অস্লীল রূপকথার গল্প

অস্লীল রূপকথার গল্প Here you can share or read your fantasy & real life sexual strories. All identity will be hidden. Share your stories with our page & get to know yourself better.

20th,September 2024 at 10p.m I will be online video streaming on my telegram channel and I'm gonna have some sexually fu...
20/09/2024

20th,September 2024 at 10p.m I will be online video streaming on my telegram channel and I'm gonna have some sexually fun with my two friends as my husband isn't hometown. So, be on time and let's have some fun...

10/07/2024

সিনামা হল (পর্ব-০১)
আমার নাম ললিতা আমরা থাকি চট্টগ্রামে। আমার স্বামী অনীল একটা বড় প্রতিষ্ঠানে কাজ করে থাকে দিল্লী তে। আমারবয়স এখন ৩২ এবঙ আমার ৪ বছর বয়সের একটা কন্যা আছে।আমরা বিয়ে করেছি ৬ বছর আগে। আমার স্বামী বাড়িতে আসলে আমাদের সেক্সজীবন ভালই জমে ।
কিন্তু এক বছর যাবত আমার স্বামী নিয়মিত ছুটি পায়না তাই আসতে পারেনা। গত ৪ মাসে সে একবারও আসেনাই। আমি এখনো নিয়মিত ব্যয়াম করি, আমাকে দেখতে নাকি ৩০ এর কম মনে হয় আমার দেহের প্রতি আমি খুব যত্নশীল।
আমার বডির মাপ হচ্ছে ৩৬-৩২-৩৮ এবংআমার উচ্চতা ৫ফুট ২ । আমার মাই গুলো একটু বেশিই বড় রাস্তা দিয়ে যখন হাটি তখন সবাই তাকিয়ে থাকে। আমিএখন আমার একমাত্র কন্যা কেনিয়ে একাই বাসায় থাকি। আমার শ্বশুর মাঝে মাঝে আমাদের দেখতে আসে। আমার শাশুড়ি মারা গেছে কয়েক বছর হলো। আমরা সুযোগ পেলেই শ্বশুড় বাড়িতে বেড়াতে যাই।
শ্বশুরখুব খুশি হয় এবং আমাদের থেকে যেতে বলে। শ্বশুড়ের সাথে আমার সম্পর্কও খুবভাল। শেষবারে যখন শ্বশুর বেড়াতে আসল সে অনেক দিন এখানে থাকতে চাইল, এবং তার যেহেতু এখন কোন কাজ নাই তাই দুই সপ্তাহ থাকবে ঠিক করল।কিন্তু তার সমস্যা হলো তার আদরের নাতনী বাড়িতে নাই। শ্বশুর বাবা বেশির ভাগ সময় তার সাথেই কাটায়।
কিন্তু তার নাতনীর অবর্তমানে তার সময় ভাল কাটছে না। আমি সারাদিন অফিসে থাকি।আমি তাকে সময় দিতে পারলে তার জন্য ভালহয়, আমরা দুজনে মিলে মন্দিরে প্রার্থনা করতে যাই, রেস্টুরেন্টে খেতে যাই। সেদিন বৃহস্পতিবার আমি সিদ্ধান্ত নিলামযে অফিসে যাব না, আমার অফিসেও খুব বেশি কাজ নাই।
তাই আমি ভাবছি আমার শ্বশুরের সাথে কিছু ভাল সময় কাটাব। আমার শ্বশুর বাবা এটাশুনে খুব খুশি হলো। তখন সকাল দশটা, বাবা আমাকে বলল আমরা আজ সিনেমা দেখতে যেতে পারি।
আমি একটু অবাক হলাম কারন আমি বাবার সাথে কখনো সিনেমা দেখতে হলে যাইনাই। বাবা যখন খুব বোরিং ফিল করছে তাহলে ভাবলাম তার কথা মতো সিনেমাটা দেখেই আসি। এইমাসে আমি একটি সিনেমা দেখেছি তবু বাবার কথায় রাজি হলাম। তখন মর্নিং শো চলছে, মানুষজন খুব বেশি নাই।
আমি এবং বাবা কর্নারের দিকে বসলাম। আমি অবাক হচ্ছি কিন্তু তবু কিছু বলছি না, সিনেমা শুরু হবার পরেই আমি টের পেলাম শ্বশুর বাবা আমার হাতটা তার হাতে নিয়ে সিনেমা দেখছে।আমার হার্টবিট বেড়ে যাচ্ছে , আমার শরীরের কাঁপনি বোধহয় শ্বশুরবাবা টের পাচ্ছে।
(বাকি অংশ পরবর্তী পর্বে)💋💋💋

আমার নাম জেরিন সিকদার মিতা। বয়স-২৪। কলেজে পড়া অবস্থায় আমার বিয়ে হয়েছে। আমার স্বামী একজন কাসটমস অফিসার। তাই বেশির ভাগ সময়...
05/07/2024

আমার নাম জেরিন সিকদার মিতা। বয়স-২৪। কলেজে পড়া অবস্থায় আমার বিয়ে হয়েছে। আমার স্বামী একজন কাসটমস অফিসার। তাই বেশির ভাগ সময় উনি ঢাকা এবং চট্টগ্রাম পোর্টেই থাকেন। যৌথ পরিবারের বড় ছেলের বউ আমি, তাই পরিবারের প্রতি অনেক যত্ন নিতে হয় আমাকে। আমার স্বামী সপ্তাহে একবার আসেন বাসায়। আমার এক ছেলে। আমার বডি ফিগার ৩৬-৩৪-৩৬, আমি ৫ ফুট ৪ ইঞ্চ। কালো-গোল্ডেন চুল কোমড় পর্যন্ত।

আমার সাথে ঘটে যাওয়া একটি চমৎকার ঘটনা আজকে বলতে যাচ্ছি। আমি জানি না সবাই এটা পড়ে কি ভাববে কিন্তু আমার অনুভূতি আমি শেয়ার করতে চাই। আমার ঘটনা টা ১৭-৫-২০২১ইং তারিখের ঘটেছিল।

আমার স্বামী বাসায় আসেন ১সপ্তাহের ছুটি নিয়ে। ২/৩ দিন এভাবেই কেটে যায় পরিবারের সাথে সময় দেওয়ায়। বিক্রম্পুরে আমার শশুড়ের এক মামাতো ভাইয়ের মেয়ের বিয়ের জন্য সেখানে যেতে হবে আমার শশুড় আমার স্বামীকে বললেন। সবাই যাবে না আমার শাশুড়ি বলে দিলেন, তাই আমার স্বামী আমাকে এবং বাবাকে নিয়ে সেখানে গেলেন।
পরের দিন সকালে আমরা সেখানে যাই, যে বাসায় অনুষ্ঠান তার অল্প দূরেই আমার শশুড় একটি বাড়ি করেছেন। তাই আমরা সেখানেই থাকার জন্য উঠলাম। সকালের নাস্তা সেরে নিয়ে বড় কাকার বাসায় যাই আমরা। সেখানে সবাই আনন্দ ফুর্তিতে নাচানাচি করছে।
দুপুরের খাওয়া দাওয়া শেষ করে সন্ধ্যার সময় আমরা গ্রামে আমাদের ঐ বাড়িতে চলে আসি।

আমার শশুর বর্তমান সময়ের সাথেই চলেন, কিন্তু আমার শাশুড়ি পুরানো মনমানসিকতা নিয়ে থাকেন। আমার শশুর আমাকে অনেক সাপোর্ট করেন এবং আমিও উনাকে খুব মান্য করি।

আমার স্বামীকে বাবা বললেন, "কিরে বিয়ের অনুষ্ঠান! যা গিয়ে রাতের জন্য মদ-বিয়ার এর আয়োজন কর। তোর মা থাকলে এগুলো খেতেই দিতেন না! এখন তো আমরা নিজেরাই, দেরি করিস না। " আমার স্বামী বাবার কথামত সব কিছু আয়োজন করতে লাগলেন। আমার শশুড় এর নাম - মোশারফ আহমেদ, বয়স-৫৭ বছর, উনি একজন রিটায়ের্ড কর্নেল। উনার বয়স হলেও উনাকে দেখে ৪২/৪৩ বছরের ব্যক্তি মনে হয় আর শরীরের গঠন অনেক ভালো।
রাতের ৮টা বাজে আমরা খাবার খেয়ে নিলাম। বাবা আমাকে বললেন -" তোমার শাশুড়ি তো নেই এখানে, ইচ্ছে হইলে আমাদের সাতে ড্রিনক্স করতে পারো! তাছাড়াও আমরা তো ফ্রি মাইন্ডের। " আমার স্বামী বললেন-" তুমি তো বাবার সাথে অনেক ফ্রি, মা ও নেই এখানে চাইলে আমাদের সাথে ড্রিনক্স করতে পারো।" আমি আমার স্বামীর সাথে মাঝে মাঝেই ড্রিনক্স করি, তাই আমিও না করলাম না।

রাতের ১০টার সময় ছেলেটাকে ঘুম পারিয়ে উনাদের জন্য সব কিছু গুছিয়ে পাশের রুমে বাবার ঘরে যাই। সেখানে গ্রিল, কাবাব, মদের ২টা বোতল, ৩টি গ্লাস, চিপ্স, চানাচুর আর ৬টি বিয়ার টেবিলে রেখে পরিবেসন করতে লাগলাম। আমার স্বামী ও বাবা ২জনে ঘরে আসলেন, আমাকে দেখে আমার স্বামী বলতেছেন, - " তুমি এক কাজ কর সব কিছু গুছানো হলে, শুরু করার আগে রাতের জামা চেঞ্জ করে আইসো, কেননা পরে জামা চেঞ্জ করার সময় পাবে না এবং ঘুমিয়ে পরবে। এখান থেকে খাওয়া শেষ হলে একবারে ঘুমাতে চলে যাবা।" আমার শশুড়ও আমার স্বামীর কথায় একমত ছিলেন। আমি রাতে মাঝে মাঝে নাইটি অথবা টি-শার্ট ও শর্ট প্যান্ট পরে ঘুমাই। আমার শশুড় এগুলো পরলে কিছুই বলেন না কিন্তু শাশুড়ি অনেক আজে-বাজে কথা বলেন।
সবকিছু গুছিয়ে আমার রুমে চলে আসলাম, কিন্তু আজকে তো নাইটি আনা হয় নাই! তাই আমার স্বামীর পাতলা সেন্টু গেঞ্জি এবং নেট প্যান্টি (গোলাপি রঙের) পরে, তার ওপ্র দিয়ে জর্জেটের উড়না দিয়ে শরীর ঢেকে নেই এবং নিচে গোল স্কার্ট পরে নিলাম। ভালোভাবে ফ্রেশ হয়ে হালকা সাজ দিয়ে এবং ঠোটে হালকা গোলাপি লিপ্সটিক দিয়ে পাশের রুমে বাবার ঘরের দরজা টোকা দিলাম। বাবা আসতে বললেন, আমিও ঢুকলাম। আমার স্বামী - সজিব আহমেদ (৩৪) উনি আমাকে দেখে বললেন,"কি ব্যাপার তোমার নাইটি কোথায়?" আমি উত্তরে বললাম," সেগুলো কিছুই আনা হয় নাই ভুলে রেখে এসেছি।" আমার শশুড় আমাদের ২জনকে বললেন, "তোরা খালি কথাই বলবি নাকি এখন শুরু করবো? সজিব দেখ মিতা ভুলে কিছুই আনে নাই আর তাছাড়াও সে স্বাভাবিক ভাবে বাসায় থাকতে পারে না, তোর মা অনেক কিছুই বলে তাকে। আমি তো মাঝে মাঝে দেশের বাহিরে যাই সেখানকার সংস্কৃতি অনেক উন্নত। এগুলো কিছুই না।" বাবার কথা শুনে আমার স্বামী বললেন,-"আরে না বাবা এরকম কিছুই না, এখানে তো ঠানডা অনেক তার যদি সর্দি লেগে যায়। তাই বলতেছিলাম।"
অবশ্য গ্রামে অনেক তীব্র ঠান্ডা ছিল। অবশেষে কথা বাদ দিয়ে আমাকে তারা ২ জন কাছে ডাক দিলেন, আমিও তাদের সামনে যাই। বাবার রুমে ১টি ছোট টেবিল, ১টি চেয়ার, বিছানা, আর আলমারি ছিল। সবকিছুই টেবিলে রাখা ছিল। আমাকে বাবা বিছানায় এক পাশে বসতে বললেন, আমি বিছানায় ঢেলান দিয়ে অর্ধ শুয়ে থাকা অবস্থায় বসলাম। আমার বরাবর আমার স্বামী বসলেন বিছানায়। ডান পাশে ছোট টেবিলটি এবং তার সাথেই চেয়ারে বাবা বসলেন।
রাতের ১০.২০ হয়তো তখন বাজে, বাবা বোতলের মুখ খুলে গ্লাসে প্যাক বানাতে লাগলেন, সাথে কোকাকোলা মিশিয়ে দিলেন। আমার স্বামী ২টা বিয়ার এর মুখ খুলে টেবিলে রাখলেন। ৩টি গ্লাসে সমান মদ ঢেলে বাকি মিক্স করে গ্লাস ফুল করে যার যার গ্লাস নিতে বলেন। শশুরের সাথে ড্রিনক্স করছি এক দিক থেকে লজ্জা লাগছিলো। বাবা নিজের হাত দিয়ে আমাকে গ্লাসটা ধরিয়ে দিলেন। এরপর সবাই চিয়ারস বলে গ্লাসগুলো ধাক্কা দিয়ে যার যার গ্লাসে চুমুক দিয়ে খাওয়া শুরু করলাম।

এই ভাবে আস্তে আস্তে করে ৫/৬ প্যাক খাওয়া হল। মুখে শুকনো খাবার খাচ্ছি, কাবাব খাচ্ছি, বিয়ার এর সাত্র মদ মিক্স করে খাচ্ছিলাম।
আমার স্বামী বাবার সামনে সিগারেট খায় না তাই একটু পর পর বারান্দায় গিয়ে খেয়ে আসেন। বারান্দা থেকে শীতল হাওয়া রুমে ঢুকে আমাকে কাপিয়ে দেয়! আমিও পাতলা কম্বল শরীরের উপর নিয়ে নিলাম, বাবা আমার স্বামীকে বলেন,- "কিরে সজিব তুই বার বার বারান্দায় না গিয়ে এখানেই সিগারেট খাস নে কেনো? মিতার তো বাহিরের ঠান্ডা বাতাসে সর্দি লেগে যাবে!" আমার স্বামী তাই রুমে এসে সিগারেট জ্বালিয়ে টানা শুরু করলেন। উনি বাবাকে বললেন,- " তোমার সামনে কি আমি এটা খেতে পারি নাকি!" বাবা বললেন,-" আহা! তুই তো ফ্রি হইতে পারবি না দেখি কখনো, আচ্ছা মনে কর আমি মিতার এক বন্ধু, তোদের সাথে এখানে ঘুরতে এসেছি।

10/05/2023

ঘটনা টা বিগত ৪মে, ২০২৩ ইং (বৃহঃস্পতিবার) এর। আমার স্কুলের বান্ধা স্নিগ্ধা, তার বিয়ের পাওয়া আমি আর HB ( আমার হাসবেন্ড) বিক্রমপুর ইসাপুরা গিয়েছিলাম। সে (HB) অবশ্য আমার স্কুলের সিনিয়র ছিলো। আমার বান্ধা সেই দিন আমাকে বলে আমার হাসবেন্ড নাকি তার ক্রাশ ছিলো। আমি তো শুনেই সন্তুষ্ট হয়ে যাই।
পরে আমি তাকে বললাম, - " রাতে আমি পাঠানোর ব্যবস্থা করে দেই ট্রাই করে দেখ! " সে বলে, - " না রে এখন আর সম্ভব না, পানি বি এফ এর সাথে বিয়ে হচ্ছে। "
হলুদ সন্ধ্যায় আমরা আসি নাই, লগ্ন সেই দিন রাতেই, হিন্দু বিয়ে তো মধ্য রাতে বিয়ে হবে, এত কিছু তো জানি না সবাই যার যার মতে নাচানাচিতে ব্যস্ত। বান্ধবীর ছোট ভাই শুভ (২৬বছর) সে বর্তমানে বি বি এ ২য় বর্ষের শিক্ষার্থী। রাতে আমি, HB তার রুমেই থাকবো। বুঝোই তো বিয়ে বাড়িতে অনেক মেহমান। বিশাল বাড়ি। বড় বড় রুম।
যাই হোক রাতে ঘুম এ তো নাই হয়ে যাচ্ছি আবার ঠান্ডা বাতাস, মনে হয় এই বৃষ্টি হবে। ৩টা ৪০ এ বিয়ে সম্পন্ন হলো। আমরা ২ জনে রুমে চলে আসলাম। শুভ দরজাটা নক করলো, সে খুলে দিলো, অন্য রুমে ফ্লোরে নাকি ঘুমাতে যাওয়ার ব্যবস্থা করতেছে, বালিস আর গায়ে দেওয়ার চাদর নিতে আসছিলো। পরে আমরাই তাকে না করি যে অন্য রুমে ফ্লোরে ঘুমাতে হবে না এখনেই ঘুমানোর ব্যবস্থা করতে।

কি যেন ফুস ফুস করে বলতেছে HB কে। আমি জিজ্ঞেস করলাম বলে না শুভ, পরে HB কে জিজ্ঞেস করলাম, সে বললো -" আরে তেমন কিছু না, রাতে সে ড্রিংকস করে ঘুমাতে যাওয়ার চিন্তা করছিলো। এখন তুমি তো বড় আপু, আমি দুলাভাই, তাই এখানে ঘুমাতে চাইতেছে না। "
আমি শুভকে বললাম,-" ওহ, এই কথা! একা একাই এতো কিছু প্ল্যানিং! দেখো ভাইয়া তোমার দুলাভাই আর আমি বেস্ট ফ্রেন্ড এর মতোই। আর আমরা ফ্রি মাইন্ড এর, তুমি আমাদের জন্য কষ্ট কইরো না এখানেই ঘুমানোর ব্যবস্থা করো। আর তুমি তোমার পছন্দ মত ড্রিংকস করার জন্য যা করার করো আমাদের সমস্যা নাই। আর যদি একা একা ড্রিংকস করতে ভালো না লাগে আমাদের কে ডাক দিতে পারো। "
শুভ বলে, -" দিদি সত্যি আপনারা মাইন্ড করবেন না তো! আমি কারোই সাথে প্ল্যান করিও নাই যে রাতে কম্পানি দিবে এমন কাউকে পাবো। আপনারা কিছু মনে না করলে আমার সাথে ড্রিংকস করেন। "

HB বলে, - " ধুর ব্যাটা আবার এতো কথা কিসের যা যা দরকার নিয়ে আসো এখানে আমরা তো আছি তাই না। কোনো সমস্যা নাই। "

বাকি অংশ শুক্রবার বিকেল-৪টায়

23/04/2023

Address

Kulaura

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00
Sunday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801705979898

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when অস্লীল রূপকথার গল্প posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to অস্লীল রূপকথার গল্প:

Share