09/06/2021
১. একটি জায়নামাজ কিনে মসজিদে রেখে আসুন...। কেউ তাতে নামাজ আদায় করলেও আপনি সেই আমলের জন্য পুরস্কারের ভাগীদার হবেন!
২. একটি পাত্রে কিছু পরিষ্কার পানি জানালায় রেখে দিন...। পাখিদের তৃষ্ণা মিটলেও আপনি পুরস্কৃত হবেন। এটাকে অভ্যাসে পরিণত করুন।
৩. অব্যবহৃত পোশাকগুলো ঘরের কোনো জমিয়ে না রেখে দরিদ্র কাউকে দিয়ে দিন। বিগত ছয় মাসে যেটি একবারও পরা হয়নি, সেটির আসলে কোনোই প্রয়োজন নেই।
৪. বাসায় একটি মাটির ব্যাংক রাখুন। যখনই মনে হবে যে, আপনি হয়ত কোনো অন্যায় বা ভুল কাজ করেছেন, তখনি তাতে দান-এর নিয়তে সাধ্যমতো অর্থ রাখুন। কিছুদিন পরপর তা কোনো অভাবগ্রস্থকে দিয়ে দিন। এতে করে একদিকে নিজের ভুলগুলোর পরিমাণ বুঝতে পারবেন এবং অনুতপ্ত হয়ে নিজেকে সংশোধনের জন্য পথও খুঁজে পাবেন।
৫. ততক্ষণ পর্যন্ত ঘুমাবেন না- যতক্ষণ পর্যন্ত আপনাকে যারা কষ্ট দিয়েছে, তাদের ক্ষমা না করছেন!
৬. আপনার হাত-খরচের একটা অংশ দিয়ে এতিমদের সহায়তা করুন। কমপক্ষে দু’জনকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হতে সার্বিক সহযোগিতা করুন; তারাও যাতে ভবিষ্যতে দু’জনের দায়িত্ব নেয়- সেই অঙ্গীকার আদায় করুন।
৭. আপনার বাড়ির আশপাশে কর্মরত শ্রমিকদেরকে সময় সুযোগমতো সাধ্যানুযায়ী শীতল পানি বা খাবার দিয়ে আপ্যায়িত করতে পারেন। এজন্যও আপনি পুরস্কৃত হবেন।
৮. মসজিদে কোরআন শরীফ ও ধর্মীয় বই-পুস্তক দিতে পারেন। কেউ যখন অন্তত একটি অক্ষর পাঠ করবেন, তার জন্যও সওয়াব লিখিত হবে আপনার আমলনামায়।
৯. আপনার পানকৃত গ্লাসে পানি অবশিষ্ট থেকে গেলে তা ফুলদানির পাত্রে ঢেলে দিন, কোনো অবস্থাতেই অপচয় করবেন না।
১০. অসুস্থ আত্মীয় কিংবা পরিচিতদের দেখে আসুন। একটু হাসুন, কথা বলুন। মৃদু হাসি বিনিময় করাটাও সদকা।
১১. বাড়িতে ঢোকা ও বের হওয়ার পথে দোয়া লিখে রাখুন। যে কেউ এই দোয়াগুলো পাঠ করলে আপনি সওয়াবের ভাগীদার হবেন।
১২. কাউকে এক অক্ষর হলেও দীন শিক্ষা দিন। সেই ব্যক্তির মাধ্যমে তার পরের প্রজন্ম যখন এই দীন অর্জন করবে, তার সওয়াব মৃত্যুর পরেও আপনার কবরে পৌঁছাবে।
১৩. নিয়মিত পাঠাভ্যাস গড়ে তুলুন। কেননা মহামানবের মাধ্যমে স্রষ্টার প্রথম বাণীই ‘পড়ো’। জ্ঞানচর্চাও ইবাদততূল্য।
১৪. মসজিদ, মাদ্রাসা, চিকিৎসালয় স্থাপনে যথাসাধ্য সহায়তা করুন। গাছ লাগান, নলকূপ বা সুপেয় পানির বন্দোবস্ত করতে পারেন। আপনার মৃত্যুর পরেও মদজিদ, মাদ্রাসা দীন শিক্ষা দিতে থাকবে, চিকিৎসালয়ে রোগী সেবা পেতে থাকবে, গাছ থেকে সকল জীব অক্সিজেন ও খাবার পাবে, পান করার পানি পাবে। এ সকল কিছু সদকায়ে জারিয়া। মৃত্যুর পরেও এগুলো আপনাকে পরকালের জন্য ধনী করতে থাকবে।
১৫. সন্তানদেরকে উত্তম সন্তান হিসেবে গড়ে তুলুন। দীন এবং মানবতার শিক্ষা দিন। এদের দোয়া কবর পর্যন্ত পৌঁছাবে, আপনার থেকে প্রাপ্ত শিক্ষা এদের সঠিক মানুষ হতে সাহায্য করবে।