ITHome.kalapara - আমরা আত্মনির্ভরশীল

ITHome.kalapara - আমরা আত্মনির্ভরশীল সপ্ন দেখব, বাস্তবের জন্য।
ফ্রিলান্সি?

বিশ্বায়নের এই যুগে সবাই ঝুকছে ইন্টারনেট ও তথ্য প্রযুক্তির দিকে।
হাতের মুঠোয় পুরো পৃথিবী। কমছে শ্রম বাড়ছে আয়।
হ্যাঁ, আমি অনলাইন ইনকাম, ফ্রিলাঞ্চিং বা আউটসোর্সিং এর কথা বলছি।

চাকরীর পিছে অন্ধের মত না ছুটে অনলাইনে গড়ে তুলুন আপনার ক্যারিয়ার।

আমরা আছি আপনার সাথে।

🔥🔥কিভাবে আপনি ফাইভার এর জন্য একটি ইফেকটিভ গিগ ডেসক্রিপশন লিখবেন? ⭐️⭐️🔥আমরা সবাই গিগ খুলে নিজেদের ইচ্ছে মত কিছু একটা ডেসক...
16/03/2022

🔥🔥কিভাবে আপনি ফাইভার এর জন্য একটি ইফেকটিভ গিগ ডেসক্রিপশন লিখবেন? ⭐️⭐️🔥
আমরা সবাই গিগ খুলে নিজেদের ইচ্ছে মত কিছু একটা ডেসক্রিপশন এ লিখে রাখি যার ফলে দেখা যায় অনেক সময় আপনার গিগ এ ক্লিক,ইম্প্রেশন ঠিক ই আসে কিন্তু কাঙ্ক্ষিত অর্ডার আসে নাহ। তো একটা ভালো গিগ ডেসক্রিপশন আপনার কাজ পাবার হার বা কনভার্সন রেট অনেক গুণ এ বাড়িয়ে দিতে পারে।
আজকে আমরা আলোচনা করবো কিভাবে আপনি একটি কিলার গিগ ডেসক্রিপশন লিখবেন?
আমরা ভুল টা আসলে প্রথমেই করে ফেলি, আমরা শুরু টা এমন একটা ফরম্যাট এ করি যেন ক্লায়েন্ট দেখেই আর ইন্টারেস্টেড ফিল না করে। ( এটা শুধু আমার পার্সোনাল মতামত )
আমরা শুরু করি নরমালি আমাদের নিজের পরিচয় দিয়ে, আমাদের এত বছরের অভিজ্ঞতা, আমি এই করতে পারি সেই করতে পারি আপনাকে একদম হ্যাপি করে দিবো এই সব কথা বার্তা।
আসলে আমার কাছে পার্সোনালি মনে হয় এইগুলা আসলে ম্যাটার করে নাহ একদম শুরু তে।
যদি বলেন কেন?
তাহলে আপনাকে একটা প্রশ্ন করি ধরেন আপনি অসুস্থতা নিয়ে ডাক্তার এর কাছে গেছেন এবং সে আপনাকে প্রথম দেখাতেই বলতে শুরু করে হাই আমি অমুক, আমার এত বছরের অভিজ্ঞতা আমি অই মেডিকেল কলেজ থেকে পড়াশোনা করেছি এত পয়েন্ট নিয়ে।
আমি আপনাকে একদম ভাল করে দিব জিবনে আর কোন ডাক্তার এর কাছে আপনাকে যেতে হবে নাহ। জিনিস টা কেমন লাগবে? একটু ক্রিঞ্জি নাহ?
তো এখন প্রশ্ন আসে তাইলে আসলে কিভাবে শুরু করবো ইন্ট্রো সেকশন?
শুরু করার আগে আপনাকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে বায়ার আপনার কাছে কেন আসছে? আপনার পরিচয় জানতে নাকি আপনার কাছ থেকে কোন সার্ভিস নিতে।
সার্ভিস কথা শুনে মনে পরলো মার্কেটিং এর ভাষায় অনেকেই বলে থাকেন যে আপনি কখনো আপনার ক্লায়েন্ট এর কাছে কোন পণ্য বিক্রি করতে যাবেন না।
তাহলে এখন আপনি প্রশ্ন করতে পারেন আপনার কি মাথা গেছে ভাই পণ্য বা সার্ভিস সেল না করলে ক্যামনে কি?
আসলে এটার উত্তর হচ্ছে আপনি কখনো বায়ার এর কাছে কিছু ডাইরেক্ট সেল করতে গেলে সে ইন্টারেস্টেড নাও হতে পারে। তো সেক্ষেত্রে আপনাকে আসলে মাথায় এটা রাখতে হবে আপনি আপনার ক্লায়েন্ট এর কি সমস্যা সমাধান করতেছেন।
তাকে আপনি হেল্প করবেন আপনার পণ্য বা সার্ভিস এর মাধ্যমে সে আপনার পণ্য বা সার্ভিস দেখে আপনার পণ্য এর প্রতি আকৃষ্ট হবে নাহ আকৃষ্ট হবে আপনার পণ্য বা সার্ভিস তার কি সমস্যা এর সমাধান করতে পারতেছেন সেটার দ্বারা।
তাই এত বকর বকর করার মূল কারণ হচ্ছে শুরু টা করবেন আপনি ক্লায়েন্ট কোন প্রব্লেম এর সলুশন দিচ্ছেন সেটার উপর।
যেমন আপনি যদি ওয়েব ডেভেলপার বা ডিজাইনার হন সেক্ষেত্রে আপনার ক্লায়েন্ট আসছে আপনার কাছে ওয়েবসাইট বানাতে।
তো আপনি শুরু করুন এভাবে, আমি জানি আপনি একটা সুন্দর, প্রফেশনাল ওয়েবসাইট বানাতে চাচ্ছেন, কিন্তু আপনি জানেন কি ওয়েবসাইট শুধু সুন্দর হলেই হবে নাহ হতে হবে সুপার ফাস্ট ও ।
কারন আপনি যদি ওয়েব সাইট লোড নেবার ৫ সেকেন্ড এর মাঝে ইউজার এর অ্যাটেনশন গ্রাব করতে না পারেন তাইলে আপনি অনেক বড় পরিমাপের একটা পটেনশিয়াল ক্লায়েন্ট হারাতে পারেন।
ইন্ট্রো সেকশন এর পরে কি রাখবেন?
এখন আপনি আপনার সার্ভিস প্রমোট করতে পারেন
বলবেন যে কিভাবে আপনার সার্ভিস তাকে হেল্প করতে পারে।
এখন আপনি বলবেন কেন সে আপনাকে ট্রাস্ট করতে পারে। এখন আপনার অভিজ্ঞতা এর কথা বলুন এবং আপনি পূর্বে কত গুলো ক্লায়েন্ট কে এই সার্ভিস এর মাধ্যমে সাহায্য করেছেন। তারা বর্তমানে কি বেনিফিট পাচ্ছে সেটা বলতে পারেন।
এর পর আপনি বলবেন কেন আপনি ডিফরেন্ট আপনার বাকি কম্পিটিটর দের থেকে এবং সে কি কি এক্সট্রা পেতে পারে আপনার থেকে।
যেমন : ১. ওয়েবসাইট বানানোর সাথে সাথে আপনি স্পিড অপটিমাইজেশন টা প্রোভাইড করতে পারেন
২. বেসিক অন পেজ এর একটা সার্ভিস
এই সকল এক্সট্রা সার্ভিস আপনাকে অন্যদের থেকে আলাদা করবে।
আপনার পূর্বের কোন কাজ বা কোন নিশ এ আপনি কাজ করেছেন সেটা এড করার ট্রাই করবেন।
১. এডুকেশন
২. ট্রাভেল এজেন্সি
এমন নিশ এড করলে ক্লায়েন্ট যদি সেই নিশ এর হয়ে থাকে তাইলে আপনার প্রতি ট্রাস্ট বেড়ে যাবে।
আশা করা যায় এই স্ট্রাকচার এ আপনি গিগ ডেসক্রিপশন লিখলে আপনি ভালো rank ও পাবেন সাথে সাথে আপনার বায়ার ও কনভার্ট হয়ে যাবে।
আমি রিসেন্টলি এই ফরম্যাট ফলো করে ভালো ফলাফল পেয়েছি। ৬ বছর + ফাইভার এর অভিজ্ঞতা থেকে লেখা এই পোস্ট।
আশা করি আপনাদের একটু হলেও সাহায্য করতে পেরেছি , ভুল ত্রুটি ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

বিজয়ের মাসে তাদের এই সাফল্য সমস্ত বাংলাদেশের জন্য গর্বের এবং আশার। 'টিম: মহাকাশ' কে অসংখ্য অভিনন্দন!
12/12/2021

বিজয়ের মাসে তাদের এই সাফল্য সমস্ত বাংলাদেশের জন্য গর্বের এবং আশার। 'টিম: মহাকাশ' কে অসংখ্য অভিনন্দন!

একজন যোদ্ধা ফ্রিলান্সার! তাকে সালাম!আজ থেকে ঠিক ৩ বছর আগে, এই ভাইরাল পোষ্টটি করেছিলাম। প্রচুর লাইক শেয়ার হয়েছি এবং এটা ন...
26/10/2021

একজন যোদ্ধা ফ্রিলান্সার! তাকে সালাম!

আজ থেকে ঠিক ৩ বছর আগে, এই ভাইরাল পোষ্টটি করেছিলাম। প্রচুর লাইক শেয়ার হয়েছি এবং এটা নিয়ে গ্রুপে অনেক আলোচনা হয়েছিল। আজকের সেই দিনটাকে ফেসবুক আবার মনে করিয়ে দিল। তাই ভাবলাম, গ্রুপে পোষ্টটা আবার শেয়ার করি। ছবিটা ভাল করে খেয়াল করেন। কি মনে হচ্ছে? একেবারে সাধারন একটা ছবি মনে হতে পারে। আপাত দৃষ্টিতে মনে হতে পারে, কেউ খামখেয়ালী করে, বা মজা করার জন্য, এই ছোট একটা মাচা ঘরটা বানিয়েছে! বিষয়টা আসলে তা নয়, আসলে মাচার উপর, এই ছোট ঘরটার পিছনে, মহান একটা গল্প আছে, আছে যুদ্ধ করার গল্প।

এই ঘরটা সাধারন কোন ঘর না। এটা আসলে একজন যোদ্ধা ফ্রিলান্সার ভাইয়ের অফিস রুম বা ওয়ার্ক স্টেশন। এখানে বসেই তিনি বিদেশী বায়ারের কাজ করেন। দেশের জন্য মুল্যবান বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে আসেন। এই ফ্রিলান্সার ভাই আমার মতই গ্রামে থাকেন। তার গ্রামে হাইস্পিড ব্রডব্যান্ড কানেকশন নেই। মোবাইল ইন্টারনেটই একমাত্র ভরসা। এর পরেও নেট নিয়ে অনেক সমস্যা, টিনের ঘরের মধ্যে ইন্টারনেট ঠিকমত পায় না। লম্বা কেবল দিয়ে ট্রাই করেছেন, কাজ ঠিকমত হয় না। কি করা যায় 🙁 এভাবে বসে থাকলেত আর চলবে না। অনেক ভেবে চিন্তে, তিনি এর সুন্দর সমাধান বের করেছেন। আর সেটি হচ্ছে, মাটি থেকে বেশ অনেক উপরে, এই ঘর বানিয়েছেন। এখানে নেটওয়ার্ক খুব ভাল পাওয়া যায়। ফলে তার সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন এখানে বসে, প্রকৃতি দেখার পাশাপাশি ,আরামে বায়ারের কাজ করা যায়।
আসলে প্রত্যেক ফ্রিলান্সারই একজন যোদ্ধা। যুদ্ধ করেই আমাদের টিকে থাকতে হয়। সমাজ বলেন, রাষ্ট্র বলেন, সব কিছুই আমাদের প্রতিকুলে, কিন্তু তার পরেও আমাদের কেউ ঠেকিয়ে রাখতে পারে না। সব বাঁধা ডিঙ্গিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাই। আসুন আবারো সবাই মিলে, এই মহান যোদ্ধা ফ্রিলান্সার ভাইকে সালাম জানাই। তার জন্য অনেক শুভ কামনা রইল!
সেই ঘটনার পরে তিন বছর পার হয়ে গেছে। এখন জানি না তিনি কি অবস্থায় আছেন, কারন তার সাথে আর যোগাযোগ নেই। এত দিনে হয়ত তার ইন্টারনেট সমস্যার সমাধান হয়ে গেছে। তার সেই উচু মাচা ঘরের প্রয়োজন ফুরিয়েছে। ফ্রিল্যান্সিংয়ে তিনি যে অবস্থায় ছিলেন, তার থেকে আরও ভাল পজিশনে হয়ত তিনি আছেন। তার আরও উন্নতি আর সাফল্য কামনা করি। আসলে তার মত এমন যোদ্ধা ফ্রিল্যান্সারেরা, যুগে যুগে, আমাদের এভাবে অনুপ্ররনা দিয়ে যাবেন। এই ঘটনা থেকে আমি নিজেও প্রচন্ড আনুপ্রানিত হয়েছিলাম, অন্যরাও নিশ্চয়ই অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন। যারা ফ্রিল্যান্সিং করার জন্য বিভিন্ন অযুহাত দেন, তাদের জন্য এটা একটা পারফেক্ট উদাহরণ।

আগেই বলেছি, প্রত্যেক ফ্রিলান্সারই একজন যোদ্ধা, আপনার লক্ষ্য যদি অটূট থাকে তবে কোন অযুহাতই আপনার সামনে টীকবে না। সব বাঁধা এড়িয়ে ঠিকই আপনি সামনে এগিয়ে যাবেন। সবার জন্য দোয়া আর শুভ কামনা রইল।

ধন্যবাদ!
ছবি ক্রেডিটঃ Salauddin ভাই!

দেশের ঘরে ঘরে যখন ফ্রিল্যান্সারগত পরশু একটা খবর পড়লাম, দেশের উত্তরাঞ্চলে এক জেলায় (জেলার নাম নিচ্ছি না), প্রায় প্রতি ঘরে...
12/10/2021

দেশের ঘরে ঘরে যখন ফ্রিল্যান্সার
গত পরশু একটা খবর পড়লাম, দেশের উত্তরাঞ্চলে এক জেলায় (জেলার নাম নিচ্ছি না), প্রায় প্রতি ঘরে ঘরে ইমো হ্যাকার। গোয়েন্দা পুলিশ এই পর্যন্ত প্রায় ২০০ জনকে গ্রেফতার করেছে। তাদের সংখ্যা এত বেশি যে, পুলিশও হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে। এক বাড়ীতে একাধিক হ্যাকারও আছে। তারা মূলত প্রবাসীদের টার্গেট করে, নারি কণ্ঠে তাদের প্রলুদ্ধ করে। এর পরে ইমো একাউন্ট হ্যাক করে, টাকা দাবী করে। এই কাজ করে নাকি অনেকে ভাল সম্পদ করে ফেলেছে। তারা নাকি এলাকায় নিজেদের ফ্রিল্যান্সার দাবী করে।
গত জুম্মার আগের জুম্মায়, আমাদের মসজিদে একজন আলেম খুতবা দিলেন। পুরো খুতবাটা মোবাইলে রেকর্ড করা হয়েছে। বুঝলাম ইউটীউব এবং ফেসবুকে সেটা আপলোড হবে। বুঝতেই পারছেন, ভাল সাবস্ক্রাইবার থাকার কারনে, এড থেকে তার ভাল একটা ইনকাম হবে। এই ধরনের ভিডিও পাবলিক খুব পছন্দ করে। ফলে ইনকামও ভাল। এক হিসাবে সেই ইমাম সাহেবও একজন ফ্রিল্যান্সার। শুনেছি অনেক মসজিদের ইমাম হুজুরেরা, খুৎবার পরে, মুসল্লিদের তার ইউটীউব চ্যানেল, সাবস্ক্রাইব করতে বলে। সে হিসাবে আলেম সম্প্রদায়ও, অনলাইন ফ্রিল্যান্সার হয়ে যাচ্ছে। ধর্ম প্রচারও হচ্ছে, সাথে আবার ইনাকামও। এটা এক হিসাবে ভালই বলা চলে।

ভিড় এড়াতে আমি ATM থেকে সাধারণত রাতে টাকা তুলি। আমার ATM গার্ড ভাইকে দেখি, সারাক্ষণ মোবাইলে গেম খেলতে। তার সাথে আমার ভাল খাতির। একদিন জিজ্ঞেস করলাম ভাই, এই গেম খেলে কেন সময় নষ্ট করেন? উত্তরে যা বললেন, সেটা আমি মোটেও আশা করিনি। তিনি বললেন, তিনি গেম খেলে পয়েন্ট জমিয়ে, তার প্রফাইল ভারি করেন। এর পরে সেটা ভাল দামে বিক্রি করে দেন। তার বর্তমান প্রোফাইল নাকি, ইতিমধ্যে সাড়ে নয় হাজার টাকা দাম হয়েছে। ১৫ হাজার হলে তিনি ছেড়ে দেবেন। এটা শুনে আমি আকাশ থেকে পড়লাম। এ কোন জামানায় আছি :O এক হিসাবে তিনিও কিন্তু অনলাইন ফ্রিল্যান্সার।
জানেন কিনা জানি না, আমাদের ঘরের মা বোনেরাও ফ্রিল্যান্সার হয়ে যাচ্ছে। এরা মূলত প্রবাসি ভাইয়েদের টার্গেট করে। বিকাশে অগ্রিম টাকা নিয়ে, মিনিট বা ঘণ্টা চুক্তিতে, তারা নাকি ভিডিও চ্যাট করে। ভিডিও চ্যাটে কি করে, সেদিকে আমি গেলাম না। এটা নাকি খুব রমরমা ব্যাবসা এখন। এভাবে মাসে লাখ টাকা ইনকাম করে, এমন বোনেরাও নাকি আছে। যার যত সুন্দর ফিগার আর চেহারা, তার ইনকাম তত বেশি। টিকটকের প্রসারের ফলে, এই ব্যাবসাটা এখন খুব রমরমা। প্রবাসি ভাইদের টার্গেট করে, টীকটকে তারা আকর্ষণীয় ভিডিও ছাড়ে, আর ইনবক্সে আসতে বলে। এর পরে চ্যাটীং এর মাধ্যমে, বাকী কাজ ইমো বা এই ধরনের এপসে সম্পন্ন করা হয়। সেই হিসাবে, এই আপুরাও কিন্তু ফ্রিল্যান্সার, কারন তারা কিন্তু, অনলাইনের মাধ্যমেই ইনকাম করেন।
করোনার আগে ঢাকায় গিয়েছিলাম। স্মার্টফোন না থাকাতে, চুক্তিতে এক পাঠাও রাইডারের মাধ্যমে মিরপুরের দিকে যাচ্ছিলাম। বিভিন্ন বিষয়ে আলাপ করতে করতে যখন জানলেন, আমি ফ্রিল্যান্সার, তখন তিনি নিজেকেও ফ্রিল্যান্সার হিসাবে দাবী করলেন। আসলে আমার মতে এক হিসাবে এটা ঠিক আছে, কারন তিনি স্বাধীনভাবে এপস এর ম্যাধমে ইনকাম করেন। বিকাশের প্রতারক নাহিদেরাও কিন্তু এক হিসাবে ফ্রিল্যান্সার, যদিও তারা প্রতারণার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের টাকা মেরে খায়। নাহিদের সাথে কথা বলার খুব ইচ্ছা ছিল, এই জন্য গতমাসে বিকাশ একাউন্ট খুলেছি। কিন্তু আফসোস সে আমারে গোনায় ধরে না। এখনো কল দিল না। একাউন্টে মাত্র ২৪৫ টাকা আছে এই জন্য মনে হয় :'( নাহিদ ভাই এই পোষ্ট আপনার চোখে পড়লে, প্লিজ আমাকে কল দিন :) আমি আপনার অনেক বড় ফ্যান :D

কিছু দিন আগে DSD গ্রুপে, একজন খুব আফসোস করে বলছিল, তার পাশের রুমে কিছু স্টুডেন্ট আছে। তাদের চিৎকার চেচামেচির কারনে, সে ঠিকমত ঘুমাতে পারে না। আবার তাদের কিছু বলতেও পারছে না, যদি সমস্যা করে। করোনার কারনে পড়াশোনা বন্ধ, তাই এই অবসর সময়ে, তারা বিকাশ প্রতারনা শিখে নিয়েছে। এটা করে, সাধারণ মানুষের টাকা মেরে খায়। যখন তাদের একাউন্টে, প্রতারণার টাকা ঢোকে, তখন সবাই মিলে চিৎকার করে, আবার মাঝে মাঝে নাকি পার্টিও করে। যেমনটা আমরা ফ্রিল্যান্সারেরা করি। এক হিসাবে তারাও কিন্তু অনালাইন ফ্রিল্যান্সার।
করোনার সময়ে, যখন প্রাইভেট পড়ানোতে নিষেধাজ্ঞা ছিল, তখন এক শিক্ষক জুমের মাধ্যমে স্টুডেন্টদের ক্লাশ নেয়া শুরু করে। পেমেন্ট বিকাশে অগ্রিম নিয়ে নিত। ভালই তার ইনকাম ছিল। সে যে নিজের অজান্তেই, ফ্রিল্যান্সার হয়ে গেছে, সেই শিক্ষক মনে হয় জানেই না। এভাবে যদি লিখতে থাকি, তবে দেখা যাবে, দেশের এক বিরাট জনগোষ্ঠী অনলাইন ফ্রিল্যান্সার হয়ে গেছে। সরকারের উপরের মহলের ইচ্ছা ছিল, দেশের মাঠ ঘাট ফ্রিল্যান্সার দিয়ে ভরিয়ে দিতে। সেটা বাস্তবায়ন হওয়াতে তারা নিশ্চয়ই এখন আনন্দে ড্যান্স করছে। কাজেই আমরা যারা, প্রকৃত অনলাইন ফ্রিল্যন্সার হিসাবে, নিজেদের নিয়ে গর্ব করতাম, তাদের দিন শেষ হতে চলল :'(

আমাদের এলাকার যে দোকান থেকে নিয়মিত মোবাইল রিচার্জ করি, প্রায় দেখি দোকানের সামনে ইয়াং ছেলেদের ভিড়। একদিন আগ্রহ নিয়ে দোকানদারকে জিজ্ঞেস করলাম এত ভিড় কেন? উত্তরে বলল, এরা নাকি সবাই মোবাইলে IPL বেটিং করে। এছাড়া আরও নাকি অনেক বেটিং এপস আছে, সেগুলোতেও টাকা লাগায়। অনেকেই নাকি এসব করে, ভাল ইনকাম করছে। আলাপ করতে করতেই দেখলাম, একজন আমার সামনেই ৯ হাজার টাকা উঠালো। এক হিসাবে এরাও নিজেদের অজান্তে অনলাইন ফ্রিল্যান্সার হয়ে গেছে। দেশের মুখ উজ্জল করার জন্য ওদেরকে স্যালুট জানাই >:(
অনলাইন এখন আমাদের জীবনে এমন ভাবে জড়ীয়ে গেছে যে, চাইলেও আমরা এড়াতে পারি না। আমার নিজের একটা ঘটনা দ্বারা সেটা বুঝতে পারবেন। আমার এক খালার ফ্যামিলি এসেছে, বিয়ের ব্যাপারে আমার পরামর্শ নিতে। ছেলে অস্ট্রেলিয়াতে PhD করছে। আমার খালার ফ্যামিলির এটা শুনে সবাই রাজি। তারা সিভি চেক করে, খোজ নিয়ে দেখলাম, সে অনলাইনে PhD করছে, অনলাইনে গত আড়াই বছর ধরে ক্লাশ করছে। স্কলারশিপের টাকা নাকি অনলাইনেই পায়। যদিও সে এখনো অস্ট্রেলিয়াতে যায় নাই। আদৌ যেতে পারবে কিনা সন্দেহ। কাজেই এক হিসাবে বলা যায় সেও ফ্রিল্যান্সার। ছেলে পক্ষ লোভ দেখাচ্ছে, বউকে সাথে নিয়ে একেবারে অস্ট্রেলিয়াতে যাবে 😃 আমার আসলে বলার তেমন কিছু ছিল না।

কাজেই আমি বলব বিয়ের সময়, ছেলে ফ্রিল্যান্সিং করে, ভাল ইনকাম এসব কথায় গলে যাবেন না। ভাল করে খোজ নিয়ে দেখেন, সে উপরের ফ্রিল্যান্সারদের মত ভ্যাজাল ফ্রিল্যান্সিং করে কিনা। না হলে নিচের ঘটনার মত ঘটনা ঘটতে পারে।

একটা বিয়ের আলোচনা চলছে।
পাত্রীর বাবাঃ তা বাবা শুনলাম, তুমি নাকি USA থাকো?
পাত্র : আংকেল, আপনি ঠিকই শুনেছেন। আমি দীর্ঘদিন থেকে USA থাকি (Uttara Sector Agaro উত্তরা সেক্টর ১১)
পাত্রীর বাবাঃ বাবা তুমি বর্তমানে ওখানে কি করছো?
পাত্র: আংকেল বর্তমানে আমি সেখানে একটি প্রতিষ্ঠান থেকে PhD করছি।
Pizza Home Delivery পিজ্জা হোম ডেলিভারি (PhD)...
পাত্রীর বাবাঃ মাশাল্লাহ, শুনে খুব ভাল লাগল। আমরা সবাই রাজি :)

পরিশেষে একটা ঘটনা দিয়ে পোষ্টের ইতি টানব। এক মেসের বুয়া রান্না করতে আসছে না প্রায় ৩/৪ দিন হয়ে গেল। নতুন স্মার্টফোন কেনার পর থেকেই এই সমস্যা। সবার খাবারের সমস্যা হচ্ছে। বুয়াকে ফোন দিলেও ধরে না। পরে সরাসরি দেখা করার পরে, বুয়া বলল, এই মাসের পর থেকে, সে আর থাকতে পারবে না। কি একটা এপসের মাধ্যমে সে নাকি ইনকাম করবে। ইনকাম নাকি ভালই হবে। তাই কি দরকার মেসে বুয়াগিরি করার, যেখানে ঘরে বসেই ভাল ইনকাম করা যায়। তাই আসুন সবাই আমাদের এই নতুন ফ্রিল্যান্সার বুয়াকে, স্যালুট জানাই।
ধন্যবাদ!
(এটা একটা ফানপোষ্ট, আপনাদের আনন্দ দেয়ার জন্য, সিরিয়সলি না নেবার এবং
বিতর্ক না করার অনুরোধ রইল)

Posted by Golam Kamruzzaman

ঢাকা থেকে ইন্সপেক্টার এসেছে গ্রামের একটা স্কুল পরিদর্শনে….অষ্টম শ্রেণীর কক্ষে ঢুকলেন, ক্লাস শিক্ষক দাঁড়িয়ে গেলেন।পরিদর্শ...
26/09/2021

ঢাকা থেকে ইন্সপেক্টার এসেছে গ্রামের একটা স্কুল পরিদর্শনে….অষ্টম শ্রেণীর কক্ষে ঢুকলেন, ক্লাস শিক্ষক দাঁড়িয়ে গেলেন।

পরিদর্শক: – আমাদের দেশের রাষ্ট্রপতি কে..?

ছাত্র: শেখ হাসিনা, স্যার।…

পরিদর্শক: আমি তোমাকে জিজ্ঞাসা করছি প্রেসিডেন্ট কে?

ছাত্র: ওবায়দুল কাদের, স্যার।

পরিদর্শক: তুমি ক্লাস এইটে উঠলা কেমনে?? আমি তোমার নাম কেটে দিবো।

ছাত্র: আমারতো স্কুলের খাতায় নামই নাই, আপনি কাটবেন কি??

পরিদর্শক: তার মানে?

ছাত্র: আমি স্কুলের মাঠে ছাগল নিয়ে আইছিলাম, স্যারে কইলো, তোরে বিশ টিয়া দিমু, তুই ক্লাসে বইবি।

পরিদর্শক (খুব রেগে): ছি: মাস্টার সাহেব, আপনাদের লজ্জা করে না, শিক্ষা নিয়ে ব্যাবসা, আমি আপনার চাকুরী খেয়ে ফেলবো।

ক্লাস শিক্ষক: কাকে ভয় দেখান, আমি মাস্টার না, সামনে মুদি দোকানটা আমার, মাস্টার সাহেব আমারে কইলো শহর থেকে এক বেঠা অইবো,
আমি একটু হাটে গেলাম, তুই একটু ক্লাস ঘরে বইয়া থাকবি।

পরিদর্শক (ভীষণ রেগে গেলেন হেড স্যারের রুমে): আপনি হেড স্যার?

প্রধান শিক্ষক: জ্বী, কোন সমস্যা??

পরিদর্শক: আপনাদের লজ্জা করে না, নকল ছাত্র-শিক্ষক দিয়ে ক্লাস চালান।।

প্রধান শিক্ষক: দেখুন আমার মামা এই স্কুলের হেড স্যার, উনি জমি বেচা-কেনার দালালি করেন, কাস্টমার নিয়া অন্য গ্রামে গেছেন, আমারে কইলো ইন্সপেক্টার আইলে তার হাতে এই এক হাজার টাকার বান্ডেলটা দিয়া দিস …..
:
পরিদর্শক: এই যাত্রায় আপনারাও বেঁচে গেলেন, আসলে আমার মামা ইন্সপেক্টার, ঠিকাদারির কাজ ও করেন, টেন্ডার সাবমিট করতে সিটি কর্পোরেশনে গেছেন, আমাকে বললো তুই আমার হয়ে পরিদর্শন করে আয়….

কৌতুকটা আজ হঠাৎ মনে পড়ল এই কারণে, সাম্প্রতিক একটি জরিপে আন্তর্জাতিক স্কেলে শিক্ষার মান -
ভারত ও শ্রীলঙ্কার পয়েন্ট ২০.৮
পাকিস্তানের ১১.৩
আর বাংলাদেশের ২.৮।

আপনি কেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন?  গোলাম কামরুজ্জামানগত বছর লকডাউনের একটা ঘটনা। এক আপু ফেসবুকে আফসোস করে পোষ্ট দিয়েছিলেন। সা...
13/07/2021

আপনি কেন ফ্রিল্যান্সিং করবেন?

গোলাম কামরুজ্জামান

গত বছর লকডাউনের একটা ঘটনা। এক আপু ফেসবুকে আফসোস করে পোষ্ট দিয়েছিলেন। সারমর্ম হচ্ছে, তার পাশের বাসার এক আন্টি তার বাসায় এসে আবদার করেছে, তার ছেলেকে ১ মাসের মধ্যে ফ্রিল্যান্সিং শিখিয়ে দিতে হবে। কারন লকডাউনে কলেজ বন্ধ, ছেলেটা ঘরে বসে ফেসবুক, আর গেম খেলে, সময় নষ্ট করছে। ফ্রিল্যান্সার হলেত মাসে ইনকাম হাজার ডলার। সেই আপুর প্রশ্ন ছিল, পাশের বাসায় কোন ডাক্তার থাকলে, কোন আন্টী যেয়ে বলে না, বাবা আমার ছেলেটাকে একটু ডাক্তার বানিয়ে দাও, কোন ইঞ্জিনিয়ার থাকলে বলে না, ইঞ্জিনিয়ার বানিয়ে দাও, বিসিএস ক্যাডার প্রতিবেশীর কাছে, কেউ বায়না ধরে না, বাবা ছেলেটাকে বিসিএস ক্যাডার বানিয়ে দাও। কিন্তু যদি শোনে, পাশের বাসায় ফ্রিল্যান্সার আছে, তাহলে সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ে। তার প্রশ্ন ছিল ফ্রিল্যান্সার হওয়া কি এতই সহজ?

আমার মতে এই দেশের মানুষের মাথায় ঢুঁকে গেছে যে, একটা পিসি আর নেট লাইন থাকলেই সে ফ্রিল্যান্সার, ফলাফল ডলারের বর্ষণ। লকডাউনে অনেকের চাকরি চলে গেছে, অনেকেই অসহায় অবস্থায় দিন পার করছেন। তারা অনেকেই ফেসবুকে পোষ্ট দেন হেল্প চেয়ে। অবাক হয়ে দেখি, অনেকেই কমেন্টে তাদের পরামর্শ দেন ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে। কোন হতাশ বেকার যুবক, ফেসবুকে হেল্প পোষ্ট দিলে, ফ্রিল্যান্সিং শুরু করবার পরামর্শ, পাবেনই পাবেন। হতাশগ্রস্থ, বেকার, চাকরিহীন, জীবনযুদ্ধে ফেল করা সবার গন্তব্য হচ্ছে ফ্রিল্যান্সিং। আমি গত ৭ বছরে যাদের কাছ থেকে ফ্রিল্যান্সিং শেখানোর অনুরোধ পেয়েছি, প্রায় সবাই এই শ্রেণীর লোক। আমার কথা হচ্ছে, যারা ইতিমধ্যেই জীবন যুদ্ধে পরাজিত এবং হতাশ, তারা কিভাবে ফ্রিল্যান্সিং এর মত চ্যালেঞ্জিং এবং প্রবল প্রতিযোগিতামূলক সেক্টরে কাজ করবেন। তাদের হেরে যাবার সম্ভবনাই বেশি।

যারা ফ্রিল্যান্সিং করতে চাচ্ছেন। তারা কি নিজেদের প্রশ্ন করেছেন, যে দুনিয়াতে এত কাজ থাকতে, কেন আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে চাচ্ছেন? আমার মনে হয় অধিকাংশেরই এই উত্তর জানা নেই। আমার মতে কারন আর কিছুই না, আমাদের দেশের ৯০% পাবলিকের ফ্রিল্যান্সিং এর পরিচয় হয়, ফ্রিল্যান্সার নামধারী কিছু ভন্ড ইউটিউবারদের দ্বারা। তারা লাইক ভিউ পাবার আশায়, এবং কোর্সের তাবিজ বিক্রির উদ্দেশ্যে ঘরে বসে ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে, হাজার ডলার ইনকামের লোভ দেখায়। ফলে টাকার লোভে পড়ে, আম জনতা সবাই এই সেক্টরে আসে। সেই সব ভণ্ডদের কোর্স করে। কোর্স করার পর বা আগেই মার্কেটপ্লেসে নেমে পড়ে। হয়ত ১/২ টা কাজ করে বা কেউ কাজই পায় না। এর পর হতাশ হয়ে এক সময় ছেড়ে দেয়। তবে এর ভিতর চালাক কিছু পাবলিক এই ফর্মুলা ফলো করে, তারাও কোর্স করানো শুরু করে দেয়। মার্কেটপ্লেস থেকে ৫ ডলার ইনকাম নেই, কিন্তু কোর্স করায় এমন পাবলিক, আপনার আশপাশেই প্রচুর পাবেন।

আপনি জেনে অবাক হবে যে এই দেশে ফ্রিল্যান্সারের খাতায় নাম লেখানো খুবই সোজা। প্রথমে ফাইভারে একটা একাউন্ট খুলে ফেলেন, গিগ দেন, যদি টেস্ট দিতে বলে, তবে কিছু টাকা খরচ করে, সেটা পাশ করিয়ে দেবার জন্য পাবলিক আছে। এর পরে রিভিউ বিক্রেতাদের কাছ থেকে ৫/১০ ডলারের রিভিউ কিনে নেন। ব্যাস আপনি হয়ে গেলেন ফ্রিল্যান্সার। এর পরে সবার সামনে বুক ফুলিয়ে বলে বেড়ান, আপনি ফ্রিল্যান্সার। কি পছন্দ হয়েছে আমার ফর্মুলা? কিছুদিন আগে এক রংমিস্ত্রিরির সাথে আলাপ হচ্ছিল, যার ফাইভারে একাউন্ট আছে। ভয়েতে আমি আর কথা বাড়াইনি।

এই দেশের তরুণদের জীবনের কোন লক্ষ্য নেই, ৭৫% গ্রাজুয়েট জানেই না যে, সে পাশ করার পরে কি করবে। ফলে ফ্রিল্যান্সিং কোর্স বিক্রেতাদের চটকদার বিজ্ঞাপন দেখে, তারা ফ্রিল্যান্সিংকেই জীবনের লক্ষ্য বানিয়ে ফেলে। একটা গোপন বিষয় ফাঁস করে দেই। সেটা হচ্ছে আজ থেকে ৭/৮ বছর আগেও, বাংলায় এত কোর্স ছিল না। কারন তখন মার্কেটে প্রতিযোগিতা ছিল কম, একটু চেস্টা করলেই কাজ পাওয়া যেত। তাই তখনকার প্রফেশনালেরা চেস্টা করত, সব কিছু গোপন রাখতে। তারা নিজেদের প্রতিযোগী বাড়াতে চাইত না। আর এখন বাস্তবতা পুরা ভিন্ন। মার্কেটপ্লেসে বায়ারের থেকে ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা অনেক বেশি। সব কাজ ভাগ করে দিলেও, মাথাপিছু একটা কাজ সবার ভাগে পড়বে কিনা সন্দেহ। ফলে এখন সবাই উদার হয়ে গেছে, এখন সবাই কোর্স বানাতে ব্যাস্ত। এটা ইনকাম করার অন্যতম একটা মাধ্যম হয়ে গেছে। কারন ট্রেইনার নিজেই এখন কাজ তেমন পান না। ফলে এই অফুরন্ত সময় কোর্স বানানোর এবং নতুনদের মগজ ধলাইয়ের কাজে ব্যাবহার করছেন। যেমন আমি এত বড় পোষ্ট আপনাদের জন্য লিখছি। আমার হাতে কাজ থাকলে, নিশ্চয়ই এটা লিখতাম না :D

এবার আসি ফ্রিল্যান্সিং এর বাস্তবতা নিয়ে। করোনাকালে আমাদের কঠিন বাস্তবতার সম্মুখিন করেছে। যে কাজ গুলো আগামি ৫/১০ বছর পরে হত, সেই কাজগুলো এখনই শুরু হয়ে গেছে। ভবিষ্যতে সব কিছু AI (Artificial intelligence) এবং অটোমেশনের মাধ্যমে হবে। যেটার প্রয়োগ আমরা ইতিমধ্যেই দেখতে পাচ্ছি। নিজের একটা বাস্তব উদাহরণ দেই। আমি একটা কোম্পানিতে গত ৬ বছর ধরে কাজ করছি। আমি সেই টিমে সাথে Slack এর মাধ্যমে কাজ করি। কোম্পানির সবাই এর সাথে যুক্ত। আমাকে মেইন বায়ার একটা কাজ দিয়েছিল, প্রায় ১০০০ ছবির কাজ, এই কাজ অনেকে আগেই করেছিলাম এখন এগুলো সব PNG করতে হবে। অভাবের সময়ে বড় কাজ পাচ্ছি, সেই খুশিতে টীমের সবাইকে নিয়ে কাজ শুরু করে দেই। কয়েক দিন সবাই মিলে খাটুনির পরে কাজ জমা দেই। ওমা টিমের ডেপুটি বলে, এটার নাকি দরকার নেই। আমারত মাথায় হাত, মেইন বায়ারকে ধরলাম, সে বলল ডেপুটির সাথে কথা বলতে। ডেপুটি বলল, সে এই কাজ আমাকে করতে বলেনি। এর পরে আমি তার চ্যাট হিস্ট্রি ঘেটে বিশাল কাহিনী খুজে পাই। সেটা হচ্ছে, তারা কোন এক কোম্পানিকে এই কাজ আমার আগেই করতে দিয়েছি। তারা কোন এক AI টেকনলজি ইউজ করে, সেই কাজ মাত্র কয়েক ঘন্টায় ভাল ভাবে শেষ করে, ডেলিভারি দিয়ে দিয়েছে। এখান মেইন বায়ারের সাথে, তার কমুনিকেশন গ্যাপের কারনে, মাঝে আমার ফ্রিতে বেগার খাটা লাগল। আমি বুঝতে পারছি, খুব বেশি দিন হয়ত নেই, যখন তারা আমাকে না করে দেবে। এই ঘটনা আমাকে ফরিদুল ভাইয়ের (পুরাতন IPS বিক্রেতা, যাকে নিয়ে আমি পোষ্ট দিয়েছিলাম) কথা মনে করিয়ে দিল। গার্মেন্টস কোম্পানি রোবট কারটিং মেশিন নিয়ে আসাতে, তাদের ১৫ জন কারটিং মাস্টারের চাকরি এক সাথে চলে যায়। এটাই আসলে বাস্তবতা।

সামনের দিনের ফ্রিল্যান্সিং হবে আরও বেশি কঠিন। সেখানে প্রচন্ড স্কিল্ড এবং ক্রিয়েটীভ পারসনেরাই ভাল করবে। বলা হচ্ছে আগামী ৫ বছরের মধ্যে, নিজেকে রিস্কিল্ড না করতে পারলে, ৫০% মানুষ এই সেক্টর থেকে ঝড়ে পড়ে যাবে। আমি সংক্ষেপে আমার স্বল্প জ্ঞানে কিছু বলার চেস্টা করছি।

গ্রাফিক্সঃ
সাধারণ মানের গ্রাফিক্সের কাজ এখন বায়ারেরা সহজেই canvaর মত অনলাইন সফটওয়্যার দিয়ে করে নিচ্ছে। অনেকে জটিল জটিল গ্রাফিক্স এখন সহজেই placeit.net এর মত অনলাইন সফটওয়্যার দিয়ে করা যাচ্ছে। দিনে দিনে এই ধরণের সফটওয়ারগুলো আরও শক্তিশালী হচ্ছে। অনলাইন অনেক সফটওয়্যার দিয়ে সহজেই ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড রিমুভের কাজ দ্রুত করে ফেলা যায়। আমার নিজের অভিজ্ঞতা আগেই বলেছি। কাজেই খুব ভাল মানের দক্ষতা এবং ক্রিয়েটিভিটি না থাকলে ভবিষ্যতে, এই সেক্টরে টেকা মুশকিল হবে।

ওয়েব, ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্টঃ
ডিজাইন এন্ড ডেভেলপমেন্ট এখন এত বেশি এডভান্স যে, বায়ারেরা সাধারণ ওয়েবের কাজ করার জন্য ফ্রিল্যান্সার হায়ার করতে চান না, আর করতে চাইলে অনেক কম রেট বলেন। এসব সাধারণ কাজ, নিজেরাই করে ফেলতে পারেন। বলা হচ্ছে এই সেক্টরেও হয়ত সামনে AI টেকনলজি চলে আসবে। অর্থাৎ আপনি আইডীয়া দেবেন, AI এর মাধ্যমে আঁটো কোড জেনারেট হবে। কাজেই আমি বলব কোডিং এর খুব ভাল দক্ষতা না থাকলে এবং ক্রিয়েটিভ আইডীয়া নিয়ে না আসতে পারলে টেকা মুশকিল হয়ে যাবে।

আরটিকেল রাইটিংঃ
এই সেক্টরেও এখন AI টেকনলজি ঢুকে পড়েছে। নিদ্দিস্ট কিছু কীওয়ার্ড এবং সেটিং দিয়ে দিলে, কয়েক ক্লিকেই আর্টিকেল লেখা হয়ে যাচ্ছে। word ai বা এই ধরণের বিভিন্ন সাইট এসব কাজ করছে। কিছু দিন আগে word Tune এর কথা বলেছিলাম। Ai টেকনলজি ইউজ করে, দিন দিন এরা আরও বেশি এডভান্স হচ্ছে। যদিও হাই কোয়ালিটি আর্টিকেল রাইটারের চাহিদা আরও অনেকদিন থাকবে, তার পরেও সাধারণ রাইটারদের ভাতে ভাগ বসাতে খুব বেশি দেরি নেই।

SEO:
এই সেক্টরটা পুরটাই স্মার্ট পারসনদের দখলে চলে যাবে। কারন সার্চ ইঞ্জিনগুলো এখন এতটাই এডভান্স যে এরা এখন অনেকটাই হিউম্যানের মত বিহেভ করছে। গুগল ইতিমধ্যেই কোয়ান্টাম কম্পিউটার বানাতে সফল হয়েছে। গুগল Neural Machine নামে একটা প্রোজেক্ট নিয়ে অনেক আগে থেকেই কাজ করছে। এই প্রোগ্রাম নিজে থাকেই প্রোগ্রাম করতে পারে। অনেকটা মানুষের মত। কাজেই বুঝতে পারছেন এই ধরণের প্রযুক্তিকে ধরতে গেলে আপনাকে কিরকম স্মার্ট হতে হবে। কপি পেস্ট করে SEO করার দিন শেষ। শুধুমাত্র ক্রিয়েটিভ এবং স্মার্ট লোকদের জন্য এই সেক্টর।

ভয়েসওভারঃ
হুবহু মানুষের মত ভোকাল দিতে পারে এমন সফটঅয়ার অনেকে আগেই চলে এসেছে। এখন এতে AI টেকনলজি যুক্ত হতে যাচ্ছে। ডিপ ফেক ভিডিও বা ভয়েজ এখন নেটেই সহজ লভ্য। ফলে ভয়েসঅভার আর্টিস্টদের পেটে লাথি পড়তে বেশি দেরি নেই।

ডিজিটাল মারকেটীংঃ
বর্তমান সময়ের সব থেকে চাহিদা সম্পন্ন সেক্টর। এই সেক্টরও অনেক বেশি এডভান্স হচ্ছে। যারা অনেক বেশি অভিজ্ঞ এবং স্মার্ট তারাই এই সেক্টরে রাজত্ব করবে। অনেকে ধরণের আটমেশন সফটওয়্যার চলে এসেছে, তারা একটা মিডীয়া ম্যানেজারের কাজ করে। তাই এই সেক্টরে টিকতে হলে আপনাকে অনেক বেশি এডভান্স হতে হবে।

এভাবে আমি যদি সব সেক্টর ধরে ধরে আল্প করি, তাহলে পোষ্ট আরও অনেক বড় হবে। আর এটাও ঠিক যে, সব সেক্টেরের সম্পর্কে আমার সম্যক ধারনাও নেই। যা হোক মুল কথা হচ্ছে, কপি পেস্ট বা সাধারণ কাজ দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং করার দিন শীঘ্রই শেষ হতে চলছে। আমি বলব শুধুমাত্র ফ্রিল্যান্সিং করে টিকে থাকার চিন্তা করলে, একটু ভেবে চিন্তে ভাল করে খোঁজ খবর নিয়ে, এর পরে এই সেক্টরে আসেন। একজন সফল ফ্রিল্যান্সারের ইনকাম আর সাফল্যই শুধু আমরা দেখি, কিন্তু তার এই সফল হবার পিছিনের কাহিনী আমরা জানি না, বা দেখি না। তাই নতুনেরা বিভ্রান্ত হই। স্প্রিন্টার উসাইন বোল্টের গল্প বলতে পারি। তিনি ৯ টা অলিম্পিক গোল্ড মেডেল পেয়েছিলেন। এর জন্য তাকে সর্বসাকুলে মাত্র ১১৫ সেকেন্ড দৌড়াতে হয়েছিল। তার নিট ইনকাম সব মিলিয়ে, ১৯৯ মিলিয়ন ডলার ছিল। অর্থাৎ প্রতি সেকেন্ডে তার ইনকাম ছিল প্রায় ২ মিলিয়ন ডলার। কিন্তু আপনি জানেন কি, এই পর্যায়ে আসতে তার প্রায় ২০ বছর কঠোর সাধনা আর পরিশ্রম করতে হয়েছিল। অথচ আমরা কিন্তু সেকেন্ডে কোটি টাকা ইনকামটাই দেখব।

আমার পোষ্ট এই পর্যন্ত পড়ে একজন নতুনের হতাশ হবারই কথা। আমি আসলে আপনার ভাল চাইছি, এইএ জন্য সাবধান করতে চাচ্ছি। কিছুদিন আগে একটা প্রতারনার কাহিনী জেনে খুব খারাপ লাগল। একজন SSCপড়ুয়া একজন ভন্ডের ভিডিও দেখে ফ্রিল্যান্সিং করবে বলে ঠিক করে। মা বাবাকে জোর করে ৫০ হাজার দিয়ে ল্যাপটপ কেনে। সেই ভন্ডের কোর্স করার পরে, মারকেটপ্লেসে এসে দেখে, সে যা শিখেছে তা দিয়ে আর যাই হোক ফ্রিল্যান্সিং সম্ভব না। সে প্রচন্ড হতাশ হয়ে পড়ে। এবং এক পর্যায়ে সে নেশা করা শুরু করে। এই ধরণের গল্প কেউ আপনাকে বলবে না। কিন্তু এমন প্রতারনার গল্প হাজার হাজার আছে।

এত কিছু জানার পরেও যদি, আপনার জেদ থাকে যে, আপনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন। তবে বলব ফ্রিল্যান্সিং আপনারই জন্য। আমি শুধু সবাইকে বাস্তব বিষয়টা বুঝাতে চাইছি। আসলেই যদি ফ্রিল্যান্সিং করার ইচ্ছা থাকে, তবে বলব হাতে পর্যাপ্ত সময় নিয়ে, খুব ভাল করে নিজের স্কিল ডেভেলপ করেন। আশা করি আপনি ভাল করবেন। আমি নিজে প্রচন্ড আশাবাদী মানুষ। সহজে হতাশ হই না। কাজেই আপনাকে বলব হতাশ হবেন না। আল্লাহর দুনিয়া অনেক বড়। জীবিকার জন্য যে ফ্রিল্যান্সিং করতেই হবে এমন না। জীবিকার আরও হাজারো মাধ্যম আছে। সেগুলো ট্রাই করেন। সহজেই সফল হবেন। আর ফ্রিল্যান্সিংকে যদি জীবনের লক্ষ্য বানিয়ে থাকেন, তবে আগে নিজেকে প্রশ্ন করেন, কেন আপনি ফ্রিল্যান্সিং করবেন? যদি দেখেন টাকার লোভে এই লাইনে এসেছেন, তবে দ্রুত এই লক্ষ্য ত্যাগ করুন। আর যদি আপনার অন্তর বলে, আপনি নিজের মেধা, ক্রিয়েটিভিটি দিয়ে স্বাধীনভাবে কিছু করতে চান, একটা স্বাধীন এবং মুক্ত জীবন উপভোগ করতে চান, তবে বলব ফ্রিল্যান্সিং আপনার জন্য। লেগে থাকুন সাফল্য আসবেই ইনশাল্লাহ।

ধন্যবাদ!

কপি করা হয়েছে।- শিক্ষনীয় পোস্ট -- #স্লিপিং_পার্টনার:-IBA গ্রাজুয়েট এক ব্যবসায়ীর সাথে HSC সাইন্সে পড়ুয়া এক ছাত্রীর বিয়ে ...
25/06/2021

কপি করা হয়েছে।- শিক্ষনীয় পোস্ট --

#স্লিপিং_পার্টনার:-

IBA গ্রাজুয়েট এক ব্যবসায়ীর সাথে HSC সাইন্সে পড়ুয়া এক ছাত্রীর বিয়ে ঠিক হলো। অ্যারেঞ্জড ম্যারেজ। এক মাস পরে বিয়ে।

ফোনে, ম্যাসেঞ্জারে নিয়মিত কথা হয় তাদের। বিয়ের এক সপ্তাহ আগে কথা প্রসঙ্গে মেয়েটা কৌতূহলী হয়ে হবু বরকে জিজ্ঞাসা করল-

- “আচ্ছা, তোমার ফ্যামিলি তো মধ্যবিত্ত। তুমি এত অল্প বয়সে এই যে এতো বড় বিজনেস দাড় করালে, মূলধন কোথায় পেলে?”

- “শুনো তাহলে। তোমাকে বিয়ে যখন করবো, কিছুই গোপন করবো না। তোমাদের বাসায় তোমাকে দেখতে যাবার সময় আমাদের সাথে ফর্সা করে একটা মেয়ে ছিল। মনে আছে তোমার?”

- “হ্যাঁ, তোমার আপু নাকি উনি?”

- “আরেহ্ না, তার নাম সাদিয়া। ঢাকার এক শিল্পপতির মেয়ে। ছাত্র অবস্থায় একটা আন্তঃবিশ্ববিদ্যালয় কনফারেন্সে গিয়ে তার সাথে আমার পরিচয় হয়। আমার বিজনেস প্ল্যান ওর সাথে শেয়ার করার পর সে সন্তুষ্ট হয়। নিয়মিত যোগাযোগের এক পর্যায়ে আমার উপর আস্থা রেখে সে আমার স্লিপিং পার্টনার হয়ে যায়। এরপর আমার মূলধন নিয়ে আর ভাবা লাগেনি। আমার আরো তিনজন স্লিপিং পার্টনার আছে। তবে সাদিয়া সবচেয়ে বেশি এফোর্ট দিয়েছে।”

- (রেগেমেগে) “শালা লুইচ্চা, জানোয়ার, ক্যারেক্টারলেস! আমার বেস্ট ফ্রেন্ড শাহেদের কাছে আগেই শুনেছি ভার্সিটির ছেলেরা এতো এতো মেয়ের সাথে ঘুমায়। আজ হাতেনাতে প্রমাণ পেলাম। থ্যাংকস গড। তোর মতো লুইচ্চার সাথে ফুলের মতো নিষ্পাপ এই আমার বিয়ে? না, কিছুতেই হতে পারে না। লুইচ্চা কোথাকার! ফোন রাখ!” (এই বলে মেয়েটা ফোন কেটে দিল)

শিক্ষা:- যত বড় বিদ্বানই হন না কেন, অন্যের জ্ঞানের লেভেল না বুঝে তার কাছে ফর্মাল ওয়েতে সবকিছু প্রকাশ করতে যাবেন না। অবুঝ মানুষ ভালোভাবে না বুঝেই রিয়্যাক্ট করে থাকে।

বি: দ্র:- স্লিপিং পার্টনার অর্থ ব্যবসায়ের নিষ্ক্রিয় অংশীদার। অর্থাৎ সে টাকা ইনভেস্ট করবে, কিন্তু আড়ালেই থেকে যাবে। কাজকর্ম যা করার আপনাকেই করতে হবে আর চুক্তি অনুযায়ী লাভের একটা নির্দিষ্ট অংশ তাকে দিতে হবে।

সংগ্রহীত

 আপনার বয়স যখন ৩০ ছুঁইছুঁই বা ৩০+ তখন অবশ্যই কিছু বিষয়ে আপনার খেয়াল রাখা উচিত:১. যতটুকু পারা যায় ভবিষ্যতের(পরিবারের)...
11/06/2021


আপনার বয়স যখন ৩০ ছুঁইছুঁই বা ৩০+ তখন অবশ্যই কিছু বিষয়ে আপনার খেয়াল রাখা উচিত:
১. যতটুকু পারা যায় ভবিষ্যতের(পরিবারের) জন্য কিছুটা হলেও সঞ্চয় করা উত্তম।
২. অবশ্যই নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি যত্নবান হওয়া উচিত।
৩. যারা আপনাকে কম গুরুত্ব দেবে তাদের প্রতি মেলামেশা কমিয়ে দিতে হবে, আমি সবসময় চেষ্টা করি এবং সেটা তাদেরকে বিন্দু পরিমাণ বুঝতেও দেই না।

৪. যারা আপনার প্রতি যত্নবান, তাদের প্রতি মেলামেশা আরো বাড়িয়ে দিতে হবে, আরো বন্ধুত্ববান হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
৫. যতটা সম্ভব নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর চেষ্টা করতে হবে।
৬. নিজের বর্তমান অবস্থাকে কিভাবে আরো মজবুত করা যায় সে দিকে তীক্ষ্ণ দৃষ্টি দিতে হবে।

৭. সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সব সময় নিজের প্রতি এবং যে আপনার উপকার করবে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে হবে।
৮. সবশেষে, ধৈর্যশীল হতে হবে এবং রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।

হরিণ ঘণ্টায় 100 কিলোমিটার ছুটতে পারে, আর সিংহ ৮০ কিলোমিটার ছুটতে পারে। তবুও হরিন সিংহের কাছে শিকার হয়। কারন হরিন যখন...
11/06/2021

হরিণ ঘণ্টায় 100 কিলোমিটার ছুটতে পারে, আর সিংহ ৮০ কিলোমিটার ছুটতে পারে। তবুও হরিন সিংহের কাছে শিকার হয়। কারন হরিন যখন ছুটে তখন বার বার পিছু ফিরে সিংহের দিকে তাকায়। যার জন্য তার গতি কমে জায়। কিন্তুু সিংহ যখন ছুটে তখন ডানে বামে পিছনে কোথাও তাকায় না। যার জন্য সিংহ শিকার করতে পারে। জীবনে ঠিক এমনই কখনো পিছনে ফিরে তাকাতে হয় না । সফল ব্যক্তিরা ব্যর্থ হলেও কখনো পিছনে ফিরে তাকায় না, বরং পিছনের শিক্ষাকে পুজি করে তারা সামনে এগিয়ে চলছে বলেই তারা সফল। তাই কে কি বললো এসব নিয়ে পরে থাকলে চলবে না। আপনি জীবনে যত মহৎ ব্যক্তিই হোন না কেন,আপনার ২/৪ টা হেটার্স থাকবেই এটাই মানুষের ধর্ম। মনে রাখবেন হেটার্স জ্ঞানী গুনী দেরই থাকে, মূর্খ দের না।

(Collected)

সারা দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে বিটিআরসি৫০০ টাকায় মাসজুড়ে অফুরন্ত ইন্টারনেটবিটিআরসি এই কর্মসূচ...
06/06/2021

সারা দেশে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম নির্ধারণ করে দিচ্ছে বিটিআরসি
৫০০ টাকায় মাসজুড়ে অফুরন্ত ইন্টারনেট

বিটিআরসি এই কর্মসূচির নাম দিয়েছে ‘এক দেশ, এক রেট’। রাজধানী ঢাকা হোক, আর দেশের কোনো ইউনিয়ন হোক—ইন্টারনেট সেবাদাতাদের একই দামে সংযোগ দিতে হবে। নির্ধারিত দামের কম নেওয়া যাবে, বেশি নয়।

ইন্টারনেট সেবাদাতাদের সূত্রে জানা গেছে, ‘এক দেশ, এক রেটের’ আওতায় ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের জন্য তিনটি প্যাকেজ থাকবে। এই প্যাকেজগুলোর দাম আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি বিটিআরসি। আজ রোববার এক অনুষ্ঠানে দামের বিষয়ে তারা জানাবে।

সূত্র জানিয়েছে, প্রথম প্যাকেজের মূল্য হতে পারে মাসে সর্বোচ্চ ৫০০ টাকা, গতি হবে ৫ এমবিপিএস (মেগাবাইট পার সেকেন্ড)। দ্বিতীয় প্যাকেজের মূল্য হতে পারে মাসিক ৮০০ টাকার মধ্যে, এর গতি হবে ১০ এমবিপিএস এবং তৃতীয় প্যাকেজের গতি হতে পারে ২০ এমবিপিএস, দাম হবে মাসিক ১ হাজার ২০০ টাকার মধ্যে।

ইন্টারনেট সেবাদাতারা বলছেন, এই দাম কার্যকর হলে ঢাকায় ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দাম প্যাকেজ প্রতি মাসে ১০০ থেকে ২০০ টাকা কমবে। তবে বেশি সুফল পাবেন জেলা, উপজেলা ও ইউনিয়নের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা।

করোনাকালে দেশে ইন্টারনেটের প্রয়োজনীয়তা অনেকটাই বেড়েছে। আউটসোর্সিংয়ের পাশাপাশি পড়াশোনা, ঘরে বসে অফিসের কাজ করা এবং বিনোদনের জন্য ইন্টারনেট নির্ভরতা তৈরি হয়েছে।

বিটিআরসি সূত্র জানায়, বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি লিমিটেড (বিটিসিএল) প্রায় ১ হাজার ১০০ ইউনিয়নে ফাইবার অপটিক কেব্‌ল সংযোগ স্থাপন করেছে। অন্যদিকে ইনফো সরকার-৩ প্রকল্পের মাধ্যমে জনগণের অর্থে ২ হাজার ৬০০ ইউনিয়নকে ফাইবার অপটিক কেব্‌ল সংযোগের আওতায় আনা হয়েছে। দেশে ইউনিয়নের সংখ্যা ৪ হাজার ৫৮৮। টেলিযোগাযোগমন্ত্রী জানান, চলতি বছরের মধ্যে সব ইউনিয়ন ফাইবার অপটিক কেবলের আওতায় আসবে।

ইন্টারনেটের তুলনামূলক দামের হালনাগাদ তথ্য উপস্থাপনকারী যুক্তরাজ্যভিত্তিক ওয়েবসাইট কেব্‌লডটইউকে গতকাল দেখা যায়, বাংলাদেশ ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেটের দামের দিক দিয়ে বিশ্বে ৫৮তম। মানে হলো, ৫৭টি দেশে দাম বাংলাদেশের চেয়েও কম। দেশে মাসে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগের গড় দাম ৩১ ডলারের কিছু বেশি, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২ হাজার ৬০০ টাকা। ভারতে একই দর ১৪ ডলারের নিচে।

© প্রথম আলো

After Google, Amazon has also officially registered as a business in Bangladesh. Both of these companies would be paying...
30/05/2021

After Google, Amazon has also officially registered as a business in Bangladesh. Both of these companies would be paying a 15% VAT on revenue and submit returns on total turnover each year. This would accelerate the process of setting up offices and bringing in various Amazon services in Bangladesh. This shall also pave the way for other international companies like Facebook to set up their own operations in this country.

Source: https://www.tbsnews.net/economy/google-amazon-register-business-bangladesh-252868

২৫ বছরের ও বেশি সময় পর Microsoft তাদের Internet Explorer এর সাপোর্ট বন্ধ করতে চলেছে।২০২২ এর ১৫ই জুনের পর থেকে Windows 10...
21/05/2021

২৫ বছরের ও বেশি সময় পর Microsoft তাদের Internet Explorer এর সাপোর্ট বন্ধ করতে চলেছে।

২০২২ এর ১৫ই জুনের পর থেকে Windows 10-এ Internet Explorer এর কার্যক্রম সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে যাবে।

Address

Collage Road
Kalapara
31

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ITHome.kalapara - আমরা আত্মনির্ভরশীল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to ITHome.kalapara - আমরা আত্মনির্ভরশীল:

Share

Category