Universal Computer Center

NU Degree Admission From 2015-2016
17/11/2015

NU Degree Admission From 2015-2016

14/11/2015
NU Admission Result is Available
13/11/2015

NU Admission Result is Available

07/11/2015

বর্ষাঃ শেষ পর্যন্ত তুমিও চুটিয়ে প্রেম করলে রুদ্র? আজকাল তো প্রেমের কথা পেটের ভেতরেই রাখতে হয় পুরে… বলতেও লজ্বা হয় আর ভাবতে তো কথাই নেই।
রুদ্রঃ আফা কি আর কমু কন…গরীবের তো ঐ একখান জমিন, আসমান, সাগর-নদী।
বর্ষাঃ সব বুঝলাম এবার বলো তো তুমি কার সাথে প্রেম করছো ?
রুদ্রঃ আফা হাইসেন না, কতা দিতে ওইব।
বর্ষাঃ কি এমন কথা বলবে যে সে কথা শুনে আমি হাসবো ? মেয়েটি দেখতে কেমন ?
রুদ্রঃ আফা সে দেখতে খুব সুন্দর, ঠিক কোকিলের লাহান। কি সুন্দর চোখ, গতর গাও বেশ লাতুস লুতুস…. এক বচর হইবো তার সাথে দেখা হইচে। যতদিন যাইতেছে ততই পাগল হইতাছি।
বর্ষাঃ আচ্ছা এবার বলো শুনি তোমার সেই মেয়ের নামটি কি ?
রুদ্রঃ আবারও কইতাছি হাইসেন না কিন্তু আফা…
বর্ষাঃ আচ্ছা কথা দিলাম আমি হাসব না। তুমি বলো..?
রুদ্রঃ আফা সে মাইয়া না…সে এক পোলা। তার নাম আরমান, মানে আরমানউজ্জামান। হগলতেই আরমান বইলা ডাকে। (খিলখিল করে হেসে উঠল বর্ষা।) আফা আগেই আপনারে কইছি হাসবেন না… আমি লজ্জ্বা পাই।
বর্ষাঃ ও আচ্ছা…তা তুমি ছেলের সাথে প্রেম করো।
রুদ্রঃ ক্যান আফা ছেলেদের সাথে প্রেম-টেম হয় না। হেও তো মানুষ আমিও তো মানুষ। মানুষে মানুষেই তো প্রেম হয়।
বর্ষাঃ রুদ্র সেটা বলছি না আমি তো মনে করেছি তুমি একজন মেয়ের প্রেমে পড়েছো। প্রেম ভালবাসা আসলে সবার সাথেই হতে পারে। বাবা-মা, ভাই-বোন ইত্যাদি ইত্যাদি। যাক ভাল লাগলো তোমার সাথে বলে। এটাই হলো বন্ধুত্ব।
রুদ্রঃ হাসা কইছেন আফা ?
বর্ষাঃ হ্যাঁ, সত্যি বলছি।
রুদ্রঃ আপনের লগে কতা কইয়া অনেক ভালা লাগছে আফা। আপারে খুব ভালা লাগে আমার। বন্ধু হইবেন আমার। তয় প্রেম টেম করুম না। মাইয়াদের লগে প্রেম-টেম করা ভালা না। প্রেম-টেমের থাইকা বন্ধু অওয়া বেশি ভালা।
বর্ষাঃ রুদ্র এই কথাগুলো কোথা থেকে শিখেছো বা জেনেছো?
রুদ্রঃ ক্যান আফা আপনি বই পড়েন না, আমি তো আরমান ভাইয়ের বই পইড়া এইগুলো শিখছি। তার বইয়ের নাম কি দিসে হুনবেন ?
বর্ষাঃ কি নাম দিয়েছে রুদ্র ?
রুদ্রঃ “স্পর্শের অনুভব” আফা। তয় বইয়ের কথাগুলো খুব অনুভতির।
বর্ষাঃ খুব পাকা পাকা কথা শিখেছো দেখি তুমি।
রুদ্রঃ আফা হগলতেই তো পাঁকা পাঁকা কতা কয়। কেউ মনের ভেতর লুকাইয়া রাখে মনের কথাগুলা, কেউ ডাইরেক্ট কইয়া ফালায়। ডাইরেক্ট কওনটা আমার খুব ভালা লাগে। তুতুমুতু করতে ভালা লাগে না। মনের ভেতর আটকা থাকলে পরান ধরপর করে শুদু।
বর্ষাঃ খুব পেঁকেছো তুমি দেখছি। তা তুমি কি এমন কাউকে দেখেছো বা পেয়েছো যে ডাইরেক্ট কথাগুলো বলতে চাও।
রুদ্রঃ মেলা খুঁজেছি পাই না, তয় পাইয়া গেছি মনে ওয়।
বর্ষাঃ তাই নাকি ? তাহলে তো তোমার কপালা ভাল দেখছি।
রুদ্রঃ কপাল ভালা না মন্দ হেডাই তো বুঝতাছি না।
বর্ষাঃ ক্যান রুদ্র?
রুদ্রঃ যদি পায়ের চটি আমার মুখে লাগে। তয় কি করুম, হেডাই ভাবতাছি। তয় যদি এমন হয়, খোদার কসম…তার একদিন কি আমার একদিন।
বর্ষাঃ কি করবে তুমি ?
রুদ্রঃ কিছু কতা কইয়া দিমু। যে কতা গুলা তার সব সময় কানের কাছে ভাসবো।
বর্ষাঃ রুদ্র ভয় নেই তোমার, ভালো কথা বললে কেউ খারাপ কথা বলে না। যদি তুমি ভালভাবে বোঝাতে পারো, তবে সে অবশ্যই বুঝবে। আর যদি না হয় তাহলে তোমাকে বোঝাবে। এটাই ভাল মেয়েদের কাজ। (রুদ্র মাটির দিকে খেয়াল করে রয়েছে। মনে হয় কিছুই শুনেনি। আবার সব কথাই শুনেছে।)কি রুদ্র তুমি এভাবে চুপ হলে কেন ? ও মা একি ? তোমার চোখে পানি কেন ? মনের কথা বলবে আর এমন করে এখনি কাঁদছো? তুমি কথা না বললে কিন্তু আমি আর এখানে বসে থাকবো না। তোমার কথাও শুনবো না। (দুটি হাত দিয়ে রুদ্র চোখের পানি মুছে নিয়ে বর্ষার সামনা সামনি হলো।)

রুদ্রঃ আফা, মনের কথাগুলা নিয়া নয়, ভয় পাই। এখান যেভাবে তার সাথে চলি, কতা কই, আর আমার কতা যদি সে না মানে, তয় তার লগে কি এখনকার মতো কথা কওন যাইবো।
বর্ষাঃ এটাই তো ভাল একটি কথা বলেছো। সে ভাল হলে অবশ্যই বলবে। তোমার ভয় নাই। তা এবার বলো দেখি সেই মেয়েটির নাম কি ? তবে আগের বারের মতো কিন্তু ছেলের নাম বলবে না।

রুদ্রঃ না, আফা আর কমু না। হাছা কতাই কমু। আপনের ব্যাগ থেকে ঐ পানি বোতল দিবেন। খুব তিয়াস পাইছে। একটু গলা ভিজাই। (বোতলের মুখ খুলে গলগল করে ৫০০ মিলিঃ বোতলের প্রায় শেষ করে দিলো।)
বর্ষাঃ একি তুমি সব পানি খেয়ে নিলে।
রুদ্রঃ আফা আছে তো একটু।
বর্ষাঃ আচ্ছা বলো, তোমার সেই মেয়েটির নাম।
রুদ্রঃ সত্যি কমু আফা, অভয় দেন।
বর্ষাঃ দিলাম, কোন ভয় নেই বলতে পারো। (অনেকক্ষন চোখ বন্ধ করে রয়েছে রুদ্র।) কি রুদ্র তুমি বলবে না? আমি উঠলাম।

(তবুও রুদ্রের মুখে কথা ফোটে না, বর্ষা এক পা দু করে কয়েক কদম এগিয়েছে। বর্ষা তার আপন গতিতে চলতে থাকে। না বলা কথাগুলো বলা হলো না রুদ্রের। অনুভবেই রয়ে গলে রুদ্রের ভালবাসা নামক সেই বর্ষা। যেন আষাঢ়ের বানে ভাসিয়ে নিয়ে গলে রুদ্রের দেহ মন।)

মানুষ মাত্রই স্বপ্ন দ্যাখে ঘুমের গভীর আবেশে, দৃশ্যমান প্রতিটি স্বপ্ন¨ মানুষকে করে তুলে উৎফুল্ল, শিহরিত এবং কোন না কোন সময় বেদনাহত। অথচ এসব দৃশ্যমান প্রতিটি স্বপ্নেই রয়েছে কোন না কোন অজানা কথা……….যা হৃদয়কে প্রলম্ভিত করে তোলে।

নীল আকাশ কালো হয়ে গেছে
অবিশ্রান্ত বৃষ্টি আর বিকেলের এক ঝলোক রোদ
বিষন্নতা যেন প্রকৃতির কোল জুড়েছে,
কেন যেন প্রিয় হারানোর আর্তনাদ
প্রকৃতির এমন বেদনা যেন ভাষাহীন অন্ধকারে বৃষ্টিপাত।

বৃষ্টি কি শুধুই আনন্দের ?
নাকি দু’জনার অনুভূতি
জানি বৃষ্টি কাঁদতে জানে,
জানে কাঁদাতে তাই আকাশ কাঁদে
কাঁদি আমরাও নিয়ে আনন্দ বেদনার অনুভূতি
ঠিক তুমিও তাই, আষাঢ়ের বর্ষা।

তোমার প্রতিটি বেদনাই আমার নিকট অকৃত্রিম সুখ
যখন বুঝতে পেরেছি, জানতে পেরেছি তুমিই আমার ভালবাসা
ঠিক তখন থেকেই বৃষ্টিকে স্পর্শ করি অনুভব করি তোমার স্পর্শ
তোমাকে দেখি অধির আগ্রহে আমার পানে চেয়ে থাকো
বুঝে পারি তোমার মন খারাপ,
আমার মতো তুমিও কাঁদো কিন্তু
জানি তোমার কান্না ঐ আকাশ থেকে ঝরে পড়া জলরাশি
আর আমার তোমাকে না পাওয়ার বেদনা, বলতে না পেরে গ্রহণ করেছি যন্ত্রণা।

07/11/2015

ফেলে আসা দিন
নিয়ে যায় স্মৃতির জানালায়
সেই প্রথম দেখা দুজনার…
খুঁজে ফিরি হায়, আজ তুমি কোথায় ?

স্বপ্নে আঁকা সেই দুচোখ
ভুলে যেতে পারি না,
হঠাৎ যদি দেখা হয়ে যায়
ডেকো তুমি আগের মতো।

মন চায় বেঁধে রাখি স্মৃতিকে
জানি না কি সুখ আছে সেই আশাতে,
যত দূরে যাই ফিরে ফিরে তাকাই
কখন ডাকবে কাছে পথের মাঝে হাত বাড়িয়ে।

কখনো যদি তুমি অশ্রু ঝরাও
নিভৃতে খুব নিরবে,
আসবো তোমার আকাশে
তবুও ভুল বুঝোনা আমায় অবশেষে।

বৃষ্টি হয়ে রিমঝিম সুরে আনন্দ দেবো
নিঃসঙ্গতায় রাত্রি জুড়ে গহীন চোখে ঘুম হবো,
আর কি বলো ? যত টুকু দেবার সবই দেব
যা রেখেছো তুমি আমার মনি কোঠায়–তবুও ভুল বোঝনা আমায় অবশেষে।

জীবনের সামন্য সময় যদি স্বপ্নের মতো হতো তাহলে সকল মানব কষ্ট গুলোকে কষ্ট মনে করতো না। পরকালের যে সুখ শান্তি এখন আর কেউ মনে রাখে না। কেননা তাদের টাকা বা সম্পদ আছে। আমার মতে প্রকৃতি মানুষ একমাত্র বসবাস করে পল্লীতে। পার্থিব জগতের কেউ বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবে না যে আমি সুখী। এর একমাত্র কারণ পার্থিব জগতের সকলের চাওয়া পাওয়ার অন্ত নেই। যার যতো আছে সে তত চায়—। এই খাই খাই ভাবের কারণে কিছু মানুষ সৎ ভাবে জীবন যাপন করতে পারে না——এতে সৎ ব্যক্তির জীবন দুঃবিষহ হয়ে উঠে। পারে না সে পরিবারের কারও চাহিদা মেটাতে, পারে না কোন আত্নীয় স্বজনের সান্নিধ্য অর্জন করতে। সকলের কাছে সে অতিরিক্ত একজন ব্যক্তি। মেয়েকে দেখে নিজের মাতাও হাতের টাকা কোমরে লুকিয়ে রাখে। এ কেমন জীবন ?

এভাবে আর কতকাল ???
এসময় ভালো লাগলো কিশোর কুমারের একটি গান

কে আমি ?
কারো কেউ নয়তো আমি
কেউ আমার নয় কোন নাম নেই তো আমার
শোন মহাশয় ।

তোমার বাড়ী কোথায় ?
আমার বাড়ী, তোমার বাড়ী আমার বাড়ী আমার বাড়ী নেই
পথে ঠেলে দিলেই আমায় পথেই পরে রই
যে যখন আমায় দেখে কিনে নিতে চায়
মনের মতো দামটি পেলেই তবেই পাওয়া যায়।

তোমায় বুঝি কেউ ভালো বাসে না ?
গায়ের জোড়ে সবই কিছু কেড়ে নেয়া যায়
পয়সা কড়ি গয়না গাটি ভালোবাসা নয়
তোমার কাছে তাইতো আমি বাড়িয়ে দিলাম হাত
ভিক্ষারী করলে আমায় ছিলাম ও ডাকাত।

একটি আশা একটি চাওয়া আর একটু অনুভূতি সকলের কাছে অতি আকাঙ্খিত। এই মুহুর্তটি পাবার অপেক্ষায় সকলের অন্তর নামের মনের পিঞ্জর দোলায়িত এবং শিহরিত হয়ে থাকে। জানি না বা কেউ জানে না এই আনন্দ মুহূর্তক্ষণ সময়টির কথা, কখন হবে তার দেখা….?

07/11/2015

বাংলাদেশে বেশিরভাগ ছেলেদের আসলে নিজের বলতে কিছু থাকেনা। এরা পড়াশোনা শেষ করতে না করতেই এদেরকে পষ্ট বুঝিয়ে দেয়া হয় তোমাকে শীঘ্রই একটা জীবন্ত এটিএম বুথ হতে হবে, তুমি পৃথিবীতে এসেছো রেসপন্সবলিটি নামক যাতাকলের নীচে নিজেকে পিষতে কারন তুমি 'ছেলে'। এবং এরা মা-বাবা ভাই-বোনদের ভালো থাকা খাওয়া নিশ্চিত করতে বেড়িয়ে পড়ে একটা জব এর জন্য, অনেক অপমান গালাগালি অনেক কষ্টের শেষে কোনো রকমে একটা জব পেলে তিনচার বছরের মাথায় সেই ছেলেকে বিয়ে করিয়ে দিয়ে মা বাবা তাদের দায়িত্ব শেষ করেন, আর সেই বেচারা মা-বাবা ভাই-বোন- বৌ এবং একপর্যায়ে নিজের বাচ্চাকাচ্চার ব্রাইট ফিউচার নিশ্চিত করতে করতে ফ্যামিলীর সবার স্বপ্ন পূরন করতে করতে একসময় ভূলেই যায় তারও একান্ত কোনো স্বপ্ন ছিলো, একদিন সেও একজন ভালো সিঙ্গার বা ম্যাজিশীয়ান হওয়ার স্বপ্ন দেখতো...। এটাই কি জীবন?

07/11/2015

বাংলাদেশে বেশিরভাগ ছেলেদের আসলে নিজের বলতে কিছু থাকেনা। এরা পড়াশোনা শেষ করতে না করতেই এদেরকে পষ্ট বুঝিয়ে দেয়া হয় তোমাকে শীঘ্রই একটা জীবন্ত এটিএম বুথ হতে হবে, তুমি পৃথিবীতে এসেছো রেসপন্সবলিটি নামক যাতাকলের নীচে নিজেকে পিষতে কারন তুমি 'ছেলে'। এবং এরা মা-বাবা ভাই-বোনদের ভালো থাকা খাওয়া নিশ্চিত করতে বেড়িয়ে পড়ে একটা জব এর জন্য, অনেক অপমান গালাগালি অনেক কষ্টের শেষে কোনো রকমে একটা জব পেলে তিনচার বছরের মাথায় সেই ছেলেকে বিয়ে করিয়ে দিয়ে মা বাবা তাদের দায়িত্ব শেষ করেন, আর সেই বেচারা মা-বাবা ভাই-বোন- বৌ এবং একপর্যায়ে নিজের বাচ্চাকাচ্চার ব্রাইট ফিউচার নিশ্চিত করতে করতে ফ্যামিলীর সবার স্বপ্ন পূরন করতে করতে একসময় ভূলেই যায় তারও একান্ত কোনো স্বপ্ন ছিলো, একদিন সেও একজন ভালো সিঙ্গার বা ম্যাজিশীয়ান হওয়ার স্বপ্ন দেখতো...।

Application Available
06/11/2015

Application Available

Address

Poradah Hospital Market
Kushtia
7031

Opening Hours

Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 08:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801678503553

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Universal Computer Center posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Universal Computer Center:

Share

Category