05/07/2024
আমার নাম জেরিন সিকদার মিতা। বয়স-২৪। কলেজে পড়া অবস্থায় আমার বিয়ে হয়েছে। আমার স্বামী একজন কাসটমস অফিসার। তাই বেশির ভাগ সময় উনি ঢাকা এবং চট্টগ্রাম পোর্টেই থাকেন। যৌথ পরিবারের বড় ছেলের বউ আমি, তাই পরিবারের প্রতি অনেক যত্ন নিতে হয় আমাকে। আমার স্বামী সপ্তাহে একবার আসেন বাসায়। আমার এক ছেলে। আমার বডি ফিগার ৩৬-৩৪-৩৬, আমি ৫ ফুট ৪ ইঞ্চ। কালো-গোল্ডেন চুল কোমড় পর্যন্ত।
আমার সাথে ঘটে যাওয়া একটি চমৎকার ঘটনা আজকে বলতে যাচ্ছি। আমি জানি না সবাই এটা পড়ে কি ভাববে কিন্তু আমার অনুভূতি আমি শেয়ার করতে চাই। আমার ঘটনা টা ১৭-৫-২০২১ইং তারিখের ঘটেছিল।
আমার স্বামী বাসায় আসেন ১সপ্তাহের ছুটি নিয়ে। ২/৩ দিন এভাবেই কেটে যায় পরিবারের সাথে সময় দেওয়ায়। বিক্রম্পুরে আমার শশুড়ের এক মামাতো ভাইয়ের মেয়ের বিয়ের জন্য সেখানে যেতে হবে আমার শশুড় আমার স্বামীকে বললেন। সবাই যাবে না আমার শাশুড়ি বলে দিলেন, তাই আমার স্বামী আমাকে এবং বাবাকে নিয়ে সেখানে গেলেন।
পরের দিন সকালে আমরা সেখানে যাই, যে বাসায় অনুষ্ঠান তার অল্প দূরেই আমার শশুড় একটি বাড়ি করেছেন। তাই আমরা সেখানেই থাকার জন্য উঠলাম। সকালের নাস্তা সেরে নিয়ে বড় কাকার বাসায় যাই আমরা। সেখানে সবাই আনন্দ ফুর্তিতে নাচানাচি করছে।
দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষ করে সন্ধ্যার সময় আমরা গ্রামে আমাদের ঐ বাড়িতে চলে আসি।
আমার শশুর বর্তমান সময়ের সাথেই চলেন, কিন্তু আমার শাশুড়ি পুরানো মনমানসিকতা নিয়ে থাকেন। আমার শশুর আমাকে অনেক সাপোর্ট করেন এবং আমিও উনাকে খুব মান্য করি।
আমার স্বামীকে বাবা বললেন, "কিরে বিয়ের অনুষ্ঠান! যা গিয়ে রাতের জন্য মদ-বিয়ার এর আয়োজন কর। তোর মা থাকলে এগুলো খেতেই দিতেন না! এখন তো আমরা নিজেরাই, দেরি করিস না। " আমার স্বামী বাবার কথামত সব কিছু আয়োজন করতে লাগলেন। আমার শশুড় এর নাম - মোশারফ আহমেদ, বয়স-৫৭ বছর, উনি একজন রিটায়ের্ড কর্নেল। উনার বয়স হলেও উনাকে দেখে ৪২/৪৩ বছরের ব্যক্তি মনে হয় আর শরীরের গঠন অনেক ভালো।
রাতের ৮টা বাজে আমরা খাবার খেয়ে নিলাম। বাবা আমাকে বললেন -" তোমার শাশুড়ি তো নেই এখানে, ইচ্ছে হইলে আমাদের সাতে ড্রিনক্স করতে পারো! তাছাড়াও আমরা তো ফ্রি মাইন্ডের। " আমার স্বামী বললেন-" তুমি তো বাবার সাথে অনেক ফ্রি, মা ও নেই এখানে চাইলে আমাদের সাথে ড্রিনক্স করতে পারো।" আমি আমার স্বামীর সাথে মাঝে মাঝেই ড্রিনক্স করি, তাই আমিও না করলাম না।
রাতের ১০টার সময় ছেলেটাকে ঘুম পারিয়ে উনাদের জন্য সব কিছু গুছিয়ে পাশের রুমে বাবার ঘরে যাই। সেখানে গ্রিল, কাবাব, মদের ২টা বোতল, ৩টি গ্লাস, চিপ্স, চানাচুর আর ৬টি বিয়ার টেবিলে রেখে পরিবেসন করতে লাগলাম। আমার স্বামী ও বাবা ২জনে ঘরে আসলেন, আমাকে দেখে আমার স্বামী বলতেছেন, - " তুমি এক কাজ কর সব কিছু গুছানো হলে, শুরু করার আগে রাতের জামা চেঞ্জ করে আইসো, কেননা পরে জামা চেঞ্জ করার সময় পাবে না এবং ঘুমিয়ে পরবে। এখান থেকে খাওয়া শেষ হলে একবারে ঘুমাতে চলে যাবা।" আমার শশুড়ও আমার স্বামীর কথায় একমত ছিলেন। আমি রাতে মাঝে মাঝে নাইটি অথবা টি-শার্ট ও শর্ট প্যান্ট পরে ঘুমাই। আমার শশুড় এগুলো পরলে কিছুই বলেন না কিন্তু শাশুড়ি অনেক আজে-বাজে কথা বলেন।
সবকিছু গুছিয়ে আমার রুমে চলে আসলাম, কিন্তু আজকে তো নাইটি আনা হয় নাই! তাই আমার স্বামীর পাতলা সেন্টু গেঞ্জি এবং নেট প্যান্টি (গোলাপি রঙের) পরে, তার ওপ্র দিয়ে জর্জেটের উড়না দিয়ে শরীর ঢেকে নেই এবং নিচে গোল স্কার্ট পরে নিলাম। ভালোভাবে ফ্রেশ হয়ে হালকা সাজ দিয়ে এবং ঠোটে হালকা গোলাপি লিপ্সটিক দিয়ে পাশের রুমে বাবার ঘরের দরজা টোকা দিলাম। বাবা আসতে বললেন, আমিও ঢুকলাম। আমার স্বামী - সজিব আহমেদ (৩৪) উনি আমাকে দেখে বললেন,"কি ব্যাপার তোমার নাইটি কোথায়?" আমি উত্তরে বললাম," সেগুলো কিছুই আনা হয় নাই ভুলে রেখে এসেছি।" আমার শশুড় আমাদের ২জনকে বললেন, "তোরা খালি কথাই বলবি নাকি এখন শুরু করবো? সজিব দেখ মিতা ভুলে কিছুই আনে নাই আর তাছাড়াও সে স্বাভাবিক ভাবে বাসায় থাকতে পারে না, তোর মা অনেক কিছুই বলে তাকে। আমি তো মাঝে মাঝে দেশের বাহিরে যাই সেখানকার সংস্কৃতি অনেক উন্নত। এগুলো কিছুই না।" বাবার কথা শুনে আমার স্বামী বললেন,-"আরে না বাবা এরকম কিছুই না, এখানে তো ঠানডা অনেক তার যদি সর্দি লেগে যায়। তাই বলতেছিলাম।"
অবশ্য গ্রামে অনেক তীব্র ঠান্ডা ছিল। অবশেষে কথা বাদ দিয়ে আমাকে তারা ২ জন কাছে ডাক দিলেন, আমিও তাদের সামনে যাই। বাবার রুমে ১টি ছোট টেবিল, ১টি চেয়ার, বিছানা, আর আলমারি ছিল। সবকিছুই টেবিলে রাখা ছিল। আমাকে বাবা বিছানায় এক পাশে বসতে বললেন, আমি বিছানায় ঢেলান দিয়ে অর্ধ শুয়ে থাকা অবস্থায় বসলাম। আমার বরাবর আমার স্বামী বসলেন বিছানায়। ডান পাশে ছোট টেবিলটি এবং তার সাথেই চেয়ারে বাবা বসলেন।
রাতের ১০.২০ হয়তো তখন বাজে, বাবা বোতলের মুখ খুলে গ্লাসে প্যাক বানাতে লাগলেন, সাথে কোকাকোলা মিশিয়ে দিলেন। আমার স্বামী ২টা বিয়ার এর মুখ খুলে টেবিলে রাখলেন। ৩টি গ্লাসে সমান মদ ঢেলে বাকি মিক্স করে গ্লাস ফুল করে যার যার গ্লাস নিতে বলেন। শশুরের সাথে ড্রিনক্স করছি এক দিক থেকে লজ্জা লাগছিলো। বাবা নিজের হাত দিয়ে আমাকে গ্লাসটা ধরিয়ে দিলেন। এরপর সবাই চিয়ারস বলে গ্লাসগুলো ধাক্কা দিয়ে যার যার গ্লাসে চুমুক দিয়ে খাওয়া শুরু করলাম।
এই ভাবে আস্তে আস্তে করে ৫/৬ প্যাক খাওয়া হল। মুখে শুকনো খাবার খাচ্ছি, কাবাব খাচ্ছি, বিয়ার এর সাত্র মদ মিক্স করে খাচ্ছিলাম।
আমার স্বামী বাবার সামনে সিগারেট খায় না তাই একটু পর পর বারান্দায় গিয়ে খেয়ে আসেন। বারান্দা থেকে শীতল হাওয়া রুমে ঢুকে আমাকে কাপিয়ে দেয়! আমিও পাতলা কম্বল শরীরের উপর নিয়ে নিলাম, বাবা আমার স্বামীকে বলেন,- "কিরে সজিব তুই বার বার বারান্দায় না গিয়ে এখানেই সিগারেট খাস নে কেনো? মিতার তো বাহিরের ঠান্ডা বাতাসে সর্দি লেগে যাবে!" আমার স্বামী তাই রুমে এসে সিগারেট জ্বালিয়ে টানা শুরু করলেন। উনি বাবাকে বললেন,- " তোমার সামনে কি আমি এটা খেতে পারি নাকি!" বাবা বললেন,-" আহা! তুই তো ফ্রি হইতে পারবি না দেখি কখনো, আচ্ছা মনে কর আমি মিতার এক বন্ধু, তোদের সাথে এখানে ঘুরতে এসেছি।