31/01/2021
√*কম্পিউটার মেমোরি কী?
উত্তর :- কম্পিউটারের উপাত্ত ও তথ্য সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত মাধ্যম, ধারক বা ভান্ডারকে কম্পিউটারের মেমোরি বা স্মৃতি বলা হয় । এটা উপাত্ত ও তথ্যকে প্রক্রিয়াকরণের পূর্বে ও পরে অস্থায়ী ও স্থায়ীভাবে সংরক্ষন করে ।
কম্পিউটার মেমোরির পরিচিতি
উত্তর :- কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের মধ্যে স্মৃতি বা মেমোরি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ । কম্পিউটার মেমোরির প্রধান কাজ হচ্ছে কম্পিউটারে ডাটা সমূহ সঞ্চয় করে রাখা। কম্পিউটারের ক্ষেত্রে মেমোরি লক্ষ লক্ষ স্মৃতি কোষ নিয়ে গঠিত হয়। যা একটি ক্ষুদ্রতম স্থান বিশেষ। কম্পিউটারের স্মৃতি কম্পিউটারে ডাটা সংরক্ষণের জন্য ব্যবহৃত মাধ্যম বা ধারককে কম্পিউটারের স্মৃতি বা Memory বলে। অর্থাৎ কম্পিউটারের যে সকল উপাত্ত ইনপুট ডিভাইসের সাহায্যে ইনপুট করা হয়। সেগুলোকে জমা রাখার জন্য যে নির্দিষ্ট অংশ থাকে তাকেই কম্পিউটারের স্মৃতিরূপে আখ্যায়িত করা হয়ে থাকে। কম্পিউটারের স্মৃতি অংশে লক্ষ লক্ষ স্মৃতি Cell থাকে। আর স্মৃতি Cell এর অবস্থানস্থলকে স্মৃতি স্থান বলা হয়। কম্পিউটারের প্রতিটি স্মৃতি স্থানে একটি করে স্মৃতি সংখ্যা থাকে। যে সংখ্যা দ্বারা স্মৃতি স্থানটি সনাক্ত করা হয় সে সংখ্যাটিকে স্মৃতি স্থানের ঠিকানা বা মেমোরি এ্যাড্রেস বলা হয়। স্মৃতি স্থানের এ ঠিকানা পরিবর্তিত হয় না বরং স্মৃতি সংখ্যাটি পরিবর্তন হয়ে থাকে।
কম্পিউটার স্মৃতি বা মেমোরির প্রকারভেদ
উত্তর :- কম্পিউটারের স্মৃতি বা মেমোরিকে প্রধানত দুই ভাগে বিভক্ত করা হয়ে থাকে। যেমন
প্রধান মেমোরি (Main Memory)
সহায়ক মেমোরি (Auxiliary Memory)
প্রধান মেমোরি (Main Memory)
উত্তর :- কম্পিউটারের যে মেমোরি সরাসরি কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়াকরণ অংশের সাথে যুক্ত থাকে এবং কোন তথ্য বা নির্দেশকে গ্রহণমুখ যন্ত্রের সাহায্যে গ্রহণ করার পর প্রক্রিয়াকরণের জন্য সংরক্ষণ করা হয়ে থাকে তাকেই প্রধান মেমোরি (Main Memory) বলা হয়। অর্থাৎ কম্পিউটারে গাণিতিক অংশের প্রত্যক্ষ সংযোগের মাধ্যমে যে স্মৃতি কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে তাকে প্রধান মেমোরি বলে। এ ধরনের মেমোরি অতি দ্রুততার সাথে কার্যাবলি সম্পাদন করে থাকে। তথ্য সংরক্ষণ ও পুনঃ উদ্ধারের উপর ভিত্তি করে কম্পিউটারের প্রধান স্মৃতিকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে। যেমন-
RAM
ROM
RAM
উত্তর :- ইংরেজি Random Access Memory কে সংক্ষেপে RAM বলা হয়। ইনপুট ডিভাইস হতে আগত সকল প্রকার তথ্য প্রথমে RAM এ জমা হয়। এর মাধ্যমে নতুন তথ্য পড়া যায়, লেখা যায় এবং ইচ্ছা করলে মুছা যায়। RAM চিপসে অবস্থিত যেকোন স্মৃতি সরাসরি নির্বাচন করা যায়, ডাটা সংরক্ষণ করা যায় এবং ডাটা নির্দেশ পাঠ করা যায়। RAM চিপস আবার দুই ধরনের। যেমন-
ডাইনামিক RAM চিপস
স্ট্যাটিক RAM চিপস
ডাইনামিক RAM চিপস
উত্তর :- কম্পিউটারে পুনঃপুন লিখনের মাধ্যমে পুনরুজ্জীবিত করে তথ্যাবলি পাঠ করতে হয় বলে এ ধরনের স্মৃতিকে ডাইনামিক স্মৃতি বলা হয়। সাধারণত ডাইনামিক RAM স্মৃতিতে নিম্নোক্ত উপায়গুলো প্রধান স্মৃতির অংশ হিসেবে কাজ করে থাকে। যেমন- মেইনফ্রেম, মিনিফ্রেম ইত্যাদি।
স্ট্যাটিক RAM চিপস
উত্তর :- কম্পিউটারে পুনঃপুন লিখন ব্যতিত তথ্য সমূহ পুনরুজ্জীবিত করে পাঠ করা যায় যে স্মৃতির মাধ্যমে তাকেই স্ট্যাটিক RAM চিপস বলা হয়। আধুনিক মাইক্রো কম্পিউটারে স্ট্যাটিক RAM চিপস এর পরিবর্তে ডাইনামিক RAM চিপস ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এক্ষেত্রে অনেকগুলো ব্যবহারিক সুবিধাও পাওয়া যায়।
ROM
উত্তর :- কম্পিউটারে নিয়ন্ত্রণমূলক কাজের জন্য মাইক্রো প্রসেসরে বিশেষ ধরনের স্মৃতির ব্যবস্থা রয়েছে যাদেরকে ROM বলে। ইংরেজি Read only Memory এর সংক্ষিপ্তরূপ হলো ROM । এটি পরিচালিত হয় মাইক্রো প্রোগ্রামের মাধ্যমে। বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলেও এর স্মৃতিতে বিদ্যমান নির্দেশমালা অপরিবর্তিত থাকে। কম্পিউটারের নির্দিষ্ট কিছু কাজের নির্দেশ নিয়ন্ত্রণ করে মাইক্রো প্রোগ্রাম। এক্ষেত্রে এসব নির্দেশ যত বার প্রয়োজন ROM চিপস থেকে ততবার তা পাঠ করা যায়। কিন্তু এতে নির্দেশ প্রবেশ করানো যায় না। ROM এর প্রোগ্রাম স্থায়ী। ROM বিভিন্ন প্রকারের হয়ে থাকে। যেমন
MROM - Mask Read Only Memory
PROM - Programmable Read Only Memory
EPROM - Eraseable Programmable Read Only Memory
EEPROM - Electrically Erasable Programmable Read Only Memory
EAPROM - Electrically Alterable Programmable Read Only Memory
সহায়ক মেমোরি(Auxiliary Memory)
উত্তর :- ইনপুটকৃত তথ্যসমূহ প্রক্রিয়াকরণের পর প্রক্রিয়াজাত তথ্যসমূহ সংরক্ষণের জন্য কম্পিউটারের যে স্মৃতি ব্যবহৃত হয়ে থাকে সেটিকেই সহায়ক স্মৃতি (Auxiliary Memory) বলা হয়। এটি সেকেন্ডারি মেমোরি হিসেবেও অভিহিত। প্রধান স্মৃতির তুলনায় সহায়ক স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা অনেক গুণ বেশি। প্রয়োজনে এর ধারন ক্ষমতা হ্রাস বৃদ্ধি করা যেতে পারে। তবে প্রধান স্মৃতির তুলনায় সহায়ক স্মৃতির কার্য পদ্ধতি ধীর গতি সম্পন্ন। কম্পিউটারের কার্যাবলি সম্পাদনের ক্ষেত্রে সাধারণত প্রধান স্মৃতির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় কার্যাবলি সম্পাদিত হয়ে সহায়ক স্মৃতিতে তা সংরক্ষিত হয়ে থাকে।
সহায়ক স্মৃতিগুলো কী কী? Secoundary Memory
উত্তর :- নিচে কয়েকটি সহায়ক মেমোরির নাম দেয়া হলো
ফ্লপি ডিস্ক - Floppy Disk
হার্ড ডিস্ক - Hard Disk
সিডি - CD-Compact Disk
সিডি-আর - CD-R- Compact Disk Readable
সিডি-আরডব্লিউ - CD-RW - Compact Disk Rewritable
ডিভিডি-রম - DVD-Digital Video Disk
ম্যাগনেটো অপটিক্যাল ডিস্ক - Magneto Optical Disk
জিপ ডিস্ক - ZIP Disk
ডিজিটাল টেপ - Digital Tape
চৌম্বক টেপ - Magnetic Tape
চৌম্বক ড্রাম - Magnetic Drum
রম এর কাজ কী?
উত্তর :- একটি চিপে স্থায়ী ভাবে সংরক্ষিত কিছু তথ্য দিয়ে রম তৈরি। রমের সাহায্যে বিভিন্ন রকমের কাজ হয়ে থাকে। যেমন:
(১) কম্পিউটার চালু করা হলে রমে ধরে রাখা তথ্য পর্দায় ফুটে ওঠে।
(২) রমের প্রধান কাজ হল POST (power On Self Test) কম্পিউটার চালু হওয়ার সাথে সাথে এটি সকল কম্পন্টেট কে চেক করে এবং কোন সমস্যা থাকলে তার জন্য সিগন্যাল প্রদান করে।
(৩) বাধ্যতামূলক ও অপরিবর্তনীয় কিছু নির্দেশও রমে ধরে রাখা হয়।
র্যাম এর কাজ কী?
উত্তর :- কম্পিউটারের মূল প্রাথমিক স্মৃতি বলতে র্যামকে (Primary Memory) বোঝায়। কি বোর্ড কিংবা অন্য কোনও ভাবে কম্পিউটারে যে তথ্য ও প্রোগ্রামই ঢোকানো হোক না কেন, তা প্রথমে গিয়ে সোজা জমা হয় র্যাম নামক স্মৃতিকক্ষে। কিন্তু কম্পিউটার বন্ধ করে দেওয়া মাত্র ঐ স্মৃতিকক্ষে সঞ্চিত তথ্য ও প্রোগ্রাম নষ্ট হয়ে যায় বা হারিয়ে যায়। অর্থাৎ যতক্ষণ কম্পিউটার চালু থাকে, ততক্ষণই কেবলমাত্র র্যামে তথ্য ও প্রোগ্রাম সংরক্ষিত রাখা যায়, কম্পিউটার বন্ধ হলেই তার আর অস্তিত্ব থাকে না। সেই কারণেই এই স্মৃতিকে উদ্বায়ী বা অস্থায়ী বা অস্থিতিশীল স্মৃতি বলা হয়ে থাকে। অনেকগুলি ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট বা আই সি দিয়ে র্যাম তৈরি হয়। মূলত বিভিন্ন তথ্য ও বিন্যাসের প্রণালী (প্রোগ্রাম)-কে অস্থায়ী ভাবে সংরক্ষণ করার কাজে এটিকে ব্যবহার করা হয়।
সহায়ক স্মৃতিগুলো কী কী?
উত্তর :- কম্পিউটারের সহায়ক স্মৃতিতে স্থায়ী ভাবে তথ্য সংরক্ষণ করে রাখা যায়। কম্পিউটার যন্ত্রটির বাইরে এই স্মৃতি ধরে রাখা হয়। কিন্তু তাকে ব্যবহার করা হয় কম্পিউটারের সাহায্যেই। অর্থাৎ এটি তথ্য সংরক্ষণের স্থায়ী মাধ্যম। এ ক্ষেত্রে কম্পিউটার বন্ধ করে দেওয়া হলেও তথ্য নষ্ট হয় না বা হারিয়ে যায় না। ফলে ভবিষ্যতে প্রয়োজন হলেই তথ্য ও প্রোগ্রামকে কম্পিউটারের সাহায্যে ব্যবহার করা যায়। তথ্যকে এ ভাবে সংরক্ষণ করার জন্য নানা ধরনের উপকরণ আছে, যেগুলিকে বলা হয় সেকেন্ডারি স্টোরেজ ডিভাইস। যেমন, ফ্লপি ডিস্ক, হার্ড ডিস্ক, কমপ্যাক্ট ডিস্ক বা সি ডি, ম্যাগনেটিক টেপ ইত্যাদি।
ফ্লপি ডিস্ক : নমনীয় প্লাস্টিক জাতীয় বস্তু বা ফ্লেক্সিবেল প্লাস্টিক মেটেরিয়াল দিয়ে ফ্লপি ডিস্ক তৈরি হয়। সেই কারণেই এর নাম ফ্লপি ডিস্ক। এই ডিস্কে পাতলা গোলাকৃতি প্লাস্টিকের উভয় দিকে চৌম্বক পদার্থের আবরণ থাকে, যাতে তথ্য সংরক্ষণ করা হয়। অর্থাৎ, এই আবরণটি রেকর্ডিং সাবস্টেন্সের ভূমিকা পালন করে। এই আবরণের উপরে অতি ক্ষুদ্র অদৃশ্য আকৃতির চৌম্বক গুঁড়ো হিসাবে তথ্য সন্নিবিষ্ট হয় রেকর্ডিং-এর মাধ্যমে। ফ্লপি ডিস্ক বিভিন্ন মাপের বা ব্যাসের হতে পারে। যেমন, ৮ ইঞ্চি, ৫.২৫ ইঞ্চি, ৩.৫ ইঞ্চি। তবে আজকের দিনে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ব্যবহৃত ফ্লপি ডিস্কেরই ব্যাস হয় ৩.৫ ইঞ্চি।
হার্ড ডিস্ক : এটি একটি চৌম্বক ডিস্ক বা ম্যাগনেটিক ডিস্ক, যা আসলে পাতলা বৃত্তাকার ধাতু নির্মিত একটি প্লেট। এই প্লেটটির দু’ দিকেই চৌম্বক বস্তুর আবরণ থাকে। যে হেতু প্লেটটি ধাতু দিয়ে তৈরি, তাই একে হার্ড ডিস্ক বলা হয়ে থাকে। একটি ডিস্ক প্যাকে এ রকম বেশ কয়েকটি ডিস্ক থাকে, দু’টি বা তার বেশি, যেগুলি প্রতি মিনিটে ৫৪০০ বা তার বেশি বার চক্রাকারে ঘোরে। প্রতিটি ডিস্কে বেশ কিছু সমকেন্দ্রিক বৃত্ত থাকে, যেগুলিকে চোখে দেখা যায় না। এদের বলে ট্র্যাক। ডিস্ক প্যাকের সবগুলি তলের একই ব্যাসার্ধ যুক্ত বৃত্তগুলিকে একত্রে বলা হয় সিলিন্ডার বা চোঙ। এই হার্ড ডিস্কের মধ্যে ধাতুর প্লেটগুলির খুব কাছে এক একটি রিড অ্যান্ড রাইট হেড (Read & Write Head) থাকে যা রেকর্ডিং সাবস্টেন্সের চৌম্বক ধর্মের তারতম্য থেকে তথ্য অনুধাবন এবং সংরক্ষণ করতে পারে। হার্ড ডিস্কে তথ্য লেখার সময় এই যন্ত্রাংশগুলিই খুব সীমিত জায়গার মধ্যে চৌম্বকক্ষেত্র তৈরি করে রেকর্ডিং সাবস্টেন্সের চৌম্বক ধর্মের পরিবর্তন ঘটায়। এই পরিবর্তনকে তারা আবার পরবর্তী কালে তথ্যের আকারে অনুধাবন করতে পারে। এই ভাবে তারা তথ্য সঞ্চয় ও পুনুরদ্ধার করে। এক বার চৌম্বক ধর্মের পরিবর্তন করলে তা বহু দিন একই ভাবে থাকে। এর ফলে সঞ্চিত তথ্য বহু দিন একই ভাবে সঞ্চিত রাখা সম্ভব।
পেনড্রাইভ : এটি একটি হাতে বহন যোগ্য মেমরী যা তথ্য এক জায়গা হতে অন্য জায়গায় বহন করা যায়। বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় ও নির্ভরযোগ্য পোরটেবল মেমরী ডিভাইস হল পেনড্রাইভ। বিভিন্ন সাইজের পেনড্রাইভ বাজারে যথাক্রমে ২জিবি, ৪জিবি, ৮জিবি, ১৬জিবি, ৩২জিবি আকারে পাওয়া যায়।
অপটিক্যাল ডিস্ক: একটি অপটিক্যাল ডিস্ক হল একটি সমতল, সাধারণত গোলাকার ডিস্ক যা বাইনারি ডাটা (বিট) সংকেতে আবদ্ধ করে পিটসরূপে (শূন্যের বা খালির বাইনারি মান, পড়ার সময় প্রতিবিম্বের অভাব হেতু) এবং ল্যান্ডসরূপে (১ বা আছের বাইনারি মান, পড়ার সময় প্রতিবিম্বের জন্য) একটি বিশেষ ধাতু (সাধারণত এ্যালুমিনিয়াম[ দ্বারা তৈরি তলের একপাশে। সংকেতে আবদ্ধ করার ধাতুটি একটি পুরু নিম্নস্ত স্তরের ধাতুর (সাধারনত পলিকার্বনেট) উপর থাকে যা ডিস্কটিকে ভারি করে এবং ধুলো এড়ানোর স্তর তৈরী করে।
মেমরী কার্ড:
স্মৃতি কি?
উত্তর :-
রম কি?
উত্তর :- ROM (Read Only Memory) একটি স্থায়ী (Non Volatile) স্মৃতি ভান্ডার। প্রধান স্মৃতির এই অংশটি স্থায়ী, অপরিবর্তনীয় ও অধ্বংসাত্বক স্মৃতি। Computer -এ বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করে দিলেও এই স্মৃতিতে রক্ষিত তথ্য মুছে যায় না। ROM -এ নতুন কিছু সংযোজন, সংশোধন বা পরিবর্তন করা যায় না। এই অংশে লিখিত তথ্য শুধুমাত্র পড়া যায়, কিন্তু লেখা যায় না। তাই একে স্থায়ী স্মৃতি হিসাবে অভিহিত করা হয়।
বিট–বাইটঃ Measurement Of Data Of The Computer:
উত্তর :- Computer -এর তথ্য পরিমাপের একক বাইনারী নাম্বার পদ্ধতিতে ব্যবহৃত অংক ০ (শুন্য) এবং ১ (এক) কে Bit বলে। ইংরেজী Binary শব্দের Bi ও Digit শব্দের t নিয়ে Bit শব্দটি তৈরী হয়েছে। কম্পিউটার স্মৃতিতে রক্ষিত 0 ও 1 এর কোড দিয়ে বিভিন্ন রকম তথ্য সংরক্ষিত থাকে। এ কারণে কম্পিউটারের স্মৃতির ধারণ ক্ষমতার ক্ষুদ্র একক হিসাবে Bit শব্দটি ব্যবহৃত হয়। কম্পিউটার এই ০ ও ১ দ্বারা যে বিশেষ পদ্ধতিতে কম্পিটারের কাজ করে তাকে কম্পিটারের যান্ত্রিক ভাষা বলা হয়। Bit, Byte, KB,MB,GB এবং এর মধ্যে সম্পর্কঃ কম্পিউটারের স্মৃতিতে বিট, বাইট বা কম্পিউটারের শব্দ ধারণের সংখ্যা দ্বারা ধারণ ক্ষমতা নির্দেশ করা যায়। সাধারনতঃ বাইট দিয়ে স্মৃতির ধারণ ক্ষমতা প্রকাশ করা হয়। তবে বলা দরকার যে বিট হচ্ছে কম্পিটারের সংখ্যা পদ্ধতির ক্ষুদ্রতম একক। এদের মধ্যে সর্ম্পক নিচে তুলে ধরা হল-
8 Bit = 1 Byte [1 Byte = 1 Character]
1024 Byte = 1 Kilobyte(KB)
1024 Kilobyte = 1 Megabyte (MB)
1024 Megabyte = 1 Gigabyte (GB)
1024 Gigabyte = 1 Terabyte (TB)
বিট–বাইটঃ কম্পিউটারের সব সংখ্যাই ০ অথবা ১ যে হেতু মানুষের পাঠযোগ্য ভাষা কম্পিউটার বুঝতে পারে না, তাই কম্পিউটারের বোধযোগ্য করার জন্য কম্পিউটারকে প্রদত্ত সমস্ত নির্দেশই ০ বা ১ – এর মাধ্যমে দেওয়া হয় এরা আমাদের দেওয়া নির্দেশকে কম্পিউটারই তার নিজের বোধযোগ্য ০ বা ১ বা উভয়ের বিভিন্ন সমন্বয়ে রূপান্তরিত করে নেয়। কারণ, কম্পিউটার সব কাজই বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশের সাহায্যে করে। এই বৈদ্যুতিন যন্ত্রাংশগুলির প্রতিটি কেবলমাত্র দু’টি অবস্থানকে বোঝে। এই দু’টি অবস্থান হল অন (On) এবং অফ (Off)। কম্পিউটারের কাছে অন মানে ১ (ওয়ান) এবং অফ মানে ০ (জিরো)। কম্পিউটারের ভাষায় একেই (০ এবং ১ ) বিট (Bit) বলা হয়।
কম্পিউটার সমস্ত নির্দেশ, সমস্ত সংখ্যা এবং অক্ষরকেই এই ০ এবং ১ দ্বারা গ্রহণ করে থাকে।
এ রকম আটটি বিট –এর সমন্বয়কে বাইট (Byte) বলা হয়ে থাকে
এ রকম ১০২৪টি বাইট নিয়ে ১ কিলোবাইট (Kilobyte বা KB)
এ রকম ১০২৪টি কিলোবাইট নিয়ে ১ মেগাবাইট (Megabyte বা MB)
এ রকম ১০২৪টি মেগাবাইট নিয়ে ১ গিগাবাইট (Gigabyte বা GB)
এ রকম ১০২৪টি গিগাবাইট নিয়ে ১ টেরাবাইট (Terabyte বা TB)
এ রকম ১০২৪টি টেরাবাইট নিয়ে ১ পেটাবাইট (Petabyte বা PB)
এ রকম ১০২৪টি পেটাবাইট নিয়ে ১ ইক্সয়াবাইট (Exabyte বা EB)
এ রকম ১০২৪টি ইক্সয়াবাইট নিয়ে ১ জেট্টাবাইট (Zettabyte বা ZB)
এ রকম ১০২৪টি জেট্টাবাইট নিয়ে ১ ইয়াট্টাবাইট (Yottabyte বা YB)
যেহেতু কম্পিউটার এই দুটি সংখ্যা ছাড়া কিছু বোঝে না তাই যে কোন ভাষায় এই কম্পিউটার ব্যবহৃত হতে পারে। শুধু কম্পিউটারকে কোড বুঝালেই হয়ে যায়। যদি ০ এবং ১ এর মাধ্যমে কম্পিউটার পরিচালনা করা না হতো তাহলে আলাদা আলাদা ভাষায় আলাদা কম্পিউটার তৈরি করার প্রয়োজন হতো। এতে কম্পিউটার সহজলভ্য হতো না এতে সকল কাজ কাগজে হাতে করতে হতো।
Cache Memory - ক্যাশ মেমোরি
উত্তর :- কম্পিউটারের কাজের দ্রুততা আনয়নের জন্য প্রসেসর ও প্রধান মেমোরির মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপিত এক বিশেষ ধরনের মেমোরিকে ক্যাশ মেমোরি Cache Memory বলা হয় । একটি প্রসেসর সাধারণত কতটুকু সময়ের মধ্যে কোন ডাটা ইনস্ট্রাকশন দিতে পারবে তা পুরোপুরি নির্ভর করে ক্যাশ মেমোরির উপর ।
RAM
উত্তর :- RAM-এর পূর্ণরূপ হলো র্যানডম এক্সেস মেমোরি -Random Access Memory । এটি কম্পিউটারের অস্থায়ী তথ্য রাখার ভান্ডার যেখানে কম্পিউটারের প্রতি মূহুর্তে চলমান সব ডাটা এবং তথ্য সংরক্ষণ করা হয় । র্যামে সব তথ্য জমা থাকে অস্থায়ী ইলেকট্রনিক পদ্ধতিতে, যার ফলে কম্পিউটার বন্ধ করার সাথে সাথে এর সব তথ্য মুছে যায় , যা আর পুনরুদ্ধার করা কখনই সম্ভব হয় না ।
*শেয়ার করে রাখুন টাইমলাইনে।
#সংগৃহিত