Freelancer Solution Consult

Freelancer Solution Consult Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Freelancer Solution Consult, Internet cafe, Dinajpur.

শুভ নববর্ষ ১৪২৩নিশি অবসান প্রায় ঐ পুরাতন বর্ষ হয় গত,আমি আজি ধূলিতলে জীর্ণ জীবন করিলাম নত।বন্ধু হও শত্রু হও যেখানে যে রও,...
13/04/2016

শুভ নববর্ষ ১৪২৩
নিশি অবসান প্রায় ঐ পুরাতন বর্ষ হয় গত,
আমি আজি ধূলিতলে জীর্ণ জীবন করিলাম নত।
বন্ধু হও শত্রু হও যেখানে যে রও, ক্ষমা কর আজিকার মত,
পুরাতন বরষের সাথে পুরাতা অপরাধ যত।
♪ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর।।

যেভাবে বুঝবেন আপনি কি ফ্রিলেন্সিং কাজ করার জন্য যোগ্য কিনা?অনেকেই আছেন যারা ফ্রিলেন্সিং কাজে  অন্যদের থেকে অনেক বেশী পার...
08/04/2016

যেভাবে বুঝবেন আপনি কি ফ্রিলেন্সিং কাজ করার জন্য যোগ্য কিনা?
অনেকেই আছেন যারা ফ্রিলেন্সিং কাজে অন্যদের থেকে অনেক বেশী পারদর্শী। আপনাকে আগে জানতে হবে আপনি কি ফ্রিলেন্সিং কাজ করতে প্রস্তুত কিনা অথবা ফ্রিলেন্সিং পেশায় সংযুক্ত হতে যা যা লাগবে আপনার সেসব যোগ্যতা আছে কিনা। আপনি ফ্রিলেন্সিং কাজ করতে পারবেন কিনা তা জানতে আপনি নিজেকে কিছু প্রশ্ন করুন এবং আপনার ভেতর থেকে সেসবের যে উত্তর আসবে তাতেই আপনি বুঝবেন আসলে আপনার জন্য ফ্রিলেন্সিং পেশা কতটা যুক্তিযুক্ত।
১। আপনি অনিশ্চয়তা সঙ্গে থাকতে পারবেন?
একজন ফ্রিলেন্সারের পেশা হচ্ছে অনিশ্চয়তায় ভরা। এখানে কোন দীর্ঘমেয়াদী চুক্তি থাকেনা কাজ আসবে কাজ করবেন পেমেন্ট পাবেন। একজন ক্লায়েন্ট আপনার টাকা না দিয়ে কাজ ফিরিয়ে নিতে পারে হটাৎ করেই। আপনি এখানে দিনের পর দিন কাজ করে যাবেন ঠিক সময় টাকা পাবেন কি পাবেন না এমন অনিশ্চয়তার মাঝে। তারপরও আপনাকে নিজের সাথে নিজেকে ওয়াদা করতে হবে আপনি কাজ ছেড়ে যাবেন না। সব পেশায় লেগে থাকাটা একটা বড় গুন। ফ্রিলেন্সিং পেশায় আপনাকে অনিশ্চয়তার মাঝে লেগে থাকতে হবে। আপনাকে তাই করতে হবে যা আপনার ক্লায়েন্ট চায়, এর সামান্য তম এদিক সেদিক হলে আপনি টাকা পাবেন কিনা সে বিষয়ে কোন নিশ্চয়তা নেই। অতএব আপনি ঠিক করুন আপনি কি ফ্রিলেন্সিং পেশায় আসতে প্রস্তুত?
২। আপনি কি স্ব-নিয়ন্ত্রক?
ফ্রিলেন্সিং পেশায় আপনাকে কেউ তাগাদা দিবেনা যেভাবে অন্য সব পেশায় আপনাকে টাইম টু টাইম কাজের তাগাদা দেয়া হবে। ফ্রিলেন্সিং এ আপনি যখন একটি কাজের দায়িত্ব নিবেন সে কাজ নির্দিষ্ট সময়ে ক্লায়েন্টকে বুঝিয়ে দিতে হবে আপনাকেই। সময়ের এদিক সেদিক হেরফের আপনার নির্দিষ্ট পেমেন্ট পাওয়াতে অনিশ্চয়তা অথবা ভাল ফিডব্যাক পেতে সমস্যা করতে পারে।
৩। আপনি কি গোছানো? ফ্রিলেন্সিং পেশা এমন একটি পেশা এখানে অগোছালো ভাবে কোন কাজ করা যায়না। একজন ভাল ফ্রিলেন্সার হতে হলে আপনাকে অবশ্যই জানতে হলে কখন কি প্রয়োজন এবং ঠিক সময়ে ঠিক কাজটি করার মানসিকতা।
৪। আপনাকে প্রতিনিয়ত পড়ালিখার মাঝে থাকতে হবে।
আপনি কি সব সময় জানার মাঝে নিজেকে নতুন নতুন বিষয়ের সাথে পরিচিত করিয়ে নতুন নতুন বিষয়ে জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে আপ-টু-ডেট রাখতে পারবেন? প্রকৃতিগত ভাবেই ফ্রিলেন্সিং পেশাটি একটি ডায়নামিক পেশা। ফ্রিলেন্সিং পেশায় আপনাকে সব সময় নতুন নতুন বিষয়ে জ্ঞান ও ধারণা রাখতে হবে তা না হলে আপনি পিছিয়ে পড়বেন।
৫। আপনি কি প্রেক্ষাপট পরিবর্তনে অভস্থ হতে পারবেন?
ফ্রিলেন্সিং পেশা এমন একটি পেশা এখানে সব সময় ট্রেন্ড পরিবর্তিত হচ্ছে। আপনি যদি পরিবর্তনের সাথে তাল মিলাতে না পারেন তবে ফ্রিলেন্সিং পেশায় এসে আপনাকে নতুন চেলেঞ্জের সম্মুখীন হতে হবে।
৬। আপনি কি সবার সাথে ভালো যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন?
কাজ পেতে হলে এবং ক্লায়েন্টের সাথে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখতে হলে আপনাকে অবশ্যই একজন ভালো যোগাযোগ রক্ষাকারী হিসেবে কাজ করতে হবে, তা যদি না পারেন তবে আপনি সমস্যায় পড়বেন।
৭। আপনি কি অপ্রীতিকর মানুষের সঙ্গে আপ করতে পারেন?
ফ্রিলেন্সিং এমন একটি পেশা এখানে সম্পূর্ণ পরিচিত মানুষের সাথে আপনার কাজ করতে হবে কে কেমন কার মানসিকতা কেমন তা কিছুই বুঝা যায়না। অনেকেই হয়ত আপনার সাথে খুবি খারাপ ধরণের ব্যবহার করতে পারেন। আবার অনেকে আপনার সাথে সোজা সাপ্টা ব্যাবহার করবে। ফ্রিলেন্সিং করতে হলে এখানে সব ধরণের ব্যাবহারের সাথে অভস্থ হয়ে কাজ করে জাতে হবে।
এবার আপনি সিদ্ধান্ত নিন আপনাকে দিয়ে কি ফ্রিলেন্সিং পেশায় ভালো কিছু করা সম্ভব?

08/04/2016

ফ্রীল্যান্সিং এ কাজ পাবার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার হচ্ছে প্রোফাইল। যদি প্রোফাইল আপডেটেড এবং সম্পূর্ণ না হয় তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। বলা যায় সম্ভাবনা থাকেই না। আবার আকর্ষণীয় প্রোফাইল এর ক্ষেত্রে কাজ পাবার সম্ভাবনা ৭০% বেড়ে যায়। তাই মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ পেতে সবার আগে প্রোফাইল সম্পূর্ণ করুন এবং তা নিয়মিত আপডেট করুন। দেখবেন আপনার সফলতার হার অনেক বেড়ে গিয়েছে। আর প্রোফাইল সম্পূর্ণ করার সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন নিচের ভুলগুলো যেন না হয়। যদিও এগুলোই সবচেয়ে কমন ভুল।

প্রোফাইল সম্পূর্ণ করার সময় সঠিক স্কিল, প্রোফাইল ছবি এবং ডেসক্রিপশন দিন। এক্ষেত্রে আপনার যেসকল স্কিল এর উপর ভালো দক্ষতা আছে শুধু সেগুলোই যুক্ত করুন। প্রয়োজনের বেশী স্কিল যুক্ত করবেন না। আবার অনেকেই মনে করেন যতো বেশী স্কিল যুক্ত করা যায় ততোই নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে দেখানো যায়। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আপনি এতোগুলো স্কিল একসাথে পারবেন এটা ক্লাইন্ট কখনোই বিশ্বাস করবে না। রিলেটেড কিছু স্কিল থাকতে পারে কিন্তু অতিরিক্ত নয়। আর প্রোফাইল ছবি হিসেবে আপনার নিজের ছবি দিতে চেষ্টা করুন। লোগো দেয়া যেতে পারে কিন্তু নিজের ছবি দেয়া সবচেয়ে ভালো। আর ডেসক্রিপশনে আপনার সম্পর্কে কিছু লিখুন। সেই সাথে আপনি কি করতে পছন্দ করেন, কিভাবে কাজ শিখছেন, কেন এই কাজ শিখছেন ইত্যাদি সংক্ষেপে লিখতে পারেন। তবে অবশ্যই একটু গুছিয়ে লিখবেন। বেশীরভাগ ক্লাইন্ট কিন্তু এই লিখা পড়েই কাজের জন্য ফ্রীল্যান্সার হায়ার করে।


দীর্ঘদিন আগের লিখা বা প্রস্তুত করা প্রোফাইল দিয়েই এখনো কাজ নেয়ার চেষ্টা করছেন? সময়ের সাথে সাথেতো মানুষের পরিবর্তন হয়। প্রোফাইল এর পরিবর্তন কেন হবে না? নিয়মিত প্রোফাইল আপডেট করুন। নতুন শিখে নেয়া স্কিল যুক্ত করুন। সর্বশেষ করা কাজগুলোর বর্ণনা যুক্ত করুন। প্রোফাইল এর ছবি পরিবর্তন করুন। এতে নতুন ক্লাইন্ট আপনার সম্পর্কে আরো জানতে পারবে এবং সহজেই হায়ার করতে পারবে।


আপনি যা পারেন না বা যে বিষয়ে আপনার দক্ষতা কম কিন্তু আপনার প্রধান স্কিল এর সাথেই রিলেটেড, তা অবশ্যই প্রোফাইল এ উল্লেখ করবেন। কেনোনা অনেকসময় অনেক কাজে যে বিষয়ের কাজ নিয়ে কথা হয় তার বাইরেও কিছু কাজ থাকতে পারে যা জানা না থাকলে আপনার ক্ষতি হয়ে আসতে পারে। যেমন ধরুন আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ করেন। এখন আপনার অবশ্যই সবধরনের হোস্টিং সম্পর্কে আইডিয়া থাকতে হবে। এখন আপনি যদি উইন্ডোজ সার্ভার এর কাজ না জানেন এবং ক্লাইন্টের সার্ভার যদি হয় উইন্ডোজ, তাহলে আপনি সম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করেও এই শেষ পর্যায়ে এসে ওয়েবসাইট হোস্ট করতে গিয়ে আটকে যাবেন।


পোর্টফলিও কখনোই খালি রাখবেন না। যদি পোর্টফলিও হিসেবে দেখানোর মতো কোন কাজ আপনি করে না থাকেন তবে স্যাম্পল হিসেবে কিছু কাজ সম্পূর্ণ করুন এবং সেগুলোই পোর্টফলিও হিসেবে যুক্ত করুন। কারণ অনেক ক্লাইন্ট কাজ দেয়ার আগে আপনার পোর্টফলিও দেখতে চাইবে। আর বেশীরভাগ ক্লাইন্ট একদম নতুন কাউকে কাজ দিতে আগ্রহ বোধ করে না। কিছু স্যাম্পল পোর্টফলিও হলেও এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে। আর সবসময় পোর্টফলিও যুক্ত করার সময় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করুন। এলোমেলো ভাবে সাজানো পোর্টফলিও দেখতে যেমন খারাপ লাগে, কাজ পাবার ক্ষেত্রেও তেমন ব্যাঘাত ঘটায়।


প্রোফাইল এ যতো তথ্য লিখবেন, সংরক্ষণ করার আগে তা আরেকবার চেক করে দেখবেন যে কোন গ্রামার ভুল আছে কিনা। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেশীরভাগ ক্লাইন্ট দুর্বল গ্রামার হলে হায়ার করতে দ্বিধাবোধ করে। কেনোনা তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ এবং কাজের ক্ষেত্রে দুর্বল গ্রামার অনেক সময় কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই ক্লাইন্ট সাধারণত তা চায় না। তাই লিখা শেষ হতেই কয়েকবার প্রুফ রিডিং করে নিন। ভুল থাকলে সংশোধন করে নিন। এরপর সংরক্ষণ করুন।


ক্লাইন্ট কে কখনোই বলবেন না যে আমি চেষ্টা করে দেখব বা হয়তো পারবো। বরং তাকে সাহস দিন যে তার কাজ আপনি সম্পূর্ণ করে দিবেন। এতেই ক্লাইন্ট ভরসা পাবে এবং হায়ার করতে আগ্রহী হবে। নয়তো সে অবশ্যই দুর্বল কাউকে হায়ার করে তার সময় নষ্ট করতে চাইবে না। তাই সবসময় নিজের উপর ভরসা রাখুন। কাজ শেষ করার সর্বাত্মক চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে অন্য কারো সহায়তা নিতে পারেন। তবে কাজটি যদি আপনার স্কিল এর হয়ে থাকে তবে অবশ্যই আপনি নিজেই পারবেন।


নতুন কাজ নিচ্ছেন? তাই অল্প চার্জ করতে চাচ্ছেন যাতে ক্লাইন্ট অর্থ বাঁচাতে আপনাকে হায়ার করে? এমন ভুল কখনোই করবেন না। কেনোনা বেশীরভাগ ক্লাইন্ট মনে করে এক্সপার্টরা সবসময় তাদের সঠিক মূল্য অনুসারেই চার্জ করবে। সেই সাথে তারা তাদের কাজের জন্য সঠিক লোক সঠিক অর্থের বিনিময়েই হায়ার করবে। অল্প পরিমানের পেমেন্ট সেখানে একটি বড় ভুল। কাজ এর জন্য সঠিক পরিমাণ চার্জ করুন। হায়ার হবেন।


আমি নাকি আমরা? যদি আপনি একাই কাজ করেন তবে আপনি কেন “আমরা” ব্যবহার করবেন? আবার কোম্পানি বা টিম হলেও ক্লাইন্টের সাথে আপনি কথা বলছেন। আপনি কেন “আমরা” ব্যবহার করবেন? ক্লাইন্ট আপনার কথা শুনতে চায়। আপনাদের না। তাই সবসময় লক্ষ্য করুন কভার লেটার বা চ্যাট এ আপনি কি লিখছেন বা বলছেন।

26/03/2016

আজ ভুলে যাই এই প্রথা - সম্পর্ক হয় রক্তের
গড়ে তুলি এই প্রথা - সম্পর্ক হয় জাতির
করে তুলি এই গাঢ় সবুজ এবং রক্তিম লালকে আরও দৃঢ়
গড়ে তুলি নতুন করে এই স্বাধীন বাংলাদেশ.

23/03/2016

তনু হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ
কাদির কল্লোল
বিবিসি বাংলা, ঢাকা
8 ঘণ্টা আগে
শেয়ার করুন
Image copyrightFacebook
Image caption
তনু হত্যার প্রতিবাদে ঢাকায় বিক্ষোভ করে বেশ কয়েকটি সংগঠন
বাংলাদেশে কুমিল্লা সেনানিবাস এলাকায় একজন শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ তুলে কুমিল্লা এবং রাজধানী ঢাকায় আজ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে। তাঁর পরিবারও ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং বিচার দাবি করেছে।
গত রোববার কুমিল্লা সেনানিবাসেরই বাসিন্দা সোহাগী জাহান তনু নামের ঐ শিক্ষার্থীর মৃতদেহ পাওয়া যায় ।
নারী অধিকার আন্দোলনকারীরা বলেছেন, আগে ধর্ষণের জন্য নারীদের পোশাক-আশাককে দায়ী করা হতো। এখন এই ঘটনার পর পোশাকের শালীনতার সঙ্গে ধর্ষণের যোগাযোগ কতটা সম্পর্কিত তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
সোহাগী জাহান তনুর বাবা কুমিল্লা সেনানিবাসে বোর্ডে একজন বেসামরিক কর্মচারী।সেই সুবাদে সেনানিবাসে কোয়াটারে তাদের বসবাস ।তিন ভাইবোনের মধ্যে সবার ছোট সোহাগী জাহান তনু কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া কলেজে ইতিহাস বিভাগে দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী ছিলেন।তাঁকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ তুলে তাঁর কলেজসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বুধবার কুমিল্লায় বিক্ষোভ করেছে।ঢাকাতেও শাহবাগ এলাকায় গণজাগরণ মঞ্চ এবং ছাত্র ইউনিয়নসহ বিভিন্ন সংগঠন বিক্ষোভ করেছে।
সোহাগী জাহান তনু লেখাপড়ার পাশাপাশি তাঁর কলেজে নাটকসহ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত ছিলেন।
টানাটানির সংসারে তিনি কুমিল্লা সেনানিবাসের ভিতরেই টিউশনি করে নিজের খরচের কিছুটা যোগাতেন। তাঁর বড় ভাই নাজমুল হোসেন বলেছেন, গত রোববার ২০শে মার্চ বিকেলে তাঁর বোন টিউশনি করতে গিয়েছিল। কিন্তু রাত আটটাতেও না ফিরলে তাদের মা খুঁজতে রাস্তায় খুঁজতে যান।
Image copyrightFacebook
Image caption
হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার অভিযোগ করেন বিক্ষোভকারীরা
মি: হোসেন আরও জানিয়েছেন, তাঁর বোন যে বাসায় পড়াতে যেতেন, সেই বাসায় খোঁজ নিয়ে জানা যায়, সন্ধ্যা সাতটাতেই তনু চলে গেছে। রাত দশটার দিকে তাদের বাবা বাসায় ফিরলে তখন আবার তারা খুঁজতে বের হন। যে পথ দিয়ে টিউশনির বাসায় যেতেন, সেই পথেই সেনানিবাসের ভিতরে একটি কালভার্টের নীচে মৃতদেহ পাওয়া যায়।
ঢাকায় বিক্ষোভ থেকে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টার অভিযোগ তোলা হয়েছে। বিক্ষোভে অংশ নেয়া কয়েকজন বলছিলেন, ঘটনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ পরিষ্কার করে কিছু বলছে না, সেজন্য তাদের সন্দেহ হচ্ছে।
কুমিল্লা জেলার পুলিশ সুপার শাহ আবিদ হোসেন বলেছেন,ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে হত্যা করা হতে পারে ,পুলিশ প্রাথমিকভাবে এমন ধারণা করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই তিনি বিস্তারিত বলতে রাজি নন।
সোহাগী জাহান তনু হিজাব পড়তেন। এ ধরণের ছবি সামাজিক নেটওয়ার্কে প্রকাশ হয়েছে।
নারী অধিকার নিয়ে আন্দোলনকারী সংগঠনগুলো বলছে, এর আগে কোনো নারী ধর্ষণের শিকার হলে তার পোশাক নিয়ে অনেকে প্রশ্ন তুলতেন।এখন সেই প্রশ্ন অবান্তর বলে মনে করেন নারী আন্দোলনের অন্যতম একজন নেত্রী ফরিদা আকতার। তিনি বলেছেন, “যারা নারীদের ওপর শারীরিকভাবে আক্রমণ করে, পোশাক বা বয়স কোন কিছুই তাদের কাছে বিষয় নয়। এটা বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিকভাবে প্রমাণিত হয়েছে”।
ফরিদা আকতার আরও বলেছেন, “ধর্ষণের শিকার নারীর পোশাককে যারা দায়ী করতে চায়, তারা আসলে ক্ষতিগ্রস্ত নারীকে দোষী বানাতে চায়।তারা নারীর বিরুদ্ধেই কথা বলে”।
ঘটনাটিকে ঘিরে সামাজিক নেটওয়ার্ক ফেসবুকে কিছু তৎপরতা দেখা যায়। মুল ধারার সংবাদমাধ্যমে এই ঘটনা নিয়ে সেভাবে খবর চোখে পড়েনি।

ফ্রীল্যান্সিং এ কাজ পাবার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার হচ্ছে প্রোফাইল। যদি প্রোফাইল আপডেটেড এবং সম্পূর্ণ না হয় ...
21/03/2016

ফ্রীল্যান্সিং এ কাজ পাবার জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার হচ্ছে প্রোফাইল। যদি প্রোফাইল আপডেটেড এবং সম্পূর্ণ না হয় তবে কাজ পাওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যায়। বলা যায় সম্ভাবনা থাকেই না। আবার আকর্ষণীয় প্রোফাইল এর ক্ষেত্রে কাজ পাবার সম্ভাবনা ৭০% বেড়ে যায়। তাই মার্কেটপ্লেসগুলোতে কাজ পেতে সবার আগে প্রোফাইল সম্পূর্ণ করুন এবং তা নিয়মিত আপডেট করুন। দেখবেন আপনার সফলতার হার অনেক বেড়ে গিয়েছে। আর প্রোফাইল সম্পূর্ণ করার সময় অবশ্যই লক্ষ্য রাখবেন নিচের ভুলগুলো যেন না হয়। যদিও এগুলোই সবচেয়ে কমন ভুল।

প্রোফাইল সম্পূর্ণ করার সময় সঠিক স্কিল, প্রোফাইল ছবি এবং ডেসক্রিপশন দিন। এক্ষেত্রে আপনার যেসকল স্কিল এর উপর ভালো দক্ষতা আছে শুধু সেগুলোই যুক্ত করুন। প্রয়োজনের বেশী স্কিল যুক্ত করবেন না। আবার অনেকেই মনে করেন যতো বেশী স্কিল যুক্ত করা যায় ততোই নিজেকে প্রফেশনাল হিসেবে দেখানো যায়। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। আপনি এতোগুলো স্কিল একসাথে পারবেন এটা ক্লাইন্ট কখনোই বিশ্বাস করবে না। রিলেটেড কিছু স্কিল থাকতে পারে কিন্তু অতিরিক্ত নয়। আর প্রোফাইল ছবি হিসেবে আপনার নিজের ছবি দিতে চেষ্টা করুন। লোগো দেয়া যেতে পারে কিন্তু নিজের ছবি দেয়া সবচেয়ে ভালো। আর ডেসক্রিপশনে আপনার সম্পর্কে কিছু লিখুন। সেই সাথে আপনি কি করতে পছন্দ করেন, কিভাবে কাজ শিখছেন, কেন এই কাজ শিখছেন ইত্যাদি সংক্ষেপে লিখতে পারেন। তবে অবশ্যই একটু গুছিয়ে লিখবেন। বেশীরভাগ ক্লাইন্ট কিন্তু এই লিখা পড়েই কাজের জন্য ফ্রীল্যান্সার হায়ার করে।



দীর্ঘদিন আগের লিখা বা প্রস্তুত করা প্রোফাইল দিয়েই এখনো কাজ নেয়ার চেষ্টা করছেন? সময়ের সাথে সাথেতো মানুষের পরিবর্তন হয়। প্রোফাইল এর পরিবর্তন কেন হবে না? নিয়মিত প্রোফাইল আপডেট করুন। নতুন শিখে নেয়া স্কিল যুক্ত করুন। সর্বশেষ করা কাজগুলোর বর্ণনা যুক্ত করুন। প্রোফাইল এর ছবি পরিবর্তন করুন। এতে নতুন ক্লাইন্ট আপনার সম্পর্কে আরো জানতে পারবে এবং সহজেই হায়ার করতে পারবে।



আপনি যা পারেন না বা যে বিষয়ে আপনার দক্ষতা কম কিন্তু আপনার প্রধান স্কিল এর সাথেই রিলেটেড, তা অবশ্যই প্রোফাইল এ উল্লেখ করবেন। কেনোনা অনেকসময় অনেক কাজে যে বিষয়ের কাজ নিয়ে কথা হয় তার বাইরেও কিছু কাজ থাকতে পারে যা জানা না থাকলে আপনার ক্ষতি হয়ে আসতে পারে। যেমন ধরুন আপনি ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ করেন। এখন আপনার অবশ্যই সবধরনের হোস্টিং সম্পর্কে আইডিয়া থাকতে হবে। এখন আপনি যদি উইন্ডোজ সার্ভার এর কাজ না জানেন এবং ক্লাইন্টের সার্ভার যদি হয় উইন্ডোজ, তাহলে আপনি সম্পূর্ণ কাজ সম্পূর্ণ করেও এই শেষ পর্যায়ে এসে ওয়েবসাইট হোস্ট করতে গিয়ে আটকে যাবেন।



পোর্টফলিও কখনোই খালি রাখবেন না। যদি পোর্টফলিও হিসেবে দেখানোর মতো কোন কাজ আপনি করে না থাকেন তবে স্যাম্পল হিসেবে কিছু কাজ সম্পূর্ণ করুন এবং সেগুলোই পোর্টফলিও হিসেবে যুক্ত করুন। কারণ অনেক ক্লাইন্ট কাজ দেয়ার আগে আপনার পোর্টফলিও দেখতে চাইবে। আর বেশীরভাগ ক্লাইন্ট একদম নতুন কাউকে কাজ দিতে আগ্রহ বোধ করে না। কিছু স্যাম্পল পোর্টফলিও হলেও এক্ষেত্রে আপনাকে সহায়তা করবে। আর সবসময় পোর্টফলিও যুক্ত করার সময় সুন্দরভাবে উপস্থাপন করুন। এলোমেলো ভাবে সাজানো পোর্টফলিও দেখতে যেমন খারাপ লাগে, কাজ পাবার ক্ষেত্রেও তেমন ব্যাঘাত ঘটায়।



প্রোফাইল এ যতো তথ্য লিখবেন, সংরক্ষণ করার আগে তা আরেকবার চেক করে দেখবেন যে কোন গ্রামার ভুল আছে কিনা। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বেশীরভাগ ক্লাইন্ট দুর্বল গ্রামার হলে হায়ার করতে দ্বিধাবোধ করে। কেনোনা তাদের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ এবং কাজের ক্ষেত্রে দুর্বল গ্রামার অনেক সময় কাজে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে। তাই ক্লাইন্ট সাধারণত তা চায় না। তাই লিখা শেষ হতেই কয়েকবার প্রুফ রিডিং করে নিন। ভুল থাকলে সংশোধন করে নিন। এরপর সংরক্ষণ করুন।



ক্লাইন্ট কে কখনোই বলবেন না যে আমি চেষ্টা করে দেখব বা হয়তো পারবো। বরং তাকে সাহস দিন যে তার কাজ আপনি সম্পূর্ণ করে দিবেন। এতেই ক্লাইন্ট ভরসা পাবে এবং হায়ার করতে আগ্রহী হবে। নয়তো সে অবশ্যই দুর্বল কাউকে হায়ার করে তার সময় নষ্ট করতে চাইবে না। তাই সবসময় নিজের উপর ভরসা রাখুন। কাজ শেষ করার সর্বাত্মক চেষ্টা করুন। প্রয়োজনে অন্য কারো সহায়তা নিতে পারেন। তবে কাজটি যদি আপনার স্কিল এর হয়ে থাকে তবে অবশ্যই আপনি নিজেই পারবেন।



নতুন কাজ নিচ্ছেন? তাই অল্প চার্জ করতে চাচ্ছেন যাতে ক্লাইন্ট অর্থ বাঁচাতে আপনাকে হায়ার করে? এমন ভুল কখনোই করবেন না। কেনোনা বেশীরভাগ ক্লাইন্ট মনে করে এক্সপার্টরা সবসময় তাদের সঠিক মূল্য অনুসারেই চার্জ করবে। সেই সাথে তারা তাদের কাজের জন্য সঠিক লোক সঠিক অর্থের বিনিময়েই হায়ার করবে। অল্প পরিমানের পেমেন্ট সেখানে একটি বড় ভুল। কাজ এর জন্য সঠিক পরিমাণ চার্জ করুন। হায়ার হবেন।



আমি নাকি আমরা? যদি আপনি একাই কাজ করেন তবে আপনি কেন “আমরা” ব্যবহার করবেন? আবার কোম্পানি বা টিম হলেও ক্লাইন্টের সাথে আপনি কথা বলছেন। আপনি কেন “আমরা” ব্যবহার করবেন? ক্লাইন্ট আপনার কথা শুনতে চায়। আপনাদের না। তাই সবসময় লক্ষ্য করুন কভার লেটার বা চ্যাট এ আপনি কি লিখছেন বা বলছেন।

Cover Photos
21/03/2016

Cover Photos

20/03/2016

এধরনের কাজে আপনার মুল অস্ত্র হচ্ছে মেধা। কাজেই দামী যন্ত্রপাতি নিয়ে মাথা ঘামানোর প্রয়োজন হয় না, বিশেষ কাজ ছাড়া। কাজের ধরন অনুযায়ী অবশ্যই আপনার স্ক্যানার, গ্রাফিক ট্যাবলেট, দামী ক্যামেরা ইত্যাদি প্রয়োজন হতে পারে। এধরনের বিশেষ যন্ত্র বাদ দিলে আপনার প্রয়োজন একটি মোটামুটি পর্যায়ের কম্পিউটার এবং ভাল ইন্টারনেট সংযোগ। বর্তমানে যথেষ্ট কম টাকায় ভাল কম্পিউটার পাওয়া যায়। আর ইন্টারনেট সংযোগের বিষয়ে বলা আসলে অর্থহীন। তারা আশা করে আপনি টাকা দেবেন, বদলে কি পাবেন তাতে তাদের কিছু যায়-আসে না। আর সরকার কিংবা প্রশাসন যত বক্তৃতা-বিবৃতি দিক না কেন, ব্যবসায়িদের কাছে সবসময় মাথা নিচু করে থাকে। মুল কথায় ফেরা যাক। ইন্টারনেটে কাজ করে অর্থ উপার্জনের এটা প্রাথমিক তথ্য। শুরুতেই আপনি যা করতে পারেন তা হচ্ছে এধরনের ওয়েবসাইটে গিয়ে বিস্তারিত পড়া, বোঝার চেষ্টা করা। সত্যিকাজের কাজের তথ্য তাদের কাছেই পাওয়া সম্ভব, অকারনে অন্য যায়গায় সময় নষ্ট করবেন না। odesk, freelancer এধরনের জনপ্রিয় ওয়েব সাইটের উদাহরন। সার্চ করলে এধরনের
আরো বহু সাইট পাবেন। ভালভাবে বোঝার জন্য কয়েকদিন নিয়মিত এই সাইটগুলিতে সময় কাটান। কাজ শুরু করুন, সেইসাথে আরো জানার চেষ্টা করুন।

20/03/2016

একটু আগে দুধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে, একটি কোম্পানীর, অপরটি ছোট কোম্পানী কিংবা ব্যক্তির। আউটসোসিং এর কাজ মুলত এই দুধরনের। বড় কোম্পানীর বড় কাজ করার জন্য বড় প্রতিস্ঠান প্রয়োজন। সেখানে আপনি একজন নিয়মিত কর্মী হিসেবে নিয়োগ পেতে পারেন। আপনি ফ্রিল্যান্সার নন। আর ছোট কাজের ক্ষেত্রে আপনি নিজেই সবকিছু। যোগাযোগ, কাজ করা, অর্থ গ্রহন সবকিছু করতে হবে নিজেকেই। অবশ্য কয়েকজন একসাথে শুরু করে ক্রমাম্বয়ে বড় কোম্পানীতে পরিনত হওয়া অবশ্যই সম্ভব। ধরে নেয়া হচ্ছে আপনি একা কাজ করতে আগ্রহি। এখানে সে সম্পর্কিত তথ্যই উল্লেখ করা হচ্ছে। এক কথায়, কম্পিউটার ব্যবহার করে যাকিছু করা সম্ভব সবধরনের কাজই পাওয়া যায় এভাবে। গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব পেজ তৈরী, ওয়েব পেজের কোন সমস্যার সমাধান থেকে শুরু করে এনিমেশন, ভিডিও এডিটিং কিংবা একেবারে সহজ ডাটা এন্ট্রি পর্যন্ত। কাজ যত সহজ অর্থের পরিমান তত কম, কাজ যত জটিল অর্থের পরিমান তত বেশি এই নিয়মে। উদাহরন হিসেবে ওয়েব সাইটের জন্য ফটোশপে একটি ব্যানার বিজ্ঞাপন তৈরী করে যে পরিমান অর্থ পাবেন ফ্লাশে এনিমেটেড ব্যানার তৈরী করে পাবেন তারথেকে অনেক বেশি অর্থ। বাস্তব ধারনা পাওয়ার সবচেয়ে ভাল পথ হচ্ছে এধরনের
ওয়েবসাইটে গিয়ে কাজের তালিকা দেখা।

20/03/2016

এটা নিশ্চয়ই প্রথম প্রশ্ন। উত্তর হচ্ছে, বাড়িতে বসে অন্য কারো কাজ করা। উন্নত দেশগুলিতে (আমেরিকা কিংবা ইউরোপ) মজুরী অত্যন্ত বেশি। কোন কোম্পানীর যদি নির্দিষ্ট প্রোগ্রাম তৈরী প্রয়োজন হয়, এজন্য যদি একজন প্রোগ্রামার নিয়োগ করতে হয় তাহলে বিপুল পরিমান টাকা গুনতে হয়। সেকাজটিই অন্য দেশের প্রোগ্রামার দিয়ে করিয়ে নিলে তুলনামুলক কম টাকায় করানো যায়। বর্তমান ইন্টারনেট ব্যবস্থায় খুব সহজে একাজ করা সম্ভব। আপনি সেই প্রোগ্রামার, ডিজাইনার, এনিমেটর অথবা যাই হোন না কেন ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তাদের কাজ করতে পারেন, ঘরের বাইরে যাওয়ার প্রয়োজন নেই। বড় কোম্পানীর বদলে ছোট কোম্পানী, কিংবা ব্যক্তি পর্যায়ের কাজের কথা যদি
এরসাথে যোগ করা হয় তাহলে কাজের পরিধি বেড়ে যায় অনেক। ধরুন কোন ব্যক্তির একটি ওয়েবসাইট তৈরী করা প্রয়োজন।
তিনি নিজে সেকাজ পারেন না। কাজেই তার প্রয়োজন এমন একজন ব্যক্তি যিনি সেকাজ করে দেবেন। আপনি যদি সেকাজে দক্ষ হন তাহলে আপনি আগ্রহি হয়ে সেখানে যোগাযোগ করলেন। সমঝোতা হল, আপনি কাজটি করে দেবেন, বিনিময়ে ১০০ ডলার পাবেন। লাভ দুজনেরই। কাজেই, আউটসোর্সিং হচ্ছে এক যায়গার কাজ অন্যযায়গা থেকে করিয়ে নেয়া। এই কাজকে সহজ করার জন্য অনেক প্রতিস্ঠান রয়েছে। তাদের ওয়ের সাইটে বিনামুল্যে সদস্য হওয়া যায় (আপনাকে বিনামুল্যে সেবা দিয়েও তারা নিজেরা লাভ করেন। সে
হিসেব আলাদা)। তাদের সদস্য দুধরনের, একপক্ষ কাজ দেন, আরেকপক্ষ কাজ করেন। আপনি যখন কাজ দেবেন তখন কাজের বিবরন, সময়, অর্থের পরিমান ইত্যাদি তাদের জানাবেন। তারা ওয়েবসাইটে সেগুলি রেখে দেবেন যারা কাজ করতে আগ্রহি তাদের জন্য।
আপনি যত কাজ করবেন তখন তাদের ওয়েব সাইটে গিয়ে সেই তালিকা থেকে নিজের পছন্দমত কাজের জন্য আবেদন করবেন (সাধারনত একটি লিংকে ক্লিক করাই যথেষ্ট)। যার কাজ তিনি আবেদনগুলি যাচাই করে যাকে যোগ্য মনে করবেন তাকে কাজটি
দেবেন। আপনি সেই ব্যক্তি হলে কাজটি করে ইন্টারনেটের মাধ্যমেই তারকাছে পাঠিয়ে দেবেন। সাথেসাথে আপনার একাউন্টে কাজের অর্থ জমা হবে।

20/03/2016

বলা হচ্ছে আগামীতে আউটসোর্সিং হবে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় আয়ের উতস, কর্মসংস্থানের সবচেয়ে বড় যায়গা। তারপরও যারা একাজ করবেন তারা অনেকেই অন্ধকারে রয়ে গেছেন। অনেকেই জানেন না ঠিক কি করবেন। কি যোগ্যতা প্রয়োজন হবে, কি কি যন্ত্রপাতি প্রয়োজন হবে, কি কাজ করতে হবে, কাজ কোথায় পাওয়া যাবে, কত টাকা পাওয়া যাবে, কিভাবে পাওয়া যাবে। এই প্রশ্নগুলির উত্তর ধারাবাহিকভাবে দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে এখানে।
প্রথমেই একটা কথা পরিস্কার করে নেয়া ভাল। বলা হচ্ছে কাজ করে অর্থ উপার্জনের বিষয়ে। কাজেই আপনাকে কাজ করতে হবে, সে কাজ শিখতে হবে, অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতা করতে হবে। আপনার দক্ষতা যত বেশি অর্থ উপার্জনের সুযোগ তত বেশি। এটাই একমাত্র পথ। যদি কাজ শিখতে এবং করতে পর্যাপ্ত আগ্রহ এবং চেষ্টা না থাকে তাহলে সময় নষ্ট না করাই ভাল। সহজে অর্থ উপার্জন বলে যা
বুঝানো হয় তা আসলে ততটা সহজ না।

20/03/2016

জনপ্রিয় ওয়েবসাইটে এডসেন্স এর মত বিজ্ঞাপন রাখতে হবে এমন কোন কথা নেই, ছাপানো পত্রিকায় যেমন বিজ্ঞাপন দেয়া হয় সেভাবে আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন প্রচার করে অর্থ উপার্জন করা সম্ভব। আমেরিকায় ছাপানো বিজ্ঞাপনের আয়কে ছাড়িয়ে গেছে অনলাইন বিজ্ঞাপন। পত্রিকার মত সাইটের জন্য এই ব্যবস্থা সুবিধেজনক। একাজে সমস্যা হচ্ছে ব্যক্তিগতভাবে করা যায় না, প্রতিস্ঠান
হিসেবে কাজ করতে হয়। তবে সেটা সংবাদপত্র হতে হবে এমন কথা নেই। মানুষের আগ্রহ রয়েছে এমন বিষয় নিয়ে ওয়েবসাইট হতে পারে। যেমন বিভিন্ন পণ্যের পরিচিতি এবং দাম নিয়ে যেমন মানুষের আগ্রহ সেই বিষয় নিয়েই অনেকগুলি বিশ্বখ্যাত ওয়েবসাইট রয়েছে। চাকরী বা অন্য তথ্য নিয়ে সাইটও লক্ষ লক্ষ
ভিজিটর পেতে পারে।

Address

Dinajpur
5240

Telephone

01780800045

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Freelancer Solution Consult posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Freelancer Solution Consult:

Share

Category