Skylark It Solutions

Skylark It Solutions Skylark It Solutions is a most popular business service company in bangladesh.You can buy domain hos

৫টি কারনে অনলাইন বিজনেসের জন্য ই কমার্স সাইট জরুরি।১. কাস্টোমারের ইমেইল লিস্ট গড়ে তুলে সরাসরি তাদের মার্কেটিং করতে পারবে...
19/11/2021

৫টি কারনে অনলাইন বিজনেসের জন্য ই কমার্স সাইট জরুরি।
১. কাস্টোমারের ইমেইল লিস্ট গড়ে তুলে সরাসরি তাদের মার্কেটিং করতে পারবেন
নিজের ওয়েব সাইট থাকার অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো আপনি সরাসরি আপনার ওয়েবসাইট ভিজিটর এবং কাস্টমারের কাছে মার্কেটিং করতে পারবেন। আপনার ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কেউ প্রোডাক্ট কেনার মানে হলো আপনি তাদের কন্টাক্ট ইনফরমেশন পাবেন। তাদের ইমেইলের মাধ্যমে আপনি তাদেরকে ইমেইল করতে পারবেন, মোবাইল নাম্বারের মাধ্যমে এসএমএস এবং ফেসবুকের মাধ্যমে কাস্টোম অডিয়েন্স তৈরি করে অ্যাড বানানো।
ওয়েবসাইট ছাড়া সুধু মাত্র সোশ্যাল মার্কেটে প্রোডাক্ট সেল করলে রিপিট কাস্টমার পাওয়াও কঠিন হয়ে যায়, কারন সেখানে আপনি কাস্টোমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করার কোন উপায় পাচ্ছেন না, তাই আপনার কাছে যদি কাস্টোমারের কন্টাক্ট ইনফরমেশন থাকে আপনি তাকে পরবর্তীতে বিভিন্নভাবে আপনার প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস অফার করতে পারবেন।
২. আপনার ব্র্যান্ড শক্তিশালি ভাবে গড়ে উঠবে
আপনি সোশ্যাল মিডিয়াতে প্রোডাক্ট অথবা সার্ভিস সেল করতে চাইলে অনেক লিমিট থেকে যায়, আপনি নিজের প্ল্যান মতন অনেক কিছুই হয়তো করতে পারেন না যা কিনা আপনার ব্র্যান্ড গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বাঁধা হয়ে দাড়ায়।
কাস্টোমার যখন দেখে কোন একটা বিজনেসের একটা ওয়েব সাইট আছে সেটা ছোট হোক কিংবা বড় সাথে সাথে তার মাঝে একধরনের একটা অনুভুতি তৈরি হয় যার মাধ্যমে সে আপনার ব্র্যান্ডকে বিশ্বাস করতে পারে।
কাস্টমারের জন্য আপনার লক্ষ্য থাকবে আপনার প্রডাক্টকে আপনার ব্র্যান্ডের সাথে যুক্ত করে নেয়া, যখন সে কোন একটা প্রোডাক্ট এবং সার্ভিস নেয়ার কথা চিন্তা করবে তখন আপনার নাম সে মনে করবে, সব সময় ফাইনাল না হলেও লিস্টে তো থাকবে।
আপনার ওয়েবসাইটে আপনার সম্পুর্ন নিয়ন্ত্রনে থাকবে,এটা দেখতে কেমন হবে, এটা কিভাবে কাজ করবে ইত্যাদি।
৩. আপনার অডিয়েন্স জানতে পারবেন
নিজের ওয়েব সাইট থাকলে আপনি ওয়েব ভিজিটর অথবা কাস্টোমার সম্পর্কে অনেক বিস্তারিত জানতে পারবেন, যেমন তাদের লোকেশন, তারা কিভাবে আপনার ওয়েবসাইট খুজে পেলো অথবা আপনার সম্পর্কে জানতে পারলো, আপনি আপনার ওয়েবসাইটে তাদের কার্যক্রম ট্র্যাক করতে পারবেন যেমন সে আপনার ওয়েবসাইটে কোথায় কোথায় গেলো এবং কোন পথে সে আপনার প্রোডাক্ট কিনলো।
উদাহারন-
আপনি দেখলেন আপনার হোম পেজে কতজন আছে, এখান থেকে আপনার প্রোডাক্ট পেজে কতজন গেলো, এখান থেকে বুঝতে পারছেন হোম পেজ থেকে কি পরিমান ভিজিটর আপনার প্রোডাক্ট পেজে যেতে আগ্রহী ছিলো না, একই ভাবে প্রোডাক্ট পেজে যারা গেলো তারা কতজন চেক আউট পেজে গেলো, এখান থেকে আপনি বুঝতে পারছেন কতজন ভিজিটর প্রোডাক্ট পেজ থেকে বের হয়ে গিয়েছে, কিনতে আগ্রহী হয় নি, এভাবে আপনি এনালাইসিস করতে পারবেন এবং সেটার ভিত্তিতে আপনি বিজনেস প্ল্যানিং এ অনেক নতুন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন, পুরানো অকার্যকর সিদ্ধান্ত বাতিল করতে পারবেন।
৪. নিজের নিয়ম বানান নিজের ওয়েবসাইটে
এখানে আপনি কাস্টোমারের ইউজার এক্সপিরিয়েন্স চিন্তা করে নিজের মত করে ওয়েবসাইট সাজাতে পারবেন, একজন আমেরিকান একটা ই কমার্স সাইট যেভাবে বুঝে অথবা যে ভাবে চালাতে পারে একজন বাংলাদেশির ক্ষেত্রে অন্যরকমও হতে পারে, তাই অন্যদেশের ওয়েবসাইট ডিজাইনের সাথে আমাদের দেশের ওয়েবসাইট মিলানো ঠিক হবে না, আর ব্যাপারটা এমনও না যে এরকম কোন নিয়ম আছে।
৫। কিভাবে নিজের মত সাজাতে পারবেন
আপনি কোন একটা নির্দিষ্ট জায়গায় আপনার প্রোডাক্ট ফটো অথবা ভিডিও রাখতে পারবেন আপনি লে আউট এবং নেভিগেশন সিস্টেম নিজের মত করে করতে পারবেন।
আপনি আপনার ব্র্যান্ড, প্রোডাক্ট, সার্ভিস অনুযায়ী বিভিন্ন রঙ এবং থিম ব্যবহার করতে পারবেন আপনি বিভিন্ন বাটনের প্লেসমেন্ট পরিবর্তন করতে পারবেন এবং বাটনের লেখা আপনি কোম্পানির গল্প বলতে পারেন আপনি ব্লগ যোগ করতে পারেন যার মাধ্যমে আপনার স্কিল প্রকাশিত হবে যা কিনা একটা ব্র্যান্ড গড়ে তোলার গুরুত্বপূর্ণ।
গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হচ্ছে আপনি যখন ওয়েবসাইট ছাড়া শুধু সোশ্যাল মিডিয়া অথবা প্ল্যাটফর্ম এ কাজ করছেন তখন অন্য প্রতিযোগিদের থেকে আপনি আলাদা সেটা খুব স্পষ্ট করে বুঝানোর সুযোগ নেই, কারন ইন্টারফেস সব প্রোফাইলে অথবা পেজে একই রকম, হ্যা আপনি কাভার ফটো,প্রোফাইল ফটো,কন্টেন্ট দিয়ে আলাদা হতে পারবেন তারপরও ওয়েবসাইটে আপনি যেমন একটা সাদা পেজ থেকে শুরু করতে পারছেন সোশ্যাল মিডিয়া অথবা মার্কেটপ্লেসে সেটা হচ্ছে না।
৫. ক্রিয়েটিভ ভাবে মার্কেটিং কেম্পেইন চালাতে হবে
শুধু মাত্র আপনার একটা ই কমার্স ওয়েবসাইট আছে তার মানে এই না ভিজিটররা আপনার ওয়েবসাইটে ঝাপিয়ে পরবে, আপনি যখন সাইট তৈরি করলেন এরপরের স্টেপ হবে মানুষকে আপনার সাইট সম্পর্কে জানানো, সাইটে যেন তারা প্রবেশ করে সেই ব্যবস্থা করা।
এখানে সব সময় সেল সেল সেল করে মার্কেটিং স্ট্রাটেজি ফলো না করে, বিভিন্ন টিপস, উপকারি মুলক লেখা, বিভিন্ন ফ্রি রিসোর্স ইত্যাদি দিয়ে প্রথমে তাদেরকে আপনার সাইটে নিয়ে যান, একবার যখন তারা আপনার সাইটে প্রবেশ করলো এরপর আপনি ধীরে ধীরে তাদেরকে সেল অফার দিন।
মার্কেটিং আপনি বিভিন্নভাবে করতে পারেন, SEO করে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে আসতে পারেন, এটা কাস্টোমারের বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনে চমৎকার ভাবে কাজ করে।
আপনি ফেসবুক অথবা গুগলে অ্যাড দিয়ে ভিজিটরকে আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে যেতে পারেন।
উপসংহার
আপনার একটা ই কমার্স ওয়েবসাইট থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ স্ট্রাটেজি। আপনার ব্র্যান্ড গড়ে তোলার জন্য চমৎকার একটা পন্থা। বিশ্বস্ত কাস্টোমার পাওয়া, বিভিন্ন নতুন ইনসাইট পাওয়া, এবং ক্রিয়েটিভ উপায়ে মার্কেটিং করা, তবে একটা সোশ্যাল মিডিয়াতে মার্কেটিং চালানো বিভিন্ন সমস্যার কারন হতে পারে তাই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডায়াতে মার্কেটিং করাটা জরুরি।

18/11/2021

ডার্ক ওয়েব!
ইন্টারনেটের সেই অন্ধকার জগৎ।।
ডার্ক ওয়েব শব্দটি এনক্রিপ্ট করা অনলাইন সামগ্রীকে বোঝায় যা প্রচলিত সার্চ ইঞ্জিন দ্বারা সূচিত করা যায় না। ডার্ক ওয়েবে শুধুমাত্র নির্দিষ্ট ব্রাউজার ব্যবহার করে প্রবেশ করা যেতে পারে, যেমন TOR ব্রাউজার। প্রথাগত ওয়েবসাইটগুলোর তুলনায় ডার্ক ওয়েব ব্যবহার করার মাধ্যমে অধিক গোপনীয়তা পাওয়া যায়।

ডার্ক ওয়েব নামটি থেকেই বোঝা যায়, ডার্ক ওয়েব হল একটি গোপন নেটওয়ার্ক যা আন্ডারগ্রাউন্ডে বিদ্যমান। এটি ওয়েবসাইটগুলোর একটি সিরিজের সমন্বয়ে গঠিত যা সাধারণ জনগণের কাছ থেকে লুকানো থাকে। এর মানে হল প্রচলিত সার্চ ইঞ্জিন যেমন Google এর মাধ্যমে কেউ ডার্ক ওয়েবে প্রবেশ করতে পারবে না।

মানুষ যখন ডার্ক ওয়েবের কথা ভাবেন তখন বেশিরভাগ মনোযোগ অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলিতে ড্রাগস চুরি করা, ডেটার বিনিময় এবং অন্যান্য বেআইনি কার্যকলাপের উপর দেওয়া হয়। অথচ, রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বী অথবা কিছু তথ্য গোপন রাখতে চান এমন লোকেরাও ডার্ক ওয়েব ব্যবহারে আগ্রহী থাকেন।

প্রচলিত সার্চ ইঞ্জিনগুলো ফলাফল প্রদান করে কারণ তারা ওয়েবসাইটের লিঙ্কগুলোর সূচী ধারণ করে। এগুলো কীওয়ার্ড এবং প্রাসঙ্গিকতার ভিত্তিতে র‌্যাঙ্ক করা হয়। অন্যদিকে, ডার্ক ওয়েব এমন তথ্য ব্যবহার করে যা এই অন্যান্য সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে পাওয়া যায় না। যেমন ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের ইমেল, সোশ্যাল মিডিয়া, ব্যাঙ্কিং, ব্যক্তিগত এবং পেশাদার ডেটাবেস সহ ইত্যাদি গোপনীয় তথ্য।

অনলাইন ব্যবসার জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট কেন প্রয়োজন ?বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য ফেসবুক পেজ একটি অন্যত...
12/11/2021

অনলাইন ব্যবসার জন্য ই-কমার্স ওয়েবসাইট কেন প্রয়োজন ?

বাংলাদেশের পরিপেক্ষিতে অনলাইনে ব্যবসা করার জন্য ফেসবুক পেজ একটি অন্যতম মাধ্যম। যে কেউ যেকোন সময়ে একটি ফেসবুক পেজ খুলেই অনলাইনব্যবসা শুরু করতে পারে। শুরু করার জন্য ফেসবুক পেজকেই আমরা যথেষ্ট মনে করি। কিন্তু নিজের ব্যবসাকে সুপ্রতিষ্ঠিত করার জন্য এবং নিজস্ব পরিচিতি গড়ার জন্য ফেসবুক পেজ কখনোই যথেষ্ট নয়। এক্ষেত্রে একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট আপনার ব্যবসার জন্য আবশ্যক। এই পোস্টে আমরা আলোচনা করব, আপনার অনলাইন ভিত্তিক ব্যবসার জন্য একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট কেন জরুরি।

১। নিজস্ব ব্র্যান্ড প্রতিষ্ঠা করা
ফেসবুকের হাজার হাজার ফেসবুক পেজের ভীরে আপনার ব্যবসাকে আপনি কখনই একটি দীর্ঘমেয়াদী ব্র্যান্ড হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে পারবেন না। ইন্টারনেটের এই বিশাল জগতে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইটেই পারে আপনার ব্যবসাকে একটি ইউনিক পরিচয় দিতে এবং ব্র্যন্ড হিসেবে সবার সামনে প্রতিষ্ঠিত করতে। আমাজন, আলীবাবা, ফ্লিপকার্ট কিংবা আমাদের দেশের দারাজ, পিকাবো – এরা সকলেই নিজেদেরকে প্রতিষ্ঠিত করেছে নিজস্ব ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। এদের কাছে, ফেসবুক পেজ কেবলমাত্র একটি প্রমোশনের মাধ্যম।

২। কাস্টমারদের বিশ্বাস অর্জন
অনলাইনে যারা কেনাকাটা করে তাদের সকলের ইন্টারনেট সমপর্কে অল্প-বিস্তর ধারনা আছে। কয়েক ক্লিকেই একটি ফেসবুক পেজ খুলে মুহুর্তের মাঝেই একটি অনলাইন ব্যবসা শুরু করা যায় – এই বিষয়টি এখন একটি ওপেন সিক্রেট। আর এত সহজেই অনলাইন ব্যবসা শুরু করা যায় বলে এক শ্রেণীর মানুষ প্রতারণা করার বিশেষ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে ফেসবুককে। এখন প্রায় প্রতিনিয়তই সাধারন ক্রেতাদের প্রতারিত হবার কহব পাওয়া যায়। তাই সতর্ক ক্রেতাগণ শুধুমাত্র ফেসবুক পেজের উপর বিশ্বাস রাখতে পারেন না। এই অবস্থায় একটি ই-কমার্স ওয়েবসাইট, আমি আবারো বলছি – একটি প্রফেশনাল ই-কমার্স ওয়েবসাইট খুব সহজেই একজন কাস্টমারের বিশ্বাস অর্জন করতে পারে।

৩। প্রোডাক্ট প্রদর্শনের সুব্যবস্থা
আপনার কাস্টমারদের আপনি যত দ্রুত, সহজে এবং সুন্দরভাবে বিভিন্ন প্রোডাক্ট দেখাতে পারবেন, আপনার প্রোডাক্ট বিক্রির হার ততই বাড়বে। আপনার শত শত প্রোডাক্ট গুলোকে ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আপনি কখনোই সুন্দরভাবে পদর্শন করতে পারবেন না। একইভাবে একজন ক্রেতার জন্য ফেসবুক পেজের মাধ্যমে তার বাজেট এবং পছন্দ মত প্রোডাক্টগুলো খুঁজে পাওয়া একটি সময়সাপেক্ষ এবং বিরক্তিকর ব্যপার। অন্যদিকে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি আপনার প্রোডাক্ট গুলোকে বিভিন্ন ক্যাটাগরি এবং সাব-ক্যাটাগরিতে সুবিন্যস্তভাবে সাজিয়ে রাখতে পারবেন। একজন কাস্টমার আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করে কয়েক ক্লিকেই তার বাজেট এবং পছন্দ মত প্রোডাক্টগুলোকে খুঁজে নিতে পারবে। এর ফলে আপনার কাস্টমারগণ উপভোগ করবে একটি সুন্দর এবং আনন্দময় শপিং অভিজ্ঞতা।

৪। বিশ্বাসযোগ্য পেমেন্ট ব্যবস্থা
ফেসবুক পেজের মাধ্যমে ব্যবসা পরিচালনা করলে আপনাকে পেমেন্ট নিতে হবে ম্যানুয়ালী। ক্যাশ-অন ডেলিভারী এবং আর কিছু মোবাইল ব্যাংকিং মাধ্যম (বিকাশ, রকেট ইত্যাদি) ছাড়া অন্যভাবে পেমেন্ট নিতে পারবেন না। আর এভাবে ম্যানুয়াল সিস্টেমে অনেক সচেতন ক্রেতাই আপনার সাথে লেনদেন করতে আগ্রহী হবেন না।কিন্তু ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি পেমেন্ট নিতে পারবেন অটোমেটিক্যালি। এছাড়া, মাস্টারকার্ড, ভিসা কার্ডের মাধ্যমে পেমেন্ট ব্যবস্থা থাকায় সকল শ্রেণীর কাস্টমাররা আপনার ওয়েবসাইট থেকে প্রোডাক্ট কিনতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করবে।

৫। অটোমেটেড ব্যবসা
যেখানে অনলাইন মানেই অটোমেটেড সবকিছু সেখানে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ব্যবসা করে বেশিদূর এগোতে পারবেন কি? ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আপনাকে ম্যানুয়ালী ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে যা আপনার ব্যবসা প্রসারের জন্য সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধক হয়ে দাড়াতে পারে। ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনার ব্যবসা হবে সম্পূর্ণ অটোমেটেড। একজন কাস্টমারের প্রোডাক্ট দেখা, ক্রয় করা, পেমেন্ট সম্পন্ন করা এবং একজন বিক্রেতার প্রোডাক্ট স্কট ম্যানেজ করা, বিক্রিত প্রোডাক্টগুলোর হিসাব নিকাশ ইত্যাদি যাবতীয় কাজ গুলো হবে অটোমেটেড।

যেকোন ধরনের ওয়েবসাইট বানাতে আমাদের কল করুন অথবা পেজ এ মেসেজ দিন।

ফোনঃ 01764574702
মেইলঃ [email protected]

যেই ফিচারটি প্রত্যেকটি ইকমার্স ওয়েবসাইটে থাকা জরুরীযাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট নেই, তারাও বিষয়টি জেনে রাখুন। ভবিষ্যতে অবশ্...
12/11/2021

যেই ফিচারটি প্রত্যেকটি ইকমার্স ওয়েবসাইটে থাকা জরুরী
যাদের ই-কমার্স ওয়েবসাইট নেই, তারাও বিষয়টি জেনে রাখুন। ভবিষ্যতে অবশ্যই কাজে দিবে।
যেই ফিচারটি নিয়ে কথা বলব সেটি, দারাজ বাংলাদেশ তাদের সেলারদের জন্য ইন্ট্রোডিউস করেছে এই মাসের 5 তারিখ (৫/০১/২০২০)। দারাজ টিমের সাথে কথা বলে জানতে পারলাম, এই ফিচারটি এখনো বেটা অবস্থায় আছে অর্থাৎ এখনো ফিচারটির কাজ শেষ হয়নি, কাজ চলতেছে।
দারাজ মূলত সেলার পারফরম্যান্স ড্যাশবোর্ড এর মাধ্যমে তাদের সেলারদেরকে তাদের সপে ভিজিটর গ্রোথ , অর্ডার গ্রোথ, প্রডাক্ট গ্রোথ, কনভার্শন গ্রোথ সহ আরো কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য দিচ্ছে। সবকিছু নিয়ে আজকে কথা বলবো না। শুধুমাত্র একটি ফিচার নিয়ে কথা বলবো। সেটি হল প্রোডাক্ট পারফরম্যান্স, যেটি প্রত্যেকটি ওয়েবসাইটে থাকা অত্যন্ত জরুরী। আমি তো বলতে চাই এটি ফরজ, মানে যা থাকতেই হবে।
কেন এত জোর দিয়ে বলতেছি সেটা একটু পরেই বুঝতে পারবেন।
ছবিতে লক্ষ্য করলে দেখতে পাবেন, প্রোডাক্ট পারফরমেন্সে দেখাচ্ছে একটি প্রোডাক্ট কতবার ভিউ হয়েছে, কতজন অর্ডার করেছে, কনভার্শন রেট কত এবং টোটাল কত টাকা সেল জেনারেট হয়েছে।
এখানে কনভার্শন রেট বলতে বুঝানো হয়েছে প্রতি 100 জন মানুষের মধ্যে কতজন মানুষ আপনার প্রোডাক্টটি কিনেছে। ধরেন আপনার একটি প্রোডাক্ট 350 জন ভিউ করেছে। এর মধ্যে 15 জন প্রডাক্টটি কিনেছে। তাহলে আপনার কনভার্শন রেট হবে (15/350) x 100 = 4.39%
এবার বলি এই ফিচারটি আপনার ওয়েবসাইটে থাকলে কি লাভ?
প্রথমত: কনভার্সন রেট দেখে আপনি সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন কোন প্রোডাক্টের মার্কেটিং এ ইনভেস্ট করা উচিত। ধরেন আপনি একজন ডিজিটাল ডিম বিক্রেতা, ওয়েবসাইটের মাধ্যমে ডিম বিক্রি করেন। ওয়েবসাইটে মুরগির ডিম ও হাঁসের ডিমের কনভার্শন রেট চেক করছেন।
দেখলেন মুরগির ডিমের কনভার্শন রেট যদি 5% এবং হাঁসের ডিমের কনভার্শন রেট 15% । এখান থেকে আপনি সহজেই বুঝতেছেন যে বাজারে হাঁসের ডিমের চাহিদা বেশি। কারণ প্রতি 100 জনে 15 জন কিনতেছে হাঁসের ডিম এবং প্রতি 100 জনের মধ্যে 5 জন কিনতেছে মুরগির ডিম। এখন আপনার জন্য সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হয়ে গেল আপনি ফেসবুকে মুরগির ডিমের অ্যাড চালাবেন নাকি হাঁসের ডিমের!
দ্বিতীয়তঃ যদি দেখেন কোন প্রোডাক্টের কনভার্শন রেট কম সেটা থেকেও আপনি বেশ কিছু সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। ধরেন chaldal.com এর Omer Sharif ভাই বাজারে পেঁয়াজের স্বল্পতা দেখে বিদেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানী করলেন। নিয়ে আসলেন চায়না ও মিশরের পেঁয়াজ। উনি খেয়াল করলেন, চায়না পেঁয়াজ ভিউ করেছে 100 জন এবং কিনেছে 1 জন। তারমানে কনভার্শন রেট 1% । অপরদিকে মিশরের পেঁয়াজ ভিউ করেছে 300 জন, পেঁয়াজ কিনেছে 4 জন। তারমানে কনভার্শন রেট 1.33% ।
এদিকে দেশি পেঁয়াজ ভিউ করেছে 300 জন এবং কিনেছে 10 জন। কনভার্শন রেট 3.33%
এখান থেকে কি সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে?
চায়না পেঁয়াজের ভিউ কম এবং কনভার্সন রেট কম। যেহেতু ভিউ কম হচ্ছে তার মানে বাজারে এর চাহিদা কম। পরবর্তীতে শরীফ ভাই যখন পেঁয়াজ আমদানি করবেন তখন চায়না পেঁয়াজ পরিমানে কম আমদানি করবেন।
মিশরের পেঁয়াজের ভিউ তুলনামূলক ঠিক আছে কিন্তু কনভার্সন কম হচ্ছে। তার মানে বাজারে চাহিদা আছে যেহেতু মানুষ ভিউ করতেছে। কিন্তু খুব কম সংখ্যক মানুষ কিনতেছে। তাহলে হয়তো প্রাইস একটু কমালে কনভার্শন বেড়ে যেতে পারে। বা হয়তো অন্য কোন জায়গায় যেমনঃ প্রডাক্টের বিবরনে পরিবর্তন আনলে, কনভার্সন রেট বেড়ে যেতে পারে।
এভাবে আপনিও কনভার্শন রেট দেখে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।
পরিশেষে যাদের ইকমার্স ওয়েবসাইট আছে তারা এই ফিচারটি আপনার ওয়েবসাইটে ইন্টিগ্রেট করতে পারেন। আর যারা ই-কমার্স ওয়েবসাইট করবেন চিন্তা করতেছেন তারা বিষয়টি খেয়াল করবেন।
মাঝে একটি কথা বলে নেই, অনেকেই নানান বিষয় উল্লেখ করে বলেন ওয়েবসাইটের প্রয়োজন নেই। আমিও আপনার সাথে একমত আসলেই ওয়েবসাইটের প্রয়োজন নাই। আপনি ফেসবুক দিয়ে দিব্যি ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারবেন। শুধু আমি এখানে যে বিষয়ে পোস্ট দিয়েছি এই ধরনের সুযোগগুলো মিস করবেন।
কয়েক ঘণ্টা সময় দিয়ে পোস্টটি লেখা শেষ করলাম। আপনি কি পাঁচ সেকেন্ড সময় দিয়ে পোস্টটি শেয়ার করবেন? যারা ই-কমার্স বিজনেসে আছে বা আসবে তাদের প্রত্যেকেরই এই বিষয়টি সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন।
এই লেখা পড়া উচিত এমন কারো কথা মাথায় আসলে ওনাকে মেনশন করতে পারেন।
হেল্পফুল বা কিছু একটা লিখে কমেন্ট করে আপনার মতামত জানাবেন। এতে করে আমার সিদ্ধান্ত নিতে সুবিধা হবে, এই ধরনের লেখা আরো লিখব কিনা।
© Arifuzzaman Arif

১০ টি কমন ওয়েবসাইট ডিজাইন ভুল । ১- ধিরে ধিরে লোড হওয়া , ল্যান্ডিং পেজে অনেক লিখা থাকা । নিউ ওয়ার্ক টাইমস এর রিসার্চ এর ম...
12/11/2021

১০ টি কমন ওয়েবসাইট ডিজাইন ভুল ।

১- ধিরে ধিরে লোড হওয়া , ল্যান্ডিং পেজে অনেক লিখা থাকা ।
নিউ ওয়ার্ক টাইমস এর রিসার্চ এর মতে একজন ওয়েব ইউজার ২৫০ মিলি সেকেন্ড ( এক মিনিট সমান ৬০ ,০০০ মিলি সেকেন্ড ) এর বেশী অপেক্ষা করে না পেজ লোডের জন্য । Nielsen Norman গ্রুপের গবেষণা
মতে অনেক ভিজিটর ২০ সেকেন্ড এর বেশী সময় থাকেনা যদি ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট তাকে
আকর্ষণ না করে । এবং তারা পেজের শুধুমাত্র ২৫ % টেক্সট পড়ে থাকে ।
২- মার্কেট রিসার্চ না করে ডিজাইন করা ।
কার্যকারী ডিজাইন করতে হলে আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকের বয়স , শিক্ষা গত যোগ্যতা , এবং ওয়েবসাইট ভিজিট এর উদ্দেশ্য বিবেচনায় আনতে হবে ।
৩- Cluttered পেজ ।
অনেক বেশী গ্রাফিক , অনেক বেশী লিখা , ক্লাশিং কালার আর কনফিউজিং navigation টুলস গুলি হচ্ছে কমন ভুল ।
৪ - খুব বেশী আধুনিক ডিজাইন
প্রত্যেক বছর নিত্য নতুন ডিজাইন করা আগের বছর টি বাদ দিয়ে ।
৫- মামুলি কনটেন্ট ।
ফ্রেশ কনটেন্ট আপনাকে সার্চ ইঞ্জিনে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করবে , ইহা আপনার ভিজিটর কে আপনার সেলস ফানেলে নিয়ে যেতে গাইড করবে ।
৬- নিম্ন মানের ইমেইজ ।
এমন কি আপনি যদি জুতার ফিতা সেল করা শুরু করেন তবুও উচ্চ মানের ইমেইজে খরচ করা গুরুত্বপূর্ণ পুঁজি বলে বিবেচিত হবে । নিম্ন মানের এবং ফ্রি স্টক ইমেইজ আপনার বিশ্বাস যোগ্যতা
তৈরি করে না , এবং অনেক সময় এই সব ইমেইজ আপনার পণ্য বা সেবা কে ভাল মত উপস্থাপন
করতে পারে না ।
৭- Broken লিঙ্ক
Broken লিঙ্ক ভিজিটর কে হতাশ করে , আপনার বিজনেস এর প্রতি আত্মবিশ্বাস হনন করে , এবং সার্চ ইঞ্জিনে পারফরমেন্স বাধা গ্রস্থ করে থাকে ।
৮- খারাপ লোগো ডিজাইন ।
আপনার লোগো ব্রান্দিং এর কেন্দ্রীয় স্থল , এই টা ডিজাইন করতে তততাই যত্ন এবং গবেষণা করা উচিৎ যতটা আপনার বিজনেস প্লান এবং ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে করে থাকেন ।
৯- পড়তে কঠিন হওয়া ।
মনে রাখবেন অধিকাংশ ভিজিটর কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে থাকে তারা আপনার সাইট এ থাকবে
নাকি চলে যাবে । তাই এমন ফন্ট ব্যাবহার করুন যা পড়ার যোগ্য এবং পেশাদার মনে হয় ।
১০- যোগাযোগের তথ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন ।
আপনার সাথে যোগাযোগের তথ্য সব উপরে এবং প্রত্যেকটি পেজে থাকতে হবে শুধুমাত্র “Contact Us” পেজই যথেষ্ট নয় ।

১০ টি কমন ওয়েবসাইট ডিজাইন ভুল । ১- ধিরে ধিরে লোড হওয়া , ল্যান্ডিং পেজে অনেক লিখা থাকা । নিউ ওয়ার্ক টাইমস এর রিসার্চ এর ম...
12/11/2021

১০ টি কমন ওয়েবসাইট ডিজাইন ভুল ।
১- ধিরে ধিরে লোড হওয়া , ল্যান্ডিং পেজে অনেক লিখা থাকা ।
নিউ ওয়ার্ক টাইমস এর রিসার্চ এর মতে একজন ওয়েব ইউজার ২৫০ মিলি সেকেন্ড ( এক মিনিট সমান ৬০ ,০০০ মিলি সেকেন্ড ) এর বেশী অপেক্ষা করে না পেজ লোডের জন্য । Nielsen Norman গ্রুপের গবেষণা
মতে অনেক ভিজিটর ২০ সেকেন্ড এর বেশী সময় থাকেনা যদি ওয়েবসাইট এর কনটেন্ট তাকে
আকর্ষণ না করে । এবং তারা পেজের শুধুমাত্র ২৫ % টেক্সট পড়ে থাকে ।
২- মার্কেট রিসার্চ না করে ডিজাইন করা ।
কার্যকারী ডিজাইন করতে হলে আপনার সম্ভাব্য গ্রাহকের বয়স , শিক্ষা গত যোগ্যতা , এবং ওয়েবসাইট ভিজিট এর উদ্দেশ্য বিবেচনায় আনতে হবে ।
৩- Cluttered পেজ ।
অনেক বেশী গ্রাফিক , অনেক বেশী লিখা , ক্লাশিং কালার আর কনফিউজিং navigation টুলস গুলি হচ্ছে কমন ভুল ।
৪ - খুব বেশী আধুনিক ডিজাইন
প্রত্যেক বছর নিত্য নতুন ডিজাইন করা আগের বছর টি বাদ দিয়ে ।
৫- মামুলি কনটেন্ট ।
ফ্রেশ কনটেন্ট আপনাকে সার্চ ইঞ্জিনে এগিয়ে থাকতে সাহায্য করবে , ইহা আপনার ভিজিটর কে আপনার সেলস ফানেলে নিয়ে যেতে গাইড করবে ।
৬- নিম্ন মানের ইমেইজ ।
এমন কি আপনি যদি জুতার ফিতা সেল করা শুরু করেন তবুও উচ্চ মানের ইমেইজে খরচ করা গুরুত্বপূর্ণ পুঁজি বলে বিবেচিত হবে । নিম্ন মানের এবং ফ্রি স্টক ইমেইজ আপনার বিশ্বাস যোগ্যতা
তৈরি করে না , এবং অনেক সময় এই সব ইমেইজ আপনার পণ্য বা সেবা কে ভাল মত উপস্থাপন
করতে পারে না ।
৭- Broken লিঙ্ক
Broken লিঙ্ক ভিজিটর কে হতাশ করে , আপনার বিজনেস এর প্রতি আত্মবিশ্বাস হনন করে , এবং সার্চ ইঞ্জিনে পারফরমেন্স বাধা গ্রস্থ করে থাকে ।
৮- খারাপ লোগো ডিজাইন ।
আপনার লোগো ব্রান্দিং এর কেন্দ্রীয় স্থল , এই টা ডিজাইন করতে তততাই যত্ন এবং গবেষণা করা উচিৎ যতটা আপনার বিজনেস প্লান এবং ওয়েবসাইট ডিজাইন করতে করে থাকেন ।
৯- পড়তে কঠিন হওয়া ।
মনে রাখবেন অধিকাংশ ভিজিটর কয়েক সেকেন্ড সময় নিয়ে থাকে তারা আপনার সাইট এ থাকবে
নাকি চলে যাবে । তাই এমন ফন্ট ব্যাবহার করুন যা পড়ার যোগ্য এবং পেশাদার মনে হয় ।
১০- যোগাযোগের তথ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন ।
আপনার সাথে যোগাযোগের তথ্য সব উপরে এবং প্রত্যেকটি পেজে থাকতে হবে শুধুমাত্র “Contact Us” পেজই যথেষ্ট নয় ।

12/11/2021

১)তীব্র কোন চাওয়া কে প্রকৃতি/এই ইউনিভার্স কখনো ই ফেরত দেয় না।
১০ হাজার বার বৈদ্যুতিক বাতি বানানোর চেষ্টা এডিসন কে ফিরিয়ে দেয় নি,

যে আলোতে এখন এই মুহূর্তে আমি আপনি আমরা আলোকিত।
২)টেসলাকে যেদিন এডিসন এর মত অমন বিরাট লোক কিক আউট করেছিল সেদিনও তিনি হিসাব কষতেছিল তরঙ্গ নিয়ে।ক্ষাপাটে পাগলা লোকটা একটানা ৫৬ ঘন্টা ধরে তরঙ্গ,গানীতিক হিসাব নিকাশ এইসব নিয়ে পড়ে থাকতে পারতেন।

৪)এক গনিতবীদকে মৃত্যুর আগে ডেটথ উইস কী জানতে চাওয়া হচ্ছিল,
তিনি বলেছিলেন আমি কেবল আরেকটিবার ২২/৭ করে পাই এর মান বের করতে চাই।

৫)৭০+ বয়সে সুইসাইড করতে গিয়ে ফিরে এসে এক বৃদ্ধ মুরগির ঠাং ভেজে বিক্রি করতে শুরু করেন,মরার আগে কোটি কোটি ডলারের মালিক বনে যান, যেটাকে আমরা এখন কেএফসি নামে চিনি।

৬) কেএফসি এর এইচ আর লোকজন একবার এক তরুণ কে ফিরিয়ে দিয়েছিল কারন ছিল তার চেহারা এতই কদাকার যে তাকে দেখলে লোকজন মুরগির ঠ্যাং ভাজা খেতে আসবে না।
লোকটি এখন কেএফসির মত চুনুপুটি কম্পানি (তার তুলনায)কেনার ক্ষমতা রাখেন।

বলছিলাম আলীবাবা ৪০ চোরের সিইও জ্যাক এর কথা।
৭).....এই পয়েন্ট টা নাহয় খালিই থাক আপনার আমার চিন্তা জগতের খোরাকি হিসেবে।

নিজে জানি অন্যকে জানাতে সহযোগিতা করি।ডিজিটাল মিটারের আওতায় এসেছে....বাংলাদেশ ✅জেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিট...
31/10/2021

নিজে জানি অন্যকে জানাতে সহযোগিতা করি।
ডিজিটাল মিটারের আওতায় এসেছে....বাংলাদেশ ✅
জেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ
-------------------------
প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।
কারণঃ
১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।
২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)
৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা। (প্রতি মাসে এক বার)
৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।
৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা। (প্রতি মাসে একবার)
বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।
স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।
২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।
৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।
৪। মিটার টি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।
৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।
পোস্টটি প্রয়োজনীয় হলে শেয়ার করে টাইমলাইনে রাখতে পারেন।

Address

Kishoreganj, Dhaka
Kishoreganj
2326

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Skylark It Solutions posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Skylark It Solutions:

Share