
কোনালের গান।
রাফাত জামিল

28/05/2015

জিনগত উপায়ে পরিবর্তিত হার্পিজ
ভাইরাস ব্যবহার করে ত্বকের
ক্যানসারের পরীক্ষামূলক চিকিৎসায়
সাফল্য পেয়েছেন যুক্তরাজ্যের একদল
বিজ্ঞানী। ক্যানসারের কোষ ধ্বংস
করার প্রচেষ্টায় ভাইরাসভিত্তিক
ওষুধের কার্যকারিতা এই প্রথম প্রমাণ
হলো। এতে ক্যানসারের চিকিৎসায়
কোমোথেরাপির মতো পদ্ধতির
বিকল্প চালু হওয়ার সম্ভাবনাও
জোরালো হয়েছে।
লন্ডনের দি ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার
রিসার্চের ওই বিজ্ঞানীদের
গবেষণা প্রতিবেদন আমেরিকান
জার্নাল অব ক্লিনিক্যাল
অনকোলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত
হয়েছে। এতে বলা হয়, নতুন ওষুধটি
শরীরের রোগ প্রতিরোধব্যবস্থার
সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে। তাই
ওষুধটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
তুলনামূলক কম। এটি ত্বক ক্যানসারে
আক্রান্ত রোগীর বেঁচে থাকার
সময়সীমা তিন বছর পর্যন্ত বাড়িয়ে
দিতে পারে।
গবেষকদের ওই সাফল্যের ফলে ত্বক
ক্যানসারজনিত টিউমারের
(মেলানোমা) চিকিৎসায় টি-ভিইসি
(টেলিমোজিন ল্যাহেরপারেপভেক)
ইনজেকশনটি মার্কিন ও ইউরোপীয়
ওষুধ নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন
পেতে পারে। পরিণত মেলানোমায়
আক্রান্ত ৪৩৬ জন রোগীকে দৈবচয়ন
পদ্ধতিতে বাছাই করেন গবেষকেরা।
ওষুধ প্রস্তুতকারক মার্কিন প্রতিষ্ঠান
অ্যামজেনের তৈরি টি-ভিইসি
ইনজেকশনটি ওই রোগীদের সবাই
অন্তত ছয় মাস ধরে ব্যবহার করেন।
তাঁদের কয়েকজনের রোগটি ছয়
মাসের বেশি সময় নিয়ন্ত্রণে ছিল।
আর যাঁদের ক্যানসার অপরিণত
অবস্থায় রয়েছে, তাঁদের ক্ষেত্রে
ওষুধটির কার্যকারিতা তুলনামূলক
বেশি। মেলানোমা কম পরিণত
অবস্থায় রয়েছে—এমন ১৬৩ জন রোগীর
ওপর টি-ভিইসি ইনজেকশন প্রয়োগ
করে দেখা যায়, তাঁদের বেঁচে থাকার
গড় সময়সীমা ৪১ মাস। কিন্তু অন্য ওষুধ
গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে ওই গড়
সময়সীমা ২১ মাস ৫ দিন।
দি ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার
রিসার্চের গবেষক কেভিন
হ্যারিংটন বলেন, ক্যানসারের
চিকিৎসায় টি-ভিইসির মতো
ভাইরাসভিত্তিক ওষুধ প্রয়োগ করে
সাফল্য পাওয়ার ঘটনা অত্যন্ত
আনন্দের। এই ওষুধগুলো ক্যানসার কোষ
বা টিউমারের বিরুদ্ধে দ্বিমুখী
আক্রমণ গড়ে তোলে। ফলে কোষগুলো
সরাসরি মরে যায় এবং এগুলোর
বিরুদ্ধে রোগ প্রতিরোধব্যবস্থা আরও
শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
টি-ভিইসি নামের ওষুধটি তৈরির
জন্য হার্পিজ ভাইরাস থেকে দুটি
গুরুত্বপূর্ণ জিন অপসারণ করা হয়। ফলে
এটি মানবদেহের সুস্থ কোষের ওপর
আক্রমণের ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে
এবং কেবল ক্যানসার কোষকে আক্রমণ
করতে পারে। বর্তমানে প্রচলিত
ক্যানসারের চিকিৎসা-পদ্ধতিগুলোর
মধ্যে কেমোথেরাপি,
রেডিওথেরাপি ও অস্ত্রোপচার
উল্লেখযোগ্য। কিন্তু এগুলো প্রয়োগ
করে সেরে ওঠার পরও রোগীর শরীরে
নতুন করে ক্যানসার কোষ তৈরি
হওয়ার ঝুঁকি রয়ে যায়। নতুন পদ্ধতিটি
কেবল ত্বক ক্যানসারের ক্ষেত্রে
প্রয়োগ করা হলেও বিজ্ঞানীরা
আশা করছেন, এটির আদলে শরীরের
অন্যান্য অংশের ক্যানসারের
চিকিৎসাও বের করা যাবে।
যুক্তরাজ্যে যত ধরনের ক্যানসার
দেখা যায়, সেগুলোর মধ্যে মারাত্মক
ত্বক ক্যানসার (মেলানোমা) পঞ্চম
শীর্ষস্থানে রয়েছে। প্রতিবছর
দেশটিতে কমপক্ষে ১৩ হাজার
মানুষের শরীরে রোগটি শনাক্ত করা
হয়। আর এতে আক্রান্ত হয়ে সেখানে
বছরে অন্তত দুই হাজার মানুষের মৃত্যু
হয়। দি ইনস্টিটিউট অব ক্যানসার
রিসার্চের প্রধান নির্বাহী অধ্যাপক
পল ওয়ার্কম্যান বলেন,
ভাইরাসগুলোকে আমরা সাধারণত
মানবজাতির শত্রু মনে করি। কিন্তু
মানবদেহের কোষকে আক্রমণ করে
মেরে ফেলার যে ক্ষমতা তাদের
রয়েছে, সেটিকে কাজে লাগিয়েই
ক্যানসার রোগের সম্ভাবনাময়
চিকিৎসাপদ্ধতি উদ্ভাবন করা
হয়েছে।
কেবল যুক্তরাজ্যে নয়, মানুষের
চিকিৎসায় টি-ভিইসির পরীক্ষামূলক
প্রয়োগ হয়েছে কানাডা, যুক্তরাষ্ট্র ও
দক্ষিণ আফ্রিকায়ও। অধ্যাপক কেভিন
হ্যারিংটন আরও বলেন, সরাসরি
ক্যানসার কোষের ওপর
ভাইরাসভিত্তিক চিকিৎসা বা ওষুধ
প্রয়োগ করা হয়। ফলে কেমোথেরাপি
বা অন্যান্য চিকিৎসার তুলনায় নতুন
পদ্ধতিটির পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম।
সূত্র: এএফপি ও টেলিগ্রাফ।

টিভি হোয়াইট স্পেসের যথোপযুক্ত ব্যবহার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। এর ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ইন্টার...
26/05/2015

টিভি হোয়াইট স্পেসের যথোপযুক্ত ব্যবহার তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে। এর ফলে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে ইন্টারনেট সংযোগের বাইরে থাকা কোটি কোটি মানুষ পাবে ব্রডব্যান্ড সুবিধা। চলতি মাসে ফিলিপাইনের ম্যানিলায় অনুষ্ঠিত প্রযুক্তিবিষয়ক এক সম্মেলনে তুলে ধরা হয় টিভি হোয়াইট স্পেস ব্যবহারের বিষয়টি।টিভি হোয়াইট স্পেস কী?

তারহীন স্পেকট্রামে অব্যবহৃত তরঙ্গগুলোই হোয়াইট স্পেস, যা ‘সুপার ওয়াই-ফাই’ হিসেবে কাজ করতে পারে। বাফারিংয়ের স্বার্থে টেলিভিশন নেটওয়ার্কগুলো চ্যানেলগুলোর মধ্যে জায়গা রেখে দেয়। এই জায়গাগুলো ফোর-জিতে ব্যবহৃত জায়গার মতো। সুতরাং, এগুলো বড় পরিসরে ব্রডব্র্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ দেওয়ার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা যেতে পারে।
প্রচলিত কোনো প্রযুক্তির সঙ্গেই এর মিল নেই। কারণ, টিভিগুলোর প্রোগ্রামিংয়ের জন্য যেসব তরঙ্গ বরাদ্দ দেওয়া হয়, একই তরঙ্গ ব্যবহার করে এই প্রযুক্তি। প্রান্তিক-ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছাতে এর রয়েছে স্পেকট্রাম সুবিধা।

পরিবেশগত বঁাধার মধ্যেও কাজ করতে সক্ষম
যেভাবে এটা কাজ করে
রুরালকানেক্ট সংযোগ কেন্দ্র
এন্টেনা
রুরালকানেক্ট
গ্রাহক ইউনিট
ব্রডব্যান্ড সংযোগ
১০ কি.মি
১. রুরালকানেক্ট রেডিও নিজ এলাকায় প্রাপ্য সব চ্যানেলের তালিকা সংবলিত অনলাইন ডেটাবেইস খোঁজ করে।

২.ডেটাবেইস সেই ফাঁকা চ্যানেলগুলোর তালিকা দিয়ে দেয়, যেগুলো রুরালকানেক্টের সঙ্গে সংযুক্ত হওয়ার ক্ষেত্রে কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে না।

৩.বেস স্টেশন গ্রাহকের রেডিওতে একটা সংকেত পাঠিয়ে দেয়। এতে সংযুক্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

একবার সংযুক্ত হলেই

প্রচলিত ওয়াই-ফাই রাউটার ৫০০ মিটার জায়গাকে (২.৪ ও ৫x‍‍ গিগাহার্টজ) নেটওয়ার্কের আওতায় আনতে সক্ষম। টিভি হোয়াইট স্পেস নেটওয়ার্ক পারে ১০ কিলোমিটার (৪৭০-৭০০ মেগাহার্টজ)

জায়গাকে।

গ্রামীণ এলাকাতেও শক্তিশালী সংকেত পাঠাতে সক্ষম এই প্রযুক্তি

মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) জন্য ইন্টারনেটে কাজ দেওয়া-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ওডেস্ক-ইল্যান্সের নাম বদলে গেছে।...
26/05/2015

মুক্ত পেশাজীবীদের (ফ্রিল্যান্সার) জন্য ইন্টারনেটে কাজ দেওয়া-নেওয়ার জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ওডেস্ক-ইল্যান্সের নাম বদলে গেছে। এখন এর নাম হয়েছে আপওয়ার্ক (www.upwork.com)।
শুধু নামই নয়, সম্পূর্ণ নতুন ধরন নিয়ে এসেছে আপওয়ার্ক। ব্যাপক পরিবর্তনও আনা হয়েছে নতুন এ নেটওয়ার্কে। গত মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে নাম পরিবর্তনের ঘোষণা দিয়েছে ইল্যান্স-ওডেস্ক কর্তৃপক্ষ। আপওয়ার্কের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা স্টেফান কারসিয়েল জানিয়েছেন, ফ্রিল্যান্সিং জগতে নতুন একটি অধ্যায় সূচনা করতেই নতুনভাবে কাজ শুরু করতে যাচ্ছে আপওয়ার্ক। নতুন নানা ধরনের সুবিধা যুক্ত হয়েছে এতে, যাতে মেধাবী ও দক্ষ পেশাজীবীরা বিশ্বের যেকোনো প্রান্ত থেকে আরও সহজে কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি প্রতিষ্ঠানগুলোও দক্ষ কর্মী নিয়োগ দিতে পারবে।
ইতিমধ্যে ইল্যান্স-ওডেস্ক থেকে বছরে ১০০ কোটি ডলারের বেশি উপার্জন করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফ্রিল্যান্সাররা। আগামী ছয় বছরের মধ্যে আপওয়ার্কের মাধ্যমে এই আয় এক হাজার কোটি ডলার ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এক পরিসংখ্যানে জানানো হয়েছে, বিভিন্ন দেশের কাজদাতারা ইতিমধ্যেই ইল্যান্স-ওডেস্ক ব্যবহার করে বছরে প্রায় ৩০ লাখের বেশি কাজের ফরমায়েশ দিয়েছেন। এ ছাড়া নির্দিষ্ট কাজের ক্ষেত্রে কর্মী নিয়োগের জন্য এই ওয়েবসাইটে কর্মী খুঁজেছেন ১০ কোটি বারেরও বেশি।
নতুন নামকরণকে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনা বলে উল্লেখ করেছেন স্টেফান। তাঁর মতে, এখন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য নতুন কাজের সুযোগ বাড়বে। আপওয়ার্কের মাধ্যমে নতুন উদ্ভাবন ও নতুনত্ব আনার মাধ্যমে অনলাইনে কাজের বাজার আরও প্রসারিত করার ব্যাপারে কাজ করে যাবে আপওয়ার্ক।
আপওয়ার্কে কর্মী নিয়োগের পদ্ধতিটি সহজ করা হচ্ছে। পাশাপাশি দ্রুত যোগাযোগ-সুবিধা ও আপওয়ার্কের নতুন ‘রিয়াল-টাইম কমিউনিকেশন’ বৈশিষ্ট্য নির্দিষ্ট কাজকে দ্রুত সম্পন্ন করার সুযোগও দিচ্ছে।
এ ছাড়া আপওয়ার্কের নতুন মোবাইল অ্যাপের মাধ্যমে সাইটের অনেক কাজ খুব সহজেই করে নেওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। থাকছে সরাসরি গ্রুপভিত্তিক যোগাযোগ ব্যবস্থা। আপওয়ার্ক ব্যবহারকারী না হলেও যোগাযোগের জন্য বিশেষ ‘চ্যাট টুলটি’ সবাই ব্যবহার করতে পারবেন।

নারীদের জন্য আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ বৃত্তিনারীর হাতে সুন্দর আগামী’ স্লোগান নিয়ে আর আর ফাউন্ডেশন নিজস্ব অর্থায়নে ১২০ জন ন...
26/05/2015

নারীদের জন্য আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণ বৃত্তি
নারীর হাতে সুন্দর আগামী’ স্লোগান নিয়ে আর আর ফাউন্ডেশন নিজস্ব অর্থায়নে ১২০ জন নারীকে আউটসোর্সিং প্রশিক্ষণের বৃত্তি দিচ্ছে। ফলে এই নারীরা বিনা মূল্যে ফ্রিল্যান্সিং আউটসোর্সিং শিখতে পারবেন।
ওয়েব ডিজাইন ও ডেভলপমেন্টে ৭৫ জন এবং গ্রাফিক ডিজাইনে ৪৫ জন নারীকে পরীক্ষার মাধ্যমে এ বৃত্তির জন্য নির্বাচন করা হবে। নিবন্ধন করতে হবে http://reg.rrfinstitute.com ঠিকানার ওয়েবসাইট থেকে।

জাপানের একদল বিজ্ঞানী মহাশূন্য থেকে সৌরশক্তি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে এনে ব্যবহার করতে চান। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্...
25/05/2015

জাপানের একদল বিজ্ঞানী মহাশূন্য থেকে সৌরশক্তি সংগ্রহ করে পৃথিবীতে এনে ব্যবহার করতে চান। আর সেই পরিকল্পনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে তাঁরা নির্মাণ করছেন একটি বিশেষ ধরনের মহাকাশযান। এতে প্রতি পাশে অন্তত এক দশমিক দুই মাইল লম্বা বর্গাকার সৌর প্যানেল থাকবে, যা সূর্য থেকে শক্তি সংগ্রহ করে ক্ষুদ্র তরঙ্গের (মাইক্রোওয়েভ) মাধ্যমে পৃথিবীতে পাঠাবে।
জাপান অ্যারোস্পেস এক্সপ্লোরেশন এজেন্সির গবেষকেরা সৌরশক্তির মতো নবায়নযোগ্য জ্বালানির একটি সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা করছেন। আর সেই সীমাবদ্ধতাটি হচ্ছে সৌরশক্তি রাতের বেলায় সক্রিয় থাকে না এবং খারাপ আবহাওয়ায় পর্যাপ্ত শক্তির জোগান দিতে পারে না। তবে গবেষকেরা মহাকাশে স্থাপন ও ব্যবহারের উপযোগী যে সৌরশক্তি ব্যবস্থা (এসএসপিএস) তৈরি করছেন, সেটি আবহাওয়ার প্রভাবমুক্ত থাকবে এবং সব সময় সূর্যের মুখোমুখি অবস্থান করে পৃথিবীভিত্তিক সৌর প্যানেলের চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি শক্তি উৎপাদন ও সরবরাহ করতে সক্ষম হবে।
জাপানের গবেষক দলের একজন প্রকৌশলী দাইসুকে গোতো বলেন, এসএসপিএসের একটি ইউনিট একটি পারমাণবিক চুল্লির প্রায় সমান শক্তি উৎপাদন করতে পারবে বলে তাঁরা অনুমান করছেন। তাই আশা করা যায়, এই এসএসপিএস মানুষের জ্বালানি চাহিদার সবটুকু পূরণ করতে না পারলেও ভবিষ্যতের জ্বালানির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।
মহাকাশভিত্তিক সৌরশক্তি উৎপাদন ব্যবস্থার ধারণা যুক্তরাষ্ট্রসহ বেশ কয়েকটি দেশের গবেষকদের মাথায় আসে সেই ১৯৮০-এর দশকে। কিন্তু প্রযুক্তির সুবিধা অপর্যাপ্ত হওয়ায় এটি অন্যান্য প্রকল্পের আড়ালে পড়ে যায়। গোতো বলেন, মহাকাশযান থেকে পৃথিবীতে সৌরশক্তি পাঠানোর ব্যবস্থা তৈরি করাটাই সবচেয়ে কঠিন কাজ।
পরীক্ষামূলক এক গবেষণায় জাপানের মহাকাশবিজ্ঞানীরা ১ দশমিক ৮ কিলোওয়াট বিদ্যুৎশক্তি মাইক্রোওয়েভে রূপান্তরিত করে অন্তত ১৮০ ফুট দূরের একটি অ্যান্টেনায় পাঠাতে সক্ষম হন। সেখানে ওই মাইক্রোওয়েভকে আবার বিদ্যুৎশক্তিতে রূপান্তরিত করা সম্ভব হয়। মাইক্রোওয়েভকে বেছে নেওয়ার কারণ হচ্ছে, এগুলো সরলরেখায় চলে এবং ঘন মেঘের আবরণ ভেদ করে যেতে পারে।
পৃথিবীতে অবস্থানকারী গ্রহীতা (রিসিভার) কীভাবে সেই সৌরশক্তিকে ‘বন্দী’ করবে সেটিও বিজ্ঞানীদের কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, তাঁদের প্রস্তাবিত রিসিভারটির ব্যাস হবে এক মাইলের মতো। এটি সমুদ্রে ভাসমান অবস্থায়ও রাখা যেতে পারে। আর সেখান থেকেই বিদ্যুতের গ্রিডের সঙ্গে রিসিভারটির সংযোগ দেওয়া হতে পারে। মহাকাশে এসএসপিএসের জন্য বিভিন্ন উপকরণ পাঠানো এবং সেখানে সংযুক্ত করার কাজটাও একইভাবে কঠিন হবে বলে মনে করছেন গবেষকেরা। মহাশূন্যে এসব যন্ত্রপাতি রক্ষণাবেক্ষণ ও ঠিকঠাক করার জন্য যন্ত্রমানব বা রোবট নিয়োগ করতে হবে। গবেষকদের আশা, সৌর প্যানেলযুক্ত প্রতিটি নভোযানের কার্যকারিতার মেয়াদ হবে ৪০ বছর। সাম্প্রতিক গবেষণায় অনেক অগ্রগতি হলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এসএসপিএসের কাজ শুরু হতে আরও অন্তত ৩০ বছর লাগতে পারে।

বাংলাদেশের বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে থ্রিডি প্রিন্টার ও থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি সেবা। বাংলাদেশে থ্রিডি প্রিন্টার বিপণন ...
24/05/2015

বাংলাদেশের বাজারে এখন পাওয়া যাচ্ছে থ্রিডি প্রিন্টার ও থ্রিডি প্রিন্টিং প্রযুক্তি সেবা। বাংলাদেশে থ্রিডি প্রিন্টার বিপণন করছে টেকনোনিডস নামের তরুণ উদ্যোক্তাদের একটি প্রতিষ্ঠান।

প্রিন্টারের নাম শুনলেই চোখের সামনে ভেসে ওঠে কাগজের ওপর কালি দিয়ে কোনো কিছু প্রিন্ট করার দৃশ্য। কিন্তু থ্রিডি প্রিন্টার এমন একটি প্রযুক্তি যাতে কাগজ বা কালির ব্যবহার নেই। কোনো জিনিসকে কাগজের ওপর প্রিন্ট না করে সম্পূর্ণ বস্তুটি বাস্তবে তৈরি করে ফেলতে পারে। সাধারণ প্রিন্টারে ব্যবহার হয় কালি আর থ্রিডিতে ব্যবহার হয় বিভিন্ন ধরনের প্লাস্টিক। সুতরাং যা প্রিন্ট করা হয় সেগুলো তৈরি হয় প্লাস্টিক দিয়ে।
বাংলাদেশে থ্রিডি প্রিন্টার বিপণন করছে টেকনোনিডস নামের একটি প্রতিষ্ঠান। গত বছর বাংলাদেশে থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের পরিপূর্ণ সমাধান নিয়ে তরুণ উদ্যোক্তাদের এই প্রতিষ্ঠানটি। টেকনোনিডস থ্রিডি প্রিন্টার বিক্রির পাশাপাশি থ্রিডি প্রিন্টিং সেবাও দেয়। তাইওয়ান থেকে আমদানি করা পাঁচটি মডেলের প্রিন্টারগুলোর দাম শুরু ৯৫ হাজার টাকা থেকে। এ ছাড়া থাকছে এক বছরের সার্ভিস ওয়ারেন্টি আর রেডি স্টকে থাকা বিভিন্ন রঙের প্রিন্টিং কার্টিজ।
উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে চার বন্ধু পথ চলার শুরু করেন টেকনোনিডসের মাধ্যমে। ইমরান আহমেদ আর আরিফুল হক এসেছেন খুলনা ইউনিভার্সিটি থেকে ফার্মেসি বিভাগে অধ্যয়ন শেষ করার পর। আমির জুবায়ের এসেছেন ইউনিভার্সিটি অব এশিয়া প্যাসিফিকের সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর আর খালিদ সালাউদ্দিন বর্তমানে ইসলামি ইউনিভার্সিটিতে সিএসইতে অধ্যয়নরত আছেন। তিনটি ভিন্ন পেশা থেকে আসা চারজন একত্র হয় দেশেই নতুন ধরনের ইলেকট্রনিক সামগ্রী, বিশেষ করে ফার্মাসিউটিক্যালস এ প্রয়োজনীয় ইলেকট্রিক্যাল ও ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্ট তৈরির লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। নিজেদের ডিজাইন করা নতুন ধরনের পণ্য তৈরির উদ্দেশ্যেই দেশে থ্রিডি প্রিন্টার আনেন তারা। বাংলাদেশে থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ব্যবসা উদ্যোগ নিয়েছেন তাঁরা।
উদ্যোক্তা ইমরান আহমেদ বলেন, থ্রিডি প্রিন্টিংয়ের ধাপ দুইটি। প্রথমত, যা প্রিন্ট করতে চান তার একটি থ্রিডি মডেল আপনার কাছে থাকতে হবে। যেকোনো থ্রিডি মডেল সফটওয়্যারে এটি তৈরি করে নেওয়া যায়। থ্রিডি মডেলিং না জানলেও ঘাবড়াবার কিছু নেই। ইন্টারনেটে অসংখ্য থ্রিডি মডেল বিনা মূল্যেই পাওয়া যায়। যেভাবে গান অথবা ছবি ইন্টারনেট থেকে ডাউনলোড করা হয় সেভাবে এই মডেলগুলো ডাউনলোড করে নিতে হয়। এরপর থ্রিডি প্রিন্টার সফটওয়্যার দিয়ে ওপেন করে প্রিন্ট দিলেই প্রিন্টারে কমান্ড বা নির্দেশনা চলে যাবে। এর পর স্তরে স্তরে প্রিন্ট করে সম্পূর্ণ বস্তুটি তৈরি করে দেবে প্রিন্টার।
ইমরান বলেন, নানা ক্ষেত্রে থ্রিডি প্রিন্টার ব্যবহৃত হচ্ছে। গবেষণা থেকে শুরু করে ড্রোন বানানো পর্যন্ত। বাড়ির নকশা, খেলনা, বিজ্ঞান প্রকল্প থেকে শুরু করে দরকারি ও শৌখিন অনেক বস্তুই এই প্রিন্টারে প্রিন্ট করিয়ে নেওয়া যায়। দুর্ঘটনায় হাড় ভাঙলে থ্রিডি প্রিন্টারে প্রিন্ট করিয়ে নেওয়া যাবে কৃত্রিম হাড়। রোবট নিয়ে যদি কেউ কাজ করতে চান তারও দরকার এই প্রিন্টার।
ইমরান বলেন, কেবল প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি বস্তুই নয়, থ্রিডি প্রিন্টারে প্রিন্ট করানো যাবে খাবার। এগুলো থ্রিডি ফুড প্রিন্টার। খাবারের উপাদান এতে যুক্ত করবেন সুন্দরভাবে আপনাকে সেই খাবার প্রিন্ট করে দেবে ফুড প্রিন্টার। শিগগিরই দেশের বাজারে এই প্রিন্টার বিক্রি শুরু করবে টেকনোনিডস।

Address

36/1, Kazi Nazrul Islam Road, Courtpara
Kushtia

Opening Hours

Monday 06:00 - 22:00
Tuesday 06:00 - 22:00
Wednesday 06:00 - 22:00
Thursday 06:00 - 22:00
Friday 06:00 - 22:00
Saturday 06:00 - 22:00
Sunday 06:00 - 22:00

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when IT CORD posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share