01/04/2014
২৭ মার্চ,১৯৭১,ঢাকা মিটফোর্ড
হাসপাতালের লাশ ঘর থেকে লাশ
ট্রাকে তুলতে গিয়ে একটি চাদর
ঢাকা ষোড়শী মেয়ের লাশ দেখতে পান
পরদেশী।সম্পূর্ণ উলঙ্গ লাশটির বুক
এবং যোনিপথ ছিল ক্ষতবিক্ষত,নিতম্ব
থেকে টুকরো টুকরো মাংস
কেটে নেয়া হয়েছিল।
২৯ মার্চ শাখারীবাজারে লাশ
তুলতে গিয়ে পরদেশী সেখানকার প্রায়
প্রতিটি ঘরে নারী,পুরুষ,আবাল বৃদ্ধ
বনিতার লাশ
দেখতে পান,লাশগুলি পচা এবং বিকৃত
ছিল।
বেশিরভাগ মেয়ের লাশ ছিল
উলঙ্গ,কয়েকটি যুবতীর বুক থেকে স্তন
খামচে,খুবলে তুলে নেয়া হয়েছে,কয়েকটি লাশের
যোনিপথে লাঠি ঢোকান ছিল।মিল
ব্যারাকের ঘাটে ৬ জন মেয়ের লাশ
পান তিনি,এদের প্রত্যেকের
চোখ,হাত,পা শক্ত
করে বাঁধা ছিল,যোনিপথ রক্তাক্ত
এবং শরীর গুলিতে ঝাঝরা ছিল।
ঢাকা পৌরসভার সুইপার সাহেব আলীর
ভাষ্যে ২৯ মার্চ তার দল একমাত্র
মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে কয়েক
ট্রাক লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরমানীটোলার এক বাড়িতে দশ
এগারো বছরের একটি মেয়ের লাশ
দেখতে পান,সমস্ত শরীর
ক্ষতবিক্ষত,জমাট বাঁধা ছোপ ছোপ রক্ত
সারা গায়ে,এবং তার দেহের বিভিন্ন
স্থানের মাংস তুলে ফেলা হয়েছিল।
ধর্ষণ শেষে মেয়েটির দুই পা দু’দিক
থেকে টেনে ধরে নাভি পর্যন্ত
ছিড়ে ফেলা হয়েছিল।
আর কতটুকু পৈশাচিকতা হলে, আমাদের
ঘৃনাবোধ জাগ্রত হবে??
আর কতটুকু নির্মমতা হলে, আমাদের
বিবেক জাগ্রত হবে??
আর কতটুকু বর্বরতা হলে, আমাদের
পাকি পতাকা নিয়ে তান্ডব নৃত্য বন্ধ
হবে??
এ লজ্জা কোথায় রাখি গো মা?
# কার্টেসি - শাহরিয়ার রায়হান
২৭ মার্চ,১৯৭১,ঢাকা মিটফোর্ড
হাসপাতালের লাশ ঘর থেকে লাশ
ট্রাকে তুলতে গিয়ে একটি চাদর
ঢাকা ষোড়শী মেয়ের লাশ দেখতে পান
পরদেশী।সম্পূর্ণ উলঙ্গ লাশটির বুক
এবং যোনিপথ ছিল ক্ষতবিক্ষত,নিতম্ব
থেকে টুকরো টুকরো মাংস
কেটে নেয়া হয়েছিল।
২৯ মার্চ শাখারীবাজারে লাশ
তুলতে গিয়ে পরদেশী সেখানকার প্রায়
প্রতিটি ঘরে নারী,পুরুষ,আবাল বৃদ্ধ
বনিতার লাশ
দেখতে পান,লাশগুলি পচা এবং বিকৃত
ছিল।
বেশিরভাগ মেয়ের লাশ ছিল
উলঙ্গ,কয়েকটি যুবতীর বুক থেকে স্তন
খামচে,খুবলে তুলে নেয়া হয়েছে,কয়েকটি লাশের
যোনিপথে লাঠি ঢোকান ছিল।মিল
ব্যারাকের ঘাটে ৬ জন মেয়ের লাশ
পান তিনি,এদের প্রত্যেকের
চোখ,হাত,পা শক্ত
করে বাঁধা ছিল,যোনিপথ রক্তাক্ত
এবং শরীর গুলিতে ঝাঝরা ছিল।
ঢাকা পৌরসভার সুইপার সাহেব আলীর
ভাষ্যে ২৯ মার্চ তার দল একমাত্র
মিটফোর্ড হাসপাতাল থেকে কয়েক
ট্রাক লাশ উদ্ধার করে।
তিনি আরমানীটোলার এক বাড়িতে দশ
এগারো বছরের একটি মেয়ের লাশ
দেখতে পান,সমস্ত শরীর
ক্ষতবিক্ষত,জমাট বাঁধা ছোপ ছোপ রক্ত
সারা গায়ে,এবং তার দেহের বিভিন্ন
স্থানের মাংস তুলে ফেলা হয়েছিল।
ধর্ষণ শেষে মেয়েটির দুই পা দু’দিক
থেকে টেনে ধরে নাভি পর্যন্ত
ছিড়ে ফেলা হয়েছিল।
আর কতটুকু পৈশাচিকতা হলে, আমাদের
ঘৃনাবোধ জাগ্রত হবে??
আর কতটুকু নির্মমতা হলে, আমাদের
বিবেক জাগ্রত হবে??
আর কতটুকু বর্বরতা হলে, আমাদের
পাকি পতাকা নিয়ে তান্ডব নৃত্য বন্ধ
হবে??
এ লজ্জা কোথায় রাখি গো মা?