09/09/2026
ঢাকার হলিক্রস কলেজে অনিমেষ সাহা নামের এক শিক্ষক একাধিক ছাত্রীদের সাথে অবৈধ ফিজিক্যাল রিলেশন করছে, এক পর্যায়ে নবম শ্রেণির এক ছাত্রী গর্ভবতী হওয়ার পর বিষয়টা ফাঁস হয়েছে। প্রাপ্ত নিউজ আর সোর্সের মতে অনিমেষ সাহা বিশ জনের অধিক কোমলমতি ছাত্রীদের মার্কস বাড়িয়ে দেওয়ার প্রলোভনে ধর্ষণ করেছেন। আইনের ভাষ্যমতে অনিমেষ সাহা একজন সিরিয়াল রেপিস্ট হবে, কারণ এখানে বেশিরভাগই ছাত্রীদের বয়স ১৫ এর নিচে।
১২-১৩ বছর আগে পরিমল জয়ধর নামে ভিকারুননিসা নূন স্কুলের এক শিক্ষক ছাত্রী ধর্ষনের ঘটনায় বেশ আলোচনায় এসেছিলো। যারা ঐ সময় পত্রিকায় বা সোস্যাল মিডিয়ার চোখ রাখতেন তাদের এটা জানার কথা। এখন কথা হচ্ছে দেশে শিক্ষক দ্বারা এই রকমের ঘটনা কেন বারে বারে ঘটে?
আমার মতে এই জন্য প্রথমত দায়ী দেশের বিচারহীন কালচার। এই ধরনের ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত হলে এই ধরনের ঘটনা অনেক কমে যেত। দ্বীতিয়ত একটা বড় কারন হচ্ছে দেশের মানুষের মানষিকতা। আমি খেয়াল করেছি শিক্ষক-ছাত্রীদের অবৈধ সম্পর্ককে এই দেশে বাযে নজরে দেখানো হয় না। দেশের অনেক নামকরা সাহিত্যিক, গুনি মানুষ ও শিক্ষক নিজের ছাত্রী বিয়ে করেছেন। শিক্ষক ছাত্রীদের অবৈধ সম্পর্ক সাহিত্য, নাটক-মুভি সব জায়গায় খুব কমন ব্যাপার। শিক্ষক যেমন এটা ইনজয় করে, অনেক ছাত্রীরাও ইনজয় করে এমনকি অনেক ছাত্রীর মা-বাবাও এতে সম্মতি থাকে। শিক্ষক-ছাত্রী প্রেম হতে পারে এটা দেশের বেশীরভাগ মানুষের কাছে স্বাভাবিক বিষয়।
অথচ ওয়েষ্টার্ন দেশ, যাদের কালচারের জন্য আমরা অনেকে তাদের অপছন্দ করি, সেখানে এই ধরনের অবৈধ সম্পর্ক কঠোরভাবে নিশিদ্ধ। তাদের সমাজেও এই ব্যাপারটা খুব বাজেভাবে দেখা হয়। কোন শিক্ষক এটা করলে তার শিক্ষকতা সারাজীবনের জন্য বাতিল করা হয়, সেক্স অফেন্ডার হিসাবে তার নাম স্থায়ীভাবে থাকায় রাখা হয় সারাজীবনের জন্য। এই রকম ঘটনা সেখানে ঘটলে মিডিয়াতে বেশ হাইলাইট হয় সেটা। তাদের বিশ্বাস শিক্ষকের কাজ শিক্ষাদান করা, যারা এই নৈতিক স্থলন ঘটায়, তারা শিক্ষা দানের অনুপযুক্ত। আমরা হয়ত পশ্চিমাদের অনেক কিছুই সমালোচনা করতে পারি এবং সমালোচনা করা উচিত। কিন্তু আমরা কখনই আমাদের নোংরা মানষিকতার সমালোচনা করি না। আমাদের কি উচিত না নিজেদের ভুলগুলো দেখা?