দক্ষ সহযোদ্ধা

দক্ষ সহযোদ্ধা দক্ষ সহযোদ্ধা – অনলাইন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, যেখানে সহযোদ্ধারা শিখবে জ্ঞান, দক্ষতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার

১৯৮১ সালের এই কালো দিনে, ভোরের আলো ফোটার আগেই বাংলাদেশের বুকে নেমে এসেছিল ঘন অন্ধকার। ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধে শহীদ হয়েছি...
30/05/2026

১৯৮১ সালের এই কালো দিনে, ভোরের আলো ফোটার আগেই বাংলাদেশের বুকে নেমে এসেছিল ঘন অন্ধকার। ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধে শহীদ হয়েছিলেন প্রিয় নেতা, স্বাধীনতার ঘোষক, বাংলাদেশের স্থপতি জিয়াউর রহমান। চোখের পানিতে ভেসে গিয়েছিল গোটা জাতি। আকাশে-বাতাসে শুধু একটাই আর্তনাদ — “জিয়া নেই!”
বিশ্বব্যাপী পত্রিকায় প্রকাশিত সেই শিরোনামগুলো, যা আজও বুকে হাহাকার জাগায়:
• The New York Times: ‘President Ziaur Rahman Assassinated in Military Coup’
• The Times (London): ‘Bangladesh Mourns the Death of Its Strongman President Zia’
• The Daily Ittefaq: ‘রক্তাক্ত চট্টগ্রাম, প্রেসিডেন্ট জিয়া শহীদ’
• The Bangladesh Times: ‘Ziaur Rahman Martyred: Nation in Shock’
• সংবাদঃ ‘ভোরের রক্তাক্ত সূর্য, জিয়া চলে গেলেন অমর হয়ে’
• দৈনিক দেশঃ ‘শোকের সাগরে’....।
আমার সংগ্রহে থাকা পত্রিকার মধ্যে থেকে বেশ কয়েকটি পত্রিকার হেডিং দিয়ে এই পোষ্টার।নিউ ইয়োর্ক টাইমস তাদের বিশেষ ফিচারের হেডিং দিয়েছিল- ‘Ziur Rahman was Strict Leader who Tried to Give Nation Direction’ - ‘জিয়াউর রহমান ছিলেন একজন কঠোর নেতা, যিনি জাতিকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন।’

© Ashik Islam

গল্প নয়, সত্যিবিষয়ঃ চাঁদে প্রথম অবতরণের পর এপোলো ১১-এর তিন নভোচারী ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে ঢাকায় এসেছিলেন। চাঁদের বুকে মানু...
02/04/2026

গল্প নয়, সত্যি
বিষয়ঃ চাঁদে প্রথম অবতরণের পর এপোলো ১১-এর তিন নভোচারী ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে ঢাকায় এসেছিলেন।
চাঁদের বুকে মানুষের শেষ অবতরণ হয়েছিল ১৯৭২ সালে। তারপর বহু বছরের প্রতীক্ষা শেষে আবার চন্দ্র অভিযানে পা বাড়িয়েছে মানুষ। এই সংবাদটি আজ বিশ্বের সব মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে। কিন্তু এই প্রজন্মের অনেকেই হয়তো জানেন না যে, ১৯৬৯ সালের জুলাই মাসে চাঁদে প্রথম অবতরণের পর এপোলো ১১-এর তিন নভোচারী ১৯৬৯ সালের অক্টোবরে ঢাকায় এসেছিলেন। হ্যাঁ, এটি সত্যি ঘটনা।
১৯৬৯ সালের ২০ জুলাই নীল আর্মস্ট্রং, বাজ অলড্রিন ও মাইকেল কলিন্স চাঁদে অবতরণ করে ইতিহাস গড়েন। এই যুগান্তকারী বিজয়কে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে আমেরিকা তাদের নিয়ে এক বিশাল ‘প্রজেক্ট জায়ান্ট স্টেপ’ নামে বিশ্বভ্রমণের আয়োজন করে। ১৯৬৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ নভেম্বর পর্যন্ত চলা এই ৩৮ দিনের সফরে নভোচারীরা ২৩টি দেশের ২৭টি শহর পরিদর্শন করেন।
১৯৬৯ সালের ২৭ অক্টোবর একদিনের সফরে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকায় আসেন তিন নভোচারী। তারা এক রাত এখানে অবস্থান করে পরদিন ব্যাংককের উদ্দেশ্যে রওনা দেন। ঢাকায় তাদের দেওয়া হয়েছিল রাজকীয় সম্বর্ধনা। বিমানবন্দরে লাল গালিচা বিছানো হয়, ফুলের মালা দিয়ে বরণ করা হয় এবং বিশাল জনসমাগমে শহরের রাস্তায় প্যারেড হয়।
রিয়াজ গার্মেন্টসের বিজ্ঞাপনঃ
একটি মজার ঘটনা হলো—১৯৭০ সালে বাংলা শিশু-কিশোর পত্রিকা ‘জোনাকী’ -তে একটি বিজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞাপনে দেখানো হয় যে, চন্দ্রবিজয়ী তিন নভোচারী ঢাকা সফরে এলে রিয়াজ গার্মেন্টস তাদের তিনজনকে তিনটি শার্ট উপহার দেয়। নভোচারীরা নাকি প্রাপ্তি স্বীকার করে রিয়াজ গার্মেন্টসকে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠিও দিয়েছিলেন।
তবে এই বিজ্ঞাপনের সত্যতা নিয়ে সন্দেহ আছে। কোনো নির্ভরযোগ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি। উল্লেখ্য, রিয়াজ গার্মেন্টসের সঙ্গে তৎকালীন আওয়ামী লীগের দুজন নেতার যোগসূত্র ছিল বলে জানা যায়, যা সন্দেহকে আরও বাড়িয়ে দেয়।

লেখা : Ashik Islam

We revolt
25/03/2026

We revolt

গল্প নয়, সত্যিবিষয়ঃ প্রধানমন্ত্রীর ৬৫ হাজার টাকার শাড়ি ১৯৯১ সালের ২০ মার্চ। বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অভূতপূর্ব দিন। বেগ...
21/03/2026

গল্প নয়, সত্যি
বিষয়ঃ প্রধানমন্ত্রীর ৬৫ হাজার টাকার শাড়ি

১৯৯১ সালের ২০ মার্চ। বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি অভূতপূর্ব দিন। বেগম খালেদা জিয়া প্রথমবারের মতো প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন—দেশের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী। নতুন দায়িত্বের মধ্যেই এল ঈদুল ফিতর। এপ্রিল মাসে উদযাপিত সেই ঈদ ছিল তাঁর জীবনের এক অনন্য অধ্যায়। রাষ্ট্রীয় প্রটোকল, নিরাপত্তার বেষ্টনী, প্রধানমন্ত্রীর পদের গুরুত্ব—সবকিছুর মাঝেও তিনি সাধারণ মানুষের মতোই ঈদের আনন্দে মিশে যেতে চেয়েছিলেন।
ঈদের আগে তিনি ঢাকার কয়েকটি মার্কেটে গিয়েছিলেন। সাধারণ মানুষের সঙ্গে মিশে কেনাকাটা করেছিলেন।একটি আওয়ামীপন্থী পত্রিকার সম্পাদক লিখে ফেললেন—‘প্রধানমন্ত্রী ৬৫ হাজার টাকার শাড়ি কিনেছেন!’ খবরটি ছড়িয়ে পড়ল প্রেসক্লাবের আড্ডা থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহলে। সমালোচনার সুর উঠল—‘প্রধানমন্ত্রী হয়েই এত দামি শাড়ি? ভাবা যায় না!’
কিন্তু সত্যটা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। অনুসন্ধানে বেরিয়ে এল, - প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া তাঁর প্রথম মাসের পুরো বেতন দিয়েই শাড়িগুলো কিনেছিলেন। সেগুলো নিজের জন্য নয়—গরিব-দুঃখী, এতিমদের জন্য। ঈদের আনন্দ যেন সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ে, সেই উদ্দেশ্যে তিনি নিজ হাতে সেই শাড়িগুলো এতিমখানায় বিতরণ করেছিলেন। সে সময় প্রধানমন্ত্রীর কোনো ত্রাণভান্ডার ছিল না; তাই নিজের বেতনের টাকাই ছিল তাঁর একমাত্র সম্বল।
এই সত্য উন্মোচিত হওয়ার পর সে সময়ের জনপ্রিয় সাপ্তাহিক ‘আগামী’ পত্রিকার ১৭ মে সংখ্যায় প্রকাশিত হল একটি চমকপ্রদ প্রতিবেদন। শিরোনাম—‘খালেদা জিয়ার কেনাকাটা’। লেখায় বিস্তারিত বর্ননা করে সরাসরি সেই সম্পাদককে উদ্দেশ করে বলা হল:
“খালেদা জিয়ার কেনাকাটার খবর অনেকের সঙ্গে একজন সম্পাদকের কানেও গিয়েছিল। তিনি আবার একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের আদর্শে বিশ্বাসী। এজন্যই হয়তো খালেদা জিয়া সম্পর্কে রটাতে থাকেন যে, প্রধানমন্ত্রী হয়েই ৬৫ হাজার টাকার শাড়ি কিনলেন? পরে জানা গেল, খালেদা জিয়া ওই শাড়িগুলো গরিব-দুঃখীদের মাঝে বিতরণ করেছেন। এই খবর ওই সম্পাদকের কানে গিয়েছিল কি না জানা যায়নি। তবে সম্পাদক যে আরেকটি খবর শুনে ভড়কে গিয়েছিলেন, তা জানা গেছে। সেটি হচ্ছে—খালেদা জিয়া লোকজন দিয়ে খবর নেন, ঢাকা শহরের কোথায় কম দামে জুতা-স্যান্ডেল পাওয়া যায়। শেষে খবর পাওয়া গেল, মীরপুরে কম দামে জুতা-স্যান্ডেল পাওয়া যায়।

27/02/2026

নেতৃত্ব তখনই পূর্ণতা পায়,
যখন তা শিশুদের ভালোবাসায় মিশে যায়।

20/02/2026

২০১৮ বনাম ২০২৬

20/02/2026
Congratulations to the new Prime Minister of Bangladesh, Mr. Tarique Rahman.
17/02/2026

Congratulations to the new Prime Minister of Bangladesh, Mr. Tarique Rahman.

তারেক রহমান ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার :সম্প্রতি আমাদের দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। তবে নির্বাচনের আগে আমরা চিরাচরিত রীতি ...
17/02/2026

তারেক রহমান ও রাজনৈতিক শিষ্টাচার :
সম্প্রতি আমাদের দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল। তবে নির্বাচনের আগে আমরা চিরাচরিত রীতি অনুযায়ী প্রতিদ্বন্দ্বী দলগুলোর মধ্যে নির্বাচনী দ্বৈরথ দেখেছি। ভোটার টানতে একটি দল আরেকটি দলকে ঘায়েল করার চেষ্টা করেছে। নির্বাচনী বাদানুবাদ কখনো কখনো তিক্ততা ছড়িয়েছে। একপর্যায়ে নির্বাচন শেষ হয়েছে। নির্বাচনে বিএনপি ২১১ টি আসন নিয়ে ভূমিধস বিজয় অর্জন করেছে। পরাজিত হয়েছে জামায়ত ও এনসিপির নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট। এত বড় বিজয়ের পর এদেশের পুরানো রীতি অনুযায়ী বিএনপির সাধারণত ভাব ধরার কথা। কিন্তু আমরা দেখলাম ঠিক তার উল্টোটা। ভাব ধরার পরবর্তী সবাইকে অবাক করে দিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিরোধী দল জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান , এনসিপির আহবায়ক নাহিদ ইসলামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলেন। তার এ সাক্ষাৎ এমন এক সময় অনুষ্ঠিত হল যখন কিনা উনারা বলে বেড়াচ্ছেন এমনকি মিছিল করছেন এই অভিযোগে যে বিএনপি কারচুপি করে নির্বাচনে জিতেছে। কি অনুপম রাজনৈতিক শিষ্টাচার তারেক রহমান প্রদর্শন করলেন? ইনি সেই তারেক রহমান যার নামে পতিত আওয়ামী লীগ কমপক্ষে ১৬ টি মামলা দিয়েছিলেন। কারাদণ্ড দিয়েছিলেন। তারেক রহমান জামায়াতের আমির ও এনসিপির প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি অপর আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দল ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রধানের সঙ্গেও সাক্ষাৎ করেন। তারেক রহমানের এহেন রাজনৈতিক শিষ্টাচার সর্বমহলে প্রশংসিত হচ্ছে। তবে তারেক রহমান কি এবারই প্রথম এহেন রাজনৈতিক শিষ্টাচার প্রদর্শন করলেন? নাকি রাজনৈতিক শিষ্টাচার প্রদর্শন তার ব্যক্তিগত গুণাবলীর অংশ?পারিবারিক শিক্ষা? আসুন দেখি --
২০০৪ সালের ২৭ জানুয়ারী বিএনপির ফরিদপুর ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভা শেষে তারেক রহমান টুঙ্গি পাড়ায় গিয়েছিলের শেখ মুজিবুর রহমানের মাজার জিয়ারত করতে। মাজার যিয়ারতও করেছিলেন। তবে তার সেখানেও এক ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটায় আওয়ামী লীগ। তারেক রহমান ও তার সফর সঙ্গীদের উপস্থিতিতে প্রথমে মাজার প্রাঙ্গনের বিদ্যুৎ বন্ধ করে দেয়া হয়। মাজার জিয়ারত করতে চাইলে বলা হয়, মাজার তালা দেয়া এবং খাদেম নাই। তারেক রহমান বলেন তিনি অপেক্ষা করবেন, খাদেমের খোজ করুন। সে সময় তারেক রহমানের সাথে উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন প্রতিনিধি সভা কভার করতে ঢাকা থেকে আসা ২৩ জন সাংবাদিক। অন্ধকারে টিভি সাংবাদিকদের ক্যামেরার আলোয় মানুষ জড়ো হতে থাকে। প্রায় বিশ মিনিট অপেক্ষার পরা খাদেম মাজারের তালা খুলে দেন। এরপর তারেক রহমান মাজার জিয়ারত করেন। আওয়ামী লীগ যখন তারেক রহমান ও বিএনপির বিরুদ্ধে ঘৃণার বিষবাষ্প ছড়াচ্ছিল ঠিক তখনই তারেক রহমান এ কাজটি করেছিলেন যা তার রাজনৈতিক শিষ্টাচারের পরিচায়ক।
ঘৃণাকে ভালোবাসার মাধ্যমে জয় করার আরো উদাহরণ আছে তারেক রহমানের। ২০০৪ সালে শেখ হাসিনা পুত্র সজীব ওয়াজেদ জয় যখন দেশে আসেন তখন আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে বলা হয় তিনি রাজনীতিতে যুক্ত হবেন। জয়কে সধুবাদ জানিয়ে তারেক রহমান ফুল মিষ্টি এবং একটি চিঠি পাঠিয়েছিলেন। তৎকালীন এমপি জহিরুদ্দিন স্বপনের নেতৃত্বে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব আশিক ইসলাম এবং ছাত্রনেতা রকিবুল ইসলাম বকুল গিয়েছিলাম সুধা সদনে। তবে সে সময় তাদেরকে ঢুকতে দেয়া হয়নি। বাড়ির গেইটে শুধুমাত্র চিঠি রেখে ফুল ও মিষ্টি ফেরত দেয়া হয়েছিলো। উনাদের সাথে এতই জঘন্য আচরন এবং হেনস্থা করা হয়েছিলো যে, পুলিশ কল করে পুলিশের সহায়তায় তাদেরকে ফেরত আসতে হয়েছিলো।
জ্বী, এটাই তারেক রহমান আজ যিনি এদেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব নিতে যাচ্ছেন।
নোট: শেখ মুজিবের কবর জিয়ারতের ছবি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সিনিয়র সহকারী প্রেস সচিব আশিক ইসলামের কাছ থেকে সংগৃহীত এবং উপরোক্ত কাহিনী দুটিও আশিক ভাইয়ের কাছ থেকে শোনা।

লেখা : G M Rajib Hossain

15/02/2026

We Have a Plan 🔥

Address

House-54, Road-1, Block-A, Niketon
Dhaka
1212

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when দক্ষ সহযোদ্ধা posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share