Vápè's Time

Vápè's Time Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Vápè's Time, Electronics Store, 17, KDA Avenue, Khulna.

24/08/2026
22/08/2026
21/08/2026

BENDSTA extends its most sincere and heartfelt congratulations to H.E. Mirza Fakhrul Islam Alamgir on his distinguished election as the 23rd President of the People’s Republic of Bangladesh. We warmly celebrate this momentous occasion and wish him wisdom, strength, and every success in his honorable service to the nation.

21/08/2026

@

21/07/2026
ধূমপান ছাড়ার পর ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সিলিয়া (Cilia) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধূমপানে...
05/06/2026

ধূমপান ছাড়ার পর ফুসফুসের কার্যক্ষমতা ফিরে পাওয়ার প্রক্রিয়ায় সিলিয়া (Cilia) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ধূমপানের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে ফুসফুসের এই সিলিয়া কীভাবে পুনরুদ্ধার পায় এবং চিরাচরিত সিগারেটের বিকল্প হিসেবে ভেপিং এতে কীভাবে কাজ করে, তার একটি বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ নিচে দেওয়া হলো।

১. ফুসফুসের সিলিয়া (Cilia) কী এবং ধূমপানে এর কী ক্ষতি হয়?

সিলিয়া হলো ফুসফুস এবং শ্বাসনালীর ভেতরের দেওয়ালে থাকা লাখ লাখ অতি ক্ষুদ্র, চুলের মতো অংশ। এদের মূল কাজ হলো একটি ঝাড়ুদারের মতো নিরলসভাবে কাজ করা। এরা প্রতিনিয়ত একটি নির্দিষ্ট ছন্দে দুলতে থাকে, যা ফুসফুসে প্রবেশ করা ধুলোবালি, ক্ষতিকর ব্যাকটিরিয়া এবং অতিরিক্ত শ্লেষ্মা (Mucus) ওপরের দিকে ঠেলে দেয়, যাতে আমরা কাশির মাধ্যমে বা অজান্তেই তা গিলে ফেলে ফুসফুস পরিষ্কার রাখতে পারি।

সিগারেটের ধোঁয়ার প্রভাব:
চিরাচরিত তামাকের সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকে টার (Tar), কার্বন মনোক্সাইড এবং হাজারো বিষাক্ত রাসায়নিক।

• এই বিষাক্ত উপাদানগুলো সিলিয়ার এই দুলুনি বা নড়াচড়ার ক্ষমতাকে সাময়িকভাবে অবশ বা পক্ষাঘাতগ্রস্ত (Paralyzed) করে ফেলে।

• দীর্ঘদিন ধূমপান করলে সিলিয়াগুলো স্থায়ীভাবে ধ্বংস হয়ে যায়।

• এর ফলে ফুসফুসে ময়লা ও কফ জমতে থাকে, যা ধূমপায়ীদের সকালের চিরচেনা দীর্ঘস্থায়ী কাশির (Smoker's Cough) অন্যতম প্রধান কারণ।

২. ধূমপান ছাড়ার পর সিলিয়ার পুনরুজ্জীবন (Regeneration)

যখন একজন ব্যক্তি ধূমপান সম্পূর্ণ ছেড়ে দেন, তখন ফুসফুস চমৎকার এক আত্ম-নিরাময় (Self-healing) প্রক্রিয়া শুরু করে:

• ১ থেকে ৯ মাসের মধ্যে: ধূমপান ছাড়ার মাত্র কয়েকদিনের মধ্যেই সিলিয়ার অবশ ভাব কাটতে শুরু করে। সাধারণত ১ থেকে ৯ মাসের মধ্যে ফুসফুসে সম্পূর্ণ নতুন এবং সুস্থ সিলিয়া গজাতে শুরু করে।

• কফ পরিষ্কার হওয়া: সিলিয়া আবার সচল হওয়ার সাথে সাথে ফুসফুসে জমে থাকা পুরনো কফ, টার এবং ময়লা তারা জোরকদমে পরিষ্কার করা শুরু করে। এই সময় সাময়িকভাবে কাশি কিছুটা বাড়তে পারে, যা আসলে ফুসফুস পরিষ্কার হওয়ার একটি ইতিবাচক লক্ষণ। এর ফলে ধীরে ধীরে শ্বাসকষ্ট কমে এবং ফুসফুসের সংক্রমণ বা ইনফেকশনের ঝুঁকি নাটকীয়ভাবে হ্রাস পায়।

৩. এই প্রক্রিয়ায় ভেপিং (Va**ng) কীভাবে ভূমিকা রাখে?

অনেকের মনে প্রশ্ন জাগে, ধূমপান ছেড়ে ভেপিংয়ে (E-cigarettes) স্যুইচ করলে সিলিয়ার এই পুনরুদ্ধার প্রক্রিয়ায় কী প্রভাব পড়ে? চিকিৎসা বিজ্ঞান এবং বিভিন্ন গবেষণার আলোকে এর উত্তরটি নিচে ব্যাখ্যা করা হলো:

ক. টারের (Tar) অনুপস্থিতি এবং সিলিয়ার পুনরুদ্ধার:

ভেপিংয়ে যেহেতু কোনো তামাক পোড়ানো হয় না, তাই এতে কোনো টার (Tar) বা কার্বন মনোক্সাইড তৈরি হয় না। যুক্তরাজ্যের জাতীয় স্বাস্থ্য সেবা (NHS) এবং রয়্যাল কলেজ অফ ফিজিশিয়ানস-এর গবেষণা অনুযায়ী, ভেপিং সাধারণ ধূমপানের চেয়ে প্রায় ৯৫% কম ক্ষতিকর। যেহেতু ভেপ জুসে সিলিয়া অবশ করার মতো বিষাক্ত উপাদান থাকে না, তাই ধূমপান ছেড়ে কেউ ভেপিংয়ে স্যুইচ করলেও তার ফুসফুসের সিলিয়াগুলো আবার সচল হতে এবং নতুন করে গজাতে বাধা পায় না।

খ. ক্ষতিকারক উপাদানের হ্রাস:

একটি বিখ্যাত ল্যাবরেটরি গবেষণায় দেখা গেছে, সিগারেটের ধোঁয়া যেখানে সিলিয়ার কার্যক্ষমতাকে প্রায় সঙ্গে সঙ্গে শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনে, সেখানে বিশুদ্ধ ই-লিকুইডের বাষ্প (PG/VG এবং নিকোটিন) সিলিয়ার নড়াচড়ার ওপর অত্যন্ত নগণ্য প্রভাব ফেলে। ফলে ভেপিং একজন ধূমপায়ীকে সিলিয়ার কার্যক্ষমতা ফিরে পেতে সাহায্য করে, যা সাধারণ ধূমপান চালিয়ে গেলে কখনোই সম্ভব হতো না।
গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সতর্কবার্তা ও বাস্তবতা
যদিও ভেপিং সাধারণ সিগারেটের চেয়ে সিলিয়ার জন্য অনেক বেশি সহায়ক, তবুও এটি সম্পূর্ণ ক্ষতিকারক-মুক্ত নয়। ফুসফুসের স্বাভাবিক বাতাসের বাইরে যেকোনো বাষ্পেরই কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থাকে:

শুষ্কতা ও মৃদু জ্বালাপোড়া: ভেপ জুসের PG এবং VG বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে। এর ফলে শ্বাসনালী সাময়িক শুষ্ক হতে পারে, যা সিলিয়ার স্বাভাবিক গতিকে কিছুটা ধীর করতে পারে (যদিও তা স্থায়ী ক্ষতি করে না)। প্রচুর পানি পানের মাধ্যমে এই সমস্যা এড়ানো যায়।

ফ্লেভারের রাসায়নিক: কিছু সস্তা বা নিম্নমানের ই-লিকুইডে ব্যবহৃত কৃত্রিম ফ্লেভারিং এজেন্টে (যেমন ডায়াসিটিল) এমন কিছু উপাদান থাকতে পারে যা ফুসফুসের কোষের ক্ষতি করতে পারে। তাই সর্বদা মানসম্মত উপাদান ব্যবহার করা জরুরি।

মূল কথা: সিলিয়ার সুরক্ষার জন্য আদর্শ উপায় হলো কোনো কিছুই ফুসফুসে না নেওয়া (ধূমপান ও ভেপিং উভয়ই বর্জন করা)। তবে যারা তীব্র নিকোটিনের আসক্তির কারণে ধূমপান ছাড়তে পারছেন না, তাদের জন্য ভেপিং একটি কার্যকরী "ক্ষতি হ্রাসকারী" (Harm Reduction) মাধ্যম হিসেবে কাজ করে, যা ফুসফুসের সিলিয়াকে আবার সচল হওয়ার এবং ফুসফুস পরিষ্কার করার সুযোগ দেয়।

ধূমপান ছেড়ে ভেপিং বা ইলেকট্রনিক সিগারেট শুরু করার পর অনেক ব্যবহারকারীই একটি অদ্ভুত কিন্তু চমৎকার ব্যাপার লক্ষ্য করেন। তা...
04/06/2026

ধূমপান ছেড়ে ভেপিং বা ইলেকট্রনিক সিগারেট শুরু করার পর অনেক ব্যবহারকারীই একটি অদ্ভুত কিন্তু চমৎকার ব্যাপার লক্ষ্য করেন। তা হলো— মাত্র কয়েকদিন আগেও যে সিগারেটের ধোঁয়া ও গন্ধ তাদের কাছে স্বাভাবিক (এমনকি আকর্ষণীয়) লাগতো, হঠাতই তা অত্যন্ত কটু, দুর্গন্ধময় এবং অসহ্যকর মনে হতে শুরু করে। এমনকি পাশে কেউ ধূমপান করলে প্রচণ্ড অস্বস্তি হয়।

এটি কোনো কাল্পনিক বিষয় বা কেবলই মানসিক পরিবর্তন নয়; এর পেছনে সুনির্দিষ্ট বিজ্ঞানসম্মত ও জীববৈজ্ঞানিক (Biological) কারণ রয়েছে।
নিচে বিষয়টি বিস্তারিতভাবে আলোচনা করা হলো:

১. অলফ্যাক্টরি এবং গ্যাস্টেটরি সিস্টেমের দ্রুত পুনরুজ্জীবন (Sensory Recovery)

সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা আলকাতরা (Tar), হাইড্রোজেন সায়ানাইড এবং অন্যান্য বিষাক্ত রাসায়নিক উপাদান মানুষের নাক ও মুখের ভেতরের সংবেদনশীল স্নায়ুগুলোকে (Olfactory receptors & Taste buds) অবশ বা অচল করে রাখে। একে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় আংশিক Anosmia (ঘ্রাণশক্তি হ্রাস) এবং Ageusia (স্বাদহীনতা) বলা চলে।

• পরিবর্তনটি যেভাবে ঘটে: যখন একজন ব্যক্তি ধূমপান পুরোপুরি বন্ধ করে ভেপিং শুরু করেন, তখন তার শরীর বিষাক্ত টক্সিন ও আলকাতরা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকে।

• ফলাফল: মাত্র ৪৮ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নাক ও জিহ্বার ক্ষতিগ্রস্ত স্নায়ুপ্রান্তগুলো (Nerve endings) অত্যন্ত দ্রুতগতিতে পুনরুত্থিত ও সতেজ হতে শুরু করে। হঠাত করেই ঘ্রাণশক্তি ও স্বাদের অনুভূতি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। ফলে, আগে যে সিগারেটের গন্ধ অবশ স্নায়ুর কারণে টের পাওয়া যেত না, এখন সতেজ স্নায়ুগুলো সেই গন্ধকে অত্যন্ত তীব্র ও কটু হিসেবে মস্তিষ্কে পাঠায়।

২. মস্তিষ্কের 'প্রতিরক্ষা প্রতিক্রিয়া' এবং কন্ডিশনিং (Neuro-conditioning)

নিয়মিত ধূমপানের সময় মস্তিষ্ক সিগারেটের গন্ধকে 'নিকোটিন পাওয়ার মাধ্যম' হিসেবে চিনে নেয় (Reward Pathway)। কিন্তু যখন আপনি ভেপিং শুরু করেন, তখন আপনার শরীর ক্ষতিকর আলকাতরা বা কার্বন মনোক্সাইড ছাড়াই তুলনামূলক পরিষ্কার উপায়ে (ই-লিকুইডের মাধ্যমে) নিকোটিন পেয়ে যায়।

• বিজ্ঞানের ব্যাখ্যা: শরীর যখন বুঝতে পারে যে নিকোটিন পাওয়ার জন্য তার আর ওই বিষাক্ত ও তীব্র ধোঁয়ার প্রয়োজন নেই, তখন মস্তিষ্ক তার বেঁচে থাকার তাগিদে (Survival Instinct) সিগারেটের ধোঁয়াকে একটি "হুমকি বা বিষ" হিসেবে চিহ্নিত করে।

• ফলাফল: আগে যে গন্ধ আনন্দের উদ্রেক করতো, এখন মস্তিষ্ক সেই গন্ধ পাওয়া মাত্রই এক ধরণের অস্বস্তি বা বমি বমি ভাব (Nausea) তৈরি করে, যাতে আপনি ওই ক্ষতিকর ধোঁয়া থেকে দূরে সরে যান। একে মনস্তত্ত্বে এবং নিউরোসায়েন্সে "Aversive Conditioning" বলা হয়।

৩. হাইড্রোজেন সায়ানাইড ও কার্বন মনোক্সাইডের অনুপস্থিতি

সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা কার্বন মনোক্সাইড রক্তে অক্সিজেনের মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং হাইড্রোজেন সায়ানাইড ফুসফুসের সিলিয়া (Cilia - সূক্ষ্ম লোমশ অংশ, যা ফুসফুস পরিষ্কার রাখে) ধ্বংস করে দেয়।

• ভেপিং-এর ভূমিকা: ভেপিং-এ কোনো দহন (Combustion) ঘটে না, কেবল তরল বাষ্পীভূত হয়। ফলে কার্বন মনোক্সাইড বা হাইড্রোজেন সায়ানাইড শরীরে প্রবেশ করে না।

• ফলাফল: ফুসফুস তার স্বাভাবিক কার্যক্ষমতা ফিরে পেতে শুরু করার পরপরই, যেকোনো ধরনের বাইরের ধোঁয়া (Smoke) বা কার্বন কণাকে সে প্রবলভাবে প্রতিরোধ করতে চায়। এই কারণেই একজন নিয়মিত ধূমপায়ীর পাশে দাঁড়ালে তখন নিজের ফুসফুস ও শ্বাসনালীতে তীব্র অস্বস্তি ও দমবন্ধ ভাব তৈরি হয়।

৪. পিজি/ভিজি এবং ফ্লেভারের মনস্তাত্ত্বিক প্রভাব

ভেপিং-এ ব্যবহৃত ই-লিকুইড সাধারণত প্রোপিলিন গ্লাইকল (PG), ভেজিটেবল গ্লিসারিন (VG) এবং ফুড-গ্রেড ফ্লেভার দিয়ে তৈরি হয়। এগুলো পরিষ্কার এবং সুবাসযুক্ত (যেমন: ফ্রুটস, মিন্ট বা ডেজার্ট ফ্লেভার)।

• ফলাফল: মাত্র কয়েকদিন এই পরিষ্কার ও সুগন্ধযুক্ত বাষ্প নেওয়ার পর, হঠাৎ করে সিগারেটের দহনজনিত ধোঁয়া (যা মূলত কাগজ, তামাক ও কেমিক্যাল পোড়ার ছাই) নাসিকারন্ধ্রে প্রবেশ করলে তা প্রাকৃতিকভাবেই চরম নোংরা এবং দুর্গন্ধময় মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক।

সহজ কথায়, ধূমপান ছেড়ে ভেপিং শুরু করার পর সিগারেটের প্রতি যে তীব্র অনাসক্তি বা ঘৃণা তৈরি হয়, তা মূলত আপনার শরীরের সুস্থ হয়ে ওঠার একটি জীবন্ত প্রমাণ। আপনার শরীর যে সিগারেটের বিষাক্ত প্রভাব কাটিয়ে উঠে স্বাভাবিক ও সংবেদনশীল অবস্থায় ফিরে আসছে, এই অস্বস্তিটি তারই বিজ্ঞানসম্মত সংকেত।

04/06/2026

ধূমপান ছেড়ে ভেপিং (Va**ng) বা ই-সিগারেট শুরু করার সিদ্ধান্তটি অনেকের কাছেই একটি বড় রূপান্তর। প্রচলিত ধূমপান থেকে ভেপিং-এ আসার এই প্রক্রিয়াটিকে বলা হয় "Switching"। একজন ব্যক্তি যখন মনস্তাত্ত্বিকভাবে দৃঢ় প্রতিজ্ঞ হয়ে প্রথম দিন থেকে এই যাত্রা শুরু করেন, তখন তার শরীর ও মনে বেশ কিছু তাৎক্ষণিক এবং দীর্ঘমেয়াদী পরিবর্তন আসে।

নিচে প্রথম দিন থেকে শুরু করে পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের অভিজ্ঞতা ও পরিবর্তনের একটি সুন্দর রূপরেখা দেওয়া হলো:

প্রথম দিন: মিশ্র অনুভূতির সূচনা

প্রথম দিনটি সাধারণত সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং এবং একই সাথে কৌতুহলোদ্দীপক হয়।

• মানসিক তৃপ্তি ও খাপ খাইয়ে নেওয়া: যেহেতু ভেপিং-এ নিকোটিন থাকে এবং হাত থেকে মুখে নেওয়ার অভ্যাসটি (Hand-to-mouth action) বজায় থাকে, তাই মনস্তাত্ত্বিকভাবে ধূমপায়ীর মনে হবে সে ধূমপানই করছে। তবে সিগারেটের ধোঁয়া আর ভেপারের (বাষ্প) ঘনত্বের পার্থক্যের কারণে শুরুতে একটু অদ্ভুত লাগতে পারে।

• গলা খুসখুস করা (Throat Hit): প্রথম দিন ভেপ নেওয়ার সময় গলায় একটু ধাক্কা লাগতে পারে বা হালকা কাশি আসতে পারে। সিগারেটের ধোঁয়ায় থাকা কেমিক্যাল গলার যে অংশগুলোকে অবশ করে রাখত, ভেপিং-এ তা হয় না।

• সিগারেটের তীব্র আকাঙ্ক্ষা (Cravings): যদিও শরীরে নিকোটিন যাচ্ছে, তাও সিগারেটে থাকা অন্যান্য ৭,০০০+ কেমিক্যালের প্রতি আসক্তির কারণে মন বারবার আসল সিগারেট খুঁজতে পারে। একে জয় করাই প্রথম দিনের মূল পরীক্ষা।

প্রথম সপ্তাহ: শরীরের পরিচ্ছন্নতা অভিযান (Detoxification)

প্রথম সপ্তাহের মাঝামাঝি সময়ে শরীর থেকে সিগারেটের বিষাক্ত টক্সিনগুলো বের হতে শুরু করে।

• ভেপারের স্বাদ ও গন্ধের পরিবর্তন: ধূমপানের কারণে জিহ্বা ও নাকের যে রিসেপ্টরগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল, সেগুলো আবার সতেজ হতে শুরু করে। ফলে খাবারের স্বাদ এবং চারপাশের গন্ধ অনেক বেশি স্পষ্ট মনে হবে।

• "স্মোকার্স কাফ" বা কাশি: ৪-৫ দিন পর হঠাৎ কাশি বেড়ে যেতে পারে এবং কফ বের হতে পারে। এটি ভয়ের কিছু নয়; ফুসফুস তার জমে থাকা আলকাতরা (Tar) এবং ময়লা পরিষ্কার করার প্রক্রিয়া শুরু করার কারণে এমন হয়।

• হালকা মাথাব্যথা বা মুখ শুকিয়ে যাওয়া: ভেপারের মূল উপাদান (PG/VG) বাতাস থেকে আর্দ্রতা শোষণ করে। তাই শুরুতে মুখ ও গলা শুকিয়ে যেতে পারে এবং হালকা মাথাব্যথা হতে পারে। এই সময়ে প্রচুর পানি পান করা জরুরি।

প্রথম মাস: শারীরিক সক্ষমতার পুনরুদ্ধার

এক মাস নিয়মিত ভেপিং করার পর (এবং পুরোপুরি ধূমপান মুক্ত থাকলে) শরীরে দৃশ্যমান ও ইতিবাচক পরিবর্তন চলে আসে।

• সহজতর শ্বাস-প্রশ্বাস: ফুসফুসের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সিঁড়ি দিয়ে উঠা বা সামান্য দৌড়াদৌড়িতে আগের মতো হাঁপিয়ে ওঠার প্রবণতা অনেক কমে যায়।

• দুর্গন্ধ থেকে মুক্তি: জামাকাপড়, চুল বা মুখ থেকে আর সিগারেটের পোড়া গন্ধ আসবে না। মুখের ভেতরের স্বাস্থ্য (Oral Health) ভালো হতে শুরু করবে, মাড়ির রক্ত পড়া কমে যাবে।

• উন্নত ঘুম ও মানসিক শান্তি: প্রথম দিকে নিকোটিনের মাত্রার ওঠানামার কারণে ঘুমে কিছুটা ব্যাঘাত ঘটলেও, মাসের শেষের দিকে ঘুম অনেক গভীর এবং নিয়মতান্ত্রিক হয়ে ওঠে। সকালের ক্লান্তিভাব কেটে যায়।

ধীরে ধীরে দীর্ঘমেয়াদী যে পরিবর্তনগুলো আসবে
ধূমপান ছেড়ে পুরোপুরি ভেপিং-এ অভ্যস্ত হওয়ার কয়েক মাস পর একজন ব্যক্তি নিজের মধ্যে আমূল পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন:

১. নিকোটিনের নিয়ন্ত্রণ: সিগারেটের ক্ষেত্রে নিকোটিনের মাত্রা কমানো যায় না। কিন্তু ভেপিং-এ ধীরে ধীরে ই-লিকুইডের নিকোটিনের মাত্রা (যেমন: 12mg থেকে 6mg, তারপর 3mg এবং শেষে 0mg) কমিয়ে আনা সম্ভব। অর্থাৎ, ধীরে ধীরে নিকোটিনের আসক্তি পুরোপুরি দূর করা যায়।

২. ত্বকের উজ্জ্বলতা: তামাকের ধোঁয়া ত্বকের রক্ত সঞ্চালন কমিয়ে দেয়, ফলে ত্বক বুড়িয়ে যায়। ধূমপান ত্যাগের ফলে ত্বকে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয় এবং চেহারার কালচে ভাব দূর হয়ে উজ্জ্বলতা ফেরে।

৩. আর্থিক সাশ্রয়: দীর্ঘমেয়াদে সিগারেটের পেছনে যে বিপুল পরিমাণ অর্থ খরচ হতো, ভেপিং-এ তার চেয়ে অনেক কম খরচ হয়।

একটি জরুরি বার্তা:

ভেপিং ধূমপানের চেয়ে কম ক্ষতিকর বিকল্প (Harm Reduction) হিসেবে কাজ করে, তবে এটি সম্পূর্ণ ঝুঁকিমুক্ত নয়। মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ভেপিং-এর সাহায্যে প্রথমে সিগারেট ত্যাগ করা এবং পরবর্তীতে ধীরে ধীরে ভেপিং-ও পুরোপুরি ছেড়ে দিয়ে একটি সম্পূর্ণ ধূমপানমুক্ত ও সুস্থ জীবন বেছে নেওয়া।

Address

17, KDA Avenue
Khulna
9100

Opening Hours

Monday 11:00 - 20:30
Tuesday 11:00 - 20:30
Wednesday 11:00 - 20:30
Thursday 11:00 - 20:30
Saturday 11:00 - 20:30
Sunday 11:00 - 20:30

Telephone

+8801400502495

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Vápè's Time posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Vápè's Time:

Shortcuts

Share