Everest IT Software and Services

Everest IT Software and Services Everest It Software and Services is a fast growing software company which consists of a team of skil

Developing responsive, SEO and user-friendly and highly secure dynamic websites, blog, e-commerce and customized web application as per clients demand.

এফডিসির সব তথ্য এক অ্যাপেবাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ফাইল ছবিবাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের আঁতুড়ঘর বাং...
22/11/2017

এফডিসির সব তথ্য এক অ্যাপে

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। ফাইল ছবিবাংলাদেশের চলচ্চিত্র শিল্পের আঁতুড়ঘর বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশন (বিএফডিসি)। নায়করাজ রাজ্জাক থেকে শুরু করে হালের জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খান—চলচ্চিত্রের প্রতিষ্ঠিত সব অভিনয়শিল্পীর হাতেখড়ি এই এফডিসিতেই। এফডিসির বিষয়ে মানুষের জানার আগ্রহও অনেক। এই প্রতিষ্ঠানটির অনেক তথ্যই এখন পাওয়া যাচ্ছে একটি মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনে। স্মার্টফোনভিত্তিক এই অ্যাপটির নামও এফডিসি।

সরকারের তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) বিভাগের একটি প্রকল্পের মাধ্যমে ২০১৪ সালে এই অ্যাপটি চালু করা হয়। গুগলের প্লে স্টোর থেকে ডাউনলোড করে আগ্রহী যে কেউ এই অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। অ্যাপটিতে এফডিসি-সম্পর্কিত বিভিন্ন তথ্যের পাশাপাশি অভিনেতা-অভিনেত্রী, পরিচালক, প্রযোজকসহ এই শিল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। এফডিসিতে ছবির শুটিং করতে হলে কী করণীয়, কত খরচ—সব তথ্যও জানা যাবে এই অ্যাপ থেকে।

কী আছে অ্যাপে: পুরো অ্যাপটিকে নয়টি বিষয় অনুযায়ী সাজানো হয়েছে। বিষয়গুলো হলো চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তির পরিচয়, দেশব্যাপী সিনেমা হলের ঠিকানা, এফডিসির বিভিন্ন সেবা, চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংগঠনের নাম, এফডিসিতে যাওয়ার জিপিএস ঠিকানা, চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান পাওয়ার আবেদন ফরম, সিটিজেন চার্টার, ভিডিও গ্যালারি ও এফডিসির কর্মকর্তাদের তালিকা।

এফডিসির তালিকাভুক্ত চলচ্চিত্র প্রযোজক, পরিচালক, অভিনয়শিল্পীদের নামের তালিকা পাওয়া যাবে এই অ্যাপে। এ ছাড়া তালিকাভুক্ত গল্পকার, ক্যামেরাম্যান, সম্পাদক, নৃত্যপরিচালক, অ্যাকশন দৃশ্য পরিচালক, শিল্পনির্দেশক, সহকারী পরিচালকদের তথ্যও এখানে পাওয়া যাবে।

এফডিসির বিভিন্ন স্থানে শুটিং করার ক্ষেত্রে খরচের তথ্য পাওয়া যাবে এই অ্যাপে। যেমন: ৮ ও ৯ নম্বর ফ্লোরে এক বেলা শুটিং করতে হলে খরচ পড়বে যথাক্রমে ৭ হাজার ৫০০ টাকা। একইভাবে সেট তৈরি, সম্পাদনা, শব্দ, আলোকসজ্জাসহ একটি চলচ্চিত্র তৈরির বিভিন্ন কারিগরি কাজের ব্যয়ের তালিকাও আছে।

যেভাবে ফিরে পাবেন ডিলিট হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজজনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ একটি ফিচার নিয়...
22/11/2017

যেভাবে ফিরে পাবেন ডিলিট হওয়া হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ

জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহারকারীদের জন্য দারুণ একটি ফিচার নিয়ে এসেছিল দিনকয়েক আগেই। ‘ডিলিট ফল এভরিওয়ান’ ফিচারের মাধ্যমে অসাবধানতায় পাঠিয়ে দেওয়া হোয়াটস অ্যাপ মেসেজ ফিরিয়ে নেওয়ার সুবিধা করে দিয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ।
কিন্তু ডিলিট করে দেওয়া সেই মেসেজই আবার ফিরিয়ে আনতে চান? ৭ মিনিটের মধ্যে তেমন ইচ্ছে আপনার পূরণ হবে।

হোয়াটস অ্যাপের ‘ডিলিট ফল এভরিওয়ান’ ফিচারের মাধ্যমে মেসেজ ডিলিট করে দেওয়ার পর সেই মেসেজ ‘this message was deleted’-এ চলে যায়। ৭ মিনিটের মধ্যে আপনি ডিলিট করে দেওয়া সেই মেসেজ ফিরিয়ে আনতে পারবেন। কী করতে হবে তার জন্য? জেনে নিন-

১) ডিলিট করে দেওয়া হোয়াটস অ্যাপ মেসেজ ৭ মিনিটের মধ্যে ফিরিয়ে আনতে প্রথমে আপনাকে গুগল অ্যাপ স্টোর থেকে ‘notification history’ নামের একটি অ্যাপ্লিকেশন ডাউনলোড করতে হবে। অ্যান্ড্রয়েড ৬ বা তার বেশি অপারেটিং সিস্টেম রয়েছে শুধুমাত্র এমন ফোনেই ব্যবহার করা যাবে অ্যাপটি। অ্যাপ্লিকেশনটি ডাউনলোড করার পর নোটিফিকেশন লগে গিয়ে আপনি মেসেজটি পেতে পারেন।

২) যাঁরা নোভা লঞ্চার ব্যবহার করেন, তাঁরা কোনো থার্ড পার্টি অ্যাপ্লিকেশন ছাড়াই হোয়াটস অ্যাপের ডিলিট করে দেওয়া মেসেজ ফেরত পেতে পারেন। এর জন্য আপনাকে কয়েকটি সহজ কাজ করতে হবে। প্রথমে Widgets-এ যান।
এরপর Activities-এ ক্লিক করুন। এবার Settings-এ যান। তারপর Notification log-এ ক্লিক করুন। ডিলিট হয়ে যাওয়া হোয়াটস অ্যাপ মেসেজ ফেরত পেয়ে যাবেন।

সূত্র: ইন্টারনেট

তথ্যপ্রযুক্তিতে আয়ের লক্ষ্য ৫০০ কোটি ডলার২০২১ সাল নাগাদ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের আয় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর...
21/11/2017

তথ্যপ্রযুক্তিতে আয়ের লক্ষ্য ৫০০ কোটি ডলার

২০২১ সাল নাগাদ তথ্যপ্রযুক্তি খাতে বাংলাদেশের আয় ৫০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরে এ খাত থেকে প্রায় ৮০ কোটি মার্কিন ডলার আয় এসেছে যা আগামী বছরের জুন মাস পর্যন্ত ১০০ কোটি মার্কিন ডলারে পৌঁছাবে।

গত ১৬ নভেম্বর ডিজিটাল ওয়ার্ল্ড ২০১৭ উপলক্ষে ঢাকায় সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে জানতে চাইলে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ এ কথা জানান।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ জানান, বর্তমানে তথ্য প্রযুক্তি খাতে দ্রুতগতিতে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ইউরোপের দেশগুলোর পাশাপাশি, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, রাশিয়া ও ভারত থেকে তথ্য প্রযুক্তি খাতের আয় আসছে।

আগামীর সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করা এবং এ জন্য দেশীয়, আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার ক্ষেত্র প্রস্তুত করতে ৬ ডিসেম্বর থেকে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হচ্ছে চার দিনের তথ্যপ্রযুক্তি প্রদর্শনী।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের আয়োজনে ৭ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে মন্ত্রীদের বিশেষ সম্মেলন। সৌদি আরব, ফিলিপাইন, আফগানিস্তান, কঙ্গো ও মালদ্বীপরে মন্ত্রীরা অংশ নেবেন। এবারে প্রায় ২০০ বক্তা বিভিন্ন সেমিনারে অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে গুগল, ফেসবুক, নুয়ান্স, মটোরোলা, কোয়ালকমের কর্মকর্তারা আছেন।

প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ জানান, এবারের তথ্যপ্রযুক্তি মেলায় সোফিয়া রোবটকে আনার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। হংকংয়ের একটি কোম্পানি ‘হ্যান্সন রোবোটিকস’ সোফিয়া নামের রোবটটি তৈরি করেছে। সম্প্রতি রোবটটিকে সৌদি নাগরিকত্ব দেওয়া নিয়ে সামাজিক যোগাযোগের ওয়েবসাইটে নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়।

জুনাইদ আহমেদ জানান, ৫০০ কোটি মার্কিন ডলার আয়ের লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে দক্ষ মানব সম্পদ তৈরির পাশাপাশি প্রযুক্তি খাত উন্নয়নে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য সহজ নীতিমালাসহ বিভিন্ন সুবিধা দেওয়া হবে।

বাংলাদেশে সাইবার নিরাপত্তার উন্নতি প্রসঙ্গে জুনাইদ আহমেদ প্রথম আলোকে জানান, প্রযুক্তিক্ষেত্রে বাংলাদেশে উন্নত হওয়ায় সাইবার নিরাপত্তার ঝুঁকিও স্বাভাবিকভাবে বাড়ছে। এ ক্ষেত্রেও প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশ এখনো পর্যাপ্ত সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ নেই। তাই সাইবার নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ তৈরিতে প্রশিক্ষণ দিতে কাজ করছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ। আমাদের অর্থনীতির আকার ২৪ হাজার ৬০০ কোটি মার্কিন ডলারের। গত কয়েক বছরে আমাদের প্রবৃদ্ধি সাত শতাংশের ওপরে। তাই আমাদের সাইবার নিরাপত্তার বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে। এবারের ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে তথ্য প্রযুক্তি প্রদর্শনীর পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তা নিয়েও বিশেষ আয়োজন করা হয়েছে।

এবারের মেলা সবার জন্য উন্মুক্ত। সকাল ৯ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত মেলা চলবে। ডিজিটাল ওয়ার্ল্ডে প্রবেশের জন্য অগ্রিম নিবন্ধন করতে হবে, www.digitalworld.org.bd এই ওয়েবসাইট থেকে। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের আয়োজনে এ মেলা আয়োজনে সহযোগিতা করছে বেসিস, বিসিসি ও এটুআই।

The biggest tech festival in Bangladesh is taking place from 6th - 9th Dec, 2017 at Dhaka. Sign Up now to get your pass.

ইউটিউবকে টেক্কা দিতে ফেসবুকের নতুন চমকগুগলের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবকে টেক্কা দিতে ভিডিও নির্মাতাদের ফেসবুকে টেনে আনতে ...
21/11/2017

ইউটিউবকে টেক্কা দিতে ফেসবুকের নতুন চমক

গুগলের ভিডিও প্ল্যাটফর্ম ইউটিউবকে টেক্কা দিতে ভিডিও নির্মাতাদের ফেসবুকে টেনে আনতে নতুন টুলের ঘোষণা করেছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ। ফেসবুক ক্রিয়েটর নামের একটি অ্যাপ করিয়েছে সংস্থাটি।

এ অ্যাপটির সাহায্যে ভিডিও মেকাররা আসল ভিডিও তৈরি, বিশেষ ফিচারসহ ফেসবুক লাইভ ও কমিউনিটির সঙ্গে যোগাযোগ করার সুবিধা পাবেন। এ অ্যাপটি আপাতত আইওএস এর জন্যে নিয়ে এসেছে ফেসবুক। শিগগিরই এটি অ্যান্ড্রয়েডের জন্যেও নিয়ে আসা হবে বলে জানিয়েছে ফেসবুক কর্তৃপক্ষ।

গত শুক্রবার ফেসবুকের পক্ষ থেকে থেকে জানানো হয়েছে, ফেসবুকে ভিডিও মেকাররা ২০০ কোটির বেশি ফ্যান ও কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত থাকতে, তাদের মতামত জানতে, লাইভে তাদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতে ও অর্থ আয় করার সুযোগ পাবেন। অ্যাপটিতে এমন কিছু টুল আছে, যাতে সরাসরি সম্প্রচার করার বিষয়টি আরো সহজ হবে। ভিডিও নির্মাতারা ফেসবুক স্টোরিজে যুক্ত হতে পারবেন।

অ্যাপ ছাড়াও ফেসবুক ফর ক্রিয়েটরস নামে একটি ওয়েবসাইট চালু করেছে ফেসবুক। কীভাবে উন্নত ভিডিও তৈরি ও ভিউয়ার বাড়ানো যায়, এ ব্যাপারে তথ্য ও পরামর্শ রয়েছে ওই সাইটে। ভিডিওকেন্দ্রিক ফিচার গত বছরে চালুর পর থেকে বর্তমানে ‘4k’ কোয়্যালিটির ভিডিও নিয়ে পরীক্ষা চালাচ্ছে ফেসবুক।

২০১০ সাল থেকে 4k কোয়্যালিটির ভিডিও নিয়ে কাজ করছে ইউটিউবও। গত বছর 4k লাইভস্ট্রিমিং চালু করেছে সংস্থাটি। তবে ফেসবুক তাদের লাইভ ৩৬০ ভিডিওতে 4k রেজল্যুশন সাপোর্ট করছে।

সূত্র: ইন্টারনেট

২৮ জেলায় আইসিটি পার্ক নির্মাণ করছে সরকার| তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সরকার ন...
20/11/2017

২৮ জেলায় আইসিটি পার্ক নির্মাণ করছে সরকার|

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, সরকার নাটোরের সিংড়াসহ দেশের ২৮টি জেলায় আইসিটি পার্ক নির্মাণ করছে। প্রযুক্তি শিক্ষায় শিক্ষিত এদেশের তরুণরাই বিশ্ব জয় করবে। এই লক্ষ্যে তাদের দক্ষ করে গড়ে তোলার জন্য প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ ও প্রশিক্ষণের পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ শনিবার সিংড়া গোল-ই-আফরোজ সরকারি কলেজে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ সব একথা বলেন তিনি। সিংড়া গোল-ই-আফরোজ সরকারী কলেজ মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর আতিকুর রহমান ।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, প্রযুক্তির ব্যবহারে বাংলাদেশ বিশ্বের মডেল হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং তথ্য প্রযুক্তির রুপকার সজীব ওয়াজেদ জয়ের অনন্য অবদানের কারণেই এই অর্জন সম্ভব হচ্ছে। এই লক্ষ্যে পৌঁছতে প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রনয়ন করে তা বাস্তবায়ন কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, সাইত্রিশ বছরের পিছিয়ে পড়া বাংলাদেশ দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে শেথ হাসিনার যোগ্য ও দক্ষ নেতৃত্বে।

বাসস

স্মার্টফোনের ব্যাটারির সমস্যা? নিচের অ্যাপগুলো খুব বেশি পরিমানে আপনার ব্যাটারীর চার্জ খরচ করে, কিংবা ইন্টারনাল স্টোরেজে ...
20/11/2017

স্মার্টফোনের ব্যাটারির সমস্যা?

নিচের অ্যাপগুলো খুব বেশি পরিমানে আপনার ব্যাটারীর চার্জ খরচ করে, কিংবা ইন্টারনাল স্টোরেজে বেশি জায়গা সহ মোবাইল ধীর গতি এমন কি ব্যাটারী জীবনকাল কমিয়ে দেয়|

১. ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা : অনলাইন দুনিয়ায় সবচেয়ে বেশি খেলা গেমগুলির মধ্যে একটি ক্যান্ডি ক্রাশ সাগা। এভিজি জানিয়েছে, এই গেম মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ অনেক কমিয়ে দেয়, ব্যাটারির চার্জ ফুরোয় দ্রুত এবং ডেটা কনসামশন অনেক কমে যায়।

২. পেট রেসকিউ সাগা : অনলাইনে এই গেমটিও খুব জনপ্রিয়। ক্যান্ডি ক্রাশের মতোই এই গেমটিও মোবাইলের ডেটা এবং স্টোরেজ কনসামশন অনেক কমিয়ে দেয়, ক্ষতি করে ব্যাটারির।

৩. ক্ল্যাশ অফ ক্ল্যান্স : নেট দুনিয়ায় খুবই জনপ্রিয় এই মোবাইল গেম। কিন্তু এভিজির সতর্কবার্তা, এই গেম ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে।

৪. গুগল প্লে সার্ভিস : গুগল প্লে সার্ভিস থেকে সারা দিন নিত্য নতুন অ্যাপ্লিকেশন বা গেম ডাউনলোড করছেন? সাবধান! এই অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপটি আপনার মোবাইলের ইন্টারনাল স্টোরেজ তছনছ করে দেবে।

৫. ওএলএক্স : আজকাল বেশিরভাগেরই মোবাইলে এই অ্যাপটি ডাউনলোড করা থাকে। কিন্তু এভিজি জানাচ্ছে, এই অ্যাপটি অধিক মাত্রায় ব্যবহার করলে ব্যাটারির চূড়ান্ত ক্ষতি হয়, ইন্টারনাল স্টোরেজ কমে।

৬. ফেসবুক : এভিজির তালিকায় ছ’নম্বরে রয়েছে ফেসবুকের নাম। এই অ্যাপটি স্মার্টফোন ব্যাটারির চার্জ দ্রুত কমিয়ে দেয়।

৭. হোয়াট্‌সঅ্যাপ : সারা দিনই প্রায় এই অ্যাপটি ব্যবহার করেন গ্রাহকেরা। এভিজি জানাচ্ছে, এই মেসেজিং অ্যাপ্লিকেশন ব্যাটারিরও ক্ষতি করে।

৮. লুকআউট সিকিউরিটি অ্যান্ড অ্যান্টিভাইরাস : এই সিকিউরিটি অ্যাপটি মোবাইলে খুবই জনপ্রিয়। অ্যাপটি ভাইরাস এবং ম্যালওয়ারের হানা থেকে মোবাইলকে বাঁচালেও, ব্যাটারির মারাত্মক ক্ষতি করে বলেই জানাচ্ছে এভিজি।

৯. ওয়েদার অ্যান্ড ক্লক উইজেট : এভিজির তালিকায় ন’নম্বরে রয়েছে এই অ্যাপ। নেট অন থাকলেই চটজলদি আবহাওয়ার রিপোর্ট হাতে পাওয়া যায়। সঠিক সময়ও দেখিয়ে দেয় অ্যাপ। কিন্তু, মোবাইল ব্যাটারির জন্য এটি মোটেই ভাল নয়।

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডিজিটাল ‘ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠা করবে ‘এটুআই’প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রো...
19/11/2017

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডিজিটাল ‘ইনোভেশন হাব’ প্রতিষ্ঠা করবে ‘এটুআই’

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের একসেস টু ইনফরমেশন (এটুআই) প্রোগ্রাম সম্প্রতি ঢাকার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইন্সিটিউট এর মিলনায়তনে সকল পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইনোভেশন হাব’ তৈরির লক্ষ্যে সকল উপাচার্যদের নিয়ে একটি ‘উপাচার্য সম্মেলন’ আয়োজন করেছে। মোবাইল ফোনে সম্মেলনের উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) ও এটুআই প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক কবির বিন আনোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সচিব ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী এবং মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. সোহরাব হোসাইন। উদ্ভাবনী সংস্কৃতিকে বেগবান করতে এটুআই প্রোগ্রাম প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘ইনোভেশন হাব’ তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে যার মধ্য দিয়ে নাগরিক সমস্যার বাস্তবায়নযোগ্য সমাধান তৈরি হবে। প্রত্যেকটি হাবের তত্ত্বাবধায়নে থাকবে এক্সিকিউটিভ কমিটি যাতে থাকবেন একজন হাব ফোক্যাল পার্সন, উপদেষ্টামণ্ডলী, এবং কিছু মেন্টর। এছাড়া সকল হাবকে এক সুতোয় বাঁধতে আছে একটি অনলাইন পোর্টাল (http://ilab.gov.bd/)। যেখানে কমিটির সদস্যরা নিবন্ধিত হবেন এবং এটুআই প্রোগ্রামের আইল্যাবের সাথে সহজেই সরাসরি যোগাযোগ করতে পারবেন। ইনোভেশন হাবের আওতায় আসা উদ্ভাবক, শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সহজেই এই পোর্টালে নিবন্ধিত হয়ে যেকোনো সময় ব্যান্সডক-এ সংগৃহীত গবেষণাপত্র, জার্নাল, ইত্যাদি ব্যবহার করতে পারবে এবং অনলাইনে বিভিন্ন রকম প্রশিক্ষণ পেতে পারবে। আরও থাকবে প্রোফাইল সংরক্ষণের সুযোগ, মেধাস্বত্ত্ব সংরক্ষণের নিশ্চয়তা প্রদান, কর্মক্ষেত্রে সুযোগ সৃষ্টি, অন্যান্য ল্যাবের সাথে যোগাযোগ ও নেটওয়ার্ক স্থাপন, বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন, সরকারী প্রতিষ্ঠানে ইন্টার্নশিপ, প্রকাশনা, বৃত্তিসহ আরো অনেক সুযোগ সুবিধা।

প্লে স্টোরে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণবিষয়ক বইয়ের অ্যাপগুগল প্লে স্টোরে উন্মুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণের ...
18/11/2017

প্লে স্টোরে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণবিষয়ক বইয়ের অ্যাপ

গুগল প্লে স্টোরে উন্মুক্ত হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ভাষণের বিশ্লেষণ নিয়ে লেখা বই ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: রাজনীতির মহাকাব্য’-এর অ্যাপ্লিকেশন। প্লে স্টোর থেকে অ্যাপটি বিনা মূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। সাতই মার্চের ভাষণ থেকে ২৬টি বাক্য বাছাই করে প্রতিটি বাক্যের ওপর দেশের খ্যাতিমান লেখক বুদ্ধিজীবীদের বিশ্লেষণ সংকলিত করে প্রকাশিত ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: রাজনীতির মহাকাব্য’ শীর্ষক বইটি প্রকাশ করেছে সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, গতকাল সোমবার ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: রাজনীতির মহাকাব্য’ বইটির মোড়ক, ডিজিটাল ভার্সন ই-বুক ও মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বইটিতে বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, শিক্ষাবিদ মুস্তাফা নূরউল ইসলাম, ইমেরিটাস অধ্যাপক আনিসুজ্জামান, আবদুল গাফ্‌ফার চৌধুরী, কামাল লোহানী, মুনতাসীর মামুন, হাসান আজিজুল হক, অজয় রায়, মুহম্মদ জাফর ইকবাল, আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক, আবেদ খান, এস এ মালেক, সেলিনা হোসেন, আনিসুল হক প্রমুখের লেখা রয়েছে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ জানান, দেশের প্রখ্যাত ব্যক্তিদের বিশ্লেষণে বঙ্গবন্ধুর সাতই মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ নিয়ে ‘বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ: রাজনীতির মহাকাব্য’ বইটির ছাপা সংস্করণ, ই-বুক ও অ্যাপ তৈরি করা হয়েছে। গুগল প্লে স্টোরে ‘সেভেনথ মার্চ স্পিচ অ্যানালাইসিস’ নামে অনুসন্ধান করলে অ্যাপটি পাওয়া যাবে। অ্যাপটি ডাউনলোড করা যাবে https://goo.gl/MaJM3r লিংক থেকে।

স্টার্টআপ কেন ব্যর্থ?মাথার মধ্যে দারুণ সব উদ্যোগ বা স্টার্টআপ তৈরির ধারণা ঘুরপাক খাচ্ছে? ধারণা নিয়েই তড়িঘড়ি করে অনেকেই ন...
18/11/2017

স্টার্টআপ কেন ব্যর্থ?

মাথার মধ্যে দারুণ সব উদ্যোগ বা স্টার্টআপ তৈরির ধারণা ঘুরপাক খাচ্ছে? ধারণা নিয়েই তড়িঘড়ি করে অনেকেই নেমে পড়েন ব্যবসায়। কিন্তু কিছুদিন যেতে না যেতে মুখ থুবড়ে পড়ে তাঁদের সেই স্টার্টআপ বা উদ্যোগ। উদ্যোক্তা আগ্রহ হারিয়ে বসেন বা ফুরিয়ে যায় তাঁর বিনিয়োগ করা অর্থ। এভাবে অনেক সম্ভাবনাময় উদ্যোগ শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে। বিশ্বজুড়ে স্টার্টআপগুলোর ব্যর্থতার কারণগুলো অনুসন্ধান করেছেন বিশেষজ্ঞরা।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিবিআই ইনসাইটস স্টার্টআপগুলোর ব্যর্থতার কয়েকটি কারণ প্রকাশ করেছে। দেখে নিন স্টার্টআপের ব্যর্থতার কিছু কারণ :

বাজারে অপ্রয়োজনীয় : কোনো ব্যবসা উদ্যোগ বা স্টার্টআপ তৈরির আগে তা বাজারে চলবে কি না, তা অবশ্যই যাচাই করা উচিত। কোনো সমস্যার চটকদার সমাধান তৈরির বদলে বাজারে তার চাহিদা কেমন, তা বিবেচনা করে ব্যবসায় উদ্যোগ নিতে হবে। অনেকেই বাজারের চাহিদা না রেখে আকর্ষণীয় সমাধান হিসেবে নিজেকে জাহির করে। সাধারণত এ কারণে ৪২ শতাংশ ক্ষেত্রেই স্টার্টআপগুলো বাজারে ব্যর্থ হয়।

অর্থ শেষ তো সব শেষ : অনেকের হাতে নগদ অর্থ থাকার সময় স্টার্টআপ নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েন। কিন্তু যখনই নগদ অর্থে টান পড়তে শুরু করে, তখনই উদ্যোগ নুয়ে পড়তে থাকে। কোনো স্টার্টআপের ব্যর্থতার দ্বিতীয় প্রধান কারণ হিসেবে নগদ অর্থের যথাযথ ব্যবহার না করাকে দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা। ২৯ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপের ব্যর্থতার জন্য অর্থ ঠিকমতো খরচ না করার বিষয়টিকে দায়ী করা হয়।

সঠিক দল না থাকা : স্টার্টআপের ব্যর্থতার আরেকটি কারণ হচ্ছে, সঠিকভাবে দল তৈরি করতে না পারা। ২৩ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপের ব্যর্থতার কারণ সঠিক দলের সমন্বয় না হওয়া। দক্ষ ও বিভিন্ন বিষয়ে অভিজ্ঞ দল না থাকলে স্টার্টআপ সফল হয় না। একটি উদ্যোগ নেওয়ার সময় যদি দলের সদস্যের যথাযথ সমন্বয় না থাকে, তবে সে স্টার্টআপ বেশি দূর নেওয়া যায় না।

প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারা : স্টার্টআপ ব্যর্থ হওয়ার চতুর্থ কারণ হচ্ছে প্রতিযোগিতার টিকতে না পারা। প্রতিযোগীদের হালকাভাবে নিলে তা দ্রুত আপনার স্টার্টআপকে ছাড়িয়ে যাবে। প্রতিযোগিতার বাজারে অন্যদের হালকাভাবে নেওয়ার সুযোগ নেই। ১৯ শতাংশ ক্ষেত্রে এ কারণে স্টার্টআপ ব্যর্থ হয়।

দামের বিষয় : সিবিআই ইনসাইটসের তথ্য অনুযায়ী, স্টার্টআপ ব্যর্থ হওয়ার পঞ্চম কারণ দামের বিষয়টি। কোনো স্টার্টআপের তৈরি পণ্য বা সেবার জন্য সঠিক দাম নির্ধারণ করা জরুরি। খুব বেশি বা খুব কম দাম স্টার্টআপের জন্য ক্ষতির কারণ হতে পারে। ১৮ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপ ব্যর্থতার কারণ এটি।

ব্যবহারবান্ধব পণ্য না থাকা : স্টার্টআপের তৈরি পণ্য বা সেবা অবশ্যই ব্যবহারবান্ধব হতে হবে। তা না হলে সে স্টার্টআপ চালানো কঠিন। ১৭ শতাংশ ক্ষেত্রে ব্যবহারবান্ধব পণ্য না হওয়ায় স্টার্টআপ ব্যর্থ হয়। পণ্য তৈরির সময় ব্যবহারকারীর চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তার কথা অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে। মনে রাখতে হবে, ক্রেতাই রাজা।

ব্যবসা মডেল না থাকা : স্টার্টআপের ব্যর্থতার জন্য ১৭ শতাংশ দায়ী করা হয় সঠিক ব্যবসার মডেল না থাকাকে। শুধু ব্যবসার একটি মডেল থাকলেই হবে না, তা টেকসই ও ঠিকভাবে চলবে কি না, সেটি গুরুত্বপূর্ণ।

দুর্বল বিপণন : বলা হয়, শুধু পণ্য বা সেবা তৈরি করা যথেষ্ট নয়, তা যথাযথ বিপণন করার কৌশলও জানা থাকতে হবে। সঠিক বিপণনের অভাবে অনেক স্টার্টআপ ব্যর্থ হতে দেখা গেছে। ১৪ শতাংশ ক্ষেত্রে কোনো উদ্যোগের ব্যর্থতার পেছনে দুর্বল বিপণনকে দায়ী করা হয়। কোনো ব্যবসার গ্রাহককে বোঝা ও তাদের আকর্ষণের কৌশল সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

গ্রাহকের প্রতিক্রিয়াকে মূল্যায়ন না করা : ১৪ শতাংশ ক্ষেত্রে গ্রাহকের প্রতিক্রিয়াকে মূল্যায়ন না করার বিষয়টি ব্যর্থতার কারণ হিসেবে ধরা হয়। পণ্য বা সেবা সম্পর্কে গ্রাহক কী বলছেন, তাদের চাহিদা অনুযায়ী সেবার মান বাড়াতে হবে। গ্রাহকের প্রতিক্রিয়া অনুযায়ী পরিবর্তন আনতে হবে। তবেই সফলতা আসবে। তা না হলে উদ্যোগ শুরুতেই ব্যর্থ হবে।

অসময়ে পণ্য : যে পণ্যের যখন চাহিদা বাজারে, তখন সেটি ছাড়তে হবে। সঠিক পণ্য সময় বুঝে ছাড়তে পারলে ব্যবসায় লাভ আসবে। খুব তাড়াতাড়ি বা খুব দেরিতে পণ্য বাজারে ছাড়ছে গ্রাহকের কাছে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। স্টার্টআপের ব্যর্থতার দশম কারণ মনে করা হয় ভুল সময়ে পণ্য বাজারে ছাড়ার বিষয়টিকে।

উদ্দেশ্য না থাকা : স্টার্টআপ বা উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ার আরেকটি কারণ হচ্ছে এর কোনো নির্দিষ্ট লক্ষ্য বা ফোকাস না থাকা। ব্যবসা শুরুর সময়ে মূল লক্ষ্য বিচ্যুত হয়ে অন্য বিষয় নিয়ে বেশি ঝুঁকে পড়লে ব্যবসার ক্ষতি হয়। ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপের ব্যর্থতার জন্য লক্ষ্য না থাকাকে দায়ী করেন বিশেষজ্ঞরা।

সহপ্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে বিবাদ : অনেক সময় বিনিয়োগকারী বা সহপ্রতিষ্ঠাতাদের সঙ্গে বিবাদে জড়িয়ে শুরুতেই মুখ থুবড়ে পড়ে স্টার্টআপ। ১৩ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপের ব্যর্থতার জন্য সহপ্রতিষ্ঠাতা বা বিনিয়োগকারীদের মধ্য বিবাদ দায়ী। স্টার্টআপ সফল করতে হলে নিজেদের মধ্যে বোঝাপড়া ভালো হতে হবে। স্বচ্ছ থাকতে হবে।

নেতৃত্ব ঠিক না করা : অনেক ক্ষেত্রে ভুল নেতৃত্বের কারণে উদ্যোগ ব্যর্থ হতে পারে। ১০ শতাংশ ক্ষেত্রে উদ্যোগের ব্যর্থতার জন্য ভুল নেতৃত্ব দায়ী। উদ্যোগ সফল করার প্রয়োজনে পরিবর্তন আনার বিষয়টি ভাবতে হবে।

আবেগ ও দক্ষতার অভাব : সিবিআই ইনসাইটসের সমীক্ষা অনুযায়ী, স্টার্টআপের ব্যর্থতার ১৪তম কারণ ধরা হয় উদ্যোগ বিষয়ে উদ্যোক্তার আবেগ ও দক্ষতা না থাকা। ৯ শতাংশ ক্ষেত্রে এটিকে স্টার্টআপের ব্যর্থতার কারণ হিসেবে সমীক্ষায় উঠে এসেছে।

অবস্থান : স্টার্টআপ বা উদ্যোগটি কোথায় নেওয়া হচ্ছে, সে স্থানটিও সফলতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পণ্য বা সেবা দেওয়ার সঙ্গে স্টার্টআপের অবস্থানের বিষয়টি বড় প্রভাব ফেলে। অনেক সময় সঠিক জায়গায় উদ্যোগটির অবস্থান না হলে সেটি ব্যর্থ হয়। ৯ শতাংশ ক্ষেত্রে স্টার্টআপের ব্যর্থতার জন্য বাজে অবস্থান দায়ী বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে।

তথ্যসূত্র : গ্যাজেটস নাউ।

মানবসভ্যতার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বড় হুমকিউন্নত প্রযুক্তির মহাকাশযান তৈরিসহ মঙ্গল গ্রহে বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে...
17/11/2017

মানবসভ্যতার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বড় হুমকি

উন্নত প্রযুক্তির মহাকাশযান তৈরিসহ মঙ্গল গ্রহে বসতি গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বেশ সমাদৃত মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্স এবং গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠান টেসলার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এলন মাস্ক। তিনি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছেন। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল গভর্নর অ্যাসোসিয়েশনের এক অনুষ্ঠানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বেশ সমালোচনা করেছেন টেসলা প্রধান।

ওই অনুষ্ঠানে এলন মাস্ক দাবি করেন, মানবসভ্যতার অবসান ঘটাতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাই যথেষ্ট। তিনি জানান, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সর্বশেষ সংস্করণের সঙ্গে তিনি যুক্ত আছেন। তাই এ ব্যাপারে কতটা সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত, তা নিয়ে বেশ চিন্তিত মাস্ক।

এবারই যে প্রথম মাস্ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে সবাইকে সতর্ক করছেন এমনটি নয়। কয়েক বছর ধরেই সতর্কতার বাণী শুনিয়ে আসছেন তিনি। পৃথিবীর অস্তিত্বের জন্য হুমকির কারণ হিসেবে পারমাণবিক অস্ত্রের পরই মাস্ক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে দায়ী করেন। এক টুইট বার্তায় ২০১৪ সালে মাস্ক বলেছিলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ সতর্কতা পালন করতে হবে। পারমাণবিক অস্ত্রের পরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আমাদের অস্তিত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ।’

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ প্রযুক্তির মাধ্যমে কারও যেন ক্ষতি না হয়, এ ব্যাপারে সরকারকে আরও মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দেন মাস্ক। অনুষ্ঠানটিতে তিনি বলেন, সময় পেরিয়ে যাওয়ার আগেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার বিকাশ ও ব্যবহার নিয়ে সরকারের হস্তক্ষেপ এবং নিয়ন্ত্রণ আনা প্রয়োজন। অনেক শিল্পকারখানাই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার নিয়মনীতি ও ঝুঁকির কথা তোয়াক্কা না করেই এই প্রযুক্তি ব্যবহার করছে। আর এতে মানুষ কর্মসংস্থান হারাচ্ছে।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে নীতিমালা প্রণয়নের আগে প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সরকারকে পরামর্শ করার আহ্বান জানান মাস্ক। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার হুমকির ব্যাপারে মাস্ককে সতর্ক করতে দেখে কেউ অবাক না হলেও এ বিষয়ে তাঁর সরকারি হস্তক্ষেপ দাবি করাকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন অনেকেই।

সূত্র: ম্যাশেবল

ঢাকায় চালু হলো ‘রোবট রেস্টুরেন্ট’দেশে প্রথম যাত্রা শুরু হলো রোবট রেস্টুরেন্টের। এ রেস্টুরেন্টে মানুষ নয়, শুধু রোবট কাস্ট...
17/11/2017

ঢাকায় চালু হলো ‘রোবট রেস্টুরেন্ট’

দেশে প্রথম যাত্রা শুরু হলো রোবট রেস্টুরেন্টের। এ রেস্টুরেন্টে মানুষ নয়, শুধু রোবট কাস্টমারকে খাবার সরবরাহ করবে। মিরপুর রোডে আসাদগেটের সন্নিকটে প্রধান সড়কের ফ্যামিলি ওয়ার্ল্ড টাওয়ারের দ্বিতীয় তলায় এ রেস্টুরেন্টের অবস্থান। গতকাল বুধবার রেস্টুরেন্টটির উদ্বোধন করা হয়।

এ উপলক্ষে নিজস্ব অডিটরিয়ামে রেস্টুরেন্ট কর্তৃপক্ষ ও রোবট প্রস্তুতকারী সংস্থা এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানি যৌথভাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করে।

আয়োজকরা জানান, বাংলাদেশ ও চীন যৌথভাবে এ রেস্টুরেন্টটি পরিচালনা করবে। শিশুদের বিনোদন ও খাবারের বিষয়টি চিন্তা করেই এ ধরনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। রেস্টুরেন্টটির পরিচালক রাহিন রাইয়ান নবী বলেন, রোবট কখনোই ক্লান্ত হবে না। তাই রোবট কাস্টমারকে আরো ভালো সেবা দিতে পারবে। যা সকল বয়সের মানুষের জন্য অত্যন্ত রোমাঞ্চকর পরিবেশও তৈরি করবে। বিশেষ করে শিশুরা সবচেয়ে বেশি রোমাঞ্চিত হবে।

তিনি বলেন, খাবারের দাম সাধ্যের মধ্যেই রাখা হবে যাতে সকল শ্রেণির মানুষই এই সেবা নিতে পারেন। শিশুদের জন্য বিশেষ কিছু খাবার থাকছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সবাই রোবটের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ করেন। এটি ছিল একটি সম্পূর্ণ নতুন অভিজ্ঞতা। রেস্টুরেন্টটিতে প্রাথমিকভাবে দুইটি রোবট কাজ করবে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত এইচ জেড এক্স ইলেকট্রনিক টেকনোলজি কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ম্যাক্স সোয়াজ বাংলাদেশে রোবট ডিজিটালাইজেশনের জন্য সহযোগিতা করার জন্য সব সময় প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন।

প্রতিষ্ঠানের চেয়ারম্যান আনোয়ারুন নবী মজুমদারের দুই সন্তান তাসিন রওনাক নবী ও রাহিন রাইয়ান নবী বিদেশে উচ্চ শিক্ষার জন্য অধ্যয়নরত অবস্থায় চীন সফরে যান। সেখানে তারা চীনের রোবট দ্বারা খাবার সরবরাহ পদ্ধতি দেখে আকৃষ্ট হন। তারা তখন সংশ্লিষ্ট রোবট কোম্পানির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করে রোবট রেস্টুরেন্ট চালুর বিষয়ে আলোচনা করেন।

সর্বসাধারণের সুবিধার্থে প্রাথমিক অবস্থায় আগামী এক মাসের জন্য শিশুদের ‘কিডমিল’ এবং দেশীয় খাবারের সেট ফুড পরিবেশন করা হবে। যার মূল্য সর্বোচ্চ ৫শ টাকার বেশি হবে না।

ফায়ারফক্স কেন ব্যবহার করবেন?গুগল ক্রোম ব্রাউজারের সঙ্গে পাল্লা দিতে আবার উঠেপড়ে লেগেছে মজিলা। গতকাল মঙ্গলবার ফায়ারফক্স ব...
17/11/2017

ফায়ারফক্স কেন ব্যবহার করবেন?

গুগল ক্রোম ব্রাউজারের সঙ্গে পাল্লা দিতে আবার উঠেপড়ে লেগেছে মজিলা। গতকাল মঙ্গলবার ফায়ারফক্স ব্রাউজারের নতুন সংস্করণ ফায়ারফক্স কোয়ান্টাম উন্মুক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যাঁরা ফায়ারফক্স ছেড়ে গুগলের ক্রোম ব্যবহার শুরু করেছেন, তাঁদের আবার ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করতেই ব্রাউজারটিতে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে মজিলা।

ওপেন সোর্স বা উন্মুক্ত ব্রাউজারটির ৫৭তম সংস্করণটি আগের চেয়ে অনেক দ্রুত কাজ করে। গত মার্চ মাসে উন্মুক্ত হওয়া ফায়ারফক্স ৫২তম সংস্করণটির চেয়ে ৫৭তম সংস্করণটির গতি দ্বিগুণ বেড়েছে। স্পিডোমিটার ২.০ বেঞ্চমার্ক সফটওয়্যারে গতি পরীক্ষা করে এ ফল পাওয়া গেছে।

এর আগে অনেক দিন গুগল ও মজিলার মধ্যে ব্রাউজারের পারফরমেন্স নিয়ে লড়াই চলেছে। কিন্তু পারফরম্যান্সের বিচারে অনেকেই ফায়ারফক্স ছেড়ে ক্রোম ব্যবহার শুরু করেছেন। ফায়ারফক্সের নতুন সংস্করণটি গুগল ক্রোমকে টেক্কা দেবে বলে মনে করছেন অনেকেই।

বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের বিশ্লেষক ডেভিড স্মিথ বলেন, মজিলার লক্ষ্য হচ্ছে ওয়েবকে সবার জন্য উন্মুক্ত ও প্রতিযোগিতামূলক রাখা। ফায়ারফক্স এর উদাহরণ। ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের একাধিক আধুনিক ব্রাউজার ব্যবহারের পরামর্শ দেন ডেভিড।

২০০৪ সালে ফায়ারফক্স ১.০ উন্মুক্ত করে মাইক্রোসফটের ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ব্রাউজারের আধিপত্যে হানা দেয় মজিলা। তবে এরপর থেকে মজিলার ভাগ্য বদলাতে শুরু করে। বর্তমানে গুগলের ক্রোম ব্রাউজার সবচেয়ে জনপ্রিয় ব্রাউজার। ফোন ও ট্যাবলেটের ক্ষেত্রে মজিলাকে একেবারেই সরিয়ে দিয়েছে গুগল। ক্রোমের সঙ্গে টক্কর দিতে গত এক বছর ধরে ফায়ারফক্স কোয়ান্টাম নিয়ে কাজ করছে মজিলা।

মজিলার ফায়ারফক্স বিভাগের জ্যেষ্ঠ ভাইস প্রেসিডেন্ট মার্ক মায়ো বলেন, ‘আমরা আমাদের টেনে ওপরে তুলেছি এবং কিছু ক্ষেত্রে ক্রোমকে ছাড়িয়ে গেছি। এ বছর ফায়ারফক্সের পারফরম্যান্স দ্বিগুণ হয়েছে। ২০১৮ সালে এর চেয়েও দ্বিগুণ গতিতে চলবে ফায়ারফক্স।’

বাজার বিশ্লেষকেরা বলছেন, ফায়ারফক্সের গতি বাড়লেও মানুষকে ব্রাউজার বদলাতে রাজি করানো কঠিন হবে। বর্তমানে ব্রাউজার ব্যবহারে এগিয়ে রয়েছে ক্রোম। ৫৫ শতাংশ ব্যবহারকারী ক্রোম ব্যবহার করছেন। ১৫ শতাংশ ব্যবহার করছেন অ্যাপলের সাফারি ব্রাউজার। ৬ শতাংশ ব্যবহারকারী ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন। এখন ফায়ারফক্স ব্যবহারকারীদের নতুন সংস্করণটি হালনাগাদ করার বিষয়টি গুরুত্ব দিচ্ছে।

মজিলা কর্তৃপক্ষ কিছুটা আশাবাদী। কারণ ফায়ারফক্সের ডেভেলপার সংস্করণটি গত সেপ্টেম্বরে উন্মুক্ত হওয়ার পর থেকে ব্যবহারকারী দ্বিগুণ হয়েছে। আগামী কয়েক মাসে ফায়ারফক্স ব্যবহারকারী বেড়ে যাবে বলে আশা করছেন তাঁরা। বর্তমানে প্রায় ১০ কোটি ব্যবহারকারী ফায়ারফক্স ব্যবহার করছেন।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সের খবরে জানানো হয়, ফায়ারফক্স ব্রাউজারে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছে মজিলা। যুক্তরাষ্ট্রসহ কয়েকটি অঞ্চলের জন্য ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে ইয়াহুর পরিবর্তে অ্যালফাবেটের গুগলকে ঠিক করেছে মজিলা। এতে ভেরাইজন কমিউনিকেশনের ইয়াহুর সঙ্গে চুক্তি বাতিল করল প্রতিষ্ঠানটি। গুগল কর্তৃপক্ষ মজিলার সঙ্গে কাজ করার বিষয়টি নিশ্চিত করলেও এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হয়নি। যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, হংকং, তাইওয়ানের ডেস্কটপ ও মোবাইলে ডিফল্ট সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে রাখছে মজিলা।

মজিলার প্রধান ব্যবসা কর্মকর্তা ডেনেলি ডিক্সন বলেন, ‘আমাদের ব্র্যান্ডের জন্য কোনটি ভালো কাজ করবে, কিসে উন্নত ওয়েব সার্চ সেবা দেওয়া যবে প্রভৃতি বিষয়সহ কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করে গুগল সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওথ ও ভেরাইজনের সঙ্গে আমাদের সার্চের বাইরে পৃথক বিষয় নিয়ে কাজ করার সুযোগ রয়েছে।’

ইয়াহুকে কিনে নেওয়া ভেরাইজনের ওথ ইউনিটের মুখপাত্র চার্লস স্টুয়ার্ট বলেন, ‘মজিলার ভিন্ন পথ বেছে নেওয়াতে আমরা আশ্চর্য হয়েছে। চুক্তির বিষয়গুলো নিয়ে আমরা তাদের সঙ্গে আলোচনা করছিলাম।’

মজিলা কর্তৃপক্ষ বলছে, তাদের নতুন ব্রাউজারটি এখন গুগল ক্রোমের চেয়ে ৩০ শতাংশ হালকা এবং কম্পিউটারে কম শক্তি খরচ করে।

২০১৪ সাল পর্যন্ত ফায়ারফক্সে ডিফল্ট সার্চ হিসেবে ছিল গুগল। এরপর থেকে গুগলকে শুধু ইউরোপে ডিফল্ট সার্চ হিসেবে রাখলেও অন্যান্য অঞ্চলে ইয়াহু, ইয়ানডেস্ক ও বাইদুকে ব্যবহার করে ফায়ারফক্স। ২০১৪ সালে মজিলার সঙ্গে পাঁচ বছরের চুক্তি করেন ইয়াহুর সাবেক প্রধান নির্বাহী মারিসা মেয়ার। এরপর থেকে গুগল ও মজিলার টক্কর দেওয়া শুরু হয়। এরপর থেকে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে মজিলার ব্যবহার বেড়ে ৬০ শতাংশ হয়েছে। মজিলা, অ্যাপল ও মাইক্রোসফটের ব্রাউজার পরস্পরের সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।

২০১৫ সালে ইয়াহু কর্তৃপক্ষ মজিলাকে ৩৭ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার দেয়। ২০১৯ সাল পর্যন্ত মজিলাকে বছরে সমপরিমাণ অর্থ দেওয়ার কথা ছিল। ইয়াহু ও গুগল কর্তৃপক্ষ সার্চ ফলাফল দেখানো, বিজ্ঞাপন বিক্রি ও মূল্যবান ব্যবহারকারীর তথ্য সংগ্রহ করে। গুগল কর্তৃপক্ষ মজিলাকে কত অর্থ দেবে, সে বিষয়টি এখনো জানা যায়নি।

তথ্যসূত্র: রয়টার্স।

Address

Dhaka

Telephone

+8801713185414

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Everest IT Software and Services posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Everest IT Software and Services:

Share