R.S It Solution

R.S It Solution R.S IT Solution is a Leading Digital Marketing Agency at Jamalpur in Bangladesh. R.S It Solution Believe that Every Man Has Infinite &Possibilities.

For This Reason We provide Best It Training for All Age's people

✌️✌️✌️✌️
17/10/2023

✌️✌️✌️✌️

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজান এর শুভেচ্ছা....
22/03/2023

সবাইকে পবিত্র মাহে রমজান এর শুভেচ্ছা....


কম্পিউটার কীবোর্ড পরিচিতি | Computer Keyboardকম্পিউটার কী বোর্ড দেখেন নাই এমন লোকের সংখ্যা কম। কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের ড...
09/09/2022

কম্পিউটার কীবোর্ড পরিচিতি | Computer Keyboard

কম্পিউটার কী বোর্ড দেখেন নাই এমন লোকের সংখ্যা কম। কীবোর্ড হলো কম্পিউটারের ডিভাইস, যাতে কিছু বাটন বিন্যস্ত থাকে। এর দ্বারা কম্পিউটারকে ইনপুট দেয়া হয়। অর্থাৎ কম্পিউটারকে নির্দেশ দেয়া হয। কীবোর্ডের কীসমূহে কী (নাম্বার ও বর্ণ) ছাপানো থাকে। অনেকে হয়তো মনে করবেন এর সাথে পরিচিত হবার কতটা জরুরি। হ্যা, কীবোর্ড হলো কম্পিটারকে নির্দেশ প্রদান করার প্রধান ডিভাইস। এর সকল কীগুলোর কাজ না জানলে আপনি সফলভাবে কাজ সম্পাদন করতে পারবেন না। নিচে কীবোর্ড নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো।

কী–বোর্ড কী পরিচিতি

কী-বোর্ডে ৮৪ থেকে ১০১টি বা কোন কোন কী-বোর্ডে ১০৪টি কী থাকে। টি কী আছে। ব্যবহারের উপর ভিত্তি করে কী-বোর্ডকে মোটামুটি ৫টি ভাগে ভাগ করা যায়।

ফাংশন কী
অ্যারো কী
আলফাবেটিক কী
নিউমেরিক কী বা লজিক্যাল কী
বিশেষ কী বা কমান্ড কী

ফাংশন কী

কী বোর্ডের উপরের দিকে বাম পার্শ্বে F1 থেকে F12 পর্যন্ত যে কীগুলো আছে এদের একত্রে ফাংশন কী বলে। এদের ফাংশন কী বলার কারণ এদের শুধু মাত্র ১টি কী প্রেস করে ১টি নির্দেশ প্রদান করা যায়। এদের ১টি কী দ্বরা ডাবল কী বা ত্রিপল কী কমান্ড দেয়া যায়। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কিছু কাজ অনেক দ্রুত সম্পাদন করা যায়।

অ্যারো কী

কী বোর্ডের ডান দিকে নিচে পৃথক ভাবে চারটি কী আছে। কোন কোন কী বোর্ডে উপরের দিকেও থাকে। কীগুলোর উপরে অ্যারো বা তীর চিহ্ন দেওয়া থাকে। যা দিয়ে খুব সহজেই কার্সরকে ডানে, বামে, উপরে এবং নিচে সরানো যায়। এগুলিকে আবার এডিট কীও বলে। কারণ টেক্সট এডিট করার কাজেও এ কীগুলো ব্যবহার করা হয়।
আলফাবেটিক কী

কী বোর্ডের যে অংশে ইংরেজি বর্ণমালা A থেকে Z পর্যন্ত সাজানো থাকে সেই অংশকে আলফাবেটিক সেকশন/অংশ বলে। একই কীবোর্ড দ্বারা আলাদা আলাদা ইন্টাফেসের সাহায্যে আলাদা আলাদা ভাষায় টাইপ করা যায়। যেমন একই কীবোর্ড দ্বারা ইংরেজি, বাংলা, আরবি চায়নিজ ইত্যাদি ভাষার জন্য ব্যাবহার করা যায়।

নিউমেরিক কী ও লজিক্যাল কী

কীবোর্ডের ডানদিকে ০ থেকে ৯ পর্যন্ত সংখ্যা লেখা যে কীগুলো রয়েছে তাকে নিউমেরিক কী বলে। এখানে +, -, *, / প্রভৃতি অ্যারিথমেটিক অপারেটর থাকে। এছাড়াও , = লজিক্যাল অপারেটরগুলো কী বোর্ডে থাকে।

বিশেষ কী

উল্লেখিত কী গুলো ছাড়া কী-বোর্ডের অন্যান্য কী সমূহ কোনো না কোনো বিশেষ কার্য সম্পাদন করে বলে এদেরকে বিশেষ কী বলা হয়-

Esc : এই কী এর সাহায্যে কোনো নির্দেশ বাতিল করতে হয়।
Tab : পর্দায় প্যারাগ্রাফ, কলাম, নম্বর, অনুচ্ছেদ শুরুর স্থান ইত্যাদি প্রয়োজন অনুযায়ী প্রস্তুতের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।
Caps Lock : এই কী ব্যবহার করে ইংরেজি ছোট হাতের ও বড় হাতের লেখা টাইপ করা হয়।
Shift : একই ওয়ার্ডের মধ্যে বা শুরুতে বড় ও ছোট অক্ষর টাইপ করতে এই কী ব্যবহার করা হয়। যেমন : Dhaka, Khulna শব্দ দু’টি লিখতে প্রথম অক্ষরে শিফ্ট কী চেপে ধরে এবং পরের অক্ষরগুলো শিফ্ট কী ছেড়ে দিয়ে লিখতে হবে। আর বাংলা অর বা বর্ণমালা লেখার ক্ষেত্রে অক্ষর বিন্যাস্ত কী এর উপরের ও নিচের লেখা টাইপের জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়। এছাড়া শিফ্ট কী এর সাথে ফাংশন কী চেপে কম্পিউটারকে বিভিন্ন কমান্ড দেওয়া হয়।
Ctrl : এই কী এর সাথে বিশেষ কী একসাথে চেপে কমান্ড দেওয়া হয়। ব্যবহারকারীর সুবিধার জন্য কীবোর্ডের ডানে ও বামে এই কী ২টি থাকে।
Alt : বিভিন্ন প্রোগ্রামে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়ার জন্য এই কী ভিন্ন ভিন্ন ভাবে ব্যবহৃত হয় এবং বিভিন্ন কমান্ড তৈরী করা যায়।
Enter : কম্পিউটারকে কোন নির্দেশ দিয়ে তা কার্যকর করতে এই কী ব্যবহার হয়। লেখালেখির জন্য নতুন প্যারা তৈরী করতেও এই কী ব্যবহার করা হয়।
Pause Break : কম্পিউটারে কোন লেখা যদি দ্রুত গতির জন্য পড়তে অসুবিধা হয় তা হলে এই কী চেপে তা পড়া যায়।
Print Screen: কম্পিউটারের পর্দার দৃশ্যত যা কিছু থাকে তা সব প্রিন্ট করত চাইলে এই কী ব্যবহার করতে হয়।
Delete : কোনো বাক্য, অক্ষর বা কোনো লেখাকে মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়
Home : এই কী ব্যবহার করে কার্সরকে পাতার প্রথমে আনা হয়। তবে MS Word এ কোনো ডকুমেন্ট লেখার সময়ে কার্সর প্রথম পাতায় আনতে হলে Ctrl+Home একসাথে টিপতে হয়।
End : এই কী চাপলে কার্সর বা পয়েন্টার যেখানেই থাকুক না কেন টেক্সট বা পাতার শেষে চলে আসবে।
Page Up : এই কী ব্যবহার করে কার্সরকে উপরের দিকে উঠানো হয়।
Page Down : এই কী ব্যবহার করে কার্সরকে নিচের দিকে নামানো হয়।
Insert : কোন লেখার মাঝে কোন কিছু লিখলে তা সাধারণত লেখার ডান দিকে লেখা হয়, কিন্তু এই কী চেপে লিখলে তা পূর্ববর্তী বর্ণের উপরে ওভার রাইটিং হয়। কাজ শেষে আবার এই কী চাপলে তা পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসে।
Back Space : কোন লেখার পিছনের অংশ মুছে ফেলতে এই কী ব্যবহার করা হয়।
Space Bar : কী বোর্ডের কীগুলোর মধ্যে এই কী টি সবচেয়ে লম্বা কোন বাক্য লেখার সময় শব্দ গুলোর মাঝে ফাঁকা করার জন্য এই কী ব্যবহার করা হয়।
Num Look : এই কী চাপা থাকলে ডান দিকের নিউমারিক কী গুলো চালু হয়।



কম্পিউটারের পরিচিতি । Computer Basic Knowledge in Bengali   কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান, বেসিক কম্পিউটার এবং কম্পিউটারের পর...
07/09/2022

কম্পিউটারের পরিচিতি । Computer Basic Knowledge in Bengali

কম্পিউটারের সাধারণ জ্ঞান, বেসিক কম্পিউটার এবং কম্পিউটারের পরিচিতি (Computer Basic Knowledge in Bengali) নিয়ে আমাদের আজকের আর্টিকেলটি রয়েছে।

আপনাদের মধ্যে যারা যারা কম্পিউটারের বিষয়ে কিছুই জানেননা, তাদের জন্যই আজকের এই আর্টিকেলটি লিখা হয়েছে।

আজকালকার দিনে কম্পিউটার ছাড়া মানুষের সভ্যতা একেবারেই অচল।

তাই, কম্পিউটারের ব্যাপারে যারা কিছু সাধারণ ধারণা পেতে চান, তাদের জন্যেই আমরা আজকের আমাদের এই আর্টিকলে কথা বলবো এবং কম্পিউটার সম্পর্কে কিছু সাধারণ জ্ঞান দিবো।

এই আর্টিকেলটি আপনাদের কম্পিউটার সম্পর্কে সাধারণ ধারণা দিয়ে আপনাকে সাহায্য করবে।

কম্পিউটারের বৈশিষ্ট ও শ্রেণীবিভাগ
ল্যাপটপ কি ?
USB এর পূর্ণরূপ কি ?
আসুন, আমরা প্রথমে জেনে নিই, কম্পিউটার কি বা কাকে বলে ?
কম্পিউটার কি ? (What Is Computer in Bengali)
কম্পিউটারের বাংলা অর্থ হল গণকযন্ত্র বা গণনার যন্ত্র বা মেশিন।

কম্পিউটার আসলে হল একধরণের সাধারণ উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত একটা যন্ত্র।

এই বৈদ্যুতিক যন্ত্র বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস এক ধরণের সাধারণ ডিজিটাল সার্কিট্রি নিয়ে তৈরী।

একটি পরিবর্তনশীল প্রোগ্রামে দেওয়া নির্দেশাবলী অনুসারে গণকযন্ত্র বাইনারি আকারে তথ্য সংরক্ষণ এবং প্রক্রিয়াকরণ করে থাকে।
এই ইলেকট্রনিক ডিভাইসের সাহায্যে আমরা গণনা করতে পারি, ভিডিও অডিও ফাইল চালাতে পারি, গান শুনতে পারি বা কোনো জটিল হিসাবের কাজ করতে পারি।

কম্পিউটার হল তথ্য সংরক্ষণ করার একটা নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।

আর, এই কম্পিউটার বৈদ্যুতিক সংকেত হিসাবে তথ্য গ্রহণ করে থাকে।

কম্পিউটারের একটি সুপরিচিত প্রোগ্রাম ভাষা বা ল্যাঙ্গুয়েজে হল বাইনারি (০,১ সংখ্যা দিয়ে গঠিত ভাষা).
Computer (কম্পিউটার) শব্দের সম্পূর্ণ নাম:
আমরা যাকে কম্পিউটার নামে চিনি, আসলে তার কিন্তু একটা সম্পূর্ণ নাম আছে-

C– কমনলি (সাধারণভাবে)

O– অপারেটেড (পরিচালিত)

M– মেশিন (যন্ত্র)

P– পার্টিকুলারলি (যা বিশেষ করে)

U– ইউস্ড ফর (ব্যবহৃত হয়)

T– টেকনিক্যাল (প্রযুক্তি)

E– এডুকেশন (শিক্ষা)

R– রিসার্চ (অনুসন্ধানে জন্যে)

অর্থাৎ, এই কম্পিউটার শব্দের বাংলা অর্থ করতে যা দাঁড়ায়, তা হল সাধারণ ভাবে পরিচালিত একটি যন্ত্র যা বিশেষ করে প্রযুক্তি, শিক্ষা ও অনুসন্ধানের কাজে ব্যবহৃত হয়।

কম্পিউটার সম্পর্কে খুঁটিনাটি ইতিহাস:
গণযন্ত্রের জনক বা আবিষ্কারক হলেন চার্লস ব্যাবেজ।
আধুনিক কম্পিউটার যন্ত্রের আবিষ্কর্তা হলেন অ্যালান টার্নিং।
কম্পিউটারের সাধারণ কাঠামোর নির্মাতা হলেন জন ভন নিউম্যান।
কম্পিউটরের প্রথম প্রোগ্রামার হলেন লেডি অ্যাডা লাভলেস।
সাধারণ মানুষের ব্যবহারের জন্যে প্রথম কম্পিউটার তৈরী করে আইবিএম (১৯৮১).

গণকযন্ত্রের সাধারণ পরিচিত:
এই যন্ত্রটি তথ্য সংরক্ষণ ও প্রক্রিয়াকরণ করে।
প্রতিটি কম্পিউটারের কম্যান্ড দেওয়ার বেসিক ডিভাইস থাকে, যেমন- মাউস, কীবোর্ড ইত্যাদি।
গণকযন্ত্রের মেমোরিতে কম্যান্ড ও তথ্য সংরক্ষণ করা থাকে।
একটি সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) বা কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণের ইউনিট মূলত কম্পিউটারের প্রক্রিয়াকরণের কাজ করে।
একটি মনিটর, আউটপুট প্রদান করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়।

কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য:
এই যন্ত্রটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে হিসেব বা কাজ করতে সক্ষম।
গণকযন্ত্র একেবারেই নির্ভুলভাবে কাজ করে।
একটি কম্পিউটারের মেমোরি বা স্টোরেজ ক্ষমতা অনেক বেশি এবং একে অবশই বাড়ানো বা কমানো যাবে।
একটি গণকযন্ত্র একসাথে অনেক কাজ করতে সক্ষম।
এই যন্ত্রটি মুহূর্তের মধ্যে জটিল গণনার ফল প্রকাশ করতে সক্ষম।

কম্পিউটারের সাধারণ যন্ত্রাংশ:
একটি কম্পিউটার যন্ত্র বেশ কতগুলো ডিভাইস বা যন্ত্রাংশের সমন্বয়ে তৈরী।

এই ডিভাইস গুলি হল সিপিইউ, মনিটর, কীবোর্ড, ও মাউস।

এই যন্ত্রগুলো ছাড়া গণকযন্ত্র একেবারেই বিকল।

কম্পিউটারের কাজ করার পদ্ধতি:
একটি গণকযন্ত্র ইনপুট-প্রসেস-আউটপুট এই পদ্ধতিতে কাজ করে।

আসলে, আমরা কম্পিউটারকে কাজ করানোর উদ্দেশ্যে প্রথমে তথ্য পাঠাই অর্থাৎ ইনপুট দিই,
কম্পিউটার সেই তথ্যকে প্রসেস বা প্রক্রিয়াকরণ করে আর প্রক্রিয়াকরণের শেষে সেই তথ্যের থেকে পাওয়া ফল দেখায় বা শোনায়, যাকে কম্পিউটারের ভাষায় আউটপুট বলা হয়ে থাকে।

কম্পিউটারের ইনপুট ডিভাইস:
আমরা কম্পিউটারকে তথ্য পাঠানোর জন্যে বা কম্পিউটারকে নির্দেশ দেওয়ার ক্ষেত্রে এই ইনপুট ডিভাইস গুলি ব্যবহার করি।

ইনপুট এবং আউটপুট ডিভাইস কাকে বলে ?
এই যন্ত্রগুলোর মধ্যে অন্যতম হল –
১. কীবোর্ড:
কিবোর্ডের সাহায্যে আমরা টেক্সট (text) টাইপিং এর মাধ্যমে কম্পিউটারকে বিভিন্ন নির্দেশ গুলো দিতে পারি।

মূলত একজন উসার কম্পিউটারের মধ্যে ডাটা প্রেরণের ক্ষেত্রে কীবোর্ড এর ব্যবহার করে থাকে।

এটি মূলত আমরা ব্যবহার করি টেক্সট বা কমান্ড টাইপ করার জন্য, যেটা কম্পিউটারকে নির্দিষ্ট ক্রিয়াগুলি সম্পাদনের নির্দেশ দিতে সাহায্য করে।

২. মাউস:
১৯৬৩ সালে ডগলাস এঙ্গেলবার্ট এই মাউস যন্ত্রটির আবিষ্কার করেন।

মাউস হল ঠিক ইঁদুরের মতো দেখতে একটি ডিভাইস।

এই যন্ত্রের সাহায্যে আমরা মনিটরের ডিসপ্লে বা স্ক্রিনে কার্সার বা পয়েন্টার (স্ক্রিনে তীরের মতো বা ইংরেজি “I” অক্ষরের মতো দেখতে অংশটি) এর গতিবিধি নিয়ন্ত্রণ করতে পারি।

৩. স্ক্যানার:
স্ক্যানার হল এমন একটি ডিভাইস যা একটি মুদ্রিত পৃষ্ঠা বা গ্রাফিক্সকে ডিজিটাল ছবিতে পরিণত করে।

আমরা আমাদের কাগজ বা বই থেকে যখন কোনো ছবি কম্পিউটারের স্ক্রিনে সফ্ট কপিতে দেখতে পাই, সেই সফ্ট কপিতে পরিণত করার কাজটা আমরা স্ক্যানারের সাহায্যেই করে থাকি।
৪. জয়স্টিক:
জয়স্টিক হল এক ধরণের ইনপুট ডিভাইস যা আমাদের ভিডিও গেমগুলোর (PC Games) মুভমেন্ট বা গতিবিধি গুলো নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।

কম্পিউটারের আউটপুট ডিভাইস:
এখন আমরা কম্পিউটারের কিছু গুরুত্বপূর্ণ আউটপুট ডিভাইস গুলোর বিষয়ে আলোচনা করতে চলেছি।

১. মনিটর:
সাধারণত, মনিটর হল ভিজ্যুয়াল ডিসপ্লে ইউনিট যা একটি কম্পিউটারের মূল আউটপুট ডিভাইস।

এর আয়তক্ষেত্রাকার স্ক্রিনটি ছোট ছোট বিন্দু (পিক্সেল) থেকে চিত্র তৈরি করে এবং এর মাধ্যমেই কম্পিউটার আউটপুট তথ্য প্রদর্শন করে।

আর, ছবির স্পষ্টতা পিক্সেল সংখ্যার উপর সমানুপাতিকভাবে নির্ভর করে।

অর্থাৎ, পিক্সেলের সংখ্যা বেশি হলে ছবি বেশি স্পষ্ট ও উজ্জ্বল হয় আর পিক্সেল কম হলে ছবির স্পষ্টতা ও উজ্জ্বলতা দুটোই কমে।

২. প্রিন্টার:
প্রিন্টার হল আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আউটপুট ডিভাইস, যার সাহায্যে কম্পিউটারের প্রসেস করা তথ্য কাগজে মুদ্রিত হয়।

প্রিন্টার মূলত দুই ধরনের হয়,

ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার ও
নন-ইমপ্যাক্ট প্রিন্টার।
এর বাইরেও প্রিন্টার এর আরো বিভিন্ন প্রকার গুলো রয়েছে।
৩. প্রজেক্টর:
ইমেজ প্রজেক্টর হল একধরণের অপটিক্যাল আউটপুট ডিভাইস।

এর দ্বারা একটি চিত্র বা চলমান চিত্রগুলোকে একটি পর্দার উপর প্রদর্শন করা হয়।

৪.স্পিকার:
স্পিকার হল কম্পিউটার সিস্টেমের সবচেয়ে সাধারণ একটি আউটপুট ডিভাইস।

একটি কম্পিউটারের সাউন্ড সিস্টেমের সাথে সংযুক্ত করে আমরা গান বা সিনেমার ডায়লগ এবং অন্যান্য অডিও শুনে থাকি।

কম্পিউটারের মেমরি:
কম্পিউটারের মেমরি ঠিক আমাদের মস্তিষ্কের মতো কাজ করে।

আমরা যেমন কথাবার্তা মনে রাখি ও নানা ধরণের কাজ আমাদের মস্তিষ্কের সাহায্যেই করে থাকি, ঠিক তেমনই এই মেমরিও কম্পিউটারের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখে।
আর তার সাথে লোড করা কমান্ডের সাহায্যে নানা ধরণের ডেটা প্রসেসিং-এর কাজ করে থাকে।

এই মেমরি আবার ছোট ছোট অংশ নিয়ে গঠিত, যা সেল বা লোকেশন নামে পরিচিত।

প্রতিটি সেল বা লোকেশনের একটি করে অনন্য ঠিকানা (ইউনিক এড্ড্রেস) রয়েছে।

এই মেমোরি আবার তিন প্রকারের হয়ে থাকে –
১. ক্যাশ মেমরি (Cache Memory):
ক্যাশে মেমরি হল একধরণের খুব উচ্চ-গতির সেমিকন্ডাক্টর মেমরি, যা CPU-এর কাজের গতি বাড়াতে সাহায্য করে।

এই মেমরি প্রাইমারি মেমরির ও সিপিইউ-এর মধ্যে একটি বাফার হিসাবে কাজ করে।

২. প্রাথমিক মেমরি (Primary Memory):
প্রাথমিক মেমরিতে কম্পিউটার নির্মাতারা কিছু আদেশ ও অনুদেশ কমান্ডের আকারে কম্পিউটারের মধ্যে তার বোধগম্য ভাষায় যোগ করে দেন।

তাই এই ধরণের মেমোরিতে শুধুমাত্র সেইসব নির্দেশাবলীগুলোই থাকে যেগুলির সাহায্যে কম্পিউটার চলে।

আর কম্পিউটারের বৈদ্যুতিক সংযোগ বিচ্ছিন্ন হলে এর তথ্যগুলোও হারিয়ে যায়।

কম্পিউটার এই প্রাথমিক মেমোরিতেই সমস্ত তথ্য এবং নির্দেশাবলী প্রক্রিয়াকরণ করে থাকে।

>> এই প্রাইমারি মেমোরির দুটি প্রধান ভাগ রয়েছে, যা হল – রম (ROM) এবং RAM রয়েছে।

RAM (রান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি):
RAM (রান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি) হল একটি কম্পিউটারের মেমোরি যেখানে অপারেটিং সিস্টেম, অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম এবং বর্তমান ব্যবহারের তথ্য রাখা হয়।

আর, কম্পিউটার বন্ধ করে দিলে এই তথ্যগুলো আর থাকে না।

এই ধরণের মেমোরি অন্য মেমোরিগুলোর তুলনায় দ্রুত গতিসম্পন্ন হয় এবং এইখানে সহজে তথ্য পড়ানো ও লেখানো যায়।

RAM এর দুটি ভাগ রয়েছে –
১. SRAM: স্ট্যাটিক রান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি

২. DRAM: ডায়নামিক রান্ডম অ্যাক্সেস মেমরি

র্যাম (RAM) কি ?
ROM বা রম (রিড অনলি মেমরি):
রম মেমোরিটি এমন সব তথ্য সঞ্চয় করে, যা শুধুমাত্র পড়া যায়।

এই তথ্য গুলো পরিবর্তন করা একদমই অসম্ভব কিংবা খুব কঠিন।

এটি হল এক ধরনের নন-ভোলাটাইল বা অনুদ্বায়ী স্টোরেজ।

অর্থাৎ, কম্পিউটার বন্ধ হয়ে গেলেও এই মেমোরিতে তথ্য পাওয়া যায়।

রম মূলত তিন ধরণের হয়-

১. PROM – প্রোগ্রামেবল রিড অনলি মেমরি।

২. EPROM – ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল রিড অনলি মেমরি।

৩. EEPROM – ইলেক্ট্রনিক্যালি ইরেজেবল প্রোগ্রামেবল রিড অনলি মেমরি।

৩. সেকেন্ডারি মেমরি (Secondary Memory):
সেকেন্ডারি মেমরিকে এক্সটার্নাল বা বাহ্যিক মেমরিও বলা হয়ে থাকে।

এটি আসলে হল নানা ধরণের স্টোরেজ মিডিয়া।

এর সাহায্যে আপনি তথ্য ও প্রোগ্রাম গুলো কম্পিউটারে সংরক্ষণ করতে পারেন।

এই ধরণের মেমোরি ফিক্সড বা রিমুভেবল বা অপসারণযোগ্য হয়।

ফিক্সড মিডিয়া স্টোরেজ হল হার্ডডিস্কের মতো একটি অভ্যন্তরীণ স্টোরেজ, যা কম্পিউটারের ভিতরে আটকানো থাকে।

কয়েকটি রিমুভবল সেকেন্ডারি মেমোরি হল হার্ড ড্রাইভ, এসএসডি, সিডি, অপটিক্যাল ড্রাইভ, ইউএসবি ড্রাইভ ও ইত্যাদি।

SSD কি ?
কম্পিউটারের সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট বা CPU:
সিপিউ হল কম্পিউটারের প্রধান প্রসেসিং বা প্রক্রিয়াকরণের অংশ, যা নির্দেশাবলীগুলি পুনরুদ্ধার করে এবং কার্যকর করে।

মূলত CPU হল একটি কম্পিউটার সিস্টেমের মস্তিষ্ক।

যেকোনো সেন্ট্রাল প্রসেসিং ইউনিট (CPU) একটি গাণিতিক এবং লজিক ইউনিট (ALU), একটি কন্ট্রোল বা নিয়ন্ত্রণ ইউনিট এবং বিভিন্ন যন্ত্রাংশ নিয়ে গঠিত হয়।

CPU-কে ​​আমরা অনেক সময়ই প্রসেসর বলে উল্লেখ করে থাকি।
কম্পিউটারের সফটওয়্যার:
সফ্টওয়্যার হল একধরণের প্রোগ্রাম বা নির্দেশাবলীর একটা ক্রম বা সিরিজ, যার সাহায্যে একটি কম্পিউটার নির্দিষ্ট কাজ বা অপারেশন করার নির্দেশ পেয়ে থাকে।

যেকোনো কম্পিউটার সফ্টওয়্যার মূলত লাইব্রেরি, কম্পিউটার প্রোগ্রাম, এবং অ-নির্বাহযোগ্য তথ্য (যেমন- অনলাইন ডকুমেন্টেশন বা ডিজিটাল মিডিয়া) নিয়ে গঠিত হয়ে থাকে।

সফ্টওয়্যারের প্রধান দুটি ভাগ রয়েছে, যথা- সিস্টেম সফ্টওয়্যার এবং অ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার।
কম্পিউটারের পরিচিতি নিয়ে শেষ কথা,,
আজকে আমাদের কম্পিউটারের পরিচিতি এবং কম্পিউটরের সাধারণ জ্ঞান নিয়ে লেখা আর্টিকেলটি এখানেই শেষ হল।

আশা করছি আমাদের আর্টিকেলে দেওয়া computer basic knowledge আপনাদের পছন্দ হয়েছে এবং কাজে আসবে।

যদি আমাদের আর্টিকেল আপনাদের সত্যি ভালো লেগে থাকে, তাহলে আর্টিকেলটি সোশ্যাল মিডিয়াতে শেয়ার করতে ভুলবেননা।

এছাড়া, আর্টিকেলের সাথে জড়িত কোনো ধরণের প্রশ্ন বা পরামর্শ থাকলে নিচে কমেন্ট করে অবশ্যই জানাবেন।


06/08/2022

তেল দিবি না মানে!
#পেট্রোল
#ডিজেলএরদামবৃদ্ধি
#অকটেন

18/07/2022

#এখনওমাঝেমাঝে

01/03/2022

"WELLCOME TO RS IT SOLUTION"

Address

485, Tarakandi, Sharishabari
Jamalpur Chak
2055

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when R.S It Solution posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share