বিছমিল্লাহ কম্পিউটার

বিছমিল্লাহ কম্পিউটার computer and mobile service

F1 থেকে F12 পর্যন্ত  কিছু সর্টকাট কাজ
08/03/2026

F1 থেকে F12 পর্যন্ত কিছু সর্টকাট কাজ

Suabil High School SSC Result  2024
12/05/2024

Suabil High School SSC Result 2024

যারা নুতন  #পাসপোর্ট করতে দিয়েছেন:নতুন পাসপোর্ট করতে দিয়েছেন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেছে। এখনও হাতে পাননি পাসপোর্ট।এসএমএস...
27/01/2020

যারা নুতন #পাসপোর্ট করতে দিয়েছেন:

নতুন পাসপোর্ট করতে দিয়েছেন। নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেছে। এখনও হাতে পাননি পাসপোর্ট।

এসএমএস করলে উত্তর আসে Pending for Passport Personalization কিংবা Pending for Backend Verification। এমন অবস্থায় আপনার করণীয় কী? সে তথ্য আজ আপনাকে জানাব।

১. Payment verification result – Name Mismatch : আপনার ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার নামের বানান এবং পাসপোর্ট ফরমে লিখা নামের বানানে অসমাঞ্জস্যতা পাওয়া গেছে। দ্রুত পাসপোর্ট অফিসে আপনার পাসপোর্ট প্রাপ্তির রশিদ, জন্মনিবন্ধন/জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপিসহ যোগাযোগ করুন।

২. Your application is pending on payment investigation (Amount mismatch or reference number mismatch) : আপনার ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার পরিমাণ এবং পাসপোর্ট ফরমে লিখা টাকা জমা দেওয়ার পরিমাণ অথবা ব্যাংকে টাকা জমা দেওয়ার রশিদের নম্বরে অসমাঞ্জস্যতা পাওয়া গেছে। দ্রুত পাসপোর্ট অফিসে আপনার পাসপোর্ট প্রাপ্তির রশিদসহ যোগাযোগ করুন। উল্লেখ্য সাধারণ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে জমা ৩,৪৫০ টাকা এবং জরুরি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে ৬,৯০০ টাকা এর কম বা বেশি লিখলে এই সমস্যা দেখা যায়।

৩. Pending for police approval : আপনার আবেদনপত্রটি পুলিশ প্রতিবেদন প্রাপ্তির জন্য অপেক্ষমাণ রয়েছে। আবেদকারীর বর্তমান ঠিকানা এবং স্থায়ী ঠিকানা যদি আলাদা হয় তবে উভয় ঠিকানায় তদন্ত করার জন্য অতিরিক্ত সময়ের প্রয়োজন হতে পারে।

৪. Pending for Assistant Director/Deputy Director Approval : পাসপোর্টের কাগজপত্র একজন Assistant Director/Deputy Director পদমর্যাদার অফিসার চেক করেন। তিনি অনুমোদন না দেওয়া পর্যন্ত এরকম দেখাবে। এই ধাপ সম্পন্ন হতে ৫/৬ দিন লাগে। তবে তিন সপ্তাহের বেশি হয়ে গেলে বুঝবেন আপনার পুলিশ ভেরিফিকেশন রিপোর্ট এখনও পাসপোর্ট অফিসে পৌঁছায়নি তাই Assistant Director / Deputy Director কর্তৃক অনুমোদন হচ্ছে না।

৫. Pending for Backend Verification : আপনার পাসপোর্টটি ঢাকায় প্রিন্টিং শাখায় পাঠানো হবে, তাই সকল তথ্য পুনরায় মিলিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি হতে সাধারণত ১ বা ২ কর্মদিবস লাগে।

৬. Pending for Passport Personalization : এই ধাপটি অনেকগুলো অংশে বিভক্ত। যেমন - Laser Engraving,
HD DOD Colour Inkjet Printing, Security Lamination, Inline Quality Control (Optical / Electronic),
RFID Encoding। পাসপোর্ট বইয়ের যথাযথ মজুত ও মুদ্রণ যন্ত্র সচল থাকা সাপেক্ষে ৩/৫ কর্ম দিবস বা তারও বেশি সময় লাগে।

৭. In Printer Queue : আপনার পাসপোর্টটি মুদ্রণ শাখায় মুদ্রিত হওয়ার জন্য অপেক্ষমাণ আছে। পাসপোর্ট যথাযথ বইয়ের মজুত ও যন্ত্র সচল থাকা সাপেক্ষে ২/৩ কর্মদিবস বা তারও বেশি সময় লাগে।

৮. Printing Succeeded : আপনার পাসপোর্টটি সফলভাবে মুদ্রিত হয়েছে এবং Quality Control শাখায় পর্যবেক্ষণের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

৯. QC Succeeded, Ready for Dispatch : সফলভাবে মুদ্রিত হওয়ার পর আপনার পাসপোর্ট বইটি Quality Control শাখা দ্বারা পরীক্ষা করা হচ্ছে যে, মুদ্রণে কোন ত্রুটি রয়েছে কি-না। এই ধাপে সব কিছু ঠিক থাকার পর আপনার পাসপোর্ট আবেদনকৃত অফিসে পাঠানোর জন্য প্রস্তুত করা হয়।

১০. Passport is Ready, Pending for Issuance : ঢাকার পাসপোর্ট মুদ্রণ শাখা থেকে পাসপোর্ট ডাক যোগে জেলা পর্যায়ের অফিসগুলোতে আসতে ৪/৫ কর্মদিবস সময় লাগে। এরপর পাসপোর্টগুলো বিতারণের জন্য প্রস্তুত হয়। এর মধ্যে আবেদনকারীর মোবাইল ফোনে পাসপোর্ট সংগ্রহ করার জন্য SMS পৌঁছে যায়। তবে SMS না পেয়ে থাকলে অনুগ্রহ করে আরও ২/৩ কর্মদিবস অপেক্ষা করুন।

-- তথ্যসূত্র সংগৃহীত

প্রয়োজনীয় নাম্বার সমূহ
29/05/2019

প্রয়োজনীয় নাম্বার সমূহ

প্রয়োজনীয় নম্বার সমূহ
27/05/2019

প্রয়োজনীয় নম্বার সমূহ

 #তারাবি তারাবি নামাজ পড়িতে যাইব মোল্লাবাড়িতে আজ,মেনাজদ্দীন, কলিমদ্দীন, আয় তোরা করি সাজ।চালের বাতায় গোঁজা ছিল সেই পুরাতন...
22/05/2019

#তারাবি
তারাবি নামাজ পড়িতে যাইব মোল্লাবাড়িতে আজ,
মেনাজদ্দীন, কলিমদ্দীন, আয় তোরা করি সাজ।
চালের বাতায় গোঁজা ছিল সেই পুরাতন জুতা জোড়া,
ধুলাবালু আর রোদ লেগে তাহা হইয়াছে পাঁচ মোড়া।
তাহারি মধ্যে অবাধ্য এই চরণ দুখানি ঠেলে,
চল দেখি ভাই খলিলদ্দীন, লুন্ঠন-বাতি জ্বেলে।
ঢৈলারে ডাক, লস্কর কোথা, কিনুরে খবর দাও।
মোল্লাবাড়িতে একত্র হব মিলি আজ সারা গাঁও।

গইজদ্দীন গরু ছেড়ে দিয়ে খাওয়ায়েছে মোর ধান,
ইচ্ছা করিছে থাপপড় মারি, ধরি তার দুটো কান।
তবু তার পাশে বসিয়া নামাজ পড়িতে আজিকে হবে,
আল্লার ঘরে ছোটোখাটো কথা কেবা মনে রাখে কবে!
মৈজদ্দীন মামলায় মোরে করিয়াছে ছারেখার,
টুটি টিপে তারে মারিতাম পেলে পথে কভু দেখা তার।
আজকে জামাতে নির্ভয়ে সে যে বসিবে আমার পাশে,
তাহারো ভালর তরে মোনাজাত করিব যে উচ্ছাসে।
মাহে রমজান আসিয়াছে বাঁকা রোজার চাঁদের ন্যায়,
কাইজা ফেসাদ সব ভুলে যাব আজি তার মহিমায়।
ভুমুরদি কোথা, কাছা ছাল্লাম আম্বিয়া পুঁথি খুলে,
মোর রসুলের কাহিনী তাহার কন্ঠে উঠুক দুলে।
মেরহাজে সেই চলেছেন নবী, জুমজুমে করি স্নান,
অঙ্গে পরেছে জোছনা নিছনি আদমের পিরহান।
নুহু আলায়হুছালামের টুপী পরেছেন নবী শিরে,
ইবরাহিমের জরির পাগরী রহিয়াছে তাহা ঘিরে।
হাতে বাঁধা তার কোরান-তাবিজ জৈতুন হার গলে,
শত রবিশশী একত্র হয়ে উঠিয়াছে যেন জ্বলে।
বুরহাকে চড়ে চলেছেন নবী কন্ঠে কলেমা পড়ি,
দুগ্ধধবল দূর আকাশের ছায়াপথ রেখা ধরি।
আদম ছুরাত বামধারে ফেলি চলে নবী দূরপানে,
গ্রহ-তারকার লেখারেখাহীন ছায়া মায়া আসমানে।

তারপর সেই চৌঠা আকাশ, সেইখানে খাড়া হয়ে,
মোনাজাত করে আখেরী নবীজী দুহাত উর্ধ্বে লয়ে।
এই যে কাহিনী শুনিতে শুনিতে মোল্লা বাড়ির ঘরে,
মহিমায় ঘেরা অতীত দিনেরে টানিয়া আনিব ধরে।

বচন মোল্লা কোথায় আজিকে সরু সুরে পুঁথি পড়ি,
মোর রসুলের ওফাত কাহিনী দিক সে বয়ান করি।
বিমারের ঘোরে অস্থির নবী, তাঁহার বুকের পরে,
আজরাল এসে আসন লভিল জান কবজের তরে।
আধ অচেতন হজরত কহে, এসেছ দোস্ত মোর,
বুঝিলাম আজ মোর জীবনের নিশি হয়ে গেছে ভোর
একটুখানিক তবুও বিমল করিবারে হবে ভাই!
এ জীবনে কোন ঋণ যদি থাকে শোধ করে তাহা যাই।
***
***
মাটির ধরায় লুটায় নবীজী, ঘিরিয়া তাহার লাশ,
মদিনার লোক থাপড়িয়া বুক করে সবে হাহুতাশ।
আব্বাগো বলি, কাঁদে মা ফাতিমা লুটায়ে মাটির পরে,
আকাশ ধরনী গলাগলি তার সঙ্গে রোদন করে।
এক ক্রন্দন দেখেছি আমরা বেহেস্ত হতে হায়,
হাওয়া ও আদম নির্বাসিত যে হয়েছিল ধরাছায়;
যিশু-জননীর কাঁদন দেখেছি ভেসে-র পায়া ধরে,
ক্রুশ বিদ্ধ সে ক্ষতবিক্ষত বেটার বেদন স্মরে।
আরেক কাঁদন দেখেছি আমরা নির্বাসী হাজেরার,
জমিনের পরে শেওলা জমেছে অশ্রু ধারায় তার;
সবার কাঁদন একত্রে কেউ পারে যদি মিশাবার,
ফাতিমা মায়ের কাঁদনের সাথে তুলনা মেলে না তার।

আসমান যেন ভাঙ্গিয়া পড়িল তাহার মাথায় হায়,
আব্বা বলিতে আদরিয়া কেবা ডাকিয়া লইবে তায়।
গলেতে সোনার হারটি দেখিয়া কে বলিবে ডেকে আর,
নবীর কনের কন্ঠে মাতাগো এটি নহে শোভাদার।
সেই বাপজান জনমের মত গিয়াছে তাহার ছাড়ি।
কোন সে সুদূর গহন আঁধার মরণ নদীর পাড়ি।
জজিরাতুল সে আরবের রাজা, কিসের অভাব তার,
তবু ভুখা আছে চার পাঁচদিন, মুছাফির এলো দ্বার।
কি তাহারে দিবে খাইবারে নবী, ফাতেমার দ্বারে এসে;
চারিটি খোরমা ধার দিবে মাগো কহে এসে দীন বেশে।
সে মাহভিখারী জনমের মত ছাড়িয়া গিয়াছে তায়,
আব্বাগো বলি এত ডাক ডাকে উত্তর নাহি হায়।
এলাইয়া বেশ লুটাইয়া কেশ মরুর ধূলোর পরে,
কাঁদে মা ফাতেমা, কাঁদনে তাহার খোদার আরশ নড়ে।
কাঁদনে তাহার ছদন সেখের বয়ান ভিজিয়া যায়,
গৈজদ্দীন পিতৃ-বিয়োগ পুন যেন উথলায়!
খৈমুদ্দীন মামলায় যারে করে ছিল ছারেখার,
সে কাঁদিছে আজ ফাতিমার শোকে গলাটি ধরিয়া তার।
মোল্লাবাড়ির দলিজায় আজি সুরা ইয়াসিন পড়ি,
কোন দরবেশ সুদূর আরবে এনেছে হেথায় ধরি।
হনু তনু ছমু কমুরে আজিকে লাগিছে নূতন হেন,
আবুবক্কর ওমর তারেখ ওরাই এসেছে যেন।
সকলে আসিয়া জামাতে দাঁড়াল, কন্ঠে কালাম পড়ি,
হয়ত নবীজী দাঁড়াল পিছনে ওদেরি কাতার ধরি।
ওদের মাথার শত তালী দেওয়া ময়লা টুপীর পরে,
দাঁড়াইল খোদা আরশ কুরছি ক্ষনেক ত্যাজ্য করে।

***

মোল্লাবাড়িতে তারাবি নামাজ হয় না এখন আর,
বুড়ো মোল্লাজি কবে মারা গেছে, সকলই অন্ধকার।
ছেলেরা তাহার সুদূর শহরে বড় বড় কাজ করে,
বড় বড় কাজে বড় বড় নাম খেতাবে পকেট ভরে।
সুদূর গাঁয়ের কি বা ধারে ধার, তারাবি জামাতে হায়,
মোমের বাতিটি জ্বলিত, তাহা যে নিবেছে অবহেলায়।
বচন মোল্লা যক্ষ্মা রোগেতে যুঝিয়া বছর চার,
বিনা ঔষধে চিকিৎসাহীন নিবেছে জীবন তার।
গভীর রাত্রে ঝাউবনে নাকি কন্ঠে রাখিয়া হায়,
হোসেন শহিদ পুঁথিখানি সে যে সুর করে গেয়ে যায়।
ভুমুরদি সেই অনাহারে থেকে লভিল শূলের ব্যথা,
চীৎকার করি আছাড়ি পিছাড়ি ঘুরিতে যে যথা তথা।
তারপর সেই অসহ্য জ্বালা সহিতে না পেরে হায়,
গলে দড়ি দিয়ে পেয়েছে শানি- আম্রগাছের ছায়।
কাছা ছাল্লাম পুঁথিখানি আজো রয়েছে রেহেল পরে,
ইদুরে তাহার পাতাগুলি হায় কেটেছে আধেক করে।
লঙ্কর আজ বৃদ্ধ হয়েছে, চলে লাঠিভর দিয়ে,
হনু তনু তারা ঘুমায়েছে গায়ে গোরের কাফন নিয়ে।

সারা গ্রামখানি থম থম করে স্তব্ধ নিরালা রাতে;
বনের পাখিরা আছাড়িয়া কাঁদে উতলা বায়ুর সাথে।
কিসে কি হইল, কি পাইয়া হায় কি আমরা হারালাম,
তারি আফসোস শিহরি শিহরি কাঁপিতেছে সারা গ্রাম।
ঝিঁঝিরা ডাকিছে সহস্র সুরে, এ মূক মাটির ব্যথা,
জোনাকী আলোয় ছড়ায়ে চলিছে বন-পথে যথা তথা।

 #মোবাইল  #ব্যাংকিংয়ে  #লেনদেন  #সীমা  #বাড়ল:মোবাইলে ব্যাংকিং বা আর্থিক সেবার (এমএফএস) লেনদেন সীমা আবার বাড়ানো হয়েছে। এখ...
19/05/2019

#মোবাইল #ব্যাংকিংয়ে #লেনদেন #সীমা #বাড়ল:
মোবাইলে ব্যাংকিং বা আর্থিক সেবার (এমএফএস) লেনদেন সীমা আবার বাড়ানো হয়েছে। এখন আগের চেয়ে দ্বিগুণ টাকা জমা বা ক্যাশ ইন করা যাবে। আর উত্তোলন করা যাবে আগের চেয়ে আড়াই গুন। একইভাবে এক হিসাব থেকে অন্য হিসাবে অর্থ স্থানান্তর সুবিধাও আড়াই গুন বাড়ানো হয়েছে।

আজ রোববার বাংলাদেশ ব্যাংক এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে লেনদেনের এ নতুন সীমা নির্ধারণ করে দিয়েছে। মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবহার করে ডিজিটাল হুন্ডি বিতরণের প্রমাণ পাওয়ায় ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে লেনদেন সীমা কমিয়ে দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংক। প্রায় দেড় বছর পর আবার সীমা বাড়ানো হলো।

এখন একজন গ্রাহক তার অ্যাকাউন্টে দিনে পাঁচ বারে ৩০ হাজার টাকা ক্যাশ ইন বা জমা করতে পারবেন। আর মাসে ২৫ বারে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা ক্যাশ ইন করা যাবে। এত দিন দিনে দুই বারে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার টাকা জমা করতে পারতেন একজন গ্রাহক।

একই সঙ্গে দিনে সর্বোচ্চ পাঁচ বারে ২৫ হাজার টাকা তোলা বা ক্যাশ আউট করা যাবে। মাসে ২০ বারে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন করা যাবে। এত দিন দিনে দুই বারে সর্বোচ্চ ১০ হাজার টাকা তোলা বা ক্যাশ আউট করা যেত। মাসে ১০ বারে ৫০ হাজার টাকা উত্তোলন সুবিধা ছিল।

সূত্র জানায়, ডাক বিভাগের ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস 'নগদ'-এর মাধ্যমে দৈনিক ৫০ হাজার টাকা লেনদেন করা যায়। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ৫ লাখ টাকা লেনদেন সুযোগ রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক এ নিয়ে বারবার আপত্তি জানালেও সরকার তাতে সায় দেয়নি। এর প্রেক্ষিতেই এমএফএসের লেনদেন সীমা বাড়িয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, বাজারে সমতা আনতে এ উদ্যোগ। আর এখন মোবাইল ব্যাংকিংয়ের লেনদেন অনেক বেড়েছে।

এ বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা ও সর্বনিম্ন ৭০ টাকা
16/05/2019

এ বছরের ফিতরা জনপ্রতি সর্বোচ্চ ১৯৮০ টাকা ও সর্বনিম্ন ৭০ টাকা

২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি.. #ভর্তি প্রক্রিয়াঃ অনলাইন ও এসএমএস এ আবেদন করা যাবে। #ভর্তির শেষ ...
09/05/2019

২০১৯-২০ শিক্ষা বর্ষে একাদশ শ্রেনীতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি..

#ভর্তি প্রক্রিয়াঃ অনলাইন ও এসএমএস এ আবেদন করা যাবে।

#ভর্তির শেষ তারিখঃ আবেদন প্রক্রিয়া ১৩ মে থেকে শুরু হয়ে ২৪ মে (যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে তাদের ও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে) পর্যন্ত।

SUABIL HIGH SCHOOL  RESUL 2019
06/05/2019

SUABIL HIGH SCHOOL RESUL 2019

Address

Fatickcheri
4353

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বিছমিল্লাহ কম্পিউটার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বিছমিল্লাহ কম্পিউটার:

Share