Dhanmondi Infotech

Dhanmondi Infotech Dhanmondi Infotech (DIT) is a Pioneer IT Company in Country. We Developed an e Commerce website & F Commerce from Advance Technologies...

Dhanmondi Infotech (DIT) and Dhanmondi IT (DIT)

Dhanmondi Infotech (DIT) and Dhanmondi IT (DIT) are the newest tech initiatives by Dhanmondi Group that aim to cover the complete business automation solution. Products & Services ...
Website Design and Development, Software Design and Development & Digital Marketing.

Leil Lowndes-এর How to Talk to Anyone বইয়ের ৯২টি কৌশলের সহজ বাংলায় ব্যবহারিক সারাংশ দিলাম। এগুলো বইটির মূল ধারণাগুলোকে স...
05/09/2026

Leil Lowndes-এর How to Talk to Anyone বইয়ের ৯২টি কৌশলের সহজ বাংলায় ব্যবহারিক সারাংশ দিলাম। এগুলো বইটির মূল ধারণাগুলোকে সংক্ষেপে ও প্রয়োগযোগ্যভাবে তুলে ধরে—হুবহু অনুবাদ নয়।

১–১০: প্রথম দেখায় ভালো ইমপ্রেশন
প্রথমে পুরো শরীর দিয়ে মনোযোগ দিন — কারও সঙ্গে দেখা হলে সঙ্গে সঙ্গে তার দিকে ফিরুন; এতে সে বুঝবে আপনি তাকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।
উষ্ণ, স্বাভাবিক হাসি দিন — জোর করে নয়; চোখ ও মুখ দুটোতেই হাসির ছাপ থাকুক।
চোখের যোগাযোগ রাখুন — অতিরিক্ত তাকিয়ে না থেকে স্বাভাবিক eye contact বজায় রাখুন।
কথার মাঝখানে চোখ সরিয়ে নেবেন না — গুরুত্বপূর্ণ কথা বলার সময় মনোযোগী দৃষ্টি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে।
নামের শক্তি ব্যবহার করুন — পরিচয়ের সময় নামটি মনে রাখুন এবং পরে স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করুন।
হ্যান্ডশেক আত্মবিশ্বাসী করুন — দৃঢ় কিন্তু অতিরিক্ত শক্ত নয়।
শরীরের ভাষা খোলা রাখুন — হাত-পা শক্ত করে গুটিয়ে না রেখে relaxed posture রাখুন।
অন্যের energy-এর সঙ্গে সামঞ্জস্য করুন — শান্ত মানুষ হলে শান্তভাবে, প্রাণবন্ত হলে একটু বেশি energy দিয়ে কথা বলুন।
মুখের অভিব্যক্তি নিয়ন্ত্রণ করুন — আপনি যা অনুভব করছেন, তা যেন অনিচ্ছাকৃতভাবে মুখে নেতিবাচকভাবে প্রকাশ না পায়।
আপনার উপস্থিতিকে ‘স্বাগতপূর্ণ’ করুন — এমন body language রাখুন যাতে মানুষ আপনার কাছে আসতে নিরাপদ ও স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে।
১১–২০: কথোপকথন শুরু করা
“আপনি কী করেন?”-এর বাইরে প্রশ্ন করুন — মানুষের কাজের পাশাপাশি তার আগ্রহ, অভিজ্ঞতা বা মতামত জানতে চান।
পরিবেশকে conversation starter হিসেবে ব্যবহার করুন — অনুষ্ঠান, জায়গা বা পরিস্থিতি নিয়ে সহজ মন্তব্য করুন।
Open-ended প্রশ্ন করুন — “ভালো লেগেছে?”-এর বদলে “কোন অংশটা সবচেয়ে ভালো লেগেছে?” বলুন।
অন্যের উত্তরের ওপর ভিত্তি করে পরের প্রশ্ন করুন — আগে থেকে প্রস্তুত প্রশ্নের তালিকা অনুসরণ করবেন না।
নিজের কথা বলার আগে অন্যের আগ্রহ খুঁজুন।
সাধারণ বিষয় দিয়ে শুরু করুন — প্রথমেই অত্যন্ত ব্যক্তিগত প্রশ্ন করবেন না।
Compliment করুন, তবে নির্দিষ্টভাবে — “আপনার presentation ভালো ছিল” সাধারণ প্রশংসার চেয়ে বেশি কার্যকর।
প্রশংসার পর প্রশ্ন করুন — এতে compliment কথোপকথনের দরজা খুলে দেয়।
অন্যের passion খুঁজে বের করুন — যে বিষয়ে মানুষ উৎসাহী, সে বিষয়ে কথা বলা সহজ।
কথোপকথনকে interview বানাবেন না — প্রশ্নের পাশাপাশি নিজের অভিজ্ঞতাও সামান্য শেয়ার করুন।
২১–৩০: ভালো কথোপকথন চালিয়ে যাওয়া
FORD বিষয়গুলো মনে রাখুন — Family, Occupation, Recreation, Dreams—কথার সম্ভাব্য ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
একটি উত্তরের ভেতর থেকে নতুন বিষয় বের করুন।
“কেন?”-এর বদলে কখনো “কীভাবে?” জিজ্ঞেস করুন — এতে মানুষ বেশি বিস্তারিত বলতে পারে।
শুধু তথ্য নয়, অনুভূতি নিয়েও প্রশ্ন করুন — “সেটা কেমন লেগেছিল?”
অন্যের গল্পকে বাধা দেবেন না।
নিজের গল্প দিয়ে তার গল্পকে ছাপিয়ে যাবেন না — সে ভ্রমণের কথা বললে সঙ্গে সঙ্গে আপনার ১০টি ভ্রমণের গল্প শুরু করবেন না।
সঠিক সময়ে follow-up question করুন।
কথার গতি ও tone লক্ষ্য করুন।
অতিরিক্ত ব্যক্তিগত বিষয়ে দ্রুত যাবেন না।
নীরবতাকে ভয় পাবেন না — কয়েক সেকেন্ডের silence স্বাভাবিক।
৩১–৪০: মানুষকে গুরুত্বপূর্ণ অনুভব করানো
মানুষের নাম মনে রাখুন।
নাম উচ্চারণ করার সময় স্বাভাবিক থাকুন।
মানুষ কী নিয়ে উত্তেজিত তা লক্ষ্য করুন।
তার মতামত জানতে চান — “আপনি হলে কী করতেন?”
মনোযোগ দিয়ে শুনুন।
মাঝে মাঝে সংক্ষেপে প্রতিক্রিয়া দিন — “আচ্ছা”, “বুঝতে পারছি”, “তারপর?”
অন্যের কথা শেষ করার সুযোগ দিন।
তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখুন — পরেরবার জিজ্ঞেস করলে সে বুঝবে আপনি সত্যিই শুনেছিলেন।
অন্যকে ছোট করে নিজেকে বড় দেখাবেন না।
মানুষকে অনুভব করান যে তার উপস্থিতির মূল্য আছে।
৪১–৫০: আকর্ষণীয় ও আত্মবিশ্বাসী হওয়া
নিজের সম্পর্কে অতিরিক্ত কথা বলবেন না।
অন্যকে কথা বলার জায়গা দিন।
নিজের achievements নিয়ে humble থাকুন।
নিজেকে ছোট করেও attention পাওয়ার চেষ্টা করবেন না।
অতিরিক্ত apology এড়িয়ে চলুন — প্রয়োজন না হলে বারবার “sorry” বলা আত্মবিশ্বাস কম দেখাতে পারে।
আপনার বক্তব্য পরিষ্কার করুন — খুব দ্রুত বা অস্পষ্টভাবে কথা বলবেন না।
কণ্ঠস্বরের volume ও pace নিয়ন্ত্রণ করুন।
প্রয়োজনের চেয়ে বেশি filler words ব্যবহার করবেন না — যেমন “মানে”, “উম”, “আসলে”।
নিজের মতামত বলুন, কিন্তু অন্যের মতামতকে সম্মান করুন।
অন্যকে impress করার চেয়ে connect করার চেষ্টা করুন।
৫১–৬০: Networking ও সামাজিক সম্পর্ক
শুধু পরিচিত হওয়ার জন্য নয়, সম্পর্ক তৈরির জন্য networking করুন।
নতুন পরিচিতির সঙ্গে follow-up করুন।
কারও সঙ্গে দেখা হওয়ার পর তার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মনে রাখুন।
পরিচিতদের একে অন্যের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিন।
শুধু প্রয়োজনের সময় মানুষের কাছে যাবেন না।
ছোট ছোট উপকারের সুযোগ খুঁজুন।
কারও সাফল্যকে আন্তরিকভাবে অভিনন্দন জানান।
যোগাযোগের ক্ষেত্রে ধারাবাহিক থাকুন।
শুধু নিজের লাভ নয়—দুই পক্ষের মূল্য তৈরি করুন।
আপনার network-কে মানুষের তালিকা নয়, সম্পর্কের নেটওয়ার্ক হিসেবে দেখুন।
৬১–৭০: কঠিন সামাজিক পরিস্থিতি
কথোপকথন আটকে গেলে পরিবেশের নতুন কোনো বিষয় তুলুন।
অস্বস্তিকর প্রশ্ন এলে শান্ত থাকুন।
সব বিষয়ে তর্কে যাবেন না।
রাজনীতি/ধর্ম/অতি ব্যক্তিগত বিষয়ে পরিস্থিতি বুঝে কথা বলুন।
কাউকে প্রকাশ্যে embarrass করবেন না।
ভুল কথা বলে ফেললে দ্রুত স্বীকার করে এগিয়ে যান।
অন্যের নেতিবাচক মন্তব্যে সঙ্গে সঙ্গে নেতিবাচক হবেন না।
Gossip-এ অংশ নেওয়ার আগে সতর্ক থাকুন।
কেউ কথা বলতে না চাইলে তাকে space দিন।
কথোপকথন শেষ করারও একটি দক্ষতা আছে — “আপনার সঙ্গে কথা বলে ভালো লাগল” বলে সুন্দরভাবে বিদায় নিতে পারেন।
৭১–৮০: পেশাগত যোগাযোগ
Meeting-এ কথা বলার আগে অন্যরা কী বলছে তা শুনুন।
সংক্ষিপ্ত ও পরিষ্কারভাবে বক্তব্য দিন।
নিজের ধারণা প্রকাশ করার সময় অন্যের অবদানকে সম্মান করুন।
Interview-এ শুধু উত্তর নয়, relevant context দিন।
নিজের শক্তি নিয়ে কথা বলুন, কিন্তু অহংকারী হবেন না।
Professional disagreement-কে ব্যক্তিগত আক্রমণে পরিণত করবেন না।
Email/message-এ tone পরিষ্কার রাখুন।
সমালোচনা করার সময় ব্যক্তি নয়, আচরণ বা কাজ নিয়ে কথা বলুন।
কোনো গুরুত্বপূর্ণ কথার পর নিশ্চিত করুন যে দুজন একই বিষয় বুঝেছেন।
Professional relationship-এ বিশ্বাসযোগ্যতা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
৮১–৯২: দীর্ঘমেয়াদি সম্পর্ক ও উন্নতি
মানুষের পছন্দ-অপছন্দ লক্ষ্য করুন।
কারও গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত মনে রাখুন।
অন্যের ভালো খবরকে গুরুত্ব দিয়ে গ্রহণ করুন।
শুধু সমস্যা হলে যোগাযোগ করবেন না।
অন্যের perspective বোঝার চেষ্টা করুন।
কথা বলার পাশাপাশি নিজের listening skill উন্নত করুন।
নিজের body language পর্যবেক্ষণ করুন।
প্রতিটি সামাজিক পরিস্থিতিকে practice হিসেবে দেখুন।
যে কৌশলটি আপনার জন্য অস্বাভাবিক মনে হয়, সেটি ধীরে ধীরে অনুশীলন করুন।
নিজেকে অন্যের সঙ্গে তুলনা না করে নিজের অগ্রগতি দেখুন।
লক্ষ্য রাখুন: “আমি কীভাবে তাকে ভালো অনুভব করাতে পারি?”
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ—নিজের মতো থাকুন। কৌশলগুলো ব্যবহার করবেন মানুষকে manipulate করার জন্য নয়; বরং আরও উষ্ণ, আত্মবিশ্বাসী ও মনোযোগী communicator হওয়ার জন্য।
🎯 পুরো বইটি এক বাক্যে
“ভালো communicator সে-ই, যে শুধু ভালো কথা বলতে পারে না—বরং যার সঙ্গে কথা বললে অন্য মানুষ নিজেকে গুরুত্বপূর্ণ, স্বাচ্ছন্দ্যপূর্ণ এবং সম্মানিত মনে করে।”

দৈনন্দিন জীবনে প্রয়োগের সহজ নিয়ম
প্রতিদিন শুধু এই ৫টি অভ্যাস অনুশীলন করলেও বড় পরিবর্তন আসতে পারে:

👁️ কথা বলার সময় স্বাভাবিক eye contact রাখুন।
🙂 সত্যিকারের হাসি দিন।
🧠 মানুষের নাম মনে রাখুন।
👂 উত্তর দেওয়ার জন্য নয়, বোঝার জন্য শুনুন।
❓ নিজের কথা বলার চেয়ে অন্য ব্যক্তির বিষয়ে ভালো প্রশ্ন করুন।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—৯২টি কৌশল একসঙ্গে প্রয়োগ করার দরকার নেই। প্রতিদিন ১–২টি কৌশল বাস্তব জীবনে অনুশীলন করাই বেশি কার্যকর।

Every big company has a starting point.This was ours.This photo was taken in 2013.It was our first “office”.Not a corpor...
03/07/2026

Every big company has a starting point.
This was ours.

This photo was taken in 2013.

It was our first “office”.

Not a corporate building.
Not even a proper office space.

Just a small corner of our drawing room.

A simple desk.
One laptop.
A printer.
A whiteboard on the wall.

And a dream that was far bigger than the room itself.

From this very desk, I started the journey — taking client calls with a headset, sending proposals, solving problems, learning new skills every single day, and sometimes wondering if this crazy dream would ever work.

There were no investors.
No big team.
No guarantees.

Just belief, courage, and the determination to build something meaningful.

Many nights were sleepless.
Many days were uncertain.
Many mistakes were made.

But every challenge taught me a lesson.
And every lesson helped build the foundation of what came next.

Step by step… project by project… client by client… the journey slowly started growing.

What began in a small drawing room has now grown into Betopia Group with a slogan Limitless, Together.

Today the journey looks like this:

• 5000+ Global Talent
• 22 Business Units
• 80+ Countries Served
• 5+ Global Offices
• 80,000+ Projects Delivered Globally
• 14+ Years of Excellence

But numbers only tell a small part of the story.

The real story is the people.

Thousands of talented individuals who believed in the vision.
Colleagues who worked late nights together.
Partners and clients who trusted us when we were still small.

Some stayed for the long journey.
Some moved on to build their own paths.

But every person who contributed positively to this journey will always remain part of this story. For that, I remain deeply grateful.

When I look at this photo today, I don’t just see a desk and a laptop.

I see courage.
I see sacrifice.
I see the moment a dream quietly began.

And before I close, there is one person I must thank.

My beautiful wife, Sabina Akter.

During those early days, while I was chasing this dream from that small desk, she was quietly supporting the journey in ways most people never saw.

Cooking meals in the middle of the night.
Staying awake during long working hours.
Keeping me company while I worked late into the night.

Those moments of support, patience, and belief meant more than words can express.

Behind every long entrepreneurial journey, there is often someone who sacrifices just as much — sometimes even more — without ever asking for recognition.

For that, I remain deeply grateful.

If this journey has taught me anything, it is this:

Never underestimate small beginnings.

Great companies are not built in boardrooms.
They are built through persistence, learning, failure, and the courage to keep going when nobody is watching.

Sometimes the biggest journeys begin in the smallest rooms.

And for us…the journey is still just getting started.

Because in the end, great journeys are never built alone — they are built with the people who believed in the dream even before the world could see it.

If you are building something from a small room today — keep going. Your story might inspire someone else tomorrow.

Muhammad Monir Hossain
Founder & CEO
Betopia Group

সবাইকে পহেলা বৈশাখ এর শুভেচ্ছা✨🌼 নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, আনন্দ ও কল্যাণ🌻🌿🌸 শুভ নববর্ষ 🌸 #বৈশাখ #বৈশাখ১৪৩৩ ...
13/04/2026

সবাইকে পহেলা বৈশাখ এর শুভেচ্ছা✨🌼
নতুন বছর সবার জীবনে বয়ে আনুক শান্তি, আনন্দ ও কল্যাণ🌻🌿
🌸 শুভ নববর্ষ 🌸



#বৈশাখ
#বৈশাখ১৪৩৩
#নববর্ষ
#নববর্ষ১৪৩৩
#শুভনববর্ষ
#শুভনববর্ষ১৪৩৩
#বাংলানববর্ষ
#বাংলানববর্ষ১৪৩৩
#পহেলাবৈশাখ
#পহেলাবৈশাখ১৪৩৩










#ধানমন্ডিগ্রুপ

জিরো থেকে ফ্রিল্যান্সিং: একটি পূর্ণাঙ্গ গাইডএই গাইডটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের জগতে একদম নতুনদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে ...
29/03/2026

জিরো থেকে ফ্রিল্যান্সিং: একটি পূর্ণাঙ্গ গাইড

এই গাইডটি ফ্রিল্যান্সিংয়ের জগতে একদম নতুনদের জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। এখানে আপনি শিখবেন—
ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার আগে যা জানা জরুরি
নিজের দক্ষতা তৈরি করার উপায়
কাজ খোঁজার প্ল্যাটফর্ম ও কৌশল
সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় টিপস

ফ্রিল্যান্সিং বর্তমানে একটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ক্যারিয়ার। সময় ও কাজের স্বাধীনতা, বৈচিত্র্যময় প্রকল্পে অংশ নেওয়ার সুযোগ এবং নিজের দক্ষতা দিয়ে আয় করার সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে অনেকে এই পেশায় আসছেন। তবে, শূন্য থেকে শুরু করা অনেকের কাছেই চ্যালেঞ্জিং মনে হতে পারে। এই গাইড সেই যাত্রাকে সহজ করে তুলবে।

1. ফ্রিল্যান্সিং কী এবং কেন করবেন?
ফ্রিল্যান্সিং হলো নির্দিষ্ট কোনো প্রতিষ্ঠানের অধীনে স্থায়ীভাবে কাজ না করে, নিজের দক্ষতা ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্লায়েন্টের জন্য চুক্তিভিত্তিক বা প্রকল্পভিত্তিক কাজ করা।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের মূল সুবিধা:
কাজের স্বাধীনতা: নিজের সময় অনুযায়ী কাজ বেছে নেওয়ার সুযোগ।
আয়ের সম্ভাবনা: দক্ষতা বাড়ালে আয়ও বাড়বে।
বিভিন্ন প্রকল্পে অভিজ্ঞতা: নানা ধরনের কাজ করে দক্ষতা বৃদ্ধি।
নিজের বস নিজে: কাজের ধরন ও ক্লায়েন্ট আপনি ঠিক করবেন।

2. শুরু করার আগে যা জানা দরকার
দক্ষতা চিহ্নিত করুন: কোন কাজে আপনার আগ্রহ ও দক্ষতা আছে তা নির্ধারণ করুন।
মার্কেট রিসার্চ: আপনার দক্ষতার চাহিদা ও সম্ভাব্য প্ল্যাটফর্ম সম্পর্কে জানুন।
ধৈর্য ধরুন: প্রথম আয় পেতে সময় লাগতে পারে।
যোগাযোগ দক্ষতা: ক্লায়েন্টদের সাথে পরিষ্কার ও প্রফেশনাল যোগাযোগ বজায় রাখুন।

3. প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের উপায়
দক্ষতা অর্জনের জন্য অনলাইন প্ল্যাটফর্ম, কোর্স এবং প্র্যাকটিস সবচেয়ে কার্যকর।

অনলাইন কোর্স: Coursera, Udemy, Skillshare
ফ্রি রিসোর্স: YouTube টিউটোরিয়াল, Google Skillshop, HubSpot Academy
বই ও ব্লগ: বিষয়ভিত্তিক বই ও আর্টিকেল পড়ুন
প্র্যাকটিস: শেখার পাশাপাশি নিয়মিত কাজ করুন
জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং স্কিল:
ওয়েব ডেভেলপমেন্ট
গ্রাফিক ডিজাইন
ডিজিটাল মার্কেটিং
কনটেন্ট রাইটিং
ভিডিও এডিটিং
ডাটা এন্ট্রি

4. কাজ খোঁজার প্ল্যাটফর্ম
Upwork: বহুমুখী ও পেশাদার কাজের মার্কেটপ্লেস
Fiverr: নির্দিষ্ট মূল্যে সেবা বিক্রির প্ল্যাটফর্ম
Freelancer.com: বিড করে কাজ পাওয়ার সুযোগ
Guru: প্রোফাইল তৈরি করে সরাসরি প্রোজেক্টে আবেদন
LinkedIn: নেটওয়ার্কিং ও সরাসরি ক্লায়েন্ট পাওয়ার শক্তিশালী মাধ্যম

5. প্রোফাইল ও বিডিং কৌশল
প্রোফাইল: দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও কাজের নমুনা যুক্ত করুন
বিড: কভার লেটারে ক্লায়েন্টের সমস্যার সমাধান প্রস্তাব করুন
পোর্টফোলিও: মানসম্মত কাজের নমুনা শেয়ার করুন

6. ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ
দ্রুত উত্তর দিন
স্পষ্ট ও প্রফেশনালভাবে কথা বলুন
কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে নিয়মিত আপডেট দিন

7. পেমেন্ট ও ফিন্যান্স ম্যানেজমেন্ট
পেমেন্ট পদ্ধতি: PayPal, Payoneer ইত্যাদি ব্যবহার করুন
ইনভয়েস: প্রতিটি কাজের জন্য ইনভয়েস পাঠান
আয়কর: আয়ের উপর প্রযোজ্য কর পরিশোধ করুন

8. সফল ফ্রিল্যান্সার হওয়ার টিপস
নতুন স্কিল শিখে নিজেকে আপডেট রাখুন

সময় ব্যবস্থাপনা করুন
নেটওয়ার্কিং বাড়ান
ভালো রিভিউ সংগ্রহ করুন
ধৈর্য ও ধারাবাহিকতা বজায় রাখুন

শেষ কথা:
ফ্রিল্যান্সিং এমন একটি পেশা যেখানে আপনার দক্ষতা ও পরিশ্রমই আপনার সফলতার মূল চাবিকাঠি। এই গাইডের ধাপগুলো মেনে চললে আপনি আত্মবিশ্বাসের সাথে ফ্রিল্যান্সিং ক্যারিয়ার শুরু করতে পার




করতে ফেসবুক আপনাকে কতটা সুযোগ দিয়েছে?ফেসবুক এখন ব্যবসার জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে ছোট ও নতুন উদ্যোক্তাদ...
29/03/2026

করতে ফেসবুক আপনাকে কতটা সুযোগ দিয়েছে?

ফেসবুক এখন ব্যবসার জন্য একটি শক্তিশালী প্ল্যাটফর্ম, বিশেষ করে ছোট ও নতুন উদ্যোক্তাদের জন্য। সহজভাবে বললে, খুব কম খরচে বড় বাজারে পৌঁছানোর অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হলো Facebook।

প্রথমত, ফেসবুকে সম্পূর্ণ ফ্রি-তে ব্যবসা শুরু করা যায়। একটি page খুলেই আপনি আপনার পণ্য বা সেবা প্রদর্শন করতে পারেন, কোনো দোকান ভাড়া বা বড় বিনিয়োগ ছাড়াই।

দ্বিতীয়ত, এখানে রয়েছে বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারী। আপনি সহজেই আপনার নির্দিষ্ট টার্গেট কাস্টমারদের খুঁজে পেতে পারেন এবং তাদের কাছে পৌঁছাতে পারেন।

তৃতীয়ত, Facebook Ads এর মাধ্যমে বয়স, লোকেশন, আগ্রহ ইত্যাদির ভিত্তিতে নির্দিষ্ট কাস্টমারদের কাছে আপনার পণ্য প্রচার করা সম্ভব, যা বিক্রয় বাড়াতে অনেক সাহায্য করে।

এছাড়া নিয়মিত পোস্ট, ভিডিও ও রিলসের মাধ্যমে আপনি নিজের একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড তৈরি করতে পারেন। এতে করে মানুষ আপনার ব্যবসাকে চিনতে ও বিশ্বাস করতে শুরু করে।

ফেসবুক আপনাকে কাস্টমারের সাথে সরাসরি যোগাযোগের সুযোগও দেয়। ইনবক্স, কমেন্ট ও লাইভের মাধ্যমে কাস্টমারের সাথে কথা বলা যায়, যা সম্পর্ক ও বিশ্বাস গড়ে তোলে।

এছাড়া Facebook Groups ব্যবহার করে নির্দিষ্ট কমিউনিটির সাথে যুক্ত হয়ে সহজেই বিক্রয় বাড়ানো সম্ভব।

বর্তমানে লাইভ সেল এবং ভিডিও মার্কেটিংও খুব জনপ্রিয়, যেখানে সরাসরি পণ্য দেখিয়ে কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ করে বিক্রি করা যায়।

সংক্ষেপে, ফেসবুক আপনাকে দিয়েছে ফ্রি মার্কেটপ্লেস, কম খরচে বিজ্ঞাপন, ব্র্যান্ড গড়ে তোলার সুযোগ এবং কাস্টমারের সাথে সরাসরি সংযোগের সুবিধা।

সঠিকভাবে ব্যবহার করতে পারলে, ফেসবুকই আপনার ব্যবসার সবচেয়ে বড় সম্পদ হয়ে উঠতে পারে।



আলহামদুলিল্লাহঢাকা - ১০ আসন ধানের শীষ থেকে বিজয়ী হয়েছেন জনাব শেখ রবিউল আলম রবি।                  #বিএনপি    #ঢাকা১০    #...
12/02/2026

আলহামদুলিল্লাহ
ঢাকা - ১০ আসন ধানের শীষ থেকে বিজয়ী হয়েছেন জনাব শেখ রবিউল আলম রবি।


#বিএনপি #ঢাকা১০ #বাংলাদেশ #জাতীয়নির্বাহী_কমিটি

Dhanmondi Infotech

Top AI Tools That You Cannot Miss Out! 💥1. ChatGPT.com (solve anything)2. Reccloud.com (generate voice)3. Tome.app (buil...
10/02/2026

Top AI Tools That You Cannot Miss Out! 💥

1. ChatGPT.com (solve anything)
2. Reccloud.com (generate voice)
3. Tome.app (build presentations)
4. Pika.art (create videos)
5. Gamma.app (design docs)
6. Suno.ai (make music)
7. Picwish.com (image editing)
8. Perplexity.ai (research assistant)
9. Krea.ai (logo design)
10. Fliki.ai (voiceovers)
11. Runway.ml (film editing)
12. Relume.io (web design)
13. LumaLabs.ai (3D models)
14. Descript.com (edit audio)
15. ElevenLabs.io (clone voices)

AI tools

BTCL এর নতুন ভার্চুয়াল অপারেটর সিম আসছে এইটা নিশ্চিত। যতদূর জেনেছি এইটা টেলিটক এর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কাজ করবে।সম্পূ...
05/02/2026

BTCL এর নতুন ভার্চুয়াল অপারেটর সিম আসছে এইটা নিশ্চিত। যতদূর জেনেছি এইটা টেলিটক এর নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে কাজ করবে।

সম্পূর্ণ নতুন প্রোডাক্ট, নতুন সিম, নতুন নাম্বারে পাবেন। ভয়েস কল আনলিমিটেড পেতে পারেন। ডাটা সাশ্রয় মূল্যে পাওয়া যাবে। মানে কলিং, ডাটা, ম্যাসেজিং, আলাপ সবই ব্যবহার করা যাবে এই সিমে।

অলরেডি এইটা দিয়ে টেস্ট চালানো হচ্ছে এবং সফল ভাবে কলিং এবং ডাটা টেস্ট করা গেছে। কয়েকদিনে আরো পাইলট টেস্টিং করা হবে। এরপরে হয়তো লিমিটেড ভাবে বাজারে ছাড়া হতে পারে।

এখন বলবেন, টেলিটক নিজেই চলে না, আমার তাদের নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে আরেকটা অচল মাল মার্কেটে আসছে। টেকনিকাল ভাবে দেখতে গেলে ব্যাপার টা একটু আলাদা।

টেলিটক এবং BTCL আলাদা প্রতিষ্ঠান — টেলিটক হয়তো তাদের অবকাঠামো ঠিক মত ব্যবহার করতে ব্যার্থ, তবে BTCL আল্ট্রা সস্তা প্ল্যান বের করে, বিশেষ করে আনলিমিটেড কলিং সুবিধা দিয়ে বড় একটা পার্থক্য আনতে পারে।

তাছাড়া দেশে ভার্চুয়াল অপারেটর অনুমোদন দেওয়া শুরু হয়েছে, সেটা ডেমো হিসেবেও একটা সার্ভিস তো লাগবে। আমি মনে করি এইটা সরকারি ভাবে একটা পাইলট টেস্টিং প্রজেক্ট। এটা হয়তো অন্য MVNO কোম্পানিদের আকৃষ্ট করবে। বাইরের দেশের অনেক কোম্পানি হয়তো আসতে চাইবে।

হ্যা, টেলিটকের ধারণ ক্ষমতা বা অবকাঠামো নিয়ে আমরা প্রশ্ন করতে পারি। তবে BTCL MVNO সিম যদি ভালো করে, সেক্ষেত্রে পরোক্ষ ভাবে টেলিটকের অবকাঠামো ও উন্নতি করা।সম্ভব হবে। তবে শোনা যাচ্ছে পরে হয়তো বাংলালিংক ও যুক্ত হবে এই নেটওয়ার্কের সাথে।

MVNO গুলো যদি দেশে আসে এবং একাধিক মোবাইল অপারেটরদের পার্টনার বানায়, তাহলে কাভারেজ ইস্যু নেক্সট লেভেলে ফিক্স করা সম্ভব হবে। সাথে MNO গুলো ভালই একটা চ্যালেঞ্জ পেয়ে যাবে।

যত অপশন তৈরি হবে মার্কেটে মনোপলি কমবে এবং গ্রাহকদের জন্য Win/Win সিচুয়েশন তৈরি করবে। আমি আপাতত এই দিকে ইতিবাচক মনোভাব রাখতে চাচ্ছি। কারণ আশা ধারণ করা ছাড়া আমাদের কাছে আর কি অপশন আছে?

Dhanmondi Infotech

 #কোম্পানির জন্ম মাত্র ২০০৬ সালে..!ছবির এই ভবনটি দুনিয়া বদলানো একটি কোম্পানির হেডকোয়ার্টার। কোম্পানির জন্ম মাত্র ২০০৬ ...
01/02/2026

#কোম্পানির জন্ম মাত্র ২০০৬ সালে..!
ছবির এই ভবনটি দুনিয়া বদলানো একটি কোম্পানির হেডকোয়ার্টার। কোম্পানির জন্ম মাত্র ২০০৬ সালে এবং বর্তমান মার্কেট ভ্যালু বাংলাদেশের রিজার্ভের সমান প্রায়।
সবচেয়ে মজার ব্যাপার হচ্ছে তার কোন প্রতিযোগী নেই।
জি, বলছি র কথা।
সারা দুনিয়ার ড্রোনের এক চেটিয়া বাজার যার দখলে। সে কোন দুর্নীতি করে বাজার দখল করে নাই। বরং তার পণ্য এত ভালো যে কেউ দাড়াতে পারছে না আশে পাশে।
যেই সময় অন্যরা গবেষণা করে তার কাছাকাছি পণ্য আবিষ্কার করে সেই সময়ে তার পরের প্রজন্মের প্রযুক্তি dji হাতের মুঠোয় নিয়ে আসে। সেই পর্যায়ে বাকিরা যেতে যেতে dji পরের পর্যায়ে পৌঁছে যায়।
সব মিলিয়ে আমেরিকা বিরক্ত হয়ে মাস খানেক আগে dji পণ্যের উপর এক প্রকার বয়কট আরোপ করে। এভাবে মার্কিন পণ্য কিনতে অনেক প্রতিষ্ঠানকে বাধ্য করছে। কিন্তু সমস্যা একটাই দামে বেশি মানে কম। সেজন্য ক্রেতারা শেলফে যা ছিল দোকানের তাই বেশি বেশি কিনে জমিয়ে রাখছে।
সব মিলিয়ে সে এমন একজন ব্যাক্তি যার সাথে ড্রোন বিদ্যায় পারদর্শিতায় কেউ নেই কাছাকাছি। এজন্য আমরা ভালো মানের ড্রোন পাচ্ছি আর চীন পাচ্ছে বিশ্ব জোড়া সম্মান।
বলা হয় ড্রোন শিল্পে dji এমন বিদ্যা জানে যা আর কারো কাছে নেই। এই কোম্পানির ফাউন্ডার একজন অদ্ভুত ব্যাক্তি যে তার পণ্যে গুণগত মান নিয়ে পাগল। আগে সে ইঞ্জিনিয়ার পরে ব্যবসায়ী। মিডিয়া এটেনশন নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই সারাদিন তার কর্মে নিবিষ্ট সেরার সেরা কিছু তৈরি করার ব্যপারে।



ফলো করুনমুহাম্মদ মনির হোসেন, সিইও, বিটোপিয়া গ্রুপ২০১৭ সালে পাঁচ লাখ টাকা বিনিয়োগ ও সাতজন কর্মী নিয়ে শুরু হয়েছিল প্রযুক্...
13/01/2026

ফলো করুন



মুহাম্মদ মনির হোসেন, সিইও, বিটোপিয়া গ্রুপ

২০১৭ সালে পাঁচ লাখ টাকা বিনিয়োগ ও সাতজন কর্মী নিয়ে শুরু হয়েছিল প্রযুক্তি খাতের প্রতিষ্ঠান বিডিকলিং আইটির যাত্রা। এরপর গত আট বছরে প্রতিষ্ঠানটির কলেবর বেড়েছে কয়েক গুণ। ছোট্ট এক প্রতিষ্ঠান থেকে জন্ম নিয়েছে ২২টি কোম্পানির বিটোপিয়া গ্রুপ। কর্মী সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় চার হাজারে। পাঁচ লাখ টাকায় যাত্রা শুরু করা প্রতিষ্ঠানটি এখন মাসে কর্মীদের বেতনই দেয় আট কোটি টাকা।

বিটোপিয়া গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী (সিইও) প্রকৌশলী মুহাম্মদ মনির হোসেন। একেবারে শূন্য থেকে শুরু করে তিনি বিটোপিয়া গ্রুপকে বাংলাদেশের অন্যতম দ্রুত বর্ধনশীল প্রযুক্তি কোম্পানিতে রূপ দিয়েছেন। মনির হোসেনের উদ্যোক্তা–জীবনের যাত্রা শুরু অবশ্য ২০১৩ সালে। তখন ওডেস্ক ও ইল্যান্সের মতো আন্তর্জাতিক ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মে একা কাজ শুরু করেন তিনি। একপর্যায়ে বাড়তে থাকে কাজের চাপ। পরে প্রতিষ্ঠা করেন বিডিকলিং আইটি।

প্রথম দিকে ওয়েব ডিজাইন ও ডেভেলপমেন্ট, মোবাইল অ্যাপস তৈরি, ভিজ্যুয়াল ও ক্রিয়েটিভ ডিজাইন, ডেটা এন্ট্রি, ডিজিটাল মার্কেটিং প্রভৃতি খাতে কাজ করত প্রতিষ্ঠানটি। আর বর্তমানে বিটোপিয়া গ্রুপের অধীনে নতুন করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), ক্লাউড ও ডেটা সেন্টার প্রভৃতি সেবা যুক্ত হয়েছে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিদ্যুতের সরঞ্জাম, সরবরাহ শৃঙ্খল ও অবকাঠামো উন্নয়ন খাতেও তাদের বিনিয়োগ রয়েছে। এ ছাড়া ইন্ডাস্ট্রি-স্পেসিফিক সমাধান যেমন ফিনটেক, স্বাস্থ্যসেবা, জ্বালানি, অবকাঠামো প্রভৃতি খাতে পূর্ণাঙ্গ প্রযুক্তি সেবা দেয় গ্রুপটি। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, কানাডা, জাপান, ব্রাজিল ও ফিলিপাইনসহ বিশ্বের ৭৮টি দেশে তাদের কার্যক্রম বিস্তৃত। তবে তাদের মোট কাজের প্রায় ৮০ থেকে ৯০ শতাংশই যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক।

বছরে আয় ২০০ কোটি টাকা

দুই বছর আগে, অর্থাৎ ২০২৩ সালের ডিসেম্বরে বিডিকলিং আইটির কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন করেছিল প্রথম আলো। ওই সময় প্রতিষ্ঠানটিতে ৪০০ কর্মী কাজ করতেন। মাসে আয় ছিল প্রায় আড়াই কোটি (বছরে ৩০ কোটি) টাকা। এরপর গত দুই বছরেই প্রতিষ্ঠানটির কর্মী বেড়েছে ৯০০ শতাংশ, আর আয় বেড়ে হয়েছে প্রায় সাত গুণ।

বিটোপিয়া গ্রুপে এ পর্যন্ত ৪৫ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংকঋণ ৩ কোটি টাকা, আর গ্রুপের নিজস্ব বিনিয়োগ ৪২ কোটি টাকা। গত অর্থবছরে বিটোপিয়া গ্রুপের সব প্রতিষ্ঠানের সম্মিলিত বার্ষিক আয় ছিল ২০০ কোটি টাকা। প্রতিষ্ঠানটি প্রতি মাসে কর্মীদের প্রায় আট কোটি টাকা বেতন দেয়। আর গত অর্থবছরে সরকারকে রাজস্ব দিয়েছে ২৫ লাখ টাকা।

বিটোপিয়া গ্রুপের সিইও মনির হোসেন বলেন, ‘আমাদের কর্মীরা খুবই আন্তরিক, দক্ষ ও সৃজনশীল। এটিই আমাদের সাফল্যের মূল চাবিকাঠি। আমি স্বপ্ন দেখি দেশের জন্য, মানুষের জন্য, কর্মসংস্থান তৈরি করতে হবে। আমার কর্মীরাও সেটা ধারণ ও বাস্তবায়ন করে।’

হঠাৎ চাকরি হারিয়ে বেকার মনির যেভাবে সফল উদ্যোক্তা



রাজধানীর মহাখালীতে বিটোপিয়া গ্রুপের কার্যালয়ে কাজ করছেন কর্মীরা। এখানে তাঁরা সফটওয়্যার, অ্যাপ তৈরি, এআই ভিত্তিক সমাধান নিয়ে কাজ করেনছবি: বিটোপিয়ার সৌজন্যে

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে কাজ

বিটোপিয়া গ্রুপ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও নতুন প্রযুক্তিনির্ভর খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছে। দেশে প্রথম দিককার উদ্যোগ হিসেবে তারা এআই-ভিত্তিক ডাটা সেন্টার স্থাপনের কাজ শুরু করেছে। যেখানে থাকবে উচ্চক্ষমতার জিপিইউ অবকাঠামো। ফলে এই ডেটা সেন্টারের মাধ্যমে এআই ও মেশিন লার্নিং অ্যাপ্লিকেশন পরিচালনা সহজ হবে।

এআই খাতে বিনিয়োগের পাশাপাশি বৈশ্বিক বাজারে দ্রুত সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়েছে বিটোপিয়া গ্রুপ। যুক্তরাষ্ট্র, ইউরোপ, মধ্যপ্রাচ্য, পূর্ব এশিয়া ও আফ্রিকা অঞ্চলে স্থানীয় প্রতিনিধির মাধ্যমে সেবা বিক্রি করছে তারা। একই সঙ্গে স্থানীয় অন্য প্রযুক্তি কোম্পানির পণ্য আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য রয়েছে তাদের। মনির হোসেন জানান, তাঁদের প্রতিষ্ঠান দেশে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ডেটা সেন্টার তৈরি করেছে। এর ফলে নিজস্ব ডেটা সেন্টার দিয়ে কম খরচে স্থানীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে।

মনির হোসেন বলেন, ‘বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারের আকার ৬০০ থেকে ৮০০ কোটি মার্কিন ডলারের। সেখানে এআই ও ক্লাউড মার্কেটের বাজার ট্রিলিয়ন (লাখ কোটি) ডলারের কাছাকাছি চলে যাচ্ছে। স্থানীয় বা বৈশ্বিক বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠান এআই রূপান্তরের পথে হাঁটছে। ফলে আমরা এসব সেবা বিক্রি করে উল্লেখযোগ্য বৈদেশিক মুদ্রা আয় বাড়াতে পারি। এ জন্য প্রয়োজন দক্ষ জনবল, প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি, ডেটা সেন্টার ও উপযুক্ত হার্ডওয়্যার উপকরণ। জিপিইউসহ এআই–সংক্রান্ত হার্ডওয়্যার আমদানিতে শুল্ক ছাড় দেওয়া হলে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষে বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।’

চ্যালেঞ্জ কী

বর্তমানে দেশের তথ্যপ্রযুক্তি ও এআই খাতে বেশ কিছু মৌলিক চ্যালেঞ্জ রয়েছে বলে মনে করেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জগুলোর একটি হলো ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের উচ্চ খরচ এবং এর সীমিত প্রাপ্যতা। যদিও বাজারে দাম কমছে বলা হয়, বাস্তবে আন্তর্জাতিক পর্যায়ের তুলনায় এখনো ব্যয়বহুল। বিশেষ করে দুই স্তরের লাইসেন্স কাঠামোর কারণে খরচ দ্বিগুণ বা তিন গুণ হয়ে যায়।

মনির হোসেন বলেন, ‘এ খাতের দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হলো নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ। সাময়িকভাবেও বিদ্যুৎ বন্ধ হলে আমাদের ব্যবসা কার্যত থমকে যায়। তাই দীর্ঘ মেয়াদে গ্রিন এনার্জি ব্যবহার ও টেকসই বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থা তৈরি করা জরুরি। তৃতীয় চ্যালেঞ্জ দক্ষ জনবল এবং হাইটেক অবকাঠামোর ঘাটতি। দক্ষ সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, পাইথন ডেভেলপারের ঘাটতিও রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা কাটানো ছাড়া আমরা বৈশ্বিক এআই ও প্রযুক্তি বাজারে প্রতিযোগিতা সক্ষম হতে পারব না। চতুর্থ চ্যালেঞ্জ হলো দেশের ব্র্যান্ডিং কম থাকা। ভারত বা ফিলিপাইনের মতো বাংলাদেশের এখনো সুপরিচিত আইটি বা সফটওয়্যার হাব হিসেবে ব্র্যান্ড ভ্যালু তৈরি হয়নি। বৈশ্বিক বাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তি ও সাফল্যের গল্প প্রচার করা হলে আন্তর্জাতিক গ্রাহকদের আস্থা বাড়বে।’

গত দেড় দশকে দেশে ফ্রিল্যান্সিং খাতে অনেক বিনিয়োগ ও প্রচারণা হয়েছে। ব্যক্তি পর্যায়ে অনেক ফ্রিল্যান্সারও তৈরি হয়েছে। কিন্তু ফ্রিল্যান্সিং দীর্ঘ মেয়াদে স্থায়ী চাকরি তৈরি করতে পারছে না বলে মনে করেন মনির হোসেন। তিনি বলেন, বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা বেশি হওয়ায় ফ্রিল্যান্সারদের আয় স্থির থাকে না। তাই আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত স্থানীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি করা, যারা সরাসরি আন্তর্জাতিক বাজারের জন্য কাজ করবে। এতে দেশে স্থায়ী কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।

Dhanmondi Infotech

Address

Dhanmondi
Dhaka
1205

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhanmondi Infotech posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share