18/11/2022
ইউটিউব মার্কেটিং সম্পর্কে বিশেষ টপিক ?
আমাদের আজকের বিষয়:-
১. নিজের ইউটিউব চ্যানেলের তৈরি করুন।
আপনাকে এর জন্য প্রথমেই একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে হবে। আপনারা চাইলে ফ্রিতেই ইউটিউব এর মাধ্যমে আপনার জিমেইল ব্যবহার করে একটি ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করতে পারবেন
ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা খুব সহজ কাজ। এজন্য প্রথমত আপনার একটি জিমেইল আইডি থাকতে হবে।
পরে ঐ জিমেইল আইডি দিয়ে ইউটিউব ওয়েবসাইটে লগইন করতে হবে। লগইন করার পরে আপনাকে Settings
অপশনে ক্লিক করতে হবে। এর পরের স্টেপ হল আপনাকে Add or manage your channel(s)
অপশনে ক্লিক করতে হবে। ক্লিক করার পরে সেখান থেকে Create your channel name অপশন আসলে আপনার চ্যানেল এর একটি প্রোফেশনাল নাম সেট কর
২. Setup YouTube channel
আপনার হয়তো এতক্ষণে নিজের ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা হয়ে গিয়েছে। এবার আপনার চ্যানেলটিকে সুন্দর করে সেটাপ করতে হবে এবং এর প্রফেশনাল লুক দিতে হবে।
এখন, যদি আপনি অনেক কম সময়ের ভেতরে নিজের, brand, business, product বা service গুলিকে
অনলাইনে ইউটিউবের মাধ্যমে মার্কেট (market) করতে চাচ্ছেন, তাহলে “YouTube Ads” বা “Google Ads” ব্যবহার করতে পারবেন।
Google এবং YouTube ads সার্ভিস ব্যবহার করে, আপনারা অনেক কম টাকা খরচ করেই, লক্ষ্যবস্তু ভিডিও ভিউ (targeted video views) পেয়ে যাবেন।
এই মাধ্যমে, আপনার ভিডিও গুলিকে, ভিডিওর বিষয়ের সাথে জড়িত অন্যান্য ইউটিউব ভিডিও গুলিতে বিজ্ঞাপন হিসেবে দেখানো হয়।
ভিডিওর বিজ্ঞাপনে দেখানো আপনার ভিডিও গুলি, ভিউয়ার দ্বারা ৩০ সেকেন্ড দেখা হলেই আপনার থেকে টাকা নেওয়া হবে।
অন্যান্য ইউটিউবের ভিডিও গুলি যখন লোকেরা দেখেন, তখন এই ধরণের video ads গুলি, ভিডিও শুরু হওয়ার আগেই বা কিছু সময় পর দেখানো হয়।
তাহলে, এভাবেও নিজের video গুলোর জন্য অনেক দ্রুত ভাবে targeted views পেতে পারবেন।
আপনার নতুন তৈরি করা চ্যানেলটির নাম আপনি এমন কিছু দিবেন যেই নামের মাধ্যমে আপনার অডিয়েন্স বুঝতে পারে যে আপনি এই চ্যানেলের মাধ্যমে কোন ধরনের কন্টেন্ট
শেয়ার করবেন। এরপর আপনি CUSTOMIZE CHANNEL অপশনের মাধ্যমে আপনার চ্যানেলকে সঠিক তথ্য দিয়ে ভালোভাবে সেট করুন।
আপনার চ্যানেলকে আকর্ষণীয় করতে চ্যানেল প্রোফাইল পিকচার, ব্যানার ইমেজ, সোশ্যাল প্রোফাইল লিঙ্কস,
চ্যানেল ডেসক্রিপশন, কন্টেক ইনফরমেশন, ভিডিও ওয়াটার মার্ক লোগো এবং ট্যাগ ভালোভাবে সেট করুন।
৩. Create videos related to your business
আপনার ইউটিউব চ্যানেল তৈরি করা শেষ এবং আপনার ইউটিউব চ্যানেলটি এতক্ষণে সেটআপ করা শেষ এবার আপনার যে কাজটি করতে হবে সেটি হচ্ছে আপনার ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত ভিডিও তৈরি।
আপনার নতুন তৈরি করা চ্যানেলটির নাম আপনি এমন কিছু দিবেন যেই নামের মাধ্যমে আপনার অডিয়েন্স বুঝতে পারে যে আপনি এই চ্যানেলের মাধ্যমে কোন ধরনের কন্টেন্ট
শেয়ার করবেন। এরপর আপনি CUSTOMIZE CHANNEL অপশনের মাধ্যমে আপনার চ্যানেলকে সঠিক তথ্য দিয়ে ভালোভাবে সেট করুন।
আপনার চ্যানেলকে আকর্ষণীয় করতে চ্যানেল প্রোফাইল পিকচার, ব্যানার ইমেজ, সোশ্যাল প্রোফাইল লিঙ্কস,
চ্যানেল ডেসক্রিপশন, কন্টেক ইনফরমেশন, ভিডিও ওয়াটার মার্ক লোগো এবং ট্যাগ ভালোভাবে সেট করুন।
৪. ভিডিও গুলো SEO র জন্য optimization করুন।
আপনার ভিডিও যদি তৈরি করা হয়ে গিয়ে থাকে তাহলে এবার আপনাকে যে বিষয়টি নিয়ে ভাবতে হবে সেটি হচ্ছে আপনার ভিডিওগুলো এসইও।
ইউটিউব এসইও মূলত এমন একটি পদ্ধতি যেটা করার মাধ্যমে আপনি আপনার চ্যানেলের ইউটিউব ভিডিও গুলোকে ইউটিউবে সবার আগে দেখাতে পারবেন।
আপনার নতুন তৈরি করা চ্যানেলটির নাম আপনি এমন কিছু দিবেন যেই নামের মাধ্যমে আপনার অডিয়েন্স বুঝতে পারে যে আপনি এই চ্যানেলের মাধ্যমে কোন ধরনের কন্টেন্ট
শেয়ার করবেন। এরপর আপনি CUSTOMIZE CHANNEL অপশনের মাধ্যমে আপনার চ্যানেলকে সঠিক তথ্য দিয়ে ভালোভাবে সেট করুন।
আপনার চ্যানেলকে আকর্ষণীয় করতে চ্যানেল প্রোফাইল পিকচার, ব্যানার ইমেজ, সোশ্যাল প্রোফাইল লিঙ্কস,
চ্যানেল ডেসক্রিপশন, কন্টেক ইনফরমেশন, ভিডিও ওয়াটার মার্ক লোগো এবং ট্যাগ ভালোভাবে সেট করুন।
৫. আপনার চ্যানেল টি সেটআপ করতে হবে।
অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক আসার একটি সম্ভাবনা থাকবে।
তাছাড়া আপনি চাইলে সার্চ ইঞ্জিন ছাড়াও আপনার চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিও গুলো অন্যান্য বিভিন্ন জায়গায় প্রমোট করতে পারেন।
অবশ্যই সার্চ ইঞ্জিন থেকে প্রচুর পরিমাণে ট্রাফিক আসার একটি সম্ভাবনা থাকবে।
তাছাড়া আপনি চাইলে সার্চ ইঞ্জিন ছাড়াও আপনার চ্যানেলে আপলোড করা ভিডিও গুলো অন্যান্য বিভিন্ন জায়গায় প্রমোট করতে পারেন।
আপনার নতুন তৈরি করা চ্যানেলটির নাম আপনি এমন কিছু দিবেন যেই নামের মাধ্যমে আপনার অডিয়েন্স বুঝতে পারে যে আপনি এই চ্যানেলের মাধ্যমে কোন ধরনের কন্টেন্ট
শেয়ার করবেন। এরপর আপনি CUSTOMIZE CHANNEL অপশনের মাধ্যমে আপনার চ্যানেলকে সঠিক তথ্য দিয়ে ভালোভাবে সেট করুন।
আপনার চ্যানেলকে আকর্ষণীয় করতে চ্যানেল প্রোফাইল পিকচার, ব্যানার ইমেজ, সোশ্যাল প্রোফাইল লিঙ্কস,
চ্যানেল ডেসক্রিপশন, কন্টেক ইনফরমেশন, ভিডিও ওয়াটার মার্ক লোগো এবং ট্যাগ ভালোভাবে সেট করুন।
আমাদের শেষ কথাঃ
আমার এই লেখাতে আমি আপনাদের ইউটিউব মার্কেটিং সম্পর্কে জানাতে চেষ্টা করেছি আশা করি আপনারা অনেক নতুন নতুন তথ্য জানতে পেরেছেন।
একটা কথা মনে পড়ে গেলোঃ
বুদ্ধিমানরা দেখে শিখে আর বোকারা ঠেকে শিখে।
নিজের জীবনের মূল্যবান সময় নষ্ট না করে কাজে লাগান।
Thanks.