Fatema Computer

Fatema Computer Online Service

09/01/2024
৷  ৷ ৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ জিলেট রেজার উদ্ভাবনের বাস্তব গল্প।৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷  ৷  ৷ প্রথম বছরে বিক্রি হয়েছিল মোটে ৫১টি র...
05/08/2023

৷ ৷ ৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ জিলেট রেজার উদ্ভাবনের বাস্তব গল্প।৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷৷ ৷ ৷

প্রথম বছরে বিক্রি হয়েছিল মোটে ৫১টি রেজার আর দেড়শোটি ব্লেড।
সাধারণ বিক্রয়কর্মী থেকেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম উদ্যোগপতি এবং উদ্ভাবক। তিনি হয়ে উঠেছিলেন তৎকালীন বিশ্বের অন্যতম মিলিয়নেয়ার।

(Gillette) ‘জিলেট’ -এই আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডটির সঙ্গে আমরা সকলেই কম-বেশি পরিচিত। মূলতঃ শেভিং ক্রিম এবং রেজারের জন্য পরিচিত হলেও, আজকের দিনে দাঁড়িয়ে বডি কেয়ার পণ্যের জগতে একচেটিয়ে ব্যবসা জিলেটের। ডিওড্র্যান্ট থেকে শুরু করে সাবান, ফেয়ারনেস ক্রিম —সমস্ত ধরণের প্রসাধনীই বাজারে এনেছে জিলেট।

আমাদের গল্পের ‘রাজা’ আর কেউ নন, এই ‘জিলেট’-এরই প্রতিষ্ঠাতা। কিং ক্যাম্প জিলেট (King Camp Gillette)।

হ্যাঁ, স্রেফ হতাশা থেকেই এক অভিনব পণ্য বাজারে আনার পরিকল্পনা এসেছিল তাঁর মাথায়। আর সেই ‘আশ্চর্য’ পণ্য হলো রেজার এবং ব্লেড। একুশ শতকে দাঁড়িয়ে ব্লেড আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিকভাবে জড়িত থাকলেও, আজ থেকে দেড়শো বছর আগে এই ধরণের কোনো সামগ্রীর কোনও অস্তিত্বই ছিল না পৃথিবীতে। কিন্তু কীভাবে ব্লেড আবিষ্কার করলেন জিলেট? সেই গল্পেই ফেরা যাক বরং।

—বিশ শতকের শুরু পর্যন্ত দাড়ি কামানোর একমাত্র যন্ত্র ছিল ক্ষুর। তবে অসুবিধা হল, এই যন্ত্র ব্যবহারের সময় একটু অসাবধান হলেই রক্তক্ষরণ ছিল অনিবার্য। কখনও আবার সেই ক্ষতচিহ্ন থেকে সংক্রমণ ছড়িয়ে মৃত্যুও ঘটেছে কোনো কোনো ব্যক্তির। ইতিহাস খুঁড়লে উল্লেখ পাওয়া যায় এমন ঘটনারও। জিলেটের সঙ্গে ঘটেছিল তেমনটাই। সেখান থেকেই ক্ষতদাগ। আর যে ক্ষতদাগ দেখেই ভয়ে তাঁর মুখের ওপরেই দরজা বন্ধ করে দিতেন ক্রেতারা। একটা সময় ভেবেছিলেন দাড়ি বাড়িয়ে ঢেকে ফেলবেন ক্ষতচিহ্ন। তবে লাভ হয়নি তাতেও।

এরপর ক্রমশঃ হতাশা গ্রাস করতে থাকে জিলেটকে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে দাড়ি কামানোর সময় নিজের সঙ্গে প্রায়শই কথা বলতেন কিংবদন্তি উদ্যোগপতি। ঠিক এভাবেই তিনি জন্ম দিয়েছিলেন (Safety Razor) ‘সেফটি রেজার’ কথাটির। কিন্তু কীভাবে কাজ করবে এই যন্ত্র? তা নিয়েই গবেষণা শুরু হয় তাঁর। যন্ত্রটির নীল-নকশাও তৈরি করে ফেলেন জিলেট। মূলতঃ দাড়ি কাটার এই যন্ত্রকে দুটি ভাগে ভাগ করেছিলেন তিনি —একটি স্ট্যান্ড ও অন্যটি ব্লেড। স্ট্যান্ডটি পুনর্ব্যবহারযোগ্য হলেও, ব্লেড অর্থাৎ ধারালো ধাতব খণ্ডটি হবে ডিসপোসেবল বা একবার ব্যবহারযোগ্য।

জিলেট এই নীল-নকশা তৈরি করেছিলেন ১৮৯৫ সালে। যদিও তা বাস্তবায়িত করতে তাঁর লেগে যায় দীর্ঘ ৬ বছর।

হ্যাঁ, কারণ এই যন্ত্রের নীল-নকশা তৈরি করলেও, তিনি যে প্রযুক্তিবিদ নন। ফলে, যন্ত্র তৈরির ক্ষেত্রে তাঁকে নির্ভর করতে হয় অন্যদের ওপরেই। আর সমস্যা সেখানেই। যে যন্ত্রকে কোনোদিন কেউ দেখেইনি, নামও শোনেনি —তা বানানো কি মুখের কথা? তার উপরে আবার জিলেটের দাবি, তাঁর এই ব্লেডকে তৈরি করে দিতে হবে স্বল্পমূল্যে। সেটা যে ডিসপোসেবল। ফলে, বেশি দাম দিয়ে কিনবেন না ক্রেতারা। স্বাভাবিকভাবেই অধিকাংশ প্রযুক্তিবিদই ফিরিয়েছিলেন জিলেটকে। অবশেষে তাঁর এই প্রস্তাবকে বাস্তবায়িত করার চেষ্টা করতে রাজি হন এমআইটির প্রযুক্তিবিদ্যার স্নাতক ছাত্র, উইলিয়াম নিকারসন।

১৯০১ সালে প্রথম নিকারসনের হাত ধরেই তৈরি হয় জিলেটের রেজার এবং ব্লেড-এর প্রথম প্রোটোটাইপ। কার্বন-স্টিলের তৈরি সেই ধারালো ব্লেডের আয়তন ছিল মাত্র দেড় ইঞ্চি বাই এক ইঞ্চি। তারপর আরও কিছু পরিবর্তন করা হয় তাতে। ধাতব পাতটির মাঝে সংযুক্ত করা হয় স্ক্রু আটকানোর গর্ত। কেননা স্ক্রু দিয়েই এই ব্লেড আটকাতে হতো স্ট্যান্ড বা রেজারের সঙ্গে। কিন্তু কেমন দেখতে ছিল এই ব্লেড? অনেকের মনেই হয়তো এসেছে এই প্রশ্নটা! আজকে আমরা যে ব্লেড ব্যবহার করে থাকি, হুবহু একই আকৃতি ও আয়তন ছিল জিলেটের ব্লেডের। বা বলা ভালো, জিলেটের তৈরি ব্লেড অপরিবর্তিত হয়েই ব্যবহৃত হয়ে আসছে প্রায় একশো কুড়ি বছর ধরে। সেই প্রসঙ্গও আসবে একটু পরে।

যাই হোক, এর পর ১৯০৩ সালে দক্ষিণ বস্টনে আস্তো একটি কারখানা তৈরি করে ফেলেন কিং জিলেট। শুরু হয় সেফটি রেজারের বাণিজ্যিক উৎপাদন। ততদিনে পেটেন্টের জন্যেও আবেদন করা হয়ে গেছে তাঁর। তবে প্রথম বছরের ফলাফল খুব একটা আশাপ্রদ হয়নি। সেবছর বিক্রি হয়েছিল মোটে ৫১টি রেজার এবং দেড়শোটি ব্লেড। যদিও সেটা ছিল বিপ্লবের শুরু। ১৯০৪ সালে বিক্রি হয় ৯১ হাজার রেজার এবং দেড় লক্ষাধিক ব্লেড। ১৯০৬ সালে তাঁর ব্যবসা ছড়িয়ে পড়ে ক্যানাডা, জার্মানি, ইংল্যান্ড, ফ্রান্স-সহ বিশ্বের সমস্ত শক্তিশালী দেশে। এমনকি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে সেনানীদের নিরাপত্তার জন্য জিলেটের থেকে পাইকারি হিসাবে রেজার ও ব্লেড কিনেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রতিটি সেনাকেই প্রদান করা হয়েছিল জিলেটের সেফটি রেজার। কেবলমাত্র সেনাবাহিনীতেই ব্যবহৃত হয়েছিল ৩ কোটি ২০ লক্ষ ব্লেড।

এই ব্যবসাই মাত্র কয়েক বছরে তাঁকে করে তুলেছিল মিলিয়নেয়ার। বস্টন শহরের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তিও হয়ে উঠেছিলেন তিনি। কেননা, এই বাজারে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিল না কেউ-ই। ১৯০৪ সালেই যে সেফটি রেজারের পেটেন্ট জুড়েছে তাঁর নামের পাশে। ফলে, অন্য কোম্পানির পক্ষেও অসম্ভব হয়ে ওঠে এই যন্ত্রের পুনরুৎপাদন করা। অন্যদিকে ব্লেডের পেটেন্ট পেয়েছিলেন নিকারসন। তাঁর থেকে ব্লেডের স্বত্ত্ব কিনে ব্লেড উৎপাদন শুরু করেছিল একাধিক সংস্থা। যদিও ব্লেড ব্যবহারের একমাত্র যন্ত্র ছিল জিলেটের রেজার। তাই ব্লেড তৈরির ক্ষেত্রে তাঁরাও অনুসরণ করেন জিলেটের নকশাই। আজও যা অপরিবর্তিতই রয়ে গেছে।

১৯৩২ সালে মারা যান জিলেট। তারও পরে সেফটি রেজারের জগতে আত্মপ্রকাশ করে অন্যান্য প্রস্তুতকারক সংস্থারা। বলতে গেলে প্রায় ৩ দশক ধরে গোটা বিশ্বে শেভিং-এর জগতে রাজত্ব করেছিলেন কিং ক্যাম্প। সেদিক থেকে তাঁকে রাজা বললেও ভুল হয় না এতটুকু।
______________________
🖇️সংগৃহীত পোস্ট

19/02/2023

গাছে গাছে আমের মুকুল!
আয় ছেলেরা আয় মেয়েরা ফুল তুলিতে যাই। ফুলের মালা গলায় দিয়ে মামার বাড়ি যাই। ঝঁড়ের দিনে মামার দেশে আম কুড়াতে সুখ। পাঁকা আমের মধুর রসে রঙ্গিন করে মুখ। পল্লি কবি জসিমউদ্দীনের মামার বাড়ি কবিতার পঙক্তিগুলো বাস্তব রুপ নিতে বাকি আর মাত্র কয়েক মাস। ঋতুরাজ বসন্তের আগমনে সুখের ঘ্রাণ বইতে শুরু করেছে।

ক্যালেন্ডারের পাতায় বাজছে শীতের বিদায়ী ঘণ্টা। কিছুদিনের মধ্যে বেলা ফুরাবে অতিথি পাখিদের, ফিরবে নিজ মাতৃভূমিতে। গাছে গাছে ফুলের মুকুল বার্তা দিচ্ছে ঋতুরাজ বসন্তের। গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার তেলিহাটি ইউনিয়নের মাজেম আলী মোড়ের কিছু আমগাছের দিকে তাকালেই বোঝা যায় অপার প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে সেজেছে প্রকৃতি।

গাছে গাছে ফুটছে আমের মুকুল। এ মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে আর মৌমাছির গুঞ্জনে মুখরিত শ্রীপুরের প্রকৃতি। সবুজ আম গাছ ঢেকে গেছে হলদে মুকুলে। মধুমাস ঋতুরাজ বসন্ত আসার আগাম বার্তা নিয়ে আসছে গাছে গাছে আমের মুকুল। এছাড়াও বসন্তকাল আসার আগমনে প্রায় প্রতিটি গাছে গাছে ফুল প্রকৃতিতে চারদিক যেন মৌ মৌ গন্ধে মুখরিত হয়ে ওঠে। উপজেলার প্রতিটি বাড়ি ও আম বাগানে আমের মুকুলের গন্ধে মৌ মৌ করছে চারপাশ। দিন দিন বাড়ছে হরেক রকমের সুস্বাদু আমের চাষ। বাগান বা বাড়ির আঙ্গিনায়, পুকুুর পাড়ে ও রাস্তার পাশে আম গাছে মুকুলে মৌ মৌ গন্ধ।

বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আমের মুকুলের সেই পাগল করা ঘ্রাণ ও সুনশান নিরবতা ভেদ করে গাছে গাছে মধু সংগ্রহ করতে আসা মৌমাছিরা টানা গান গেয়ে যাচ্ছে। সোনালী স্বপ্নকে বুকে ধারণ করে আম গাছ পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছে চাষীরা। আম গাছে সেচ দেওয়াসহ আমের মুকুলে রোগবালাই দমনে বিভিন্ন কীটনাশক স্প্রে করছে তারা।

তবে আমের ফলন নির্ভর করছে আবহাওয়ার ওপর। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর আমের বাম্পার ফলনের আশা করছেন বাগান মালিকরা। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় মুকুল আসতে শুরু করেছে বাগানসহ ব্যক্তি উদ্যোগে লাগানো আম গাছগুলোতে। তবে বড় আকারের চেয়ে ছোট ও মাঝারি আকারের গাছে বেশি মুকুল ফুটেছে। সেই মুকুলের মৌ মৌ গন্ধে বাগান মালিকদের চোখে ভাসছে স্বপ্ন। আম্রপালি, গোপালভোগ, ল্যাংড়া, ফজলি অন্যতম। ইতোমধ্যে এসব গাছে মুকুল আসা শুরু হয়েছে। গাছের পুরো মুকুল ফুটতে আরও কয়েক সপ্তাহ লাগবে।

বাগান মালিকরা জানান, মুকুল আসার পর থেকেই তারা গাছের প্রাথমিক পরিচর্যা শুরু করেছেন। মুকুলকে রোগ বালাইয়ের আক্রমণ থেকে রক্ষা করতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ওষুধ স্প্রে করছেন তারা।

#তথ্যসূত্রঃ ইন্টারনেট থেকে সংগৃহীত

16/09/2022

2021-2022 শিক্ষাবর্ষে ডিগ্রি ভর্তি বিজ্ঞপ্তি:-

২০২১-২০২২ ডিগ্রি ১ম বর্ষে
ভর্তির আবেদন ১৮ সেপ্টেম্বর বিকাল ৪ টা থেকে শুরু হবে,
চলবে ১১ অক্টোবর রাত ১২ পযর্ন্ত চলবে।

👉👉👉আবেদনের জন্য যা লাগবে:
✏️ S.S.C ও H.S.C পরিক্ষার এডমিট কার্ডের ফটোকপি।
✏️ পাসপোর্ট সাইজের ছবি একটি।
✏️ নিজ মোবাইল নম্বর একটি।

যোগাযোগ: নরিসংহপুর, জিরাবো, আশুলিয়া, ঢাকা
মোবাইল: 01624-801860, 01518-448414

একটি হরিণ এক ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যেতে পারে। আর একটি বাঘ যেতে পারে এক ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। তাহলে অঙ্কের হিসাবে বাঘ কখনো...
09/09/2022

একটি হরিণ এক ঘণ্টায় ৯০ কিলোমিটার যেতে পারে। আর একটি বাঘ যেতে পারে এক ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার। তাহলে অঙ্কের হিসাবে বাঘ কখনো হরিণ কে ধরার কথা নয়। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে উল্টোটা। বাঘের হাতে হরিণ কে কাবু হতে হয়।

কারণ টা কী ? কারণ হলো দৌড়াতে দৌড়াতে কখনো কখনো পিছনে ফিরে তাকায় বাঘের চাইতে কতটুকু এগিয়ে আছে তা বুঝার জন্য। আর এটাই হয় সর্বনাশের কারণ। পেছনে ফিরতে গিয়ে তার বেগ কমে যায় । অপরদিকে বাঘ ঠিকই তার বেগ ঠিক রেখে হরিণের দিকে এগিয়ে যেতে থাকে।

★ শিক্ষাঃ চলার পথে কখনোই পিছনে তাকাতে নেই, লক্ষ্য ঠিক রেখে এগিয়ে যেতে হবে । তাহলেই তুমি সফল হবে।

©

23/04/2022

যে সকল তথ্য দিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হয়
_____________________
✅ ফর্ম নাম্বার এবং জন্ম তারিখ দিয়ে দিয়ে আইডি কার্ড দেওয়া হয়
✅ শুধুমাত্র ফর্ম নাম্বার দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হয়।
✅ NID নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅ শুধুমাত্র জন্ম নিবন্ধন কার্ড দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হয়
✅ পিতা-মাতার আইডি কার্ড দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হয়
✅ স্লিপ আছে জন্মতারিখ নাই?. আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅ ১২ সংখ্যা ভোটার নাম্বার দিয়ে আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅ফেস স্কেন করা ছাড়াই ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅ শুধুমাত্র ভোটার হওয়ার সময় যে মোবাইল নাম্বারটা ব্যবহার করেছেন ওটা দিয়ে ভোটার আইডি কার্ড দেওয়া হয়
✅ নতুন ভোটার হয়েছিলেন কিন্তু এখনো কার্ড পান নাই? আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅ হারানো আইডি কার্ড 1 ঘন্টার মধ্যে দেওয়া যাবে
✅ আপনার আইডি কার্ডের মেয়াদ শেষ নতুন মেয়াদে আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅ অনেক আগে ভোটার হয়েছেন আইডি কার্ড পাননি? আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅২০০৮/২০০১৪/২০১৫/২০১৬/২০১৭ ভোটার হয়েছেন আইডি কার্ড ডাউলোড হয় না আইডি কার্ড দেওয়া যাবে
✅ সংশোধন করেছেন আইডি অ্যাপ্রুভ হওয়ার পর কার্ড ডাউনলোড হয়না আইডি কার্ড দেওয়া যাবে।

ঠিকানা পরিবর্তন করেছে। এখন বর্তমান ঠিকানা অনুযায়ী কার্ড লাগবে? দেওয়া যাবে।
(All T চার্জ প্রযোজ্য)

08/03/2021

রাজশাহী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি চলিতেছে

30/01/2021

প্রতিদিনের চাকুরির খোজ খবর রাখতে চোখ রাখুন ফাতেমা কম্পিউটার এ

Address

Norshinghapur Bus Stand, Norshinghapur, Ashulia
Diakhali
1341

Opening Hours

Monday 08:00 - 23:00
Tuesday 08:00 - 23:00
Wednesday 08:00 - 23:00
Thursday 08:00 - 23:00
Friday 08:00 - 23:00
Saturday 08:00 - 23:00
Sunday 08:00 - 23:00

Telephone

+8801518448414

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fatema Computer posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Fatema Computer:

Share